মেয়াদ শেষে দুই বছরেও সম্মেলনের উদ্যোগ নেই ছাত্রদলে
অনলাইন ডেস্ক: কমিটির কোনো খবর আছে, কবে হতে পারে কিছু জানেন?- ছাত্রদলের কর্মী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ প্রত্যাশী নেতাদের মুখে এমন প্রশ্ন ঘুরে ফিরে। জ্যেষ্ঠ নেতাদের কাছে ‘ছোটরা’ এমন প্রশ্ন করলেও কোনো সদুত্তর দিতে পারছে না কেউ। কারণ কারোরই জানা নেই কবে হতে পারে দুই বছর আগে মেয়াদ ফুরানো ছাত্রদলের নতুন কমিটি। ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর রাজীব আহসানকে সভাপতি আর মামুনুর রশিদ মামুনকে সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং আকরামুল হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রদলের ১৫৩ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটির মেয়াদ আট মাস বাকি থাকতে ২০১৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ৭৩৬ সদস্যের ‘ঢাউস’ পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০১৬ সালের অক্টোবরে। কিন্তু দুই বছরেও নতুন কমিটি দিতে সম্মেলনের কথাই হয়নি। কেন্দ্রীয় শীর্ষ পদ প্রত্যাশী নোয়াখালী অঞ্চলের একজন ছাত্রদল নেতা ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘কমিটি কবে হবে ছোট ভাইদের এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে ক্লান্ত। অথচ আমাদের কাছেও এখনও কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই। তবে শুনেছি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান (তারেক রহমান) বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন।’ তবে বিএনপি অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি হওয়ায় আশাবাদী হয়ে উঠছেন ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান পেতে আগ্রহী সদস্যরা। পদপ্রত্যাশীদের প্রত্যাশা, কমিটি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং আন্দোলন সংগ্রামে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। তাই বিগত আন্দোলনে যারা মাঠে ছিল, চাপের মুখেও মাঠ ছাড়েনি, নতুন নেতৃত্ব যেন তাদের হাতেই দেয়া হয়। ঠিক সময়ে কমিটি না হওয়ায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ আছে এটা বিএনপির নেতারাও জানেন। তবে চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাগারে যাওয়াসহ নানা কারণে কমিটি দেয়ায় বিলম্ব হয়েছে। দীর্ঘদিনেও কমিটি না হওয়ায় চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে। আগের মতো তেমন কোনো কর্মসূচি না থাকায় নিষ্ক্রিয়ও হয়ে পড়েছেন কেউ কেউ। ছাত্রদলের একজন কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকাইমসকে বলেন, ‘আসলে আমরা গার্ডিয়ান ছাড়া হয়ে পড়েছি। ১০টা বছর প্রতিকূল অবস্থায় কাটাতে হয়েছে। দুই বছর হলো মেয়াদ শেষ কিন্তু কমিটি হলো না। কেউ বলতেও পারছেন না কবে কমিটি হবে। পুরোপুরি অনিশ্চিত অবস্থা। আমরা এর অবসান চাই।’ ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক দবির উদ্দীন তুষার কমিটির বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘মেয়াদ শেষ হওয়া ওষুধ খেলে মানুষ বেশি অসুস্থ হয়ে পড়বে, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। ঠিক মেয়াদ শেষ হওয়া ছাত্রদলের কমিটি দিয়ে বিএনপি আন্দোলনে গেলে সফলতা না আসার সম্ভাবনাই বেশি। বর্তমান অবস্থায় ছাত্রদলে কোনো চেইন অব কমান্ড নেই।’ তবে এমনটা মানতে রাজি নন বিএনপির সাবেক ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও বর্তমান প্রচার সম্পাদক সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী। ঢাকাটাইমসকে তিনি বলেন, ‘ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে কারাগারে আমাদের চেয়ারপারসন। এই সময় নির্যাতনের মধ্যেও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। চেয়ারপারসনের অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছাত্রদলের দেখভাল করছেন। কমিটির বিষয়টিও তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।’ নতুন কমিটির বিষয়ে ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, ‘কমিটি এটি সংগঠনের চলমান প্রক্রিয়া। দায়িত্বশীলরা পরিবেশ-পরিস্থিতি দেখে যখন উপযোগী মনে করবেন তখন অবশ্যই যোগ্যদের দিয়ে কমিটি করবেন।’ বিএনপির সাবেক ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন বলেন, ‘আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দ্রুত কমিটি হওয়ার দাবি রাখে।’ বিএনপির নেতারা বলছেন, তারা সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আন্দোলনে যাবেন। আর এর আগে ছাত্রদলের কমিটি করার ব্যাপারে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আছে। ইতিমধ্যে মূল দলের ইউনিয়ন পর্যায়ের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সহযোগী সংগঠনের সব ইউনিটের কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন, আংশিক কমিটিগুলোও পূর্ণাঙ্গ করার বিষয়ে দলের সিদ্ধান্ত রয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ বিষয়ে বলেন, ‘কমিটি গঠন একটা চলমান প্রক্রিয়া। আর দলে গতি আনতে হলে অবশ্যই মূল দলের পাশাপাশি অঙ্গ সংগঠনকে গোছাতে হবে। ছাত্রদল আমাদের ভ্যানগার্ড। এদের কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার খবর দলের হাইকমান্ড অবগত। আশা করি সহসাই এ ব্যাপারে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেয়া হবে।’ ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতি রাজীব আহসান ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘মেয়াদ শেষ হলে নতুন কমিটি করার দায়িত্ব বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের। তারা সার্বিক বিষয় খোঁজখবর রাখছেন। আশা করি দ্রুত সময়ে নতুন কমিটি পাবে ছাত্রদলের লাখ লাখ কর্মী সমর্থক। তবে নির্দিষ্ট করে বলা মুশকিল।’ নতুন কমিটির দাবি নিয়ে দেন দরবার ছাত্রদলের নতুন কমিটি কবে হবে, সেটা জানা না থাকলেও পদপ্রত্যাশালীরা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও এসব নেতারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। নতুন কমিটিতে সংগঠনটির শীর্ষ পদ পেতে আগ্রহী এজমল হোসেন পাইলট ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘বর্তমান কমিটি অনেক দিন আগেই মেয়াদ শেষ হয়েছে। নতুন কমিটি হলে সংগঠনে গতি আসবে, আগামী দিনের আন্দোলন-সংগ্রামে আরও অংশগ্রহণ বাড়বে। এমন প্রত্যাশা থেকেই কমিটি চাইছি আমরা।’ ছাত্রদলের আরেক সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘চার বছর হতে চলল ছাত্রদলের কমিটি। স্বভাবতই নতুন কমিটির দাবিটা যৌক্তিক। মাঠ পর্যায়ও চাচ্ছে নতুন কমিটির মাধ্যমে নব উদ্দীপনা সৃষ্টি হোক। তবে সবকিছু নির্ভর করছে আমাদের আদর্শিক নেতা তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের ওপর।’ ছাত্রদলের সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক আবদুর রহিম ঢাকাটাইমসকে বলেন, ১/১১ থেকে শুরু করে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে ও পরে সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনেই রাজপথে সক্রিয় আছি। মেধা ও ত্যাগের মূল্যায়ন করলে আশা করি আগামী কমিটিতে উপযুক্ত পদ পাব। পদ পেতে আগ্রহী যারা নতুন কমিটিতে শীর্ষ পদের জন্য আলোচিতদের মধ্যে রয়েছেন বর্তমান সহ-সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট, আলমগীর হাসান সোহান, নাজমুল হাসান ও আবু আতিক আল হাসান মিন্টু। যুগ্ম সম্পাদকদের মধ্যে আছেন আসাদুজ্জামান আসাদ, নুরুল হুদা বাবু, মিয়া মো. রাসেল, বায়েজিদ আরেফিন, শামছুল আলম রানা, করিম সরকার, মেহবুব মাসুম শান্ত, আব্দুর রহিম হাওলাদার সেতু, মিজানুর রহমান সোহাগ, করিম সরকার, মির্জা ইয়াসিন আলী, নাজিম মাহমুদ। সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আসাদু্জ্জামান আসাদ, ইখতিয়ার কবির, কাজী মোখতার হোসাইন, মিয়া রাসেল, মেহবুব মাসুম শান্ত, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ক্রীড়া সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ, সমাজসেবা সম্পাদক আবদুর রহিম, পাঠাগার সম্পাদক মেহেদী হাসান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সভাপতি মেহেদী তালুকদারসহ আরও কেউ কেউ চাচ্ছেন ছাত্রদলের নতুন কমিটির সামনের সাড়িতে জায়গা করে নিতে।ঢাকাটাইমস
বিএনপি আমাকে মনোনয়ন দিলে আমি নির্বাচন করবো: লুনা
অনলাইন ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বিএনপির উপদেষ্টা ও নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর পত্মী তাহসিনা রুশদী লুনা বলেছেন, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আমাকে মনোনয়ন দিলে আমি সিলেট-২ আসনে নির্বাচন করবো। আমি আমার সাধ্যমতো এই আসনের জনগণের সঙ্গে সবসময়ই যোগাযোগ করে আসছি। পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীরাও আমাকে অনেক মূল্যায়ন করছেন। তাই দল থেকে আমাকে যদি মনোনয়ন দেয়া হয় তাহলে এই আসনের জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন বলে আমি আশাবাদী। শনিবার রাতে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে উপজেলার রামধানা গ্রামে স্বামী নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর বাড়িতে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি নেতা ও উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান লিলু মিয়া।
বিএনপির অনেক নেতার দণ্ডিত হওয়ার আশঙ্কা আছে
অনলাইন ডেস্ক: খুব শিগগিরই একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার রায় হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এতে বিএনপির অনেক নেতারই দণ্ডিত হওয়ার আশঙ্কা আছে বলেও জানান তিনি। চট্টগ্রাম পতেঙ্গা এলাকায় শনিবার সকালে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই (একুশে আগস্ট) হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপি সরাসরি জড়িত। আদালতে নিরপেক্ষভাবে বিচার হচ্ছে। বিচারে যারাই দোষী সাব্যস্ত হবে, যত প্রভাবশালী হোক শাস্তি তাদের পেতেই হবে। তিনি বলেন,এরকম একটা নৃশংস হত্যাকাণ্ড, যেখানে আইভি রহমানসহ ২২ জনের প্রাণপ্রদীপ নিভে গেছে। প্রাইম মিনিস্টার (প্রধানমন্ত্রী) তো আল্লাহর রহমতে বেঁচে গেছেন। কারা জড়িত সেটা বিচারালয় সিদ্ধান্ত নেবে। বিচার বিভাগ স্বাধীন। এখানে আমাদের কোনো হস্তক্ষেপ নেই। ওবায়দুল কাদের বলেন,বিচার বিভাগ তার স্বাধীন কার্যক্রমের আওতায় স্বাধীন সিদ্ধান্ত দেবে, রায় দেবে। এতে বিএনপির অনেক নেতার দণ্ডিত হওয়ার আশঙ্কা আছে। সুতরাং তারা যদি দণ্ডিত হয়, সামনে জাতীয় নির্বাচন, তাহলে তো বলাই যায় যে, তাদের অস্তিত্ব কিছুটা সংকটের মুখে পড়বে। কোটা ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে বিদেশি ইন্ধন ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি অন্ধকারে ঢিল ছুঁড়ি না। থাকলে সেটা আস্তে আস্তে বের হবে। তবে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ইন্ধন ছিল। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন,আমীর খসরু সাহেব কুমিল্লার নেতাকর্মীদের ঢাকায় ডাকলেন। আন্দোলন হচ্ছে নিরীহ ছাত্রছাত্রীদের। আন্দোলনটা ক্ষমতা দখলের জন্য ছিল না। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতা দখলের জন্য নিরাপদ সড়কের আন্দোলনে নিরাপদ রাস্তা খুঁজছিলেন। তারা নিজেদের আন্দোলনে ব্যর্থতার পর শিক্ষার্থীদের উপর ভর করেছিলেন। এসময় টানেলের নির্মাণকাজ সন্তোষজনক মন্তব্য করে তিনি বলেন, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণকাজের ২৪ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। আশা করি, বাকি কাজও দ্রুত সম্পন্ন হবে। এর আগে কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের বিভিন্ন অংশ মন্ত্রীকে দেখান প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা উপ-প্রকল্প পরিচালক (প্রশাসন) ড. অনুপম সাহা। এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ মোতালেব, রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুলসহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোকিত বাংলাদেশ
২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় ফরমায়েশি রায় হতে যাচ্ছে: রিজভী
অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকারি দলের নেতাদের বক্তব্য শুনে মনে হয় একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার মামলায় একটি ফরমায়েশি রায় হতে যাচ্ছে। শনিবার (২৫ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য শুনে মনে হয় একুশে আগস্টের রায়কে প্রভাবিত করার জন্য তারা উঠে পড়ে লেগেছেন। একুশে আগস্টের বোমা হামলার রায় নিজেরা লিখে তা আদালতকে দিয়ে বাস্তবায়ন করাবেন কি না মানুষের মনে এখন সেই সংশয় দেখা দিয়েছে। বিএনপির এই নেতা আরো বলেন, ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘একুশে আগস্টের মামলার রায় হলে বিএনপি সংকটে পড়বে। আগামী সেপ্টেম্বরে এ রায় হবে।’ কাদের সাহেব আদালতের এ বিষয়টি কিভাবে জানলেন প্রশ্ন করে রিজভী বলেন, তার বক্তব্যে পরিষ্কার যে, তারা নীল-নকশা অনুযায়ী একুশে আগস্টের বোমা হামলার রায় নিয়ে আগাম কাজ করছেন। সেজন্য একের পর এক কূটচাল চালছেন। সামনে হয়তো আরও নতুন নতুন ষড়যন্ত্র করবে সরকার এমন দাবি করে রিজভী বলেন, যতই ষড়ষন্ত্র আর মহাপরিকল্পনা করেন, আপনাদের পতন ঠেকানো যাবে না। আপনাদের পতনের ভূমিকম্প শুরু হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, আতাউর রহমান ঢালী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী শপু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ। আলোকিত বাংলাদেশ
আ.লীগের চিন্তা মহাজোটে ফেরার
অনলাইন ডেস্ক: ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারির বাতিল হওয়া নির্বাচন আর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের মতোই বৃহত্তর নির্বাচনী জোট করেই আগামী নির্বাচনে যাওয়ার চিন্তা আছে আওয়ামী লীগে। তবে বিএনপি ভোটে এলেই কেবল এই জোটটি হবে। এর আগের বৃহত্তর জোটটি ‘মহাজোট’ নামে পরিচিতি পেয়েছিল। এবারও একই নাম হবে আর এতে আগের মতোই জাতীয় পার্টি থাকবে। থাকতে পারে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের আরও বেশ কিছু দল। তবে ২০১৪ সালের মতোই বিএনপি ভোট বর্জন করলে ১৪ দলই হবে ক্ষমতাসীন দলের জোট। কারণ, তখন ভোটে জেতা কোনো চ্যালেঞ্জ হবে না বলেই মনে করছেন নেতারা। আওয়ামী লীগের সম্পাদকদমণ্ডলীর একাধিক সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একজন বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনে এলে আমরা জাতীয় পার্টির সঙ্গে জোটগতভাবেই অংশ নেব। আর বিএনপি না এলে জাতীয় পার্টি আলাদা নির্বাচন করবে।’ অবশ্য আওয়ামী লীগের ধারণা বিএনপি এবার ভোটে আসবেই, আর এ কারণেই নির্বাচনী জোট করার বিষয়টি নিয়েও তলে তলে আলোচনা এগিয়ে গেছে, এখন কেবল ঘোষণা বাকি। ২০০৬ সালে কে এম হাসানকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে মেনে না নেয়ার ঘোষণা দিয়ে আন্দোলনের মুখে যখন বিএনপির রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার শপথ নেয়, তখন ভোট হওয়ার কথা ছিল ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি। কিন্তু ইয়াজউদ্দিনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্টতার অভিযোগ তুলে আন্দোলন চালিয়ে যায় আওয়ামী লীগ আর বিরোধী প্রধান প্রায় সব কটি দল মিলে গঠন হয় মহাজোট। মহাজোটের নির্বাচন বর্জনের ঘোষণার মধ্যেও বিএনপি-জামায়াত জোট যখন একতরফা নির্বাচন করতে যাচ্ছিল তখন ১১ জানুয়ারি জারি হয় জরুরি অবস্থা, প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকে রাজনীতি। আর ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে মহাজোট থেকে একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্পধারা আর অলি আহমেদের এলডিপির সঙ্গে আওয়ামী লীগ সমঝোতা আর করেনি। কিন্তু জাতীয় পার্টি এবং ১৪ দলের সঙ্গে জোটও তখন মহাজোট হিসেবেই থেকে যায়। ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি আলাদা হয়ে গেলে মহাজোট ভেঙে যায়। ভোট বর্জনের ঘোষণাও দেন এরশাদ। কিন্তু তার স্ত্রী রওশন এরশাদের নেতৃত্বে একটি অংশ ভোটে যায় এবং অনিচ্ছা সত্ত্বেও এরশাদ রংপুর সদর আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরই মধ্যে আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময় ঘোষিত হয়েছে। সুনির্দিষ্ট তারিখ না এলেও নির্বাচন কমিশন জানিয়েছেন ডিসেম্বর অথবা জানুয়ারিতে হবে নির্বাচন আর তফসিল হবে অক্টোবরে। নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে আন্দোলনে থাকা বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বে ২০ দলীয় জোট আবার ভোট বর্জনের হুমকির পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিন্তাও নিয়ে রেখেছে বলে জানাচ্ছেন নেতারা। তারা সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠনের চেষ্টা করছে। আওয়ামী লীগের ধারণা, রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন বাতিলের ঝুঁকি নিয়ে বিএনপি টানা দ্বিতীয়বার ভোট বর্জন করবে না। এ কারণে তাদের মোকাবেলায় নিজেদের শক্তিবৃদ্ধির জন্য জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলোচনা সেরে রেখেছে তারা। পাশাপাশি কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের আবদুল কাদের সিদ্দিকী, সাবেক বিএনপি নেতা নাজমুল হুদার তৃণমূল বিএনপিসহ বেশ কিছু বাম দলের সঙ্গে জোট করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। আরও কিছু দলকে আলোচনার প্রস্তাবও দেয়া হবে। আওয়ামী লীগ নেতারা জানাচ্ছেন, বিএনপি যেমন ডানপন্থী ও প্রতিক্রিয়াশীল সব দলকে একত্রিত করেছে, তেমনি তারাও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি এবং প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলগুলোকে এক করতে চান। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের সমালোচক বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাম জোটভুক্ত বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন, গণসংহতি আন্দোলন ও বাসদকেও (মার্ক্সবাদী) এক ছাতার নিচে আনার চেষ্টা করবে তারা। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কেউ যদি আমাদের সঙ্গে আসতে চায় তাহলে আমরা আমাদের পরিসরে আলোচনা করব। আমাদের জোটের শরিকদের সাথে কথা বলে সেটা আমরা বিবেচনা করব।’ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য বিরোধী মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল দলের সঙ্গেই আমরা জোট করতে পারি।’ ‘আমরা রাজনীতি করি দেশের মানুষের জন্য, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়। তবে আমরা ক্ষমতায় আসতে পেরেছি বলেই দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের শাস্তি হয়েছে। দেশ থেকে হত্যা, সন্ত্রাস, দুর্নীতি দূর করতে পেরেছি ‘ ‘অন্যদিকে বিএনপি যদি ক্ষমতায় থাকত তাহলে দেশের আজকের পরিস্থিতি কী হতো, সেটা ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের তাদের ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ের চিত্র দেখলেই বোঝা যাবে। তাই বলতে পারি মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সব শক্তির সঙ্গেই আমাদের আদর্শিক জোট হতে পারে।’ দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে আমরা নির্বাচনের কৌশলগত কারণে মহাজোট করেছিলাম। এখন আগামী নির্বাচনে সেই মহাজোট হবে কি না, সেটা সময়েই বলে দেবে।’ ‘নির্বাচনের প্রয়োজন হলে আমরা আবারও মহাজোট করব। তবে যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না, এমন কারো সঙ্গে আমরা অতীতেও নির্বাচনী জোট করি নাই, আর ভবিষ্যতেও করবো না।’ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কেন্দ্রীয় ১৪ দলীয় জোটের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘জোট সম্প্রসারণের চিন্তাভাবনা আমাদের রয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা করতে পারি নাই। আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব। নির্বাচন এখনও দেরি আছে, নির্বাচনী পরিবেশ দেখেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
ওয়ান-ইলেভেনের ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি দেশে: সেতুমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশে এখন ওয়ান-ইলেভেনের ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি। ওয়ান-ইলেভেনে যারা দেশকে ডিপলিটিসাইজ (বিরাজনীতিকরণ) করতে চেয়েছিল, তাদের সহযোগী ছিল মিডিয়ার একটি অংশ। যারা (মিডিয়ার ওই অংশ) উসকানি দিয়ে (প্রধানমন্ত্রী) শেখ হাসিনার সরকারকে হটানোর চক্রান্ত করছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অাগস্ট) দুপুরে ইডেন মহিলা কলেজ মিলনায়তনে এক অালোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ইডেন মহিলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগ আয়োজিত এ অালোচনা সভায় মন্ত্রী বলেন, সারা বাংলা যখন শোকে, তখন ভুয়া জন্মদিবস পালনের মাধ্যমে পাপের নোংরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বিএনপি। তারাই অগণতান্ত্রিকভাবে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে একটি বৈধ সরকারকে হটানোর চক্রান্ত করছে। এদেরকে চিনে রাখতে হবে। তাদের সম্পর্কে জানতে হবে। বঙ্গবন্ধু হত্যাকে ইতিহাসের বর্বরতম রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে কাদের বলেন, যে হত্যাকাণ্ডে বেগম মুজিব, শিশু রাসেল থেকে শুরু করে অন্তঃস্বত্তা নারী- কেউ রেহায় পায়নি। ইডেন মহিলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক তাসলিমা অাক্তারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যক্ষ শামসুন নাহার, আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, আওয়ামী লীগের সদস্য মেরিনা জাহান, পারভীন জামান কল্পনা, মারুফা অাক্তার পপি প্রমুখ।
ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত খালেদা জিয়া: রিজভী
অনলাইন ডেস্ক: অবৈধ সরকারের অন্যায় আর জুলুমের শিকার হয়ে খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত অভিযোগ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, তাকে সব অধিকার থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। এমনকি তাকে সুচিকিৎসাও দেওয়া হচ্ছে না। বাংলাদেশ এখন জুলুমের গ্যাসচেম্বারে পরিণত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। রুহুল কবির রিজভী বলেন, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাজানো মামলাগুলো রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে চলমান আন্দোলনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উস্কানি ও সহিংসতার মিথ্যা অভিযোগে বিভিন্ন থানায় ৫১টি মামলায় প্রায় শ’খানেক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে ওই মামলাগুলোতে আসামি করা হয়েছে। তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে। এরপর তাদের পাঠানো হচ্ছে জেলখানায়। ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের বিনা চিকিৎসায় মরণাপন্ন অবস্থা। কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের পরিচালক কোনক্রমেই শিমুল বিশ্বাসকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করছেন না। নিম্ন আদালত ও উচ্চ আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বিএসএমএমইউ-এর কর্তৃপক্ষ নির্বিকার। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, এবিএম মোশারফ হোসেন, আব্দুস সালাম আজাদ, মুনির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শোক দিবসের শপথ হচ্ছে সাম্প্রদায়িত অপশক্তিকে প্রতিহত করা: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের শপথ হচ্ছে সাম্প্রদায়িত অপশক্তিকে প্রতিহত করা। বলেছেন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ সকালে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে তাঁর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, দলনেত্রীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ। আজকের এই দিনে আমাদের শপথ হবে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যেকোনো অপশক্তি বিশেষ করে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পরাজিত করব, প্রতিহত করব। সকাল সাড়ে ৬ টায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৯৭৫ সালের শোকাবহ এ কালোদিবসে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য ধানমণ্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে।