বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ২১, ২০১৯
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে আজ ২০ দল ও ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বসছে বিএনপি
অনলাইন ডেস্ক: চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে আজ শনিবার বিকাল ৫টায় বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও সন্ধ্যায় ২০ দলীয় জোট গুলশানে পুনরায় বৈঠকে বসছে। বিএনপির বৈঠকে আগামী নির্বাচনি পরিকল্পনা তৈরি করবেন দলটির নেতারা। সন্ধ্যা ৭টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের বৈঠকে নির্বাচন, মনোনয়ন ও আগামী দিনের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হবে। একই ইস্যুতে রাতে ড. কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টেরও বৈঠক আছে। বিএনপি, ২০ দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মতামত নিয়ে আগামীকাল রোববার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে কারাগারে দেখা করতে পারেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া লন্ডনে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গেও আরেক দফা কথা বলবেন বিএনপির দায়িত্বপ্রাপ্তরা। সব আলোচনা শেষে দু-এক দিনের মধ্যেই আসবে নির্বাচনে অংশ নেয়া না নেয়া সংক্রান্ত ঘোষণা। বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনে অংশ নিতে হলে জোটগতভাবে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রয়োজন আছে। কেননা, জোটগতভাবে প্রার্থী দিতে হলে তিন দিনের মধ্যে তা জানাতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। তাই আজকের উভয় জোটের বৈঠকে এ বিষয়টিও আলোচনায় আসবে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, বিএনপি এবং ২০ দলীয় জোট সূত্র জানিয়েছে, ঘোষিত তফসিলে নির্বাচনে অংশ নেয়া এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে কী কী প্রতিবন্ধকতা আছে, তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে বিএনপির থিংক ট্যাংক বা বিশেষজ্ঞ মহলে। উভয় জোটের পক্ষ থেকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম।
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে: ড. কামাল
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, এক তরফা নির্বাচনের জন্য তড়িঘড়ি করে তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে শুক্রবার বিকেলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশে তিনি মোবাইল ফোনে একথা বলেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে ড. কামাল হোসেন এই সমাবেশে যোগ দিতে পারেননি। ড. কামাল হোসেন বলেন, ১৬ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যই ঐক্যফ্রন্ট আন্দোলন করছে। অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, সংলাপে শেখ হাসিনার কাছে ৭ দফা দাবি উত্থাপন করেছি। তিনি আমাদের কোনো দাবিই মানেননি। বরং তড়িঘড়ি করে তফসিল ঘোষণা করিয়েছেন। যা মানুষের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ড. কামাল হোসেন জানান, অসুস্থতার কারণে তিনি রাজশাহীতে আসতে পারেনি। পরবর্তীতে রাজশাহীতে আসবেন। এর আগে দুপুর আড়াইটায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে এ সমাবেশ শুরু হয়। ঐক্যফ্রন্টের রাজশাহী বিভাগের সমন্বয়ক বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানুল্লাহ আমান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু প্রমুখ। দুপুর আড়াইটায় সমাবেশ শুরু হলেও জুমার পর থেকে নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হতে থাকেন। প্রসঙ্গত, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি আদায়ে নবগঠিত জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের রাজশাহীতে এটি চতুর্থ সমাবেশ। এর আগে গত মঙ্গলবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। তার আগে ২৪ অক্টোবর সিলেটে ও ২৭ অক্টোবর চট্টগ্রামে সমাবেশ করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।শীর্ষনিউজ
ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশে যাচ্ছেন না ড. কামাল হোসেন
অনলাইন ডেস্ক :রাজশাহীতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এরইমধ্যে মঞ্চ তৈরির কাজও শেষ করেছেন আয়োজকরা। শারীরিক অসুস্থতার কারণে আজ বৃহস্পতিবার (০৯ নভেম্বর) রাজশাহী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশে যাচ্ছেন না ড. কামাল হোসেন। এদিকে, দুপুরের পর থেকেই শুরু হবে সমাবেশের কার্যক্রম। তিন দফা পিছিয়ে পুলিশের ১২ শর্ত মেনেই সমাবেশ করতে যাচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির সভাপতি অ স ম আব্দুর রব ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ অন্যান্য নেতারা। সমাবেশকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও নেয়া হয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
নেত্রীর চিকিৎসা শেষ না করে আবারও কারাগারে নিয়ে গেছে :রিজভী
অনলাইন ডেস্ক :বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে হাসপাতাল থেকে আবারও কারাগারে নেওয়াকে ভয়ঙ্কর নীল নকশা বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার (০৮ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেছেন। এর আগে বেগম খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল থেকে ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে নেওয়া হয়েছে। বেলা ১১টা ২০ মিনিটে তাকে হাসপাতাল থেকে বের করে কালো রঙের একটি গাড়িতে করে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বের করা হয়। ১১টা ৩৫ মিনিটের দিকে কারাগারে ঢোকে খালেদাকে বহনকারী গাড়ি। রুহুল কবির রিজভী বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা শেষ না হলেও জোর করে তাকে হাসপাতাল থেকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে। তার চিকিৎসা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিএসএমএমইউ হাসপাতালে রাখার দাবি জানাচ্ছি। তিনি বলেন, নেত্রীর চিকিৎসা শেষ না করে আবারও কারাগারে নিয়ে গেছে। এটা একটা ভয়ঙ্কর নীল নকশা। ভয়ঙ্কর অশুভ পরিকল্পনা।
খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি বুধবার
অনলাইন ডেস্ক :বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি আগামী বুধবার(১৪ নভেম্বর) পর্যন্ত মুলতবি করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) পুরান ঢাকার পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে অভিযোগ গঠনের আংশিক শুনানি হওয়ার পর বিচারক এ আদেশ দেন। শুনানি শেষে খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়া হয়েছে। এর আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা খালেদা জিয়াকে বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে নাজিমউদ্দিন রোডের কারাগারে স্থাপিত আদালতে তোলা হয়। বেলা ১১টা ২০ মিনিটে বিএনপি প্রধানকে বিএসএমএমইউ থেকে বের করে কালো রঙের একটি গাড়িতে করে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ১১টা ৩৫ মিনিটের দিকে কারাগারে ঢোকে খালেদাকে বহনকারী গাড়িটি।
ঐক্যফ্রন্টের রোডমার্চ স্থগিত
অনলাইন ডেস্ক :রাজশাহী অভিমুখে আগামীকাল বৃহস্পতিবার পূর্বঘোষিত রোডমার্চ স্থগিত করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। বুধবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানান ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে আগেই বলা হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিতীয় দফার সংলাপ সফল না হলে রাজশাহী অভিমুখে রোডমার্চ করা হবে। দুপুরে গণভবনে সংলাপ শেষে বেইলী রোডে ঐক্যফ্রন্ট সভাপতি ড. কামাল হোসেনের বাসায় সংবাদ সম্মেলনে সংলাপ সফল হয়েছে কিনা তা পরিস্কার করেনি ঐক্যফ্রন্ট। এসময় মির্জা ফখরুল বলেন, তারা আন্দোলনের মধ্যেই আছেন এবং আগামীকালের রোডমার্চ হবে। তবে ওই ঘোষণার কয়েক ঘন্টা পরই রোডমার্চ স্থগিতের সিদ্ধান্ত জানালেন তিনি।বিএনপি নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংলাপ নিয়ে বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করবেন, এছাড়া সিইসি ভাষণ দেবেন। সেগুলো পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে রোড মার্চ স্থগিত করা হয়েছে।উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথমদফায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপে কোনো সমাধান না হওয়ায় বুধবার দ্বিতীয়দফায় সংলাপে বসেন নেতারা।সংলাপে ধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪-দলীয় জোটের প্রতিনিধিদলে ছিলেন ১১ জন। তারা হলেন- আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ সেলিম, মতিয়া চৌধুরী, ওবায়দুল কাদের, অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, শ ম রেজাউল করিম, হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন।অন্যদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ১১ সদস্য প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ড. কামাল হোসেন। প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও মওদুদ আহমদ, জাসদের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম রব ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না ও এসএম আকরাম এবং সুলতান মোহাম্মদ মনসুর।
মত ও পথের অনেক অমিল হলেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমরা এক: ওবায়দুল কাদের
অনলাইন ডেস্ক: আট দলীয় বাম জোটের সঙ্গে আওয়ামী লীগের মত ও অমতের কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমাদের মত ও পথের অনেক গড়মিল আছে, আবার চেতনায় আমরা মুক্তিযুদ্ধ। স্বাধীনতার আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ, বঙ্গবন্ধুর অবিসাংবাদিত নেতৃত্ব, জাতীয় মুক্তিসংগ্রামে, এ ব্যাপারে আমাদের মধ্যে মিল আছে মঙ্গলবার রাতে গণভবনে ৮ দলীয় বামজোটের সঙ্গে সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। কাদের আরো বলেন, এখন কিছু কিছু বিষয়ে তাদের ভিন্নমতও আছে। আর তারা এটাও মনে করছেন যে সাংবিধানিকভাবে, সংবিধান সম্মতভাবে নির্বাচন সম্ভব। আর সংবিধানের ভেতরে থেকেও আরো কিছু সমস্য আছে যেগুলো সমাধান করা সম্ভব। সংলাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা শুনেছি। আমাদের নেত্রী মনোযোগ সহকারে সবার বক্তব্য শুনেছেন। আট দলীয় জোটের অলমোস্ট সব পার্টি তারা বক্তব্য রেখেছেন। এবং তাদের ভিন্নমতের কথাও তারা স্পষ্ট করে উচ্চারণ করেছেন। সেজন্য আমাদের নেত্রী তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে আমি যখন কমিউনিস্ট পার্টির অফিসে গিয়েছিলাম, তারা তখন এটা বলেছে যে আমরা আওয়ামী লীগের সঙ্গেও নেই বিএনপির সঙ্গেও নেই। এখন তারা আপনাদের কী বলেছে জানি না। আমরা সবার কথা শুনছি। আগামীকাল দুপুরেও শুনব। দ্বিতীয় দফা সংলাপের জন্য বুধবার ঐক্যফ্রন্ট নেতারা ১১ জনের নাম পাঠিয়েছেন জানিয়ে কাদের বলেন, তারা দ্বীতিয় দফা সংলাপে অংশ নেবেন। আবার রাতে ২৫ টি দলের সঙ্গে সংলাপ আছে সন্ধ্যা ৭ টায়। কালকেই শেষ হবে সংলাপ। আপনারা জানেন ইতোমধ্যে ৮ নভেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রধানমন্ত্রী এ কয়দিন যে সংলাপ হয়েছে তা নিয়ে সরকারি ও পার্টির সিদ্ধান্ত সংবাদ সম্মেলনের মধ্যদিয়ে দেশবাসীকে জানিয়ে দেবেন। ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনার আর কী বাকী আছে সেটা সবিনয়ে কাল সংলাপে জানতে চাওয়া হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, একটা বিষয় পরিষ্কার হয়ে গেছে। তাদের যে জনসভা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সেখানে যে ভালগারিজম, অবসিনিটি এটা আবার নতুন করে বাংলাদেশের পলিটিক্সে দেখলাম। দেখলাম যে মানুষের হতাশা যখন বেড়ে যায় তখন মানুষ বেপড়োয়া হয়ে যায়। অনেক নেতার বক্তব্যে এটাই মনে হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীকে পর্যন্ত শালীনতা ছাড়া কথা বলা হয়েছে। তাঁর নামটিও উচ্চারণ করা হয়েছে অশালীন ভাবে। ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের দিকে ইঙ্গিত করে সেতুমন্ত্রী বলেন, কার মনে কী কারণে যন্ত্রণা, কী কারণে আতে ঘা লাগে আমি এটা খুব ভালো করে জানি। লেখালেখিতেও লিখছেন আবার আজকে একহাত নিলেন তো এগুলো কেউ ভালো চোখে, ভালোভাবে নেয় না। তাদেরকে আমি বলব যৌক্তিকভাবে কথা বলতে। ব্যক্তিগত আক্রমণের পর্যায়ে গেলে এটা কিন্তু গণতন্ত্রের জন্য শুভফল বয়ে আনবে না। সবার হাড়ির খবর আমরা জানি। যারা যারা বড় বড় কথা বলেন এবং হঠাৎ করে এমন দুয়েকজনকে দেখলাম খুব তাফালিং করছে। এ তাফালিংটা এমনভাবে যে এরা আবার ভদ্রমূর্তি ধরাণ করেন। এরকম ভাষা, এত নোংড়া ভাষা দেশের মানুষ পছন্দ করে! ‘আসুন আন্দোলন করুন। ঘরে ঘরে বসে আন্দোলনের নামে রাস্তায় নাশকতা করবেন, সহিংসতা করবেন আর আমরা ঘরে বসে ডুগডুগি বাজাব এটা যেন মনে না করেন’, হুঁশিয়ারি দেন কাদের। নির্বাচনকালীন সরকার প্রসঙ্গে কাদের জানান, নির্বাচনকালীন কোনো সরকার নেই । যে সরকার আছে এ সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে।
সংলাপ নিয়ে নাটক করা চলবে না :মির্জা ফখরুল
অনলাইন ডেস্ক :বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামীকাল ছোট একটা সংলাপের ডাক দেওয়া হয়েছে। আমরা সংলাপে বিশ্বাসী কিন্তু এটা নিয়ে কোনো নাটক করা চলবে না। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারের পদত্যাগ চাই। ৭ দফা আদায় করতে চাই। বুধবার (৭ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপে দাবি না মানা হলে ৮ নভেম্বর রাজশাহীর উদ্দেশে রোডমার্চ করা হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সংলাপে দাবি না মানলে ৮ নভেম্বর রোড মার্চ করে রাজশাহীতে যাবো, ৯ নভেম্বর সেখানে সমাবেশ হবে।মঙ্গলবার (৬ নভেম্বর) বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।মির্জা ফখরুল বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দাবি না মানার আগেই তফসিল ঘোষণা করা হলে নির্বাচন কমিশনের অভিমুখে পদযাত্রা করা হবে।
অধীকার উদ্ধার করে ছাড়ব :ড. কামাল
অনলাইন ডেস্ক :শুরুতেই খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করছি জানিয়ে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা, গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আপোষহীন আন্দোলন চলবে- অধীকার উদ্ধার করে ছাড়ব। দেশের মালিক জনগণ জেগেছে- মালিকা ফিরিয়ে আনব। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রেন্টের সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। ড. কামাল বলেন, গ্রেপ্তার হয়রানি বন্ধ করতে হবে, এটা চলতে পারে না, বেআইনী কার্যক্রমের জবাবদিহী করতে হবে। সংবিধান ষোল আনা উপেক্ষা করে ক্ষমতা চালাচ্ছে সরকার। সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে। ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে পাহাড়া দেয়ার আহবান জানান ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা, গণফোরাম সভাপতি। এ সময় বিএনপি মহাসচিব, ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জাতীয় নেতৃবৃন্দ আজকে খালেদা জিয়ার মুক্তি চাচ্ছে। সংলাপে বলা হলেও গ্রেপ্তার বন্ধ হয়নি। আগামীকাল সংলাপে যাব তবে নাটক করলে চলবে না। সাত দফা মানতে হবে। মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সাত দফা আদায় করা হবে। খালেদা জিয়াকে সর্ব প্রথম মুক্তি দিতে হবে। তিনি আরো বলেন, সংলাপে দাবি না মানলে ৮ তারিখ রাজশাহী অভিমুখে রোডমার্চ, ৯ তারিখ সমাবেশ আর তফসিলের তারিখ না পেছালে নির্বাচন কমিশন বরাবর পদযাত্রা করা হবে। এ সময় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, সোহরাওয়ার্দী থেকে যে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনা হয়েছিল, সেইভাবেই খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা হবে। আর জেএসডির সভাপতি আসম আবদুর রব বলেন, এ লড়াই মুক্তির লড়াই, এ লড়াই গণতন্ত্রের লড়াই, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরব না। খালেদা জিয়ার মুক্তি দেন- নির্বাচনে যাওয়ার সুযোগ করে দেন। সাত দফা মানতে হবে।

রাজনীতি পাতার আরো খবর