দুরভিসন্ধিমূলক ভাবে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে: রিজভী
অনলাইন ডেস্ক :সরকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও দুরভিসন্ধিমূলক ভাবে খালেদা জিয়াসহ বিএনপির জনপ্রিয় নেতাদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখাতে মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রোববার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন অভিযোগ করেন।রিজভী বলেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাক ও দিনাজপুরের পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর হোসেন পদত্যাগ করে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও তাদের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়নি বলে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, সরকার পরিকল্পনা করেছে, একতরফা নির্বাচন করবে, গায়ের জোরে নির্বাচন করবে এবং জোর করে ক্ষমতায় থাকবে। সেজন্য এসব মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। ক্ষমতার নেশায় যেভাবে বুদ হয়ে আছে সেখানে শেখ হাসিনা, তিনি কখনও অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চাইবেন না। তারপরও বলবো সব বাঁধ ভেঙে জনগণ এগিয়ে আসবে।
জনগণকে সক্রিয়ভাবে দেশ শাসনে অংশগ্রহণ করতে হবে: ড. কামাল
অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচন যেন সুষ্ঠুভাবে হয়, সেজন্য জনগণকে ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে বলে মনে করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান ড. কামাল হোসেন। নির্বাচন ও চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ড. কামাল বলেন, জনগণকে সক্রিয়ভাবে দেশ শাসনে অংশগ্রহণ করতে হবে। শুধু একদিন ভোট দিয়ে তাদের দায়িত্ব শেষ হয় না। তিনি বলেন, মালিকরা যদি তাদের সঠিক প্রতিনিধি নির্বাচন না করেন, তবে তারা বঞ্চিত হন। সেই দায়িত্ব মনে রেখে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। নির্বাচন যেন সুষ্ঠভাবে হয়, সেটা জনসাধারণকে মালিক হিসেবে পাহারা দিতে হবে। এ আইনজীবী বলেন, অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনকে বাধা দেয়া হবে বলে শোনা যাচ্ছে। বাধা দিলে নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে রক্ষা করতে হবে। বুথ খোলার সঙ্গে সঙ্গে আপনারা সেখানে উপস্থিত হবেন। পরিবারকে নিয়ে ভোট দেবেন। দলীয় আনুগত্য ও ভয়-ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমরা কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল হোসেন ছাড়াও কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু প্রমুখ।
আন্তর্জাতিক সমর্থন পাচ্ছে না ডলার ঢেলেও বিএনপি: সেতুমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: লাখ লাখ ডলার খরচ করেও বিএনপি আন্তর্জাতিক সমর্থন পাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ শনিবার (১ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি লবিস্ট নিয়োগ দিয়ে লাখ লাখ ডলার খরচ করেও আন্তর্জাতিক সমর্থন পাচ্ছে না। তারা গণতান্ত্রিকক্রমেই বন্ধুহীন হয়ে পড়েছে। শুধু পাকিস্তানের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্ব অটুট রয়েছে। তারা বুঝে গেছে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারবে না। এজন্য তারা বাকযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের আশঙ্কা তারা নাশকতায় যায় কি-না? আগামী নির্বাচনে কিন্তু ভোট বিপ্লব হবে জগাখিচুড়ি জাতীয় ঐক্যফন্টের বিরুদ্ধে।
রওশনের আয় এরশাদের চেয়ে ৬ গুণ বেশি
অনলাইন ডেস্ক: ব্যবসা থেকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বছরে মাত্র ২ লাখ ৬ হাজার ৫০০ টাকা আয় করেন। এই হিসাবে তার মাসিক আয় দাঁড়ায় মাত্র ১৭ হাজার ২০৮ টাকা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হতে নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া এরশাদের হলফনামা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী হতে গত বুধবার সংশ্লিষ্ট এলাকার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন সাবেক এই রাষ্ট্রপতি। হলফনামায় পেশার বিবরণীতে তিনি উল্লেখ করেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান। শিক্ষাগত যোগ্যতা লেখা হয়েছে বিএ পাস। হলফনামায় আয়ের উৎস বিবরণী থেকে জানা যায়, কৃষিখাত, বাড়ি-এপার্টমেন্ট-দোকান বা অন্যান্য ভাড়া, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত বাবদ এরশাদের কোনো আয় নেই। তবে তিনি রাষ্ট্রীয় বিশেষ দূত হিসেবে বাৎসরিক সম্মানী পান ১৯ লাখ ৪ হাজার ৬৯৬ টাকা। এ ছাড়া সংসদ সদস্য হিসেবে জাপা চেয়ারম্যানের বাৎসরিক সম্মানী ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আর ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের সম্মানী হিসেবে পান ৭৪ লাখ ৭১ হাজার ১০ টাকা। এরশাদের থেকে ৬ গুণ বেশি টাকা স্ত্রীর! এরশাদ অস্থাবর সম্পত্তি হিসেবে দেখিয়েছেন, নগদ ২৮ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৮ টাকা। অবশ্য তার স্ত্রী রওশন এরশাদের হাতে নগদ দেখানো হয়েছে ২৬ কোটি ২০ লাখ ২৯ হাজার ২৩৩ টাকা, যা এরশাদের উল্লেখিত হাতে নগদের প্রায় ছয় গুণ! এ ছাড়া ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জাপা চেয়ারম্যানের ৩৭ লাখ ৬৯ হাজার ৪৬ টাকা জমা রয়েছে। শেয়ার মার্কেটে দেশের এই শীর্ষ রাজনীতিকের ৪৪ কোটি ১০ হাজার টাকা রয়েছে। ফৌজদারি মামলা হলনামায় দেখা গেছে, জাপা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বর্তমানে ৬টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে ৫টি মামলাই দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে। এসব মামলার দুটি বর্তমানে বিচারাধীন, বাকি ৪টি মামলার কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। এ ছাড়া এরশাদের বিরুদ্ধে অতীতে আরও ২৭টি মামলা ছিল। এর মধ্যে ১৩টি মামলায় তিনি খালাস পেয়েছেন, ৬টিতে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে, ৪টি মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে, তিনটি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে ও একটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
হলফনামার তথ্য: বাড়ি-আসবাবপত্র নেই সালমান এফ রহমানের!
অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় স্থান পাওয়া বেক্সিমকো গ্রুপের মালিক সালমান এফ রহমানের বাড়ি বা আসবাবপত্র নেই। নেই কোনো ইলেকট্রনিক সামগ্রী। নেই বৈদেশিক মুদ্রা। ঢাকা-১ আসনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামায় তিনি এ তথ্যই দিয়েছেন। অথচ ২০১৭ সালের মার্চে প্রকাশিত চীনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান হুরুন গ্লোবালের তালিকায় ধনী ২ হাজার ২৫৭ জন ব্যক্তির মধ্যে তার অবস্থান ছিল ১ হাজার ৬৮৫তম। ইসির কর্মকর্তারা জানান, হলফনামায় অসত্য তথ্য বা তথ্য গোপন করলে এবং তা প্রমাণিত হলে একজন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। আগামীকাল মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন নির্ধারিত রয়েছে। সালমান এফ রহমান হলফনামায় নিজের নামে ৩৪ লাখ টাকার যানবাহন দেখিয়েছেন। কিন্তু তার ওপর নির্ভরশীলদের নামে কোনো গাড়ি থাকার কথা উল্লেখ করেননি। আওয়ামী লীগের হয়ে নৌকা প্রতীকের সম্ভাব্য এ প্রার্থী হলফনামায় নিজের নাম উল্লেখ করেছেন সালমান ফজলুর রহমান, বাবা ফজলুর রহমান, মা সৈয়দা ফাতিনা রহমান। স্থায়ী ঠিকানা-বেথুয়া, মুকসুদপুর, দোহার, ঢাকা। দীর্ঘদিন ধরে জিএমজি এয়ারলাইন্সে ঋণখেলাপির অভিযোগ থাকলেও সালমান এফ রহমান হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, আমি একক বা যৌথভাবে আমার ওপর নির্ভরশীল কোনো সদস্য অথবা কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ম্যানেজিং ডিরেক্টর বা ডিরেক্টর হওয়ার সুবাদে আমি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করি নাই।’ তবে সালমান রহমান আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী দায়-দেনার পরিমাণ ৮৩ কোটি ৭৯ লাখ ৫৩ হাজার ৪১০ টাকা উল্লেখ করেছেন। হুরুন গ্লোবালের তথ্য অনুযায়ী, সালমান এফ রহমানের সম্পদের পরিমাণ ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার ৮৯৬ কোটি ২১ লাখ টাকা। যদিও তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তার অস্থাবর সম্পদে কোনো কৃষিজমি নেই। নিজ নামে ২ কোটি ৩ লাখ ১২ হাজার ৬৮৭ টাকার এবং স্ত্রীর নামে ৩ কোটি ৭৩ লাখ ৩ হাজার ৭০৮ টাকার অকৃষি জমি আছে। ৮ লাখ ৫৩ হাজার ১৭৯ টাকার আবাসিক-বাণিজ্যিক দালান আছে নিজ নামে। স্ত্রীর নামে আবাসিক বা বাণিজ্যিক দালান নেই। তবে স্ত্রীর নামে ২৫ কোটি ১৯ লাখ ৭১ হাজার ৮৪৯ টাকার বিল্ডিং কন্সট্রাকশন আছে। স্থাবর সম্পত্তির বর্ণনায় তিনি বলছেন- নিজের কাছে নগদ ২ কোটি ১০ লাখ টাকা আছে। আর স্ত্রীর কাছে নগদ আছে ৬০ হাজার টাকা। নিজের কাছে, স্ত্রীর কাছে কিংবা নির্ভরশীল কারও কাছেই বৈদেশিক মুদ্রা নেই। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ২ কোটি ৮৬ লাখ ৭০ হাজার ১২৮ টাকা নিজ নামে এবং স্ত্রীর নামে ৪৫ লাখ ৫১ হাজার ১০৯ টাকা জমা আছে। স্ত্রীর নামে না থাকলেও নিজের নামে বন্ড, ঋণপত্র, স্টক এক্সচেঞ্জ তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির শেয়ার আছে ২৫০ কোটি ৮৪ লাখ ৮১ হাজার ৬৩৬ টাকার। নিজের নামে বাস, ট্রাক, মোটর গাড়ি, লঞ্চ, স্টিমার, বিমান ও মোটরসাইকেল ইত্যাদি আছে ৩৪ লাখ টাকার। নিজের নামে স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথর নির্মিত অলংকারাদি আছে ১৫ লাখ ৫ হাজার টাকার। আর স্ত্রীর নামে আছে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার। হলফনামায় সালমান এফ রহমান বার্ষিক আয় হিসেবে ব্যবসা থেকে ৬ লাখ টাকা দেখিয়েছেন। এছাড়া শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত ডিভিডেন্ট থেকে ৪ কোটি ২৫ লাখ ৮৭ হাজার ৭৭৮ টাকা, চাকরি (সম্মানী ভাতা) থেকে ৪১ লাখ ৯২ হাজার ২০০ টাকা, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট কোম্পানির বোনাস শেয়ার ও আইএফআইসি ব্যাংকের বোনাস শেয়ার বাবদ ৪ কোটি ৫৬ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫০ টাকা আয় দেখিয়েছেন। তিনি ও তার স্ত্রী কোনো রকম সুদ ছাড়াই আত্মীয়স্বজন ও বিভিন্ন কোম্পানিকে ৩৩ কোটি ১৪ লাখ ৩৮ হাজার ১৯১ টাকা ঋণ দিয়েছেন। শীর্ষ নিউজ
আজ বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন ড. কামাল
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন সংবাদ সম্মেলন করবেন আজ শনিবার বিকালে। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অব্যাহত গ্রেফতার ও মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বেলা ৩টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন করবেন তিনি। এছাড়া ঐক্যফ্রন্টের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন বণ্টনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে ৩ ডিসেম্বর। শুক্রবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়। ৩ ডিসেম্বর শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে আসন বণ্টন ছাড়াও নির্বাচনী ইশতেহার, নির্বাচনী কৌশল নিয়েও আলোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটি। এর আগে ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচন কমিশনের মনোনয়ন বাছাইয়ের ফলাফল পর্যবেক্ষণ করা হবে। যারা বাছাইতে টিকবেন তাদের মধ্য থেকে যোগ্য প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়া হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছে। গুলশানে বৈঠক শেষে ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে শনিবার (আজ) ড. কামাল হোসেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের একটি সংবাদ সম্মেলন করবেন।
সারাদেশে ধানের শীষের জোয়ার উঠেছে: মওদুদ
অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির শীর্ষ নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ মনে করেন, আওয়ামী লীগ ভোটারদের কেন্দ্রে যাওয়া ঠেকাতে নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে। সেজন্য তা মোকাবেলায় প্রস্তুতি নিতে দলের নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মওদুদ আহমদ মনে করছেন, জনগণ সরকারের ওপর এতটাই বীতশ্রদ্ধ যে, ৩০ ডিসেম্বর তারা ভোট দেয়ার সুযোগ পেলেই ধানের শীষ জয়ী হবে। দশম সংসদ নির্বাচন বর্জনকারী বিএনপি একাদশ সংসদ নির্বাচনে এলেও ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের প্রভাব খাটানোর অভিযোগ করে আসছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় বলেন, সারাদেশে ধানের শীষের জোয়ার উঠেছে। তারা (ক্ষমতাসীন দল) এটা সামলাতে পারবে না যদি মানুষ ভোট দিতে পারে। সেজন্য ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে ভোটারদের বোঝাতে হবে, যত অসুবিধাই হোক না কেন, যত হুমকি-ধামকিই থাকুক না কেন, আপনাদের ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে। ভোটের মাধ্যমে এই সরকারের সব অপকর্মের উত্তর দিতে হবে। সভায় বিএনপির জোটসঙ্গী নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, সমস্ত মানুষ বলছে, এবার সুযোগ পেলে দেখিয়ে দেব। সারা বাংলাদেশ একই কথা বলছে। লড়াইটা বিএনপি কিংবা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের একার নয়, ১০ কোটি ভোটারদের লড়াই। যত বড় বিপদ হোক, গ্রেপ্তার হন, মার খান, নির্যাতিত হন, মানুষকে একবার গিয়ে বলতে হবে- এটাই সুযোগ। এই ভোট দিলেই বেগম জিয়া জীবনে বাঁচবেন, কারাগার থেকে মুক্ত হবেন। এই ভোট যদি দিতে পারেন, তাহলেই কেবল এই অত্যাচারের হাত থেকে মুক্তি পাবেন। সভায় নোয়াখালীতে নিজের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গেরও অভিযোগ করেন মওদুদ। সভায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, জনগণ আপনাদের পক্ষে আছে। যেখানে যাই, এটা আমি দেখতে পাই। বাতাস আপনাদের পক্ষে আছে। এই সরকার টিকতে পারবে না। নৌকা ডুবে গেছে। এই নৌকাকে আর উঠানো যাবে না। আদর্শ নাগরিক আন্দোলন ও জাতীয় মানবাধিকার আন্দোলন-এর যৌথ উদ্যোগে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা শীর্ষক এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।