বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ২১, ২০১৯
ঐক্য হলো, এরপর কী?
অনলাইন ডেস্ক: বহুল আলোচিত ঐক্য হলো, কিন্তু কীভাবে তারা আগাবে, সেটি নির্ধারিত হয়নি এখনও। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নামে গঠিত এই ঐক্যের নেতারা বলছেন, বৈঠক করেই ঠিক হবে কর্মপন্থা আর গন্তব্য। দীর্ঘ আলোচনার পরে বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে গণফোরাম সভাপতি কামাল হোসেনের ঐক্যের ঘোষণা আসে ১৩ অক্টোবর। ঘোষিত হয়েছে সাত দফা দাবি আর ১১ লক্ষ্য। দাবির হিসেবে যেগুলো উঠে এসেছে, সেগুলো নতুন নয়। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার, ভোটের আগে সংসদ ভেঙে দেয়া, ভোটের ১০ দিন আগে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে সেনা মোতায়েনের বিএনপি আগে থেকেই তুলছে সেগুলো। কিন্তু পাত্তা দিচ্ছে না সরকার। আর বিএনপিও কার্যত কোনো চাপ প্রয়োগ করতে পারছে না। এই অবস্থায় কামাল হোসেনের গণফোরাম, জেএসডি আর নাগরিক ঐক্যের মতো দৃশ্যত দুর্বল রাজনৈতিক শক্তি বিএনপির সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় তারা সরকারকে বাধ্য করতে কী এমন শক্তি অর্জন করেছে-এ নিয়ে আলোচনা চলছে তিন দিন ধরেই। নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক ও যুক্তফ্রন্টের নেতা মাহমুদুর রহমান মান্নার কাছে জানতে চাইলে তিনি ঢাকাটাইমসকে বলেন, এই মুহূর্তে কিছু বলতে পারছি না। মঙ্গলবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক আছে, এই বৈঠকের পরে বলতে পারা যাবে। কেবল কর্মপন্থা নয়, ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে জামায়াত বা বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ স্বাধীনতাবিরোধী অন্য দলগুলোর সম্পর্ক কী হবে, সে প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু ঐক্যের নেতারা কিছু বলছেন না। বিএনপির সঙ্গে জামায়াত থাকলে ঐক্য হবে না- গত সেপ্টেম্বরে প্রকাশ্যে এমন ঘোষণা দেয়া ড. কামাল হোসেন তার কথা ভঙ্গ করেছেন। বিএনপি এবং জামায়াতের বাঁধন আলগা হয়নি এতটুকু। এর মধ্যেও বিএনপির সঙ্গে ঐক্য গড়ায় এক যুক্তি তারা দেখাচ্ছে এভাবে: ঐক্য হয়েছে বিএনপির সঙ্গে, জামায়াতের সঙ্গে নয়। এর মধ্যে ২০ দলের শরিকদেরকে নিয়েও আলাদা বৈঠকে হয়েছে বিএনপির। সেখানেও স্পষ্ট হয়নি সামনে কী হবে। ঐক্যের কর্মসূচিতে বিএনপির শরিকরা কী ভূমিকা রাখবেন জানা যায়নি। জামায়াত, মুসলিম লীগের মতো স্বাধীনতাবিরোধীরা যুগপদভাবেই পালন করবেন কি না, সেটিও ভবিষ্যতের জন্যই রেখে দিয়েছে বিএনপি। মাহমুদুর রহমান মান্না ঢাকাটাইমসকে বলেন,(আজ) আ স ম রবের উত্তরার বাসায় ঐক্যফ্রন্টের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক আছে। এ বৈঠকটি শুরু হবে দুপুর ১২টায়। সেখানেই সব ঠিকঠাক হবে। একই প্রশ্ন ছিল ড. কামাল হোসেনের ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সচিব আ ব ম মোস্তফা আমিনের কাছে। তিনি ঢাকাটাইমসকে বলেন, আমাদের ঐক্য হয়েছে, এখন আমাদের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক হবে। এরপরে বলা যাবে পরবর্তী কর্মসূচি কী হবে। এই মুহূর্তে আমি এর বেশি কিছুই বলতে পারব না। এর বেশি আর কিছুই আমি জানি না। ঐক্যফ্রন্টের নেতারা জানান, তারা জোটে নতুন দলকে অন্তর্ভুক্ত করতে চান। জামায়াতে ইসলামী বাদে ২০ দলীয় জোটের অন্য শরিক দলগুলোকে দ্রুতই এ জোটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সরকারের বাইরের সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলকে আনতে শেষ চেষ্টা চালানো হবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঐক্যফ্রন্টের এক নেতা ঢাকাটাইমসকে জানান, তারা আশা করছেন বিকল্পধারার নেতা এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী শেষ পর্যন্ত তাদের জোটে আসবেন। ওই নেতা জানান, জোট সম্প্রসারণের এ প্রক্রিয়ার মধ্যেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে ঢাকায় গোলটেবিল বৈঠক, চলতি মাসে ঢাকার বাইরে সিলেট, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম শহরে জনসভা করবে। এর বাইরে বেশকিছু কর্মসূচি হাতে নেবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ঢাকাটাইমস
জমি দখলের চেষ্টা ও ভাঙচুরের মামলা জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে
অনলাইন ডেস্ক: সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদকে নিয়ে উদ্ভট বক্তব্যের কারণে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা দায়েরের পর এবার জমি দখলের চেষ্টা, ভাঙচুর ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। সোমবার রাতে আশুলিয়া থানায় এ মামলা করেন মানিকগঞ্জ জেলার হরিরাম পুরের মোহাম্মদ আলী (৫৬) ও নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের মো আনিছুর রহমান। মামলায় জাফরুল্লাহ ছাড়াও আরো তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন-গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মো. দেলোয়ার হোসেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিচালক মো সাইফুল ইসলাম শিশিশ (৫৫) ও নূর মোহাম্মদের ছেলে আওলাদ হোসেন (৪৮)। মামলার বিবরণীতে বলা হয়, আশুলিয়া থানাধীন পাথালিয়া মৌজায় ৪.২৪ একর জমির ক্রয় সূত্রে মালিক মোহাম্মদ আলী, আনিছুর রহমান ও জনৈক তাজুল ইসলাম। তারা এ জমিতে কাটাতারের বেষ্টনী দিয়ে টিনশেডের ঘর বানিয়ে গাছপালা রোপণ করেছেন। কিন্তু আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে এ জমি দখল করার চেষ্টা করছে। সর্বশেষ ১৪ অক্টোবর আসামিরা ওই জমিতে হাজির হয়ে বলেন, জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নির্দেশে এ জমি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কাছে হস্তান্তর করতে হবে অথবা গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে এককোটি টাকা জরিমানা দিতে হবে। বাদীরা এ টাকা দিতে অস্বীকার করলে আসামিরা জমিতে ভাঙচুর করেন। এর আগে বেসরকারি টেলিভিশনে টক শোতে সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সম্পর্কে বিরূপ বক্তব্য করায় জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে জিডি (সাধারণ ডায়েরি) করে সেনা সদর। এতে বিধি মোতাবেক তদন্ত করে উপরে জাফরুল্লাহসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করা হয়। রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় শুক্রবার এই জিডি করেন সেনা সদরের মেজর এম রকিবুল আলম। জিডি নম্বর ৪৯৮। গত ৯ অক্টোবরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করতে বিলম্বের কারণ হিসেবে ‘সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা ও নির্দেশ’ পাওয়ার কথাও জানানো হয়। ইতিমধ্যে জিডিটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। এই জিডিটি রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলে এটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হিসেবে গ্রহণ করে তদন্তের জন্য ডিবি পুলিশকে স্থানান্তর করা হয়। সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো: আব্দুল বাতেন বাসসকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ফজলুর রহমানকে এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়েছে। সেনা সদরদপ্তরের জিডিতে জাফরুল্লার বক্তব্যকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, বিদ্বেষপ্রসূত ও ষড়যন্ত্রমূলক উল্লেখ করা হয়েছে। কেন, কি উদ্দেশে এবং কাদের প্ররোচণায় তিনি এ বক্তব্য দিয়েছেন তাও তদন্তের কথা জানানো হয়। গত ৯ অক্টোবর রাতে সময় টিভির সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেন জাফরুল্লাহ। ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট হামলায় ব্যবহৃত আর্জেস গ্রেনেডের উৎসের বিষয়ে বলতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, আজিজ আহমেদ চট্টগ্রামের জিওসি থাকাকালে বেশ কিছু অস্ত্র হারিয়ে গিয়েছিল। এরপর তিনি কোর্ট মার্শালের মুখোমুখি হয়েছেন। এই বক্তব্য নজরে আসে সেনা সদরদপ্তরের। আর সেখান থেকে জানানো হয়, আজিজ আহমেদ কখনও চট্টগ্রামের জিওসি ছিলেন না। আর তিনি তার চাকরি জীবনে কখনও কোর্ট মার্শালের মুখোমুখি হননি। এরপর জাফরুল্লাহ সংবাদ সম্মেলন করে তার বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তবে তিনি এমনও দাবি করেন, আজিজ আহমেদ কোর্ট মার্শালের মুখোমুখি না হলেও তার বিরুদ্ধে কোর্ট অব ইনকোয়ারি হয়েছিল। ঢাকাটাইমস
নির্বাচনের বিষয়ে এখনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত না হলে আরেকটি রক্তাক্তপথ হবে: কর্নেল অলি
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আদৌ হবে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম। শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এলডিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন। অলি বলেন, দেশে আদৌ কোনো নির্বাচন হবে কিনা, তা নিয়ে আমি এখনো নিশ্চিত নই। আবার নির্বাচন হলেও জনগণ ভোট দিতে পারবেন কিনা সে প্রশ্ন রয়েই যায়। তিনি বলেন, বর্তমানে জাতির ক্রান্তিকাল চলছে। আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। সেগুলো কীভাবে মোকাবেলা করব, সেটা ভাবা দরকার। বিএনপির এই সাবেক নেতা বলেন, আগামী নির্বাচনেও ২০১৪ সালের পুনরাবৃত্তি হবে বলে যারা মনে করছেন, তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। সেটা আর কখনোই হবে না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্বাচনের বিষয়ে এখনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত না হলে আরেকটি রক্তাক্তপথ হবে। অলি বলেন, আমরা অতীতে দেখেছি, যারা বিএনপির সমর্থক, তারা রাস্তায় মঞ্চ করে বিএনপির বিরোধিতা করেছেন। এরা যে আগামী দিনেও বিরোধিতা করবে না, সেটা বলা যায় না। তিনি বলেন, ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে বিএনপির আলাপ-আলোচনাকে আমি স্বাগত জানাই। কিন্তু, সময় অনেক কম। আপনারা কী করছেন তাও আমরা দেখছি। এলডিপি সভাপতি বলেন, যাদের দুটি আসন নেই, তারাও দেখলাম ১৫০ আসন চাইছে। সময় থাকতে সবাইকে আমি সাবধান করছি। এত সহজেই আপনারা কোনো কাজ করতে পারবেন না। যে যতই আনন্দ করুক, তারা যে যা পাপ করেছেন, সেটা তাদের অন্তর জানে। আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমি আবারো বঙ্গবন্ধুকন্যাকে আহ্বান জানাব আলোচনার মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করুন, যাতে মানুষের ভোটাধিকার এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়। এর বাইরে কিছু করতে গেলে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরই দেশে আরেকটি রক্তপাত অপেক্ষা করছে। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সাবেক হুইপ আবদুল করিম আব্বাসি, এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক এমপি আবদুল গণি, প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার কামাল উদ্দিন মোস্তফা, এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব সাহাদাত হোসেন সেলিম প্রমুখ।
বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের রূপরেখা ও কর্মসূচি ঘোষণা আজ
অনলাইন ডেস্ক: যুক্তফ্রন্ট, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া এবং বিএনপির সমন্বয়ে গঠিত বৃহত্তর ঐক্যর রূপরেখা ঘোষণা করা হবে আজ। শনিবার বিকাল পাঁচটায় গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসায় এ নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে একটি সূত্রে জানা গেছে। বৈঠকে রূপরেখা এবং কর্মসূচি চূড়ান্তের পর আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিকদের জানানো হবে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় যুক্তফ্রন্টের অন্যতম নেতা জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রবের বাসায় বৈঠক করেন বিএনপি, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া ও যুক্তফ্রন্টের কয়েকজন নেতা। বৈঠক শেষে কেউ সাংবাদিকদের সামনে কথা না বললেও আজ আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তারা। সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের রূপরেখা এবং দাবি-দাওয়া চূড়ান্ত করতে গতকালের বৈঠকটি হয়। সেখানে চলমান ঐক্য প্রক্রিয়ার দাবি ও লক্ষ্যের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। শনিবারের পরবর্তী বৈঠকে এসব বিষয় পুরোপুরি চূড়ান্ত করা হবে। গতকাল শুক্রবার বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে আবদুর রবের উত্তরার বাসায় এই বৈঠক শুরু হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা বৈঠক করে তারা ৬টা ২৭ মিনিটে বের হন। গতকালের বৈঠকে অংশ নেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, সহ-সভাপতি তানিয়া রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, নাগরিক ঐক্যের প্রধান সমন্বয়ক শহীদুল্লাহ কায়সার, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, বিকল্পধারার যুগ্ম-মহাসচিব মাহি বি চৌধুরী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ প্রমুখ।
এ রায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: ফখরুল
অনলাইন ডেস্ক: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় নিয়ে আদালত ও ক্ষমতাসীনদের বক্তব্য একই সূত্রে গাঁথা। ফখরুল বলেন, মিডিয়ার একাংশ এ রায়ের পর্যবেক্ষণে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্পর্কে মনগড়া তথ্য প্রকাশ করে জনমনে বিরূপ ধারণা তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে দলীয় তদন্তকারীর চক্রান্তে সাজানো মামলায় তারেক রহমানকে সাজা দেওয়া হয়েছে। ‌‌‌এটা জানার পরেও কেউ কেউ দল থেকে তার পদত্যাগের যে পরামর্শ দিয়েছেন, তাদের কাছে জনগণের প্রশ্ন, এতো-শত গুম, খুন করার জন্য দায়ী সরকারের পদত্যাগ কি তারা দাবি করেছেন? নিম্ন আদালতের দেওয়া রায়কে যখন আমরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রতিফলন ও বিএনপিকে দুর্বল করার অসৎ উদ্দেশ্য বলছি, তখন সেই রায়ের ভিত্তিতে আমাদের নেতা তারেক রহমানের পদত্যাগের প্রশ্নই আসে না। আজ শুক্রবার (১২ অক্টোবর) নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। বিএনপির এই নেতা আরো বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাকে ‘রাষ্ট্রযন্ত্রের সহায়তায় হামলা’ বলে আদালতের পর্যবেক্ষণের যে খবর প্রচারিত হয়েছে, তাতে ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক বক্তব্যের হুবহু প্রতিফলন দেখে দেশের জনগণের মতো আমরাও বিস্মিত হয়েছি। মির্জা ফখরুল বলেন, রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ১৯৭১ এর পরাজিত শক্তি এদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্যাহত করার অপচেষ্টা চালাতে থাকে। পরাজিত শক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে স্বাধীন বাংলাদেশের উন্নয়নের গতিকে রোধ করে। জাতির পিতাকে হত্যার পর জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যা করা হয়। কিন্তু ষড়যন্ত্র থেমে না গিয়ে চলমান থাকে। '২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করার হীন চেষ্টা চালানো হয়' বলেও আদালতের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আদালতের এসব পর্যবেক্ষণ ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক বক্তব্য হুবহু এক। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের নৃশংস হত্যাকাণ্ড, জেলখানায় ৪ জাতীয় নেতার বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মতো ঘৃণ্য অপরাধকে একসূত্রে গাঁথার যুক্তি সঠিক হলে বিএনপি কিংবা বিএনপি পরিচালিত রাষ্ট্রযন্ত্রকে অপরাধী বলা হলো কোন যুক্তিতে? ১৯৭৪ সালে বিএনপি’র জন্মও হয়নি এবং ১৫ আগস্ট কিংবা ৩ নভেম্বরের হত্যাকাণ্ডের বিচারে কোনো আদালতই বিএনপি কিংবা এ দলের কোনো নেতাকে অভিযুক্ত-এমনকি সম্পৃক্তও করেনি। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, তাহলে ২১ আগস্টের ঘটনার বিচারের পর্যবেক্ষণে আগের ২টি ঘটনার উল্লেখ কতটা প্রাসঙ্গিক? দল বিশেষের রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ মিলে যাওয়া কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয় বলেই জনগণ মনে করে। ‘অন্যদিকে হুজি নেতা মুফতি হান্নান শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মুখে যে জবানবন্দি দিয়েছিলেন তা তিনি প্রকাশ্য আদালতে লিখিতভাবে প্রত্যাহার করে নেওয়ার পরেও তারই জবানবন্দিকে ভিত্তি করে তারেক রহমান ও অন্যান্য বিএনপি নেতাকে অভিযুক্ত করে শাস্তি দেওয়াটা কতটা মানবিক এবং যুক্তিযুক্ত কিংবা আইনসঙ্গত হয়েছে তা উচ্চ আদালত বিবেচনা করবেন বলে আমরা আশা করি’। আদালতের পর্যবেক্ষণে বিরোধী দলের প্রতি সরকার ও সরকারি দলের প্রত্যাশিত আচরণ সম্পর্কে যেসব বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে, তা বর্তমানে ক্ষমতাসীন সরকারি দলের আচরণের ঠিক বিপরীত মন্তব্য করে বিএনপির এ অন্যতম শীর্ষ নেতা বলেন, আমরা আশা করবো সরকার আদালতের এসব পর্যবেক্ষণ মান্য করবে। রায়ের পর্যবেক্ষণে সাবেক মন্ত্রী এস এম এ কিবরিয়া ও আহসান উল্লাহ মাস্টারের হত্যাকাণ্ডের উল্লেখ থাকলেও বিচারকের বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি সরকারি দলের আচরণ কেমন হওয়া উচিৎ, সে সম্পর্কে দেওয়া পর্যবেক্ষণে বর্তমান সরকারের আমলে সাবেক মন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমেদ, সংসদ সদস্য এম ইলিয়াস আলী ও সাইফুল ইসলাম হিরু, কাউন্সিলর চৌধুরী আলম, ছাত্রদল নেতা জাকিরসহ গুম হওয়া রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের কোনো কথা নেই কেন জনগণ তা জানতে চাইতেই পারে। রায়ের পর্যবেক্ষণে কাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে গত ১০ বছরে হাজারো গুম, খুন, গায়ে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করে পঙ্গু করা, হাজার হাজার গায়েবী মামলা দিয়ে লাখ লাখ বিএনপি নেতাকর্মীদের বছরের পর বছর ঘরছাড়া করে রাখা, গ্রেফতার করে রিমাণ্ডে নিয়ে অকথ্য নির্যাতন করার বিষয়ে কোনো কথা না থাকা রায়কে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই পারে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকাকালে সংঘটিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দায়িত্ব যদি রাষ্ট্রযন্ত্রের হয়, তাহলে বর্তমান সরকারের শাসনামলে পিলখানা বিডিআর সদর দফতরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, হলি আর্টিজানে হত্যাকাণ্ড এবং জঙ্গি হামলায় নিহত বিদেশি কূটনীতিক, ব্যবসায়ী, এনজিও কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, ইমাম-মোয়াজ্জিন, যাজক, পুরোহিত, ব্লগারসহ অসংখ্য সাধারণ মানুষের হত্যাকাণ্ডের দায় ক্ষমতাসীনদের ওপরই বর্তায়। কিন্তু রায়ের পর্যবেক্ষণে এসব বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই। মিডিয়াকে আরও দায়িত্বশীল হবে এমন আশা প্রকাশ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ২১ আগস্টের নৃশংস ঘটনার সুবিচার নিশ্চিত করার জন্য তৎকালীন সরকারই মামলা দায়ের করেছে। নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য এফবিআই ও ইন্টারপোলকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে, বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি করেছে। এ মামলার মূল আসামি মুফতি হান্নানকে গ্রেফতার করেছে। এসব ঘটনা প্রমাণ করে তৎকালীন সরকার অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল না। কাজেই রাষ্ট্রযন্ত্রের সহায়তায় হামলা হয়েছে বলে আদালতের যে পর্যবেক্ষণ -তা যুক্তিগ্রাহ্য ও গ্রহণযোগ্য নয়। মির্জা ফখরুল বলেন, মুফতি হান্নানের বেআইনি ২য় জবানবন্দি বাদ দিলে তারেক রহমান ও অন্য অনেক উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিকেই এ মামলায় অভিযুক্ত করা যেতো না। প্রকাশ্য আদালতে মুফতি হান্নান যাতে তাকে দিয়ে জোর করে জবানবন্দিতে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে, এটা বলতে না পারেন সে জন্যই অন্য একটি মামলায় দ্রুততার সঙ্গে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণে এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির কোনো উল্লেখ না থাকাও বিস্ময়কর ও সন্দেহমূলক। এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানুল্লাহ আমান, জ্যৈষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সহ-দফতর সম্পাদক মনির হোসেন ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা প্রমুখ।
২১ আগস্টের খুনিদের ঐক্য মানুষ মানবে না: সেতুমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, একুশে আগস্টের খুনিদের সঙ্গে কোনো ধরনের জাতীয় ঐক্য দেশের মানুষ মেনে নেবে না। বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর রমনার ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইইবি) মিলনায়তনে সড়ক ও জনপথ প্রকৌশলী সমিতির ২৮তম বার্ষিক সম্মেলন উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগের সমাবেশে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় বুধবার (১০ অক্টোবর) তৎকালীন বিএনপি সরকারের প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের ফাঁসি হয়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উপদেষ্টা হারিছ চৌধুরীসহ ১৯ জনের। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওই হামলার মাস্টারমাইন্ড হিসেবে তারেক রহমানের ফাঁসি হওয়া উচিত বলে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছিলেন।
গ্রেনেড হামলা তারেককে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ
অনলাইন ডেস্ক: ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ফরমায়েশি রায়ের প্রতিবাদে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিএনপি'র নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে বিএনপির জৈষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মোড় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে সিএমএম কোর্টের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশ নেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নিপূণ রায় চৌধুরীসহ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, কেরানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। মিছিল শেষে বক্তারা অবিলম্বে এই ফরমায়েশি রায় প্রত্যাহারের দাবি জানান। আলোকিত বাংলাদেশ
রায়ে অখুশি নই- তবে সন্তুষ্টও নই: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার বিচার হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিলম্বিত এ রায়ে আমরা অখুশি নই। তবে পুরোপুরি সন্তুষ্টও নই। এই হামলার যে প্ল্যানার বা মাস্টারমাইন্ড, তার শাস্তি হওয়া উচিত ছিল সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড। আজ বুধবার রায়ের পর সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, মুফতি হান্নান স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলে গেছেন, হামলায় তারেক রহমানের অনুমতি ছিল। তিনি আরও বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তখনকার সরকার আলামত নষ্ট করে দিয়েছে। খালেদা জিয়া তখন ক্ষমতায় ছিলেন। কিন্তু সরকার চালাচ্ছিল হাওয়া ভবন, বলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, তখনকার সরকার এফবিআইকে তদন্ত করতে দেয়নি। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডকেও আসতে দেয়নি। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন ও বাকি ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে।
রায় প্রত্যাখ্যান-দেশজুড়ে বিএনপির বিক্ষোভ
অনলাইন ডেস্ক: ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়কে প্রতিহিংসামূলক বলে প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায় প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে রাজশাহী বিএনপি। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় শফিকুল হক মিলন বলেন, এই রায় সাজানো। শহীদ জিয়ার পরিবারকে ধ্বংস করার চক্রান্তের অংশ হিসেবে এই রায় দেয়া হয়েছে। রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে চট্টগ্রাম আদালত ভবনে মিছিল ও সমাবেশ করেছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরাম। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেনসহ অন্যরা। রায়ের প্রতিবাদে বরিশালে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেছে। এ সময় তারা ফরমায়েশি রায় প্রত্যাখ্যান করে শ্লোগান দিতে থাকে। এদিকে বরিশাল নগরীর স্টীমার ঘাট এলাকা থেকে রায়ের প্রতিবাদে মিছিল বের করার চেষ্টাকালে বরিশাল মহানগর যুবদলের সভাপতি আক্তারুজ্জামান শামিমসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলের নেতাদের সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে রংপুর গ্রান্ডহোটেল মোড় এলাকায় জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে বিক্ষোভ করে বিএনপি। রায়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি যুবদল স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদল। দুপুরে নগরীর রানীরবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে এ বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। রায় ঘোষণার পর জামালপুরে বিএনপি ও ছাত্রদল শহরে পৃথক পৃথক মিছিল করেছে। এ সময় পুলিশ ছাত্রদলের মিছিলকারীদের ধাওয়া করে । এর আগে পুলিশ শহর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাইন উদ্দিন বাবুল এবং বিএনপির নেতা আনিসুর রহমান বিপ্লবকে শহরের বোষপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামালা মামলার রায় প্রত্যাখান করে নোয়াখালীতে বিএনপি আইনজীবী পরিষদের প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। বক্তারা বলেন, এ রায় সরকারের আজ্ঞাবহ রায়, এ রায়ে ন্যায় প্রতিফলন হয়নি। রায়ের পর সুনামগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি। তবে সে মিছিলে বাধা দেয় পুলিশ। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এমন রায় দেয়া হয়েছে। রায়ের প্রতিবাদে জয়পুরহাটে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা জেলা বিএনপি কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময় পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে তা পণ্ড হয়ে যায়। পরে বিএনপি’র কার্যালয়ের সামনে তারা বিক্ষোভ সমাবেশ করে। এসময় বক্তারা বলেন, তারেক রহমানকে রাজনীতি থেকে দুরে রাখার জন্য এই রায় দেওয়া হয়েছে।

রাজনীতি পাতার আরো খবর