বিএনপিকে আগামী ২৩শে মে পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিল
৭ মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম :বিএনপিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ছাড়ার জন্য আগামী ২৩ তারিখ পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন ২০ দলীয় জোটের শরীক দল বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান। এর মধ্যে ঐক্যফ্রন্ট না ছাড়লে ২৪ মে তার দল ২০ দলীয় জোটে থাকবে কিনা সে সিদ্ধান্ত জানাবেন। মঙ্গলবার ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান গণমাধ্যম বলেন, আমরা বিএনপিকে ড. কামালের ঐক্যফ্রন্ট ছাড়ার জন্য এবং কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য কর্মসূচি দিতে আগামী ২৩শে মে পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিচ্ছি। এর মধ্যে বিএনপি সিদ্ধান্ত না নিতে পারলে ২৪ তারিখে আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত নেবো।তিনি বলেন, শুধু আমার দল নয়, আমি যদি ২০ দলীয় জোটে না থাকি তাহলে আরও অন্তত ৪-৫টি দল এই জোট থেকে বেরিয়ে যাবে।এর আগে সোমবার রাতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে বেশি গুরুত্ব এবং নিজেদের অবজ্ঞা, অবহেলার শিকার হয়েছে অভিযোগ করে ২০ দলীয় জোট ছাড়েন পার্থ।
দেশে যে ন্যূনতম গণতন্ত্র নেই :মির্জা ফখরুল
৭ মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম :বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে বৃটেনের রাজধানী লন্ডনে অবস্থান করছেন। সফরকালীন প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে আসা নিজ দলের নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে এক বক্তব্যে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন শেখ হাসিনা । যা বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত ও সামাজিক গণমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। মুক্তি নিয়ে তিনি যা বলেছেন তাতে আমি উদ্বেগ প্রকাশ করছি।আজ মঙ্গলবার দুপুরে এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব এ সব কথা বলেন।মির্জা ফখরুল, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি যদি প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভর করে তাহলে সেটি শুধু উদ্বেগজনকই নয় বরং তা সামগ্রিকভাবে দেশ ও জনগণের জন্য এক অশুভ আগামীর ইঙ্গিতবাহী। দেশে যে ন্যূনতম গণতন্ত্র নেই, বরং একদলীয় শাসনের চরম বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে তা লন্ডনে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে সুস্পষ্ট হয়েছে। আইনের শাসন, আইনী প্রক্রিয়া ও ন্যায় বিচার নিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক শক্তি বারবার যে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে সেটি যে ন্যায়সঙ্গত তা আবারও প্রমানিত হলো।
কর্তৃত্ব করার জন্য আসিনি,সেবা করতে এসেছি: জিএম কাদের
৬মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, আমি কর্তৃত্ব করার জন্য আসিনি। জাপার সেবা করার জন্য এসেছি। সবার মতামতের ভিত্তিতে জাপাকে এগিয়ে নিতে চাই। সোমবার জাপার বনানী কার্যালয়ে জাতীয় যুব সংহতি আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। জিএম কাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনোনীত হওয়ায় এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। জিএম কাদের বলেন, দলের জন্য যারা ত্যাগ স্বীকার করেছে, সেই মানুষগুলোকে নিয়ে দল চালাতে চাই। হঠাৎ করে কেউ এলো, দলে বড় পদ দেওয়া হলো; আমি মনে করি এটা দেশ ও দলের জন্য মঙ্গল হতে পারে না। অনেক ক্ষেত্রে যেটা লক্ষ্য করেছি। কিন্তু বিশেষ সময়ে বিশেষ কিছু হতে পারে। এটা প্রচলিত নিয়ম হতে পারে না। তিনি আরও বলেন, রাজনীতি অনেক ক্ষেত্রে ব্যবসার মতো হয়েছে। অনেকটা জমিদারীর মতো বংশ পরম্পরায়। আমি কিন্তু রাজনীতিকে সেভাবে দেখি না। বড় জায়গায় যাওয়া মানে মানুষের জন্য তত বেশি কাজ করার সুযোগ। তত বেশি সেবা করার সুযোগ। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যুবসংহতির সভাপতি আলমগীর সিকদার লোটনের সভাপতিত্বে জাপা মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা ছাড়াও আরও বক্তব্য রাখেন পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, মাসুদা এমএ রশিদ চৌধুরী এমপিসহ অনেকে।
শাজাহান খানের প্রশ্ন: বাসচালকের শাস্তি হয়, ট্রেনচালকের হয় না কেন?
৬মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাবেক নৌমন্ত্রী ও সড়ক পরিবহন নেতা শাজাহান খান বলেছেন, সড়কে দুর্ঘটনার জন্য বাসচালকের শাস্তি হলে রেলপথে মানুষের মৃত্যুর জন্য ট্রেনচালকের শাস্তি হয় না কেন? গতকাল রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। শাজাহান খান বলেন, দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য যাত্রী, পথচারী, চালক সবাইকে সচেতন হতে হবে। কোনো ঘটনা হলেই আমরা বলি, ঘাতক ড্রাইভার হত্যা করেছে। তা কি ঠিক? মিশুক মুনীর, তারেক মাসুদসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনায় চালকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। দেখা গেছে, এসব দুর্ঘটনায় চালক এককভাবে দায়ী নয়। তাহলে চালক এককভাবে সাজা খাটবে কেন? আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকের ছেলে মারা গেছেন। ওই দুর্ঘটনায় সেখানে একটি কুকুরকে বাঁচাতে গিয়ে দুর্ঘটনা হয়েছে, এখানেই বা চালকের দোষ কোথায়? তিনি আরও বলেন, ১৯৮৩ সালে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু যোগাযোগমন্ত্রী থাকাকালে ৮৮টি সুপারিশ দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো আজও বাস্তবায়ন হয়নি। আমরাও ১১১টি সুপারিশ করেছি, কিন্তু এগুলো বাস্তবায়ন করবে কে? সড়কে শৃঙ্খলা আনতে গঠিত ২২ সদস্যের সুপারিশ প্রণয়ন কমিটির প্রধান তিনি। সভায় অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চলাচল, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, ট্র্যাফিক আইন ভঙ্গ করা রোধসহ ১৬টি প্রস্তাব তুলে ধরেন আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী। আরও বক্তব্য দেন জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, বাসদ নেতা রাজেকুজ্জামান রতন, অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী প্রমুখ।-আরটিভি
তারেক-ফখরুলের বিরুদ্ধে ছিনতাই মামলা
৫মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ছয় নেতার বিরুদ্ধে ছিনতাই ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলা করেছেন বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী। ঢাকার মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ানের আদালতে রোববার (৫ মে) দুপুরে এ মামলা দায়ের করেন তিনি। দুপুর দেড়টায় এই মামলার শুনানি হবে। তারেক-ফখরুল ছাড়া মামলার অপর চার বিবাদী হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রহুল কবির রিজভী আহমেদ।
ফণী মোকাবেলায় সরকারকে প্রস্তুতির আহ্বান
৩ মে শুক্রবার, অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলায় সরকারকে আগাম প্রস্তুতির আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।আজ সকালে নয়াপল্টনে বিএনপি'র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। বৃষ্টির মধ্যে মহিলা দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে রিজভী আহমেদ মানববন্ধনে অংশ নেন।সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গণবিচ্ছিন্ন এই সরকার ইতিপূর্বে প্রাকৃতিক দুর্যোগে আগাম প্রস্তুতি নেয়নি। তাই পাহাড় এবং হাওরে মানুষের ক্ষতি হয়েছে।তাই ঘূর্ণিঝড় ফণী বরিশাল, খুলনা সাতক্ষীরা সহ উপকূলীয় অঞ্চলে যেন ক্ষতি না হয় সেজন্য আমরা আগাম প্রস্তুতির কথা বলছি।সামাজিক মাধ্যমে প্রধান মন্ত্রীর কথিত একটি অডিও যেটা ভাইরাল হয়েছে তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করেন রিজভী। তিনি বলেন, বিচার বিভাগ এই সরকারের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।কেউই সরকারের সমালোচনা করলে তাকে হয় গুম হতে হয়, না হয় কারাগারে থাকতে হয়।অবিলম্বে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।মানববন্ধন শেষে একটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি নয়া পল্টন থেকে শুরু হয়ে কাকরাইল মোড় হয়ে আবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনে এসে শেষ হয়।মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, সিনিয়র- যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, জেবা খান সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
খালেদা জিয়া মুক্তি পাচ্ছেন ?
৩ মে শুক্রবার, অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপি মুখে যতই বলুক সরকারের সঙ্গে কোন সমঝোতা নয়, কিন্তু নাটকীয়ভাবে ৫ জন সংসদ সদস্যর শপথ গ্রহণ এবং সরকারের পক্ষ থেকে তাদের স্বাগত জানানোর মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির পথ উম্মোচিত হলো কিনা সেই আলোচনা এখন রাজনীতিতে এসে গেছে।অনেক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল বলছেন, এটার ফলে খালেদা জিয়ার মুক্তির পথ উম্মুক্ত হলো। বিএনপিরও অনেকেই মনে করছেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্যই হয়তো বিএনপি এমন আত্মঘাতি এবং অসম্মানজনক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তির ব্যাপারে সরকার এবং বিএনপির মধ্যে তেমন কোন সমঝোতা হয়নি। বরং খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আরো নতুন ৫টি মামলার চার্জশিটের প্রস্তুতি চলছে বলে সরকারের বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে।আইনজীবীরা বলছেন, খালেদা জিয়া প্যারোল নেয়ার ব্যাপারে এখনো সম্মতি জানাননি। তিনি যদি প্যারোল না গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তার মুক্তির একমাত্র উপায় হলো জামিনের মাধ্যমে। কিন্তু খালেদা জিয়া কি জামিনের আবেদন করবেন? তিনি যদি জামিনের আবেদনও না করেন, সেক্ষেত্রে তার মুক্তি কোন প্রক্রিয়ায় হবে সেটা রাজনৈতিক অঙ্গনে এক গোলক ধাধা।তবে বিএনপির একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা বলেছেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির সঙ্গে বিএনপির পাঁচজন সংসদ সদস্যর শপথ নেয়ার কোন সম্পর্ক নেই। বরং এর সঙ্গে তারেক রহমানের লন্ডনে থাকা এবং তার বিরুদ্ধে সরকারের বিভিন্ন ব্যবস্থাগুলোকে শ্লথ করে দেয়ার অভিযোগ আছে।এর মাধ্যমে তারেক রহমানের লন্ডনে থাকা নিশ্চিতও হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন। সরকার তারেককে ফিরিয়ে আনার কঠোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে বলেও একটি সূত্র দাবি করেছে।তাহলে প্রশ্ন হলো, খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন কীভাবে? বিএনপির একাধিক সূত্র বলছে যে, খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান দুজনই ভিন্ন ভিন্নভাবে সরকারের সঙ্গে দরকষাকষি করছেন। খালেদা জিয়ার ছোটভাই শামীম ইস্কান্দার সরকারের একাধিক প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এই যোগাযোগ সফল হলেই খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন বলে জানা গেছে।এদিকে সরকারের একাধিক সূত্র বলছে, খালেদা জিয়ার মুক্তির আগে বিএনপিকে ঢেলে সাজাতে হবে। সেই লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।এর মধ্যে রয়েছে-১. জাতির পিতাকে বিএনপির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে হবে। বিএনপির গঠনতন্ত্রে জাতির পিতার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।২. বিএনপিকে ১৫ আগস্ট শোক দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। ১৫ আগস্টে শোক দিবসের রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে হবে।৩. জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে সরকারের পক্ষ থেকে যে বছরব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে সেই অনুষ্ঠানে বিএনপিকেও শামিল হতে হবে।৪. খালেদা জিয়া জামিন বা প্যারোল যেটাই পান না কেনো সেটি নিয়ে তিনি বিদেশে যাবেন না, বিদেশে গেলেও তিনি স্বল্পকালীন সময়ের জন্য যাবেন।৫. বিএনপির বিরুদ্ধে সন্ত্রাস সহিংসতার যে মামলাগুলো রয়েছে সেগুলো অব্যাহতভাবে চলবে।তবে এই বিষয়ে সরকার এবং বিএনপির মধ্যে এখনও আলোচনা ও সমঝোতার চেষ্টা চলছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এই সমঝোতা প্রক্রিয়া যদি সফল হয় তবে জামিন বা প্যারোল হোক খালেদা জিয়া মুক্তি পেতেই পারেন।সূত্র-সোনালীনিউজ।এদিকে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, বেগম জিয়া মুক্তি পান বা না পান খুব শীঘ্রই হয়তো তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ইউনাইটেড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হতে পারে। এই ব্যাপারে একটি আবেদন আগামীকাল বা রোববারের মধ্যে সরকারের কাছে নতুন করে দেয়া হতে পারে।সূত্র- আলোকিত বাংলাদেশ