খালেদা জিয়ার জামিন নামঞ্জুর
অনলাইন ডেস্ক :ভুয়া জন্মদিন পালন ও মুক্তিযুদ্ধকে অবমাননার অভিযোগের দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছে আদালত।বৃহস্পতিবার পুরান ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আহসান হাবিব ও খুরশেদ আলম এ আদেশ দেন।গত ২১ জুন খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া ও জিয়া উদ্দিন জিয়া জামিনের আবেদন করেন। জামিন শুনানি শেষে আদেশের জন্য আজকের (বৃহস্পতিবার) দিন ধার্য করে আদালত।২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধী জামাতের সঙ্গে জোট করে নির্বাচিত হয়ে সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন খালেদা জিয়া। ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে একটি মানহানির মামলা করেন জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী।আর ভুয়া জন্মদিন পালনের অভিযোগ এনে ২০১৬ সালের ৩০ আগস্ট ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী জহিরুল ইসলাম বাদি হয়ে একটি মামলা করেন।উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। রায়ের পরই খালেদা জিয়াকে নাজিমুদ্দিন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়।
কমিটি পেতে অপেক্ষা বাড়ল ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশী নেতাদের
প্রত্যাশিত কমিটি পেতে অপেক্ষা বাড়ল ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশী নেতাদের। বুধবার দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করার পর কমিটি গঠন নিয়ে আরও সময় নিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে এত আবেদনে বিস্ময় প্রকাশ করে বক্তব্যরত নেতাদের কাছে পদপ্রত্যাশার কারণ জানতে চান তিনি। ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি যাকে দায়িত্ব দেব তার নেতৃত্বে কাজ করতে হবে। সংগঠনকে এগিয়ে নিতে হবে। তবে সংগঠনের নেতা নির্বাচনে শেখ হাসিনার ওপর আস্থা রাখলেও বক্তব্যে ছাত্রলীগ নেতারা নিজেদের আত্মপ্রচারই করেছেন বেশি। সম্মেলনের দুই মাস পর ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশী নেতাদের গণভবনে ডেকে মতবিনিময় করেন শেখ হাসিনা। বুধবার রাতে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদ চেয়ে আবেদন করা পদপ্রত্যাশী ১৬৯ জন নেতাকে নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন। তবে আলোচনা হলেও কমিটি নিয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি। গত ১১ ও ১২ মে ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় অধিবেশনের পর কমিটি ঘোষণার নিয়ম থাকলেও শীর্ষ পদের নেতৃত্ব বাছাইয়ে সময় নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছাত্রলীগের নেতৃত্ব গঠন নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে সমালোচনা হয়ে আসছিল। বিষয়টি আওয়ামী লীগের সভাপতি পর্যন্ত গড়ালে এবার সমঝোতার ভিত্তিতে নেতা নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়। সম্মেলনের আগে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে ২৩২টি ফরম জমা পড়ে। এসব আবেদন যাচাই-বাছাইয়ে দুই মাস সময় নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দীর্ঘ অনুসন্ধান ও আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে বুধবার পদপ্রত্যাশী নেতাদের গণভবনে ডাকেন তিনি। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক ছাত্রলীগ নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, খুব ধৈর্যের সঙ্গে প্রত্যেক পদপ্রত্যাশী নেতাদের বক্তব্য শুনেছেন শেখ হাসিনা। সবার বক্তব্য ও পদ পাওয়ার আগ্রহ দেখে তিনি বলেছেন, সবাই নেতা হবে না। আর আমি সবাইকে পদ দিতেও পারব না। সবাই উপযুক্ত। আমি আরও যাচাই-বাছাই করে দেখব। আরও সময় লাগবে। আমি পরে জানাব। এ সময় তিনি বলেন, আমি যাকে দায়িত্ব দেব, তার নেতৃত্বে সবাই কাজ করবে। সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এ সময় উপস্থিত ছাত্রলীগ নেতারা স্লোগান দিয়ে গণভবন মুখরিত করে তোলেন। সবাই একই সুরে বলেন, ‘নেত্রী আপনি যাকে দায়িত্ব দেবেন আমরা তার নেতৃত্বেই কাজ করব। আপনার নির্দেশনা মেনে চলব।’ বক্তব্যের শুরুতে সংক্ষিপ্ত আলোনায় অংশ নেন ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ। পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসাইন। তবে শেষপর্যন্ত তাকে পরিচালনা করতে হয়নি। বক্তব্য দিতে ইচ্ছুক সবাই একে একে বক্তব্য দিয়ে সাংগঠনিক নেত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছেন। এ সময় বক্তব্য দেয়ার আগ্রহীর সংখ্যা বেড়ে গেলে মাইক নিয়ে টানাটনি হয়। এতে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। ছাত্রলীগের একটি সূত্র জানায়, বয়স নিয়েও কথা বলেছেন কয়েকজন নেতা। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, বিষয়গুলো নিয়ে আরেকটু দেখতে হবে। তারপর কমিটি হবে। এবার ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হওয়ার বয়স ২৮ বছর। গত ২৮তম কাউন্সিলে এ বয়স ছিল ২৯ বছর। বয়সসীমার কারণেও অনেক নেতা বাদ পড়বেন। আর এবার ছাত্রলীগে নেতৃত্ব নির্বাচিত হচ্ছে ‘সিলেকশনের’ মাধ্যমে, ফলে সবার মধ্যেই এক ধরনের ‘আশা’ কাজ করছে। কেউ যেন নিরাশ না হন, সে কারণে বৈঠক করা হচ্ছে। এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন। তবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন না দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি নির্বাচনেও জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে কঠোর বার্তা
খুলনা ও গাজীপুরের পর এবার রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং ভোটের দিন বিশৃংখলা রোধে কঠোর অবস্থানে আওয়ামী লীগ। ইতোমধ্যে কোন্দল নিরসন করে ঐক্যবদ্ধ থাকা, দলীয় মেয়র প্রার্থীর পক্ষে স্বতস্ফূর্তভাবে কাজ করা এবং ভোটের দিন বিশৃংখলার কারণে ভোটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে যেন প্রশ্ন না উঠে সেদিকে নজড় দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন। পাশাপাশি কাউন্সিলর প্রার্থীদের রেশারেশি রোধে তিন সিটির তৃণমূলে কঠোরতার বার্তা দিয়েছে ক্ষমতাসীনরা। দলটি মনে করছে, অব্যাহত উন্নয়নের কারণে নৌকার প্রতি জনগণের আস্থা রয়েছে। এমনিতেই তিন সিটিতেই বড় ধরণের জয়ে পাবে ক্ষমতাসীনরা। কিন্তু অভ্যন্তরীন কোন্দল ও দলের একাধিক কাউন্সিলর প্রার্থীর রেশারেশির কারণে বিপাকে পড়তে হচ্ছে দলকে। ভোটের দিন কাউন্সিলর প্রার্থীদের মারামারি ও বিশৃংখলার কারণে ভোটের গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্নও উঠেছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া ব্লুম বার্ণিকাট গাজীপুরের নির্বাচনে প্রশ্ন তুলে বলেছেন, নির্বাচনে অনিয়ম এবং বিরোধী দলের রাজনৈতিক নেতা ও পোলিং এজেন্টদের হয়রানির খবরে তার দেশ উদ্বিগ্ন। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত না হলেও আগামী তিন সিটির নির্বাচনে শৃংখলার ব্যাপারে আরো কঠোরতা অবলম্বন করবে আওয়ামী লীগ। যদি নেতারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্ব›দ্ব অব্যাহত রাখে, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তৃণমূলে হুশিয়ারি দিয়েছেন সাংগঠনিক সফরে থাকা কেন্দ্রীয় নেতারা। দলের কেন্দ্রীয় নেতারা মনে করছেন, গত পাঁচ বছর বিএনপির মেয়ররা এই সিটিগুলোতে তেমন উন্নয়ন করতে পারেননি। তাই জনগণ তাদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে সারাদেশের অব্যহত উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত হতে নৌকার প্রার্থীকেই ভোট দেবে। খুলনা ও গাজীপুরের প্রভাব এই তিন সিটির জনমনেও পড়বে। এছাড়া অব্যহত পরাজয়ের কারণে বিএনপির প্রার্থীদের পাশাপাশি বিএনপির সমর্থকরাও হতাশ। সেজন্য জয়ের ব্যাপারে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ বিশ্বাসী আওয়ামী লীগ। এই কারণে বিশৃংখলার কারণে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠুক তা চায় না ক্ষতাসীনরা। আর তাই তিন সিটির দায়ত্বিপ্রাপ্ত নেতারা নিজ নিজ সিটিতে সফর করে বার্তা পৌছে দিয়েছেন। বরিশাল সিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। রাজশাহীতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। সিলেটে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন। তারা সকলেই তিন সিটিতে দলের বর্ধিত সভায় কেন্দ্রীয় নির্দেশনা পৌছে দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে বলেছেন। এই সিটি করপোরেশন নির্বাচনগুলোতে কেন্দ্রীয় নেতাদের ইমেজ রক্ষার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। খুলনা ও গাজীপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা দলীয় প্রার্থীর জয়ের মাধ্যমে সফল হয়েছেন। বর্তমানে রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেটের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারাও বিফল হতে চান না। সেজন্য তারা জয় পেতে কঠোরভাবেই মাঠে নেমেছেন। গত সোমবার রাজশাহী জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, এই নির্বাচন নেতাকর্মীদের জন্য অগ্নিপরীক্ষা। কেন্দ্রগুলোতে ভোট কমবেশি হলে আপনাদের জবাব দিতে হবে। বেশি হলে পুরস্কার আর কম হলে তিরস্কার রয়েছে। এজন্য প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রতিটি মহল্লায় মহল্লায় গিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট চাইতে হবে। ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। ইতোমধ্যে এই তিন সিটিতে মনোনয়নপত্র বিতরণ-জমা ও প্রার্থী যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। ৯ জুলাই প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এরপর ১০ জুলাই এ তিন সিটি নির্বাচনের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেবে নির্বাচন কমিশন। সেদিন থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণার কাজ। সবকটি সিটিতেই জয়ের প্রস্তুতি আওয়ামী লীগে। দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কার্ণেল (অব.) ফারুক খান বলেন, জনগণ এখন অনেক বেশি সচেতন। জনগণ বোঝে কোন প্রার্থীকে ভোট দিলে উন্নয়ন হবে। তাই আমরা আশাবাদি তিনি সিটিতেই নৌকার প্রার্থী বিজয়ী হবে। এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের পক্ষে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছেন। সাম্প্রতিক বিএনপি জামায়াতের টানাপোড়নে রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা হবে মনে করছেন নেতারা। জানতে চাইলে নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, খায়রুজ্জমান লিটন রাজনীতির নক্ষত্র। বিগত সময়ে মেয়র থাকাকালীন যেসব উন্নয়ন করেছিলেন বর্তমান মেয়রের সময় সেসব উন্নয়নের অভাব রাজশাহীর মানুষ উপলব্ধি করছেন। তাই এবার বিপুল ভোটে নৌকার প্রার্থী জয় পাবে বলে মনে করেন এই নেতা। সিলেটে দলীয় কোন্দল নিরসনে এরই মধ্যে কঠোর বার্তা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। আর অনেক আগ থেকে বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে সবুজ সংকেত দেয়ায় অন্য কেউ সেখানে তেমন কোন কর্মকান্ড চালাননি। এছাড়া জামায়াতের সিলেট মহানগর আমীর এ্যড. এহসান মাহবুব জোবায়ের মেয়র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি অনেকটা দুর্বল হয়ে গেছে বলে মনে করছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, মানুষ উন্নয়নে বিশ্বাসী। খুলনা ও গাজীপুরে মানুষ দেশের অগ্রগতির পক্ষে রায় দিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছে। আসন্ন তিন সিটি নির্বাচনেও ভোটাররা উন্নয়ন-অগ্রগতির পক্ষে ভোট দেবে। এদিকে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের প্রকাশ্য কোন দ্ব›দ্ব নেই। তবে নিরব দ্বন্দ্ব নিসরনের চেষ্টা করছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম ও মাহবুব উদ্দিন আহমেদ প্রার্থীতার ঘোষণা দিলেও পরে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে মেয়র প্রার্থী সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর বড় ছেলে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ । সুন্দর নেতৃত্বের মাধ্যমে সবকিছু ইতোমধ্যে গোছগাছ করে নিয়েছেন সাদিক। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী উল্লেখ করে সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাদিক। যুব সমাজ গাজীপুরের মতো তাকেও বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবে। প্রতিপক্ষের বয়স্ক ও বরিশালের উন্নয়ন হন্তারক কোনো প্রার্থীকে আর সিটি মেয়র হিসেবে দেখতে চায় না। এদিকে গত শনিবার গণভবনে দলের ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের বিশেষ বর্ধিত সভায় কোন্দল ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকে, তখনই বিজয় অর্জন করে। গাজীপুরে জয়ের পেছনে সবচেয়ে বড় শক্তি যেটা কাজ করেছে, সেটা হল একতা। সবাই ঐক্যবদ্ধ ছিল বলেই বিজয় আনতে পেরেছে। খুলনায় রাগ-ক্ষোভ ভুলে সবাই এক হয়েছিল বলেই বিজয় এসেছিল। দলীয় কোন্দল নিরসন ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের হুশিয়ারি দিয়ে সেদিন বিশেষ বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা দলে দ্ব›দ্ব করবে, নির্বাচনে দলের বাইরে গিয়ে নির্বাচন করবে তাদের কিছুতেই ছাড় দেয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিএনপির ৩০০ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা তারেকের টেবিলে
নানা প্রতিকূল পরিবেশেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছে বিএনপি। যে কোনো পরিস্থিতিতেই দলটি নির্বাচনে যেতে চায়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে ৩০০ আসনে দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা পৌঁছেছে। কয়েক দফা জরিপ চালিয়ে দলের সম্ভাব্য প্রার্থীও চূড়ান্ত করা হয়। সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠপর্যায়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণাও শুরু করেছেন। দলটি আশা করছে, ভোটের আগেই বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারামুক্তি লাভ করবেন। কোনো কারণে তিনি মুক্তি না পেলেও সম্ভাব্য সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে দলটি। হাইকমান্ডের সবুজ সংকেত পাওয়ার পরপরই মাঠে ঝাপিয়ে পড়বেন প্রার্থীরা। এরই মধ্যে তারেক রহমানের নির্দেশনায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিনিয়র নেতাদের নিয়ে একাদশ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। তারেক রহমানের টেবিলে যাওয়া দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা হাতে এসেছে। তালিকা অনুযায়ী— পঞ্চগড়-১ ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার কিংবা তার ছেলে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, পঞ্চগড়-২ বিএনপি নেতা ফরহাদ হোসেন আজাদ। ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঠাকুরগাঁও-২ জোটের পক্ষে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ছিলেন। বিএনপি থেকে মির্জা ফখরুলের ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন দলীয় মনোনয়ন প্রার্থী। ঠাকুরগাঁও-৩ জাহিদুর রহমান, ওবায়দুল্লাহ মাসুদ ও কামাল আনোয়ার আহম্মেদ। দিনাজপুর-১ জামায়াতের প্রার্থী ছিল। এবার সেখানে শফিউল আলম প্রধানের মেয়ে ব্যারিস্টার তাসনিয়া প্রধানও প্রার্থী হতে চান। দিনাজপুর-২ লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বা মঞ্জুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-৩ (সদর) বেগম খালেদা জিয়া বা শাহরিয়ার আক্তার হক ডন। দিনাজপুর-৪ আখতারুজ্জামান বা হাফিজুর রহমান সরকার, দিনাজপুর-৫ এম রেজওয়ানুল হক, দিনাজপুর-৬-এ জামায়াত ছিল। এবার বিএনপির অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনও নির্বাচন করতে পারেন। নীলফামারী-১-এ খালেদা জিয়ার ভাগ্নে শাহরিন ইসলাম তুহিন বা জোটের শরিক বাংলাদেশ ন্যাপের জেবেল রাহমান গানি, নীলফামারী-২-এ জামায়াতের প্রার্থী ছিল। সেখানে বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শামছুজ্জামান সম্ভাব্য প্রার্থী। নীলফামারী-৩-এ জামায়াত ছিল। বিএনপির ফাহমিদ ফয়সল চৌধুরী কমেটও দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী। নীলফামারী-৪ আমজাদ হোসেন সরকার, কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন বা কেন্দ্রীয় নেত্রী বিলকিস ইসলামও দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন। লালমনিরহাট-১-এ জামায়াত ছিল। সেখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী ব্যারিস্টার হাসান রাজীব। লালমনিরহাট-২ সালেহউদ্দিন আহমেদ হেলাল ও লালমনিরহাট-৩ আসাদুল হাবিব দুলু। রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া) জামায়াত ছিল। আসনটি ফাঁকা রাখা হয়েছে। রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) জামায়াত ছিল। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী অধ্যক্ষ পরিতোষ চক্রবর্তী। রংপুর-৩ মোজাফ্ফর হোসেন, রইচ আহমেদ, মরহুম মশিউর রহমান যাদুমিয়ার মেয়ে রিটা রহমান বা আবদুল কাইয়ুম মন্ডল বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী। রংপুর-৪ রহিমউদ্দিন ভরসার ছেলে এমদাদুল হক ভরসা। রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) জামায়াত ছিল, রংপুর-৬ নূর মো. মন্ডল। কুড়িগ্রাম-১ সাইফুর রহমান রানা, কুড়িগ্রাম-২ অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, কুড়িগ্রাম-৩ তানভিরুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৪-এ জামায়াত ছিল। গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) জামায়াত ছিল। গাইবান্ধা-২ শফিকুর রহমান ও আনিসুজ্জামান খান বাবু। গাইবান্ধা-৩-এ জামায়াত ছিল। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী ডা. মইনুল হাসান সাদিক। গাইবান্ধা-৪-এ জামায়াত ছিল। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী আবদুল মোত্তালিব, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম ও কাজী জেসিন। গাইবান্ধা-৫ হাছান আলী ও মোহাম্মদ আলী, জয়পুরহাট-১ মোজাহার আলী প্রধান, ফয়সাল আলীম ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান। জয়পুরহাট-২ ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা এবং এ এইচ এম ওবায়দুর রহমান চন্দন। বগুড়া-১ মো. শোকরানা। বগুড়া-২ বৃহত্তর জোট হলে নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না। এ ছাড়া বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় এ কে এম হাফিজুর রহমান ও উপজেলা চেয়ারম্যান মীর শাহ আলম। বগুড়া-৩ আবদুল মোমিন তালুকদার খোকা ও আবদুল মুহিত তালুকদার, বগুড়া-৪ জেড আই এম মোস্তফা আলী ও ডা. জিয়াউল হক মোল্লা। বগুড়া-৫ জানে আলম খোকা ও জি এম সিরাজ। বগুড়া-৬ বেগম খালেদা জিয়া। বগুড়া-৭ বেগম খালেদা জিয়া বা তারেক রহমান। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ শাহীন শওকত ও মো. শাহজাহান মিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আমিনুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ হারুনুর রশিদ, নওগাঁ-১ ডা. সালেক চৌধুরী, নওগাঁ-২ সামছুজ্জোহা খান ও খাজা নাজীমউল্লাহ চৌধুরী, নওগাঁ-৩ প্রয়াত আখতার হামিদ সিদ্দিকীর ছেলে পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী, নওগাঁ-৪ (মান্দা) শামছুল আলম প্রামাণিক বা আবদুল মতিন, নওগাঁ-৫ (সদর) কর্নেল (অব.) আবদুল লতিফ খান, নওগাঁ-৬ সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির, আনোয়ার হোসেন ও মামুন চৌধুরী স্টালিন, রাজশাহী-১ ব্যারিস্টার আমিনুল হক, রাজশাহী-২ মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩ কবির হোসেন ও মতিউর রহমান মন্টু, রাজশাহী-৪ সাবেক এমপি আবু হেনা এবং এম এ গফুর, রাজশাহী-৫ নাদিম মোস্তফা, সিরাজুল হক, নজরুল ইসলাম ও মাহমুদা হাবিবা, রাজশাহী-৬ আজিজুর রহমান, আবু সাঈদ চাঁদ ও দেবাশীষ রায় মধু। নাটোর-১ প্রয়াত ফজলুর রহমান পটলের স্ত্রী কামরুন্নাহার শিরিন, তাইফুল ইসলাম টিপু ও অ্যাডভোকেট আসিয়া আশরাফি পাপিয়া, নাটোর-২ অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাটোর-৩ কাজী গোলাম মোর্শেদ, নিহত উপজেলা চেয়ারম্যান বাবুর স্ত্রী মহুয়া নূর কচি ও জন গোমেজ, নাটোর-৪ অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মোজাম্মেল হক ও সাবেক সচিব আবদুর রশীদ সরকার, সিরাজগঞ্জ-১ আবদুল মজিদ ও কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা, সিরাজগঞ্জ-২ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বা রোমানা ইকবাল মাহমুদ, সিরাজগঞ্জ-৩ আবদুল মান্নান তালুকদার ও সাইফুল ইসলাম শিশির, সিরাজগঞ্জ-৪ আকবর আলী। জামায়াতের মাওলানা রফিকুল ইসলাম খানও এ আসনে প্রার্থী হতে পারেন। সিরাজগঞ্জ-৫ আমিরুল ইসলাম খান আলিম ও রফিকুল করিম খান পাপ্পু, সিরাজগঞ্জ-৬ প্রয়াত ডা. আবদুল মতিনের ছেলে ডা. এম এ মুহিত, গোলাম সারোয়ার ও কামরুদ্দিন ইয়াহিয়া খান মজলিস। পাবনা-১ জামায়াত ছিল। সেখানে মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে নির্বাচন করতে পারেন। এ ছাড়া বিএনপি থেকে ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী ও মেজর (অব.) মঞ্জুর কাদেরও প্রার্থী। পাবনা-২ সেলিম রেজা হাবিব ও কৃষিবিদ হাসান জাফরি তুহিন বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী। এ ছাড়া জোটের শরিক দল এনডিপির গোলাম মর্তুজার নামও শোনা যাচ্ছে। পাবনা-৩ এ কে এম আনোয়ার ইসলাম, সাইফুল আজম সুজা ও বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান ফখরুল আজম বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী। পাবনা-৪ হাবিবুর রহমান হাবিব, আকরাম আলী খান সঞ্জু, পাবনা-৫ অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ও পৌরসভার মেয়র কামরুল হাসান মিন্টু। এখানে জামায়াতের প্রার্থীও ছিল। মেহেরপুর-১ মাসুদ অরুণ, মেহেরপুর-২ আমজাদ হোসেন, কুষ্টিয়া-১ রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা, আলতাফ হোসেন। কুষ্টিয়া-২ অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম। এ ছাড়া জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) আহসান হাবিব লিংকন বা ব্যারিস্টার রাগীব রব চৌধুরীও নির্বাচন করতে পারেন। কুষ্টিয়া-৩ অধ্যক্ষ সোহরাব হোসেন, কুষ্টিয়া-৪ মেহেদী আহমেদ রুমী, চুয়াডাঙ্গা-১ শামছুজ্জামান দুদু। চুয়াডাঙ্গা-২ মাহমুদ হাসান বাবু, ঝিনাইদহ-১ আবদুল ওয়াহাব, অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান ও জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, ঝিনাইদহ-২ মশিউর রহমান, ঝিনাইদহ-৩ কণ্ঠশিল্পী মনির খান, আমিরুজ্জামান খান শিমুল ও মেহেদী হাসান রনি, ঝিনাইদহ-৪ শহিদুজ্জামান বেল্টু ও সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, যশোর-১ জামায়াত ছিল। এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী মফিদুল হাসান তৃপ্তি ও মহসীন কবির। যশোর-২ জামায়াত ছিল। এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী মিজানুর রহমান খান ও সাবিরা নাজমুল মুন্নী। যশোর-৩ তরিকুল ইসলাম বা তার ছেলে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। যশোর-৪ ইঞ্জিনিয়ার টি এস আইয়ুব, যশোর-৫ ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি মো. ওয়াক্কাস বা উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহীদ মো. ইকবাল। যশোর-৬ আবুল হোসেন আজাদ ও অমলেন্দু দাস অপু। মাগুরা-১ আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান। তিনি না করলে বিএনপির কবির মুরাদ, মনোয়ার হোসেন খান ও নেওয়াজ হালিমা আরলী। মাগুরা-২ অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী ও কাজী সলিমুল হক কামাল। নড়াইল-১ বিশ্বাস জাহাঙ্গির আলম। নড়াইল-২ মনিরুল ইসলাম ও শরীফ খসরুজ্জামান। জোটের শরিক দল এনপিপির ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদও প্রার্থী। বাগেরহাট-১ শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দীপু, শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ রবিউল আলম। বাগেরহাট-২ মনিরুল ইসলাম খান ও এম এ সালাম। বাগেরহাট-৩ জামায়াত ছিল। এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম ও শেখ ফরিদুল ইসলাম। বাগেরহাট-৪ জামায়াত ছিল। এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী ড. এ বি এম ওবায়দুল হক। খুলনা-১ আমির এজাজ খান, খুলনা-২ নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৩ রকিবুল ইসলাম বকুল, কাজী শাহ সেকান্দার আলী, আরিফুর রহমান মিঠু, খুলনা-৪ আজিজুল বারী হেলাল ও শাহ শরীফ কামাল তাজ। খুলনা-৫ জামায়াত ছিল। এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী ড. মামুন হোসেন। খুলনা-৬ জামায়াত ছিল। এখানে জেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম মনা ও রফিকুল ইসলাম রফিক। সাতক্ষীরা-১ হাবিবুল ইসলাম হাবিব, সাতক্ষীরা-২ জামায়াত ছিল। সাতক্ষীরা-৩ জামায়াত ছিল। এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী ডা. শহীদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা-৪ জামায়াত ছিল। এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন ও জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) গোলাম রেজা। বরগুনা-১ মতিউরর রহমান তালুকদার, ফিরোজ আহমেদ ও মাহবুবুল হক ফারুক মোল্লা, বরগুনা-২ অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ও নূরুল ইসলাম মনি। পটুয়াখালী-১ এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী। পটুয়াখালী-২ এ কে এম ফারুক আহমেদ তালুকদার, শহিদুল আলম তালুকদার, পটুয়াখালী-৩ মো. শাহজাহান খান, হাসান মামুন, পটুয়াখালী-৪ এ বি এম মোশাররফ হোসেন, আতিকুর রহমান আতিক, ভোলা-১ বিজেপির আন্দালীব রহমান পার্থ, ভোলা-২ হাফিজ ইব্রাহিম, ভোলা-৩ মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভোলা-৪ নাজিমউদ্দিন আলম ও নূরুল ইসলাম নয়ন, বরিশাল-১ জহিরউদ্দিন স্বপন, আকন্দ কুদ্দুসুর রহমান, আবদুস সোবাহান ও অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম সজল, বরিশাল-২ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও সরদার শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, ইলিয়াস খান ও রওনাকুল আলম টিপু, বরিশাল-৩ বেগম সেলিমা রহমান ও অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, বরিশাল-৪ রাজীব আহসান, মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ ও শাহ আবুল হোসাইন, বরিশাল-৫ মজিবুর রহমান সারোয়ার, বরিশাল-৬ আবুল হোসেন খান, ঝালকাঠি-১ ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর বীরোত্তম, ঝালকাঠি-২ ইসরাত জাহান ইলেন ভুট্টো, মাহবুবুল হক নান্নু, জেবা খান, পিরোজপুর-১ জামায়াতের দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার ও লেবার পার্টির ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, পিরোজপুর-২ নূরুল ইসলাম মঞ্জুর ছেলে আহমেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন, পিরোজপুর-৩ শাহজাহান মিলন ও কর্নেল (অব.) শাহজাহান মিলন, টাঙ্গাইল-১ ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী, টাঙ্গাইল-২ আবদুস সালাম পিন্টু ও শামছুল আলম তোফা, টাঙ্গাইল-৩ লুত্ফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল-৪ লুত্ফর রহমান মতিন, প্রকৌশলী বাদলুর রহমান ও বেনজির আহমেদ টিটু, টাঙ্গাইল-৫ মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান ও সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, টাঙ্গাইল-৬ অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী ও নূর মোহাম্মদ খান, টাঙ্গাইল-৭ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, সাঈদ সোহরাব, টাঙ্গাইল-৮ অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান ও ওবায়দুল হক নাসির। বৃহত্তর জোট হলে প্রার্থী পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী জোটের প্রার্থী হতে পারেন। জামালপুর-১ রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এম এ কাইয়ুম ও শাহিদা আক্তার রিতা, জামালপুর-২ সুলতান মাহমুদ বাবু, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আবদুল হালিম, জামালপুর-৩ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল ও গোলাম রব্বানী, জামালপুর-৪ ফরিদুল কবির তালুকদার (শামীম তালুকদার) ও বেলজিয়াম প্রবাসী ব্যবসায়ী রুহুল আমিন সেলিম, জামালপুর-৫ নিলুফার চৌধুরী মনি, ওয়ারেছ আলী মামুন ও সিরাজুল হক। এ ছাড়া জামালপুরের যে কোনো একটি আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান নির্বাচন করতে পারেন। শেরপুর-১ জামায়াত ছিল। এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হজরত আলী। শেরপুর-২ সাবেক হুইপ প্রয়াত জাহেদ আলী চৌধুরীর ছেলে ফাহিম চৌধুরী ও ব্যারিস্টার হায়দার আলী। শেরপুর-৩ মাহমুদুল হক রুবেল। ময়মনসিংহ-১ সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ও আফজাল এইচ খান, ময়মনসিংহ-২ শাহ শহীদ সরোয়ার ও মোতাহার হোসেন, ময়মনসিংহ-৩ এম ইকবাল হোসাইন, তৈমুর রহমান হিরন, ফয়সাল আমিন খান পাঠান, ময়মনসিংহ-৪ অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, দেলোয়ার হোসেন খান দুলু ও ওয়াহাব আকন্দ, ময়মনসিংহ-৫ এ কে এম মোশাররফ হোসেন বা তার ভাই জাকির হোসেন বাবলু, ময়মনসিংহ-৬ শামছউদ্দিন আহমেদ ও আখতারুল আলম ফারুক, ময়মনসিংহ-৭ মাহবুবুর রহমান লিটন, ময়মনসিংহ-৮ শাহ নূরুল কবির শাহীন এবং জোটের শরিক ডেমোক্রেটিক লীগের সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, ময়মনসিংহ-৯ খুররম খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১০ প্রয়াত ফজলুর রহমান সুলতানের ছেলে মুশফিকুর রহমান, আখতারুজ্জামান বাচ্চু ও এবি সিদ্দিকুর রহমান, ময়মনসিংহ-১১ এ মো. ফখরউদ্দিন আহমেদ বাচ্চু ও মোর্শেদ আলম। নেত্রকোনা-১ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও সাবেক হুইপ অ্যাডভোকেট আবদুল করিম আব্বাসী, নেত্রকোনা-২ আশরাফউদ্দিন, আবদুল বারী ড্যানী, ডা. আনোয়ার হোসেন, নেত্রকোনা-৩ রফিকুল ইসলাম হিলালী, দেলোয়ার হোসেন দুলাল, সৈয়দ আলমগীর, হাসান বিন সোহাগ। নেত্রকোনা-৪ সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী তাহমিনা জামান, চৌধুরী আবদুল্লাহ ফারুক ও কর্নেল (অব.) সৈয়দ আতাউল হক। নেত্রকোনা-৫ ভিপি আবু তাহের তালুকদার, ইমরান শহীদুল্লাহ ও প্রয়াত এমপি ডা. মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী রাবেয়া আলী, কিশোরগঞ্জ-১ খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল ও ওয়ালিউল্লাহ রব্বানী, কিশোরগঞ্জ-২ মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন কিশোরগঞ্জ-৩ ড. এম ওসমান ফারুক বা তার স্ত্রী, কিশোরগঞ্জ-৪ অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৫ শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল ও ইশতিয়াক আহমেদ নাসির এবং কিশোরগঞ্জ-৬ শরিফুল আলম। মানিকগঞ্জ-১ এস এম জিন্নাহ কবির বা প্রয়াত বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে খোন্দকার আখতার হামিদ ডাবলু ও আকবর হোসেন বাবলু, মানিকগঞ্জ-২ মঈনুল ইসলাম খান শান্ত ও সাইফুল হুদা চৌধুরী শাতিল, মানিকগঞ্জ-৩ আফরোজা খানম রিতা। মুন্সিগঞ্জ-১ শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন ও মীর শরাফত আলী সপু। বৃহত্তর জোট হলে মাহী বি চৌধুরীও প্রার্থী হতে পারেন। মুন্সিগঞ্জ-২ মিজানুর রহমান সিনহা, মুন্সিগঞ্জ-৩ কামরুজ্জামান রতন ও সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত এম শামছুল ইসলামের ছেলে সাইফুল ইসলাম। ঢাকা-১ আবদুল মান্নান, আবু আশফাক ও ফাহিমা হোসেইন জুবলী। বৃহত্তর জোট হলে পরিবর্তন হতে পারে। ঢাকা-২ আমানউল্লাহ আমান, ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৪ ড. আসাদুজ্জামান রিপন, আবদুল হাই, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, ঢাকা-৫ সালাহউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা-৬ সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, কাজী আবুল বাশার, হাজি লিটন, ঢাকা-৭ নাসিমা আক্তার কল্পনা, মীর নেওয়াজ আলী, ঢাকা-৮ হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ঢাকা-৯ মির্জা আব্বাস, ঢাকা-১০ এম এ কাইয়ুম, ঢাকা-১১ সাইফুল আলম নিরব ও মো. শাহাবউদ্দিন, ঢাকা-১২ ব্যারিস্টার নাসিরউদ্দিন অসীম, শেখ রবিউল আলম ও ডা. আজিজুল হক, ঢাকা-১৩ আবদুস সালাম ও সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ঢাকা-১৪ এস এ খালেক বা তার ছেলে এ বি সিদ্দিকী সাজু, বজলুল বাসিত আঞ্জু, ঢাকা-১৫ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন ও মামুন হাসান, ঢাকা-১৬ ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া ও আমিনুল ইসলাম, ঢাকা-১৭ মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী ও ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ঢাকা-১৮ মেজর (অব.) কামরুল ইসলাম, এস এম জাহাঙ্গীর ও বাহাউদ্দিন সাদী, ঢাকা-১৯ ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন ও মেজর (অব.) মিজানুর রহমান মিজান, ঢাকা-২০ ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান, সুলতানা আহমেদ ও ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ। গাজীপুর-১ মজিবুর রহমান, হুমায়ুন কবির ও কাজী সাইদুল আলম বাবুল, গাজীপুর-২ হাসান উদ্দিন সরকার, অধ্যাপক এম এ মান্নান বা তার ছেলে মঞ্জুরুল করিম রনি, গাজীপুর-৩ অধ্যাপক এম এ মান্নান বা তার ছেলে মঞ্জুরুল করিম রনি ও ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপুর-৪ সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আসম হান্নান শাহর ছেলে রিয়াজুল হান্নান, গাজীপুর-৫ এ কে এম ফজলুল হক মিলন, নরসিংদী-১ খায়রুল কবির খোকন, নরসিংদী-২ ড. আবদুল মঈন খান, নরসিংদী-৩ অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, আকরামুল হাসান ও প্রয়াত সাবেক মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার ছেলে নন্দিত নাহিয়ান সজল, নরসিংদী-৪ সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল ও কর্নেল (অব.) জয়নুল আবেদীন, নরসিংদী-৫ জামাল আহমেদ চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জ-১ কাজী মনিরুজ্জামান, অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার ও মোস্তাফিজুর রহমান দীপু ভূঁইয়া, নারায়ণগঞ্জ-২ শিরিন সুলতানা, নজরুল ইসলাম আজাদ, আতাউর রহমান খান আঙ্গুর ও বদরুজ্জামান খসরু, নারায়ণগঞ্জ-৩ রেজাউল করিম ও আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জ-৪ শাহ আলম, মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ-৫ আবুল কালাম, সাখাওয়াত হোসেন খান ও জোটের শরিক সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাঈদ আহমেদ। রাজবাড়ী-১ আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম ও অ্যাডভোকেট আসলাম মিয়া, রাজবাড়ী-২ নাসিরুল হক সাবু, হারুন অন রশীদ। ফরিদপুর-১ শাহ আবু জাফর ও নাসিরুল ইসলাম, ফরিদপুর-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু, ফরিদপুর-৩ চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ও মাহবুব হাসান ভূঁইয়া পিংকু, ফরিদপুর-৪ শাহজাদা মিয়া। গোপালগঞ্জ-১ সেলিমুজ্জামান সেলিম, গোপালগঞ্জ-২ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, এম এইচ খান মঞ্জু ও শেখ সাইফুর রহমান নান্টু, গোপালগঞ্জ-৩ এস এম জিলানী। মাদারীপুর-১ ইয়াজ্জেম হোসেন রোমন, খলিলুর রহমান চৌধুরী, মাদারীপুর-২ হেলেন জেরিন খান, মাদারীপুর-৩ মাশুকুর রহমান মাশুক ও আনিসুজ্জামান তালুকদার খোকন। শরীয়তপুর-১ শহিদুল হক শিকদার ও তাহমিনা আওরঙ্গ, শরীয়তপুর-২ সুলতান মাহমুদ, শফিকুর রহমান ও ডি এম গিয়াসউদ্দিন আহমদ, শরীয়তপুর-৩ তাহমিনা আওরঙ্গ, শফিকুর রহমান কিরণ, সুনামগঞ্জ-১ নজির হোসেন, ডা. রফিক আহমেদ চৌধুরী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আনিসুল হক ও উমর ফারুক আল হাদী, সুনামগঞ্জ-২ মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ নুরুল ইসলাম সাজু, কয়সর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৪ ফজলুল হক আসপিয়া ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জাকিরন, সুনামগঞ্জ-৫ কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন, ইঞ্জিনিয়ার মুন্সেফ আলী, উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী ও মাওলানা শফিউদ্দিন আহমেদ, সিলেট-১ তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান বা সাবেক এমপি খন্দকার আবদুল মালেকের ছেলে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মোক্তাদির, সিলেট-২ নিখোঁজ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহমিনা রুশদী লুনা, সিলেট-৩ শফি আহমেদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার এম এ সালাম, কাইয়ুম চৌধরী ও এম এ মালেক, সিলেট-৪ শামছুজ্জামান জামান ও দিলদার হোসেন সেলিম, সিলেট-৫ জামায়াত ছিল। এ ছাড়া বিএনপির আশিক আহমেদ চৌধুরী, মামুনুর রশিদ ও জাকির আহমেদ সম্ভাব্য প্রার্থী। সিলেট-৬ ইনাম আহমেদ চৌধুরী, ফয়সাল আহমেদ চৌধুরী ও জাসাসের হেলাল খান, মৌলভীবাজার-১ এবাদুর রহমান চৌধুরী, মৌলভীবাজার-২ নওয়াব আলী আব্বাস খান, অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা ও এম এম শাহীন। মৌলভীবাজার-৩ নাসের রহমান ও দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহীদুর রহমান। মৌলভীবাজার-৪ মজিবুর রহমান চৌধুরী। হবিগঞ্জ-১ শেখ সুজাত মিয়া, শাম্মী আখতার, দেওয়ান মুকাদ্দিম চৌধুরী নিয়াজ ও শাহ মোজাম্মেল নান্টু, হবিগঞ্জ-২ ডা. এম সাখাওয়াত হোসেন জীবন, আহমদ আলী মুকিব, হবিগঞ্জ-৩ আবু লেইচ মো. মুবিন চৌধুরী ও পৌর মেয়র জি কে গউছ, হবিগঞ্জ-৪ সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়সাল ও অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম। এ ছাড়া খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমেদ আবদুল কাদেরও জোটের প্রার্থী হতে পারেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ এস এ কে একরামুজ্জামান সুখন ও নসরুল্লাহ খান জুনায়েদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ উকিল আবদুস সাত্তার, শেখ মোহাম্মদ শামীম ও তরুণ দে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ খালেদ মাহবুব শ্যামল, অ্যাডভোকেট হারুন আল রশিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ এম মুশফিকুর রহমান ও নাসির উদ্দিন হাজারী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ প্রয়াত সাবেক এমপি কাজী আনোয়ার হোসেনের ছেলে কাজী তাপস ও তকদির হোসেন জসিম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ অ্যাডভোকেট রফিক শিকদার, মো. আবদুল খালেক ও কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, কুমিল্লা-১ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বা তার ছেলে ড. খন্দকার মারুফ হোসেন, কুমিল্লা-২ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বা দলের অন্য কেউ। কুমিল্লা-৩ ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বা গোলাম কিবরিয়া সরকার, কুমিল্লা-৪ ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি ও আবদুল আউয়াল খান, কুমিল্লা-৫ শওকত মাহমুদ, কুমিল্লা-৬ মো. আমিনুর রশিদ ইয়াছিন ও কাউসার জামান বাপ্পী, কুমিল্লা-৭ এলডিপির ড. রেদওয়ান আহমেদ এলডিপি বা বিএনপির খোরশেদ আলম, কুমিল্লা-৮ জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৯ আবুল কালাম (চৈতি কালাম) ও কর্নেল (অব.) এম আনোয়ারুল আজিম, কুমিল্লা-১০ আবদুল গফুর ভূঁইয়া, মনিরুল হক চৌধুরী ও মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, কুমিল্লা-১১ জামায়াত ছিল। এ ছাড়া এই আসনে প্রয়াত কাজী জাফর আহমদের মেয়ে জয়া কাজী আহমদও জোটগতভাবে নির্বাচন করতে পারেন। চাঁদপুর-১ সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এ আ ন ম এহছানুল হক মিলন বা তার স্ত্রী নাজমুন্নাহার বেবী। চাঁদপুর-২ সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত নূরুল হুদার ছেলে তানভির হুদা ও আতাউর রহমান ঢালী। চাঁদপুর-৩ শেখ ফরিদউদ্দিন আহমেদ মানিক, জি এম ফজলুল হক ও রাশেদা বেগম হীরা, চাঁদপুর-৪ হারুনুর রশিদ, আলমগীর হায়দার খান, চাঁদপুর-৫ লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক ও মাস্টার এম এ মতিন, ফেনী-১ বেগম খালেদা জিয়া, ফেনী-২ জয়নাল আবেদীন (ভিপি জয়নাল) ও রেহেনা আক্তার রানু, ফেনী-৩ আবদুল আউয়াল মিন্টু ও আবদুল লতিফ জনি, নোয়াখালী-১ ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, নোয়াখালী-২ জয়নুল আবদিন ফারুক, নোয়াখালী-৩ বরকতউল্লাহ বুলু বা তার স্ত্রী শামীমা বরকত লাকী, নোয়াখালী-৪ মো. শাহজাহান, নোয়াখালী-৫ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নোয়াখালী-৬ ফজলুল আজীম ও সাখাওয়াত হোসেন, লক্ষ্মীপুর-১ নাজিম উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক ড. মামুন হোসেন ও ইয়াছিন আলী। এ ছাড়া জোটের শরিক এলডিপির শাহাদাৎ হোসেন সেলিমও প্রার্থী। লক্ষ্মীপুর-২ আবুল খায়ের ভূঁইয়া ও লে. কর্নেল (অব.) আবদুল মজিদ, লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, লক্ষ্মীপুর-৪ এ বি এম আশরাফউদ্দিন নিজান ও শফিউল বারী বাবু। বৃহত্তর জোট হলে জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রবও প্রার্থী হতে পারেন। চট্টগ্রাম-১ এম এ জিন্নাহ, এম ডি এম কামালউদ্দিন চৌধুরী, লায়ন মনিরুল ইসলাম চৌধুরী ও সাঈদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ কাদের গনি চৌধুরী, ফারহাত কাদের চৌধুরী ও ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৩ আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৪ মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, এ এস এম ফজলুল হক, প্রয়াত হুইপ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা ও জোটের শরিক মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, চট্টগ্রাম-৫ গিয়াস কাদের চৌধুরী ও গোলাম আকবর খন্দকার, চট্টগ্রাম-৬ হুম্মাম কাদের চৌধুরী বা ফারহাত কাদের চৌধুরী ও রোটারিয়ান জসিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ এম মোর্শেদ খান, চট্টগ্রাম-৮ ডা. শাহদাৎ হোসেন, চট্টগ্রাম-৯ আবদুল্লাহ আল নোমান, চট্টগ্রাম-১০ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১১ এনামুল হক এনাম, গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান জুয়েল ও ইদ্রিস মিয়া, চট্টগ্রাম-১২ সরওয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১৩ এলডিপির কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, চট্টগ্রাম-১৪ জামায়াত ছিল। এ ছাড়া বিএনপির অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া ও নাজমুল মোস্তফা আমিন, চট্টগ্রাম-১৫ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী ও লিয়াকত আলী, চট্টগ্রাম-১৬ মোস্তফা কামাল পাশা, কক্সবাজার-১ সালাহউদ্দিন আহমেদ বা তার সহধর্মিণী হাসিনা আহমেদ, কক্সবাজার-২ জামায়াত ছিল। এ ছাড়া বিএনপির আলমগীর মাহফুজউল্লাহও প্রার্থী। কক্সবাজার-৩ লুত্ফর রহমান কাজল, কক্সবাজার-৪ শাহজাহান চৌধুরী, খাগড়াছড়িতে আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, রাঙামাটিতে দীপেন দেওয়ান ও কর্নেল (অব.) মনীষ দেওয়ান ও শাহ আলম এবং বান্দরবানে সাচিং প্রু জেরি ও ম্যামা চিং।
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে
অনলাইন ডেস্ক :সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে শরিক জামায়াতে ইসলামী ২০ দলীয় জোটের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে। বললেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার বিকেলে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের বৈঠক শেষ ব্রিফিংয়ে তিনি একথা জানান। বিএনপি মহাসচিব বলেন, রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২০ দলীয় জোট একক প্রার্থী দেবে এবং জোটগতভাবে প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের একক প্রার্থীর জন্য কাজ করার বিষয়টি জামায়াত অ্যাপ্রুভ (অনুমোদন) করেছে।’ প্রসঙ্গত, সিলেট সিটি নির্বাচনে সদ্য বিদায়ী মেয়র আরিফুল হককে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। তবে সেখানে জামায়াতে ইসলামী দলের সিলেট মহানগরী সভাপতি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়েরকে প্রার্থী করে। তবে রাজশাহী ও বরিশালে জামায়াত কোনও প্রার্থী দেয়নি। সংবাদ সম্মেলনে বৈঠকের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ২০ দলীয় জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান। এর আগে মির্জা ফখরুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল হালিম, জাতীয় পার্টি (জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক, মহাসচিব এমএম আমিনুর রহমান, বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি, মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া। আরও ছিলেন এনডিপি চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, এনপিপি চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, এলডিপি সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাগপা সভাপতি অধ্যাপিকা রেহানা প্রধান, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, খেলাফত মজলিশ মহাসচিব ড. আহমেদ আবদুল কাদের, ডিএল সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, লেবার পার্টি (একাংশ) চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, (অপরাংশ) মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদী। এছাড়া বিএমএল সভাপতি এএইচএম কামরুজ্জামান খান, মহাসচিব শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, পিপলস লীগ মহাসচিব সৈয়দ মাহবুব হোসেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী রেজাউল করিম, ইসলামিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেমকেও বৈঠকে থাকতে দেখা গেছে।আরটিভি
জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করেই সরকারের পতন ঘটানো হবে
অনলাইন ডেস্ক :জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করেই সরকারের পতন ঘটানো হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান।আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে কমল একাডেমির উদ্যোগে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় নোমান এই মন্তব্য করেন।আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘আজ দেশের যে পরিস্থিতি, এই পরিস্থিতিতে বিএনপি ও ২০ দলীয় জোট আমরা চেষ্টা করছি জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য। এই ঐক্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আমরা লক্ষ করছি একটা আশার আলো। এই আশার আলো প্রজ্বলিত হয়েছে এবং এটা আরো বেশি ধীরে ধীরে আরো বেগবান হবে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে পারি, জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা হলে এই সরকারের পতন অনিবার্য এবং নিশ্চিত।গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে অভিযোগ করে ওই দুটি করপোরেশনে পুনরায় নির্বাচনের দাবিও জানান আবদুল্লাহ আল নোমান। তিনি বলেন, ‘আজকে পত্রিকায় দেখলাম নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেছেন, খুলনা ও গাজীপুরের নির্বাচন সুষ্ঠু হয় নাই, অনেক ভুল-ত্রুটি হয়েছে। কাজে নির্বাচন কমিশন যেখানে বলছে যে, ওই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয় নাই, কমিশনের উচিত পদত্যাগ করা।বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমাদের জনগণের দাবি হবে খুলনা ও গাজীপুরে পুনরায় নির্বাচন করা। নির্বাচন কমিশনের উচিত জনগণের দাবি মেনে নিয়ে সেখানে আবারও নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের হামলার কঠোর সমালোচনা করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নোমান। বলেন, সরকারপ্রধান কোটা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন সংসদে। কিন্তু দুই মাস পার হলেও এখনো প্রজ্ঞাপন হয়নি। ছাত্ররা যখন আন্দোলন করছে প্রজ্ঞাপনের জন্য, তখন সরকারদলীয় ছাত্র সংগঠন তাদের ওপর হামলা করছে।সংগঠনের সভাপতি মইনুল আহসান মুন্নার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, বিএনপির ব্যারিস্টার সারোয়ার হোসেন, মিয়া মো. আনোয়ার, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির সাহিদুর রহমান তামান্না, সাংবাদিক এম এ আজিজ বক্তব্য দেন।
দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে কাজ করছেন নৌকা ও ধানের শীষের মেয়র প্রার্থীরা
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ঘর গোছানোর কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ ও ধানের শীষের প্রার্থী দলের যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার। তারা দিনরাত দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ঘরোয়া বৈঠকে নির্বাচনী প্রচারণার দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত এই দুই মেয়র প্রার্থীই দলীয় মনোনয়ন যুদ্ধে থাকা প্রার্থীদের কাছে টানতে পারেননি। মনোনয়নপত্র জমাদানের পর থেকেই দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে কাজ করছেন নৌকা ও ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী। এ জন্য প্রতিদিন দুই মেয়র প্রার্থীর বাসভবনে বসছে সভা। তবে এই সভায় দেখা মেলেনি আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন যুদ্ধে থাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কর্ণেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সহ-সভাপতি খান আলতাফ হোসেন ভুলু ও মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মাহামুদুল হক খান মামুনকে। বিএনপি সমর্থিত বর্তমান মেয়র আহসান হাবিব কামাল, জেলা বিএনপি’র সভাপতি এবায়েদুল হক চান ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরীনকেও এক সভায় দেখা যায়নি। বিশ দলীয় জোটের সঙ্গে সমঝোতা না হওয়ায় এই নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী দিয়েছে খেলাফত মজলিস। মনোনয়ন যুদ্ধে থাকা বিএনপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে দাবি করে মেয়র প্রার্থী সরোয়ার বললেন তারাও প্রচারণায় অংশ নেবে। আর আওয়ামী লীগ মুখপাত্রের দাবি, মনোনয়ন প্রত্যাশীরাও সঙ্গে থাকলে প্রচারণা সমৃদ্ধ হবে। প্রথম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মজিবুর রহমান সরোয়ারের সঙ্গে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে ২০ হাজারের অধিক ভোট পেয়েছিলেন আহসান হাবিব কামাল এবং ১৩ হাজার ভোট পান এবায়েদুল হক চান। এছাড়া তৃতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন মাহামুদুল হক খান মামুন।
সরকারের সদিচ্ছার অভাবেই খালেদা জিয়াকে জামিন দেয়া হয়নি
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ অভিযোগ করেছেন, সরকারের সদিচ্ছার অভাবেই বেগম খালেদা জিয়াকে কুমিল্লার মামলায় জামিন দেয়া হয়নি। মঙ্গলবার (০৩ জুলাই) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিং এ তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি আরো অভিযোগ করেন, ক্ষমতাসীনদের ইন্ধনেই ছাত্রলীগ কোটা সংস্কারের দাবীতে আন্দোলনকারীদের উপর হামলা চালিয়েছে। রিজভী বলেন, সরকার নিম্ন আদালতকে সম্পূর্ণ কব্জায় নিয়ে এখন সর্বোচ্চ আদালতকেও হাতের মুঠোয় নিয়েছে কিনা সেটা নিয়েও জনগণ সন্দিহান প্রকাশ করছে। হাইকোর্ট জামিন দিলে সেই জামিন স্থগিত হয়, এরকম আগে ঘটেনি। বিচারিক প্রক্রিয়ায় ন্যায় বিচার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত করা শেখ হাসিনার হুকুমেরই বাস্তবায়ন।