ফখরুলসহ ৭ নেতার আগাম জামিন
অনলাইন ডেস্ক: পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে ঢাকার হাতিরঝিলসহ বিভিন্ন থানায় দায়ের করা মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সাত নেতাকে আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। সংশ্লিষ্ট মামলায় পুলিশ প্রতিবেদন জমা না দেয়া পর্যন্ত তাদের এই জামিন দেয়া হয়। বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুল হাফিজ ও বিচারপতি কাশেফা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে বিএনপি নেতাদের পক্ষে শুনানি করবেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। জামিন পাওয়া অন্য নেতারা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আমান উল্লাহ আমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। এর আগে গত ১ অক্টোবর হাতিরঝিল থানায় সরকারবিরোধী উসকানিমূলক বক্তব্য এবং পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করে পুলিশ। মামলায় দলটির কেন্দ্রীয় নেতা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী ও যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমানকেও আসামি করা হয়। ইতোমধ্যেই এ মামলায় স্থায়ী কমিটিরি সদস্য মওদুদ আহমদ ও আইন সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়া হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়েছেন। মামলায় পুলিশ বলছে, বিএনপি কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে ৩০ সেপ্টেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করে। সেখানে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সরকারবিরোধী উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। মামলায় বলা হয়, বিএনপির এসব নেতার এমন বক্তব্যের পর ১ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে হাতিরঝিল থানার মগবাজার রেলগেট এলাকায় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠন ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের ৭০ থেকে ৮০ জন নেতাকর্মী জড়ো হন। তারা রাস্তায় যান চলাচলে বাধা দেন। পুলিশ জড়ো হওয়া নেতাকর্মীদের সড়ক অবরোধ না করতে অনুরোধ করে। কিন্তু পুলিশের অনুরোধ উপেক্ষা করে তারা পুলিশকেই হত্যার উদ্দেশ্যে ইটপাটকেল ছুঁড়তে শুরু করেন। সেখানে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং একটি বাস ভাঙচুর করা হয়। প্রতিরোধের চেষ্টা করলে তারা লাঠি দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মারধর শুরু করেন এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটান। মামলায় আরো বলা হয়, ভাঙচুর করা গাড়িগুলো আত্মরক্ষার্থে দ্রুত চলে যাওয়ায় গাড়ির নম্বর সংগ্রহ করতে পারেনি পুলিশ।
আ-লীগ হয়ে গেলেও আপত্তি নেই: আহমদ শফী
অনলাইন ডেস্ক: হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফী বলেছেন, কেউ কেউ বলছেন, আমি আওয়ামী লীগ হয়ে গিয়েছি। তারা মিথ্যা কথা বলছেন। তবে আওয়ামী লীগ হয়ে গেলেও কোনও আপত্তি নেই। সোমবার চট্টগ্রামের দারুল উলুম হাটহাজারী মাদ্রসায় এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ছাত্রদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আহমদ শফী বলেন, আমাদের বিরাট উপকার করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি কথা দিয়েছিলেন, কওমি স্বীকৃতি দেবেন। কত জনে কত কথা বলেছেন, সেদিকে লক্ষ্য করেননি; স্বীকৃতি দিয়েছেন। আমি শেখ হাসিনার শুকরিয়া আদায় করছি।’ এসময় তিনি সবাইকে শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করারও আহ্বান জানান। হেফাজতের আমির বলেন, কেউ কেউ বলছেন, আমি আওয়ামী লীগ হয়ে গিয়েছি। মিথ্যা কথা বলছেন। উনি (শেখ হাসিনা) আমাকে মহব্বত করে কওমি স্বীকৃতি দিয়েছেন। আমি আওয়ামী লীগ হইনি। এটা আপনাদের ভুল ধারণা। কথা বলার সময় সত্য মিথ্যা যাচাই করে বলবেন। তবে আওয়ামী লীগ হয়ে গেলেও কোনও আপত্তি নেই। আওয়ামী লীগের মধ্যে এমন এমন মানুষ আছেন যারা দ্বীনকে ভালোবাসেন, আমাদের মাদ্রাসায় সাহায্য করেন। আমি ওয়াজ করছি না, শেখ হাসিনার শুকরিয়া আদায় করছি। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম জেলা বেফাক সভাপতি মাওলানা ছলিমুল্লাহ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, হাটহাজারী মাদরাসার সহকারী মহাপরিচালক ও হেফাজত মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী, বেফাক মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, বেফাক মহাপরিচালক মাওলানা জুবায়ের আহমদ চৌধুরী, বেফাক সহকারী মহাসচিব মুফতি নুরুল আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। শীর্ষনিউজ
বিএনপির ৭ দফা দাবি দিয়ে কিছু হবে না: নাসিম
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বিএনপি ঘোষিত ৭ দফা দাবীর জবাবে বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসেন, না এলে এসব দফা দিয়ে কিছু হবে না। আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ কর্মী সম্মেলন ও নির্বাচনী সংলাপ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সংগঠনের চেয়ারম্যান সৈয়দ বাহাদুর শাহর সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, জাসদ নেতা নাজমুল হক প্রধান এমপি, ইসলামিক ফ্রন্টের মহাসচিব জয়নুল আবেদীন জুবাইর বক্তব্য রাখেন। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, নির্বাচনে আসুন। যদি নির্বাচন না করেন তাহলে এসব দফা রফা হয়ে যাবে। নির্বাচনে না এলে যত দফাই দেন কোন লাভ হবে না। তিনি বলেন,এবার আমরা খালি মাঠে গোল দিতে চাই না। খেলে গোল দিতে চাই। দফা একটাই, নির্বাচন হবে। নির্বাচনে এক দফা এক দাবিতে জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ। আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বলেন, বিএনপির জন্য এবার শেষ সুযোগ। যদি অস্তিত্ব রাখতে হয় তাহলে নির্বাচনে আসুন। জামাতের কথায় নির্বাচনে না এলে অস্তিত্ব থাকবে না, বাটি চালান দিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবে না। কাগজে থাকবে বিএনপি কিন্তু অস্তিত্ব থাকবে না।
ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে: ওবায়দুল কাদের
অনলাইন ডেস্ক: আগামী জাতীয় নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ বিজয়ী হবে। ওবায়দুল কাদের আজ দুপুরে রাজধানীর গুলশান-২র কাঁচাবাজারে আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের সপ্তাহব্যাপী গণসংযোগ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যরিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আনোয়ার হোসেন, এডভোকেট রিয়াজুল কবির কাওছার, রেমন্ড আরেং, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ বজলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ও তাদের সাম্প্রদায়িক দোসর জামায়াত আন্দোলন করতে ব্যর্থ হয়ে দেশে ২০১৪ সালের মত নাশকতা ও সহিংসতা করার ছক কষছে। তারা আবারও সহিংসতা ও নাশকতার পথে পা বাড়াচ্ছে। বিএনপি-জামায়াতের সহিংসতা ও নাশকতার বিরুদ্ধে সচেতন থাকার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তারা দেশে আবারো নাশকতা ও সহিংসতা করতে চাইলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তার সমুচিত জবাব দেয়া হবে। আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপির ৭ দফা দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, বিএনপির ৭ দফা দাবি অবাস্তব, অগ্রহণযোগ্য ও কোন কোনটি সংবিধান বিরোধী। কারণ নির্বাচনের আর বেশি দিন বাকি নেই। নির্বাচনের আগে তাদের দাবি মেনে নেয়ার কোন সুযোগ নেই। আর এ ধরনের দাবি যে কেউ মানবে না, তা তারা নিজেরাও জানে। এ মাসে বিএনপির মাঠ দখলের ঘোষণার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা বিএনপির কোন পাল্টা কর্মসূচি দেব না। আমাদের নির্বাচনী গণসংযোগের কর্মসূচি একান্তভাবেই নিরীহ শান্তিপূর্ণ। রাজনীতিতে আমরা কোন ধরনের উত্তেজনাকর কর্মসূচি দেব না। কাদের বলেন, তবে রাজনীতির নামে কেউ মাঠ দখল করতে এলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যেমন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে তেমনি জনগণকে সঙ্গে নিয়েও আমরা তাদের প্রতিহত করব। দলীয় প্রার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নির্বাচনে যে কেউই প্রার্থী হতে পারেন। তবে দলের ভেতর কেউ অসুস্থ প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হলে সে দলীয় মনোনয়ন পাবেন না। নিজের দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারে কেউ জড়িত হলে মনোনয়ন পাবেন না। উন্নয়ন ও অর্জনের রোল মডেল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী করার জন্য দেশের জনগণের প্রতি আহবান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগের এই গণসংযোগ কর্মসূচি উপলক্ষে গুলশান-২র আশেপাশের ওয়ার্ড থেকে দলীয় নেতা-কর্মীরা মিছিল সহকারে কাঁচাবাজারের সামনে সকাল দশটা থেকে জমায়েত হতে থাকে। গণসংযোগ কর্মসূচি উদ্বোধনের আগে সংক্ষিপ্ত এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা বক্তৃতা করেন। পরে ওবায়দুল কাদের দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে কাঁচাবাজারে গণসংযোগ করেন। এ সময় বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকুন, উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সহযোগিতা করুন শিরোনামে লিফলেট বিতরণ করা হয়।
প্রায় এক বছর পর খোলা জায়গায় বিএনপির জনসভা
অনলাইন ডেস্ক: প্রায় এক বছর পর খোলা জায়গায় জনসভা করছে বিএনপি। রোববার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর দুপুর ১২টার পর দলটির সাংস্কৃতিক সংগঠন জাসাস কর্মীদের সম্মিলিত গণসঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জনসভার কার্যক্রম শুরু হয়। এ জনসভা চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। গতকাল শনিবার জনসভার অনুমতি পাওয়ার পরই শুরু হয় সভামঞ্চ তৈরির কাজ। মাঠ পরিদর্শন করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা। জনসভামঞ্চের পেছেনে যে ব্যানার টাঙানো হয়েছে সেখানে জনসভার প্রধান অতিথি হিসেবে লেখা রয়েছে বেগম জিয়ার নাম। দুপুর ২টা থেকে শুরু হবে নেতাদের বক্তৃতা। জনসভায় অন্তত অর্ধশত নেতা বক্তব্য রাখবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে থাকবেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এ ছাড়াও স্থায়ী কমিটির অন্যান্য সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, যুগ্ম মহাসচিব, সম্পাদকমণ্ডলীসহ অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেবেন। জনসভাকে ঘিরে ইতোমধ্যেই ঢাকামহানগরী এবং আশপাশের জেলার নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল সহকারে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হয়েছেন। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন, খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি চাই’ লেখা সম্বলিত ব্যানার ফেস্টুনসহ নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিশ্চিত করতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
জামায়াত-শিবিরের উপস্থিতি না থাকায় বিএনপির স্বস্তি
অনলাইন ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠনসহ বিভিন্ন দাবিতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির জনসভা শুরু হয়েছে। রোববার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে দলীয় সংগীত বাজিয়ে জনসভার কার্যক্রম শুরু করা হয়। তবে মূল কার্যক্রম শুরু হবে দুপুর ২টায়। এ সমাবেশকে ঘিরে সকাল থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত হতে শুরু করলেও তাদের জোটের শরিক ও দীর্ঘদিনের মিত্র স্বাধীনতাবিরোধী দল জামায়াত ও এর ছাত্রসংগঠন শিবিরের কোনো পর্যায়ের নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি। এ নিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন বিএনপির এক কেন্দ্রীয় নেতা। বিএনপির ওই নেতা বলেন, জামায়াত-শিবির না অাসায় বিএনপির জন্য ভালো হয়েছে। বহির্বিশ্বের সমর্থন পেতে সুবিধা হবে। নজরুল ইসলাম নামের এক কর্মী বলেন, তারা সরকারের সঙ্গে আঁতাত করেছে। তাই জোটনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির এই সমাবেশে অাসেনি। অাসলে জামায়াত একটি সুবিধাবাদী দল। তাদের বিশ্বাস করা কঠিন। এদিকে সকাল ৯টা থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মিছিল নিয়ে ঢুকছেন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। জনসভায় দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামে মামলা প্রত্যাহার দাবির প্ল্যাকার্ড-ব্যানার-ফেস্টুন বেশি শোভা পাচ্ছেে। পরপর দুই দফা পেছানোর পর রোববার (৩০ সেপ্টেম্বর) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করছে বিএনপি। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। সভাপতিত্ব করবেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলের কেন্দ্রীয় নেতাসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা এতে বক্তব্য দেবেন। এদিকে এই জনসভায় বিএনপি বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ঘটিয়ে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন করতে চায় বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। ওই সূত্র বলছে, সোহরাওয়ার্দীর জনসভা থেকে সরকার, দেশবাসী ও দলের নেতাকর্মীদের কিছু বার্তা দেবে বিএনপি। ‘নিরপেক্ষ সরকারের’ অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকারের প্রতি কয়েক দফা দাবি ও দেশবাসীর প্রতি ১২টি লক্ষ্য (অঙ্গীকার) ঘোষণা করা হবে। পাশাপাশি আগামীদিনের পথচলা ও দাবি আদায়ের সম্ভাব্য আন্দোলন নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের দেওয়া হবে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাও। জনসভা থেকে ‘বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য’র ব্যাপারে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বিএনপি নিজেদের অবস্থানও তুলে ধরবে। রোববারের জনসভা হবে বিএনপির এ মাসের দ্বিতীয় আয়োজন। এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে নয়াপল্টনে জনসভা করেছিল দলটি। আলোকিত বাংলাদেশ
জাতীয় ঐক্য নির্বাচন বানচাল করতে চায় : ইনু
অনলাইন ডেস্ক: তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এমপি বলেছেন, জাতীয় ঐক্য’র নামে যে ঐক্য গঠিত হয়েছে তাদের দাবি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় তারা নির্বাচনের জন্য নয়, বরং নির্বাচনকে কিভাবে বানচাল করা যায় তার প্রস্তাব উত্থাপন করেছে। তারা বাংলাদেশকে সংবিধানের বাইরে ঠেলে দেয়ার একটা পাঁয়তারা শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কুষ্টিয়া সার্কিট হাউসে দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। ফখরুলকে মধ্যখানে রেখে ড. কামাল ও বি. চৌধুরীর উল্লাস কার্যত রাজাকারের উল্লাস আখ্যায়িত করে ইনু বলেন, যারা সামরিক শাসন ও রাজাকারের দালালি করেছে এবং জঙ্গির পক্ষে সমর্থন নিয়েছে তাদের সঙ্গে হঠাৎ করে কামাল হোসেন ও বি.চৌধুরীরা হাত মেলালো কি করে তা আমার বোধগম্য নয়। তিনি বলেন, জামায়াতের নিবন্ধন থাকলো কী থাকলো না সেটা বড় কথা নয়, জায়ামাত আনুষ্ঠানিকভাবে ২০ দলীয় জোটের শরীক। হঠাৎ কী এমন পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটলো যে জামাত ২০ দলীয় জোটে বহাল থাকা অবস্থায় কামাল হোসেন ও বি. চৌধুরী ফখরুল ইসলামকে মাঝখানে রেখে হাত নেড়ে উল্লাস প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি এই উল্লাস বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রাজাকারের হাসি। সুতরাং এই ঐক্যটা অপরাধীদের রক্ষার ঐক্য এবং সকল রাজাকার ও অপরাধীদের একত্রে করার ঐক্য। এ সময় সেখানে জেলা জাসদের সভাপতি গোলাম মহসিন, জাসদ কেন্দ্রীয় নেতা মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ, মিরপুর উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক আহম্মদ আলীসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের আশ্রয়ন প্রকল্পের নিজ জমিতে গৃহ নির্মান এবং ফুলবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মা ও অভিভাবকদের সাথে মতবিনিময়ে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। আলোকিত বাংলাদেশ
জাতীয় ঐক্যের ভবিষ্যৎ অন্ধকার: নৌমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় ঐক্যের ভবিষ্যৎ অন্ধকার বলে মন্ত্রব্য করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদারীপুর সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির নবগঠিত কমিটির সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী একথা বলেন। নৌমন্ত্রী বলেন, ঐক্যের একটি আদর্শিক ভিত্তি থাকতে হয়। কিন্তু জাতীয় ঐক্যের নেতাদের কোনো আদর্শিক ভিত্তি নেই। এই ঐক্য হলো জগাখিচুড়ি ধরনের ঐক্য। এই ঐক্যের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। কত দিন এই ঐক্য থাকবে, সেই প্রশ্ন সবার মনে। এক সময় তাদের নিজেদের মধ্যে সুসম্পর্ক টিকবে না। শাজাহান খান আরো জানান, রাজনৈতিক অঙ্গনে জাতীয় ঐক্যের নেতারা মৌসুমি পাখির মতো ক্ষণে ক্ষণে উদিত হয়। এটা একটি খারাপ লক্ষণ। কারণ আগামীতে জাতীয় নির্বাচন, এ সময়ে তারা যে কাজটি করতে চাচ্ছেন, তাতে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে পারবে না। কারণ তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না। মন্ত্রী এ সময় বিএনপি জাতীয় ঐক্যের নামে খালেজা জিয়ার মুক্তির ইস্যু খুঁজছে বলে দাবি করেন। মাদারীপুর জেলা সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির নবগঠিত সমিতির সদস্যদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ওয়াহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদার, মাদারীপুর জেলা সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি গোলাম মাওলা আকন্দ, সাধারণ সম্পাদক এম.আর মুর্তজাসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পরে মন্ত্রী মাদারীপুর জেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেন। আলোকিত বাংলাদেশ
জামায়াত ছেড়ে ঐক্যে কী লাভ, হিসাব কষছে বিএনপি
অনলাইন ডেস্ক: গণফোরাম আর যুক্তফ্রন্টকে পাশে পেতে বিএনপি কি প্রায় দুই দশকের মিত্র জামায়াতকে ছেড়ে দেবে? এই প্রশ্ন এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় হয়ে উঠেছে। তবে অপেক্ষার খেলায় বিএনপি। আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে কামাল হোসেনের গণফোরাম এবং তৃতীয় শক্তি হওয়ার ঘোষণা দেয়া তিন দলের জোট যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে ঐক্য গড়তে মরিয়া বিএনপি। একে তারা বলছে ‘জাতীয় ঐক্য’। এই ঐক্য গড়তে কামাল হোসেন এবং বিএনপির আশাবাদী। তবে যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান বদরুদ্দোজা চৌধুরী এবং তার ছেলে মাহী বি চৌধুরী শর্ত দিয়েছেন, জামায়াত ছাড়তে হবে বিএনপিকে। কিন্তু হিসাব কষে বিএনপি নেতারা বলছেন, এই জোটের চেয়ে জামায়াতের সঙ্গে বেশি ‍গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, তাদের ভোট আছে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক, যেটি নেই গণফোরাম আর যুক্তফ্রন্টের। তবে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব দোটানায়। না পারছে তারা জামায়াত ত্যাগ করতে, না পারছে আলোচনা বন্ধ করতে। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘যে জাতীয় ঐক্যের প্রক্রিয়া চলছে তার মাধ্যমে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে হলে ভোটের হিসাবটা খুব জরুরি। তাই যে যাই মন্তব্য করুন তা বুঝেশুনে করা উচিত। কেউ যদি মনে করে বিএনপিকে ঘাড় নীচু করে কারও সঙ্গে ঐক্য করতে হবে তারা এমন কথা বলতে পারে। কিন্ত জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে হলে ব্যক্তিগত রাগ অনুরাগের বাইরে এসে কথা বলতে হবে।’ যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে জামায়াত নিয়ে যেসব বক্তব্য দেয়া হয়েছে সেসব বিষয়ে বুধবার রাতে বৈঠক করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির নেতারা। সেখানে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শরিক দলগুলোর সঙ্গে তারা বসছেন। তবে এর মধ্যে জামায়াত সম্প্রতি বিএনপির অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে আগামী দিনে আন্দোলন সংগ্রামে বিএনপির পাশে থাকার ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। গত ২৯ আগস্টের সেই অনুষ্ঠানে জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘অতীতের মতো আগামী দিনের সকল আন্দোলনেও জামায়াত ২০ দলীয় জোটের পাশে থাকবে।’ বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ একটি দলের মহাসচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘জোটের মধ্যেও এমন কোনো আলোচনা হয়নি যে জামায়াত ছেড়ে দেবে বিএনপি। অন্যদিকে জামায়াতও বলে দিয়েছে তারা আগামী দিনে বিএনপি তথা জোটের সঙ্গে থাকবে। আর বিএনপিও এমন সিদ্ধান্ত নেবে বলে মনে হয় না।’ বিএনপির একজন নীতিনির্ধারক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমরা ঐক্য চাই। যাদের সঙ্গে কথা হচ্ছে তারাও ঐক্য চায়। সেখানে এমন কড়া শর্ত আরোপ করা কতটা যৌক্তিক তা ভেবে দেখা উচিত। কারণ শান্তি চাই, সুন্দর গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চাই।’ জামায়াতের সঙ্গ ছাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ওই নেতা বলেন, ‘তাদের তো নিবন্ধন নেই। তারা তাদের কৃতকর্মের জন্য শাস্তিও পেয়েছে। তারা আমাদের সঙ্গে জোটে আছে। তাদের বাদ দেয়ার কোনো সিদ্ধান্ত তো হয়নি।’ ১৯৯৯ সালে আওয়ামী লীগবিরোধী আন্দোলনের সময় জামায়াত, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি এবং কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক দল ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে জোট করে বিএনপি। পরে এরশাদ জোট ছেড়ে দিলে তার দলের একাংশ বিজেপি নামে জোটে থেকে যায়। বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের ভোট যোগ হওয়ায় ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি অভাবনীয় জয় পায়। তবে ২০০৮ সালে সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করে বিএনপি। আবার ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ থেকে বের হয়ে গণফোরাম গঠন করেন কামাল হোসেন। কিন্তু তিনি নির্বাচনে সুবিধা করতে পারেননি। এর মধ্যে ১৯৯৬ সালে ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুর আসনে দাঁড়িয়ে হারান জামানত। আর ভোটমুখো হননি তিনি। অন্যদিকে যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য। ২০০১ সালে বিএনপি জিতে আসার পর তাকে বানায় রাষ্ট্রপতি। কিন্তু এক বছর যেতে না যেতেই অসম্মানজনকভাবে পদ ছাড়তে বাধ্য করে তাকে। ২০০৪ সালে গঠন করেন নিজের দল বিকল্পধারা। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বি. চৌধুরী ঢাকা-৬ আসনে দাঁড়িয়ে হারান জামানত। তিনি বিএনপির হয়ে মুন্সীগঞ্জের যে আসনে জিতে আসতেন, সেই আসনে তার ছেলে মাহী বি. চৌধুরী হন তৃতীয়। যুক্তফ্রন্টের অন্য দুই শরিক নাগরিক ঐক্য এবং জেএসডিও ভোটের ময়দানে লিলিপুট, সন্দেহ নেই এতটুকু। অন্যদিকে প্রধান নেতারা মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসিতে ঝুললেও জামায়াতের শক্তি এখনও ফেলনা নয়। বিশাল কর্মিবাহিনীর পাশাপাশি তাদের পাঁচ শতাংশের বেশি ভোটের হিসাবটা বিএনপিকে কষতেই হচ্ছে। দেশের অন্তত ৬০টির মতো আসনে বিএনপিকে ভালো করতে হলে জামায়াতের ভোট লাগবে। জামায়াত ছাড়ার প্রসঙ্গ বারবারই এসেছে বিএনপিতে। বরাবরই তারা পাশ কাটিয়েছে বিষয়টি। ভোটের হিসাবই এর কারণ। ঢাকাটাইমস