বেগম জিয়াকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে-মির্জা ফখরুল ইসলাম
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করার জন্য তিনি সবাইকে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। আজ রোববার বিকেলে বিজয় দিবসের র‍্যালি শুরুর আগে পিকআপ ভানের ওপর অস্থায়ী মঞ্চে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ মন্তব্য করেন। এরপর বেলা তিনটায় তিনি বিজয় র্যারলির উদ্বোধন করেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আজ শান্তিপূর্ণভাবে বিজয় র‍্যালি করার মাধ্যমে গণতন্ত্রের যে দাবি, সেই দাবিকে সোচ্চার করতে হবে। ষড়যন্ত্র করে আজ খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আসুন, আমরা রুখে দাঁড়াই। আমরা সব মানুষকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হই। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষকে কখনোই পদদলিত করে রাখা যাবে না। বাংলাদেশের মানুষকে কখনো দাবিয়ে রাখা যাবে না। বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতার জন্য অতীতে যেমন প্রাণ দিয়েছে, তেমনি আবারও তারা প্রাণ দিয়ে হলেও গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করবে। ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা একটি স্বাধীন, সমৃদ্ধ ও শান্তির বাংলাদেশ চাই। আমরা চাই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি সুন্দর, শান্তিময় গণতান্ত্রিক পরিবেশে বসবাস করুক। আমরা চাই, আমাদের দেশের জনগণ কথা বলতে পারুক। সাংবাদিকেরা মুক্তভাবে লিখতে পারুক। একটি মুক্ত বাংলাদেশ আমরা চাই। তিনি বলেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যের কথা, এই আওয়ামী লীগ সরকার-এই ফ্যাসিস্ট সরকার শুধু একদলীয় সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করার জন্য, ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সব গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে বিএনপিকে পদদলিত করতে চায়। স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি দাবি করে ফখরুল ইসলাম বলেন, আমরা যে স্বপ্ন দেখে স্বাধীনতাযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি। আজকে ৪৭ বছর পরেও আমাদের দুর্ভাগ্যের সঙ্গে আমাদের মা-বোনদের হাহাকার শুনতে হয়। আমাদের ছেলেরা আজকে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করতে গিয়ে প্রাণ বিসর্জন দেয়, গুম হয়ে যায় আত্মত্যাগ করে। তিনি বলেন, আজ বিএনপির হাজার হাজার নতা-কর্মী কারাগারে। এই কারাগার থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে হবে। সেই কারাগার ভাঙতে হবে এবং কারাগার ভেঙে গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে হবে। মির্জা ফখরুল আরও বলেন, আজকের এই দিনে আমরা জাতীয় ঐক্যের আহ্বান করছি। আজকের এই দিনে আমরা একটি সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচনের জন্য নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানাচ্ছি। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, স্বাধীনতা-উত্তর যারা ক্ষমতায় এসেছিল, তারা মনে করে এই দেশ স্বাধীন হয়েছে আওয়ামী লীগের জন্য। এই দেশ স্বাধীন হয়েছে শুধু একটি পরিবারের জন্য। তারা জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়ে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। এদেরই প্রেতাত্মা আবারও ক্ষমতায় এসেছে। তারা আবারও নতুনভাবে বাকশাল গঠন করেছে। বাকস্বাধীনতা হত্যা করে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে হত্যা করেছে। আর এসব করতে গিয়ে তারা বিচারবহির্ভূত হত্যা করছে, গুম-খুন করছে। সংক্ষিপ্ত সমাবেশের পর দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর র্যাকলিতে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় পিকআপ ভ্যানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ও প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী অ্যানি মহাসচিবের সঙ্গে ছিলেন। জাতীয়তাবাদী মহিলা দল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা র্যা লিতে অংশগ্রহণ করেন। র্যাীলিতে রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের নেতা-কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। র‍্যালিটি নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শুরু হলেও আগত নেতা-কর্মীদের মিছিল শান্তিনগর মোড় পেরিয়ে যায়। র‍্যালিটি মালিবাগ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালিতে অংশ নেওয়া বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে। ব্যান্ড পার্টির বাজনার তালে তালে নেতা-কর্মীরা নাচছিলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) শিল্পীরা একটি পিকআপের ওপর গান গাইছিলেন। র‍্যালিতে দুজন কর্মীকে দেখা গেল দুটি বিশালাকৃতির ঘোড়া নিয়ে হাজির হতে। তাঁরা এক হাতে ঘোড়ার দড়ি ও অন্য হাতে একটি বড় আকৃতির জাতীয় পতাকা ধরে ছিলেন। বিজয় র‍্যালিতে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মীদের মধ্যে নারীদের পরনে ছিল লাল-সবুজ রঙের শাড়ি। এ ছাড়া পুরুষ কর্মীদের মাথায় বিএনপির দলীয় পতাকার রঙের টুপি ও মাথায় জাতীয় পতাকা বেঁধে উল্লাস করতে দেখা গেছে। র‍্যালির সময় কাকরাইল, শান্তিনগর মোড় ও নয়াপল্টন এলাকায় গাড়ি চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ছিল। এ ছাড়া বিএনপির বিজয় র‍্যালিকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক অবস্থান লক্ষ করা গেছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উল্টো দিকে দাঙ্গা পুলিশের একটি বড় দল সতর্ক অবস্থানে ছিল। নয়াপল্টন মোড়ে পুলিশের একটি সাঁজোয়া যান (এপিসি) ও একটি জল কামানের গাড়ি জমা করে রাখা হয়েছিল। কাকরাইল মোড়ে দাঙ্গা পুলিশের অপর একটি দলের সতর্ক অবস্থান দেখা গেছে। র‍্যালিকে ঘিরে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সদস্যদেরও সতর্ক অবস্থান দেখা গেছে। র‍্যালিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব-উন নবী খান সোহেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে খালেদার শ্রদ্ধা,
রাজধানীর মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি। এর আগে সকাল পৌনে ১০টায় গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের উদ্দেশ্যে রওনা করেছিলেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান এসব তথ্য জানিয়েছেন।এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গত ৪৬ বছরে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। কিন্তু যে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের স্বপ্ন নিয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছিল, সেই গণতন্ত্র আজ হারিয়ে গিয়েছে। গণতন্ত্র আজ অনুপস্থিত।মির্জা ফখরুল আরও বলেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে বিএনপি লড়াই করে যাচ্ছে, এ লড়াইয়ে আমাদের বিজয় হবেই ইনশাল্লাহ।তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানিরা পরিকল্পিতভাবে বাঙালি জাতির মেধাবী সন্তানদের হত্যা করেছে। তাদের এই আত্মত্যাগ পূরণ হওয়ার নয়।শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে উপস্থিত ছিলেন- দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, শামসুজ্জামান দুদু, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, ডা. সিরাজুল ইসলাম, আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, শামা ওবায়েদ, সাহিত্য ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক সরাফত আলী সফু, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সহ দফতর সম্পাদক মুনির হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, তাবিথ আউয়াল, সালাউদ্দিন ভুইয়া শিশির, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ।
এই লড়াইয়ে আমাদের বিজয় হবেই :মির্জা ফখরুল
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে আমরা লড়াই করছি, এই লড়াইয়ে আমাদের বিজয় হবেই বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। ফখরুল বলেন, গত ৪৬ বছরে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। যে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য আমরা স্বপ্ন দেখেছি, সেই গণতন্ত্র আজ হারিয়ে গিয়েছে। গণতন্ত্র আজ অনুপস্থিত। এজন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি।এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বীর উত্তম, শামসুজ্জামান দুদু, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
গণতন্ত্রের কী দোষ?ওবায়দুল কাদের
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোনো দল নির্বাচন আসল কি আসল না এ দায় আওয়ামী লীগ সরকারের নেই। তিনি আরো বলেন, আপনারা আসেননি বলে গণতন্ত্র চলার পথে কোনো বাধা হবে না, পার্লামেন্টও চলবে, গণতন্ত্রও চলবে, গণতান্ত্রিক সরকারও থাকবে। তাঁরা না এলে গণতন্ত্রের কী দোষ? আজ বুধবার ঢাকা মহানগরীর রামকৃষ্ণ মিশনে বিবেকানন্দ ভবনের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন ওবায়দুল কাদের। এরপর আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আর্থিক সহায়তাকারী ভারতের ঢাকায় নিযুক্ত হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনের পর হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ওপর কী অত্যাচার হয়েছিল তা ভুলে গেলে চলবে না। ওবায়দুল কাদের বলেন, এ বছর যা হবে মনে রাখবেন এটা রাজনীতি। ইলেকশন সামনে। তাদের একটা অপপ্রয়াস থাকবে যে এখানে হিন্দুদের বাড়ি, হিন্দুদের মন্দির এগুলো যদি আক্রমণ করা যায়, হামলা করা যায়, তাহলে এ হামলার ব্যর্থতার জন্য বর্তমান সরকারকে দায়ী করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বিনষ্ট করা। ওবায়দুল কাদের বলেন, সংখ্যালঘুদের ওপর যে কোনো ধরনের নির্যাতন-তাতে যদি আওয়ামী লীগেরও কেউ জড়িত থাকে, তা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। ওবায়দুল কাদের বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচন যদি বিতর্কিত হয়ে থাকে তবে তার দায় আওয়ামী লীগের নয়, বিএনপির। তিনি বলেন, কোনো দল নির্বাচন আসল কি আসল না এ দায় আওয়ামী লীগ সরকারের নেই। আসলে আসুক, না আসলে না আসুক। তাতে কী আসে-যায়?
দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আজ নাজে হাল :আমির খসরু
বিএনপি নির্বাচনে না আসলে তাদের অস্তিত্ব থাকবেনা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের প্রতি উত্তরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, নিজেদের অস্তিত্বের কথা চিন্তা করুন। বাকশালের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ নিজের অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলেছিল। তা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। আলোচনা সভাটির আয়োজন করে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক জোট। বর্তমান সময়ে দেশের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার তুলনায় দ্রব্যমূল্য নাগালের বাহিরে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ে আলোচনার দরকার আছে। দ্রব্যমূল্যের কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন যে পর্যায়ে চলে এসেছে সেটি অনেক বড় রাজনৈতিক বিষয়। বর্তমান সময়ে দেশের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার তুলনায় দ্রব্যমূল্য নাগালের বাহিরে চলে গেছে। তিনি বলেন, আজকে চালের দাম পেঁয়াজের দামসহ সবজি মাংসের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে।এছাড়া বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম মানুষের নাগালের বাহিরে চলে গেছে। এর প্রতিবাদ করার লোক নেই। তিনি আরও বলেন, সরকারের অব্যবস্থাপনা ও মিথ্যাচারের কারণে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আজ নাজে হাল। সকল কলকারখানা দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।সে সঙ্গে দেশের মানুষ বাকস্বাধীনতা, আইনের শাসন ও গণতন্ত্র অধিকার ও সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা হারিয়েছে। তিনি বলেন,তারা আজকে আবার যেভাবে ক্ষমতায় আছে সেই কারণেও তাদের অস্তিত্ব সংকটে পরবে। তাই আমি তাদের বলব অন্য দলের চিন্তা না করে নিজেদের চিন্তা করুন। আয়োজক সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা রজাবুদ্দৌলা চৌধুরী ও প্রধান সন্বয়কারী হুমায়ুন কবির বেপারীর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, মহিলা দলের সাবেক সাধারন সম্পাদিকা শিরিন সুলতানা ও নির্বাহী কমিটির সদস্য বাবুল আহমেদ প্রমুখ।
এই শৃঙ্খলাবিধি সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদের সম্পূর্ণ পরিপন্থি :মওদুদ আহমদ
অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকুরির যে শৃঙ্খলাবিধি সরকার তৈরি করছে তা সম্পূর্ণ আত্মঘাতী, অর্থহীন এবং অসাংবিধানিক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বলেন, এটা মাজদার হোসেন মামলায় বিচার বিভাগকে পৃথকীকরণ করা নিয়ে সুপ্রিমকোর্টের যে নির্দেশ ছিল তার সম্পূর্ণ পরিপন্থি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাব হল রুমে এক আলোচনা সভায় সাবেক এই আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মহান বিজয় দিবস ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে অপরাজেয় বাংলাদেশ নামের একটি সংগঠন। মওদুদ আহমদ বলেন, এ শৃঙ্খলাবিধির মাধ্যমে নিম্ন আদালতের বিচারকগণ সম্পূর্ণভাবে সরকারের নিয়ন্ত্রণে চলে গেল। সুতরাং এখন আর বলা যাবে না যে বিচারবিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক একটি প্রতিষ্ঠান। এই শৃঙ্খলাবিধি সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। অর্থাৎ এই শৃঙ্খলাবিধি একটি অসাংবিধানিক বিধিমালা যোগ করেন তিনি। সাবেক এই আইনমন্ত্রী বলেন, এই শৃঙ্খলাবিধির মাধ্যমে প্রশাসন থেকে বিচার বিভাগকে পৃথকীকরণের মৃত্যু ঘটেছে। এ বিধি সংবিধান পরিপন্থী এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর একটি রাজনৈতিক আঘাত। তিনি বলেন, এই বিধিমালা আইনজীবী সম্প্রদায়সহ দেশের কোনো শ্রেণির মানুষের কাছে কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না। আশা করি, সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতিগণ এবং নিম্ন আদালতের বিচারকগণ এই শৃঙ্খলাবিধি প্রত্যাখান করবেন। এসময় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহা সম্পর্কে মওদুদ বলেন, বিচারপতি এস কে সিনহা আজকে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। কারণ তিনি এর বিরোধিতা করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেন, নির্বাহী বিভাগের সঙ্গে এস কে সিনহার যে মতবিরোধ ছিল, সরকার তাকে বিতাড়িত করে নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশে হাসিল করেছে। আয়োজক সংগঠনের সহ-সভাপতি ভি;পি ইব্রাহীমের সভাপতিত্বে এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্যে দেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী, সহ শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ও অপরাজেয় বাংলাদেশের সভাপতি ফরিদা মনি শহীদুল্লাহ, নির্বাহী কমিটির সদস্য ইসমাঈল হোসেন বেঙ্গল, কেন্দ্রীয় নেতা আবুল কামাল আজাদ, মিলন মেহেদী, শাহজাহান মিয়া সম্রাট, বগুড়া জেলা বিএনপির সদস্য মো মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।
গণতন্ত্রের নামে গণতন্ত্রকে হত্যা করছে :মির্জা ফখরুল
নিম্ন আদালতের গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে বিচারিক ক্ষমতা আবারও প্রশাসনের হাতে দেয়া হলো, অভিযোগ মির্জা ফখরুল ইসলামের। মঙ্গলবার সকালে, প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফখরুল বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে আমরা বহু কথা বলেছি। সংসদে আইনও পাস করা হয়েছে। কিন্তু সেই বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আবারও প্রশাসনের হাতে গিয়ে পড়ল। কোনোভাবেই একে মুক্ত করা গেল না। তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য প্রধান বিচারপতি যখন মুক্তির চেষ্টা করেছেন তখন তাকে পদ হারাতে হলো, পরবর্তীতে দেশ ত্যাগ করতে হয়েছে। আর আমরা কথা বলতে যাব, প্রতিবাদ করলে নেমে আসে মামলার খগড়। মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনের জাতীয়তাবাদী প্যানেলের পরিচিতিবিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এ সরকারের অধীনে নির্বাচনের বেশির ভাগেই ফলাফল শূন্য। তার পরও আমরা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচন করে যেতে চাই। কারণ, আমাদের একটি মাত্র পথ সেটি হচ্ছে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচনের মাধ্যমে সব সত্যকে ফিরিয়ে আনা। ফখরুল বলেন, অধিকার আদায় ও অধিকার রক্ষায় সূতিকাগার খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন পুরোপুরিভাবে একদলীয় চিন্তাভাবনার জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই আপনারা যারা নির্বাচন করছেন তাদের বলছি, ফলাফল কী হবে জানি না। জয়-পরাজয় লক্ষ্য হবে না, তারচেয়ে বড় লক্ষ্য হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে মানুষের অধিকার রক্ষার লড়াইকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। তিনি বলেন, দুঃখ হয়, এখন আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিবাদ করা হয় না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে কোনো সোচ্চার কণ্ঠ ধ্বনি উচ্চারণ হচ্ছে না। সেখানেও একটি দলের প্রাধান্য বিস্তারের ফলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস হয়ে যেতে বসেছে। তারা গণতন্ত্রের নামে গণতন্ত্রকে হত্যা করছে। বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রদেরও প্রায় একঘরে রাখার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। যা বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কজনক। সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের আহ্বায়ক প্রফেসর আক্তার আহমেদ খান জানান, আগামী ৬ ও ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ঢাকার বাইরের কেন্দ্রগুলোতে এবং ২০ জানুয়ারি দেশের দ্বিতীয় পার্লামেন্ট হিসেবে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের ২৫ জন রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং উদার নৈতিক গণতান্ত্রিক চেতনার প্রতীক জাতীয়তাবাদী পরিষদ মনোনীত প্রার্থীরা অংশগ্রহণ করছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ-আল নোমান, ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক এ কে এম আজিজুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মামুন আহমেদ, ওবায়দুল ইসলাম, সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির সময় দেশ ছিল দুর্নীতিতে নিমজ্জিত :ওবায়দুল কাদের
বিএনপিই সংলাপের পথ বন্ধ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভা ও সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, কোকোর মত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়াকে সহমর্মিতা জানাতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাকে বাধা দেওয়া হয়। এর মধ্যদিয়েই সংলাপের পথ বিএনপিই বন্ধ করে দিয়েছে। তাদের মুখে এখন সংলাপের কথা মানায় না। তিনি বলেন, সিংগাপুর ও আমেরিকার আদালতে ইতোমধ্যে তারেক রহমানের মানি লন্ডারিংসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। সম্প্রতি সৌদি আরবের রাজ পরিবারের গ্রেফতারকৃত সদস্যদের স্বীকারোক্তিতেও খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদের অস্তিত মিলেছে। বিএনপি জনগণকে কি দেখাবে প্রশ্ন করে তিনি বলেন, বিএনপির সময় দেশ ছিল দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। বক্তৃতাকালে ওবায়দুল কাদের মঞ্চে বসা জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ও সংসদ সদস্যদের শাসিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগের কর্মীদের মধ্যে কোন সমস্যা নেই। সমস্যা মঞ্চে বসা নেতাদের মধ্যে। এখনই সতর্ক হোন। নইলে বিপদ আছে। বড় বড় বিল বোর্ড, বড় বড় ব্যানারে ছবি টাঙিয়ে অথবা ঢাকায় বসে থেকে মনোনয়ন পাওয়া যাবে না। মনোনয়ন হবে জনগণ ও দলীয় কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে। যারা ঢাকায় থাকেন তারা সাতক্ষীরায় ফিরে আসেন। জনগণের সাথে মেশেন। আওয়ামী লীগের কর্মীদের পাশে দাড়ান। চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজরা যাতে আওয়ামী লীগের সদস্য না হতে পারে- সে সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এখন ক্ষমতায়, তাই অনেকেই আসবে। কিন্তু ক্ষমতায় না থাকলে পাঁচ হাজার ওয়াটের বাল্ব জলিয়েও তাদের খুজে পাওয়া যাবে না। মন্ত্রী সাতক্ষীরাবাসী উদ্দেশ্যে বলেন, সব রাস্তার টেন্ডার হয়ে গেছে। আগামী জুনের মধ্যে আপনারা বাস্তবে দেখতে পাবেন। আমি যে প্রতিশ্রুতি দেই তা পূরণ করি। জনসভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদের সভাপতিত্বে ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য এসএম কামাল হোসেন, সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আ ফ ম রুহুল হক, সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জগলুল হায়দার, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রিফাত আমিন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আবু আহমেদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু প্রমুখ। এ সময় ওবায়দুল কাদের দলীয় সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে :মির্জা ফখরুল
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে জানিয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আশা করছি নির্বাচন কমিশন সেখানে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। না হলে এর সব দায়ভার নির্বাচন কমিশনকে বহন করতে হবে। আজ সোমবার সকালে হাইকোর্ট মাজার প্রাঙ্গণে দারিদ্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে কম্বল বিতরণ করা হয়। রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় শনিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টুকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেদিকে ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেন, রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করতে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির নামে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক সংবাদ সম্মেলনে সৌদিতে খালেদা জিয়ার সম্পদ রয়েছে বলে যে অভিযোগ তুলেছেন, আমরা সারা পৃথিবীতে খোঁজ নিয়েছি কোথায় এ ধরনের তথ্য নেই। প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সম্পর্কে অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। এ ধরনের সংবাদ ও তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই। মোটকথা জনগণকে বিভ্রান্ত করতে তারা মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছে। আর এটা শুধু আমাদের নয়, সবার কথা। সৌদিতে জিয়া পরিবারের দুর্নীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী অন্ধকারে ঢিল মারেননি- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলেছি, আপনারা প্রমাণ করুন। অন্যথায় পদত্যাগ করতে হবে, আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব।