আমি যে কোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তত :খালেদা জিয়া
বিএনপি সন্ত্রাসে বিশ্বাস করে না। আওয়ামী লীগই প্রকাশ্য সন্ত্রাস করে। এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বুধবার বিকেল ৫টা ৭ মিনিটে গুলশানে চেয়ারপাসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন খালেদা জিয়া। এ সময় খালেদা জিয়া বলেন, 'আদালত রায় দেওয়ার বহু আগেই শাসক মহল চিৎকার করে বলে বেড়াচ্ছে, আমার জেল হবে। যেন বিচারক নয়, শাসক মহলই রায় ঠিক করছে।' প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার 'চাপের মুখে' পদত্যাগের বিষয়টি তুলে ধরে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেছেন, আদালত চাপ উপেক্ষা করে রায় দিতে পারবে কি না, তা নিয়ে তিনি সন্দিহান। নিজেকে নির্দোষ দাবি করে তিনি বলেন, 'ন্যায় বিচার হলে আমার কিছু হবে না, আমি বেকসুর খালাস পাব। আর যদি শাসক মহলকে তুষ্ট করার জন্য অন্য কোনো রায় হয়, তাহলে তা কলঙ্কের প্রতীক হয়ে থাকবে। নির্বাচন থেকে বাইরে রাখতেই এই মামলায় 'সাজানো রায়' দেওয়া হচ্ছে। সরকারকে হুঁশিয়ার করে তিনি বলেছেন, 'আমি যে কোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তত। জেল বা সাজার ভয় দেখিয়ে কাজ হবে না। আমি মাথা নত করব না। একদলীয় শাসন দীর্ঘায়িত করার খায়েস পূরণ হবে বলে আমি মনে করি না।
বিএনপি নেতাকর্মীরা মাঠে থাকবে :রিজভী
জিয়া অরফাজের ট্রাস্ট মামলার রায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সাজা দেয়া হলে সরকারের যেকোনো হুমকির মুখে বিএনপি নেতাকর্মীরা মাঠে থাকবে।এ কথা বলেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘেরাও করে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। মঙ্গলবার রাত সোয়া আটটার দিকে হঠাৎ করেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘেরাও করে। ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে আছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ।বিএনপি নেতাকর্মীদের আশঙ্কা যে কোনো সময় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে পারে।বিএনপি কার্যালয়ে অবস্থানরত দলটির কর্মী সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।আগামী ৮ই ফেব্রুয়রি খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে হঠাৎ রাজনীতির মাঠ গরম হয়ে উঠেছে।
নিরাপত্তায় বিজিবিও নামানো হলো
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা দুর্নীতির মামলার রায়কে সামনে রেখে পুলিশ, র‌্যাবের পাশাপাশ এবার নিরাপত্তায় নামানো হলো আধাসামরিক বাহিনী বিজিবিকে।দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রশাসনের অনুরোধে বাহিনীটিকে মোতায়েন করা হয়েছে। মূলত সহিংসতাপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত জেলাগুলোতেই প্রাথমিক পর্যায়ে এই বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। রাজধানীসহ অন্যান্য এলাকায় পরিস্থিতি অনুযায়ী ববস্থা নেয়ার কথাও জানানো হয়েছে। এরই মধ্যে রাজধানীতে নিরাপত্তায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। রাজধানীর প্রতিটি প্রবেশপথে চৌকি বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি করা হচ্ছে।সোমবার রাত থেকেই বিশেষ টহলে নেমেছে র‌্যাবও। তারাও নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তল্লাশি চৌকির পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি।পুরান ঢাকার বকশিবাজারে বিশেষ জজ আদালতের এলাকায় বিভিন্ন অংশে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছে র‌্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশ।রায়ের দিন রাজধানীতে কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ বা জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পুলিশ সদরদপ্তর থেকে পাঠানো নির্দেশনাতেও একই কথা বলা হয়েছে। বিএনপির নেতাদের ওপর চলছে নজরদারি।
নির্বাচন হতে হবে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে দাবী বিএনপির
আগামী জাতীয় নির্বাচন হতে হবে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে বলে দাবী করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। শনিবার রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। খালেদা জিয়া বলেন, জনগণ পরিবর্তন চায়। সেই পরিবর্তন অন্য কোনোভাবে নয়, পরিবর্তন আসতে হবে ভোটের মাধ্যমে। তারা (সরকার) বিএনপিকে মাইনাস করে নির্বাচন করতে চায়। এসব করে তারা কীভাবে এককভাবে নির্বাচন করবে তার ষড়যন্ত্র করছে। আগামী নির্বাচনে ইভিএম মেশিনে ভোটগ্রহণ করা যাবে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, ইভিএন-টিবিএম চলবে না। সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়ে খালেদা বলেন, সেনাবাহিনীকে মাঠে রাখতে হবে, সেনা মোতায়েন করতে হবে- যাতে জনগণ নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারে, ভোট দিতে পারে। হোটেল লা মেরিডিয়ানে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সভার উদ্বোধনে খালেদা জিয়া গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দেওয়ার ইংগিত দিয়ে নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ হবে আমাদের শান্তিপূর্ণ, নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক। সেই শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি যে হবে, সেই কর্মসূচিতে আমি জনগনকেও আহবান করব।
দিনাজপুরে জাতীয় পার্টির নির্বাচনী প্রচার
আওয়ামী লীগ-বিএনপি জোট সরকার ১৪ বছর দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ হয়েছে। তাই আগামী নির্বাচনে প্রার্থী যেই হোক ভোট দিন লাঙ্গলে। শনিবার দুপুরে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা সদরের মুক্তিযোদ্ধা স্মরণীতে এক পথসভায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পুলিশের চাকুরী নিতে ১৬ লক্ষ, পিয়নের চাকুরী নিতে ১০ লক্ষ আর মাষ্টারী চাকুরী নিতে ২৫ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হচ্ছে। বিএনপি-জামায়াত জোট ও আওয়ামী লীগ ১৪ বছর সরকার দেশ পরিচালনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। তাই আগামী নির্বাচনে প্রার্থী যেই হোক লাঙ্গলে ভোট দিয়ে জনগনের ভাগ্য উন্নয়ন নিশ্চিত করুন। তাঁর ৯ বছরের শাসনামলকে সফল ও গ্রহণযোগ্য উল্লেখ করে সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা সহায়ক সরকার বলে কিছু নেই। উপজেলা সভাপতি হাসান মোঃ নিজামুদ্দৌলা মতির সভাপতিত্বে পথ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাপার মহাসচিব এ.বি.এম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মোঃ মশিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা জাপার সাধারন সম্পাদক আহম্মেদ শফি রুবেল, উপজেলা সাধারন সম্পাদক মোঃ শাহিনুর ইসলাম, পৌর শাখার আহ্বায়ক মোঃ মোশাররফ হোসেন ও জাতীয় যুব সংহতি নেতা মাহাবুব হোসেন, জাতীয় ছাত্র সমাজ নেতা নেহাল হোসেন লায়ন। সভা পরিচালনা করেন নাজমুল ইসলাম মিলন।
সিলেট থেকে এরশাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু
সিলেট থেকে নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করেছেন জাতীয়পার্টির চেয়ারম্যান আলহাজ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। বৃহস্পতিবার বেলা দুইটায় হযরত শাহজালাল রহমতুল্লাহি আলাইহির মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে তিনি এ প্রচারণা শুরু করলেন। এ সময় এরশাদ বলেছেন, বর্তমান সংবিধান মেনেই তিনি নির্বাচনে নেমেছেন। তত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি তিনি আর চান না। জাতীয়পার্টি আসন্ন নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে নামবে মন্তব্য করে এরশাদ জানান- তার দলের নেতাকর্মীরাও নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। আগামী ৮ই ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ মামলার বিচারের রায় সবাইকে মেনে নিয়ে শান্ত থাকার আহবান জানান এরশাদ।
রাষ্ট্রপতি পদে ফের আবদুল হামিদকে মনোনয়ন
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকেই ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য দলের প্রার্থী মনোনীত করেছে। প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন গণভবনে বুধবার রাতে আওয়ামী লীগ সংসদীয় বোর্ডের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, সভায় সর্বসম্মতভাবে মো. আবদুল হামিদকেই আগামী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী, ৮ বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের নাম প্রস্তাব করলে দলের সিনিয়র সদস্য তোফায়েল আহমেদ তা সমর্থন করেন। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এ বিষয়ে সকলে একমত হন। গত ২৫ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন (ইসি) ১৮ ফেব্রুয়ারি ২১তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণের দিন ধার্য করে তফসিল ঘোষণা করে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগ্রহী প্রার্থীরা ৫ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। ৭ ফেব্রুয়ারি যাচাই বাছাইয়ের পর ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নূরুল হুদা বলেন, সম্প্রতি দুজন সংসদ সদস্য মারা যাওয়ায় ৩৫০ আসনের সংসদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা হচ্ছে ৩৪৮ জন। বিদ্যমান সদস্য সংখ্যা দিয়েই জাতীয় সংসদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে পারবে। নূরুল হুদা বলেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতির মেয়াদ আগামী ২৩ এপ্রিল শেষ হবে। সংবিধান অনুযায়ী ২৪ জানুয়ারি থেকে ৩০ দিনের মধ্যে অবশ্যই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ এই পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে।
পুলিশের ওপর হামলা বিএনপি করেনি: ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, হাইকোর্টের সামনে গতকাল মঙ্গলবার বিকালে পুলিশের ওপর যারা হামলা করেছেন তাদেরকে আমরা চিনতে পারছি না। অনুপ্রবেশকারীরা এ হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। আজ বুধবার সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ বিপুলসংখ্যক বিএনপি নেতাকর্মীকে গ্রেফতার, পুলিশি হয়রানির প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ফখরুল বলেন, হাইকোর্টের সামনে যে হামলা হয়েছে, আমরা নিজেরাই তাদের এক্সাক্টলি চিনতে পারছি না। সত্যিকার অর্থে আমরা আশঙ্কা করছি, অনুপ্রবেশকারীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে আমাদের বিশ্বাস। তিনি অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে তল্লাশির নাম করে দলের শত শত নেতাকর্মীর বাসায় ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়েছে পুলিশ। এর মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সহসাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে তুলে নিয়ে গেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তিনি বলেন, গতরাত প্রায় পৌনে ১০টার দিকে গুলশান ১-এর পুলিশ প্লাজার সামনে থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে। পরে রাত ১২টায় তাকে গ্রেফতারের কথা স্বীকার করে পুলিশ। বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে রাত প্রায় ১২টার দিকে তার শান্তিনগরের বাসভবন থেকে গোয়েন্দা পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। এখন পর্যন্ত পুলিশ তার অবস্থান নিশ্চিত করেনি বলে জানান মির্জা ফখরুল। বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকারের বাড়িতে হানা দিয়ে তাকে খোঁজাখুঁজি করে পুলিশ। এ ছাড়া দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল মান্নানের ধানমণ্ডির বাড়ি, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর শান্তিনগরের বাড়ি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেলের বাসা, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবুর বাসা, মহানগর উত্তর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসানের পল্লবীর বাসা, আইনজীবী রফিক সিকদারের বাসা, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেরা আলাউদ্দিনের শান্তিনগরের বাসা, যুবদল নেতা কাজী আজিজুল হাকিম আরজুর বাসাসহ শত শত বিএনপি নেতাকর্মীর বাসায় পুলিশ তল্লাশির নামে ব্যাপক তাণ্ডব চালায় বলে উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রমনা হোটেল থেকে বিএনপির সহ-গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকনকে গ্রেফতার কেরেছ পুলিশ। মঙ্গলবার যুবদলের সাবেক সহপ্রচার সম্পাদক গাজী হাবিব হাসান রিন্টুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মির্জা ফখরুল বলেন, মঙ্গলবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মিথ্যা মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে গেলে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় ৭০ নেতা গ্রেফতার হন। তাদের মধ্যে দক্ষিণখান থানার বিএনপি নেতা এম মিন্নত আলী, হারুন অর রশীদ, মো. হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া, উত্তরখান থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. আনোয়ার হোসেন, পল্লবী থানা বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান, তুরাগ থানা বিএনপি নেতা বুলু, খোকন সরকার, কবির, রামপুরা থানা বিএনপি নেতা ডল, কামরাঙ্গীরচর থানা বিএনপি নেতা বাবুল, মানিক, নিউমার্কেট থানা বিএনপি নেতা মতিউর রহমান, চকবাজার থানা বিএনপি নেতা আলামীন, শ্যামপুর থানা বিএনপি নেতা জামান আহমেদ পিন্টু, পল্টন থানা বিএনপি নেতা ইসমাইল হোসেন তালুকদার, মহানগর উত্তর মহিলা দলের সভাপতি পেয়ারা মোস্তফা, আরজু, ঢাকা মহানগর শ্রমিক দল নেতা জিল্লুর রহমান, আলম, জসিম ও আলম দেওয়ান উল্লেখযোগ্য।

রাজনীতি পাতার আরো খবর