নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের রূপরেখা দেবে বিএনপি
নির্বাচনকালীন একটি নিরপেক্ষ সরকার না হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার জানেন যে; নির্বাচন যদি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে হয়, সুষ্ঠু অবাধ হয়, সব মানুষ যদি ভোট দিতে পারে তা হলে আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হবে। তারা কখনও ক্ষমতায় আসতে পারবে না। শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের চিকিৎসক সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিযেশন অব বাংলাদেশ-ড্যাবের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা দেব। আমরা মনে করি যে, প্রত্যেকটি বিষয়ের একটি সময় আছে। সেই সঠিক সময়েই অর্থাৎ যথাসময়ে অবশ্যই নির্বাচকালীন সহায়ক সরকারের রূপরেখা জাতির কাছে তুলে ধরা হবে। বিএনপির সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ এ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। ফখরুল বলেন, আমরা বারবার বলেছি- নির্বাচনকালীন একটি নিরপেক্ষ সরকার চাই। আমরা আওয়ামী লীগের সরকার চাই না, শেখ হাসিনার সরকার চাই না। আমাদের দীর্ঘ পথের অভিজ্ঞতা- তাদের অধীনে কোনোদিন নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারে না। কারণ সব কিছুই গায়ের জোরে নিয়ে যেতে চান তারা। অনুষ্ঠানে ড্যাবের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. সিরাজউদ্দিন আহমদ, আতাউর রহমান ঢালী, অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম, ডা. মোফাখখারুল ইসলাম. ডা. আহমেদ মঞ্জুরুল, ডা. মিজানুর রহমান মিয়া. ডা. সামিউল হাসান, ডা. মো. সাইফুল ইসলাম. ডা. গাজী শাহিনুর ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এটি নির্বাচন কমিশনের চরম ব্যর্থতা বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলগীর
হার নিশ্চিত জেনে সুযোগ নিয়েছে সরকার। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে উপনির্বাচনের তফসিলের কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, এটি নির্বাচন কমিশনের চরম ব্যর্থতা। সরকার হেরে যাওয়ার ভয়ে এ সুযোগ নিয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল। আজ বুধবার সকালে এ উপনির্বাচনের তফসিলের কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। ডিএনসিসির সম্প্রসারিত অংশের কাউন্সিলর নির্বাচনের সার্কুলারের কার্যক্রমও স্থগিত করা হয়। পৃথক দুটি রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। উপনির্বাচন স্থগিত সম্পর্কে হাইকোর্টের নির্দেশের বিষয়ে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল প্রথম আলোকে বলেন, এটা নির্বাচন কমিশনের চরম ব্যর্থতা। কারণ, তারা সীমানা নির্ধারণ না করেই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। এটা আইন অনুযায়ী হয় না। মির্জা ফখরুল আরও বলেন, সরকার যেহেতু নির্বাচনের ফলাফল আগেই জানত, অর্থাৎ তারা হেরে যাবে, তাই তারা সুযোগ নিয়েছে বলে আমরা মনে করি। ৯ জানুয়ারি মেয়র পদে উপনির্বাচনের জন্য ঘোষিত তফসিল ও ১৮টি সম্প্রসারিত অংশে কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর নির্বাচনে সার্কুলার কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, এ মর্মে রুল চেয়েছেন হাইকোর্ট। গত ৩০ নভেম্বর মেয়র আনিসুল হকের আকস্মিক মৃত্যুর পর ডিএনসিসির মেয়র পদে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ডিএনসিসির মেয়র পদসহ ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে নতুন যুক্ত হওয়া ১৮টি করে ৩৬টি সাধারণ ওয়ার্ড এবং ৬টি করে ১২টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডেরও ভোট হওয়ার কথা ছিল। ৯ জানুয়ারি তফসিল ঘোষণার এক সপ্তাহের ব্যবধানে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গতকাল পৃথক রিট হয়। একটি রিটের আবেদনকারী ভাটারা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আতাউর রহমান। অপর রিট আবেদনকারী হলেন বেরাইদ ইউপির চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম।
ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হলে বিএনপির প্রার্থী জয়লাভ করবে রুহুল কবির রিজভী
আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হলে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আওয়ালই জয়লাভ করবে বলে জানিয়েছেন দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে তিনি এ কথা বলেন। এছাড়াও নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন তিনি। রিজভী বলেন, 'আমি বিএনপির পক্ষ থেকে সিইসিসহ নির্বাচন কমিশনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সুষ্ঠু অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে দ্রুত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির উদ্যোগ নিন।' ধানের শীষের প্রার্থী ও সমর্থকেরা যাতে নির্ভয়ে নির্বাচনী কর্মকাণ্ড করতে পারে সে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানান রিজভী।
স্থানীয় নির্বাচন আর জাতীয় নির্বাচনকে এক করে দেখা যাবে না : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তার দল মনে করছে জাতীয় নির্বাচন হচ্ছে ‘চেঞ্জ দা গভর্নমেন্ট’ আর স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে নির্বাচন সম্পর্কে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের মনোভাব বুঝা যায়। তাই স্থানীয় নির্বাচন আর জাতীয় নির্বাচনকে এক করে দেখা যাবে না। তবে স্থানীয় নির্বাচনকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অভিহিত করে ফখরুল বলেন, এ নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে আবার প্রমাণিত হবে এ সরকার সত্যিকার অর্থে কী করতে যাচ্ছে ? অতীতের নির্বাচনগুলোর মতো তারা আচরণ করবে কিনা। নির্বাচন কমিশন কতটুকু নিরপেক্ষতার সঙ্গে অবাধ নির্বাচন পরিচালনা করতে পারবে কিনা তা নির্বাচনের জন্য একটা লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে পারবে কিনা যদি ইতিমধ্যে আমাদের যথেষ্ট অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে এবং সব ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। আমাদের দলের চেয়ারপারসন থেকে শুরু করে সিনিয়র লিডারসহ সারাদেশের অনেকের মিথ্যা মামলার মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তারপরেও আমরা গণতান্ত্রিক লেবেলগুলো আছে এর প্রত্যেকটিকে আমরা অংশ গ্রহণ করতে চাই। বিবিসি বাংলার সাথে এক সাক্ষাতকারে ফখরুল আরো বলেন, বিএনপির স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন উপ-নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে তাবিথ আউয়ালকেই বেছে নিয়েছেন। সকল প্রার্থীর চেয়ে তাকেই যোগ্য মনে করছে বিএনপি। অন্যান্য প্রার্থীরাও তার পক্ষে কাজ করার কথা বলেছে। সোমবার রাতে ঢাকায় দলটির চেয়ারপারসন কার্যালয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাতকার শেষে বিএনপির পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠকে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের পাঁচজন নেতা এর আগের দিন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। এদের মধ্যে তাবিথ আউয়াল গত সিটি নির্বাচনে প্রয়াত আনিসুল হকের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। তবে ভোটের দিন তিনি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। কী বিবেচনায় তাবিথ আউয়ালকে বেছে নেয়া হলো দলের পক্ষ থেকে ? এ প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গতবার আমাদের দলের সমর্থনে তাবিথ আউয়াল নির্বাচন করেছিলেন। তাকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেয়ার পরেও সে প্রায় ৩ লাখ থেকে সাড়ে ৩ লাখ ভোট পেয়েছিল। তাবিথ আউয়াল শিক্ষিত ছেলে এবং গত নির্বাচনে তার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা হয়েছিল। তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে আমরা মনে করি তাবিথ আউয়াল বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে ভালো প্রার্থী হবে। অন্যান্য যারা ছিলেন তারাও যোগ্য ছিলেন, কিন্তু অন্যান্যের তুলনায় তাকে বেশি যোগ্য মনে করেছি। স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পরে বিষয়টি চূড়ান্ত হলো, মূল বিষয়ে কী সামনে রেখে আপনারা এ সিদ্ধান্তে পৌঁছলেন ? জবাবে ফখরুল ইসলাম বলেন, যারা প্রার্থীর জন্য ফরম নিয়েছে তাদের আমরা ইন্টারভিউ নিয়েছি এবং সকলের কাছ থেকে আমরা জানতে চেয়েছি, তারা মেয়র পদের জন্য নিজের যোগ্যতা কিভাবে মনে করে ? মেয়র নির্বাচিত হলে তারা কী কী কাজ করবে ? সবার মতামতের ভিত্তির ওপরে আমাদের বোর্ডের সর্বসম্মতিক্রমে তাবিথ আউয়ালকে মনোনিত করা হয়েছে।
অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরীক্ষায়(ইসি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রিজভী
উত্তর সিটির উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি বিএনপির। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জনগণ যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, সেজন্য সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহল কবির রিজভী। সোমবার বেলা ১২টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। একই সঙ্গে এই উপ-নির্বাচন আদৌ হবে কিনা তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন বিএনপির এই নেতা। রুহল কবির রিজভী অভিযোগ করে বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরীক্ষায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) পাস করতে পারেনি। বর্তমান নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত যেসব স্থানীয় সরকার নির্বাচন করেছে, তাতে তারা ক্ষমতাসীনদের আঙ্গাবাহী ভূমিকা পালন করেছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী কে হবেন তা জানা যাবে আগামীকাল
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী কে হবেন তা জানা যাবে আগামীকাল সোমবার। রবিবার মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে বিএনপি। বেলা ১১টার দিকে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন ফরম বিক্রির পর এ তথ্য জানান। জোটগতভাবে প্রার্থী ঘোষণার কথা জানতে চাইলে রিজভী জানান, আলোচনা চলছে। উত্তর সিটিতে কাউন্সিলর পদে দলীয় প্রার্থী দেবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, এলাকায় স্থানীয়ভাবে যারা রাজনীতি করেন জনপ্রিয়তা অনুযায়ী তাঁরা নির্বাচন করবেন। ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সহ প্রকাশনা সম্পাদক শাকিল ওয়াহেদ রিজভীর কাছ থেকে মনোনয়ন ফরম নেন। পরে শাকিল বিশ্বমানের সিটির মতো করে ঢাকা মহানগর উত্তরকে গড়ে তোলার প্রত্যয় জানান। সাড়ে ১২টার দিকে সাবেক সংসদ সদস্য মেজর অব আখতারুজ্জামান মনোনয়ন নেন। মেয়র নির্বাচিত হলে ঢাকা সিটির জন্য তার সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করার প্রত্যয় জানান তিনি। বেলা পৌনে একটার দিকে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুমের পক্ষে মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বজলুল বাশিত মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। আব্দুল কাইয়ুম মামলার জন্য বিদেশে অবস্থান করছেন। মনোনয়ন সংগ্রহের পর বজলুল বাশিত বলেন, কাইয়ুম বলেছেন তাকে যদি দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয় তিনি দলের হয়ে কাজ করবেন। এরপর দলের সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নেবেন।
আজ শনিবার নির্বাচনের জন্য বিএনপির দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে উপনির্বাচন হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি। আজ শনিবার এ নির্বাচনের জন্য বিএনপির দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, সৎ ও নিষ্ঠাবান এবং নতুন প্রজন্মের চাহিদা বিবেচনা করা হবে। গত বছরের নির্বাচনে যিনি ছিলেন, এবারও প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তিনি অগ্রাধিকার পেতে যাচ্ছেন। সেটা কতটুকু ঠিক ? জবাবে আমির খসরু বলেন, ওটা নির্বাহী কমিটির মাধ্যমে বাছাই হবে। যিনি গতবার করেছেন, তিনি দুই ঘন্টার মধ্যে ৩ লক্ষ ৬০ হাজার ভোট পেয়েছেন এবং ব্যবধানও সেরকম ছিল না। সেদিক থেকে কোনো সমস্যা নেই। তাছাড়া বিএনপি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল। সবকিছু মিলিয়ে বিএনপি প্রার্থীর জয়ী হওয়া উচিত। বিএনপির জোটের একটি শরীক দল জামায়াত এর মধ্যে প্রার্থী ঘোষণা করেছেন। আপনারা এর মধ্যে আজকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন। তাহলে এ নির্বাচনটি দলগতভাবে প্রার্থী হবে নাকি যোগ্যতাভাবে দেয়ার সম্ভাবনা আছে ? জবাবে আমির খসরু বলেন, সেটা তো সিদ্ধান্ত হয়নি। সেটা আজ হয়তো স্ট্যান্ডিং কমিটির আলোচনা হতে পারে। যদি আপনারা সিদ্ধান্ত নেন দলবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। তখন কোন একজন প্রার্থীকে ছাড় দিতে হবে ? জবাবে আমির খসরু বলেন, সেটা জোটগত সিদ্ধান্ত নিলে, জোটগত হবে। জামায়াত ইসলামের হলে জোটগত হবে কিনা দলীয়গত হবে সেই ধরণের সিদ্ধান্ত আমার জানা নেই। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নভাবে মেয়র নির্বাচন হয়েছে, এগুলো মোটামুটি দলগতভাবে হয়েছে। ঢাকার নির্বাচনটা এখন পর্যন্ত দলগতভাবে হচ্ছে। পরবর্তীতে যদি পরিবর্তন হয় তখন সেটা আমরা দেখব। ঢাকার উত্তরের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের ভিন্ন পরিকল্পনা ছিল। সেখানে বিএনপির প্রার্থীর ভিন্ন কোন পদক্ষেপ নেয়ার পরিকল্পনা কি আছে নাকি প্রয়াত মেয়রের কর্মকান্ডগুলো আপনারা অব্যাহত রাখবেন? জবাবে আমির খসরু বলেন, না। ডেভলপমেন্টে অবশ্যই জনগণের একটা চাহিদা আছে। ডেভলপমেন্টের সাথে সাথে রাজনৈতিক ব্যাপারগুলো আজকের মানুষদের বিভিন্নভাবে পীড়া দিচ্ছে। একবছর পরে জাতীয় নির্বাচনে দেশবাসি আশা করছে, সরকারের পরিবর্তন হবে। এটা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সুতরাং সবকিছু মিলিয়ে বুঝা যায়, সেটাও বিবেচনায় আনবে। উন্নয়ন ও মানুষের রাজনৈতিক অধিকারগুলোও মাথায় থাকবে।
বেগম জিয়ার জয় নিশ্চিত জেনে তার বিরুদ্ধে সংসদে প্রধানমন্ত্রী মিথ্যাচার করছেন- মির্জা ফখরুল
আগামী নির্বাচনে বেগম জিয়ার জয় নিশ্চিত জেনে তার বিরুদ্ধে সংসদে প্রধানমন্ত্রী মিথ্যাচার করছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, বেগম জিয়াকে নিয়ে সংসদে যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে তাতে রাজনৈতিক দূরত্ব আরও বাড়বে। এ সময় তিনি বলেন, 'বিএনপির একটা জোয়ার বইছে তখন আওয়ামী লীগ বেগম জিয়ার নামে ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে।' ফখরুল বলেন, 'খালেদা ভীতির কারণে সরকার দলীয়দের মাথায় গোলযোগ সৃষ্টি হয়েছে। মিথ্যাচার বন্ধ করেন। জাতিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টাও বন্ধ করেন। জাতি বিভ্রান্ত হবে না।' ভিভ্রান্তি ছড়ানো বিষয়টাকে রাষ্ট্রদোহীতাও বলেও অভিযোগ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
জীবনের শেষ নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখে যেতে চাই-এইচ এম এরশাদ।
এরশাদের শেষ ইচ্ছা! জীবনের শেষ নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখে যেতে চাই। ক্ষমতায় না গিয়ে মরতে চাই না। কথাগুলো বলেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ। মঙ্গলবার কাকরাইলে জাতীয় পার্টির যৌথসভায় এ মন্তব্য করেন তিনি। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় সমাবেশ করতে চায় জাতীয় পার্টি। আর সেই সমাবেশ সফল করতে যৌথসভার আয়োজন করে জাপা। এ সময় তিনি বলেন, 'আমার জীবনের শেষ নির্বাচন জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখে যেতে চাই। এর আগে মরতে চাই না।’ আগামীতে দেশের অবস্থা অস্থিতিশীল হওয়ার আশঙ্কা করে তিনি জানান দেশের পরিস্থিতি যাই হোক। নিজেরা শক্তিশালী হলে ভয়ের কিছু নেই। দেশের প্রধান দুই দলের কারো কাছেই দেশ নিরাপদ না উল্লেখ করে জাপার চেয়ারম্যান বলেন, 'আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পাঁচ লাখ লোক জোগাড় করে আনতে পারলে জাতীয় পার্টির ক্ষমতায় যাওয়া নিশ্চিত।'

রাজনীতি পাতার আরো খবর