মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কর্মী সমাবেশস্থলে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন
মির্জা ফখরুলের কর্মসূচিতে ১৪৪ ধারা জারি। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া, ভলারহাট, ঢোলরহাট, রাজাগাঁও, রামনাথে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কর্মী সমাবেশস্থলে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। এসব জায়গায় আওয়ামী লীগ পাল্টা কর্মসূচি ডাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। শনিবার সকাল মির্জা ফখরুলের ঠাকুরগাঁও যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, স্থানীয় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করায় তিনি আর যাননি। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সদর থানার ১, ২, ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি মহাসচিবের গণসংযোগ কর্মসূচি ছিল। কিন্তু, ওখানে সকাল থেকে স্থানীয় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। এজন্য তিনি নিজ এলাকায় যেতে পারছেন না।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের প্রার্থী তালিকায় ১০০ নতুন মুখ খুঁজছেন চেয়ারপারসন
আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের প্রার্থী তালিকায় ১০০ নতুন মুখ খুঁজছেন চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এ প্রার্থী তালিকায় প্রবীণ ও নবীন রাজনীতিবিদদের সমন্বয় ঘটাতে চান তিনি। প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের দুটি অভিজ্ঞ ও শতভাগ পেশাদারি সংস্থার মাধ্যমে এই তালিকাটি তৈরি করাচ্ছে বিএনপি। এতদিন অনেক কিছু শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত উল্টে যাচ্ছে বিএনপির নির্বাচনী গণিতের পাতা। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, আগামী নির্বাচনের এই প্রার্থী তালিকায় বিগত ২০০১ এবং ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে দলীয় টিকিটে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্য থেকেই বেশিরভাগ প্রার্থী বাছাই করা হচ্ছে। এর মাঝে সাবেক ছাত্রদল নেতা ও ব্যবসায়ীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সর্বমোট ৩০০ প্রার্থীর মধ্য থেকে জোটের শরিকদের মধ্যে বণ্টন প্রক্রিয়াসহ বিভিন্ন কারণে প্রায় শতাধিক প্রার্থী পরিবর্তন হতে চলেছে। এক্ষেত্রে নতুন মুখের প্রার্থী খুঁজছে দলটি। দলের চেয়ারপারসন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশি ও বিদেশি দুটি পেশাদারি সংস্থা কাজ করছে। এবারের প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সংস্কারপন্থি, মূলধারা, বয়োজ্যেষ্ঠতা, জামায়াতসহ শরিক দল, বিগত নির্বাচনে পুরনো প্রার্থীসহ ভোটের সংখ্যা ও ভোটের পার্থক্য এ বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়েই চূড়ান্ত করা হচ্ছে প্রার্থী তালিকা। জানা গেছে, যারা ইতিমধ্যে মারা গেছেন কিংবা এতটাই বয়োজ্যেষ্ঠ হয়ে পড়েছেন যে- শারীরিকভাবে একেবারে অক্ষম, তারা সবাই এবারের প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছেন। এ ছাড়াও যারা এর মধ্যে দল ছেড়ে চলে গেছেন কিংবা দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তারাও এবারের তালিকা থেকে বাদ পড়তে যাচ্ছেন। তবে মৃত কিংবা বয়োজ্যেষ্ঠ অক্ষম নেতাদের এলাকায় তাদের স্থলে তাদের যোগ্য কোনো উত্তরাধিকারী কিংবা সংশ্লিষ্ট এলাকার যোগ্য ও সামর্থ্যবান নেতাদের মধ্য থেকেও মনোনয়ন দেওয়ার কথা চিন্তা করা হচ্ছে। এদিকে সংশ্লিষ্ট অপর একটি সূত্রে জানা গেছে, আগামী নির্বাচনে ২০-দলীয় জোটের শরিক দলের আসন চাহিদা মাথায় রেখেই চলছে এই প্রার্থিতা বাছাইয়ের কাজ। জাতীয় সংসদে বিগত দিনে প্রতিনিধিত্ব করেছে- এমন শরিক দলগুলো ছাড়াও নতুন আরও বেশ কয়েকটি দলের শীর্ষ কয়েকজন নেতাকেও এবার মনোনয়ন দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে বিএনপি। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রধান শরিক দল জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে এখন দুভাবে চিন্তা করছে বিএনপি। এক. জামায়াতের নিবন্ধন যদি ঠিক থাকে- আর তারা তাদের দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে যেতে সক্ষম হয়, তবে সেক্ষেত্রে বিএনপি সর্বোচ্চ ৩০টি আসনে ছাড় দেওয়ার কথা ভাবছে। আর যদি নিবন্ধন এবং দলীয় প্রতীক দুটোই হারায়- তবে সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১৫টি আসনে ছাড় দিতে পারে বিএনপি। বিগত ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৪০টি আসনে জোটের মনোনয়ন পেয়েছিল জামায়াতে ইসলামী। কিন্তু এবার তার অর্ধেক আসন পেতে পারে দলটি। কারণ বিএনপি ধরেই নিয়েছে জামায়াত শেষ পর্যন্ত তাদের দলীয় নিবন্ধন ও দলীয় প্রতীক ফিরে পাচ্ছে না। আর যদি ফিরে পায় তবে সেটি হবে সরকারের বদান্যতা। আর তখন তাদের নিয়ে আলাদাভাবে হিসাব-নিকাশ করতে হবে বিএনপিকে। তবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবার বলেছেন অন্য কথা। তিনি পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন, জামায়াত জোটে ছিল, এখনো আছে এবং আশা করছি ভবিষ্যতেও থাকবে। আওয়ামী লীগের সঙ্গে গেলেই তারা ভালো, আর বিএনপির সঙ্গে থাকলে খারাপ- ক্ষমতাসীনদের এসব ভাঁওতাবাজি জনগণ ভালো করেই বুছে গেছে। স্বৈরাচারি এরশাদকে নিয়ে সরকার গঠন করলেও তাদের কোনো সমস্যা নেই। সমস্যা শুধু বিএনপির সঙ্গে আসলেই। বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বিএনপি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। নির্বাচনে জনগণের ভোটের মাধ্যমেই সরকার পরিবর্তনে আমরা বিশ্বাসী। আর প্রার্থী বাছাইয়ের বিষয়টিও নির্বাচনী প্রক্রিয়ারই একটি অংশ। বিএনপি যে কোনো সময়ে নির্বাচনের জন্যই প্রস্তুত। তবে সে নির্বাচন হতে হবে- নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু। অন্যথায়- এবার আর কোনো প্রহসনের নির্বাচন এদেশের জনগণ বরদাশত করবে না। সরকার যদি মনে করে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের মামলা-হামলা দিয়ে আর গুম, খুন করে ৫ জানুয়ারির মতো আরেকটা নির্বাচন করে আবারও ক্ষমতা ধরে রাখবে তাহলে সেটি হবে তাদের দুঃস্বপ্ন। এ বিষয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ বলেন, বিএনপির সব কার্যক্রমই এখন নির্বাচনমুখী। দল গোছানো থেকে শুরু করে সাংগঠনিক কার্যক্রম পর্যন্ত সব কিছুরই লক্ষ্য আগামী জাতীয় নির্বাচন।
বিএনপির স্টেশনে ভোটের ট্রেন থামবে না - ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি আগামী নির্বাচনে অংশ গ্রহণ না করলে বিরল প্রজাতির প্রাণীর মতো বিলুপ্ত হয়ে যাবে।তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে আসতেই হবে। আর নির্বাচনে অংশ না নিলে তাদের জন্য হবে দ্বিতীয় আত্মহত্যা। তাদের পরিণতি মুসলিম লীগের চেয়েও খারাপ হবে। তিনি আরো বলেন, সময় ও স্রোতের মত আগামী জাতীয় নির্বাচনও কারো জন্য অপেক্ষা করবে না। এই নির্বাচন মিস করলে বিএনপির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎও মিস হয়ে যাবে। ওবায়দুল কাদের শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্রের বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, একেএম এনামুল হক শামীম, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ। সংগঠনের প্রচার সম্পাদক আকতার হোসেনের পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির, ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কামাল চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আশরাফ তালুকদার ও উপ-দপ্তর সম্পাদক মিরাজ হোসেন। দেশে গণতন্ত্রের কোন সংকট নেই উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে গণতন্ত্র না থাকলে সংসদীয় গণতন্ত্রের বিশ্বের শীর্ষ দুটি প্রতিষ্ঠান ইন্টার পার্লামেন্টারী ইউনিয়ন (আইপিইউ) ও কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারী এসোসিয়েশন (সিপিএ) এর সম্মেলন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতো না। তিনি বলেন, বিশ্বের এ শীর্ষ সংস্থা দুটির সম্মেলনই শুধু এ দেশে অনুষ্ঠিত হয় নি, বর্তমান সংসদের দুজন সংসদ সদস্য তাঁদের সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন। সম্মেলনে যোগ দেওয়া প্রতিনিধিরা দেশের গণতন্ত্রের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, আইপিইউ ও সিপিএ’র সম্মেলন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে, দেশে গণতন্ত্রের কোন সংকট নেই। সেতুমন্ত্রী বলেন, পদ্মাসেতু জোড়া-তালী দিয়ে বানানো হয়েছে বলে উল্লেখ করে খালেদা জিয়া এ সেতুর ওপর দিয়ে যাতায়াত না করার কথা বলেছেন। কিন্তু এত বড় সেতু স্প্যানের সাথে স্প্যানের সংযোগ ছাড়া তো নির্মাণ করা সম্ভব নয়। তারপরও ফেরির মাধ্যমে তাকে পারাপারের ব্যবস্থা করা যাবে। তিনি বলেন, কিন্তু দেশের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিভাবে বলেন, সরকার যে সাবমেরিন দুটি কিনেছে সেগুলো উদ্ধোধনের পরপরই ডুবে গেছে। সাবমেরিন তো পানির নিচেই থাকে। তাহলে তিনি কিভাবে এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা বলেন, তা দেশের মানুষ জানতে চায়। এদিকে গণতন্ত্রের বিজয় দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে রাজধানীর বনানীর পূজা মাঠে অপর একটি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম রহমত উল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এডভোকেট সাহারা খাতুন, মোহাম্মদ ফারুক খান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ ও মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। জনসভা সফল করতে দুপুর থেকে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের অধীন বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড থেকে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বাধ্যযন্ত্র বাজিয়ে ও বিভিন্ন ফেস্টুন-ব্যানার নিয়ে জনসভায় যোগদান করে। জনসভায় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও আলাদা আলাদা ব্যানার নিয়ে জনসভায় যোগদান করেন। সভা শুরু হওয়ার আগেই জনসভা দু’টি বিশাল মহাসমাবেশের রূপ নেয়।
সভা-সমাবেশ করা রাজনৈতিক দলগুলোর গণতান্ত্রিক অধিকার - রুহুল কবির রিজভী
রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ কথা জানান। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সমাবেশের কর্মসূচি উপলক্ষে বিএনপি ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ২০১৫ সাল থেকে ৫ জানুয়ারিকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে দাবি করছে বিএনপি। এ উপলক্ষে শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করতে চাচ্ছে দলটি। রিজভী বলেন, সভা-সমাবেশ করা রাজনৈতিক দলগুলোর গণতান্ত্রিক অধিকার। আমি অবিলম্বে বিএনপি’র শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অনুমতি দেয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আবারও আহ্বান জানচ্ছি। পুলিশের পক্ষ থেকে সমাবেশের অনুমতির বিষয়ে কিছু জানানো হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, এখনও আমাদেরকে কিছু জানায়নি। অনুমতি না পেলে পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে যথাসময়ে অবহিত করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা ডা. সরফত আলী সপু, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আবদুস সালাম আজাদ, খায়রুল কবির খোকন, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, মুনির হোসেন ও তাইফুল ইসলাম টিপু প্রমুখ।
মিথ্যা মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকে কোনোভাবেই সাজা দেয়া যাবে না ব্যারিস্টারমওদুদ
মিথ্যা মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কোনোভাবেই সাজা দেয়া যাবে না। তিনি এ মামলায় বেকসুর খালাস পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। বুধবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে ৬ষ্ঠ দিনের মতো যুক্তি উপস্থাপন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। এদিন খালেদার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন তার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। মওদুদ বলেন, ‘মামলাটিতে যারা জালিয়াতি করে মিথ্যা সাক্ষী দিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধেই মামলা করা উচিত। আমরা এ সংক্রান্ত একটি আবেদন আদালতকে দেব। পুরো মামলাটি কাল্পনিক। ঘঁষা-মাজার উপর নির্ভর করে মামলাটি দাঁড় করানো হয়েছে। মামলার মূল নথি পাওয়া যায়নি। সেখানে তারা নতুন করে কাগজ তৈরি করেছেন। মামলাটি ভুয়া।’ এদিন বেলা ১১টা ৩৮ মিনিটে রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে উপস্থিত হন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এরপর বেলা ১১ টা ৪৩ মিনিটে তার আইনজীবী ৬ষ্ঠ দিনের মতো জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তার পক্ষে উপস্থাপন শুরু করেন। এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর পঞ্চম দিনের মতো খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন তার আইনজীবীরা। যুক্তি উপস্থাপন শেষ না হওয়ায় আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের জন্য ৩ ও ৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন। এদিন খালেদার পক্ষে খন্দকার মাহবুব হোসেন যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন। তার যুক্তি উপস্থাপন শেষে এ জে মোহাম্মদ আলী খালেদার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন। তবে তার যুক্তি উপস্থাপন শেষ না হওয়ায় পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের জন্য ৩ ও ৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন। অপরদিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার যুক্তি উপস্থাপনের জন্য একই দিন ধার্য করেন আদালত। গত ১৯ ডিসেম্বর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার যুক্তি উপস্থাপন শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষ ১৯ ডিসেম্বর তাদের যুক্তি উপস্থাপন শেষ করে খালেদার সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করেন। ২০ ডিসেম্বর খালেদার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন তার আইনজীবী আবদুর রেজ্জাক খান। এ দিন শেষ না হওয়ায় ২১ ডিসেম্বর পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের দিন ধার্য করেন আদালত। ২১ ডিসেম্বর খালেদার পক্ষে যুক্তি উপস্থান শেষ না হওয়ায় ২৬, ২৭ ও ২৮ ডিসেম্বর পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত। মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় একটি মামলা করে দুদক। ২০১০ সালের ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়। মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন- মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান। এছাড়া জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় আরও একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়। এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (পলাতক), হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর সাবেক নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।
খালেদা জিয়া ব্রিজের কিছু বোঝেন না, উনি যেটুকু বুঝেছেন সেটুকু বলেছেন-প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘খালেদা জিয়া ব্রিজের কিছু বোঝেন না, উনি যেটুকু বুঝেছেন সেটুকু বলেছেন। তাই তার এ বক্তব্যের ব্যাপারে আমার কিছু বলার নেই। বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে অনির্ধারিত আলোচনায় পদ্মা সেতু নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রিপরিষদের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মঙ্গলবার ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় খালেদা জিয়া নির্মাণাধীন পদ্মা সেতু প্রসঙ্গে বলেন, ‘জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানানো হচ্ছে। এই সেতুতে ঝুঁকি আছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শেখ হাসিনা। মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ছাড়াও বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊধ্র্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ছাত্রসমাবেশে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের দরজা বন্ধ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, মিলনায়তনের ভাড়ার টাকা পরিশোধ না করায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন কর্তৃপক্ষই দরজা বন্ধ রেখেছিল। পরে ওবায়দুল কাদেরের হস্তক্ষেপে দরজা খুলে দেয়া হয়। মন্ত্রিসভা সূত্র জানায়, বৈঠকে প্রসঙ্গটি উঠলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, তালা বন্ধের ঘটনাটি জানার পর আমি আমাদের দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে জানাই। এটা কেন হচ্ছে, এতে সরকারের সমালোচনা হবে। বিষয়টি তাকে দেখতে বলি। ওবায়দুল কাদের ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সভাপতির কাছে জানতে চান- কেন মিলনায়তনের দরজা বন্ধ রাখা হয়েছে? ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন কর্তৃপক্ষ ওবায়দুল কাদেরকে জানায়- ভাড়ার টাকা পরিশোধ করেনি বলে দরজা বন্ধ রাখা হয়েছে। ওবায়দুল কাদের তখন তাদের বলেছে ভাড়ার টাকা পরিশোধ হয়েছি কী হয়নি সেটা পরে দেখা যাবে, তাদের যেহেতু ভাড়া দেয়া হয়েছে তাড়াতাড়ি দরজা খুলে দিন। এটা নিয়ে সরকারের সমালোচনা হবে। এরপর দরজা খুলে দেয় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন,-বলেন প্রধানমন্ত্রী।
বিএনপি নেত্রী নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে এখন জনগণের সামনে প্রলাপ বকছেন সেতু মন্ত্রী
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শেখ হাসিনার অধীনে নয়, নির্বাচন কমিশনের অধীনে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বিএনপি নেত্রী নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে এখন জনগণের সামনে প্রলাপ বকছেন। বুধবার দুপুরে খাগড়াছড়িতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। এর আগে জেলার রামগড়ে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১ এর জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শনে যান ওবায়দুল কাদের। এসময় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই-কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি ভারতের অর্থায়নে নির্মাণ করা হবে। আর সেতুটি নির্মাণ করা হলে, চট্টগ্রামের সঙ্গে ভারতের দক্ষিণ ত্রিপুরার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ সম্ভব হবে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের। এছাড়া তিনি আরো বলেন, 'বিএনপি বার বার কেন জাতিকে ব্ল্যাক মেইল করছে!। তারা বলছে শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন হবে। শেখা হাসিনার অধীনে নির্বাচন হবে না। নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন হবে।' পদ্মা সেতু প্রসঙ্গে তিনি বলেন,'ইনশাল্লাহ পদ্মা সেতু যথা সময়ে শেষ হবে। আর পদ্মা সেতু হলে আমরা একটু খেয়াল করবো বিএনপি নেত্রী ও তার দলের লোকেরা উঠবেন কিনা।'
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি না পেলে নয়াপল্টনে সমাবেশের অনুমতি চেয়েছে বিএনপি
বুধবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ৫ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি না পেলে নয়াপল্টনে সমাবেশের অনুমতি চেয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। গতকাল বুধবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিকল্প হিসেবে নয়াপল্টনে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়ে পুলিশ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘যদি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া না হয়, তাহলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ৫ জানুয়ারি সমাবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য আমরা আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা ইতিমধ্যে সিটি করপোরেশন ও পুলিশকে চিঠিও দিয়েছি। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে ৫ জানুয়ারি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে বিএনপি। সরকারের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘৫ জানুয়ারি নিয়ে সরকারের একটা গভীর নীলনকশা ও তামাশা আছে। সেই তামাশার প্রতিফলন দেখতে পেলাম যে একটা অখ্যাত পার্টিকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, বিএনপির আবেদনকে পাশ কাটিয়ে অনেক আগেই অন্য দলকে অনুমিত দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ যে বক্তব্য দিচ্ছে, সেটি সরকারের হীন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ। এটি তাদের হিংসাপরায়ণ নীতির প্রতিফলন। বিএনপির বিভিন্ন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার, ছাত্রদল ও যুবদলের কর্মীদের হত্যার তীব্র নিন্দা জানান রিজভী। তিনি বিএনপির গ্রেপ্তার নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবি জানান। বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, কেন্দ্রীয় নেতা আজিজুল বারী হেলাল, দীপেন দেওয়ান প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
জনগণের সেবক হয়ে কাজ করাই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ জনগণের সেবক। জনগণের সেবক হয়ে কাজ করাই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কল্যাণ, ভবঘুরেদের পুনর্বাসনসহ দরিদ্র পিতা-মাতার ভরণ-পোষণেও তার সরকার যুগোপযোগী আইন করেছে। মঙ্গলবার জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে সমাজসেবা অধিদপ্তর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রসঙ্গত, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক ক্ষমতায়নে সমাজসেবা অধিদপ্তর সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ, সামাজিক সুরক্ষা ভাতা ও উপবৃত্তি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির আবাসন ও ভরণপোষণসহ শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন, শিশু সুরক্ষা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে ৫০টি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

রাজনীতি পাতার আরো খবর