মঙ্গলবার, নভেম্বর ২০, ২০১৮
ফের সংলাপ চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ঐক্যফ্রন্টের চিঠি
অনলাইন ডেস্ক: দ্বিতীয় দফা ছোট পরিসরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে চিঠি নিয়ে রওনা হয়েছেন এক্যফ্রন্টের দুই নেতা। আজ রোববার ধানমন্ডি ৩ নম্বরের আওয়ামী লীগ অফিসের উদ্দেশ্যে চিঠি নিয়ে রওনা দিয়েছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতা আ অ ম শফিক উল্লাহ এবং জগলুল হায়দার আফ্রিক। এরআগে শনিবার রাতে মতিঝিলে কামাল হোসেনের চেম্বারে ফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফখরুল বলেন, আমরা আশা করব ভবিষ্যতে সংলাপের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র পরিসরে আলোচনা হবে। আমরা মনে করি, বর্তমান রাজনৈতিক সংকট সমাধানের লক্ষ্যে এই বিষয়গুলো বিবেচনা করা হবে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাতে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত এই বৈঠকে হয়। শীর্ষ নিউজ
সংলাপের আড়ালে ভোট বানচালের চেষ্টা ঠেকাব: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: সংলাপের আড়ালে কেউ ভোট বানচালের চেষ্টা করলে তা ঠেকানোর ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে শনিবার সকালে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ কথা বলেন কাদের। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের নেতাদের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয় গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। সাড়ে তিন ঘণ্টার মতো বৈঠকের পর তাৎক্ষণিকভাবে ড. কামাল আলোচনা ভালো হয়েছে মন্তব্য করলেও পরে বেইলি রোডের বাসায় সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, বিশেষ কোনো সমাধান পাননি তারা। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলও সংলাপে সন্তুষ্ট না হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। পরদিন সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী বলেন, সংলাপের আশার ক্ষমতাসীনদের অনড় অবস্থানে ফিকে হতে শুরু করেছে। সংলাপের পরও বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার বন্ধ হয়নি দাবি করে এমন মনোভাব দেখালে আন্দোলন করে দাবি আদায়ের ‍হুমকি দেন তিনি। শনিবার বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সংলাপের আড়ালে কেউ ভোট বানচালের চেষ্টা করলে তা ঠেকানো হবে। এজন্য আওয়ামী লীগ প্রস্তুত আছে। এ সময় ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ড নিয়ে কথা বলেন কাদের। বলেন, আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জাতীয় চার নেতা ও সবশেষ একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালায় ষড়যন্ত্রকারীরা।ঢাকাটাইমস
যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপ পজেটিভ হয়েছে মনে করেন ওবায়দুল কাদের
অনলাইন ডেস্ক: ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপ পজেটিভ হয়েছে বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তাদের খুবই পজেটিভ বলে মনে হয়েছে। নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে তারা অত্যন্ত গঠনমূলক ও ইতিবাচক কথা বলেছেন। এতে আমরা মনে করছি তারা নির্বাচনে আসবেন। শুক্রবার রাতে সংলাপ শেষে প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন গণভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, কিছু কিছু বিষয়ে তারা দাবি হিসাবে এনেছেন, তাতো আমরা মেনে নিয়েছি। সব দাবিতো আর মানা যাবে না। এখনে সংবিধান সংশোধনের সঙ্গে কিছু দাবি জড়িত। তবে তাদের ধন্যবাদ দিতে হবে যে সংবিধানে সংশোধন কিংবা পরিবর্তন করতে হবে এমন কোনো মেজর দাবি তাঁরা করেননি। তাদের আলোচনা থেকে এই সুরই স্পষ্ট হয়েছে যে তাঁরা সরকার পরিবর্তন কিংবা নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে জোর কোন দাবি উত্থাপন করেনি। আমাদের কাছে মনে হয়েছে তারা হ্যাপি বলেন কাদের। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সংলাপ সৌহার্দ্যপূর্ণ, ঘটনমূলক ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সবার বক্তব্য শুনেছেন। এখানে উভয়পক্ষ মিউচুয়াল হলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একসুরে। তাদের একজন ছাড়া ২০জনই কথা বলেছেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী ছাড়া শুধু আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ ও মঈনুদ্দিন খান বক্তব্য দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের দেয়া দাবির অনেকগুলোই মেনে নিয়েছেন জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, যেমন নির্বাচনে সকলের জন্য সমান সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। তাঁরা বলেছেন সংসদ হয় ভেঙ্গে দিতে হবে নাহয় নিষ্ক্রিয় করতে হবে। আমাদের নেত্রী পরিষ্কারভাবে বলেছেন সংসদের শেষ সেশন হয়ে গেছে, তাই এটি নিষ্ক্রিয় হয়ে আছে। নির্বাচনের যখন শিডিউল ঘোষণা হবে আমাদের সবাইকে নির্বাচনী আচারণবিধি মেনে চলতে হবে। তাদের দ্বিতীয় দফা দাবি পুরোটাই মেনে নেয়া হয়েছে। এছাড়াও তৃতীয় দফা দাবির আংশিক মেনে নেয়া হয়েছে। তা হলো নির্বাচনে সকল প্রকার নিরপেক্ষতা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার অথবা বর্তমান সরকারের নির্বাচন বিষয়ে সম্পূর্ণ ক্ষমতা সীমিত করার বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। সীমিত অলরেডি হয়ে গেছে ওবায়দুল কাদের জানান, সংলাপে নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করার দাবি উত্থাপন করেছে যুক্তফ্রন্ট। এর উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,সেনাবাহিনী নিয়ে অনেক বির্তক হয়েছে। সেনাবাহিনীর ভূমিকার জন্য সারাবিশ্বে শান্তিরক্ষী বাহিনীতে যোগ দিয়ে প্রশংসিত হয়েছে। আমাদের দেশেও সংকটে দুর্যোগে তাদের অবদান অসামান্য। এই সেনাবাহিনীকে যত্রতত্র ব্যবহার না করাই ভালো। সেনাবাহিনী অবশ্যই নিয়োজিত হবে। তবে তা হলো তারা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে নিয়োজিত থাকবে। নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার সঠিক হবে না যুক্তফ্রন্টের এমন দাবির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে তা সংসদে পাশ হয়নি। এটা মন্ত্রীসভার সিদ্ধান্ত. মাহামান্য রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করেছেন। এখন নির্বাচন কমিশন এই সময়ের মধ্যে কতটা ইভিএম ব্যবহারে ভূমিকা রাখতে পারবে সেটা একবারে পরিষ্কার নয়, হয়তো সীমিত আকারে ব্যবহারের চিন্তাভাবনা নির্বাচন কমিশনের থাকতে পারে। তারপরও যুক্তফ্রন্ট নেতাদের বিশেষ অনুরোধে প্রধানমন্ত্রী এটা নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন। সেই জন্য আমরা এই নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার সঠিক হবে না বলে মনে করি।
শুক্রবার ১৫ সদস্যদের প্রতিনিধি নিয়ে গণভবনে যাচ্ছেন বি. চৌধুরী
অনলাইন ডেস্ক: আগামীকাল শুক্রবার সংলাপে যোগ দিতে ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল নিয়ে গণভবনে যাচ্ছেন বিকল্প ধারার সভাপতি ও যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান প্রফেসর এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিকল্প ধারার গগণমাধ্যম কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি জানান, আজ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কাছে প্রতিনিধি দলের তালিকা নিয়ে গেছেন বিকল্পধারার সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ওমর ফারুক। ইতোমধ্যে আগামীকালের সংলাপে নৈশভোজে খাবার মেনু দিয়েছেন বি চৌধুরী । ১. সাদা ভাত, ২. লাল আটার রুটি, ৩. ফুলকপি, সীম, আলু ভাজি, ৪. যে কোনো মাছের ঝোল, ৫. মসুর ডাল মেনুতে রেখেছেন।শীর্ষনিউজ
বিএনপি কর্মীদের স্লোগানে মুখর নাট্যমঞ্চ
অনলাইন ডেস্ক: দুর্নীতির দুটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের প্রতিবাদে ও তার মুক্তির দাবিতে ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপির গণঅনশন চলছে। রাজধানীর গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এই কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ১০টার দিকে অনশনে বসে বিএনপি নেতাকর্মীরা। অনশন চলবে বিকাল তিনটা পর্যন্ত। অনশনে অংশ নেয়া নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন ধরনের শ্লোগান দিয়ে নাট্যমঞ্চ এলাকা মুখর করে তোলেন। ‘বন্দি আছে আমার মা, ঘরে ফিরে যাবো না, ‘হামলা করে আন্দোলন- বন্ধ করা যাবে নাসহ বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন নেতাকর্মীরা। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীদের হাতে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ফেস্টুন ও তাদের মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগানযুক্ত প্ল্যাকার্ড দেখা গেছে। কর্মসূচিতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, জয়নুল আবদিন ফারুক, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত আছেন। এর আগে অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিতে সকাল ১০টার আগেই রাজধানী ও এর আশপাশের এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নাট্যমঞ্চে জড়ো হন দলটির নেতাকর্মীরা। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ কর্মসূচিতে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন। এরপর অন্য নেতারা বক্তব্য দিচ্ছেন। গত মঙ্গলবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ। আগের দিন সোমবার জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করেন পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের অস্থায়ী আদালতের বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান। চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায়ের দিন নয়াপল্টনে দলের কার্যালয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ দেশব্যাপী গণঅনশন করছে বিএনপি।ঢাকাটাইমস
সোমবার পর্যন্ত মুলতবি ঐক্যফ্রন্টের ১০ নেতার জামিন শুনানি
অনলাইন ডেস্ক: নাশকতা, চাঁদাবাজি ও মানহানির বিভিন্ন মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ১০ নেতাকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি সোমবার (২৯ অক্টোবর) পর্যন্ত মুলতবি করেছেন আপিল বিভাগ। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ অক্টোবর) আপিল বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বে ছয় বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এ সময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের পক্ষে ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন ও জয়নুল আবেদীন। আদালতে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এসব মামলায় হাইকোর্টের আদেশ পেয়েছি। আমরা এখন সিপি (লিভ টু আপিল) করবো। নট টু ‍ডে চাই। এর প্রেক্ষিতে আদালত শুনানি সোমবার পর্যন্ত মুলতবি করেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, বরকত উল্লাহ বুলু ও বিএনপি নেতা এ জেড এম জাহিদ হোসেনর বিরুদ্ধে করা নাশকতার বিভিন্ন মামলায় চলতি মাসে তাদের আগাম জামিন মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট। অন্যদিকে আশুলিয়ায় চাঁদাবাজির মামলায় ঐক্যফ্রন্টের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এবং মানহানির মামলায় ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে আগাম জামিন দেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের এ আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে।
সিলেটে ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ চলছে
অনলাইন ডেস্ক: সিলেটে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ শুরু হয়েছে। বক্তব্য রাখছেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। জোট গঠনের পর এটাই ঐক্যফ্রন্টের প্রথম সমাবেশ। এ সমাবেশকে ঘিরে সকল মহলের কৌতূহল। নানা বাধা সত্ত্বেও নেতাকর্মীরা মিছিল সহকারে সিলেটের রেজিস্ট্রি মাঠে উপস্থিত হয়েছেন। একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন দাবি নিয়ে বক্তব্য রাখবেন নেতারা। ইতিমধ্যে মঞ্চে এসে উপস্থিত হয়েছে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এদিকে ঐক্যফ্রন্টের শরীক দলের নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশে জমায়েত হচ্ছেন। দলীয় সমর্থকরা নানা শ্লোগান দিয়ে উপস্থিত হচ্ছেন রেজিস্ট্রি মাঠে। ক্রমেই বাড়ছে সমাবেশস্থলে উপস্থিতির সংখ্যা।
লেবারপার্টির অফিসে তল্লাশীর অভিযোগ
অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক লেবারপার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরানকে গ্রেফতারে তার কার্যালয়ে পুলিশ দুই দফা অভিযান চালিয়েছে বলে দাবি দলটির। মঙ্গলবার সকাল ও বিকালে পল্টন থানা পুলিশ দলটির নয়াপল্টন কার্যালয়ে এ অভিযান চালায়। এ বিষয়ে পল্টন থানার ডিউটি অফিসার এসআই সুলতানা বলেন, তার জানা মতে এমন কোনো অভিযান চালানো হয়নি। তবে দলটির চেয়ারম্যার বলেন, তাকে গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে পল্টন থানা পুলিশ মঙ্গলবার সকালে তার অফিসে অভিযান চালায়। অফিসের প্রতিটি কক্ষে তার খোঁজ করা হয়। সকালে না পেয়ে বিকালে আবারো তার অফিসে যায় পুলিশ। এ সময় তিনি অফিসে ছিলেন না। এদিকে লেবার পার্টির নাগরিক সমাবেশে পুলিশি হামলা ও কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তল্লাশীর প্রতিবাদে সমাবেশ করে দলটি। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের মোড়কে দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে। সরকার দেশের গণতন্ত্র ও বাক স্বাধীনতা লুপ্ত করে আওয়ামী জুলুমতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সভা সমাবেশ করা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং সাংবিধানিক অধিকার। কিন্ত লেবার পার্টির গণতন্ত্র ও ভোটারাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে নাগরিক সমাবেশে বাধা দিয়ে আবারো ফ্যাসিবাদি চরিত্রকে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরছে আওয়ামী লীগ। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক মাওলানা আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান মো. ফারুক রহমান, যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট আবদুর রাজ্জাক রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমাউন কবীর, অর্থসম্পাদক অ্যাডভোকেট আল আমিন, দফতর সম্পাদক আমানুল্লাহ মহব্বত প্রমুখ।শীর্ষনিউজ
বিএনপিকে প্রস্তুত হতে বললেন এমাজউদ্দীন
অনলাইন ডেস্ক: বর্তমান রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় বিএনপিকে নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস নিয়ে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ। ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, যা সত্য তার জন্য সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত হতে হবে। এটি এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপির সাবেক স্থায়ী কমিটির সদস্য মরহুম এম কে আনোয়ারের প্রথম স্মরণ সভায় তিনি একথা বলেন। ড. এমাজউদ্দীন বলেন, বর্তমান এই রাজনৈতিক সংকটের কারণ-গত ৮/৯ বছরের মধ্যে সরকারি চাকরিতে মেধার ভিত্তিতে কোনো নিয়োগ হয়নি। সরকার মেধাবী লোকদের নিয়োগের বাইরে রেখেছেন। আজকের এই সংকটের জন্য দায়ী আওয়ামী লীগ সরকার। তিনি বলেন, গত ৮/৯ বছরে প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন সেক্টরে মেধার ভিত্তিতে কোনো কর্মকর্তা নিয়োগ হয়নি। এর প্রমাণ পাবেন যদি আপনি যেকোনো বিভাগে তাকিয়ে দেখেন। কোনো বিভাগেই মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ পাননি কেও। তিনি বলেন, সরকার সব জায়গায় ষড়যন্ত্রের কথা বলেন। এমনকি জাতীয় ঐক্যকেও ষড়যন্ত্র বলা হচ্ছে। জাতীয় স্বার্থে জাতীয় ঐক্য, এটা ষড়যন্ত্র না। বরং রাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের দলীয় কাজে ব্যবহার করাটাই সরকারের ষড়যন্ত্র। তিনি আরও বলেন, সরকারের এই ষড়যন্ত্রকে মুছে ফেলার জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি ঐক্য দরকার। এখন জাতীয় পর্যায়ে যে ঐক্য সৃষ্টি হয়েছে এখানে আমার-আপনার অবদান কতটুকু তা ভাবতে হবে। কতটুকু অবদান রাখতে পেরেছি সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। এজন্য কারও সমালোচনা না করে আত্মসমালোচনা করা দরকার। একইসঙ্গে আমাদের ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় প্রস্তুত হওয়া দরকার। নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরামের উপদেষ্টা সাঈদ আহম্মদ আসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। শীর্ষনিউজ

রাজনীতি পাতার আরো খবর