এই শৃঙ্খলাবিধি সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদের সম্পূর্ণ পরিপন্থি :মওদুদ আহমদ
অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকুরির যে শৃঙ্খলাবিধি সরকার তৈরি করছে তা সম্পূর্ণ আত্মঘাতী, অর্থহীন এবং অসাংবিধানিক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বলেন, এটা মাজদার হোসেন মামলায় বিচার বিভাগকে পৃথকীকরণ করা নিয়ে সুপ্রিমকোর্টের যে নির্দেশ ছিল তার সম্পূর্ণ পরিপন্থি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাব হল রুমে এক আলোচনা সভায় সাবেক এই আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মহান বিজয় দিবস ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে অপরাজেয় বাংলাদেশ নামের একটি সংগঠন। মওদুদ আহমদ বলেন, এ শৃঙ্খলাবিধির মাধ্যমে নিম্ন আদালতের বিচারকগণ সম্পূর্ণভাবে সরকারের নিয়ন্ত্রণে চলে গেল। সুতরাং এখন আর বলা যাবে না যে বিচারবিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক একটি প্রতিষ্ঠান। এই শৃঙ্খলাবিধি সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। অর্থাৎ এই শৃঙ্খলাবিধি একটি অসাংবিধানিক বিধিমালা যোগ করেন তিনি। সাবেক এই আইনমন্ত্রী বলেন, এই শৃঙ্খলাবিধির মাধ্যমে প্রশাসন থেকে বিচার বিভাগকে পৃথকীকরণের মৃত্যু ঘটেছে। এ বিধি সংবিধান পরিপন্থী এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর একটি রাজনৈতিক আঘাত। তিনি বলেন, এই বিধিমালা আইনজীবী সম্প্রদায়সহ দেশের কোনো শ্রেণির মানুষের কাছে কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না। আশা করি, সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতিগণ এবং নিম্ন আদালতের বিচারকগণ এই শৃঙ্খলাবিধি প্রত্যাখান করবেন। এসময় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহা সম্পর্কে মওদুদ বলেন, বিচারপতি এস কে সিনহা আজকে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। কারণ তিনি এর বিরোধিতা করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেন, নির্বাহী বিভাগের সঙ্গে এস কে সিনহার যে মতবিরোধ ছিল, সরকার তাকে বিতাড়িত করে নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশে হাসিল করেছে। আয়োজক সংগঠনের সহ-সভাপতি ভি;পি ইব্রাহীমের সভাপতিত্বে এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্যে দেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী, সহ শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ও অপরাজেয় বাংলাদেশের সভাপতি ফরিদা মনি শহীদুল্লাহ, নির্বাহী কমিটির সদস্য ইসমাঈল হোসেন বেঙ্গল, কেন্দ্রীয় নেতা আবুল কামাল আজাদ, মিলন মেহেদী, শাহজাহান মিয়া সম্রাট, বগুড়া জেলা বিএনপির সদস্য মো মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।
গণতন্ত্রের নামে গণতন্ত্রকে হত্যা করছে :মির্জা ফখরুল
নিম্ন আদালতের গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে বিচারিক ক্ষমতা আবারও প্রশাসনের হাতে দেয়া হলো, অভিযোগ মির্জা ফখরুল ইসলামের। মঙ্গলবার সকালে, প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফখরুল বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে আমরা বহু কথা বলেছি। সংসদে আইনও পাস করা হয়েছে। কিন্তু সেই বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আবারও প্রশাসনের হাতে গিয়ে পড়ল। কোনোভাবেই একে মুক্ত করা গেল না। তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য প্রধান বিচারপতি যখন মুক্তির চেষ্টা করেছেন তখন তাকে পদ হারাতে হলো, পরবর্তীতে দেশ ত্যাগ করতে হয়েছে। আর আমরা কথা বলতে যাব, প্রতিবাদ করলে নেমে আসে মামলার খগড়। মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনের জাতীয়তাবাদী প্যানেলের পরিচিতিবিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এ সরকারের অধীনে নির্বাচনের বেশির ভাগেই ফলাফল শূন্য। তার পরও আমরা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচন করে যেতে চাই। কারণ, আমাদের একটি মাত্র পথ সেটি হচ্ছে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচনের মাধ্যমে সব সত্যকে ফিরিয়ে আনা। ফখরুল বলেন, অধিকার আদায় ও অধিকার রক্ষায় সূতিকাগার খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন পুরোপুরিভাবে একদলীয় চিন্তাভাবনার জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই আপনারা যারা নির্বাচন করছেন তাদের বলছি, ফলাফল কী হবে জানি না। জয়-পরাজয় লক্ষ্য হবে না, তারচেয়ে বড় লক্ষ্য হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে মানুষের অধিকার রক্ষার লড়াইকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। তিনি বলেন, দুঃখ হয়, এখন আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিবাদ করা হয় না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে কোনো সোচ্চার কণ্ঠ ধ্বনি উচ্চারণ হচ্ছে না। সেখানেও একটি দলের প্রাধান্য বিস্তারের ফলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস হয়ে যেতে বসেছে। তারা গণতন্ত্রের নামে গণতন্ত্রকে হত্যা করছে। বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রদেরও প্রায় একঘরে রাখার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। যা বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কজনক। সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের আহ্বায়ক প্রফেসর আক্তার আহমেদ খান জানান, আগামী ৬ ও ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ঢাকার বাইরের কেন্দ্রগুলোতে এবং ২০ জানুয়ারি দেশের দ্বিতীয় পার্লামেন্ট হিসেবে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের ২৫ জন রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং উদার নৈতিক গণতান্ত্রিক চেতনার প্রতীক জাতীয়তাবাদী পরিষদ মনোনীত প্রার্থীরা অংশগ্রহণ করছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ-আল নোমান, ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক এ কে এম আজিজুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মামুন আহমেদ, ওবায়দুল ইসলাম, সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির সময় দেশ ছিল দুর্নীতিতে নিমজ্জিত :ওবায়দুল কাদের
বিএনপিই সংলাপের পথ বন্ধ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভা ও সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, কোকোর মত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়াকে সহমর্মিতা জানাতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাকে বাধা দেওয়া হয়। এর মধ্যদিয়েই সংলাপের পথ বিএনপিই বন্ধ করে দিয়েছে। তাদের মুখে এখন সংলাপের কথা মানায় না। তিনি বলেন, সিংগাপুর ও আমেরিকার আদালতে ইতোমধ্যে তারেক রহমানের মানি লন্ডারিংসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। সম্প্রতি সৌদি আরবের রাজ পরিবারের গ্রেফতারকৃত সদস্যদের স্বীকারোক্তিতেও খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদের অস্তিত মিলেছে। বিএনপি জনগণকে কি দেখাবে প্রশ্ন করে তিনি বলেন, বিএনপির সময় দেশ ছিল দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। বক্তৃতাকালে ওবায়দুল কাদের মঞ্চে বসা জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ও সংসদ সদস্যদের শাসিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগের কর্মীদের মধ্যে কোন সমস্যা নেই। সমস্যা মঞ্চে বসা নেতাদের মধ্যে। এখনই সতর্ক হোন। নইলে বিপদ আছে। বড় বড় বিল বোর্ড, বড় বড় ব্যানারে ছবি টাঙিয়ে অথবা ঢাকায় বসে থেকে মনোনয়ন পাওয়া যাবে না। মনোনয়ন হবে জনগণ ও দলীয় কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে। যারা ঢাকায় থাকেন তারা সাতক্ষীরায় ফিরে আসেন। জনগণের সাথে মেশেন। আওয়ামী লীগের কর্মীদের পাশে দাড়ান। চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজরা যাতে আওয়ামী লীগের সদস্য না হতে পারে- সে সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এখন ক্ষমতায়, তাই অনেকেই আসবে। কিন্তু ক্ষমতায় না থাকলে পাঁচ হাজার ওয়াটের বাল্ব জলিয়েও তাদের খুজে পাওয়া যাবে না। মন্ত্রী সাতক্ষীরাবাসী উদ্দেশ্যে বলেন, সব রাস্তার টেন্ডার হয়ে গেছে। আগামী জুনের মধ্যে আপনারা বাস্তবে দেখতে পাবেন। আমি যে প্রতিশ্রুতি দেই তা পূরণ করি। জনসভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদের সভাপতিত্বে ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য এসএম কামাল হোসেন, সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আ ফ ম রুহুল হক, সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জগলুল হায়দার, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রিফাত আমিন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আবু আহমেদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু প্রমুখ। এ সময় ওবায়দুল কাদের দলীয় সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে :মির্জা ফখরুল
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে জানিয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আশা করছি নির্বাচন কমিশন সেখানে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। না হলে এর সব দায়ভার নির্বাচন কমিশনকে বহন করতে হবে। আজ সোমবার সকালে হাইকোর্ট মাজার প্রাঙ্গণে দারিদ্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে কম্বল বিতরণ করা হয়। রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় শনিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টুকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেদিকে ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেন, রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করতে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির নামে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক সংবাদ সম্মেলনে সৌদিতে খালেদা জিয়ার সম্পদ রয়েছে বলে যে অভিযোগ তুলেছেন, আমরা সারা পৃথিবীতে খোঁজ নিয়েছি কোথায় এ ধরনের তথ্য নেই। প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সম্পর্কে অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। এ ধরনের সংবাদ ও তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই। মোটকথা জনগণকে বিভ্রান্ত করতে তারা মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছে। আর এটা শুধু আমাদের নয়, সবার কথা। সৌদিতে জিয়া পরিবারের দুর্নীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী অন্ধকারে ঢিল মারেননি- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলেছি, আপনারা প্রমাণ করুন। অন্যথায় পদত্যাগ করতে হবে, আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব।
১৩ ডিসেম্বর সারাদেশ প্রতিবাদ কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি
চাল ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য, সিটি করপোরেশনসহ পৌর ট্যাক্স, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বুধবার ১৩ ডিসেম্বর রাজধানীসহ সারাদেশ প্রতিবাদ কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি। তবে রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকা এই কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে। আজ সোমবার দুপুরে নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। তিনি বলেন, ক্ষমতাসীনদের পকেট ভারি করার জন্যই দ্রব্যমূল্য আকাশচুম্বী। এসব বিষয়ে জনগণ আজ সোচ্ছার হয়ে উঠেছে। বিএনপির আমলে কোনো বিদ্যুৎ ছিল না, দেশ তখন অন্ধকার ছিল। আমরা ১৬০০ থেকে ১৬ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করেছি। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে রিজভী বলেন- এতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করলেন তা গেলো কোথায়? গ্রামীণ এলাকায় অব্যাহত লোডশেডিং চলছে। কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎতের নামে আপনার কাছের লোকদের পকেট ভারি হয়েছে। রিজভী বলেন, নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে সরকার জিয়া পরিবারকে নিয়ে মিথ্যাচার করছে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকার নীল নকশা তৈরি করছে। রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কমিশন সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন চায় কিনা এমন প্রশ্ন উঠেছে ভোটারদের মাঝে। চাকরি বাঁচানোর চিন্তা না করে একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান রিজভী। সরকার মিথ্যা অভিযোগ তোলে গণমাধ্যমকে দিয়ে এটা প্রচার করছে, অথচ গণমাধ্যম অনুসন্ধানী তদন্ত করেও এর কোনো অস্তিত্ব পায়নি বলেও জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবীব উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম, সহ-দফতর সম্পাদক মনির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
খালেদা জিয়ার নাইকো মামলায় অভিযোগ শুনানি ১৫ জানুয়ারি
নাইকো দুর্নীতি মামলায় ১১ আসামির মধ্যে আরও চারজনের অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদনের শুনানি শেষ হয়েছে। জামিনে থাকা মামলার প্রধান আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেনের আবেদনের শুনানির দিন আগামী বছরের ১৫ জানুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত। ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ মাহমুদুল কবীরের আদালতে মামলাটির অভিযোগ (চার্জ) গঠনের শুনানি চলছে। এর অংশ হিসেবে প্রথমে নেওয়া হচ্ছে আসামিদের অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদনের শুনানি। সোমবার আবেদনের শুনানি শেষ হওয়া চার আসামি হলেন- সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া ও ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। এর আগে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইনের পক্ষে মামলা থেকে অব্যাহতির বিষয়ে শুনানি হয়। এ নিয়ে মোট ৫ আসামির আবেদনের শুনানি শেষ হলো। গত ২০ নভেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ মামলার ১১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন জানান। কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম ২০০৭ সালের ০৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন। ২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম সাহেদুর রহমান। অভিযোগপত্রে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়। নাইকো ছাড়াও গ্যাটকো ও বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তা বাতিলের আবেদন জানিয়ে পৃথক পৃথক রিট করেছিলেন খালেদা জিয়া। এসব রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি মামলাগুলোর কার্যক্রম স্থগিত ও রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।
জনগণের রায় নিয়ে সরকার ক্ষমতায় আসেনি
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারের উদ্দেশে বলেছেন, অনেক হয়েছে। জোর করে অনেকদিন ক্ষমতায় টিকে আছেন। বাংলাদেশের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছেন। আর নয়। এখন দেয়ালের ভাষা পড়ুন। জনগণের মুখের ভাষা দেখুন। একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করে জণগণের হাতে ক্ষমতা তুলে দিন।বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমেদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়ায় এক সমাবেশে শনিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে এসব কথা বলেন ফখরুল। এর আগে বিএনপি মহাসচিব কাজী জাফর আহমেদের কবর জিয়ারত এবং পারিবারিক মিলাদ ও দোয়ার মাহফিলে অংশ নেন। ফখরুল বলেন, জনগণের রায় নিয়ে সরকার ক্ষমতায় আসেনি। নির্বাচনের নামে তারা ১৫৪ জনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি বানিয়েছে। শতকরা ৫ জন মানুষও তাদের ভোট দেয়নি। ৭২ থেকে ৭৫ সালে ছেলে কর্তৃক পিতার মাথা কেটে ফুটবল খেলার ইতিহাস আমরা ভুলে যাইনি। তারা গান পাউডার দিয়ে বাসের ১১ যাত্রীকে পুড়িয়ে মারে। সরকার ইতিহাস ভুলে গিয়ে আমাদের ১ হাজার ভাইকে হত্যা, শ সহকর্মীকে গুম ও হাজার হাজার ভাইকে পঙ্গু ও প্রত্যেকের নামে ১০-১৫টি করে মামলা দিয়েছে। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের লেখার স্বাধীনতা সরকার কব্জায় নিয়েছে। এখন আর তারা যা দেখে তা লিখতে পারে না। সাগর-রুনিসহ ২৯ জন সাংবাদিক হত্যার বিচার এখনও হয়নি। মির্জা ফখরুল আক্ষেপ করে বলেন, সারা দেশের মানুষের বিরোধিতার পরও সরকার ভারতের স্বার্থে সুন্দরবনে কয়লা দিয়ে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে। এতে নদী মাছশূন্য ও দক্ষিণাঞ্চল মরুভূমিতে পরিণত হবে। দেশের স্বার্থ রক্ষায় সরকার জনগণের দাবির প্রতি কর্ণপাত করছে না। জাতীয় পার্টির কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা সভাপতি এয়ার আহমেদ সেলিমের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন জাপার (জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাগপার চেয়ারম্যান শফিউল আলম প্রধান, ন্যাপের মো. ফরহাদ, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কর্নেল আনোয়ারুল আজিম, কুমিল্লা সিটি মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া। এসময় কুমিল্লা জেলা ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রতিনিয়ত মিথ্যা কথা বলে :স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রতিনিয়ত ‘কুৎসা’ প্রচার করে মন্তব্য করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, খালেদা জিয়াসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রতিনিয়ত মিথ্যা কথা বলে। প্রতিনিয়ত আমাদের নামে কুৎসা প্রচার করে থাকেন। এজন্য খালেদা জিয়াসহ বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কুৎসা ও মিথ্যা প্রচার করার মামলা হওয়া উচিত।শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইন্সটিটিউট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে বর্ধিত বেড পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী নিবার্চন অনুষ্ঠিত হবে। আর এই নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে। আওয়ামী লীগ চিরদিনই জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। বিএনপি’ই বারবার সামরিক শাসন জারি করে ক্ষমতা দখল করেছে। পরিদর্শন কালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে জাতীয় বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন, বার্ন ইউনিটের পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, ঢামেক হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না:মির্জা ফখরুল
আগামী জাতীয় নির্বাচন অবশ্যই নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘একটি কথা খুব স্পষ্ট বাংলাদেশের মানুষ আর কখনও ২০১৪ সালের মতো নির্বাচন হতে দেবে না। আমরা নির্বাচন চাই। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। তাই নির্বাচন অবশ্যই নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে হবে।’ শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। দলের ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রত্যাশা করি আপনাদের (সরকার) শুভবুদ্ধির উদয় হউক, কথায় কথায় আন্ডারইস্টিমেট করবেন না। দেশের মানুষ সব কিছু মেনে নেবে তা ভাববেন না। এরাই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে এবং অধিকার প্রতিষ্ঠায় পাকহানাদারদের বিদায় করতে লড়াই করেছে।’ প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘মিথ্যাচার, অপপ্রচারের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করে কি অর্জন করতে চান। আবার নির্বাচন করতে চান। বিএনপিকে নির্বাচন করতে দেয়া যাবে না, নির্বাচন ও রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে চান।’ ‘যে সংসদে ১৫৪ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয় সেই সংসদ বাংলাদেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে না। যে আইন তৈরি করা হয়, সংবিধান যেভাবে পরিবর্তন করা হয় সেটা জনগণের জন্য আইন কিংবা সংবিধান নয়। আর এটাই বাস্তবতা,’ যোগ করেন তিনি। ক্ষমতায় যেতে যারা বাধা দেবে ও দিচ্ছে তাদেরকে গুম করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার উল্লেখ করেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নতুন করে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে মানুষকে বোকা বানিয়ে অধিকার কেড়ে নিয়ে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে চায়। মূলত আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে তখন তাদের আসল চেহারায় ফিরে আসে। সেই চেহারা হচ্ছে ধ্বংসাত্মক ও ফ্যাসিস্ট। মনে রাখতে হবে ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের যে লড়াই তা অসম। তবে আমরা এখন নির্বাচনকে সামনে রেখে আন্দোলন করে যাচ্ছি।’ আলোচনায় অংশ নিয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপির জন্য আন্দোলন এক মাত্র পথ। অথচ প্রধানমন্ত্রী কথার জালে বিএনপিকে দিনে নয়াপল্টন এবং রাতে গুলশান অফিসে আটকে রেখেছে।’ মির্জা ফখরুলের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনি বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিবেন। প্রশ্নটা হচ্ছে আপনি কোন বিচারকের কাছে বিচার চাইবেন, তাদের কি সেই বিচার বিভাগ ও বিবেক আছে। যারা বিচারের আগেই ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথার ফাঁদে পড়ে আন্দোলন ব্যাহত না করতে বিএনপিকে পরামর্শ দেন তিনি। জাফরুল্লাহ বলেন, সবাই আজ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ক্ষুব্ধ তবে আমি ততোটা ক্ষুব্ধ নই। কারণ ইতোমধ্যে রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় উনি উনার পিতাকে ছাড়িয়ে গিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী আপনি বলেছেন প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন আর হবে না, তাহলে ভয়টা কোথায়? তবে সম্প্রতি কিছু অসঙ্গতিপূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলের প্রতি উদ্দেশ্য করে বলেছেন বিএনপি নাকে খত দিয়ে নির্বাচনে আসবে। আসলেই কী এটা উনার (প্রধানমন্ত্রী) বক্তব্য নাকি ভারতের কারো কাছ থেকে পাওয়া নির্দেশ? কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) সভাপতি অধ্যাপিকা রেহেনা প্রধান, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্তুজা, জাতীয়তাবাদী মুত্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা প্রফেসর ডা. ইকবাল হাসান, অ্যাডভোকেট আজাদ মাহমুদ, শাহজাদা আলম, মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, সাইদুর রহমান তামান্না, অ্যাডভোকেট এম এ আজিজ, মতিউর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, নরুল কবির ভূঁইয়া প্রমুখ।

রাজনীতি পাতার আরো খবর