বিএনপি নেতারা কেউ কাউকে বিশ্বাস করে না
২২মার্চ,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বিএনপির নেতারা এখন আর কেউ কাউকে বিশ্বাস করে না, এক নেতা আরেক নেতাকে বিশ্বাস করে না, অথচ আমাদের দল বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। তৃনমুল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধ। শুক্রবার (২২ মার্চ) সকালে ভোলা শহরের সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ও ভেলুমিয়া ইউনিয়নের তৃনমুল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ইদানিং অনেক নেতাকর্মী বিএনপি ত্যাগ করে চলে যাচ্ছে। কারণ বিএনপির রাজনীতি তাদের ভালো লাগে না। যাদের দলের চেয়ারপার্সন দুর্নীতি মামলার আসামী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সনও খুন মামলার আসামী। তাদের দল কেন মানুষের ভালো লাগবে। তোফায়েল আহমেদ বলেন, বিএনপির রাজনীতি এখন বিলীনের পথে, নির্বাচনের সময় হাজার হাজার নেতাকর্মী আ লীগের যোগদান করেছে। ২০০৮ সালে তারা পেয়েছে ২৮টি আসন আর এবার পেয়েছে মাত্র ৬টি আসন, এতো হেরেছে তারা, আগামীতে তাদের খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে। সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেন, আ.লীগর ক্ষমতার সময়ে ভোলার অনেক উন্নয়ন হয়েছে, এখনো হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন এলাকার নদী ভাঙন ও রাস্তাঘাটের আরো উন্নয়ন হবে। সদরের ভেদুরিয়া ও ভেলুমিয়াতে পর্যটন কেন্দ্র হবে। ভোলা-বরিশাল ব্রীজের মাধ্যমে মূল ভুখন্ডের সাথে যুক্ত হবে ভোলা। এ সময় তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের ভালোবাসা আমার জীবনের শ্রেষ্ট্র পাওয়া, এই ঋৃন কোনদিন শোধ করার মত নয়। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশারেফ হোসেনের সভাপতিত্বে দলেল শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন, জেলা আলীগের সাধারন সম্পাদক আবদুল মমিন টুলু, যুগ্ম সম্পাদক জহিরুল ইসলাম নকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব, ভাইস চেয়ারম্যান মো: ইউনুছ, সদর উপজেলা আ:লীগের সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল ইসলাম প্রমুখ। -আলোকিত বাংলাদে
ভোটের ফল বাতিলের দাবিতে রোকেয়া হলে রাতভর ছাত্রীদের বিক্ষোভ
১৩মার্চ,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে রোকেয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জিনাত হুদার পদত্যাগ ও ভোটের ফল বাতিলের দাবিতে রাতভর বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১২ মার্চ) রাত ১০টার দিকে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন শিক্ষার্থী। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিক্ষোভ চলছিল। তারা জানান, রোকেয়া হলের ভেতরে চলা বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিচ্ছেন কাজী মৌসুমী, মুনিরা দিলশাদ ইলা, শ্রবণা শফিক দীপ্তি, সৈয়দা তাসলিমা হোসেন নদীসহ বেশ কয়েকজন। তারা সবাই ডাকসুর বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থী ছিলেন। বিক্ষোভের বিষয়ে রোকেয়া হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও প্রগতিশীল ছাত্র ঐক্যের জিএস প্রার্থী মুনিরা দিলশাদ ইলা বলেন, ভোট কারচুপির অভিযোগে আমরা হল প্রভোস্টের পদত্যাগ চাই। আর তার পদত্যাগের দাবিতেই আমরা এই বিক্ষোভ করছি। রোকেয়া হলে যত ভোটার রয়েছে, তার একভাগ ভোটও কাস্ট হয়নি। আর যতটুকু ভোট কাস্ট হয়েছে, সেখানেও কারচুপি করা হয়েছে। ডাকসুর স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক প্রার্থী শ্রবণা শফিক দীপ্তি বলেন, প্রহসনের এই ভোটের ফল অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। প্রভোস্ট জিনাত হুদা হলে কারচুপির নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। এদিকে, রোকেয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। উল্লেখ্য, গেলো সোমবার (১১ মার্চ) ভোটের দিন সকাল ৮টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। তবে রোকেয়া হলের জন্য বরাদ্দ ৯টি ব্যালট বাক্সের মধ্যে তিনটি ব্যালট বাক্স পাওয়া না যাওয়ায় ভোটগ্রহণ শুরু হয় একঘণ্টা দেরিতে। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হলের তালাবদ্ধ একটি কক্ষ থেকে ট্রাংক ভরে রাখা বিপুল পরিমাণ ব্যালট উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়ালে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখা হয়। পরে ভোটগ্রহণ শুরু হলেও তা বর্জন করে ছাত্রলীগ ছাড়া বাকি সব সংগঠন।
একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার
১২মার্চ,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নবনির্বাচিত ভিপি (সহ-সভাপতি) নুরুল হক নূরকে অভিনন্দন জানিয়ে বরণ করে নিয়েছে ছাত্রলীগ। মঙ্গলবার বিকেলে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে তাকে বরণ করে নেন। এ সময় দুজন হাসিমুখে কোলাকুলি করে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। ছাত্রলীগ সভাপতি ও ডাকসুর নব-নির্বাচিত ভিপির এ সময় কথাবার্তা হয়। সেখানে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী ও অন্যান্য দলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত থাকলেও ডাকসুর নব-নির্বাচিত জিএস (সাধারণ সম্পাদক) গোলাম রাব্বানীকে দেখা যায়নি। ছাত্রলীগ সভাপতির সঙ্গে কোলাকুলির পর বিশ্ববিদ্যালয়ে নুরুল হক ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন নিয়ে আগের দেয়া ঘোষণা প্রত্যাহারের কথা জানান। টিএসসি মিলনায়তনে ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, আমি পারিনি তো কী হয়েছে, নুরুল হক তা পূরণ করবে। আমাদের সবার চাওয়া-পাওয়া নুরুল হক পূরণ করবে। স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ যেন ঠিক থাকে সেজন্য সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বানও জানান তিনি। এ সময় নুরুল হক বলেন, আমরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের যে ঘোষণা দিয়েছিলাম, তা প্রত্যহার করা হলো। তবে পুনর্নির্বাচনের দাবি অব্যাহত থাকবে। আমার ওপর ছাত্রলীগ যে হামলা করেছে, সেটার বিচারের দায়িত্ব আমি ছাত্রলীগ সভাপতির ওপর দিলাম। এর আগে দুপুরে ভিসির বাসভবনের সামনে ছাত্রলীগের অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন ছাত্রলীগ সভাপতি। তিনি বলেন, সবার প্রতি সম্মান রেখে তোমরা এই স্থান থেকে চলে যাও। না হলে তোমরা আমাকে মানো না। ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে শোভন বলেন, তোমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখো। অনেক সময় নিজেকে বলি দিতে হয়। এটা তোমাদের কাছে আমার অনুরোধ। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখার জন্য আমরা সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। সভাপতির নির্দেশের পরে নেতাকর্মীরা ভিসির বাসভবনের সামনে নেয়া অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ওই এলাকায় যান চলাচল শুরু হয়। সোমবার রাত ৩টা ২৪ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও পদাধিকার বলে ডাকসুর সভাপতি অধ্যাপক আখতারুজ্জামান ডাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করেন। বহুল প্রতীক্ষিত ডাকসু নির্বাচনে ভিপি পদে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নূর ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে ভিপি পদে নির্বাচন করেন। তিনি ১১ হাজার ৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। ডাকসুর ভিপি পদে নূর জয়ী হলেও জিএস, এজিএসসহ বেশিরভাগ পদে ছাত্রলীগের প্রার্থীরাই বিজয়ী হয়েছেন। জিএস পদে গোলাম রাব্বানী ও এজিএস পদে সাদ্দাম হোসাইন বিজয়ী হন। ভিপি ছাড়াও সমাজসেবা সম্পাদক পদে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ প্যানেলের আখতার হোসেন জয়লাভ করেন।
নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে বললেন ছাত্রলীগের ভিপি শোভন
১১মার্চ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবশেষে প্রায় তিন দশক পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে অনেক প্রতীক্ষার ডাকসু নির্বাচন। নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য সকাল ৮টার অনেক আগে থেকেই শিক্ষার্থীরা দাঁড়িয়েছেন লম্বা লাইনে। ইতোমধ্যেই ভোট দিতে পারা শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস জানিয়েছেন। তবে ছাত্র সংগঠনগুলোর রয়েছে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য। ছাত্রলীগের ভিপি প্রার্থী রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে এবং তারা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। অন্যদিকে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে নিজের ভোট না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আজকের সকালটি অন্যরকম। ভোট দিতে ভোর থেকেই লম্বা লাইনে দাঁড়িয়েছেন তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হল বাদে বাকি ১৭টি হলে উৎসব আর উৎসাহ নিয়ে চলছে ডাকসু নির্বাচন। দুপুর দুটো পর্যন্ত ভোট প্রদানের পর ভোট গণনা শুরু হওয়ার কথা। প্রায় তিন দশক পর ডাকসুর সাক্ষী হতে পেরে উচ্ছ্বাস তাই বাঁধভাঙ্গা। ভোট দিয়ে শিক্ষার্থীরা জানান, প্রথমত ভোট দিতে আমি খুবই আনন্দিত। সুশৃঙ্খলভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করায় আমি তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। যেকোনো ঐতিহাসিক সাক্ষী শুধু আনন্দের নয়, গর্বের বটে। আমরা ঐতিহাসিক সাক্ষী হতে যাচ্ছি সেটাও আনন্দের। একজন শিক্ষার্থী ভোট দিচ্ছেন ৩৮টি ক্যাটাগরিতে। এ কারণে সময়ও লাগছে খানিকটা বেশি। তবে তা নিয়ে আক্ষেপ বা অভিযোগ নেই কারোরই। তবে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন প্রার্থীরা। রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, আমি জয়ের ব্যাপারে খুবই আশাবাদী। বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের সংগঠন মনে করে। দশরত্ন শেখ হাসিনার দিকে তাকিয়ে শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগকে তাদের ভোট প্রদান করবে। এদিকে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রতিটি হলেই ভোট ডাকাতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইতোমধ্যেই কুয়েত মৈত্রী হলে এ ঘটনার প্রমাণ পাওয়া গেছে। আমরা জগন্নাথ হলসহ আরো বেশ কিছু হলে গতরাতেই এ ধরণের ঘটনার অভিযোগ পেয়েছি। ভিপি পদে ২১, জিএস পদে ১৪ এবং এজিএস পদে লড়ছেন ১৩ জন প্রার্থী। অন্যদিকে নির্বাচনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৪৩ হাজার ২৫৫ জন। কড়া নিরাপত্তা রয়েছে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। ভোটগ্রহণ শেষে ভোট গণনা হবে ওএমআর মেশিনে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে সুলতান মনসুর
১০মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সুলতান মো. মনসুর আহমেদকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয়েছে। রোববার (১০ মার্চ) জাতীয় সংসদে চিফ হুইপ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি পূর্ণ গঠনের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকুকে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সংসদ সদস্য আফছারুল আমীন, কিশোরগঞ্জ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও পুলিশের সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ, বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. হাবিবুর রহমান, জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য সামসুল আলম দুদু, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান, জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরিদুল হক খান ও খাগড়াছড়ি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে শপথগ্রহণ করেননি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট তথা বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। তবে ঐক্যফ্রন্ট ও নিজ দল গণফোরামের সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর গত ৭ মার্চ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন। শপথগ্রহণ শেষে নিজেকে বঙ্গবন্ধুর সৈনিক বলেও পরিচয় দেন সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতা ও ডাকসুর সাবেক ভিপি। এদিকে সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে শপথ নেওয়ায় সুলতান মোহাম্মদ মনসুরকে গণফোরাম থেকে বহিষ্কার করা হয় এর আগে, গত ৭ মার্চ মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে শপথ নেন সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ। যদিও ঐক্যফ্রন্ট ও দলের শর্ত না মেনে করায় ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুরকে গণফোরাম থেকে বহিষ্কার করা হয়।
খালেদা জিয়াকে আনা হবে বিএসএমএমইউ-তে
১০মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য রোববার (১০ মার্চ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে আনার কথা রয়েছে। এজন্য পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারের সামনে ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। যে রাস্তা দিয়ে তাকে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেয়া হবে সেইসব রাস্তায়ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এদিকে, খালেদার জিয়ার চিকিৎসাকে কেন্দ্র করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালেও কর্ম তৎপরতা চোখে পড়েছে। হাসপাতাল ও এর আশপাশের এলাকায়ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
ওবায়দুল কাদেরের মতো একজন মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার তুলনা চলে না: হানিফ
৬মার্চ,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চিকিৎসা নিয়ে ওবায়দুল কাদেরের মতো একজন মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার তুলনা চলে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। বুধবার (০৬ মার্চ) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে দলীয় সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ওবায়দুল কাদেরের স্বাস্থ্যের অবস্থা ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে এবং এখন আর তার অবস্থা সংকটাপন্ন নয় বলেও জানান হানিফ। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যগত অবস্থা আরো উন্নতি হলে এক সপ্তাহ পর ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারি করা হতে পারে। ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, ওবায়দুল কাদেরের অবস্থা এখন আর সংকটাপন্ন নয়। কিডনিতে সামান্য ইনফেকশন আছে। এছাড়া তার বাকি সবকিছু এখন পর্যন্ত সবই ঠিক আছে। ডাক্তাররা আশা করছেন, এভাবে দ্রুত উন্নতির দিকে গেলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই তার অবস্থা স্বাভাবিকের কাছাকাছি আসবে। এরপরে তার হার্টের ব্লকগুলো বাইপাস সার্জারির মাধ্যমে পরিষ্কার করা হবে। এসময় তিনি আরো বলেন, ওবায়দুল কাদের একজন মুক্তিযোদ্ধা তার সঙ্গে স্বাধীনতা বিরোধীদের তুলনা করা চলে না। চিকিৎসা নিয়ে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বেগম জিয়ার তুলনা চলে না। বেগম জিয়া একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কারা কর্তৃপক্ষ যেভাবে চাইছেন সেভাবেই তার চিকিৎসা চলছে।
চৌদ্দগ্রামের দায়ের করা মামলায় খালেদা জিয়াকে ৬ মাসের জামিন
৬মার্চ,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দায়ের করা হত্যা মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ৬ মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন ও এ জে মোহাম্মদ আলী। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি বিএনপি-জামায়াতসহ ২০ দলীয় জোটের ডাকা হরতাল-অবরোধ চলাকালে ভোর রাতে চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুরে একটি নৈশকোচে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে দুর্বৃত্তরা। আইকন পরিবহনের ওই বাসটি কক্সবাজার থেকে ঢাকা যাচ্ছিল। আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলে সাতজন নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও একজন মারা যান। এরপরদিন ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার উপ-পরির্দশক (এসআই) নূরুজ্জামান হাওলাদার বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলায় খালেদা জিয়াকে আসামি দেখানো হয়।

রাজনীতি পাতার আরো খবর