চকবাজারে প্রাণহানি, সরকারের সমালোচনায় কামাল
২৭ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর নিমতলীর আগুনে ২০১০ সালে ১২৪ ব্যক্তি মারা যাওয়ার পর হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী পুরান ঢাকাকে মানুষের জন্য নিরাপদ করতে কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় সরকারের সমালোচনা করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, নয় বছর আগে নিমতলী অগ্নিকাণ্ডের পর হাইকোর্ট পুরান ঢাকাকে মানুষের জন্য নিরাপদ করতে সরকারকে পদক্ষেপ নেয়ার আদেশ দিয়েছিল। কিন্তু আমরা সরকারকে কোনো পদক্ষেপ নিতে কখনো দেখিনি। আমরা শুধু তাদের নিরবতা দেখেছি। আদালতের আদেশের পরও কেন এই দায়িত্বহীনতা? রাজধানীর চকবাজারে ২০ ফেব্রুয়ারির আগুনে নিহতদের স্মরণে মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণফোরাম আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় দলের প্রেসিডেন্ট ড. কামাল এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কেন এমন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলো এবং কেন এতগুলো নিরপরাধ মানুষ কোনো অপরাধ না করেও জীবন হারালো তার উত্তর দেশের ১৬ কোটি মানুষ জানতে চায়। পুরান ঢাকার চকবাজারে ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে রাসায়নিকের গুদাম ও পাশের চার ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৬৭ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। সেই সাথে হাসপাতালে মারা যান আরও দুজন। এছাড়া আগুনে অনেকে আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ২০১০ সালের ৩ জুন নিমতলী এলাকায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার বিস্ফোরিত হয়ে সৃষ্ট ভয়ঙ্কর আগুনে ঘটনাস্থলে ১১৭ ব্যক্তিসহ কমপক্ষে ১২৪ জন নিহত হন।-ইউএনবি
বিএনপির উচিৎ নিজেদের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে শুনানি করা: তথ্যমন্ত্রী
২৬ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপি গণশুনানির নামে নাটক করেছে মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির উচিৎ নিজেদের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে শুনানি করা। মঙ্গলবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সাচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। বিদেশিদের কাছে ধর্না না দিয়ে বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য জনগণের কাছে যাওয়ার পরামর্শও দেন তিনি। তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, 'জনগণের কাছে বিএনপি যদি রাজনৈতিক দল হতে চায় তাহলে তারা জনগণের কাছে যাবে। বিদেশিদের কাছে কেন যাবে। গণশুনানির নামে আসলে একটি নাটক মঞ্চায়িত করতে হবে। গণশুনানির কোনো আবেদন জনগণের কাছে বিএনপি তৈরি করতে পারে নাই।
ফখরুল কেঁচো খুঁড়তে চাইলে বিষধর সাপ বেরিয়ে আসবে
২৬ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের দিন বেগম খালেদা জিয়া ২৪ ঘণ্টা কোথায় লুকিয়ে ছিলেন সে রহস্য উদঘাটিত হলে এ হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটিত হবে। কেন তাকে পালিয়ে লুকিয়ে থাকতে হলো। পিলখানা হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার দিন সকাল থেকে ২৪ ঘণ্টা তার অবস্থান কেউ জানত না। মির্জা ফখরুল কেঁচো খুঁড়তে চাইলে বিষধর সাপ বেরিয়ে আসবে। মঙ্গলবার ফেনী সার্কিট হাউজে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে সাম্প্রতিককালে বিএনপির মহাসচিব ওবায়দুল কাদেরর কথার পরিপ্রেক্ষিতে সেতুমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি মির্জা ফখরুল ইসলামের কাছে জানতে চান খালেদা জিয়াকে তিনি (ফখরুল) কোথায় লুকিয়ে রেখেছিলেন? তিনি যে রহস্য উন্মোচন করতে চাচ্ছেন এর সঙ্গে এ হত্যাকাণ্ডের কোনো যোগসূত্র আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। আসন্ন উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এখনো কেন্দ্রীয় মনোনয়ন ঘোষণা চূড়ান্ত হয়নি। কূটনীতিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিএনপির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া যতটা না অসুস্থ তার চাইতে তার অসুস্থতা নিয়ে বেশি রাজনীতি করা হচ্ছে। এ বিষয়টাতে কারা রাজনৈতিক কালার দিতে চাইছে। নীতিনির্ধারণীতে বিএনপি দুর্বল ও নেতিবাচক রাজনীতির কারণে তারা ক্রমাগত জনসমর্থন হারাচ্ছেন। তারা নির্বাচনেও ব্যর্থ আন্দোলনেও ব্যর্থ। সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের উন্নয়নের ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে। ডাকসু নির্বাচনে সরকার হস্তক্ষেপ করবে না। ফল পক্ষে না এলেও সরকারের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী, ফেনী জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুজজামান, পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার (পিপিএম), ফেনীস্থ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদ হোসেন, ফেনী পৌরসভার প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী।-আলোকিত বাংলাদেশ
নালিশ করাই বিএনপির রাজনীতি: ওবায়দুল কাদের
২৫ফেব্রুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপি নেতারা সব বিষয়ে নাক গলায় বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নালিশ করাই বিএনপির রাজনীতি। তারা (বিএনপি) শুধু নালিশই করতে পারে আর সব বিষয়ে নাক গলায়। আজ সোমবার বিকেল পৌনে ৪টায় রাজধানীর ফার্মগেটে ঢাকা ম্যাস র;্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের (এমআরটি) লেন-৬ এর স্টিল স্ক্রু পাইল ড্রাইভিং কাজের উদ্বোধন শেষে একথা বলেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, পিলখানা বড় মামলা। এতো আসামি ও সাক্ষী, তারপরেও বিচারকাজ সম্পন্ন হয়েছে। এটা নিয়ে দেশ-বিদেশে কোথাও সমালোচনা নেই। কিন্তু বিএনপি নেতারা সব বিষয়ে নাক গলায়। বিএনপির উচিত, এতো স্বচ্ছভাবে বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ দেয়া। তারা শুধু নালিশই করতে জানে। চকবাজারের আগুনের ঘটনা নিয়ে শিল্পমন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগের কয়েক নেতার মন্তব্যর বিষয়ে তিনি বলেন, এটা তাদের ব্যক্তিগত মন্তব্য। সরকার তার কাজ করে যাচ্ছে। সরকার দায় এড়াতে পারে না বলেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গোডাউন সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। মেট্রোরেল নির্মাণ প্রকল্পে অগ্রগতি তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে মেট্রোরেলের পুরো কাজ শেষ হবে। মেট্রোরেলের ২৫০০ মিটার ভায়াডাক্ট দৃশ্যমান হয়েছে। আগারগাঁও থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত ৩.১৯৫ কিমি ভায়াডাক্ট ও তিনটি স্টেশন নির্মাণের নিমিত্তে পরিসেবা স্থানান্তর ও চেকবোরিং সম্পন্ন হয়েছে। ১৯৭টি ট্রায়াল পিটের মধ্যে ৩৫টি ট্রায়াল পিট এবং ৪৫০টি বোরড পাইলের মধ্যে ৩টি বোরড পাইল সম্পন্ন হয়েছ। আগামী এপ্রিল মাসে মেট্রো ট্রেনের নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে জানিয়ে কাদের বলেন, প্রকল্পের সার্বিক (উত্তরা থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক) গড় অগ্রগতি ২১.৫০ শতাংশ এবং প্রথম পর্যায় (উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত) ৩৫ শতাংশ। এসময় উপস্থিত ছিলেন মেট্রোরেল প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিদ ফাইজসহ অন্য কর্মকর্তারা।
নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে দিলীপ আমার ওপর দায় চাপাতে চেয়েছেন: আমু
২৫ফেব্রুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুরান ঢাকা থেকে কেমিক্যাল গোডাউন সরানোর ব্যাপারে সাবেক শিল্পমন্ত্রী দিলিপ বড়ুয়ার বক্তব্যের সমালোচনা করে আরেক সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, নিজের ব্যর্থতা ঢাকতেই আমার ওপর দায় চাপাতে চেয়েছেন। সোমবার রাজধানীর ইস্কাটন এলাকায় নিজ বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। আমু বলেন, দিলিপ বড়ুয়ার বক্তব্যে সরকার মোটেই বিব্রত নয়। কারণ ব্যক্তিগত অযোগ্যতা ও অদক্ষতার কারণে তিনি প্রশ্নের সম্মুখীন হতে পারেন ভেবে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে ব্যর্থতার দায় আমার ওপর চাপাতে চেয়েছেন। সম্প্রতি পুরান ঢাকার চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর শনিবার দিলিপ বড়ুয়া সাংবাদিকদের বলেন, আমির হোসেন আমুর কারণে কেমিক্যাল গোডাউন সরানো যায়নি। এ প্রসঙ্গে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা আমু বলেন, তিনি ক্ষমতায় থাকাকালে গোডাউনগুলো সরানোর জন্য বারবার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ব্যবসায়ীরা রাজি হননি। তিনি আরও বলেন, গোডাউনগুলো না সরাতে অনীহা ছিল ব্যবসায়ীদের আত্মঘাতী। নিজেদের সাথে আশেপাশের অনেকের জন্য ঝুঁকি তৈরি করেছেন তারা। এসময় তিনি রাজধানীর হাজরীবাগ থেকে ট্যানারিগুলো সাভারে স্থানান্তরে নিজের সফলতার কথাও জানান- ইউএনবি
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃতীয় ধাপে আ.লীগের ১২৭ প্রার্থী ঘোষণা
২৪ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য তৃতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। শনিবার গণভবনে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড ১২৭ উপজেলায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী চূড়ান্ত করেন। পরে আওয়ামী লীগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের নাম জানানো হয়। তৃতীয় ধাপে উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী যারা- রংপুর জেলা: রংপুর সদর উপজেলায় নাছিমা জামান (ববি), মিঠাপুকুর উপজেলায় জাকির হোসেন সরকার। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা: ভোলাহাট উপজেলায় রাব্বুল হোসেন, গোমস্তাপুর উপজেলায় হুমায়ুন রেজা, নাচোল উপজেলায় আব্দুল কাদের, শিবগঞ্জ উপজেলায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম। মেহেরপুর জেলা: মেহেরপুর উপজেলায় ইয়ারুল ইসলাম, মুজিবনগর উপজেলায় জিয়াউদ্দিন বিশ্বাস, গাংনী উপজেলায় এম এ খালেক। কুষ্টিয়া জেলা: কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় আতাউর রহমান, ভেড়ামারা উপজেলায় আক্তারুজ্জামান মিঠু, কুমারখালী উপজেলায় আব্দুল মান্নান খান, মিরপুর উপজেলায় কামারুল আরেফিন, খোকসা উপজেলায় সদর উদ্দিন খান, দৌলতপুর উপজেলায় এজাজ আহমেদ মামুন। চুয়াডাঙ্গা জেলা: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় আশাদুল হক বিশ্বাস, আলমডাঙ্গা উপজেলায় জিল্লুর রহমান, দামুড়হুদা উপজেলায় সিরাজুল আলম (ঝন্টু), জীবননগর উপজেলায়, আবু মো. আব্দুল লতিফ অমল। ঝিনাইদহ জেলা: ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় আব্দুর রশীদ, শৈলকুপা উপজেলায় নায়েব আলী জোয়ার্দ্দার, হরিণাকুন্ডু উপজেলায় মশিউর রহমান জোয়ার্দ্দার, কালীগঞ্জ উপজেলায় জাহাঙ্গীর সিদ্দিক। মাগুরা জেলা: মহম্মদপুর উপজেলায় মো. আ. মান্নান, মাগুরা সদর উপজেলায় আবু নাসির বাবলু, শ্রীপুর উপজেলায় পঙ্কজ কুমার সাহা, শালিখা উপজেলায় শ্যামল কুমার দে। নড়াইল জেলা: নড়াইল সদর উপজেলায় নিজামউদ্দিন খান নিলু, কালিয়া উপজেলায় কৃষ্ণ পদ ঘোষ, লোহাগড়া উপজেলায় রাশিদুল বাসার (ডলার)। সাতক্ষীরা জেলা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় আসাদুজ্জামান বাবু, আশাশুনি উপজেলায় এ বি এমডি মোস্তাকিম, শ্যামনগর উপজেলায় এস এম আতাউল হক, কালিগঞ্জ উপজেলায় শেখ আতাউর রহমান, কলারোয়া উপজেলায় ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, তালা উপজেলায় ঘোষ সনৎ কুমার, দেবহাটা উপজেলায় মো. আ. গনি। বরিশাল জেলা: বরিশাল সদর উপজেলায় সাইদুর রহমান রিন্টু, বাকেরগঞ্জ উপজেলায় মোহাম্মদ শামসুল আলম, বাবুগঞ্জ উপজেলায় কাজী ইমদাদুল হক, বানারীপাড়া উপজেলায় গোলাম ফারুক, উজিরপুর উপজেলায় আব্দুল মজিদ সিকদার (বাচ্চু), গৌরনদী উপজেলায় সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী, আগৈলঝাড়া উপজেলায় আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, মুলাদী উপজেলায় তারিকুল হাসান খান মিঠু, হিজলা উপজেলায় সুলতান মাহমুদ। ঝালকাঠী জেলা: ঝালকাঠী উপজেলায় খান আরিফুর রহমান, নলছিটি উপজেলায় সিদ্দিকুর রহমান, রাজাপুর উপজেলায় মনিরুজ্জামান, কাঠালিয়া উপজেলায় এমদাদুল হক মনির। ভোলা জেলা: বোরহান উদ্দিন উপজেলায় আবুল কালাম। শেরপুর জেলা: নালিতাবাড়ী উপজেলায় মোশারফ হোসেন, শ্রীবরদী উপজেলায় আশরাফ হোসেন খোকা, ঝিনাইগাতী উপজেলায় এস এম আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম। মাদারীপুর জেলা: শিবচর উপজেলায় শামসুদ্দিন খান, কালকিনি উপজেলায় মীর গোলাম ফারুক, রাজৈর উপজেলায় আ. মোতালেব মিয়া। শরীয়তপুর জেলা: শরীয়তপুর সদর উপজেলায় আবুল হাসেম তপাদার, জাজিরা উপজেলায় মোবারাক আলী সিকদার, নড়িয়া উপজেলায় এ কে এম ইসমাইল হক, ভেদরগঞ্জ উপজেলায় হুমায়ুন কবীর, ডামুড্যা উপজেলায় মো. আলমগীর, গোসাইরহাট উপজেলায় সৈয়দ নাসির উদ্দিন। রাজবাড়ী জেলা: রাজবাড়ী সদর উপজেলায় সফিকুল ইসলাম, বালিয়াকান্দি উপজেলায় আবুল কালাম আজাদ, গোয়ালন্দ উপজেলায় নুরুল ইসলাম, পাংশা উপজেলায় এ কে এম শফিকুল মোরশেদ। মানিকগঞ্জ জেলা: মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় ইসরাফিল হোসেন, দৌলতপুর উপজেলায় নুরুল ইসলাম রাজা, ঘিওর উপজেলায় হাবিবুর রহমান, শিবালয় উপজেলায় রেজাউর রহমান খান, হরিরামপুর উপজেলায় দেওয়ান সাইদুর রহমান, সাটুরিয়া উপজেলায় আব্দুল মজিদ ফটো, সিঙ্গাইর উপজেলায় শহিদুর রহমান। গাজীপুর জেলা: কাপাসিয়া উপজেলায় আমানত হোসেন খান, কালিয়াকৈর উপজেলায় রেজাউল করিম, শ্রীপুর উপজেলায় আ. জলিল, কালীগঞ্জ উপজেলায় মোয়াজ্জেম হোসেন। নরসিংদী জেলা: নরসিংদী সদর উপজেলায় আফতাব উদ্দিন ভূঞা, পলাশ উপজেলায় সৈয়দ জাবেদ হোসেন, শিবপুর উপজেলায় হারুনুর রশীদ খান, মনোহরদী উপজেলায় সাইফুল ইসলাম খান, বেলাবো উপজেলায় সমসের জামান ভূঞা, রায়পুরা উপজেলায় মিজানুর রহমান। কিশোরগঞ্জ জেলা: কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় সাকাউদ্দিন আহাম্মদ রাজন, হোসেনপুর উপজেলায় শাহ জাহান পারভেজ, কটিয়াদি উপজেলায় তানিয়া সুলতানা, পাকুন্দিয়া উপজেলায় রফিকুল ইসলাম (রেনু), তাড়াইল উপজেলায় আজিজুল হক, করিমগঞ্জ উপজেলায় নাসিরুল ইসলাম খান, ইটনা উপজেলায় চৌধুরী কামরুল হাসান, মিঠামইন উপজেলায় আছিয়া আলম, অষ্টগ্রাম উপজেলায় শহীদুল ইসলাম, নিকলী উপজেলায় কারার সাইফুল ইসলাম, বাজিতপুর উপজেলায় ছারওয়ার আলম, কুলিয়ারচর উপজেলায় সৈয়দ হাসান সারওয়ার মহসিন, ভৈরব উপজেলায় সায়দুল্লাহ্ মিয়া। চাঁদপুর জেলা: চাঁদপুর সদর উপজেলায় নূরুল ইসলাম দেওয়ান, কচুয়া উপজেলায় মো. শাহজাহান, মতলব উত্তর উপজেলায় এম এ কুদ্দুস, মতলব দক্ষিণ উপজেলায় এ এইচ এম গিয়াস উদ্দিন, ফরিদগঞ্জ উপজেলায় মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, হাজীগঞ্জ উপজেলায় গাজী মাঈনুদ্দিন, শাহরাস্তি উপজেলায় ফরিদ উল্যাহ চৌধুরী। লক্ষীপুর জেলা: লক্ষীপুর সদর উপজেলায় আবুল কাশেম চৌধুরী, রামগঞ্জ উপজেলায় মনির হোসেন চৌধুরী, রায়পুর উপজেলায় মামুনুর রশিদ, কমলনগর উপজেলায় এ কে এম নুরুল আমিন, রামগতি উপজেলায় আবদুল ওয়াহেদ। চট্টগ্রাম জেলা: বোয়ালখালী উপজেলায় নুরুল আলম, পটিয়া উপজেলায় মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, আনোয়ারা উপজেলায় তৌহিদুল হক চৌধুরী, চন্দনাইশ উপজেলায় এ কে এম নাজিম উদ্দিন, লোহাগাড়া উপজেলায় খোরশেদ আলম চৌধুরী, বাঁশখালী উপজেলায় চৌধুরী মোহাম্মদ গালিব সাদলী। কক্সবাজার জেলা: কক্সবাজার সদর উপজেলায় কায়সারুল হক জুয়েল, পেকুয়া উপজেলায় আবুল কাশেম, কুতুবদিয়া উপজেলায় ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, মহেশখালী উপজেলায় মোহাম্মদ হোছাইন ইবরাহীম, রামু উপজেলায় রিয়াজ উল আলম, উখিয়া উপজেলায় হামিদুল হক চৌধুরী, টেকনাফ উপজেলায় মোহাম্মদ আলী। এর আগে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের উপজেলাগুলোতে ৮৭ ও ১২২ চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছিল আওয়ামী লীগ।
একটু সময় দিলে আমরা সব কাটিয়ে উঠতে পারবো: মোশাররফ
২৩ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাংগঠনিক শক্তি জোরদার করতে বিএনপি পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বেগম জিয়ার উপদেষ্টা তৈমুর আলম খন্দকারের দু টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান। দল সংগঠিত না করে জনগণকে নেতৃত্ব দেয়া সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন মোশাররফ। বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন,বিএনপি প্রস্তুত আছে। আমরা এখন হতভম্ব। একটু সময় দিলে আমরা সব কাটিয়ে উঠতে পারবো। তিনি আরো বলেন, যে যে জায়গায় আমাদের দুর্বলতা আছে সেগুলোকে চিহ্নিত করে ইতিমধ্যে আমরা দলের পুনর্গঠন শুরু করেছি। সংগঠনকে শক্তিশালী না করে জনগণকে নেতৃত্ব দিতে পারবো না। তাই সংগঠনকে শক্তিশালী করতে আমাদের কিছুদিন সময় নিতে হবে।
অগ্নিকাণ্ড নিয়ে বিএনপির বক্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন: তথ্যমন্ত্রী
২২ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুরান ঢাকার চকবাজারের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে বিএনপির বক্তব্যকে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যারা পেট্রোলবোমা মেরে মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের মুখে অগ্নিকাণ্ড নিয়ে অমূলক সমালোচনা শোভা পায় না। তিনি বলেন, সরকারবিরোধী আন্দোলনের নামে বিএনপি মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে, সে দায় নেতা হিসেবে বেগম জিয়া বা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, কেউই এড়াতে পারেন না। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ওই পেট্রোলবোমা হামলা চকবাজার ট্রাজেডির মতো এমন দুর্ঘটনা ছিল না। যারা মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে, তাদের মুখে অগ্নিকাণ্ড নিয়ে এমন মন্তব্য শোভা পায় না। ড. হাছান শুক্রবার সকালে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা হলে অভিনয় শিল্পীসংঘের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, মর্মান্তিক এ ঘটনায় মানবতার মমতাময়ী মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিনিদ্র রাত কাটিয়েছেন, বারবার দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, সরকার পূর্ণ তৎপর রয়েছে।' তিনি বলেন, এ ধরনের দুর্ঘটনায় সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে বিএনপির সহায়তা করা উচিত । প্রতিবেশী দেশ ভারতের উদাহরণ দিয়ে ড. হাছান বলেন, নির্বাচনের কয়েক মাস আগের সময়টিতেও সে দেশে বিরোধী দল দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজের ঘোষণা দিয়েছে। এটি দুর্ঘটনা নাকি উদ্দেশ্যমূলক, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে, তদন্ত শেষে দুর্ঘটনার কারণ বেরিয়ে আসবে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানির বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশ আজ মর্মাহত, শোকাহত। এমন সময়ে গণশুনানির নামে নাটক না করে তাদের উচিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশ নেয়া ও অনুপ্রেরণাদায়ী সকল শিল্পীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, শিল্পচর্চা জাতিকে সমৃদ্ধ করে। দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে অভিনয় শিল্পীদের অবদান সমুন্নত রাখতে বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের যুগান্তকারী বিকাশ সাধনসহ বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। চলতি বছরে একুশে পদকপ্রাপ্ত তিন শিল্পী সুবর্ণা মুস্তফা, লিয়াকত আলী লাকী ও লাকী ইনামকে এ সময় অভিনয় শিল্পী সংঘের সম্মাননা স্মারক তুলে দেন তথ্যমন্ত্রী। অভিনয়শিল্পী সংঘের সভাপতি শহিদুল আলম সাচ্চুর সভাপতিত্বে সৈয়দ হাসান ইমাম, মামুনুর রশীদ, ড. ইনামুল হক, তৌকির আহমেদ, আফসানা মিমি, মাহফুজ, তানভীন সুইটি, তানিয়া, আহসান হাবিব নাসিমসহ কয়েকশ অভিনয় শিল্পী সম্মেলনে অংশ নেন।
নির্বাচনে অংশ না নেয়ার অর্থ হচ্ছে জনগণ থেকে দূরে থাকা: তথ্যমন্ত্রী
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়ার জন্য, তাদের নিয়ে জোট ও সরকার গঠন করার কারণেই জামায়াতের পাশাপাশি বিএনপিরও ক্ষমা চাওয়া উচিত। বুধবার দুপুরে রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় শেখ হাসিনা গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী একথা বলেন। সুজন হালদার বইটি রচনা করেছেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক গোলাম রব্বানী বাবলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান, ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার রায় প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। ড. হাছান বলেন, জামায়াতে ইসলামী যে এতদিন ধরে বাংলাদেশে রাজনীতি করছে এবং বিএনপি তাদের সঙ্গে জোট গঠন করেছে, একসঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে, ফলে বিএনপিও সেই একই অপরাধে অপরাধী এবং দায়মুক্তি পাওয়ার যোগ্য নয়। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নেতার পদত্যাগের এবং ক্ষমা চাওয়ার কথা দেশের ভেতর ও বাইরের চাপ থেকে মুক্ত হওয়ার কৌশলের অংশ। তারা দলগতভাবে ক্ষমা চাইলেও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, নারী নির্যাতনের অপরাধ থেকে দায়মুক্তি পেতে পারে না। তথ্যমন্ত্রী নির্বাচনে অংশ না নেয়ার অর্থ হচ্ছে জনগণ থেকে দূরে থাকা; উল্লেখ করে বলেন, বিএনপির আসন্ন উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশনসহ বিভিন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্তের অর্থ হচ্ছে জনগণ থেকে ক্রমেই আরো দূরে সরে যাওয়া। গত সংসদ নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পর তারা হয়তো নির্বাচন করতে সাহস পাচ্ছে না। কিন্তু বিএনপিকে আমি বলব খানিকটা সাহস সঞ্চয় করে নির্বাচনে আসতে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কীর্তিময় জীবনের ওপর আলোকপাত করে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে যেমন উন্নয়ন, শান্তি, গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মুক্ত চেতনা ও অসাম্প্রদায়িকতার প্রতীক, তেমনি বিস্ময়কর মানবতারও প্রতীক। ১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে তিনি আশ্রয় দিয়েছেন পরম মমতায়। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা জাতির পিতার মৃত্যুতে পিতৃহীন সন্তানদের বুকে আগলে রেখেছেন মমতাময়ী মায়ের মতন; দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন বিস্ময়কর উন্নয়নের গণতান্ত্রিক যাত্রায়; তিনি আজ শুধু ব্যক্তি নন, এক অনন্য প্রতিষ্ঠান। হাছান মাহমুদ বলেন, ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস শুধু তার প্রত্যাবর্তন নয়, সেটি ছিল উন্নয়ন, শান্তি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র- এসবেরই প্রত্যাবর্তন। মন্ত্রী এ সময় গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় শেখ হাসিনা গ্রন্থটি সকলকে পড়ে দেখতে অনুরোধ জানান।