নির্বাচনকালীন একটি নিরপেক্ষ সরকার থাকতে হবে
ডেস্ক রিপোর্ট :বাংলাদেশের নির্বাচনকালীন সামাজিক সংস্কৃতি অনুযায়ী এখানে একটি নিরপেক্ষ সরকার থাকতে হবে। এর কোনও বিকল্প নেই। পার্লামেন্ট ভেঙে দিতে হবে ও সবার আগে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। বললেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (২১ জুন) দুপুরে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে তিনি এসব বলেন। সেখানে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) একাংশ আলোচনা সভার আয়োজন করে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আপনারা ক্ষমতায় থাকবেন, হেলিকপ্টার চড়ে ঘুরে ঘুরে ভোট চাইবেন আর বিরোধী দলকে একটা কথাও বলতে দেবেন না, তাদেরকে ধরে ধরে নিয়ে জেলে ভরবেন— এভাবে করলে তো হবে না। নির্বাচনে সমান মাঠ থাকতে হবে। মির্জা ফখরুল বলেন, গত রাতেও (বুধবার) গাজীপুরের কাশিমপুরে আমাদের দলের ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ কারণে গাজীপুরের পুলিশ সুপারকে সরানোর জন্য বলে আসছি আমরা। যেদিন আমাদের প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলো আর জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলো, তাকেসহ ৫৭ জনকে গ্রেফতার করলো। তিনি বলেন, হাইকোর্ট যেদিন নির্বাচন বন্ধ করলো ওইদিন আমাদের আব্দুল্লাহ আল নোমানসহ ২১৩ জনকে মামলা দিলো। এটা হলো আমাদের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, এটা হলো আমাদের সিইসি সাহেবের খুলনার মতো নির্বাচন না হওয়ার নমুনা। আমি জানি না, এই দেশ আওয়ামী লীগ সরকার চালাচ্ছে নাকি অন্য কেউ?
দেশ রক্ষায় তরুণ প্রজন্মকেও এগিয়ে আসতে হবে
ডেস্ক রিপোর্ট : দেশে এখন বাকশালের চেয়েও ভয়ংকর শাসন চলছে বলে মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‌‘দেশ রক্ষায় তরুণ প্রজন্মকেও এগিয়ে আসতে হবে।’ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) একাংশ আয়োজিত ‘সংবাদপত্রের কালো দিবসের’ আলোচনা সভায় একথা বলেন বিএনপির মহাসচিব। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ঘোষণা দিয়ে একদল ঘোষণা করা হয়েছিল। পত্রপত্রিকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল যে এই কথাগুলো বলা যাবে না, এটা করা যাবে না। টেয়ার ওয়াজ অ্যা স্টেট ল। আইন করে, রাষ্ট্রের বিধান করা হয়েছিল। আজকে কিন্তু একদম পুরো প্রতারণা এবং একটা পুরোপুরিভাবে মানুষকে বোকা বানিয়ে তথাকথিত গণতন্ত্রের একটা ছদ্মবেশ লাগিয়ে, আবরণ লাগিয়ে একই ঘটনা ঘটছে, আরো বেশি রকম করে ঘটছে।
নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের অবস্থা সবচেয়ে দুর্বল
নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের অবস্থা সবচেয়ে দুর্বল, তাই মিথ্যা মামলা দিয়ে বিএনপি নেতা কর্মীদের উপর অত্যাচার কার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী হাই কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ। সকালে নয়া পল্টনের ব্রিফিংয়ে তাকে ৭ দিন বাড়িতে অবরুদ্ধ রাখার অভিযোগ করেন তিনি। বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ বলেছেন, নোয়াখালীতে সবচেয়ে বেশি নির্যাতন করছে, কারণ তারা জানে এখানে তাদের অবস্থা খুবই দুর্বল। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, এই অঞ্চলে অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়নের মাধ্যমে, মামলা-মকদ্দমা দিয়ে এবং আমরা যাতে কেউ মাঠে নামতে না পারি তার জন্য পুলিশকে দিয়ে সরকার এই কাজ গুলো করছে।
যুবদল সাধারণ সম্পাদক টুকু রিমান্ডে
ডেস্ক রিপোর্ট :বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম প্রণব কুমার হুই এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই মুহম্মদ সাইফুল ইসলাম খান রাজধানীর শাহবাগ থানার ওই মামলায় সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। গত ১২ জুন এই রিমান্ড আবেদন করা হয়। বুধবার ওই রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হয়। শুনানিকালে টুকুকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলায় বলা হয়, গত ৬ মার্চ দুপুর ১২টায় বিএনপির কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন শেষে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল সহকারে প্রেসক্লাব থেকে বের হতে চেষ্টা করে। এ সময় বাধা দিলে তারা পুলিশের উপর চড়াও হয়। তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে, পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা দেয় ও গাড়ি ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশের এসআই সুজন কুমার রায় ওইদিন বাদী হয়ে রাজধানীর শাহবাগ থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় গত ১২ জুন রাতে টুকুকে উত্তরার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এরপর গত ১২ জুন তাকে পরে তাকে রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে হাজির করা হয়। তবে ওইদিন মামলার ‘কেস ডকেট’ না থাকায় আদালত ২০ জুন রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করে টুকুকে কারাগারে পাঠায়।
২০ দলীয় জোটের বৈঠক অনুষ্ঠিত
ডেস্ক রিপোর্ট :আসন্ন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনসহ তিন সিটি নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা ও জোট প্রধান খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে ২০ দলীয় জোটের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার সকাল ১১ টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভায় বরিশাল, রাজশাহী, সিলেটে জোটের পক্ষ থেকে একক প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে ক্ষেত্রে আগামী ২৭ জুন পরবর্তী জোটের শীর্ষ বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। সভায় জোটনেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা প্রদানের জন্য ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়। সভায় জাতীয় পার্টি (জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক ডেপুটি মেয়র খালেকুজ্জামান চৌধুরীর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। পবিত্র রমজানে ও ঈদের ছুটিতে বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ জানিয়ে গ্রেপ্তারকৃতদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে সভায় মাদক নির্মূলের নামে বিচরবর্হিভূত হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য আব্দুল হালিম, জাতীয় পার্টি (জাফর) মহাসচিব মোস্তোফা জামাল হায়দার, বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, এনডিপি চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, এনপিপি চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, খেলাফত মজলিশের মহাসচিব ড. আহমেদ আব্দুল কাদের, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তোফা ভুইয়া, জাগপা সভাপতি রেহেনা প্রধান, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমান, বিএমএল সভাপতি এ এইচ এম কামরুজ্জামান খান, লেবার পার্টি (একাংশ) চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, (অপরাংশ) মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদি, ডিএল সাইফুদ্দিন মনি, পিপলস্ লীগ মহাসচিব সৈয়দ মাহবুব হোসেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান আবু তাহের চৌধুরী, ইসলামীক ঐক্যজোট চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এম এ রাকিব।
সরকারের প্রতি বিশ্বাস করা যায় না
গাজীপুরের জনগণকে সাহসী উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, তাই আসন্ন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সরকার ইচ্ছা করলেও তেমন ক্ষতি করতে পারবে না। মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুরের হাড়িনাল এলাকায় সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন নজরুল ইসলাম খান। বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘যে প্রক্রিয়ায় এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে ২০১৪ সালে এবং এই পরবর্তী পর্যায়ে বিভিন্ন নির্বাচনে তার যে আচরণ তাতে এই সরকারের প্রতি বিশ্বাস করা যায় না যে সরকার একটা নির্বিঘ্ন এবং একটা অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন দেবে। নির্বাচন কমিশনের ওপর সরকারের প্রভাব যে কত বেশি এটা আমরা খুলনায় দেখলাম। কিন্তু তারপরও আমরা আশা করি যে মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহ্যমণ্ডিত গাজীপুর। এই এলাকার মানুষ অনেক সাহসী এবং আমরা বিশ্বাস করি যে সাহস করে তারা নির্বাচন কেন্দ্রে থাকবে এবং ভোট দেবে এবং সরকার ইচ্ছা করলেও এখানে তেমন কিছু ক্ষতি করতে পারবে না।’ এর আগে হাড়িনাল এলাকায় ধানের শীষ প্রতীকের মেয়র পদপ্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ হাসান উদ্দিন সরকারের পক্ষে ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ করেন নজরুল ইসলাম খান। সেই সঙ্গে বক্তব্য দেন পথসভায়। এ সময় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন, বিএনপির আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সড়ক দুর্ঘটনার কবলে মোশাররফ, নিহত ১
সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের গাড়িবহর। এ ঘটনায় রায়হান নামে এক ছাত্রদলকর্মী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৯ জুন) দুপুর ১২টায় কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা থেকে ২৫টি মাইক্রোবাসের বহর নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানের ছেলের বৌভাত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আমিরাবাদ ইউটার্নে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস বেপরোয়া গতিতে এসে তার বহরের তিনটি মাইক্রোবাস ও দাঁড়িয়ে থাকা দু’টি প্রাইভেটকারকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দাউদকান্দি পৌর ছাত্রদলকর্মী রায়হানের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পৌর ছাত্রদল সভাপতি আল আমিনসহ গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। তাদের মধ্যে ১০ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় খন্দকার মোশাররফ হোসেনের কিছু হয়নি। আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছি।
২১ জুন সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে আগামী ২১ জুন সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে বিএনপি। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি জানান, আগামী ২১ জুন দেশের জেলা ও মহানগরীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে বিএনপি। রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘দেশের সর্বজনপ্রিয় নন্দিত-নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে শুধু অন্যায়ভাবে সাজাই দেওয়া হয়নি, এখন তাঁর ওপর চলছে নানা কায়দায় অমানবিক নিষ্ঠুর নির্যাতন। তাঁর শারীরিক অসুস্থতার যাতে যথাযথ চিকিৎসা না হয় তার জন্য সরকার এমন কোনো ফন্দি নাই যা আঁটছে না। চিকিৎসাকে বিলম্বিত করার জন্য মন্ত্রীদের দিয়ে নানা কাহিনী শোনানো হচ্ছে মানুষকে।’ রিজভী বলেন, ‘বারবার কারাবিধির কথা বলে মন্ত্রীরা বেগম জিয়াকে তাঁর যথাযথ চিকিৎসা নিতে বিষয়টিকে গায়ের জোরে আটকাতে চাচ্ছে। কারাবিধি নিয়ে মন্ত্রীদের কথায় মনে হয় তারা যেন ধর্মীয় বাণী আওড়াচ্ছেন যেটির বরখেলাপ হলে মহাপাপ হয়ে যাবে।’ রিজভী আরো বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে চান এইজন্য যে, এর আগে তিনি সেখানে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক, উন্নতমানের পরীক্ষা নিরীক্ষার যন্ত্রপাতি-যেগুলো সুযোগ ইউনাইটেড হাসপাতালে রয়েছে বলেই তিনি সেখানে চিকিৎসা করাতে চান। রোগী সাধারণত আস্থাভাজন চিকিৎসকের কাছেই যেতে চান।’ রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নিজ দেশেরই একটি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে চাচ্ছেন যেখানে তাঁর যথাযথ চিকিৎসা হবে বলে তিনি মনে করেন। আর এই জন্য রাষ্ট্রের কোনো টাকা লাগবে না - তাঁর আত্মীয়স্বজনরাই চিকিৎসার ব্যয় বহন করবে বলে সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছেন। ১৮৯৪ সালে কারাবিধি যখন তৈরি হয় তখন ইউনাইটেড বা স্কয়ার হাসপাতাল ছিল না। কিন্তু এখন বেসরকারি হাসপাতালে সেবার মান উন্নতমানের বলেই মানুষ সেখানে ভিড় করে। সরকারি হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার থাকলেও সেবার মান এত নিম্নমানের যে মানুষ জমি-জায়গা বিক্রি করে হলেও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসে। বিদ্যমান কারাবিধিতেই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী স্কয়ারের ন্যায় বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন, এ বিষয়টি আইনমন্ত্রী, সেতুমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এড়িয়ে যান।