ভাগ্নেকে মনোনয়ন দিয়েছে সিইসিকে কাজে লাগাতে : রিজভ
অনলাইন ডেস্ক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার ভাগ্নে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ায় তাঁকে পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রিজভী বলেন, সিইসিকে ক্ষমতাসীনদের পক্ষে কাজে লাগানোর জন্যই তাঁর ভাগ্নে এস এম শাহজাদা সাজুকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিয়েছে। সাজুকে মনোনয়ন দেওয়া সরকার কর্তৃক সিইসিকে ভেট দেওয়ার একটি পরিষ্কার উদাহরণ। আমরা মনে করি, এই মনোনয়ন সিইসির জন্য স্বার্থের সংঘর্ষের একটি সুস্পষ্ট ক্ষেত্র তৈরি করেছে, যার কারণে সিইসি স্বীয় পদে অব্যাহত থাকার নৈতিক অধিকার সম্পূর্ণভাবে হারিয়েছেন। তাঁর পক্ষে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার যে আওয়ামী লীগের অঘোষিত নেতা, তা তাঁর কর্মকাণ্ডে প্রমাণিত। সিইসি নির্বাচন কমিশনের প্রধান হওয়ার কারণে নিজে নৌকায় না উঠে ভাগ্নেকে নৌকার মাঝি করলেন। আজ সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রুহুল কবির রিজভী। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) সংসদীয় আসনে গতকাল রোববার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন সিইসির আপন বোনের ছেলে এস এম শাহজাদা সাজু। রিজভী দাবি করেন, সেখানকার আওয়ামী লীগের আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেছেন, আমাকে মনোনয়ন না দেওয়ার কারণ একটি, সেটি হলো শাহজাদা সিইসির ভাগ্নে। ২০০১ সালের নির্বাচনে ভাই বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ায় তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব ড. শাহ মোহাম্মদ ফরিদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগে দৃষ্টান্তের কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, যাতে স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্ন কোনোভাবেই উঠতে না পারে। কারণ সেই নির্বাচনে তাঁর ভাই বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। যদিও তিনি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন না। তবু তিনি পদত্যাগ করে এক অসাধারণ নজির স্থাপন করেছিলেন। রিজভী বলেন,আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি যে, ভাগ্নে সাজুর মনোনয়নের পরিপ্রেক্ষিতে সিইসি অনুরূপ উচ্চনৈতিক মান প্রদর্শন করে অবিলম্বে স্বীয় পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন।
প্রার্থী পাল্টাতে পারে বিএনপি ৫০ আসনে
অনলাইন ডেস্ক: ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে যারা ধানের শীষ নিয়ে লড়েছেন, তাদের মধ্যে অন্তত ৫০ জন বাদ পড়বেন আগামী জাতীয় নির্বাচনে। তাদের জায়গায় নতুন মুখ দেবে বিএনপি। ৩০ ডিসেম্বরের ভোটে লড়তে এরই মধ্যে দলীয় প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত করেছে বিএনপি। দুই জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এবং ২০ দলের শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করে নাম ঘোষণা করতে চায় দল। সুনির্দিষ্ট করে না বললেও নেতারা জানাচ্ছেন, বিএনপির প্রার্থী হিসেবে যাদের মুখে শেষ হাসি ফুটবে তাদের অধিকাংশই সাবেক সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী। সম্ভাব্য প্রার্থীর মৃত্যু, বার্ধক্যজনিত বা আইনি বাধায় নির্বাচন করতে পারবেন না এমন অনেক আসনে স্বাভাবিকভাবেই নতুন মুখ ধানের শীষ প্রতীক পাবেন। যদিও এমন আসনে নেতাদের স্বজনরা অগ্রাধিকার পাচ্ছেন। দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অতীতে সংসদ সদস্য ছিলেন, বিরোধী দলে থাকলেও দলের সঙ্গে ছিলেন, আন্দোলনে অবদান ছিল এমন নেতাদের মনোনয়নবঞ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে কেউ কেউ পুরো সময় ধরে নিষ্ক্রিয় ছিলেন এমন নেতাদের কারও কারও কপাল পুড়তে পারে। এ ছাড়া দুই জোটের শীর্ষ নেতারা যেসব আসনে নির্বাচন করবেন, সেখানে বিএনপির জনপ্রিয়দেরও কেউ কেউ বাদ পড়তে পারেন। আজ থেকে দলের চূড়ান্ত মনোনয়নপ্রাপ্তদের চিঠি দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে। যদিও গতকাল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তিন দিনের মধ্যে আমরা চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করব। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থায়ী কমিটির একজন প্রভাবশালী সদস্য বলেন, নতুন, পুরান বলা মুশকিল। তবে দলও রাখতে হবে, জোটও রাখতে হবে। দলে অবদান, অতীত দেখতে হবে। শুধু সার্টিফিকেট দেখে প্রার্থী করা যাবে না। তবে সবকিছুর পরও যিনি জিততে পারবেন, তার ব্যাপারে সর্বোচ্চ ছাড় দিতে হবে। গত কয়েক দিনের টানা বৈঠকে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও স্কাইপে যুক্ত ছিলেন। আসনভিত্তিক প্রার্থী ধরে ধরে যাচাই-বাছাই করে শীর্ষ নেতাদের কিছু আসনে একজন অতিরিক্ত রেখে চূড়ান্ত হওয়া অন্য আসনগুলোতে মূল প্রার্থীর বাইরেও দুজন করে প্রার্থী রাখা হয়েছে, যাতে কোনো কারণে একজনের নির্বাচন করতে সমস্যা হলে অন্যজন লড়তে পারেন। দলের দপ্তরের সঙ্গে সম্পৃক্ত একজন নেতা বলেন, যাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে, তাদেরকে ওভারফোনে ডেকে দলীয় চিঠি দেওয়া হবে। পরে তারা নিজ নিজ রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দেবেন। কাল থেকে সেটা শুরু হতে পারে বলে জানি। বিএনপি সর্বশেষ ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। ওই সময় ২৫৯টি আসনে বিএনপি এককভাবে দলীয় প্রার্থী দিয়েছিল। ওই নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীসহ জোটের অন্য শরিকদের ৪১টি আসন ছেড়েছিল বিএনপি। যদিও এবার ২০ দলীয় জোট ছাড়াও নতুন সঙ্গী হয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। যে কারণে আসন বণ্টন করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে দলটির শীর্ষ নেতাদের। যেসব আসনে পাল্টাতে পারে প্রার্থী বার্ধক্যের কারণে স্থায়ী কমিটির সদস্য জমির উদ্দিন সরকারের জায়গায় পঞ্চগড়-১ আসনে নতুন মুখ হিসেবে জমির উদ্দিন সরকারের ছেলে নওশাদ জমির সম্ভাব্য প্রার্থী। পঞ্চগড়-২ আসনে নতুন মুখ আসবে। এখানে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদ না হয় জাগপার তাসমিয়া প্রধান নির্বাচন করতে পারেন। দিনাজপুর-২ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান নির্বাচন না করলে বিএনপির স্থানীয় নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম নির্বাচন করতে পারেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম মারা যাওয়ায় যশোর-৩ আসনে অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সম্ভাবনা বেশি। প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মানিকগঞ্জ-১ আসনে খোন্দকার আখতার হামিদ ডাবলু বা আকবর হোসেন বাবলুর মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। মানিকগঞ্জ-২ আসনে সাবেক মন্ত্রী শামসুল ইসলাম খানের ছেলে মঈনুল ইসলাম শান্ত, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে মরহুম হারুনার রশীদ খান মুন্নুর আসনে তার মেয়ে আফরোজা খান রিতা নতুন মুখ হিসেবে নির্বাচন করতে পারেন। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর চট্টগ্রাম-৭ আসনে তার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী বা স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী, হান্নান শাহর গাজীপুর-৪ আসনে ছেলে রিয়াজুল হান্নানের সম্ভাবনা বেশি। এম শামসুল ইসলামের মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হাই ও শামসুল ইসলামের ছেলে সাইফুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন মনোনয়ন চেয়েছেন। এখানে প্রার্থী বদল হতে পারে। নওগাঁ-৩ আসনে সাবেক ডেপুটি স্পিকার আখতার হামিদ সিদ্দিকীর ছেলে পারভেজ হামিদ সিদ্দিকী মনোনয়ন পেতে পারেন। তার স্ত্রী নাসরিন জাহান সিদ্দিকীর কথাও শোনা যাচ্ছে। ফজলুর রহমানের (পটল) নাটোর-১ আসনে তার স্ত্রী কামরুন্নাহার শিরিন বা বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু মনোনয়ন পেতে পারেন। জয়পুরহাট-১ আসনে প্রয়াত নেতা আব্দুল আলীমের ছেলে ফয়সল আলীম নির্বাচন করতে পারেন। কক্সবাজার-১ (চকরিয়া) আসনে সালাহউদ্দিন আহমেদ নির্বাচন করতে না পারলে ২০০৮ সালের মতো এবারও তার স্ত্রী হাসিনা আহমেদ প্রার্থী হতে পারেন।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার কাণ্ডারি শেখ পরিবারের ৮ সদস্য
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের আট সদস্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর বড় মেয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জ-৩ এবং রংপুর-৬ আসন থেকে এবার নির্বাচন করবেন। বঙ্গবন্ধুর ভাগনে শেখ ফজলুল করিম সেলিম গোপালগঞ্জ-২ আসনের কয়েকবারের সংসদ সদস্য। তিনি এবারও মনোনয়ন পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর আরেক ভাগনে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য। এবারও তিনি মনোনয়ন পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর ছোটভাই শেখ আবু নাসেরের দুই ছেলে এবার মনোনয়ন পেয়েছেন। তারা হলেন শেখ হেলাল উদ্দিন বাগেরহাট-১ ও শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল খুলনা-২। শেখ হেলাল উদ্দিন কয়েকবারের সংসদ সদস্য। শেখ হেলাল উদ্দিনের ছেলে শেখ সারহাম নাসের তন্ময় এবার বাগেরহাট-২ আসনে নৌকার নতুন কাণ্ডারি। এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য মীর শওকাত আলী বাদশা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগনে শেখ ফজলুল হক মনির বড় ছেলে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস ঢাকা-১০ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য। তিনি পুনরায় মনোনয়ন পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগনে ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরীর বড় ছেলে নূর-ই-আলম চৌধুরী (লিটন চৌধুরী) মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য। তিনি আবারও দলের মনোনয়ন পেয়েছেন।
কোন দল পাচ্ছে কত আসন? বিএনপির মনোনয়ন ঘোষণা আজ
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে আজ মনোনয়ন প্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করার কথা রয়েছে বিএনপি’র। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিএনপির ২৪০ আসনে মনোনয়ন দেয়ার কথা রয়েছে। সোমবার (২৬ নভেম্বর) দলটির একাধিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। এখনও পর্যন্ত আসন নিয়ে যে সিদ্ধান্ত হয়েছে তার মধ্যে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে বলেও জানিয়েছে সূত্রটি। ওই সূত্র জানায়, ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের পর তাদের আসন বণ্টনের বিষয়টি ঠিক করা হয়। ঐক্যফ্রন্টকে ১৮টি আসন দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অন্যদিকে ২০ দলের অন্যান্য শরিকদের জন্য রাখা হয়েছে ৪২টি। জোটের মধ্যে জামায়াতের জন্য ২৫টি আসন বরাদ্দ রাখা হয়েছে। অন্যদিকে এলডিপিকে জোটের পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে চারটি আসন, বিজেপিকে একটি, এনপিপিকে একটি এবং কল্যাণ পার্টিকে দেয়া হয়েছে একটি আসন।
জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের বদলি চায় ২০ দলীয় জোট: অলি আহমেদ
অনলাইন ডেস্ক: পক্ষপাতদুষ্ট জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারদের (এসপি) বদলির দাবি জানিয়েছে ২০ দলীয় জোট। একইসঙ্গে ২০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রীদের পিএস ও এপিএসদের নির্বাচনে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ না দেয়ারও দাবি জানানো হয়। রোববার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ২০ দলীয় জোটের একটি প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান, ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপির) চেয়ারম্যান ও জোটের অন্যতম নেতা কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ। তিনি বলেন, ইসি আমাদের ১৩ দফা দাবি গুরুত্ব দিয়ে শুনেছেন এবং দাবিগুলো বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। এলডিপি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা বিতর্কিত কর্মকর্তাদের শাস্তি চাই না, বদলি চাই। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে এক জেলার কর্মকর্তাদের অন্য জেলায় বদলি করা জরুরি। এখনও সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি হয়নি। পুলিশ নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করছে। ইসির নির্দেশনার মাঠ পর্যায়ে কোনো প্রতিফলন নেই। কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বলেন, এখনও সারাদেশে গায়েবি মামলায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এসব মামলায় কোনো আসামির নাম উল্লেখ না থাকায়, নির্বাচনের আগে পুলিশ বিএনপির এজেন্টদের এসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখাবে। তাই আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এসব মামলা স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছি। তিনি বলেন, আজকের দিন পর্যন্ত ইসি প্রমাণ করতে পারেননি তারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করছেন। তাদের সীমাবন্ধতা আছে সেটা আমরা জানি, তবে আমরা যে ১৩টি প্রস্তাব এনেছি তাতে ইসি একমত হয়েছে। ২০ দলীয় জোটের দাবি সম্বলিত চিঠিতে বলা হয়, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে কয়েকদিন আগে নির্বাচন কমিশনে বিতর্কিত কর্মকর্তাদের তালিকা দেয়া হয়েছিল। তাদের নির্বাচনকালীন সময়ে অন্যত্র বদলির দাবি জানানো হয়েছিল। ২০ দলীয় জোটের প্রতিনিধি দলও মনে করে এগুলোর বাস্তবায়ন জরুরি। নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য অতীতে এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ইসি। চিঠিতে আরও বলা হয়, ইসির নির্দেশনা সত্ত্বেও সরকারের এমপি-মন্ত্রীরা সব ধরনের সুযোগ সুবিধা ব্যবহার করে নির্বাচনী এলাকা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা যায় না। কমিশনকে এ ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্বাচনকালীন সময়ে সরকারি রেডিও ও টেলিভিশন ইসির নিয়ন্ত্রণে থাকা বাঞ্ছনীয় বলেও মনে করে বিশ দলীয় জোট। বেসরকারি গণমাধ্যমের নিরপেক্ষতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ইসির তরফ থেকে একটি গাইড লাইন করা প্রয়োজন। ১৫ ডিসেম্বর থেকে নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা প্রয়োজন। এসময় আরও উপিস্থত ছিলেন, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়ম মোহাম্মদ ইব্রাহিম প্রমুখ।
অন্য কাউকে নিয়োগ দিতে হবে সিইসির জায়গায়,অন্যথায় আইনি ব্যবস্থা: ড. কামাল
অনলাইন ডেস্ক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ মন্তব্য করে তার পদত্যাগ দাবি করেছেন গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে রোববার ড. কামাল হোসেন এ দাবি করেন। এদিন আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থমন্ত্রী প্রয়াত শাহ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া, সাবেক জেনারেল (অব.) আবছা আমিন এবং একুশে টেলিভিশনের সাবেক মালিক আবদুস সালাম গণফোরামে যোগ দেন। ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন,প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিরপেক্ষ হচ্ছে না। তাই তার জায়গায় অন্য কাউকে নিয়োগ দেওয়া হোক। আর তা না হলে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব। ড. কামাল বলেন,যারা আদিষ্ট হয়ে কাজ করে তারা সংবিধান লঙ্ঘন করছে। এদের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। গণফোরাম সভাপতি বলেন, অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব। এ জন্য চারদিকে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকবে। রাষ্ট্রের মালিক ভেবে জনগণকে ব্যবস্থা নিতে হবে। যদিও সরকার নানা অগণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করে রেখেছে। বিনা কারণে, বিনা অপরাধে গ্রেফতার, অন্তরীণ চলছে। ড. কামাল বলেন, আমরা সুশাসন চাই, গণতন্ত্র চাই। সুষ্ঠুভাবে জনগণ যাতে ভোট দিতে পারে সেই পদক্ষেপ সরকারকে নিতে হবে। পুলিশ এক্ষেত্রে সুন্দর ভূমিকা পালন করতে পারে। তারা যদি নিজেদের সরকারের বাহিনী না ভেবে রাষ্ট্রের বাহিনী মনে করে তাহলেই তা সম্ভব। তিনি আরও বলেন,এতদিন যা হয়েছে আমরা তা মেনে নিয়েছি। এখন থেকে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জন্য যা যা পদক্ষেপ নেওয়া দরকার সরকারকে নিতে হবে। তা না হলে আমরা কঠিন পদক্ষেপ নেব।
নবম সংসদ নির্বাচনে ৭০ আসনে ধানের শীষ চান নারীরা
অনলাইন ডেস্ক: নবম সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রধান বেগম খালেদা জিয়াসহ বিএনপি থেকে ১৩ আসনে ১১ জন নারী সরাসরি নির্বাচন করেছিলেন। এবার দলের আরও বেশি সংখ্যক নারীনেত্রী নামতে চাইছেন ভোটের লড়াইয়ে। সারা দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ আসনেই ধানের শীষের প্রার্থী হতে চান নারীরা। তাদের মধ্যে বেশির ভাগ সাবেক ছাত্রদল ও মহিলা দলের নেত্রী, সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। আগ্রহীদের মধ্যে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের স্ত্রী, কন্যাদের সংখ্যাও কম নয়। মনোনয়নপ্রত্যাশীরা বলছেন, ভোটে লড়ার যোগ্যতা তাদের আছে। দলের বিপদে মাঠে ছিলেন। নেতাকর্মীদের কাছেও গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন। যে কারণে তারা এবার মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। তবে কেউ কেউ ভবিষ্যতের নির্বাচনের কথা ভেবে এবার মনোনয়ন চেয়েছেন। ২০২০ সালের মধ্যে দলের সব কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী নেতৃত্ব পূরণের প্রতিশ্রুতি আছে রাজনৈতিক দলগুলোর। নইলে নিবন্ধন ঝুঁকিতে পড়বে। তবে সেই কোটা এখনো পূরণ হয়নি। আর নারী মনোনয়নপ্রত্যাশীরা মনে করছেন, তাদের প্রার্থী করার মধ্য দিয়ে বিএনপি এই শর্ত পূরণের পথে এগিয়ে যেতে পারবে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রতিবারই একাধিক আসনে নির্বাচিত হয়েছেন। দুর্নীতির দুই মামলায় তিনি কারাগারে থাকলেও তার পক্ষে বগুড়া-৬ ও ৭ এবং ফেনী-১ আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। ২০০৮ সালে বরিশাল-৩ আসন থেকে নির্বাচন করে হেরে যান বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান। সাবেক প্রতিমন্ত্রী এবারও এই আসন থেকে মনোনয়ন চান। ঢাকা-৯ আসনে ধানের শীষ চাইছেন দলের স্বনির্ভর সম্পাদক ও নব্বইয়ের ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম শীর্ষ নেত্রী শিরিন সুলতানা। ঢাকা-১৩ থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী হেলেন জেরিন খান। ২০০৮ সালে তিনি মাদারীপুর-২ আসনে ধানের শীষ নিয়ে ভোটে লড়েছিলেন। হেলেন জেরিন ঢাকা টাইমসকে বলেন,আমাদের মধ্যে অনেক নেত্রী আছেন, যারা পুরুষ নেতাদের থেকেও যোগ্যতাসম্পন্ন। আশা করি, মনোনয়ন পেলে ভালো করব। আমি ৩২ বছর ধরে টানা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। দলের বিপদে লুকিয়ে থাকি নাই কখনো। বান্দরবান থেকে মা ম্যা চিং দলীয় মনোনয়ন চান। সংস্কারপন্থী থেকে দলে ফেরা ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো ঝালকাঠি-২ আসনে লড়তে চান। তিনি ওই আসনে জিতেছেন দুবার। জামালপুর-১ আসনে শাহিদা আক্তার রিতা ২০০৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। এবারও তিনি মনোনয়নপ্রত্যাশী। প্রয়াত নাসিরউদ্দীন আহমেদ পিন্টুর বোন ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সহসভাপতি ফেরদৌস আহমেদ মিষ্টি মনোনয়ন চেয়েছেন ঢাকা-১৪ আসন থেকে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক রুমিন ফারহানা, নীলফামারী-৪ আসনে কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন, সিরাজগঞ্জ-১ আসনে কনক চাঁপা ধানের শীষ প্রতীকে লড়তে চান। নাটোর-১ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে মনোনয়ন চেয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া। সিলেট-১ আসনে নুরুন্নাহার বেগম, সিলেট-৬ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য হাদিয়া চৌধুরী মুন্নী চেয়েছেন মনোনয়ন। মৌলভীবাজার-৩ আসনে মনোনয়ন চান সাবেক সংসদ সদস্য খালেদা রব্বানী, বরিশাল-৪ ও ৫ আসনে চেয়েছেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন। বিলকিস জাহান বলেন,সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে রাজনীতিতে নারীরা সক্রিয় হয়েছেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে নারীরা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছেন। আমরা আশা করি, সবকিছু বিবেচনা করে আমরা যারা তৃণমূলের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাদের মনোনয়ন দেবে। বরিশাল সদর আসনে ছাত্রদলের নেত্রী আফরোজা খানম নাসরিন, ঝালকাঠি-১ আসনে মমতাজ বেগম, ময়মনসিংহ-১১ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য নূরজাহান ইয়াছমিন, চট্টগ্রাম-১০ আসনে নগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, চট্টগ্রাম-২ আসনে মহিলা দলের সাবেক সভানেত্রী নুরে আরা সাফা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর জেসমিনা খানম, চট্টগ্রাম-৬ আসনে ফরিদা আকতার, চট্টগ্রাম-৯ আসনে বেগম ফাতেমা বাদশা ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনে জান্নাতুল নাঈম চৌধুরী রিকু চেয়েছেন মনোনয়ন। নেত্রকোনা-২ আসনে আরিফা জেসমিন নাহিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে মিনারা বেগম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে নায়লা আক্তার ও মুসেনা আক্তার, নীলফামারী-৪ আসনে বিলকিস ইসলাম, নেত্রকোনা-৫ আসনে বেগম রাবেয়া আলী, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে সিমকী ইমাম খান, ফেনী-২ আসনে সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, ফেনী-৩ আসনে শাহানা আক্তার শানু চেয়েছে মনোনয়ন। বাগেরহাট-৩ আসনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আয়েশা সিদ্দিকা মানী, চাঁদপুর-৪ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা, ময়মনসিংহ-৩ আসনে ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী তানজীন চৌধুরী লিলি, কিশোরগঞ্জ-১ আসনে সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হোসনে আরা গিয়াস, জামালপুর-৫ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনি, হবিগঞ্জ-৪ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তার, কুষ্টিয়া-২ আসনে ফরিদা ইয়াসমিন, কুষ্টিয়া-৪ আসনে ফরিদা মনি, রাজশাহী-৫ আসনে মাহবুবা হাবিবা, ঝালকাঠি-২ আসনে জেবা আহমেদ খান চাইছেন ধানের শীষ। ফরিদপুর-৪ আসনে শাহরিয়া ইসলাম শায়লা, গাজীপুর-৩ আসনে ফরিদা ইয়াসমিন স্বপ্না, বাগেরহাট-১ আসনে রুনা গাজী, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম হোসেনের মেয়ে মমতাজ হোসেন লিপি, ময়মনসিংহ-৪ আসনে মহিলা দলের নেত্রী মির্জা ফারজানা রহমান হোসনা, শরীয়তপুর-৩ আসনে জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী আল আসমাউল হোসনা, পাবনা-৩ আসনে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক আরিফা সুলতানা রুমা, পাবনা-১ আসনে খায়রুন নাহার খানম মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। সেলিমা রহমান বলেন,মনোনয়ন পেলে জয়ী হতে পারব বলে আশা রাখি। আর দলও নারী প্রার্র্থীদের মূল্যায়ন করবে, এই প্রত্যাশাও সবার। কারণ, এখন নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ঢাকা টাইমসকে বলেন,আন্দোলন-সংগ্রামে নারী সদস্যরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, এটা অস্বীকার করা যাবে না। মনোনয়নের ক্ষেত্রে তাদের মূল্যায়ন করা হবে। আছেন ১৯ নেতার স্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়ার স্ত্রী শাহিদা রফিক ঢাকা-১৬ আসনে মনোনয়ন চেয়েছেন। সিলেট-২ থেকে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিএনপির নিখোঁজ নেতা এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা লড়তে চান। তবে তার বড় ছেলে আবরার ইলিয়াসও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদ- কার্যকর হওয়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর সহধর্মিণী ফরহাত কাদের চৌধুরী চট্টগ্রাম-৭ আসনে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। নেত্রকোনা-৪ আসনে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামি লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী তাহমিনা জামান। কক্সবাজার-১ আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী হাসিনা আহমেদ। অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতের আদালত থেকে বেকসুর খালাস পেলেও সালাহউদ্দিনের দেশে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তাই নির্বাচনী লড়াইয়ে নামছেন হাসিনা আহমেদ। ঢাকা-৯ আসন থেকে মির্জা আব্বাসের স্ত্রী ও মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাসও মনোনয়ন চান। ঢাকা-৭ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা প্রয়াত নাসিরউদ্দীন পিন্টুর স্ত্রী নাসিমা আক্তার কল্পনা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নওগাঁ-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছেন প্রয়াত ডেপুটি স্পিকার আখতার হামিদ সিদ্দিকীর স্ত্রী নাসরিন আরা সিদ্দিকী। পঞ্চগড়-২ আসনে প্রয়াত সংসদ সদস্য মোজাহার হোসেনের স্ত্রী নাদিরা আখতার, নাটোর-১ আসনে সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের স্ত্রী কামরুন্নাহার শিরীন ও চাঁদপুর-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের স্ত্রী নাজমুন নাহার বেবি। নোয়াখালী-৩ আসনে মনোনয়ন চেয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলুর স্ত্রী শামীমা বরকত লাকী। সিরাজগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর স্ত্রী রুমানা মাহমুদ ২০০৮ সালে সরাসরি ভোটে জিতেছিলেন। এবারও তিনি প্রার্থী হতে চাইছেন। নাটোর-২ আসনে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর সহধর্মিণী সাবিনা ইয়াসমিন ছবি, যশোর-৪ আসনে টি এস আইয়ুবের স্ত্রী তানিয়া রহমান সুমী, যশোর-৫ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আফসার আহমেদ সিদ্দিকীর স্ত্রী জাহানারা বেগম মনোনয়ন চাইছেন। টাঙ্গাইল-৪ আসনে কাজী সিরাজের স্ত্রী রাবেয়া সিরাজ ও শরীয়তপুর-৩ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য হেমায়েত উল্যাহ আওরঙ্গজেবের স্ত্রী তাহমিনা আওরঙ্গ চেয়েছেন ধানের শীষ। আছেন নেতাদের মেয়েও মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতা মানিকগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচন করতে চান। তিনি সাবেক মন্ত্রী হারুনার রশিদ মুন্নুর মেয়ে। ফরিদপুর-২ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে লড়তে চান দলের প্রয়াত মহাসচিব ওবায়দুর রহমানের মেয়ে সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ। চট্টগ্রাম-৫ আসনে মনোনয়ন ফরম কেনা শাকিলা ফারজানা ওই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে। এ ছাড়া ঢাকা-৩ আসন থেকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ^র চন্দ্র রায়ের মেয়ে অপর্ণা রায়, একই আসন থেকে গয়েশ্বরের পুত্রবধূ ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই চন্দ্র রায় চৌধুরীর মেয়ে নিপুণ রায়, ঢাকা-১ থেকে ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নানের মেয়ে মেহনাজ মান্নান ও সাবেক নেতা নাজমুল হুদার মেয়ে অন্তরা সেলিমা হুদা চেয়েছেন বিএনপির মনোনয়ন।
আ.লীগের মিডিয়া উপকমিটিতে আছেন যারা
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা মিডিয়া উপকমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বৈঠকে মিডিয়া উপকমিটির চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান নূর, সদস্য সচিব কাশেম হুমায়ুনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। মিডিয়া উপকমিটিতে যারা রয়েছেন: আশরাফ সিদ্দিকী বিটু, আশরাফুল আলম খোকন, আহমেদ জুবায়ের, মোজাম্মেল বাবু, সাদিকুর রহমান পরাগ, তারেক সুজাত, রঞ্জন সেন, সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, মোল্লা জালাল, সাবান মাহমুদ, সোহেল হায়দার চৌধুরী, আবু জাফর সূর্য, ফরিদা ইয়াসমিন, শফিকুর রহমান, সাইফুল আলম, শুক্কুর আলী শুভ, স্বদেশ রায়, জাফর ওয়াজেদ, সুভাস সিংহ রায়, মুঞ্জরুল ইসলাম, আজমল ফরাজী, আবুল কালাম আজাদ, মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, জগদীষ এষ, আনোয়ার হোসেন, উত্তম চক্রবর্তী, মোহসিনুল হাকিম, সৈয়দ শামীম, সুব্রত চন্দ, ইরেশ জাকের, সুদীপ্ত আরিফুজ্জামান, হাসান জাহিদ তুষার, নাসিরুদ্দীন আহমেদ মানু, জাহিদুর রহমান পিন্টু, ব্যারিস্টার সৈয়দ আলী জিরু, আসাদুজ্জামান কাজল, অধ্যাপিকা সাদেকা হালিম, তারানা হালিম, জাকারিয়া কাজল, ওমর ফারুক, রফিকুল ইসলাম রনি, রাশেক রহমান, সুফি ফারুক, আবদুল জলিল ভূইয়া, মাহফুজ মাসুম, জাকারিয়া জিকু, আহকাম উল্লাহ, আ হ ম তারেক উদ্দীন, এস এম আমজাদ হোসেন, রামেন্দু মজুমদার, গোলাম কুদ্দুস, হাসান আরিফ, অশোক চৌধুরী বৈশাখী, মধুসূদন ম-ল, রাশেদ চৌধুরী, ইকবাল সোবহান চৌধুরী, মনির হোসেন লিটন, খ ম হারুন, মোশাররফ হোসেন, নকিব আহমেদ, জিয়াউল করিম ইমরান, জ ই মামুন, শ্যামল দত্ত, সুভাষ চন্দ্র বাদল, দেবাশীষ রায়, আলী আসিফ শাওন, স্বপন সাহা, মনোজ রায়, চপল বাসার, আতাউর রহমান, সন্তোষ শর্মা, মাইনুল আলম, আশীষ সৈকত।