নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে দিলীপ আমার ওপর দায় চাপাতে চেয়েছেন: আমু
২৫ফেব্রুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুরান ঢাকা থেকে কেমিক্যাল গোডাউন সরানোর ব্যাপারে সাবেক শিল্পমন্ত্রী দিলিপ বড়ুয়ার বক্তব্যের সমালোচনা করে আরেক সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, নিজের ব্যর্থতা ঢাকতেই আমার ওপর দায় চাপাতে চেয়েছেন। সোমবার রাজধানীর ইস্কাটন এলাকায় নিজ বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। আমু বলেন, দিলিপ বড়ুয়ার বক্তব্যে সরকার মোটেই বিব্রত নয়। কারণ ব্যক্তিগত অযোগ্যতা ও অদক্ষতার কারণে তিনি প্রশ্নের সম্মুখীন হতে পারেন ভেবে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে ব্যর্থতার দায় আমার ওপর চাপাতে চেয়েছেন। সম্প্রতি পুরান ঢাকার চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর শনিবার দিলিপ বড়ুয়া সাংবাদিকদের বলেন, আমির হোসেন আমুর কারণে কেমিক্যাল গোডাউন সরানো যায়নি। এ প্রসঙ্গে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা আমু বলেন, তিনি ক্ষমতায় থাকাকালে গোডাউনগুলো সরানোর জন্য বারবার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ব্যবসায়ীরা রাজি হননি। তিনি আরও বলেন, গোডাউনগুলো না সরাতে অনীহা ছিল ব্যবসায়ীদের আত্মঘাতী। নিজেদের সাথে আশেপাশের অনেকের জন্য ঝুঁকি তৈরি করেছেন তারা। এসময় তিনি রাজধানীর হাজরীবাগ থেকে ট্যানারিগুলো সাভারে স্থানান্তরে নিজের সফলতার কথাও জানান- ইউএনবি
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃতীয় ধাপে আ.লীগের ১২৭ প্রার্থী ঘোষণা
২৪ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য তৃতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। শনিবার গণভবনে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড ১২৭ উপজেলায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী চূড়ান্ত করেন। পরে আওয়ামী লীগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের নাম জানানো হয়। তৃতীয় ধাপে উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী যারা- রংপুর জেলা: রংপুর সদর উপজেলায় নাছিমা জামান (ববি), মিঠাপুকুর উপজেলায় জাকির হোসেন সরকার। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা: ভোলাহাট উপজেলায় রাব্বুল হোসেন, গোমস্তাপুর উপজেলায় হুমায়ুন রেজা, নাচোল উপজেলায় আব্দুল কাদের, শিবগঞ্জ উপজেলায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম। মেহেরপুর জেলা: মেহেরপুর উপজেলায় ইয়ারুল ইসলাম, মুজিবনগর উপজেলায় জিয়াউদ্দিন বিশ্বাস, গাংনী উপজেলায় এম এ খালেক। কুষ্টিয়া জেলা: কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় আতাউর রহমান, ভেড়ামারা উপজেলায় আক্তারুজ্জামান মিঠু, কুমারখালী উপজেলায় আব্দুল মান্নান খান, মিরপুর উপজেলায় কামারুল আরেফিন, খোকসা উপজেলায় সদর উদ্দিন খান, দৌলতপুর উপজেলায় এজাজ আহমেদ মামুন। চুয়াডাঙ্গা জেলা: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় আশাদুল হক বিশ্বাস, আলমডাঙ্গা উপজেলায় জিল্লুর রহমান, দামুড়হুদা উপজেলায় সিরাজুল আলম (ঝন্টু), জীবননগর উপজেলায়, আবু মো. আব্দুল লতিফ অমল। ঝিনাইদহ জেলা: ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় আব্দুর রশীদ, শৈলকুপা উপজেলায় নায়েব আলী জোয়ার্দ্দার, হরিণাকুন্ডু উপজেলায় মশিউর রহমান জোয়ার্দ্দার, কালীগঞ্জ উপজেলায় জাহাঙ্গীর সিদ্দিক। মাগুরা জেলা: মহম্মদপুর উপজেলায় মো. আ. মান্নান, মাগুরা সদর উপজেলায় আবু নাসির বাবলু, শ্রীপুর উপজেলায় পঙ্কজ কুমার সাহা, শালিখা উপজেলায় শ্যামল কুমার দে। নড়াইল জেলা: নড়াইল সদর উপজেলায় নিজামউদ্দিন খান নিলু, কালিয়া উপজেলায় কৃষ্ণ পদ ঘোষ, লোহাগড়া উপজেলায় রাশিদুল বাসার (ডলার)। সাতক্ষীরা জেলা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় আসাদুজ্জামান বাবু, আশাশুনি উপজেলায় এ বি এমডি মোস্তাকিম, শ্যামনগর উপজেলায় এস এম আতাউল হক, কালিগঞ্জ উপজেলায় শেখ আতাউর রহমান, কলারোয়া উপজেলায় ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, তালা উপজেলায় ঘোষ সনৎ কুমার, দেবহাটা উপজেলায় মো. আ. গনি। বরিশাল জেলা: বরিশাল সদর উপজেলায় সাইদুর রহমান রিন্টু, বাকেরগঞ্জ উপজেলায় মোহাম্মদ শামসুল আলম, বাবুগঞ্জ উপজেলায় কাজী ইমদাদুল হক, বানারীপাড়া উপজেলায় গোলাম ফারুক, উজিরপুর উপজেলায় আব্দুল মজিদ সিকদার (বাচ্চু), গৌরনদী উপজেলায় সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী, আগৈলঝাড়া উপজেলায় আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, মুলাদী উপজেলায় তারিকুল হাসান খান মিঠু, হিজলা উপজেলায় সুলতান মাহমুদ। ঝালকাঠী জেলা: ঝালকাঠী উপজেলায় খান আরিফুর রহমান, নলছিটি উপজেলায় সিদ্দিকুর রহমান, রাজাপুর উপজেলায় মনিরুজ্জামান, কাঠালিয়া উপজেলায় এমদাদুল হক মনির। ভোলা জেলা: বোরহান উদ্দিন উপজেলায় আবুল কালাম। শেরপুর জেলা: নালিতাবাড়ী উপজেলায় মোশারফ হোসেন, শ্রীবরদী উপজেলায় আশরাফ হোসেন খোকা, ঝিনাইগাতী উপজেলায় এস এম আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম। মাদারীপুর জেলা: শিবচর উপজেলায় শামসুদ্দিন খান, কালকিনি উপজেলায় মীর গোলাম ফারুক, রাজৈর উপজেলায় আ. মোতালেব মিয়া। শরীয়তপুর জেলা: শরীয়তপুর সদর উপজেলায় আবুল হাসেম তপাদার, জাজিরা উপজেলায় মোবারাক আলী সিকদার, নড়িয়া উপজেলায় এ কে এম ইসমাইল হক, ভেদরগঞ্জ উপজেলায় হুমায়ুন কবীর, ডামুড্যা উপজেলায় মো. আলমগীর, গোসাইরহাট উপজেলায় সৈয়দ নাসির উদ্দিন। রাজবাড়ী জেলা: রাজবাড়ী সদর উপজেলায় সফিকুল ইসলাম, বালিয়াকান্দি উপজেলায় আবুল কালাম আজাদ, গোয়ালন্দ উপজেলায় নুরুল ইসলাম, পাংশা উপজেলায় এ কে এম শফিকুল মোরশেদ। মানিকগঞ্জ জেলা: মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় ইসরাফিল হোসেন, দৌলতপুর উপজেলায় নুরুল ইসলাম রাজা, ঘিওর উপজেলায় হাবিবুর রহমান, শিবালয় উপজেলায় রেজাউর রহমান খান, হরিরামপুর উপজেলায় দেওয়ান সাইদুর রহমান, সাটুরিয়া উপজেলায় আব্দুল মজিদ ফটো, সিঙ্গাইর উপজেলায় শহিদুর রহমান। গাজীপুর জেলা: কাপাসিয়া উপজেলায় আমানত হোসেন খান, কালিয়াকৈর উপজেলায় রেজাউল করিম, শ্রীপুর উপজেলায় আ. জলিল, কালীগঞ্জ উপজেলায় মোয়াজ্জেম হোসেন। নরসিংদী জেলা: নরসিংদী সদর উপজেলায় আফতাব উদ্দিন ভূঞা, পলাশ উপজেলায় সৈয়দ জাবেদ হোসেন, শিবপুর উপজেলায় হারুনুর রশীদ খান, মনোহরদী উপজেলায় সাইফুল ইসলাম খান, বেলাবো উপজেলায় সমসের জামান ভূঞা, রায়পুরা উপজেলায় মিজানুর রহমান। কিশোরগঞ্জ জেলা: কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় সাকাউদ্দিন আহাম্মদ রাজন, হোসেনপুর উপজেলায় শাহ জাহান পারভেজ, কটিয়াদি উপজেলায় তানিয়া সুলতানা, পাকুন্দিয়া উপজেলায় রফিকুল ইসলাম (রেনু), তাড়াইল উপজেলায় আজিজুল হক, করিমগঞ্জ উপজেলায় নাসিরুল ইসলাম খান, ইটনা উপজেলায় চৌধুরী কামরুল হাসান, মিঠামইন উপজেলায় আছিয়া আলম, অষ্টগ্রাম উপজেলায় শহীদুল ইসলাম, নিকলী উপজেলায় কারার সাইফুল ইসলাম, বাজিতপুর উপজেলায় ছারওয়ার আলম, কুলিয়ারচর উপজেলায় সৈয়দ হাসান সারওয়ার মহসিন, ভৈরব উপজেলায় সায়দুল্লাহ্ মিয়া। চাঁদপুর জেলা: চাঁদপুর সদর উপজেলায় নূরুল ইসলাম দেওয়ান, কচুয়া উপজেলায় মো. শাহজাহান, মতলব উত্তর উপজেলায় এম এ কুদ্দুস, মতলব দক্ষিণ উপজেলায় এ এইচ এম গিয়াস উদ্দিন, ফরিদগঞ্জ উপজেলায় মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, হাজীগঞ্জ উপজেলায় গাজী মাঈনুদ্দিন, শাহরাস্তি উপজেলায় ফরিদ উল্যাহ চৌধুরী। লক্ষীপুর জেলা: লক্ষীপুর সদর উপজেলায় আবুল কাশেম চৌধুরী, রামগঞ্জ উপজেলায় মনির হোসেন চৌধুরী, রায়পুর উপজেলায় মামুনুর রশিদ, কমলনগর উপজেলায় এ কে এম নুরুল আমিন, রামগতি উপজেলায় আবদুল ওয়াহেদ। চট্টগ্রাম জেলা: বোয়ালখালী উপজেলায় নুরুল আলম, পটিয়া উপজেলায় মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, আনোয়ারা উপজেলায় তৌহিদুল হক চৌধুরী, চন্দনাইশ উপজেলায় এ কে এম নাজিম উদ্দিন, লোহাগাড়া উপজেলায় খোরশেদ আলম চৌধুরী, বাঁশখালী উপজেলায় চৌধুরী মোহাম্মদ গালিব সাদলী। কক্সবাজার জেলা: কক্সবাজার সদর উপজেলায় কায়সারুল হক জুয়েল, পেকুয়া উপজেলায় আবুল কাশেম, কুতুবদিয়া উপজেলায় ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, মহেশখালী উপজেলায় মোহাম্মদ হোছাইন ইবরাহীম, রামু উপজেলায় রিয়াজ উল আলম, উখিয়া উপজেলায় হামিদুল হক চৌধুরী, টেকনাফ উপজেলায় মোহাম্মদ আলী। এর আগে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের উপজেলাগুলোতে ৮৭ ও ১২২ চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছিল আওয়ামী লীগ।
একটু সময় দিলে আমরা সব কাটিয়ে উঠতে পারবো: মোশাররফ
২৩ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাংগঠনিক শক্তি জোরদার করতে বিএনপি পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বেগম জিয়ার উপদেষ্টা তৈমুর আলম খন্দকারের দু টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান। দল সংগঠিত না করে জনগণকে নেতৃত্ব দেয়া সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন মোশাররফ। বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন,বিএনপি প্রস্তুত আছে। আমরা এখন হতভম্ব। একটু সময় দিলে আমরা সব কাটিয়ে উঠতে পারবো। তিনি আরো বলেন, যে যে জায়গায় আমাদের দুর্বলতা আছে সেগুলোকে চিহ্নিত করে ইতিমধ্যে আমরা দলের পুনর্গঠন শুরু করেছি। সংগঠনকে শক্তিশালী না করে জনগণকে নেতৃত্ব দিতে পারবো না। তাই সংগঠনকে শক্তিশালী করতে আমাদের কিছুদিন সময় নিতে হবে।
অগ্নিকাণ্ড নিয়ে বিএনপির বক্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন: তথ্যমন্ত্রী
২২ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুরান ঢাকার চকবাজারের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে বিএনপির বক্তব্যকে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যারা পেট্রোলবোমা মেরে মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের মুখে অগ্নিকাণ্ড নিয়ে অমূলক সমালোচনা শোভা পায় না। তিনি বলেন, সরকারবিরোধী আন্দোলনের নামে বিএনপি মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে, সে দায় নেতা হিসেবে বেগম জিয়া বা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, কেউই এড়াতে পারেন না। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ওই পেট্রোলবোমা হামলা চকবাজার ট্রাজেডির মতো এমন দুর্ঘটনা ছিল না। যারা মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে, তাদের মুখে অগ্নিকাণ্ড নিয়ে এমন মন্তব্য শোভা পায় না। ড. হাছান শুক্রবার সকালে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা হলে অভিনয় শিল্পীসংঘের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, মর্মান্তিক এ ঘটনায় মানবতার মমতাময়ী মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিনিদ্র রাত কাটিয়েছেন, বারবার দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, সরকার পূর্ণ তৎপর রয়েছে।' তিনি বলেন, এ ধরনের দুর্ঘটনায় সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে বিএনপির সহায়তা করা উচিত । প্রতিবেশী দেশ ভারতের উদাহরণ দিয়ে ড. হাছান বলেন, নির্বাচনের কয়েক মাস আগের সময়টিতেও সে দেশে বিরোধী দল দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজের ঘোষণা দিয়েছে। এটি দুর্ঘটনা নাকি উদ্দেশ্যমূলক, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে, তদন্ত শেষে দুর্ঘটনার কারণ বেরিয়ে আসবে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানির বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশ আজ মর্মাহত, শোকাহত। এমন সময়ে গণশুনানির নামে নাটক না করে তাদের উচিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশ নেয়া ও অনুপ্রেরণাদায়ী সকল শিল্পীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, শিল্পচর্চা জাতিকে সমৃদ্ধ করে। দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে অভিনয় শিল্পীদের অবদান সমুন্নত রাখতে বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের যুগান্তকারী বিকাশ সাধনসহ বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। চলতি বছরে একুশে পদকপ্রাপ্ত তিন শিল্পী সুবর্ণা মুস্তফা, লিয়াকত আলী লাকী ও লাকী ইনামকে এ সময় অভিনয় শিল্পী সংঘের সম্মাননা স্মারক তুলে দেন তথ্যমন্ত্রী। অভিনয়শিল্পী সংঘের সভাপতি শহিদুল আলম সাচ্চুর সভাপতিত্বে সৈয়দ হাসান ইমাম, মামুনুর রশীদ, ড. ইনামুল হক, তৌকির আহমেদ, আফসানা মিমি, মাহফুজ, তানভীন সুইটি, তানিয়া, আহসান হাবিব নাসিমসহ কয়েকশ অভিনয় শিল্পী সম্মেলনে অংশ নেন।
নির্বাচনে অংশ না নেয়ার অর্থ হচ্ছে জনগণ থেকে দূরে থাকা: তথ্যমন্ত্রী
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়ার জন্য, তাদের নিয়ে জোট ও সরকার গঠন করার কারণেই জামায়াতের পাশাপাশি বিএনপিরও ক্ষমা চাওয়া উচিত। বুধবার দুপুরে রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় শেখ হাসিনা গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী একথা বলেন। সুজন হালদার বইটি রচনা করেছেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক গোলাম রব্বানী বাবলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান, ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার রায় প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। ড. হাছান বলেন, জামায়াতে ইসলামী যে এতদিন ধরে বাংলাদেশে রাজনীতি করছে এবং বিএনপি তাদের সঙ্গে জোট গঠন করেছে, একসঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে, ফলে বিএনপিও সেই একই অপরাধে অপরাধী এবং দায়মুক্তি পাওয়ার যোগ্য নয়। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নেতার পদত্যাগের এবং ক্ষমা চাওয়ার কথা দেশের ভেতর ও বাইরের চাপ থেকে মুক্ত হওয়ার কৌশলের অংশ। তারা দলগতভাবে ক্ষমা চাইলেও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, নারী নির্যাতনের অপরাধ থেকে দায়মুক্তি পেতে পারে না। তথ্যমন্ত্রী নির্বাচনে অংশ না নেয়ার অর্থ হচ্ছে জনগণ থেকে দূরে থাকা; উল্লেখ করে বলেন, বিএনপির আসন্ন উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশনসহ বিভিন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্তের অর্থ হচ্ছে জনগণ থেকে ক্রমেই আরো দূরে সরে যাওয়া। গত সংসদ নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পর তারা হয়তো নির্বাচন করতে সাহস পাচ্ছে না। কিন্তু বিএনপিকে আমি বলব খানিকটা সাহস সঞ্চয় করে নির্বাচনে আসতে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কীর্তিময় জীবনের ওপর আলোকপাত করে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে যেমন উন্নয়ন, শান্তি, গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মুক্ত চেতনা ও অসাম্প্রদায়িকতার প্রতীক, তেমনি বিস্ময়কর মানবতারও প্রতীক। ১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে তিনি আশ্রয় দিয়েছেন পরম মমতায়। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা জাতির পিতার মৃত্যুতে পিতৃহীন সন্তানদের বুকে আগলে রেখেছেন মমতাময়ী মায়ের মতন; দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন বিস্ময়কর উন্নয়নের গণতান্ত্রিক যাত্রায়; তিনি আজ শুধু ব্যক্তি নন, এক অনন্য প্রতিষ্ঠান। হাছান মাহমুদ বলেন, ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস শুধু তার প্রত্যাবর্তন নয়, সেটি ছিল উন্নয়ন, শান্তি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র- এসবেরই প্রত্যাবর্তন। মন্ত্রী এ সময় গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় শেখ হাসিনা গ্রন্থটি সকলকে পড়ে দেখতে অনুরোধ জানান।
নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে ৩ মার্চ ধার্য
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আদালতে বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতির কারণে নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে ৩ মার্চ ধার্য করা হয়েছে। বেগম জিয়ার আইনজীবীরা জানিয়েছেন তিনি অসুস্থ। অন্যপক্ষ বলছে, বেগম জিয়া ঘুমে থাকার কারণে আদালতে উপস্থিত করা যায়নি। বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নাজিম উদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালতে, নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিলো। কিন্তু মামলার প্রধান আসামি কারাগারে থাকা বেগম জিয়া আদালতে হাজির না হওয়ায় শুনানি পিছিয়ে দেন আদালত। বেগম জিয়ার আইনজীবীরা বলছেন, বেগম জিয়া গুরুতর অসুস্থ। ব্যক্তিগত চিকিৎসক দিয়ে তার চিকিৎসার প্রয়োজন। কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির ফলে, রাষ্ট্রের প্রায় ১৪ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা ক্ষতির অভিযোগে ২০০৭ সালে বেগম জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করে দুদক।
শাজাহান খানকে নিয়ে সড়ক কমিটি জাতির সঙ্গে তামাশা: বিএনপি
১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে সড়ক দুর্ঘটনা বৃদ্ধির জন্য সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খানকে দায়ী করে বিএনপি বলছে, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে তাকেই (শাজাহান খান) প্রধান করে ১৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা জাতির সঙ্গে তামাশা মাত্র। মঙ্গলবার নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার নামে সড়ক পরিবহন ও দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ জাতীয় কমিটিতে সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খানকে আহবায়ক করে যে কমিটি গঠন করা হয়েছে তা রীতিমতো হাস্যকর। এই শ্রমিক নেতার কারণেই সড়কে যতো প্রাণহানি ও বিশৃঙ্খলা ঘটেছে। তিনি আরও বলেন,যখনই সড়কের অব্যবস্থাপনা ও বিশৃঙ্খলা নিয়ে আন্দোলন হয়েছে তখনই এই শাজাহান খানরাই বাধার সৃষ্টি করেছে। কাজেই তাকে আহবায়ক করে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার নামে যে কমিটি গঠিত হয়েছে তা জাতির সঙ্গে তামাশা মাত্র। বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, সড়কে জনগণের দুর্ভোগ নিয়ে সরকার কমই ভাবে। তাদের জনগণের প্রতি কোনো জবাবদিহিতা নেই। জনগণ তাদের দ্বারা অব্যাহতভাবে প্রতারিত হচ্ছে। প্রসঙ্গত, গত রবিবার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ভবনে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের ২৬তম সভায় সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানকে প্রধান করে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ কমিটি গঠন করা হয়। সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কি ব্যবস্থা নেয়া যায় তা এ কমিটিকে আগামী ১৪ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।-ইউএনবি
অবসরে যাচ্ছেন বিএনপি নেতা অসীম!
১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম কি রাজনীতি থেকে অবসরে যাচ্ছেন! সোমবার সন্ধ্যার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক স্ট্যাটাসে এ নিয়ে শুরু হয় গুঞ্জন। তার দেয়া স্ট্যাটাসে অনেকেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি ফেসবুক ওই পোস্টে একটি গোলাপি রঙের ব্যানারে বিস্ময় সূচক চিহ্ন দিয়ে লেখেন, নিড পলিটিক্যাল এলপিআর! তার দেয়া অবসর স্ট্যাটাসের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি একটি গণমাধ্যমকে জানান, পোস্ট ঠিক আছে, বিষয়টা আমি উপলব্ধি করছি। এখনও সিদ্ধান্ত নেইনি। এই আইনজীবী বলেন, এই উপলব্ধির অনেক কারণ থাকতে পারে। বিশেষ করে লোকাল পলিটিক্সে জড়িয়ে আমার লিগ্যাল প্রফেশন শেষ হয়ে গেছে। এ কারণে আমি চিন্তাভাবনা করছি, তবে এখনও সিদ্ধান্ত নেইনি। রাজনৈতিক অবসর সবার জন্য প্রয়োজন, নাকি আপনার ক্ষেত্রে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার জায়গা থেকে, এটা আমার জন্য প্রয়োজন। এমন পোস্টে হতাশার চিত্র ফুটে ওঠে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে অসীম বলেন, না, এতে হতাশার কিছু নেই। আমার ব্যক্তিগত অসুবিধার কারণে আমি চিন্তা করছি। আমি কখনও-ই হতাশ হওয়া মানুষ নই। ফেসবুকে দেয়া অসীমের স্ট্যাটাস তার এমন পোস্টে বিএনপির অনেক নেতাসহ অনেকেই মন্তব্য করেছেন। সালেহ বিপ্লব নামে একজন মন্তব্য করেন, মানে কী? ৫৯ কি হয়ে গেছে? জবাবে অসীম লেখেন, এই ধরেন, ঠ্যালায়, ভাল্লাগে ঘোরাঘুরি করতে। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীর হেলাল তার আইডি থেকে লেখেন, এই ধরেন, ঠ্যালায়, ভাল্লাগে, খুশিতে.. ঘুরতে!!!- boichitra news
নির্বাচন নিয়ে বিএনপির দায়ের করা মামলা ভিত্তিহীন: আইনমন্ত্রী
১৫ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপির দায়ের করা মামলা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলস্টেশনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে উল্লেখ করে আনিসুল হক বলেন,নির্বাচনে জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করেছে। এটাই হচ্ছে সত্য। বিএনপিকে এ সত্য মেনে নিতে হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে যুক্তরাজ্যের হাউজ অব কমনের যে ছয়জন প্রতিনিধি চিঠি দিয়েছে তাদের বাংলাদেশ সম্পর্কে আরও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে চিঠি লেখা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। এ সময় আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন, কসবা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুল কায়সার জীবনসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।-ইউএনবি

রাজনীতি পাতার আরো খবর