রুক্ষ শুষ্ক ত্বকের পরিচর্যায় অ্যালোভেরা
১৩জুলাই২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রুক্ষ শুষ্ক ত্বকের পরিচর্যায় অ্যালোভেরা কার্যকারি উপাদান। ত্বকের যত্নে অনেকেই নিয়মিত অ্যালোভেরার রস বা অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু অ্যালোভেরাও যে ওজন কমাতে পারে সে খবর কয়জন জানে? অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যালোইন নামের প্রোটিন। যা সরাসরি ফ্যাট না কমালেও শরীরে জমে থাকা টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। তবে একটা বিষয়ে সতর্ক থাকবে হবে সবাইকে। অ্যালোভেরার রস বেশি পরিমাণে শরীরে গেলে পেটের সমস্যা, ডায়রিয়া হতে পারে। তাই অ্যালোভেরার রস খান সঠিক পরিমাণে। কি পরিমাণ অ্যালোভেরার রস আমাদের শরীরে প্রয়োজন তা জানা থাকা দরকার। এক গ্লাস পানিতে ৫০ মিলিলিটার অ্যালোভেরা রস মিশিয়ে দিনের যে কোনও সময় খেতে পারেন। ব্লাড সুগার, হজমের সমস্যা, পাকস্থলির সমস্যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে এই রস। দ্রুত শরীরের বাড়তি ওজন কমানোর ক্ষেত্রে অ্যালোভেরার রস অত্যন্ত কার্যকরী। তবে সাবধান! গর্ভবতী মহিলাদের জন্য অ্যালোভেরার রস অনেক বড় ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াতে পারে। ইন্ডিয়ান জার্নাল অফ ডার্মাটোলজি তে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গর্ভবতী মহিলা বা নতুন মায়েদের ক্ষেত্রে মারাত্মক ক্ষতিকর এই রস। কারণ অ্যালোভেরার রস জরায়ু বা ইউটেরাসের সংকোচন ঘটায়। এ ছাড়াও অন্ত্রনালীতে নানা সমস্যার সৃষ্টি করে।
যেসব নারীকে বিয়ে করা হারাম
১২জুলাই২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:যেসব নারীকে বিয়ে করা হারাম নিম্নে বর্ণিত ১৩ প্রকার নারীকে বিয়ে করা হারাম: ১. আপন মা, বাবা ও দাদা-নানার স্ত্রীরা এবং তাদের কামভাব নিয়ে স্পর্শকৃত নারী। এরূপ ঊর্ধ্বতন সব দাদা-নানার স্ত্রীরা। ২. মেয়ে এবং ছেলে ও মেয়ের ঘরের সব নাতনি। ৩. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় ফুফু। ৪. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় খালা। ৫. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় বোন ও তাদের সন্তানাদি। ৬. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় ভ্রাতৃকন্যা ও তাদের সন্তানাদি। ৭. দুধমাতা, তার মাতা, দাদি, নানিএমনিভাবে ওপরের সব নারী। ৮. স্ত্রীর মেয়ে, যদি স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস হয়ে থাকে। ৯. পুত্রবধূ, আপন ছেলের হোক বা দুধছেলের হোক। ১০. আপন শাশুড়ি, দাদিশাশুড়ি, নানিশাশুড়ি এবং ওপরে যারা রয়েছে। ১১. দুই বোন একত্রীকরণ, এমনিভাবে ফুফু ও তার ভাতৃকন্যা, খালা ও তার ভাগ্নিকন্যাকে একসঙ্গে বিয়ের মধ্যে রাখা। ১২. উল্লিখিত রক্ত সম্পর্কের কারণে যারা হারাম হয়েছে, দুধ সম্পর্কের কারণেও তারা সবাই হারাম হয়। ১৩. যে মেয়ে অপরের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ রয়েছে। এ ছাড়া অন্য সব নারীকে বিয়ে করা হালাল। (দেখুন : সুরা : নিসা, আয়াত ২৩-২৪) স্ত্রীর বর্তমানে শালিকে বিয়ে করা অবৈধ কোনো নারী কারো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ থাকাকালীন তার বোনের সঙ্গে বিয়ে সম্পূর্ণ হারাম। প্রথম বোনের সঙ্গে তালাক হয়ে গেলে মহিলার ইদ্দত শেষ হওয়ার পর অথবা বোন মারা গেলে তখন তার বোনের সঙ্গে বিয়ে বৈধ। (হিন্দিয়া : ১/২৭৭) পরস্পর লেগে থাকা যমজ দুই বোনের বিয়ের বিধান জন্মগতভাবে পরস্পর জড়ানো যমজ দুই বোনের জন্ম হলে দুই বোনকে এক ব্যক্তি একত্রে বিয়ে করতে যেমন পারবে না, তেমনি দুই বোনকে দুই ব্যক্তির কাছে বিয়ে দেওয়াও সম্ভব নয়। শুধু এক বোনকে একজন লোকের কাছে বিয়ে দিলেও পর্দার বিধান রক্ষা করে তাকে নিয়ে সংসার করা সম্ভব হবে না। তাই এ সমস্যার একমাত্র সমাধান হবে, অপারেশনের মাধ্যমে দুই বোনকে আলাদা করার চেষ্টা করা, যা বর্তমান যুগে ব্যয়বহুল হলেও সম্ভব। অতঃপর দুই বোনকে পৃথক দুই ব্যক্তির কাছে বিয়ে দেওয়া। আর পৃথক করা কোনোভাবে সম্ভব না হলে তাদের চিরকুমারী থাকা ছাড়া কোনো উপায় নেই। (বাদায়েউস সানায়ে: ২/২৬২; ইমদাদুল ফাতাওয়া: ২/২৩৯) চাচাতো ভাই-বোনের মেয়েকে বিয়ে করা বৈধ আপন ভাই বা বোনের মেয়েকে বিয়ে করা হারাম। তবে চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাই ও বোনের মেয়ে মুহাররমাতের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই তাদের বিয়ে করা জায়েজ হবে। (বিনায়া : ৪/৫০৮) দুধবোন ও তার মেয়েকে বিয়ে করা হারাম শরিয়তের আলোকে দুধবোনকে বিয়ে করা সম্পূর্ণ হারাম ও নিষেধ। বংশীয় সম্পর্কে সহোদর বোনের মেয়েকে বিয়ে করা যেমন হারাম, দুধবোনের মেয়ে বিয়ে করাও তেমনি হারাম। (বুখারি, হাদিস: ২৬৪৫; বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২) প্রাপ্তবয়স্ক স্বামী স্ত্রীর দুধ পান করলে স্ত্রী হারাম হবে না সাবালক স্বামীর নিজ স্ত্রীর দুধ পান করা শরিয়তে নিষিদ্ধ ও গর্হিত কাজ। তবে এর দ্বারা বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হবে না। সহবাসের সময় উত্তেজনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্ত্রীর স্তন মুখে নিতে পারবে, তবে দুধ যেন ভেতরে না যায় তা খেয়াল রাখতে হবে। (আদ্দুররুল মুখতার: ৩/২২৫) পালিত মেয়েকে বিয়ে করা বৈধ যদি কারো পালিত মেয়ে ওই ব্যক্তির স্ত্রীর অথবা কোনো মাহরামের দুধ দুই বছর বয়সের মধ্যে পান করে না থাকে, তাহলে ওই ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে জায়েজ। এ ক্ষেত্রে পর্দা করাও ফরজ। (সুরা : আহজাব, আয়াত ৩৩; ফাতাওয়ায়ে দারুল উলুম দেওবন্দ: ৭/২৪৪) কামভাব নিয়ে পুত্রবধূকে স্পর্শ করা ও তাকানো শ্বশুরের জন্য পুত্রবধূর দিকে কুদৃষ্টিতে তাকানো মারাত্মক গুনাহ ও হারাম। যদি শ্বশুর কামভাব নিয়ে পুত্রবধূর খালি শরীরে বা পাতলা কাপড়ের ওপর দিয়ে স্পর্শ করে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে ছেলের জন্য ওই পুত্রবধূ হারাম হয়ে যাবে। তবে শর্ত হলো, স্পর্শের বিষয়টি স্বীকারোক্তি বা সাক্ষীর মাধ্যমে প্রমাণিত হতে হবে অথবা ছেলে ওই কথার দাবিকারীকে প্রবল ধারণামতে সত্য মনে করতে হবে। এ অবস্থায় উভয়ে পৃথক হয়ে যেতে হবে। (বাদায়েউস সানায়ে: ২/২৬০, রদ্দুল মুহতার ৩/৩৩) জামাতা-শাশুড়ি পরস্পর কামভাব নিয়ে দেখা বা স্পর্শ করা বাহ্যিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের দিকে কামভাব নিয়ে তাকালে গুনাহ হলেও হুরমাতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হয় না। বরং খোলামেলা কোনো অঙ্গ কামভাবে স্পর্শ করার দ্বারা হারাম সাব্যস্ত হয় তথা স্ত্রী চিরতরে হারাম হয়ে যায়। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদিস: ১০৮৩২) অবৈধ শয্যাসঙ্গিনীর মেয়েকেও বিয়ে করা হারাম যার সঙ্গে অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে তার মেয়েকে বিয়ে করাও অবৈধ। কেননা ওই মেয়ের সঙ্গে এখন তার কন্যার সম্পর্ক হয়ে গেছে। (বাদায়েউস সানায়ে: ২/২৬০) তালাক গ্রহণ ছাড়া অন্যজনের সঙ্গে বিয়ে আগের স্বামীর তালাক প্রদান ছাড়া অন্য কোনো বিয়ে শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। ওই বিয়ে বাতিল বলে গণ্য হবে। তেমনি আগের স্বামীর ইদ্দত চলাকালেও বিয়ে বাতিল হবে। (তাফসিরুল জালালাইন, পৃষ্ঠা ১০৪; রদ্দুল মুহতার : ৩/৫১৯) ইহুদি-খ্রিস্টান মেয়ে বিয়ে করা বর্তমান যুগের ইহুদি-খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী বলে যারা পরিচিত, নির্ভরযোগ্য মতানুসারে তারা ইহুদি-খ্রিস্টানদের মূলনীতির অবিশ্বাসী। বর্তমানে বাস্তব আহলে কিতাব নেই বললেই চলে। এ ছাড়া বর্তমানে তাদের নারীদের বিয়ে করা অনেক ফিতনার কারণ হয়ে থাকে বিধায় তাদের বিয়ে করা বৈধ নয়। তবে এ ধরনের নারীদের সঙ্গে বিয়ে হয়ে গেলে তার ব্যাপারে খোঁজ নিতে হবে যে সে প্রকৃত অর্থে মুসা (আ.) ও ঈসা (আ.)-এর আনীত ধর্মে বিশ্বাসী কি না। তাওরাত বা ইঞ্জিলে বিশ্বাসী কি না। এবং আল্লাহকে বিশ্বাস করে কি না। যদি সত্যিই তা হয় তাহলে তাকে দাওয়াতের মাধ্যমে মুসলমান বানানোর চেষ্টা করার শর্তে ওই বিয়েকে বাতিল বলা যাবে না। আর যদি প্রমাণিত হয় যে সে নাস্তিকতায় বিশ্বাসী, তাহলে এই বিয়ে বাতিল বলে গণ্য হবে। (রদ্দুল মুহতার: ৩/৪৫; ফাতাওয়া দারুল উলুম: ৭/২৬১) হিন্দু-মুসলিম বিয়ের বিধান শরিয়তের দৃষ্টিতে মুসলিম পুরুষ কোনো হিন্দু মহিলাকে, তেমনি মুসলিম নারী হিন্দু পুরুষকে বিয়ে করতে পারে না, যতক্ষণ তারা ইসলাম গ্রহণ না করে। ইসলাম গ্রহণ ছাড়া বিয়ে অবৈধ। এ ধরনের বিয়ে শরিয়তে বিয়ে বলে গণ্য হবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন, তোমরা মুশরিককে বিয়ে কোরো না, যতক্ষণ তারা ঈমান না আনে। (সুরা: বাকারা, আয়াত: ২২১)।
সেলফি রোগ থেকে বাঁচতে কী করবেন?
২জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:রাগ,বিষাদ ও প্রেম সব কিছুই এখন খুব সহজে জানা যায় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। তবে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় মধ্যে ফেসবুক এখন খুবই জনপ্রিয়।ফেসবুকে অনেকে সেলফি দিয়ে স্ট্যাটাস দিতে দেখা যায়। পছন্দমত ছবি তোলা ও পোস্ট করা এখন রীতিমত নেশা রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে।এই সেলফি তুলেতে গিয়ে অনেকের অকাল মৃত্যু হচ্ছে। যত্রতত্র সেলফি তোলার কারণে সারা বিশ্বের মারা যাচ্ছে অনেক মানুষ্। ২০১১ অক্টোবর থেকে ২০১৭ সালের নভেম্বর পর্যন্ত শুধুমাত্র সেলফি তুলতে গিয়ে বিশ্বে মৃত্যু হয়ছে ২৫৯ জনের। ভারতের জার্নাল অব ফ্যামিলি মেডিসিন অ্যান্ড প্রাইমারি কেয়ার-এর সমীক্ষা ও তার ফল অনুযায়ী, ওই সময়ে পৃথিবীতে হাঙরের কামড়ে মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের। তবে সেলফি তুলতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে তার চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি মানুষের। গত ১০ বছরে এই অসুখ আরও বেড়েছে বলেই মত মনোবিদদের। তবে নারীদের এই রোগের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। সমীক্ষায় দেখা গেছে, পুরুষদের মধ্যেও এই আসক্তি রয়েছে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নারীদের ছবি তুলতে গিয়ে তাদের মৃত্যু হচ্ছে। সেলফি রোগ থেকে বাঁচতে কী করবেন? সেলফি তুলতে গিয়ে অনেকের মৃত্যু হচ্ছে। তাই এ বিষয়ে কিছু সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে। ১. কীভাবে ভালো সেলফি তো যায় তার জন্য আপনি বিভিন্ন ওয়েবসাইট সাহায্যে নিতে পারেন। ৩. সেলফি তোলার জন্য শুধু স্টিক নয়,নিজস্বী তোলার জন্য বিশেষ জুতোও পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। সেলফি-ফ্রেন্ডলি হওয়ার উপরেই স্মার্টফোনের বিক্রি বাড়ছে। ইতিমধ্যে ইউরোপে সেলফি স্টিক কে নার্সিসাস স্টিক বলেও ডাকা হচ্ছে। ৪. ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় দাড়িয়ে সেলফি তোলা থেকে বিরত থাকুন। ৫. গাড়ি চালানোর সময় সেলফি তুলবেন না। তবে সেলফি তুলতে গিয়ে যে মৃত্যু হচ্ছে তা ঠেকাতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সচেতনতা।
ধর্ষণ প্রতিরোধক শাড়ি এখন বাজারে!
১৬মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উন্নত হচ্ছে সমাজ। কিন্তু মানসিকতায় বিশেষ পরিবর্তন আসেনি। তাই তো আজও মহিলাদের ধর্ষিতা হওয়ার জন্য দায়ি করা হয় তাঁর পোশাককে। পোশাকই নাকি সমাজে ধর্ষকের জন্ম দেয়। সমাজের সেই সব মানুষের চিন্তাধারায় সজোরে ধাক্কা দিতে বাজারে এল নতুন এক পোশাক। যা ধর্ষণ প্রতিরোধ করতে সক্ষম যে কোনও পরিস্থিতিতে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল দিল্লির ঘটনার একটি ভিডিও। যেখানে এক মহিলাকেই স্পষ্ট বলতে শোনা গিয়েছে, খাটো পোশাকের মেয়েদের ধর্ষণ করা উচিত। আরও মজার বিষয় হল, মহিলার সপক্ষে অনেকেই সুর চড়িয়ে বলেন, খাটো পোশাক সত্যিই ধর্ষণের অন্যতম কারণ। অর্থাৎ তাঁদের মতে, মহিলারা আরও মার্জিত-ঢাকা পোশাক পরলেই ধর্ষণ সমস্যার সমাধান হবে। হায়! যদি এমনটাই হত, তবে তিন মাসের শিশুর ধর্ষণের খবর কি আর শিরোনামে উঠে আসত? কিংবা বোরখা পরিহিতার গায়ে কি কখনও যৌন হেনস্থার আঁচ লাগত? সেসব প্রশ্নের উত্তর অবশ্য অধরা। এ প্রসঙ্গ আপাতত থাক। তবে খাটো পোশাকের পালটা দিতে তরুণদের একটি দল হাজির করেছে সুপার সংস্কারি শাড়ি। নিজেদের ওয়েবসাইটে এই অদ্ভুত শাড়ির কথা ব্যাখ্যা করেছে তারা। তবে পুরোটাই মজা করে। তাঁদের মতে, পোশাকই যদি ধর্ষণের কারণ হয়, তবে এমন শাড়িই মহিলাদের পরা উচিত। তাহলেই মুশকিল আসান। মূলত দিল্লির ওই ঘটনার বিরোধিতা করতেই এমন উদ্যোগ। ওয়েবসাইটটিতে শাড়ির বিবরণে লেখা রয়েছে, এই পোশাকে রয়েছে ধর্ষণ-প্রতিরোধক প্রযুক্তি। শাড়িটি পরলে ধর্ষক ওই মহিলাকে দেখতেই পাবেন না। যৌনপিপাসুদের হাত থেকে বাঁচতে এই অত্যাধুনিক শাড়ি অবশ্যই নিজের কালেকশনে রাখুন। যখন আপনাকে দেখাই যাবে না, তখন ধর্ষণের কোনও আশঙ্কাও থাকবে না। যদিও বাস্তবে এ শাড়িতে এমন কিছুই নেই। আসলে মজার ছলেই সমাজের সেই সব মুখোশ পরা মানুষদের কটাক্ষ করতে চেয়েছে তরুণদের এই দল। হিংসাত্মক পথে না হেঁটে প্রতিবাদ জানিয়েছে হাস্যরসের মাধ্যমে৷ ওয়েবসাইটে বলা আছে, শাড়িগুলি অনলাইনে অর্ডারও করা যাবে। ১০০, ২০০, ৫০০ টাকা নানা মূল্যের শাড়ি রয়েছে। তবে নিছকই ব্যবসার জন্য শাড়িগুলি তারা বিক্রি করছে না। এই অর্থ সমাজের পিছিয়ে পড়া মেয়েদের শিক্ষার জন্য ব্যবহার করা হবে। যাতে হিংসার বিরুদ্ধে নিজেরাই রুখে দাঁড়াতে পারে তারা। তাই এই অর্থকে অনুদান বলতেই আগ্রহী ওই তরুণরা।
মনে হয় তিনি স্বর্গে বাস করছেন
১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : এশিয়ার সবচেয়ে মোটা নারী তকমাপ্রাপ্ত ভারতের মুম্বাইয়ের অমিতা রজনী নিজের ওজন ৩০০ কেজি থেকে ২১৪ কেজিই কমিয়ে ফেলেছেন। দেখতে কদাকার স্থুলকায় নারী থেকে তিনি এখন স্লিমফিট সুন্দরী।চার বছরে দুটি অস্ত্রোপচার এবং লাইফস্টাইল পরিবর্তনের মাধ্যমে তিনি তার ওজন কমিয়েছেন। ৩০০ কেজি থেকে কমে তার ওজন এখন মাত্র ৮৬ কেজি। ভারতের মুম্বাইয়ের এই নারীর চিকিৎসক বেরিয়াট্রিক সার্জন ডা. শশাঙ্ক শাহ জানিয়েছেন, ৪২ বছরের অমিতাই ছিলেন এশিয়ার সবচেয়ে মোটা নারী।দেশটির একটি গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাত্কারে অমিতা রজনী বলেন, অস্ত্রোপচারের আগে তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল। পোশাক বদলানো বা সামান্য একটু হাঁটার জন্যও প্রয়োজন হতো সাহায্যের। টানা ৮ বছর শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি।অমিতা বলেছেন, এই আট বছরে একদিনও বাড়ির বাইরে বের হননি, দেখেননি সূর্যের আলো। তাকে দেখলেই তার ভাইয়ের ৬ মাস বয়সী ছেলে কাঁদতে শুরু করতো। এখানেই শেষ নয়; মুটিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কিডনির জটিলতা, ২ ডায়াবেটিস এবং শ্বাসকষ্ট ছিল তার।ভারতের লীলাবতী এবং হিন্দুজা হাসপাতালে দুবার বেরিয়াট্রিক সার্জারি হয় তার। অস্ত্রোপচারের পর ৩০ দিন চিকিৎসকরা পর্যবেক্ষণে রেখেছিলেন তাকে। এ সময় ফিজিওথেরাপি এবং ব্রিদিং এক্সারসাইজও চলতো।অমিতা জানিয়েছেন, এখন মনে হয় তিনি স্বর্গে বাস করছেন। সুস্থ হওয়ার পর ঘুরে দেখেছেন ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত।
ডায়াবেটিস রোগীর রোজা রাখার ক্ষেত্রে কী করণীয়?
৭মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম মঙ্গলবার থেকেই বাংলাদেশে রমজান মাস শুরু হতে যাচ্ছে। মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের কাছে অবশ্য পালনীয় রোজা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ডায়াবেটিসের মতো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য ঠিক রাখাও জরুরি। কারণ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়ম মেনে ও সময় মতো খাবার খেতে হয়। সেই সঙ্গে দিনের বিভিন্ন সময় তাদের ওষুধ নেয়ার দরকার হতে পারে। ফলে সেহরি এবং ইফতারের মধ্যে দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকার প্রভাব পড়তে পারে তাদের শরীরে। বাংলাদেশে প্রায় ৭০ লক্ষ ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগী রয়েছে। রমজান মাসে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির রোজা রাখার ক্ষেত্রে কী করণীয়? এ নিয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এ কে আজাদ খান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. শারমিন রুমি আলীম। ১. রোজার আগেই ডায়াবেটিক পরীক্ষা অধ্যাপক এ কে আজাদ বলছেন, যাদের ডায়াবেটিক রয়েছে, তাদের রোজার আগেই আরেকবার পরীক্ষা করে দেখা উচিত যে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে কিনা। স্বাস্থ্যের অবস্থা অনুযায়ী তাদের রোজা পালন করা উচিত হবে কিনা বা কিভাবে করতে পারবেন, তা নিয়ে চিকিৎসক পরামর্শ দেবেন। চিকিৎসক ওষুধের ডোজ পরিবর্তন বা সমন্বয় করে দিতে পারেন। সেটা অনুসরণ করে তারা সুস্থভাবে রোজা রাখতে পারেন। তিনি বলছেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকলে নিয়মকানুন মেনে রোজা রাখা যেতে পারে। ২. হাইপোর জন্য বিশেষ প্রস্তুতি দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকার ফলে ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের সুগার অতিরিক্ত কমে গিয়ে জটিল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যাকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলে। তখন প্রচুর ঘাম হয়, বুক ধরফর করে। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন, এরকম পরিস্থিতি দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে শরবত বা মিষ্টি জাতীয় কিছু মুখে দিতে হবে। স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য তখনি রোজা ভেঙ্গে ফেলার জন্য তারা পরামর্শ দিচ্ছেন, না হলে মৃত্যু ঝুঁকিও দেখা দিতে পারে। এজন্য সবসময়ে সঙ্গে মিষ্টি চকলেট বহন করার পরার্মশ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। ৩. ইনসুলিন ও রক্ত পরীক্ষা বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এ কে আজাদ খান বলছেন, বাংলাদেশে একটা ভুল ধারণা আছে যে ইনসুলিন নিলে বা রক্ত পরীক্ষা করালে রোজা ভেঙ্গে যায়। তিনি বলছেন, কয়েক বছর আগে আমরা দাখিল মাদ্রাসার বেশ কয়েকজন আলেমের কাছে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছিলাম যে, একজন ডায়াবেটিক রোগী ইনসুলিন নিলে বা শর্করা মাপার জন্য রক্ত পরীক্ষা করলে সেটা রোজা ভঙ্গ হবে কিনা।তারা আমাদের লিখিতভাবে জানিয়েছেন, রোজাদার ব্যক্তি ইনসুলিন নিলে বা ডায়াবেটিস পরীক্ষার জন্য রক্ত দিলে সেটা রোজা ভঙ্গ হবে না। তিনি পরামর্শ দিচ্ছেন, নিয়ম অনুযায়ী একজন রোজাদার যেমন ইনসুলিন নেবেন, তেমনি শারীরিক কোন দুর্বলতা অনুভব করলে নিজেই রক্ত পরীক্ষা করে তার ডায়াবেটিস মেপে দেখবেন। সে অনুযায়ী রোজার বিষয়ে তিনি সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। কোনভাবেই যেন হাইপো না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। রোজা থাকার সময় সকালে এবং বিকালে নিয়মিতভাবে রক্ত পরীক্ষা করে শরীরের সুগারের অবস্থা দেখে নিতে হবে। রোজার সময় ইনসুলিন কিভাবে সমন্বয় করতে হবে, সেজন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সে অনুযায়ী তিনি সকাল বা বিকালের ইনসুলিনের সময় ও মাত্রা বদলে দিতে পারেন। ৪. সকালের খাবার ইফতারে আর রাতের খাবার সেহরিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. শারমিন রুমি আলীম বলছেন, রোজায় ডায়াবেটিক রোগীদের খাবারের ক্ষেত্রে সহজ পরামর্শ হলো, আপনি সকালে যে খাবারটি খেতেন, সেটা খাবেন সন্ধ্যায় আর রাতে যে খাবারটি খেতেন, সেটা খাবেন সেহরিতে। দুপুরের খাবার রাতে খেতে পারেন। তিনি বলছেন, আমাদের দেশে ইফতারিতে যে ভাজাপোড়া খাওয়ার চল রয়েছে সেগুলো স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই ভালো নয়। সুতরাং সেগুলো না খেয়ে দই চিড়া, রুটি বা সবজি, ১/২ টা খেজুর, ফলমূল খেলে শরীরের জন্য ভালো। সেহরিতে পোলাও-বিরিয়ানির মতো ভারী খাবারের পরিবর্তে জটিল শর্করা জাতীয় স্বাস্থ্যকর ও আশযুক্ত খাবার খাওয়া ভালো। ভাতের বদলে আটার তৈরি খাবার বা রুটি খেতে পারলে তা শরীরের জন্য ভালো, যেহেতু এটি দীর্ঘসময় নিয়ে হজম হয়ে থাকে। খাবার খেতে হবে সেহরির সময় শেষ হওয়ার কিছু আগে। ৫. চিনির শরবত বাদ দিয়ে ফলের শরবত বা ডাবের পানি চিনি বা বাজারের বিভিন্ন ধরণের শরবত বাদ দিয়ে বরং ডাবের পানি বা ফলের শরবত ইফতারিতে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। সেহরিতে ভারী খাবারের পরিবর্তে যতটা বেশি সম্ভব তরল পান করতে হবে। ইফতারির পর থেকে সেহরি পর্যন্ত যতটা বেশি সম্ভব পানি পান করতে হবে। অধ্যাপক ড. শারমিন রুমি আলীম বলছেন, যেহেতু এবার গরমের সময় রোজা হচ্ছে, তাই সেহরি ও ইফতারের পর বেশি করে পানি পান করতে হবে। রোজা রাখলে ডায়াবেটিক রোগীদের ব্যায়ামের রুটিনে পরিবর্তন আনার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। ৬. ব্যায়াম যেসকল ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত ব্যায়াম করে থাকেন, রোজার রাখার সময় তাদের নিয়মের কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে। যেহেতু অন্যান্য সময় ব্যায়ামের পরে তারা খাবার বা পানি খেয়ে থাকেন, কিন্তু রোজার সময় সেটি সম্ভব হয় না, ফলে শরীরে শর্করার মাত্রা অনেক কমে যেতে পারে। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন, সন্ধ্যার পর অথবা সেহরির আগে হাটাহাটি বা ব্যায়াম করতে পারেন রোজাদার ডায়াবেটিক রোগীরা
সুস্থ থাকতে সব খাবার পাতে
১১ ফেব্রুয়ারী ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : ষাটের দশকে সেভেন কান্ট্রিজ স্টাডিতে বিজ্ঞানীরা জানান যে ভূমধ্যসাগরের আশপাশের এলাকায় চর্বিসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া সত্ত্বেও মানুষের হৃদরোগ কম হয়। তার অন্যতম কারণ হিসাবে উঠে আসে অলিভ অয়েল, বাদাম ও সামুদ্রিক মাছ। তাঁদের খাবারের প্রায় সব চর্বিটুকুই আসত অলিভ অয়েল, বাদাম ও সামুদ্রিক মাছ থেকে৷ অলিভ অয়েল ও বাদাম (আমন্ড, চিনেবাদাম, কাজু, হেজেলনাট, ম্যাকাডামিয়া নাট) হল মোনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড বা মুফা-র বড় উৎস৷এছাড়া অ্যাভোক্যাডো, বাদাম ক্যানোলাস্যাফ্ তেল, ন্যাচারাল পিনাট বাটারেও প্রচুর মুফা আছে৷যদিও এদের ক্যালোরি একটু বেশি৷এছাড়া আর কোনও দোষ নেই৷কাজেই নিয়মিত অল্প করে মুফা সমৃদ্ধ খাবার খানা। সামুদ্রিক মাছে আছে পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড বা পুফা৷আখরোট, সয়াবিনের দুধ ও টোফু, সূর্যমুখী তিসি ও কুমড়োর বীজ, সানফ্লাওয়ার সয়াবিন ও কর্ন অয়েলেও বেশ ভাল পরিমাণে আছে৷ ওমেগা থ্রি ভার্সেস ওমেগা সিক্স: পুফা মূলত দু রকম৷ওমেগাথ্রি ও ওমেগাসিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড৷খারাপ কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে, ভাল কোলেস্টেরল বাড়াতে এদের ভূমিকা আছে৷শরীরের অন্যান্য আরও কাজেও লাগে তারা৷ সবচেয়ে ভাল ফল পেতে সারা দিনের খাবারে ওমেগাসিক্স ও ওমেগাথ্রির অনুপাত সমান থাকা দরকার৷ নাহলে ২ : ১ বা নিদেনপক্ষে ৪ : ১ রাখতেই হবে৷ না হলে হৃদরোগ, ডায়াবিটিস, অ্যার্থ্রাইটিস, অ্যালঝাইমার ডিজিজ, ক্যানসার ইত্যাদির আশঙ্কা বেড়ে যেতে পারে৷বয়সের ছাপ পড়তে পারে দ্রুত৷মন মেজাজ খারাপ হওয়া থেকে শুরু করে ডিপ্রেশনের প্রকোপ বাড়তে পারে৷কাজেই কীভাবে ওমেগাসিক্স কম খেয়ে ওমেগাথ্রি সমৃদ্ধ খাবার বেশি খাওয়া যায়, তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করা দরকার৷ খাবারে ওমেগা সিক্স ও ওমেগা থ্রি-র অনুপাত ঠিক থাকলে স্মৃতিশক্তি ভাল থাকে, ক্লান্তি কমে, প্রকোপ কমে স্কিজোফ্রেনিয়া এডিএইচ ডিসঅর্ডারের মতো রোগের৷ কী খাবেন, কীভাবে খাবেন: তৈলাক্ত ও সামুদ্রিক মাছে এবং অর্গানিক পশুর মাংসে ভাল জাতের ওমেগা থ্রি আছে প্রচুর পরিমাণে৷আছে আখরোট, তিসি, ব্রাসেল্স স্প্রাউট, পালং, পার্সলে ইত্যাদিতেও৷তবেতামানেকিছুটাখাটো৷তাও সবধরনের খাবার মিলিয়ে মিশিয়ে খেলে প্রয়োজন মিটে যায়৷কোনও কারণে খাওয়া সম্ভব না হলে সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন৷ প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খেলে ওমেগা সিক্স এর ঝামেলা কম থাকে৷কম থাকে ট্রান্সফ্যাটের বিপদ৷কাজেই কেক, বিস্কুট, প্যাকেটজাত ফুড, ইনস্ট্যান্ট নুডুল্স, আইসক্রিম ইত্যাদি খাওয়া কমান৷ সয়াবিন, বাদাম ও বীজে ওমেগা সিক্স বেশি থাকলেও এ সবের অন্য উপকার আছে বলে অল্প করে খাওয়া ভাল৷ ছাঁকা তেলে ভাজা যত কম খাওয়া যায় তত ভাল৷টাটকা তেলে ভেজে খেলে ক্ষতি কম হলেও, একেবারে নেই এমন নয়৷আর পোড়া তেলে ভাজলে তো কথাই নেই৷ট্রান্সফ্যাটে ভরপুর থাকে সে খাবার৷ অল্প করে ফুল ফ্যাট খাবার খান৷যেমন, হোল মিল্ক, ফুল ফ্যাট ইয়োগার্ট বা চিজ৷লো ক্যালোরি সুষম খাবার খাওয়ার পাশাপাশি সপ্তাহে দু এক দিন এক চামচ ঘি ও মাখন খেতে পারেন৷খেতেপারেনপিনাটবাটার৷তৈলাক্তমাছসপ্তাহেদু দিন অবশ্যই খাবেন৷বাকিদিনে দেশি চিকেন, জৈব খাবার বা ঘাস খেয়ে বড় হওয়া গরু বা পাঁঠার মাংসের লিন কাট, দেশি মুরগির ডিম, রাজমা, ছোলা, ডাল, সয়াবিন খান৷কখনওসখনও পোর্ক খেলেও লিন কাটই খাবেন৷ বাঙালি রান্না সর্ষের তেলে করাই ভাল৷ক্যানোলা বা ফ্ল্যাক্সসিড অয়েলেও রাঁধতে পারেন৷আর অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন স্যালাড ড্রেসিংয়ে বা সতে শাক সব্জি চিকেনে৷পাউরুটিতে মাখনের বদলে লাগিয়ে খেতে পারেন। অলিভ অয়েল ফ্রিজে রাখুন৷নাহলে আলো ও তাপে তার উপকারী দিক কমে দিনে দিনে৷কম তেলে ঢিমে আঁচে রান্না করুন খাবারদাবার৷ স্ন্যাক্স হিসেবে অল্প সেঁকা বাদাম খান, সপ্তাহে ৪-৫ দিন৷ক্যালোরি বেশি বলে ২৫ গ্রামের বেশি না খাওয়াই ভাল৷হার্ট, কোলেস্টেরল, সব ঠিক থাকবে৷রক্তচাপ বেশি থাকলে নুন ছাড়া খাবেন৷তেল, বীজ বা বাদাম স্বাদে বা গন্ধে তেতো লাগলে বুঝবেন তার উপকার কমতে শুরু করেছে বা কমে গেছে৷তখন তাকে বাদ দিয়ে দেওয়াই শ্রেয়৷
জেনে রাখুন,বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে যে খাবার
১ ফেব্রুয়ারী ,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম :সন্তান হওয়ার পর তাদের মেধাবিকাশ নিয়ে সব বাবা-মাই খুব চিন্তিত থাকেন। শুধু চিন্তা করলেই হবে না, বাচ্চার মেধাবিকাশের পাশাপাশি স্মৃতিশক্তিও যেন ভালো হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। জেনে রাখুন এমনই কিছু খাবার যা বাচ্চাদের মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য উপকারী। ওটমিল : ব্রেকফাস্টে বাচ্চাকে খাওয়াতে পারেন। এতে স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকবে না। মাছ : মাছে আছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড এবং ডিএইচএ। বহু গবেষণায় দেখা গেছে যে খাবারে কম পরিমাণে ডিএইচএ থাকলে স্মৃতিশক্তি ও বুদ্ধিজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। বাদাম : আমন্ড বা যে কোনো বাদামে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন। তবে বিশেষ করে কাজু বাদামে থাকে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড। তাই সন্তানকে বাদাম খাওয়াতে ভুলবেন না। ফল : যেসব ফল এবং সবজিতে বেসি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, তা মস্তিষ্কের পক্ষে খুব ভালো। ব্লুবেরি ও স্ট্রবেরিতে থাকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা মনোযোগ এবং শর্ট টার্ম মেমরি ভালো রাখতে সাহায্য করে। ড্রাই ফ্রুটস : ড্রাই ফ্রুটসে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে যা বাচ্চাকে সজাগ রাখতে সাহায্য করে। বাচ্চার ব্রেকফাস্টে বা টিফিনে কিশমিশ, চেরি ইত্যাদি ড্রাই ফ্রুটস দিয়ে দিতে পারেন। দই : যে বাচ্চারা ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খায় তারা অনেক চটপট ও কোনো নতুন জিনিস শিখে নিতে পারে। ক্যালসিয়াম বাচ্চাদের হাড় মজবুত করে এবং অ্যাক্টিভ থাকতে সাহায্য করে। বাচ্চাকে দিনে একবার দই খাওয়াতে চেষ্টা করুন। ডিম : ডিমে প্রচুর পরিমাণে কোলিন থাকে যা শরীরে নিউরোট্রান্সমিটার অ্যাসিটিলকোলিন তৈরি করতে সাহায্য করে। শরীরে যদি সঠিক পরিমাণে অ্যাসিটিলকোলিন তৈরি না হয় তাহলে, কোনো কিছু মনে রাখতে অসুবিধা হতে পারে। ডিমে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড থাকে যা বাচ্চার মস্তিষ্কের পক্ষে খুবই ভলো।
নানা উপায়ে পছন্দের মেয়েটির মন জিততে পারেন !
অনলাইন ডেস্ক :মনের মানুষটাকে কাছে পেতে কার না ভাল লাগে? কার না ইচ্ছা করে মন খুলে তার সঙ্গে ২টি কথা বলতে। কিন্তু নানা আশঙ্কায় পিছিয়ে আসেন অনেকেই। বিশেষ করে যে সমস্ত ছেলেদের দেখতে তেমন সুপুরুষ নয়, তারা অনেক সময়ই পছন্দের মেয়েটিকে খুলে বলতে পারেন না। কিন্তু জানেন কি? শুধু দেখতে সুন্দর হওয়াই মেয়েদের পছন্দের তালিকায় থাকার একমাত্র শর্ত নয়। অন্য নানা উপায়ে পছন্দের মেয়েটির মন জিততে পারেন আপনি। তাকে চিনুন রাতারাতি যেমন কারও ঘনিষ্ঠ হওয়া যায় না, তেমনই কথা শুরু না করলে কোনও দিনও তার মনের কথা জানতে পারবেন না আপনি। দূর থেকে দেখা মেয়েটির সঙ্গে সাধারণ কথাবার্তা শুরু করুন। তার ছোটবেলা, বেড়ে ওঠা ও পরিবারের সম্পর্কে জানতে চান। বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে মতবিনিময় করুন। তার মত জানতে চান। এভাবেই ক্রমশ তাকে জানতে শুরু করবেন আপনি। জানতে পারবেন তার পছন্দ-অপছন্দ। মিল খুঁজে বার করুন কথায় কথায় নিজেদের মধ্যে নানা মিল খুঁজে বের করুন। পছন্দের রং, পছন্দের লেখক, পছন্দের গান মিলে গেলে তাকে জানান। এভাবেই গড়ে ওঠে সম্পর্কের বুনন। বন্ধু হোন যে কোনও প্রণয়ের সম্পর্কের প্রথম ধাপ হল বন্ধুত্ব। ফলে বন্ধুত্বকে টপকে কারও মন জেতা সম্ভব নয়। বন্ধুত্বকে গাঢ় করতে একসঙ্গে সময় কাটান। রেস্তোরাঁয়, পার্কে বা কোনও কলাকেন্দ্রে। মানুষ হিসেবে আপনি যে তার কাছে কতটা আনন্দের, ভাললাগার সেটা তাকে বুঝতে দিন। চালাকি করার চেষ্টা করবেন না মেয়েরা ছেলেদের মতলব ছেলেদের থেকেও ভাল বোঝে। তাই চালাকি করার চেষ্টা করবেন না। তার দিকে বেশি তাকাবেন না। চোখে চোখ যাতে না পড়ে সে দিকে খেয়াল রাখবেন। আর যৌন প্রস্তাব তো একেবারেই নয়। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। তুলনা করবেন না নিজেকে কখনও কারও সঙ্গে তুলনা করবেন না। কোনও নায়ক বা জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বের মতো করে নিজেকে তুলে ধরবেন না। নিজে যেমন তেমনই থাকুন। এ সব মেয়েরা খুব সহজেই ধরে ফেলে। পরিস্কার থাকুন পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন। শরীর থেকে যেন দুর্গন্ধ না বের হয়। জামা কাপড় পরিষ্কার রাখুন।