নানা উপায়ে পছন্দের মেয়েটির মন জিততে পারেন !
অনলাইন ডেস্ক :মনের মানুষটাকে কাছে পেতে কার না ভাল লাগে? কার না ইচ্ছা করে মন খুলে তার সঙ্গে ২টি কথা বলতে। কিন্তু নানা আশঙ্কায় পিছিয়ে আসেন অনেকেই। বিশেষ করে যে সমস্ত ছেলেদের দেখতে তেমন সুপুরুষ নয়, তারা অনেক সময়ই পছন্দের মেয়েটিকে খুলে বলতে পারেন না। কিন্তু জানেন কি? শুধু দেখতে সুন্দর হওয়াই মেয়েদের পছন্দের তালিকায় থাকার একমাত্র শর্ত নয়। অন্য নানা উপায়ে পছন্দের মেয়েটির মন জিততে পারেন আপনি। তাকে চিনুন রাতারাতি যেমন কারও ঘনিষ্ঠ হওয়া যায় না, তেমনই কথা শুরু না করলে কোনও দিনও তার মনের কথা জানতে পারবেন না আপনি। দূর থেকে দেখা মেয়েটির সঙ্গে সাধারণ কথাবার্তা শুরু করুন। তার ছোটবেলা, বেড়ে ওঠা ও পরিবারের সম্পর্কে জানতে চান। বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে মতবিনিময় করুন। তার মত জানতে চান। এভাবেই ক্রমশ তাকে জানতে শুরু করবেন আপনি। জানতে পারবেন তার পছন্দ-অপছন্দ। মিল খুঁজে বার করুন কথায় কথায় নিজেদের মধ্যে নানা মিল খুঁজে বের করুন। পছন্দের রং, পছন্দের লেখক, পছন্দের গান মিলে গেলে তাকে জানান। এভাবেই গড়ে ওঠে সম্পর্কের বুনন। বন্ধু হোন যে কোনও প্রণয়ের সম্পর্কের প্রথম ধাপ হল বন্ধুত্ব। ফলে বন্ধুত্বকে টপকে কারও মন জেতা সম্ভব নয়। বন্ধুত্বকে গাঢ় করতে একসঙ্গে সময় কাটান। রেস্তোরাঁয়, পার্কে বা কোনও কলাকেন্দ্রে। মানুষ হিসেবে আপনি যে তার কাছে কতটা আনন্দের, ভাললাগার সেটা তাকে বুঝতে দিন। চালাকি করার চেষ্টা করবেন না মেয়েরা ছেলেদের মতলব ছেলেদের থেকেও ভাল বোঝে। তাই চালাকি করার চেষ্টা করবেন না। তার দিকে বেশি তাকাবেন না। চোখে চোখ যাতে না পড়ে সে দিকে খেয়াল রাখবেন। আর যৌন প্রস্তাব তো একেবারেই নয়। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। তুলনা করবেন না নিজেকে কখনও কারও সঙ্গে তুলনা করবেন না। কোনও নায়ক বা জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বের মতো করে নিজেকে তুলে ধরবেন না। নিজে যেমন তেমনই থাকুন। এ সব মেয়েরা খুব সহজেই ধরে ফেলে। পরিস্কার থাকুন পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন। শরীর থেকে যেন দুর্গন্ধ না বের হয়। জামা কাপড় পরিষ্কার রাখুন।
জেনে নিন, কীভাবে দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাবেন
অনলাইন ডেস্ক : ব্রণের সমস্যা, গরমে ঘেমে নাজেহাল হওয়ার সমস্যা, মেকআপ গলে যাওয়ার সমস্যা আরও অনেক সমস্যা এসে হাজির হয়। তবে গরমে যে সমস্যা সবথেকে বেশি সমস্যা দেয়, তা বোধহয় ঘামের দুর্গন্ধের সমস্যা। বহু মানুষের মধ্যে ঘামের দুর্গন্ধের সমস্যা দেখা দেয়। আর এর জন্য শুধু সেই ব্যক্তিই নন, আশেপাশের অনেকেই সমস্যায় পড়েন। রাস্তা-ঘাট, ট্রেন, বাস, বাড়িতেও ঘামের দুর্গন্ধে বিরক্ত হয়ে যান চেনা পরিচিত, অপরিচিত থেকে কাছের মানুষ প্রত্যেকে। জেনে নিন কীভাবে ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাবেন- ১। দিনের দু-বার ভালো ভাবে স্নান করলে ঘাম এবং ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। গরমকালে গিনে দুবার স্নান আপনার শরীরকে ঠাণ্ডাও রাখে আবার ঘামের দুর্গন্ধ থেকেও মুক্তি দেয়। ২। স্নান করে পোশাক পরার আগে শরীরটাকে ভালো করে হাওয়ায় শুকিয়ে নিন। ভেজা শরীরে কখনওই পোশাক পরবেন না। ভেজা শরীরে পোশাক পরলে, বেশি ঘাম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আরও পড়ুন নববর্ষ স্পেশাল রেসিপি: মিষ্টি দই ৩। আপনি স্লিভলেস পোশাক পরুন অথবা না পরুন, অবশ্যই শরীরের অবাঞ্ছিত রোমগুলি নির্মূল করুন। শরীরে অবাঞ্ছিত রোম ঘামের জন্ম দেয়, এবং তা থেকেই দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। ৪। স্নানের সময়ে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করুন। অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল সাবান শরীর থেকে ব্যাকটেরিয়া দূর করে। যদি আপনার ত্বকে অ্যালার্জি কিংবা ইনফেকশনের ঝুঁকি থাকে, তাহলে সাবান পছন্দের সময়ে অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। ৫। শরীর থেকে ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে ল্যাভেন্ডার, পিপারমেন্ট, পাইন প্রভৃতির এসেন্সিয়াল ওয়েল ব্যবহার করুন। কিংবা একেবারে ঘরোয়া পদ্ধতিতে স্নানের জনে একটি পাতিলেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন। ৬। অনেক সময়ে আমাদের খাদ্যাভাসের কারণেও ঘামের দুর্গন্ধ দেখা দিতে পারে। তেল-ভাজা-মশলা দেওয়া খাবার শরীরে ঘাম উত্পাদন করে। ঘামের হাত থেকে রক্ষা পেতে ৭। নাইলন কিংবা সিন্থেটিকের পোশাক একেবারেই পরবেন না। এতে ঘাম আটকে থাকে। সুতির হালকা পোশাক পরুন। সুতির পোশাক ঘাম টেনে নিয়ে শরীরকে শুকনো রাখে। জুতো পরার সময়েও সুতির মোজা পরুন। ৮। শুধু ডিওডোরেন্ট ব্যবহারেই ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি দেয় না। তার সঙ্গে অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট ব্যবহার করুন।
সুখী হতে চান ? জেনে নিন
অনলাইন ডেস্ক :সুখী হতে কে না চায়? কিন্তু সুখ তো সহজে মেলে না। তাই বলে থেমে নেই বিজ্ঞান। সুখকর মুহূর্তে ভাসতে হলে কিছু কাজ করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন সেই সব সুখকর কাজের কথা দয়াশীলতার চর্চা : প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অন্যদের সহায়তা করুন। গৃহহীন বা দরিদ্র কিংবা অসহায়কে সামান্য সহায়তার বিনিময়ে আপনার মনে অনাবিল শান্তি মিলতে পারে। পরীক্ষায় প্রমাণ মিলেছে যে, দয়ালু মানুষের মনে সুখ বিরাজ করে। একটু দয়াশীলতার চর্চা আপনাকে নিমিষেই সুখী করে তোলে। ব্যায়াম : দেহে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধিতে ছড়িয়ে পড়ে অ্যান্ড্রোফিন্স হরমোন। আর এটা সুখকর অনুভূতি সৃষ্টি করে। মেজাজ ভালো করে দেয়। আর এর জন্য ব্যায়াম এক অতুলনীয় মাধ্যম। বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে যে, শরীরচর্চা বা কায়িক শ্রম দেহ-মনের অবসাদ দূর করে। এমনকি বিষণ্নতার চিকিৎসায় পর্যন্ত ব্যায়ামকে কার্যকর থেরাপি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। দৌড়ানো, সাইকেল চালনা, ইয়োগা, নাচা ইত্যাদি দারুণ সব ব্যায়াম। প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিট হাঁটলেই কাজ হয়ে যাবে। পাতাবহুল সবুজ শাক : গাঢ় রঙের পাতাবহুল শাকসবজি ফোলেটে পূর্ণ থাকে। এই খাদ্য উপাদানটি নেতিবাচক মেজাজ এবং বিষণ্নতা দূর করতে ওস্তাদ বলে গণ্য করা হয়। মস্তিষ্কে ডোপামাইন উৎপন্ন করে। ২০১২ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, মধ্যবয়সীরা পর্যাপ্ত পরিমাণে গাঢ় রঙের পাতাবহুল শাকসবজি খেলে তাদের মধ্যে আর মন খারাপ ভাব থাকে না। নিজের জন্য ফুল : হার্ভার্ডের একদল গবেষক পরীক্ষা করে দেখেছেন, নিজের জন্য ফুল কিনে বাড়িতে গেলে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা অনেকটা দূরীভূত হয়। পরীক্ষায় যাঁরা অংশ নিয়েছিলেন তাঁরা এ কাজের মাধ্যমে আরো অনেক বেশি প্রাণবন্ত ও উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠেন। হাসি : মুখের হাসি সুখকর অনুভূতি প্রকাশের নিশানা। বিজ্ঞানীরা আরো দেখেছেন, এমনকি মন খারাপ থাকা অবস্থায় কোনো কারণ ছাড়া জোর করে হাসলেও চট করে ভালোলাগা অনুভূতি আসে। একগাল হাসির মাধ্যমে মস্তিষ্কে সুখের কেন্দ্রটাকে উন্মুক্ত করা যায়। বাইরে যাওয়া : মনমরা হয়ে আছেন? সোজা বাইরে চলে যান। দিনের ঝকঝকে আলো কিংবা রাতের অসাধারণ সৌন্দর্য উপভোগ করে আসুন। দিনের আলোয় দেহে ভিটামিন ডি উৎপন্ন হয়। আর এই ভিটামিন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দূর করে। আবার রাতে বাইরের পরিবেশও আপনার মনটাকে ভালো করে দিতে পারে। লেবু বা কমলার গন্ধ : সাইট্রাস জাতীয় ফলের গন্ধ মন ভালো করে দেয় বলে গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে। কমলা, লেবু বা জাম্বুরার গন্ধ দেহে ইতিবাচক রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। কাজেই মন ভালো না লাগলে এসব ফলের গন্ধ নিতে পারেন। চাইলে এ ধরনের ফলের এসেনশিয়াল ওয়েল কিনে রাখুন। মনে সুখ আনতে গন্ধ শুঁকে নিন। খাবারে হলুদযোগ : হলুদে আছে কারকিউমিন নামের এক সক্রিয় উপাদান। এতে প্রকৃতিগতভাবেই অ্যান্টি-ডিপ্রেসান্ট আচরণ আছে। এমনতিই প্রতিদিনই তরকারিতে মসলা হিসেবে হলুদ খাওয়া হয় আমাদের। তবে যদি সামান্য কাঁচা হলুদ রস করে হালকা গরম দুধে মিশিয়ে প্রতিদিন খেতে পারেন, তবে মনটা গোটা দিন ভালো থাকবে। হলুদ দেহে সেরোটনিন এবং ডোপামাইন হরমোনের ক্ষরণ বৃদ্ধি করে।
সম্পর্কে জড়ালে ওজন কেন বাড়ে?
অনলাইন ডেস্ক :বিয়ে কিংবা সম্পর্কে জড়ালে ওজন কেন বাড়ে? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা একটি জরিপ চালিয়েছেন। জরিপের নমুনায়ন হিসেবে দুই হাজার মানুষকে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়। ওই জরিপে দেখা গেছে, জরিপে অংশ নেয়া নারী-পুরুষের ৭৯ শতাংশেরই ১৬ কেজির মতো ওজন বেড়েছে সম্পর্ক শুরুর পর। এ ওজনটাকে বলা হচ্ছে-লাভ ওয়েটবা ভালোবাসার ওজন। সম্পর্কের প্রথম বছরেই এ ওজন বাড়তে দেখা যায় তাদের। জরিপে দেখা গেছে, নারীর চেয়ে পুরুষের ওজন বিয়ের পর বেশি বাড়ে। জরিপে অংশ নেয়া ৬৯ শতাংশ পুরুষের ও ৪৫ শতাংশ নারীর ওজন বেড়েছে। জরিপে অংশ নেয়া ৫৭ শতাংশ মানুষ জানান, বিয়ের প্রথম বছরে গড়ে ৭ দশমিক ৭ কেজি ওজন বাড়ে তাদের। এ ক্ষেত্রে নারীর তুলনায় পুরুষের ওজন বেশি বাড়ে। বিয়ের পর বেশিরভাগ দম্পতি বাচ্চা নেন এবং শরীরের প্রতি তেমন মনোযোগ দেন না- এ কারণে ওজন বাড়ে। বিয়ের সময়টায় ও পরে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে ভারী খাবার খাওয়া হয়। এ ফলে ওজন বাড়তে পারে। গবেষকরা জানান, প্রেম কিংবা সম্পর্কে জড়ানোর পর জুটি বাইরে আড্ডার সময় অনেক বেশি খাবার খাওয়া হয়। অনেকে মুখরোচক কিংবা রিচ ফুডও বেশি খান। এ কারণেই ওজন বেড়ে যায়। অনেকেই দাবি করেন, প্রেমের পর তাদের মনে হয়, মনের মানুষ পেয়ে গেছেন, এখন ওজন কমানোর কষ্ট না করলেও চলবে। জরিপে নেয়া ব্যক্তিদের উত্তর থেকে বিয়ের পর কিংবা সম্পর্কে জড়ানোর পর ওজন বৃদ্ধির সাতটি কারণ বেছে নিয়েছেন গবেষকরা। সেগুলো নিম্নরূপ- ১. হরমোন পরিবর্তন ২. বেড়াতে গিয়ে ও কিংবা দাওয়াতে গিয়ে বেশি করে রিচ ফুড খাওয়া। ৩. সুখ সঙ্গী হওয়ায় ওজন নিয়ে চিন্তা না করা। ৪. কর্মক্ষেত্রে কাজের চাপে জীবনযাপন এলোমেলো হয়ে যাওয়া। ৫. পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব। ৬. সম্পর্কে টানাপড়েন হলেও প্রেমিক স্বাস্থ্যের প্রতি বেখেয়াল হয়ে পড়ে, এতে ওজন বাড়ে। ৭) বিয়ের পর বিশেষ সম্পর্কের পর খাবারের চাহিদা বেড়ে যাওয়া। সূত্র: আইএফএলসায়েন্স।
বন্ধু ছাড়া জীবন কেমন ?
অনলাইন ডেস্ক :ব্রিটিশ রেড ক্রসের এক গবেষণা অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে লাখ লাখ মানুষ একাকীত্ব কিংবা সামাজিক বিচ্ছিন্নতায় ভুগছেন। যাদের ওপর গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে তাদের মধ্যে প্রায় চার হাজার প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ বলেছেন তাদের কোনো ঘনিষ্ঠ বন্ধু নেই। আবার এক তৃতীয়াংশও বলছেন কথা বলার মতো কেউ নেই বলে প্রায়ই তারা একা বোধ করেন।যদিও অনেকে মনে করেন, একাকীত্বের মতো বিষয়টি আসলে বয়স্কদের ওপরই প্রভাব ফেলে কিন্তু এই গবেষণা বলছে তরুণ প্রাপ্তবয়স্করাও এখন এ ধরণের সমস্যা অনুভব করেন।হ্যাজেল নামে একজন বলেছেন, তিনি নতুন একটি এলাকায় আসার পর কমপক্ষে তিন বছর কোনো বন্ধু তৈরি করতে পারেননি। মাত্র ২০ বছর বয়সে বার্মিংহামে বড় হওয়া এ তরুণী অন্য একটি এলাকায় যান যেখানে তার স্বামী বাস করেন।অনেকেই আমাকে বলেছেন বন্ধু তৈরি করা সহজ কিন্তু আমি আসলে অনেক লড়াই করেছি।তিনি বলেন, সবসময়ই এটা কঠিন মনে হয়েছে আমার কাছে। শৈশবে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে আমাকে। আমি আসলে আমার সহোদরদের মতো ছিলাম না এবং সামাজিকভাবে মেশার বিষয়গুলো আমি ততটা শিখে উঠতে পারিনি।হ্যাজেল বলেন, তিনি মনে করেন কিছু মানুষের মধ্যে এ বিষয়গুলো আসলে প্রাকৃতিক ভাবে হয়ে ওঠে আর কিছু মানুষকে সংগ্রাম করতে হয়।হ্যাজেল বিষয়গুলো নিয়ে তার স্বামীর সাথে কথা বলেছেন। কিন্তু তাতে কোনো সমাধান আসেনি।মানুষকে বিশ্বাস করাই কঠিন হয়ে উঠেছিল। ব্যক্তিগত সম্পর্কগুলো হারাতে শুরু করলে আপনি আসলে আত্মবিশ্বাসটাই হারাতে শুরু করবেন।সবসময় একধরনের উদ্বেগের মধ্যে থাকতেন তিনি কিন্তু কখনোই চিকিৎসকের কাছে যাননি। পরে অবশ্য তিনি যখন গর্ভবতী হয়ে পড়েন তখন এ অবস্থার পরিবর্তন হতে শুরু করে।হ্যাজেলের জন্য মাতৃত্ব তাকে একাকীত্বের চক্র ভাঙ্গতে সহায়তা করেছে।আবার সিমোনা ভারানিউট যখন লিথুনিয়া থেকে বেলফাস্টে যান এবং প্রথম ছয় মাস তার ভালোই কেটেছে।এটাই ছিলো আমার প্রথম কোনো দেশে যাওয়া। আমি ভাবলাম এসেছি এবং কয়েক সপ্তাহ থেকে বাড়ি ফিরে যাবো। বিষয়টা আমি পছন্দ করেছিলাম।তবে একাকীত্ব বিষয়টা অনুভব করেছিলাম পরে।আমি যেখানে থাকতাম সেখানকার লোকজন বন্ধু বৎসল। কিন্তু ঠিক বিশ্বাস করার মতো নয়।এবং তার সন্তান সেবাস্টিনের ছেলে জন্ম নেয়ার পর এটা আরো কঠিন হয়ে যায়।সিমোনা অবশ্য বলছেন, ছেলের সাথে সময়টা তার দারুণ কেটে যায়। কিন্তু দিনের লম্বা সময়টা কাটানো ততটা সহজ ছিলো না।মনে হতো চার দেয়ালের মধ্যে আটকে আছি। আমি বসে না থেকে বাইরে যেতে চেয়েছি।পরে চ্যারিটি কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হলে একটি কমিউনিটির সাথে তার যোগসূত্র গড়ে উঠে।এখন তার পরামর্শ হলো, কোনো নতুন পরিবেশে ভয় পাওয়া বা সাহায্য চাইতে লজ্জিত হওয়া উচিত নয়।
নাক দিয়ে পানি পড়া, যা করবেন
অনলাইন ডেস্ক :ঋতুবদলের ইঙ্গিত বেশ টের পাওয়া যাচ্ছে বাতাসে৷ এ সময় একটু হেরফের হলেই সর্দি-কাশির একটা সমস্যায় ভুগতে আরম্ভ করেন অনেকেই৷ সারারাত শুকনো কাশি কাশতে কাশতে বুকে ব্যথা ধরে যায়৷ এই পরিস্থিতিতে আপনিও নাজেহাল? জানেন তো, আমাদের শরীর যখন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মিউকাস তৈরি করে, তখনই বাড়তি মিউকাস নাকের দিক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে৷ চলতি কথায় সেটাকেই আমরা বলি নাক দিয়ে পানি পড়া৷যদি মিউকাস নাক দিয়ে বেরোতে না পেরে চুঁইয়ে গলায় নামে তা হলে তা হয়ে দাঁড়ায় শুকনো কাশির কারণ৷ মিউকাস কিন্তু যে কোনো ইনফেকশনের সঙ্গে লড়তে এবং তা তাড়াতে সাহায্য করে৷ কিন্তু প্রয়োজনের অতিরিক্ত মিউকাস শরীর তৈরি করলেই সমস্যা শুরু হয়৷ আচমকা ঠাণ্ডা পড়লে, অ্যালার্জি হলে, সাইনাসের ইনফেকশন দেখা দিলে, ধোঁয়া-ধুলো বা বিশেষ কোনও গন্ধ ট্রিগার হিসেবে কাজ করলে এমনটা হতে পারে৷ যাঁদের নাকের হাড় একটু বাঁকা, তাঁরা প্রায়ই এই সমস্যায় ভোগেন৷ গর্ভাবস্থায় বা কোনও বিশেষ ওষুধের প্রতিক্রিয়াতেও এমনটা দেখা দিতে পারে৷ নাক দিয়ে সর্দি বেরনো, কাশি ছাড়াও গলা ব্যথা, শ্বাসে দুর্গন্ধ, ঢোক গেলায় সমস্যাও হতে পারে৷দিনে দু-বার স্টিম নেওয়ার পাশাপাশি অ্যান্টি অ্যালার্জিক ওষুধ খেলেই সাধারণত সমস্যা সেরে যায়৷ যাঁরা খুব অ্যালার্জিতে ভোগেন তাঁর ডিসপোজ়েবল মাস্ক ব্যবহার করতে আরম্ভ করুন ঋতু বদলের সময়টায় অন্তত৷গলার কাছটায় আরামের জন্য উষ্ণ জলে অ্যাপল সাইডার ভিনিগার আর মধু মিশিয়ে খেতে পারেন৷ আদা আর মধু দিয়ে চা খাওয়াও চলে৷ দুধ আর কাঁচা হলুদ বেশ করে ফুটিয়ে পান করুন, শরীরের ভিতরের সব ইনফেকশন কমাতে তা কার্যকর৷
ব্যক্তিত্ব প্রকাশে সুগন্ধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে জেনে নিন
অনলাইন ডেস্ক :সুগন্ধি ব্যক্তিত্বেরই একটি অংশ। সুগন্ধি ব্যবহারের আদব-কায়দা ভালোভাবে জানা থাকলে ব্যক্তিত্বও ফুটে উঠবে অসাধারণভাবে। অপরদিকে সুগন্ধির ভুল ব্যবহারে অন্যের সামনে অস্বস্তিতে পড়তে হয়। তাই আগেই জেনে নিন, সাজ পোশাক এবং আবহাওয়া অনুযায়ী আপনার উপযুক্ত সুগন্ধি সম্পর্কে। পছন্দকে প্রাধান্য দিন সুগন্ধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিজের পছন্দকে বেশি প্রাধান্য দিন। যেকোনো সময় ও অভিজ্ঞতায় আপনি আসলে কেমন এবং কী ভালবাসেন, এটা জানা থাকলে মনে পূর্ণতা আসবে। সুগন্ধি নির্বাচনের ক্ষেত্রেও তা ব্যতিক্রম নয়। তাই নিজের পছন্দের গন্ধকে প্রধান্য দিয়ে সুগন্ধির ভালো কোনো ব্র্যান্ডকে বেছে নিন। পরীক্ষা করুন সুগন্ধির সর্বশেষ পর্যায় হল দৈহিক রসায়ন। অন্য কারো দেহে যে গন্ধ ভালো লাগে, আপনার দেহে তা নাও লাগতে পারে। আমাদের প্রত্যেকের দেহ আলাদা রসায়নে তৈরি। আর ঠিক সে কারণেই বিশেষ একটি সুগন্ধি অন্যের দেহে যেভাবে কাজ করে, আপনার দেহে তা সেভাবে করবে না। কাজেই সুগন্ধি কেনার আগে নিজের ত্বকের ওপর পরীক্ষা করে নিতে হবে। সুগন্ধি লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করলেই ফলাফল টের পাবেন। এরপর যে সুগন্ধি ভালো সৌরভ ছড়াবে সেটিই আপনার জন্য বাছাই করুন। সুগন্ধি কাপড়ে নয় আমরা সাধারণত জামা-কাপড়ের ওপরেই সুগন্ধি লাগিয়ে নিই। কাপড়ে লাগালে একটু পরই সে গন্ধ মিলিয়ে যায়। হাতের কবজি, কানের লতি ও ঘাড়েও একটু স্প্রে করে নিতে পারেন। তাহলে গন্ধটা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় । প্রলেপ দিন দিনভর সুগন্ধ ধরে রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হল প্রলেপন। সেক্ষেত্রে গোসলে সুগন্ধি বডি-ওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। বডি-লোশান অথবা বডি-অয়েল দিলে সৌরভ আরেকটু বাড়বে। আর্দ্রতা ধরে রাখতেও বেশ কার্যকর। এরপর আপনার পালস-পয়েন্টগুলোতেও একটু বডি-অয়েল মাখিয়ে নিয়ে ফিনিশিং টাচ হিসেবে সুগন্ধি লাগিয়ে নিন। ব্যস, সারাদিনের জন্য আপনি সতেজ আর সুরভিত! বদলে নিন আপনি হয়তো সবসময় একই ধরণের সুগন্ধি ব্যবহারে অভ্যস্ত। তবে হালকা গন্ধের সুগন্ধিগুলোকে দিনের বেলায় এবং কড়া ও ঝাঁঝালো সুগন্ধি রাতে ব্যবহার করা উচিৎ। আবার ঋতু ও আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথেও সুগন্ধি বদলে নিতে হবে। কারণ আপনার সুগন্ধি হল আত্ম-প্রকাশের সবচেয়ে শক্তিশালী ও স্মরণীয় মাধ্যম। মুড বুঝে সুগন্ধি ব্যবহার করলে সেটি থাকবে মানানসই।
জীবনে ৫টি বিষয়ে কখনও আপশোস করবেন না !
অনলাইন ডেস্ক :লন্ডন ইনস্টিটিউট অফ সাইকিয়াট্রির গবেষক লিজা হার্ভে বলছেন, অকারণ অনুশোচনার ফলে জন্ম নেয় হীনমন্যতা। আর হীনমন্যতা ব্যক্তিত্বের বিকাশে বাধা দেয়। জীবনে ভুল সকলেরই হয়। ভুল সিদ্ধান্ত বা ভুল পদক্ষেপের কারণে কখনও কখনও নিজের অথবা অন্য কারো ক্ষতি হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে নিজের সিদ্ধান্তের জন্য অনুশোচনা হয়, আপশোস হয়। কিন্তু কিছু কিছু এমন বিষয় রয়েছে, যার জন্য আপশোস করাটা মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। লন্ডন ইনস্টিটিউট অফ সাইকিয়াট্রির গবেষক লিজা হার্ভে বলছেন, অকারণ অনুশোচনার ফলে জন্ম নেয় হীনমন্যতা। আর হীনমন্যতা ব্যক্তিত্বের বিকাশে বাধা দেয়। ফলে কোনও কোনও বিষয়ে আপশোস করার প্রবণতা একেবারে ঝেড়ে ফেলতে হবে। কোন কোন বিষয়? আসুন, জেনে নেওয়া যাক ১. আপনার চেহারা: মনে রাখবেন, আপনি কেমন দেখতে, তাতে আপনার কোনও হাত নেই। নিজেকে আপনি নিজে গড়েননি। কাজেই আপনি বেঁটে না মোটা, রোগা না লম্বা, ফর্সা না কালো সে নিয়ে বিন্দুমাত্র মন খারাপ করবেন না। আমি কেন আর একটু ফর্সা, লম্বা বা রোগা হলাম না এই ভেবে আপশোস করার কোনও মানে হয় না। ২. নিজেকে নিয়ে নেওয়া আপনার সিদ্ধান্ত: নিজের জীবন সম্পর্কে আপনি যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তা জীবনকে সহজতর করার লক্ষ্যেই নিয়েছেন। কাজেই সেই নিয়ে লজ্জিত বা অনুশোচিত বোধ করারও কিছু নেই। ৩. নিজের অনুভূতিকে যথাযথ অভিব্যক্ত করার ক্ষেত্রে: নিজের অনুভূতিকে যত চেপে রাখবেন, তত মানসিক কষ্ট বাড়বে। তার থেকে নিজেকে এক্সপ্রেস করুন। যেমন ভাবে প্রয়োজন নিজেকে প্রকাশ করার, সেই ভাবেই করুন। এর জন্য কুণ্ঠিত হবেন না। ৪. নিজের মতকে যথাযথ অভিব্যক্ত করার ক্ষেত্রে: যেটা ভাল লাগছে না, তাকে স্পষ্ট ভাবে না বলুন। ভাল লাগলে তা-ও ততধিক স্পষ্ট ভাবে বলুন। নিজের মতকে কখনও দমন করবেন না। নিজের মত প্রকাশের জন্য আপশোস করবেন না। ৫. নিজেকে নিজের মতো করে তুলে ধরার ক্ষেত্রে: আপনি যেমন, তার চেয়ে অন্য রকম, অন্য কোনও মানুষ হওয়ার অভিনয় করবেন না। তাতে শুধু অন্যদের ঠকানো হয় না, নিজেকেও ঠকানো হয়। তার চেয়ে নিজের ট্রু সেলফ-কে তুলে ধরুন। তার জন্য কোনও রকম আপশোস যেন আপনাকে গ্রাস না করে।
কেন চুড়ি পরতে হয় মেয়েদের?
অনলাইন ডেস্ক :প্রাচীন কাল থেকে এমন অনেক রীতি চলে আসছে যা নিয়ে সাধারণত কোনও প্রশ্ন তোলা হয় না। ঠিক যেমন, মেয়েরা হাতে চুড়ি পরে। বিশেষত বিবাহিত মেয়েদের ক্ষেত্রে হাত খালি রাখার নিয়ম নেই। অর্থাৎ দুই হাত ভর্তি করে চুড়ি পরাই নিয়ম।কিন্তু কেন এই নিয়ম? কেন চুড়ি পরতে হয় মেয়েদের? প্রাচীন এই রীতির পিছনেও রয়েছে কিছু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। বলা হয়, আগে সাধারণত পুরুষেরা জমি ও জঙ্গলে কাজ করত। যাতে তাদের পেশীর কাজ অনেক বেশি হত। আর মেয়েরা সাধারণত বাড়ির কাজকর্ম করত। খুব শক্ত কোনও কাজ মেয়েদের করতে হত না। পরিশ্রমও হত অপেক্ষাকৃত কম। আর এই কম শারীরিক কাজই বাড়ায় রক্তচাপ। যাতে মানুষ অধৈর্য হয়ে পড়ে। আর সেই চাপ কমাতেই মহিলাদের চুড়ি পরতে বলা হত। কিন্তু চুড়ির সঙ্গে রক্তচাপের কি সম্পর্ক? আমরা জানি পালস রেট মাপার জন্য কবজিতে চাপ দিয়ে দেখা হয়। সবসময় হাতে চুড়ির চাপ থাকলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। আরও বলা হয় যে শরীর থেকে আধ্যাত্মিকতা বাইরের দিকে যেতে চাইলে, চুড়ির জন্য সেটা আবার ফিরে আসে।