নিউজিল্যান্ডে অস্ত্র আইন সংস্কারে বৈঠকে মন্ত্রিসভা
১৮মার্চ,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিউজিল্যান্ডের অস্ত্র আইনে জরুরি ভিত্তিতে পরিবর্তন আনার জন্য আজ (সোমবার) কিছুক্ষণের মধ্যেই দেশটির মন্ত্রিসভা বৈঠকে বসতে যাচ্ছে। গত শুক্রবার ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের অস্ত্র আইনে পরিবর্তন আনা হবে। ওই হামলায় ৫০ জন মারা গেছেন। হামলাকারী অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ব্রেন্টন টারান্ট একটি সেমি-অটোমেটিক অস্ত্র দিয়ে নির্বিচারে গুলি চালায় ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে। হামলাকারী যে ধরণের সেমি-অটোমেটিক অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়েছিল, আশা করা হচ্ছে, দেশটির মন্ত্রী পরিষদ সে ধরণের অস্ত্রের ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে। ঘটনার পরে পুলিশ জানায়, টারান্টের অস্ত্রটি বৈধ, যে কারণে তার গুলি কিনতেও অসুবিধা হয়নি। সেদিনই বিষয়টি নিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, এর আগে কয়েকবারই অস্ত্র আইনে পরিবর্তন আনতে চাইলেও সেটি শেষ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। কিন্তু এবার এই ভয়াবহ ঘটনার পর তড়িঘড়ি আইন পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এদিকে, ওই দুই হামলায় নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করেছে ক্রাইস্টচার্চের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে এখনো স্বজনদের কাছে মৃতদেহ হস্তান্তর শুরু হয়নি। বুধবার নাগাদ পরিবারের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেয়ার কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছে সেখানকার করেনার কার্যালয়। এদিকে, অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসে হামলাকারী ব্রেন্টন টারান্টের দুটি বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে সেখানকার পুলিশ। পুলিশ বলছে, ওই এলাকায় টারান্ট জন্মেছেন ও বেড়ে উঠেছেন। এপ্রিলের ৫ তারিখে টারান্টকে আবার আদালতে হাজির করা হবে। ক্রাইস্টচার্চে আল নুর মসজিদে হামলার ঘটনা ফেসবুকে লাইভ স্ট্রিমিং করেছিলেন ব্রেন্টন টারান্ট। ব্রেন্টন টারান্ট এর আগে এক তথাকথিত ইশতেহার প্রকাশ করেন যেখানে তিনি তার সহিংস কট্টর দক্ষিণপন্থী মতাদর্শ তুলে ধরেছেন। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের ভাষায়, ব্রেন্টন টারান্ট আসলে একজন 'উগ্র দক্ষিণপন্থী সন্ত্রাসবাদী। সূত্র: বিবিসি
ক্রাইস্টচার্চে সন্ত্রাসী হামলায় ৪ বাংলাদেশি নিহত
মার্চ,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের গত শুক্রবার জুমার নামাজের সময় দুই মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় এখন পর্যন্ত চার বাংলাদেশি নিহতের তথ্য পেয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা হলেন- স্থানীয় লিঙ্কন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আবদুস সামাদ, নারায়ণগঞ্জের মোহাম্মদ উমর ফারুক, চাঁদপুরের মোজাম্মেল হক ও গৃহিণী হোসনে আরা ফরিদ। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম নিহত চার বাংলাদেশির তথ্য পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারের একজন করে সদস্যকে নিউজিল্যান্ডে নেয়ার ব্যবস্থা করবে দেশটির সরকার। তারা চাইলে লাশ দেশে নিয়ে আসতে পারবেন। তবে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিহতের সংখ্যা ছয়জনও হতে পারে। স্থানীরা ধারণা করছেন নিখোঁজরাও নিহত। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা চালান ব্রেন্টন ট্যারেন্ট নামে এক অস্ট্রেলীয়। এতে এ পর্যন্ত ৫০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আর এ হামালায় আহত হয়েছেন প্রায় অর্ধশত মানুষ।
সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত হচ্ছে বিজেপির আমলে: মমতা ব্যানার্জি
১৩মার্চ,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারের আমলে দেশে সংখ্যালঘু ও দলিতদের উপরে অত্যাচার করা হচ্ছে। আসন্ন লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে তিনি মঙ্গলবার দলীয় প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরে এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, দেশে কৃষকদের উপরে, দলিতদের উপরে অত্যাচার, সংখ্যালঘুদের উপরে অত্যাচার, মা-বোনেদের উপরে অত্যাচার, ছাত্র-যুবকে বঞ্চনা, শ্রমিক-কৃষককে লাঞ্ছনা করা হচ্ছে। মমতা বলেন, ইতিহাসকে পরিবর্তন করে দেয়া হচ্ছে, বিভিন্ন সংস্থাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। দেশে একটা ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করা হচ্ছে। অনেক সময় ঘোষিত জরুরি অবস্থার থেকে অঘোষিত জরুরি অবস্থা বেশি মারাত্মক হয়। তৃণমূল নেত্রী বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে সংবিধানকে আঘাত করা হয়েছে। বিদ্বেষ, ঘৃণার রাজনীতি চলছে। মানুষে মানুষে বিভেদ তৈরি করে দেয়া হয়েছে। বিজেপির সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, ওদের লজ্জা থাকা উচিত। দেশে গো-রক্ষক সিন্ডিকেট, লিঞ্চিং সিন্ডিকেট আমদানি করেছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেক নিউজ ছড়ানো হচ্ছে। গণমাধ্যমকে কাজ করতে দেয়া হচ্ছে না। উল্লেখ্য, গত রোববার (১০ মার্চ) ভারতের জাতীয় নির্বাচন কমিশন সাধারণ নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী সব মিলিয়ে সাত দফায় ভোট গ্রহণ হবে। শুরু হবে ১১ই এপ্রিল, শেষ হবে ১৯শে মে। ভোট গণনা হবে ২৩শে মে। একই সঙ্গে উড়িষ্যা, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম ও অরুণাচল- এই চারটি রাজ্যে লোকসভা ছাড়া বিধানসভা নির্বাচনও হবে।
আফগানিস্তানে মার্কিন ঘাঁটির কাছেই বসবাস করতেন মোল্লা ওমর
১২মার্চ,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আফগানিস্তানের তালেবান নেতা মোল্লা ওমরকে ধরিয়ে দেয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র পুরস্কার ঘোষণা করলেও তিনি স্বাভাবিক মৃত্যুর আগ পর্যন্ত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটির কাছেই নিশ্চিন্তে বসবাস করেছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। নেদারল্যান্ডসের অনুসন্ধানী সাংবাদিক বেট্টে ড্যামের লেখা দ্য সিক্রেট লাইফ অব মোল্লা ওমর বইয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। বইটিতে বলা হয়েছে, মোল্লা ওমর পাকিস্তানে পালিয়ে গেছেন বলে যু্ক্তরাষ্ট্র দাবি করলেও তিনি কখনই পাকিস্তানে যাননি। এর পরিবর্তে মোল্লা ওমর তার নিজ প্রদেশ জাবুলে অবস্থিত একটি বড় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থেকে তিন মাইল দূরে বসবাস করেছেন। ড্যাম তালেবান নেতাদের সাক্ষাৎকার নেয়া ও তাদের ওপর গবেষণার কাজে পাঁচ বছর সময় ব্যয় করে বইটি লিখেছেন। ২০০১ সালে আফগানিস্তানে ইঙ্গো-মার্কিন আগ্রাসনে তালেবান সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে যান মোল্লা ওমর। ওই সময় তালেবান নেতার দেহরক্ষীর দায়িত্ব পালনকারী জব্বার ওমরির সঙ্গে কথা বলতে সক্ষম হন বেট্টে ড্যাম। ২০১৩ সালে অসুস্থতার জের ধরে স্বাভাবিক মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তালেবান নেতাকে লুকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন ওমরি। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে আফগানিস্তানে তালেবান সরকারকে উৎখাত করে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন মোল্লা ওমরের মাথার দাম ঘোষণা করে এক কোটি ডলার। কিন্তু তা সত্ত্বেও মার্কিন সেনাদের নাকের ডগায় অবস্থিত একটি বাড়িতে ১২ বছর অবস্থান করেন মোল্লা ওমর। বইটিতে বলা হয়েছে, একবার মার্কিন সেনারা ওই বাড়িটিতে তল্লাশিও চালিয়েছিল কিন্তু তারা তালেবান নেতাকে খুঁজে পায়নি। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধ করার দাবি করলেও বেশিরভাগ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর জন্মদাতা ও পালনকর্তা হিসেবে ওয়াশিংটনের কুখ্যাতি রয়েছে। আফগানিস্তানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থেকে পায়ে হাঁটা দূরত্বে দীর্ঘ একযুগ ধরে তালেবান নেতার বসবাসের এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সেই অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করে। যাইহোক, আত্মগোপনে থাকার এই সময়টিতে মোল্লা ওমরের পক্ষে তালেবান গোষ্ঠীকে পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি বলে জব্বার ওমরি জানিয়েছেন। যদিও তালেবান জঙ্গিরা সে সময় দাবি করতো তারা মোল্লা ওমরের নির্দেশে কাজ করছেন। বেট্টে ড্যামের লেখা বইটি গত মাসে ডাচ ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে এবং শিগগিরই এর ইংরেজি ভার্সন বাজারে আসবে বলে বিবিসি জানিয়েছে।
গাঁজার চাহিদা বাড়ছে জার্মানিতে
১১মার্চ,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চিকিৎসার প্রয়োজনে দুই বছর হলো জার্মানিতে রোগীরা বৈধভাবে গাঁজা সংগ্রহ করতে পারছেন। এই অনুমোদনের পর দেশটিতে গাঁজার চাহিদা ব্যাপকহারে বেড়েছে। ফলে ব্যবসার বড় সম্ভাবনা দেখছে বিদেশি কোম্পানিগুলো। জার্মানির স্বাস্থ্য খাতের জন্য সিদ্ধান্তটি বেশ বিতর্কিতই ছিল। ২০১৭ সালের ১০ মার্চ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীদের গাঁজা সংগ্রহের অনুমতি দেয় সরকার। এরপর থেকেই এর চাহিদা প্রতিনিয়ত বেড়ে চলছে। খবর ডয়চে ভেলের। ডাক্তার, ফার্মেসি আর স্বাস্থ্য বিমা কোম্পানিগুলো এই চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। কেননা চাহিদা অনুযায়ী দেশটিতে গাঁজার সরবরাহ নেই। এই পরিস্থিতিই এখন ব্যবসার বড় দুয়ার খুলে দিয়েছে গাঁজা সরবরাহকারী বিদেশি কোম্পানিগুলোর জন্য। মূলত নেদারল্যান্ডস আর কানাডার প্রতিষ্ঠানগুলোর নজর এখন জার্মানির দিকে। কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান টিলরে জার্মানির সব ফার্মেসিতে খুব শিগগিরই গাঁজার ফুল সরবরাহ করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে ডাচ প্রতিষ্ঠান নুভেরা বলেছে, কয়েক লাখ রোগীর কাছে গাঁজা সরবরাহের জন্য জার্মানিকে তারা গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে বিবেচনা করছে। জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশে ঔষধ হিসেবে গাঁজা রপ্তানির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলও। দেশটিতে গাঁজার চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে ২০০টি গবেষণা চলমান রয়েছে। স্বল্প আর্দ্রতা আর উপযুক্ত আবহাওয়ার কারণে ইসরায়েলে গাঁজা চাষও ভাল হয়। ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, প্রতি বছর সেখানে ১৮ টনের বেশি ঔষধি গাঁজা উৎপাদন হয়। দেশটির অন্যতম ঔষধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান প্যানাক্সিয়ার প্রধান দাদি সেগাল জানান, ইসরায়েল থেকে আমদানি করতে আগ্রহী এমন বেশ কিছু জার্মান প্রতিষ্ঠানের সাথে তারা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। দুই বছর আগে উন্মুক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে প্রায় এক হাজার ব্যক্তি ঔষধি গাঁজা ব্যবহার করতেন। ফেডারেল ইউনিয়ন অব জার্মান অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিস্টের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ফার্মেসিগুলো গেল বছর ৯৫ হাজার প্রেসক্রিপশনের আওতায় এক লাখ ৪৫ হাজার ইউনিট গাঁজার ঔষধ ও অপ্রক্রিয়াজত ফুল সরবরাহ করেছে। ২০১৭ সালের চেয়ে তা ১০ গুণ বেশি। সরকারি পরিসংখ্যান না থাকলেও জার্মানিতে গাঁজার ঔষধের চিকিৎসা নেন এমন রোগীর সংখ্যা এখন প্রায় ১৫ হাজার বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু সেই অনুযায়ী সেখানে গাঁজার উৎপাদন বৃদ্ধির মতো যথেষ্ট রাজনৈতিক উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ফেডারেল ইনস্টিটিউট ফর ড্রাগস অ্যান্ড মেডিক্যাল প্রোডাক্টস এখন চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য ১০ দশমিক ৪ টন গাঁজা উৎপাদনের অনুমতি দেয়ার নিলাম আহবান করতে যাচ্ছে। কর্তৃপক্ষের আশা ২০২০ সালের শেষ নাগাদ জার্মানিতে প্রথম গাঁজার চাষ শুরু হবে।
ইথিওপিয়ান উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, ১৫৭ আরোহীর সবাই নিহত
১০মার্চ,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৫৭ আরোহী নিয়ে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। উড়োজাহাজটিতে ১৪৯ যাত্রী এবং আটজন ক্রু ছিলেন বলে বিমান সংস্থার তরফ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়ে সবাই নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম। ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের এক মুখপাত্র বলেছেন, স্থানীয় সময় রোববার (১০ মার্চ) সকাল ৮টা ৪৪ মিনিটের দিকে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে দেয়া এক বার্তায় বিমান বিধ্বস্তে হতাহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বলছে, বিমানটি নাইরোবির উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। যাত্রার মাঝপথে এটি বিধ্বস্ত হয়। এক বিবৃতিতে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৩৭ বিমানটির বিধ্বস্তের খবর নিশ্চিত করা হয়।
ভারত বা অন্য কোন পরাশক্তি পাকিস্তানকে পরাভূত করতে পারবে না: ইমরান খান
১০মার্চ,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ইসলামাবাদের আন্তরিকতার ঘাটতি নেই। তবে তিনি এও পরিষ্কার করে বলেছেন যে, মাতৃভূমি রক্ষার জন্য জীবনের শেষ পর্যন্ত লড়াই করতে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ও জনগণ সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভারত বা অন্য কোনও পরাশক্তি তার দেশকে পরাভূত করতে পারবে না। তিনি বলেন, ভারত হোক আর অন্য কোনও পরাশক্তি হোক, কেউ যদি পাকিস্তানকে বশীভূত করতে চায় তাহলে তাদের জানা উচিত যে আমরা এবং আমাদের সশস্ত্র বাহিনী শেষ পর্যন্ত লড়াই করবো। এজন্য তারা সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত রয়েছে। সিন্ধু প্রদেশে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। ইমরান খান বলেন, পাকিস্তান শান্তি চায় এবং এ কথা নয়াদিল্লিকে বার বার জানিয়েছে। আমরা ভারতের পাইলটকেও তাদের কাছে হস্তান্তর করেছি কারণ আমরা যুদ্ধ চাই না। পুলওয়ামা হামলার পর আমরা ভারতকে সহযোগিতা করতে চেয়েছি। কিন্তু কারোরই এটা ভাবা ঠিক হবে না যে, ভারতকে আমরা ভয় পেয়ে এসব করেছি। এটা নতুন পাকিস্তান; আমরা দারিদ্র্য দূর করতে চাই। ইমরান খান বলেন, আমি ক্ষমতায় আসার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বলেছি, ভারতীয় উপমহাদেশে রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্য মানুষের বসবাস। সে কারণে সব ইস্যু সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। কিন্তু আমি জানতাম না নরেন্দ্র মোদি নির্বাচনী প্রচারণার শুরু পর এসব করবেন। তিনি নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনি যদি মনে করেন পাকিস্তানের ভেতরে রক্তপাত ঘটিয়ে আসন্ন নির্বাচনে বিজয়ী হবেন তাহলে আপনি জেনে রাখুন আমরা পাল্টা হামলা চালাবো।
অবশেষে আলোচনার টেবিলে বসতে যাচ্ছে ভারত-পাকিস্তান
৭মার্চ,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তুমুল উত্তেজনার মধ্যে আলোচনার টেবিলে বসতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তান। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি জানিয়েছেন, লাহোরের একটি শিখ মন্দিরে ভারতীয়দের ভ্রমণ নিয়ে আলোচনা করতে একটি প্রতিনিধি দল আগামী ১৪ই মার্চ ভারতে সফরে যাবে। ওয়াগা-আটারি সীমান্তবর্তী এলাকায় করতাপুর করিডোর নিয়েও বৈঠক করবেন দুই দেশের কর্মকর্তারা। এর মধ্যেই বিমান বাহিনীর হামলার পর বার্তা সংস্থা রয়টার্স, পাকিস্তানের বালাকোটের যে স্যাটেলাইট চিত্র প্রকাশ করেছে, তাতে বিস্ফোরণের স্পষ্ট চিহ্ন রয়েছে বলে দাবি করেছেন ভারতীয় বিশেষজ্ঞরা। তবে এ নিয়ে সমালোচনা আরও জোরালো করেছে বিরোধীরা। বিরোধী নেতারা বলছেন, ছবিতে স্পষ্ট হয়েছে হামলায় কোনো ক্ষতিই হয়নি, অথচ ভারত সরকার ব্যাপক সাফল্যের দাবি করছে। এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দাবি, ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতার কারণেই পাইলট অভিনন্দন বর্তমানকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছে ইসলামাবাদ।