করোনায় বিশ্বব্যাপী ১৭৭৫ জনের মৃত্যু
১৭ফেব্রুয়ারী,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গতকাল চীনে করোনাভাইরাসে আরও ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে করোনাভাইরাসে বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১ হাজার ৭৭৫ জনে। হুবেইয়ের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোববার সেখানে আরও ১০০ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। এছাড়া পার্শ্ববর্তী হেনান প্রদেশে তিনজন এবং গুয়াংডং প্রদেশে দুইজন মারা গেছে। এদিকে চীনে নতুন করে আরও ২ হাজার ৪৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশটির করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়ে গেলো। অন্যদিকে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কারও শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়নি। তবে সিঙ্গাপুরে অন্তত পাঁচজন বাংলাদেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া গত ৪ ফেব্রুয়ারি জাপানের ইয়োকোহামা বন্দরে পৌঁছার পর থেকেই কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্রিটিশ প্রমোদতরী ডায়মন্ড প্রিন্সেসে তিন শতাধিক যাত্রীর শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। কোভিড-১৯ নামে পরিচিত এই ভাইরাসটি এখন পর্যন্ত বিশ্বের অন্তত ২৫টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে।
চীনে করোনায় মৃত কয়েক হাজার দেহ পোড়ানোর অভিযোগ
১৬ফেব্রুয়ারী,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্যক্তিদের দেহ পুড়িয়ে ফেলছে চীন। গত ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসে অন্তত ১৫২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর আক্রান্ত হয়েছে আরও ৬৬ হাজারের বেশি মানুষ। তবে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ও দ্য সান একটি স্যাটেলাইট ইমেজ তুলে ধরে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। ওই স্যাটেলাইট ইমেজ অনুযায়ী চীনের উহান এবং চংকিং শহরের ওপর সালফার ডাই অক্সাইডের মাত্রা খুব বেশি ছিল। যখন কোনো মৃতদেহ পোড়ানো হয় তখন সালফার ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হয় এবং তা বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া মেডিকেল বর্জ্য ভস্মীভূত করলেও সালফার ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়। তাই পত্রিকা দুটি তাদের রিপোর্টে প্রশ্ন তুলেছে, এটাই কী চীনের করোনায় মৃতের প্রকৃত সংখ্যার চিত্র। গত ৫ ফেব্রুয়ারি ইয়ুন নামে উহানের একজন দাহকর্মী বলেন, তারা মৃতদেহ পোড়াতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। শহরের তিনটি বড় হাসপাতাল ছাড়াও ছোট হাসপাতাল এবং বিভিন্ন বাড়ি থেকে লাশ সংগ্রহ করতে তাদের প্রতিদিন ১০০টি মৃতদেহ বহনকারী ব্যাগের প্রয়োজন পড়ে। এপোক টাইমসকে ইয়ুন বলেন, গত ২৮ জানুয়ারি থেকে আমাদের ৯০ ভাগ কর্মী সপ্তাহের সাতদিনই ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। আমরা বাড়ি যেতে পারিনি। আমাদের আরও লোকবল দরকার। উহানের সব ফিউনারেল হোমের প্রায় সব দাহকর্মী পুরোপুরি ব্যস্ত এবং উহানের সব দাহ চেম্বারে ২৪ ঘণ্টা মৃতদেহ পোড়ানো হচ্ছে। উইন্ডি ডট কম নামে একটি অনলাইন আবহাওয়া ওয়েবসাইটের তথ্যমতে, উহানের বাতাসে সালফার ডাই অক্সাইডের মাত্রা প্রতি ঘনমিটারে ১ হাজার ৩৫০ মাইক্রোগ্রাম পার কিউবিক মিটার ছিল। উচ্চমাত্রায় সালফার ডাই অক্সাইড চংকিং শহরের বাতাসেও ছিল। যুক্তরাজ্যের কোনও অঞ্চলে বাতাসে ১৫ মিনিট ধরে সালফার ডাই অক্সাইডের মাত্রা প্রতি ঘনমিটারে ৫৩৩ মাইক্রোগ্রাম পার কিউবিক মিটার থাকলে তা উচ্চহার বলে ধরা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে, বাতাসে সালফার ডাই অক্সাইডের মাত্রা প্রতি ঘনমিটারে ৫০০ মাইক্রোগ্রাম পার কিউবিক মিটার ১০ মিনিটের বেশি থাকা ঠিক না। এর ফলে স্যাটেলাইটের ওই ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছে। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা বলছেন, উহানের শহরতলীতে অনেক মৃতদেহ পোড়ানো হচ্ছে। মূলত বড় জমায়েত এড়ানোর জন্য অল্পসংখ্যক লোকের উপস্থিতিতে এসব দেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এরপরই মূলত এসব খবর চাউর হয়েছে যে, মৃতের সংখ্যা কম দেখাতে মৃতদেহ পুড়িয়ে দিচ্ছে চীন। যদিও এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে চীনা কর্তৃপক্ষ, করোনাভাইরাসে মৃত ব্যক্তিদের দেহ পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দেয়। এদিকে চীনা ভাষায় সংবাদমাধ্যম ইনিটিয়াম বলছে, তাদের বিশ্বাস চীনা সরকার গোপনে মরদেহ পুড়িয়ে ফেলছে। উহানের দাহকর্মীদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এমন বিশ্বাসের কথা পোষণ করেছে সংবাদমাধ্যমটি। ওই সাক্ষাৎকারের দাহকর্মীরা ইনিটিয়ামকে জানায়, মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলার জন্য সঠিক ভৈরবের রাজকাচারী মাঠে দশদিনব্যাপী বঙ্গবন্ধু একুশে বইমেলা চলছে। সরাসরি জানাচ্ছেন সহকর্মী মো. আল আমিন শনাক্তকরণ ও অফিসিয়াল রেকর্ড ছাড়াই সরাসরি হাসপাতাল থেকে তাদের কাছে পাঠানো হচ্ছে। তবে ডয়চে ভেলে নিউজের পূর্ব এশিয়া সংবাদদাতা উইলিয়াম ইয়্যাং বলেছেন, চীন যে তথ্য শেয়ার করছে তা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করার মতো যথেষ্ট কারণ রয়েছে। কারণ ভাইরাসটির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তারা যেমন স্বচ্ছতা দেখিয়েছে, তেমনি বেশ কিছু বিষয় নিয়ে ত্রুটিপূর্ণ ও অসত্য তথ্য দিয়েছে।
চীনে করোনাভাইরাসে মৃত ১৩৮০, নতুন করে আক্রান্ত ৫,০৯০ জন
১৪ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:চীনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ শুক্রবার বলেছে, তারা ৩১টি প্রাদেশিক অঞ্চল এবং অর্থনৈতিক ও আধা সামরিক সংস্থা জিনজিয়াং প্রোডাকশন এন্ড কনস্ট্রাকশন কোরের পাঠানো রিপোর্টে ৫,০৯০ জন নতুন করে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত এবং ১২১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন জানায়, নিহতদের মধ্যে ১১৬ জন হুবেই প্রদেশের, ২ জন হেইলংজিয়াংয়ের এবং আনহুই, হেনান ও চংকুইংয়ে ১ জন করে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। কমিশন জানায়, বৃহস্পতিবার অপর ২,৪৫০ জন ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার ২,১৭৪ জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে, তবে সুস্থ হওয়ার পরে ১,০৮১ জনকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।এদিন পর্যন্ত চীনে মোট আক্রান্তদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৩,৮৫১ জন এবং মৃতের সংখ্যা ১,৩৮০জন। ভাইরাস থেকে মুক্ত হওয়ার পরে মোট ৬,৭২৩ জনকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
করোনায় একদিনে হুবেই প্রদেশে ২৪২ জনের মৃত্যু
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চীনে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর পর এবারই প্রথম একদিনে দুই শতাধিক মানুষ মারা গেছে কেবলমাত্র হুবেই প্রদেশে। বুধবার সেখানে মারা যায় ২৪২ জন। প্রদেশটিতে নিশ্চিত সংক্রমিত হয়েছেন এমন মানুষের সংখ্যা ৪৮ হাজার ছাড়িয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ১ হাজার ৩শ ৫০ জনে। সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা ঠেকেছে প্রায় ৬০ হাজারে। এদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, প্রাদুর্ভাব শেষ হচ্ছে কিনা সে নিয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। চীনের শীর্ষ মহামারী বিশেষজ্ঞ ঝং নানশান বলছেন, চলতি মাসে ভাইরাসটি কমার কোনও লক্ষণ নেই। তবে এর প্রাদুর্ভাব আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। মহামারী ঠেকাতে ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত চীনের বেশ কয়েকটি প্রদেশে স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। চীনের বাইরে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে জাপানে। দেশটিতে প্রায় ২শ মানুষের শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে। ৪৭ জন নিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দেশ হিসেবে আছে সিঙ্গাপুরের নাম। দেশটির বৃহত্তম ব্যাংক ডিবিএস এর এক কর্মী করোনাতে আক্রান্ত হওয়ায় একই ফ্লোরে কাজ করা প্রায় ৩শ কর্মীকে বাড়ি পাঠানো হয়েছে। এদিকে, করোনার প্রভাবে স্পেনের বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস হচ্ছে না বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল বলছে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে তারা। এ পর্যন্ত ১৩টি কেস শনাক্ত করা হয়েছে দেশটিতে।
সিঙ্গাপুরে আরও এক বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিঙ্গাপুরে আরও একজন ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেখানে সবশেষ যে দুজন ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে একজন বাংলাদেশিও রয়েছেন। এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি আরেকজন বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত হন। খবর চ্যানেল নিউজ এশিয়ার। সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সবশেষ নতুন করে ৩৯ বছর বয়সী আরেক বাংলাদেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। তিনি ১০ সেলেটার অ্যারোস্পেস হাইটসে কাজ করেন। গত ৮ ফেব্রুয়ারি আক্রান্ত হওয়া আরেক বাংলাদেশি কর্মীও এখানেই কাজ করতেন বলে জানিয়েছে সিঙ্গাপুরের কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, এই বাংলাদেশি সাম্প্রতিক সময়ে চীন যাননি, তবে গত ৬ ফেব্রুয়ারি তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পরদিন একটি ক্লিনিকে গিয়ে চিকিৎসা নেন। পরে ১০ ফেব্রুয়ারি ন্যাশনাল সেন্টার ফর ইনফেকশাস ডিজিজেসে (এনসিআইডি) যান ওই বাংলাদেশি, যেখানে তার শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। এদিকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে আক্রান্ত বাংলাদেশে কাজে যান এবং ভিরাস্বামী রোডে নিজের ভাড়া করা অ্যাপার্টমেন্টে রাতও কাটান। অন্যদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মঙ্গলবার নতুন করোনাভাইরাসের আনুষ্ঠানিক নাম প্রস্তাব করেছে। এখন থেকে করোনাভাইরাসকে কোভিড-১৯ নামে ডাকা হবে। যার পুরো নাম হচ্ছে করোনাভাইরাস ডিজিস ২০১৯। উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত চীনে ১১১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৪ হাজার ৬৫৩ জনে।
করোনাভাইরাসে চীনে মৃতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়ালো
১১ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে চীনের হুবাই প্রদেশে মৃতের সংখ্যা সোমবার পর্যন্ত এক হাজার ছাড়িয়েছে। এ ভাইরাস সংক্রমণের পর সোমবার সর্বোচ্চ ১০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। হুবাই স্বাস্থ্য কমিশন জানিয়েছে, সোমবার হুবাই প্রদেশে নতুন করে ২ হাজার ৯৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে, রোববার এ সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৬১৮ জন। চীনে বর্তমানে ৪২ হাজার ২০০ জনের বেশি ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। এ অবস্থায় সোমবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের একটি দক্ষ দল চীনে পৌঁছেছে। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বেইজিংয়ে করোনভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন। তিনি প্রাণঘাতী এ ভাইরাস মোকাবেলায় 'আরও সিদ্ধান্তমূলক ব্যবস্থা' গ্রহণের জন্য তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। গত বছরের ডিসেম্বরে প্রথমবারের মতো উহানে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর চীনসহ ২৮টির বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। এতে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা এবং প্রাণহানি বাড়তে থাকায় বিশ্বব্যাপী জরুরি অবস্থা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এরপর এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশগুলো ব্যাপক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়। চীন থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। ফলে কোনও কোনও দেশ চীনা নাগরিকদের নিজ দেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে মাত্র ৩৫ দিনেই চীনের অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ রয়েছে এমন দেশের অর্থনীতিও ঝুঁকিতে পড়েছে। বাংলাদেশের জন্য এই ঝুঁকি অনেকের চেয়ে বেশি।
সব মুসলিম দেশই আমেরিকার টার্গেট: ইরাকের সুন্নি ওলামা পরিষদ
০৮ফেব্রুয়ারী,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরাইল মুসলিম দেশগুলোকে ধ্বংসের জন্য নানা ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইরাকের সুন্নি ওলামা পরিষদের প্রধান শেইখ মুহাম্মাদ আল-মোল্লা। খবর ইরানি নিউজ সাইট পার্সটুডের। বসরায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল কাসেম সুলাইমানি ও ইরাকের পপুলার মোবালাইজেশন কমিটির উপপ্রধান আবু মাহদি আল মোহানদেসের শাহাদাতের চেহেলামকে সামনে রেখে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) তিনি একথা বলেন। শেইখ মুহাম্মাদ আল-মোল্লা আরও বলেন, আমেরিকা জোর করে ইরাকে প্রবেশ করেছে এবং এখনও অবস্থান করছে। তাদের মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে ইরাককে ধ্বংস করা। তিনি বলেন, তার নেতৃত্বাধীন সংগঠন সন্ত্রাসবাদ এবং গোষ্ঠী-প্রীতি ও সাম্প্রদায়িকতার ঘোর বিরোধী। একইসঙ্গে তাদের অবস্থান হচ্ছে আমেরিকা ও ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে। কারণ মার্কিনী ও ইসরাইলিরা মুসলমানদের ধ্বংস চায়। মুসলমানদের শত্রুদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন ইরাকের এই আলেম। গতকাল (শুক্রবার) ইরাকের বসরায় অনুষ্ঠিত ওই শোকানুষ্ঠানে দেশটির বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিত্বরা অংশগ্রহণ করেন।- আরটিভি অনলাইন
করোনাভাইরাসে মৃত্যু ২৫ হাজার
০৬ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চীনের মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশে গত ৩১ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নতুন প্রকৃতির এই করোনোভাইরাসে আতঙ্কিত বিশ্ব। ইতোমধ্যে এই ভাইরাস বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। করোনাভাইরাসে আতঙ্কে কাঁপছে বিশ্ব। করোনাভাইরাসের কারণে অচল হয়ে পড়েছে চীন। চীনের সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য দেশ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৫৬৪ জনের মৃত্যু এবং আক্রান্তের সংখ্যা ২৮ হাজার ১৮ জন বলে দাবি করছে চীনের সরকার। তবে শুরু থেকেই চীনের গণমাধ্যমগুলো থেকে করোনাভাইরাসের মৃত্যুর সংখ্যা লুকানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মৃতের সঠিক সংখ্যা জানালে চীনজুড়ে আতঙ্ক বেশি ছড়িয়ে পড়বে এমন যুক্তিতেই সঠিক তথ্য জানাচ্ছে না চীনের সরকার। এমন অভিযোগের মধ্যে নতুন এক তথ্য দিল চীনা প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান টেনসেন্ট। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবপেজে বলা হয়েছে, ৫৬৮ নয় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ২৪ হাজার ৫৮৯ জনের। আর আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৩ জন। তাইওয়ান নিউজের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া। খবরে বলা হয়, গত শনিবার টেনসেন্টের ওয়েবপেজে মহামারি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শিরোনামে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়, করোনাভাইরাসের মৃত্যুর সংখ্যা ২৪ হাজার ৫৮৯ জন। অথচ সরকারি তথ্যে হাজারের কাছাকাছিও নয়। এছাড়া ওই ওয়েবপেজে আক্রান্তের সংখ্যা বলা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৩ জন। যা সরকারি তথ্য আক্রান্তের সংখ্যার চেয়ে দশগুণ বেশি। তবে এমন তথ্য দেয়ার কিছুক্ষণ পরই তথ্য সংশোধন করে নেয় ওয়েবপেজ কর্তৃপক্ষ। এরপরই সরকারি হিসাবটি লিখে দেয়া হয় সেখানে। কিন্তু এরইমধ্যে ওয়েবপেজের আগের পরিসংখ্যানটির স্ক্রিনশট করে নিয়ে নেয় অনেকে। বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো ঝড় বইছে বিশ্বজুড়ে। উহান থেকে ছড়িয়ে যাওয়া নভেল করোনাভাইরাস বিষয়ে ওয়েবপেজের এই পরিসংখ্যান নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিষয়টি ভুল নাকি টেনসেন্টের তথ্য ফাঁস, এমন প্রশ্নই এখন চলছে নানা মহলে।
তুরস্কে বিমান ছিটকে পড়ে তিন খণ্ড, নিহত ৩, আহত দেড় শতাধিক
০৬ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তুরস্কের ইস্তাম্বুলের সাবিহা গোকসেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়েছে একটি যাত্রীবাহী বিমান। এ ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন, গুরুতর আহত হয়েছেন দেড় শতাধিক। প্যাগাসাস এয়ারলাইনসের বিমানটিতে ১৭১ জন যাত্রী ও ৬ জন ক্রু ছিলেন। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, স্থানীয় সময় বুধবার বিমানটি তুরস্কের পশ্চিমে ইজমির শহর থেকে যাত্রা করে সাবিহা গোকসেন বিমানবন্দরে অবতরণ করছিল। বৈরী আবহাওয়ার কারণে বিমানটি রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে তিন টুকরা হয়ে যায়। তুরস্কের সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, বিমানে তুরস্কের নাগরিক ছাড়াও অন্তত ২০ জন বিদেশি নাগরিক ছিল। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। ইতোমধ্যে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন বিমানের দুই পাইলট।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর