শীত না আসতেই শ্বেতশুভ্র বরফের চাদরে ঢেকে গেছে ভারতের উত্তরাঞ্চল কাশ্মীর ও হিমাচল
অনলাইন ডেস্ক: শীত না আসতেই শ্বেতশুভ্র বরফের চাদরে ঢেকে গেছে ভারতের উত্তরাঞ্চল। বিগত দশ বছরের মধ্যে এবারই নভেম্বরের শুরুতে জম্মু-কাশ্মীর ও হিমাচল প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে তুষারপাত। যা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। যা দেখতে প্রতিদিনই ভিড় জমাচ্ছেন পর্যটকরা। বৃষ্টির মতো পড়ছে বরফ। গাড়ি, মোটরসাইকেল, রাস্তাঘাটে জমেছে বরফের স্তূপ। ভারতের দক্ষিণে যখন হেমন্তের হাওয়া বইছে, ঠিক তখন উত্তরের রাজ্য কাশ্মীরে নভেম্বরের শুরু থেকে পুরো দমে চলছে তুষারপাত। স্থায়ীদের কাছে যা কাশ্মীরের সৌন্দর্যের প্রতীকই বটে। এক পর্যটক বলেন, ১০ বছর পর নভেম্বরে এমন তুষারপাত দেখা যাচ্ছে। এই বিরল মুহূর্ত দেখে খুবই ভালো লাগছে। যা দেখতে পর্যটকরা আসবেন চাঙ্গা হবে অর্থনীতি। প্রতি বছর এই তুষারপাত দেখতে ভূস্বর্গ খ্যাত কাশ্মীরে ভিড় জমান পর্যটকরা। বরফের গদিতে পা ডুবিয়ে, ঝুরঝুরে তুষারের বল নিয়ে খেলার মজাই আলাদা। চলতি সপ্তাহ থেকে সাদা বরফের চাদরে মুখ লুকিয়েছে হিমাচল প্রদেশেও। হিমাচলের প্রাণকেন্দ্র মানালির তুষারপাত নজর কাড়ছে ভ্রমণপিপাসুদের। মাইনাস তাপমাত্রার স্বাদ নিতে তাই ক্রমেই বাড়ছে দেশি-বিদেশি পর্যটক। আরেক পর্যটক বলেন, সবাই বলে কাশ্মীর হলো স্বর্গ। আমি বলবো, শুধু কাশ্মীর নয়, মানালিতেও স্বর্গের সৌন্দর্য রয়েছে। একবার ঘুরে গেছে আপনিও তাই বলবেন। কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশের এই তুষারপাত তাপমাত্রা কমাতে শুরু করেছে প্রতিবেশী পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ ও রাজধানী নয়া দিল্লিতে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, উত্তর ও মধ্য ভারতের বাড়ন্ত শীত প্রবাহ এবার দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলেও আগেভাগেই বয়ে আনবে শীতলতা।
ফাদার অব দ্য তালেবান- বলে পরিচিত সামিউল হক নিহত
অনলাইন ডেস্ক: ফাদার অব দ্য তালেবান- বলে পরিচিত ৮০ বছর বয়স্ক সামিউল হক পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি শহরে নিহত হয়েছেন। তার এক আত্মীয় দাবি করছেন, অজ্ঞাতনামা হত্যাকারীরা এসে তার রাওয়ালপিন্ডির বাড়িতে তাকে ছুরি মেরে হত্যা করে। সামিউল হক উত্তর পশ্চিম পাকিস্তানে একটি মাদ্রাসা পরিচালনা করতেন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, তাকে তালেবান আন্দোলনের প্রধান নেপথ্য পুরুষ হিসেবে গণ্য করা হয়। কারণ এই আন্দোলনের প্রথম সারির নেতাদের শিক্ষক ছিলেন তিনি। পরে তিনি একটি দল থেকে পাকিস্তানে সিনেটর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। সামিউল হক পাকিস্তানের খাইবার-পাখতুনতোয়া প্রদেশের আফগানিস্তান সীমান্তের কাছে দারুল উলুম হাক্কানিয়া মাদ্রাসা পরিচালনা করতেন। তার ছাত্রদের একজন ছিলেন তালেবান নেতা মোল্লা ওমর। মোল্লা ওমর আশির দশকে তার সহপাঠীদের নিয়ে আফগানিস্তানে যান সোভিয়েত সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। পরে এই মোল্লা ওমরই তালেবান প্রতিষ্ঠা করেন। আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত ইউনিয়ন চলে যাওয়ার পর গৃহযুদ্ধ এবং চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে ১৯৯৬ সালে তালেবান ক্ষমতা দখল করে। তালেবান আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্ক সত্ত্বেও সামিউল হক যে মাদ্রাসা চালাতেন, পাকিস্তানে সেটির কোন অসুবিধা হয়নি। এটি পাকিস্তানের আঞ্চলিক সরকারগুলোর কাছ থেকে অর্থ বরাদ্দ পেত। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সামিউল হকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বলেছেন, পাকিস্তান এক গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী নেতাকে হারিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে নদীতে সৌদি ২ বোনের লাশ
অনলাইন ডেস্ক: সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ড নিয়ে শোরগোলের মধ্যেই এবার যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়া সৌদি বংশোদ্ভূত দুই বোনের লাশ নিউইয়র্ক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আগের দিন তাঁদের মাকে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যাওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছিল সৌদি দূতাবাস। তার পরদিনই তাঁদের লাশ পাওয়া যায় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। নিউইয়র্কের হাডসন নদীর তীরে গত ২৪ অক্টোবর মরদেহ দুটি পাওয়া যায়। নিহতদের একজন ১৬ বছর বয়সী টালা ফারিয়া, অপরজন ২২ বছর বয়সী রোটানা ফারিয়া। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে নিউইয়র্ক পুলিশ। তবে লাশ উদ্ধারের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এ দুই বোনের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য উদ্ধার করতে পারেনি নিউইয়র্কের পুলিশ। দুই বোনের মৃতদেহ টেপ দিয়ে একসঙ্গে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। মায়ের সঙ্গে ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন ওই দুই তরুণী। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁরা আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে বলা হলেও দুই তরুণীর পরিবার তা অস্বীকার করেছে। যুক্তরাজ্যের ডেইলি মেইল নিউইয়র্ক পুলিশের বরাতে এমনটি জানিয়েছে। গত ২৪ আগস্ট থেকে তাঁদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তবে তরুণীদের মা পুলিশকে জানিয়েছেন, তাঁদের খুঁজে পাওয়ার একদিন আগে গত ২৩ অক্টোবর তাঁকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে চিঠি দিয়েছিল সৌদি দূতাবাস। এর আগে পরিবারটি যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করে আবেদন করে। যে কারণে সৌদি দূতাবাস তাঁদের যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে নির্দেশ দিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এরদোগানকে সৌদি যুবরাজের ফোন
অনলাইন ডেস্ক: সাংবাদিক জামাল খাশোগির নৃশংস হত্যার তদন্তের বিষয়ে বুধবার সন্ধ্যায় তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। প্রেসিডেন্ট এরদোগানের দফতরের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা অনাদলু এ খবর জানিয়েছে। খবরে বলা হয় টেলিফোনালাপে খাশোগির হত্যার মূল রহস্য উদঘটনের জন্য দু-দেশ যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। ২ সেপ্টেম্বর সৌদি কনস্যুলেট ভবনের মধ্যে খাশোগিকে হত্যার পর এই প্রথম ফোনালাপ করলেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজ। এর আগে বাদশা সালমান বিন আব্দুল আজিজের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার ফোনালাপ করেন এরদোগান যেখানে দু-দেশের যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি গঠনে সম্মত হওয়ায় তুরস্ককে ধন্যবাদ জানান সৌদি বাদশা। যদিও ঘটনার শুরু থেকেই তুরস্কের গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সন্দেহের তীর ছিল প্রিন্স বিন সালমানের দিকেই। এমন কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান এবং তুরস্কের অন্য সরকারি ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদের বিবৃতিতেও এ আভাসই পাওয়া যাচ্ছিল যে শেষ পর্যন্ত খাশোগি হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে সৌদি প্রিন্সকেই দোষারোপ করা হবে। কিন্তু আজকের ফোনালাপ এবং দু'পক্ষের বিবৃতির দিকে লক্ষ্য করলে বোঝা যায় যে তুরস্ক হয়তো এই অবস্থান থেকে সরে আসছে। প্রিন্স সালমান এক বিবৃতিতে জানান যে তিনি তুর্কি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে খাশোগি বিষয়ে একত্রে কাজ করতে বদ্ধপরিকর। প্রিন্স সালমান বলেন যে খাশোগির হত্যা একটি জঘন্য অপরাধ যা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। তিনি আরও বলেন এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব অপরাধীদের শাস্তি দেয়া হবে এবং তদন্তের ফলাফল পৌঁছাতে সৌদি আরব ও তুরস্ক একসঙ্গে কাজ করবে। তিনি এই হত্যাকাণ্ডকে বেদনাদায়ক হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন যে বিষয়টির ব্যাপারে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা হবে। ফোনালাপটি এমন এক সময়ে ঘটলো যখন সৌদি সরকার তুরস্কের একটি গোয়েন্দা টিমকে সৌদির ইস্তাম্বুল কনসুলেটের ভেতরের বাগানের একটি গর্ত অনুসন্ধানের অনুমতি দিল। তুরস্কের পত্রপত্রিকা কয়েকদিন ধরেই দাবি করে আসছিল যে সৌদি সরকার ওই গর্তে এবং বাগানে অনুসন্ধানের অনুমতি দিচ্ছে না। ধারণা করা হয় ওই গর্তে খাশোগির লাশ পুঁতে রাখা হতে পারে। তুরস্কের পুলিশ এবং গোয়েন্দা বিভাগের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয় তুরস্কের গোয়েন্দারা খাশোগির হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত অডিও, ভিডিও এবং অন্য সব ডকুমেন্টসহ সব তথ্যপ্রমাণ সিআইএ প্রধান গিনা হাসপেলের কাছে তুলে ধরেন। হাসপেল এই বিষয়ে কথা বলার জন্য মঙ্গলবার তুর্কি সফর করেন। বিশ্লেষকদের মতে আজকের ফোনালাপ খাশোগির হত্যা ঘটনার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। হয়তো সৌদি প্রিন্স বিন সালমান এবারের মতো দোষী সাব্যস্ত হওয়া থেকে রেহাই পেতে পারেন। তবে দেখার বিষয় হচ্ছে আসলেই সৌদি আরব এবং তুরস্কের মধ্যে কোনো সমঝোতা হবে কি না আর যদি হয় তবে সেটা আঞ্চলিক অর্থনীতি-রাজনৈতিক এবং ভূ-কৌশলগত দিক থেকে কতটা প্রভাব পড়বে?
খাশোগি হত্যাকাণ্ড: ছেলেকে সান্ত্বনা দিলেন সৌদি বাদশা-যুবরাজ সালমান
অনলাইন ডেস্ক: ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে হত্যাকাণ্ডের শিকার সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগির পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দেশটির বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। মঙ্গলবার (২৩ অক্টোবর) সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি প্রাসাদে খাশোগির পরিবারের সঙ্গে তারা সাক্ষাৎ করেন। এ সময় বাদশাহ ও যুবরাজ তাদের সান্ত্বনা দেন। ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয়, রিয়াদে ইমামা প্রাসাদে খাশোগির ছেলে সালাহ ও তার ভাই সাহেলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সৌদি বাদশাহ সালমান ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান । এ সময় বাদশাহ ও যুবরাজ তাদের সান্ত্বনা দেন। এর আগে জামাল খাশোগির ছেলেকে ফোন করে কথা বলেছেন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। এ সময় নিহত খাশোগির ছেলে সালাহকে সান্ত্বনা দিয়েছেন তিনি। সৌদি আরবের সাংবাদিক জামাল খাশোগির লাশের টুকরো অংশ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে একটি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম। বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে স্কাই নিউজ বলছে, ইস্তাম্বুলে সৌদি কনসাল জেনারেলের বাসভবনের বাগান থেকে খাশোগির লাশের অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়। স্কাই নিউজের খবরে বলা হয়েছে, হত্যার পর খাশোগির লাশ টুকরো টুকরো করা হয়। আরেক সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটির দাবি, খাশোগির মুখমণ্ডল বিকৃত করে ফেলা হয়। খাশোগির লাশ পাওয়া যায়নি জানিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বক্তব্য দেওয়ার পর এমন খবর প্রকাশিত হলো। তবে সূত্র কে বা কোথায়, কখন, কীভাবে খাসোগির দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে-তার বিস্তারিত তথ্য জানায়নি স্কাই নিউজ।
মিয়ানমারের ৫ জেনারেলের ওপর অস্ট্রেলিয়ার নিষেধাজ্ঞা
অনলাইন ডেস্ক: রাখাইনে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জাতিগত নিধনের অভিযোগে দেশটির পাঁচ জেনারেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে অস্ট্রেলিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পদক্ষেপ অনুসরণ করে মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়া এক ঘোষণায় জানায়, এই নৃশংসতা পরিচালনায় একটি বিশেষ অভিযানের নির্দেশ দেয়া একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেলসহ এসব সেনা কর্মকর্তাদের সম্পদ জব্দ করা হবে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারেইস পেইন বলেন, অং কেইউ জো, মোং মোং সোয়ে, অং অং, থান ও এবং কিং মোং সোয়ে রাখাইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী। তাদের নেতৃত্বে একটি সেনা ইউনিট রোহিঙ্গা নিপীড়ন চালিয়েছে। ইতিমধ্যে এ পাঁচ কর্মকর্তার মধ্যে কয়েকজন পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। অস্ট্রেলিয়া তাদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেছে। গত বছরের আগস্টের শেষ দিকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বর্বর অভিযানের মুখেই দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্য থেকে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা অধিবাসী প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। এর আগে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ৩৩ ও ৯৯ পদাতিক ডিভিশন রোহিঙ্গা বিরোধী ওই অভিযানটি চালায় বলে রয়টার্সের এক অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে। পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থী, রাখাইনের বৌদ্ধ জনগোষ্ঠী, নিরাপত্তা রক্ষী ও সেনাসদস্যদের নেয়া বিরল সাক্ষাৎকারের ভেতর দিয়ে পদাতিক এ দুই ডিভিশনের হত্যাযজ্ঞ ও অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইংয়ে সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়ও তুলে এনেছে রয়টার্স।
খাশোগি হত্যায় নগ্নসত্য বের করেই ছাড়ব: এরদোগান
অনলাইন ডেস্ক: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান গতকাল রোববার জোর দিয়ে বলেছেন, যেভাবেই হোক, তিনি সৌদি কনস্যুলেটে নিহত সাংবাদিক জামাল খাসোগির ব্যাপারে নগ্নসত্য প্রকাশ করবেন। ইস্তাম্বুলে এক সমাবেশে এরদোয়ান বলেন, আমরা সুবিচার খুঁজছি। খাসোগি হত্যায় যেনতেন পদক্ষেপ নয়, নগ্নসত্য প্রকাশে সর্বাত্মক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সৌদি সরকার এর মধ্যে স্বীকার করেছে, ইস্তাম্বুলে তাদের কনস্যুলেটের ভেতরে খাশোগিকে হত্যা করা হয়। এর এক দিন পরই তুর্কি নেতা এই বিবৃতি দিলেন। সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদেল আল জুবায়ের গতকাল রোববার খাসোগি হত্যার ঘটনাকে সাংঘাতিক ভুল বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, দুর্বৃত্তরা এই অভিযান চালিয়েছে। জুবায়ের ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নির্দেশে খাশোগিকে হত্যা করা হয়নি। আমরা জানি না খাশোগির মৃতদেহ কোথায়। এএফপির খবরে জানা যায়, তুরস্কের প্রেসিডেন্টের একটি সূত্র জানায়, গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন এরদোগান। দুই নেতা একমত পোষণ করেছেন যে সবদিক থেকে খাশোগি হত্যার বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে হবে। কাল মঙ্গলবার এ নিয়ে পার্লামেন্টে এরদোগানের বিবৃতি দেওয়ার কথা। তুর্কি কর্মকর্তারা বলছেন, তাঁরা বিশ্বাস করেন, ২ অক্টোবর দুটি উড়োজাহাজে করে সৌদি আরব থেকে ১৫ জন ইস্তাম্বুলে আসেন। তাঁরা খাসোগি হত্যায় জড়িত। তবে রিয়াদ বলছে, ১৫ জনের মধ্যে একজন কয়েক বছর আগে গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত হন। সৌদি আরব বলছে, কনস্যুলেটের ভেতরে খাসোগির সঙ্গে তাঁদের বাদানুবাদ হয়। হাতাহাতিতে খাসোগি খুন হন। ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেট ভবনে ব্যক্তিগত কাগজপত্র আনার প্রয়োজনে ঢোকার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন সৌদির খ্যাতনামা সাংবাদিক খাশোগি। শুরু থেকে তুরস্ক দাবি করে আসছে, খাসোগিকে কনস্যুলেট ভবনের ভেতর সৌদি চরেরা হত্যা করেছে। গত বছর সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ক্ষমতা গ্রহণের পর রোষানলে পড়েন খাসোগি। তিনি দেশ ছেড়ে স্বেচ্ছা নির্বাসনে চলে যান যুক্তরাষ্ট্রে। ওয়াশিংটন পোস্ট-এ যুবরাজ মোহাম্মদের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে একের পর এক কলাম লেখেন। অভিযোগ উঠেছে, যুবরাজের নির্দেশে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এ হত্যা সংঘটিত হয়েছে।
হতাহতের দায় নিচ্ছে না কেউই, ক্ষোভে ফুঁসছে অমৃতসর
অনলাইন ডেস্ক: এখনও রক্ত মেখে রয়েছে এক নম্বর লাইনের ইস্পাত। ফিসপ্লেট। দেহাংশ ও রক্ত লেগে আছে পাথরের খাঁজে। গত রাতে রাবণ দহনের ভিড় চিরে ট্রেন ছুটে যাওয়ার ভয়াবহ স্মৃতি দগদগে হয়ে রয়েছে গোটা এলাকা জুড়ে। কিন্তু তার দায় নিচ্ছে না কেউই। অমৃতসরে জোড়া ফটকের কাছে ধোবিঘাট মাঠে রাবণ দহনের আয়োজন করেছিলেন স্থানীয় কংগ্রেস কাউন্সিলর সৌরভ মিঠ্ঠু। যা দেখতে মানুষ ভিড় জমান ছোট্ট মাঠটিতে। ভি়ড় ক্রমশ মাঠ ছাপিয়ে উঠে পড়ে পাশের রেললাইনে। রেলের জমি উঁচু। দেখতে সুবিধে। তাই ভিড় বাড়ছিল তিনটে লাইন জুড়ে। সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ নাগাদ দু-নম্বর লাইন দিয়ে ধীরে ধীরে চলে যায় হাওড়ামুখী অমৃতসর এক্সপ্রেস। কোনও অঘটন ছাড়াই। মিনিট দেড়েক পর আগুন লাগে রাবণে। বাজির প্রবল আওয়াজ। আলোয় ধাঁধিয়ে যাচ্ছিল নজর। ৬টা ৪৮-এ এক নম্বর লাইন দিয়ে ধেয়ে আসে একটি ডেমু ট্রেন। গতি ঘণ্টায় ৯১ কিলোমিটারের কাছাকাছি। ভিড় চিরে ছুটে চলে যায় সেটি। কয়েক মুহূর্তে ছিন্নভিন্ন হয়ে যান বহু মানুষ। রাবণ তখনও জ্বলছে। সশব্দে। কিন্তু মানুষের আর্তনাদ, হাহাকার ছাপিয়ে যায় সেই শব্দ। রামকিষেণ ছিলেন দুই লাইনের মাঝখানে। তাঁর কথায়,দু-নম্বর দিয়ে অমৃতসর এক্সপ্রেস চলে যেতেই সকলে ভেবেছিলাম ওই লাইন চালু আছে। এতে অনেকে এক নম্বর লাইনের দিকে আরও এগিয়ে যান। এরই মধ্যে আগুন লাগে রাবণে। বাজির শব্দ আর আলোর ঝলকানির মধ্যে ছুটে আসে ডেমু। দুই লাইনের মাঝে থাকায় হাওয়ার ঝাপটায় পড়ে যাই। চোখ খুলে দেখি ১ নম্বরে যাঁরা বসে বা দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁরা কচুকাটা হয়ে পড়ে রয়েছেন। শরীর এক দিকে তো মাথা আর এক দিকে। প্রত্যক্ষদর্শী বলজিৎ সিংহ বলেন,;বড়দের মুখে শুনেছি, ৭১ বছর আগে লাহৌর থেকে আসা ব্লাড ট্রেনে এ ভাবে ছিন্নভিন্ন শরীর পড়ে ছিল। কাল রাতে যেন সেই ছবিটা দেখলাম লাইন জুড়ে। গুরু নানক হাসপাতালে স্বেচ্ছাশ্রম দিতে আসা সরকারি কর্মী জানালেন, এক বাবা ছেলের মাথা খুঁজে পেয়েছেন। বাকি শরীর কোথায় তা খুঁজে চলেছেন হন্যে হয়ে। ঘটনার এক দিন পরেও সরকারি হিসেবে মৃতের সংখ্যা ৬১। যদিও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মারা গিয়েছেন ১০০ জনের বেশি। মুখ্যমন্ত্রী অমরেন্দ্র সিংহ আজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। যদিও গত কালের এই ঘটনায় তাঁর পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধেই আঙুল তুলছেন অনেকে। সেই ক্ষোভ সামাল দিতে আজ গোটা এলাকায় প্রচুর পুলিশ নামালেও গত কালের অব্যবস্থার কোনও দায় নিচ্ছে না রাজ্য প্রশাসন। রেল নিজেদের মতো তদন্ত শুরু করেছে। তবে তা রেল নিরাপত্তা কমিশনের তদন্ত নয়। ডেমু চালকের কোনও দোষ দেখছে না তারা। রেল প্রতিমন্ত্রী মনোজ সিনহার বক্তব্য, রেললাইনের ধারে এমন অনুষ্ঠানের আয়োজন করাই উচিত নয়। রেলের তরফে একটি এফআইআরও করা হয়েছে ভিড়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, রেলের জমিতে অনধিকার প্রবেশ করেছিলেন তাঁরা। আর এই দশানন দহনের আয়োজক কংগ্রেস নেতা মিঠ্ঠু তো কাল থেকেই বেপাত্তা। এ সব দেখে স্থানীয়দের ক্ষোভ, ;দায় এড়ানোর প্রতিযোগিতা চলছে যেন! মূলত পাঁচটি প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা। প্রশ্ন এক, রেললাইন ঘেঁষা ওই জমিতে রাবণ পোড়ানোর অনুমতি কে দিয়েছিল? পুলিশই অনুমতি দিয়েছিল। কিন্তু ছাড়পত্র ছিল না পুরসভা বা দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের। আর জেলা প্রশাসন পরোক্ষে মেনে নিয়েছে মিঠ্ঠু কোনও অনুমতির তোয়াক্কা করেননি। প্রশ্ন দুই, উদ্যোক্তাদের দায় কতটা? ভিড় যে মাঠ ছাপিয়ে লাইনে পৌঁছবে তা খুব ভাল করেই জানতেন উদ্যোক্তারা। লাইনে বসে যাতে দেখতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য রাবণ পোড়ানোর লাইভ কভারেজ হচ্ছিল পেল্লায় দু-টি এলইডি স্ক্রিনে। যার অর্থ লাইনে বসে দেখার জন্য মানুষকে কার্যত প্ররোচনা দেওয়া হয়েছিল। কয়েক হাজার লোক উপস্থিত ছিলেন দশানন দহনে। স্থানীয় কৃষ্ণনগর এলাকার ভিড় ঝেঁটিয়ে এসেছিলেন ওই বাজি পোড়ানো দেখতে। প্রশ্ন তিন, রেল কি জানত না ভিড়ের বিষয়ে? স্থানীয় রেল প্রশাসনকে কোনও ভাবেই সতর্ক করা হয়নি বলে দাবি করেছে রেল। রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান অশ্বিনী লোহানির কথায়, অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল। উপরন্তু ওই এলাকায় বাঁক থাকায় সম্ভবত শেষ মুহূর্তে লাইনে থাকা ভিড়কে দেখতে পান চালক। হর্নও দেন শেষ মুহূর্তে। তত ক্ষণে দেরি হয়ে গিয়েছে।; ফিরোজপুরের ডিআরএম বিবেক কুমারেরও বক্তব্য, ;বাঁক পেরিয়ে শেষ মুহর্তে ভিড় দেখে চালক ৯১ কিলোমিটার থেকে গতি ৬৮-তে নামিয়ে আনেন। কিন্তু ট্রেন থামাতে সময় লাগে। প্রশ্ন চার, কিন্তু জোড়া ফটক লেভেল ক্রসিং-র দায়িত্বে থাকা গেটম্যান কী করছিলেন? ঘটনাস্থল থেকে ১৫০ মিটার দূরে দাঁড়িয়ে তিনি যখন দেখছেন লাইনে এত ভিড় জমেছে, তখন কেন তিনি তড়িঘড়ি কোনও উপযুক্ত ব্যবস্থা নেননি। রেলের কর্তাদের একাংশ স্বীকার করে নিচ্ছে, গেটম্যান একটু সক্রিয় হলেই ওই দুর্ঘটনা এড়ানো যেত। অন্তত এক্সপ্রেস ট্রেনের মতো ডেমু ট্রেনের গতি কম থাকলে এই মাপের দুর্ঘটনা এড়ানো যেত। প্রশ্ন পাঁচ, কতটা দায়ী ভিআইপি অতিথি? দেশের সব জায়গায় ৬টা ১৫ মিনিটে রাবণ দহন শুরু হলেও এখানে তা শুরু হয়েছিল পৌনে সাতটার পরে। কারও কারও ক্ষোভ, স্থানীয় বিধায়ক নভজ্যোৎ সিধুর স্ত্রী নভজ্যোৎ কৌর পৌঁছতে দেরি করাতেই দশানন দহনে দেরি হয়েছে। তিনি সময়ে এলে এই দুর্ঘটনা হয়তো ঘটতই না। অনেকে অবশ্য এমন অভিযোগের মধ্যে রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছেন। এর মধ্যে ক্ষোভের আঁচ বাড়িয়েছে আজ ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়ো। তাতে দেখা যাচ্ছে অনুষ্ঠানের অতিথি নভজ্যোৎ কৌরের গলায় প্রচুর মালা। আয়োজকদের কেউ তাঁকে বলছেন, দেখুন ম্যাডাম আপনার জন্য ৫ হাজারের বেশি লোক লাইনের উপরে দাঁড়িয়ে আছে। ৫০০ ট্রেন চলে গেলেও ওরা সরবে না। কিন্তু একটু পরেই দুরন্ত গতিতে ছুটে আসা ট্রেন যে তাঁদের সরার সময় দেবে না, সেটা কেন কেউ ভাবলেন না? স্বজন-পরিজনহারাদের ক্ষোভ সেটাই। সূত্র: আনন্দবাজার
টানা ৭ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে অবশেষে গাঁজার দেখা পেয়েছি
অনলাইন ডেস্ক: কানাডায় বুধবার থেকে গাঁজা বৈধভাবে দোকানে বিক্রি শুরু হওয়ার প্রথমদিনেই গাঁজার টান। দোকান খোলার আগে থেকেই লাইন ধরছেন ক্রেতারা। আর যে কারণে একদিনেই জোগান ঘাটতি, মজুদ শেষ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও গাঁজা পাচ্ছেন না ভোক্তারা। গাজা সংকটে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। আর গাঁজা কিনতে এসেছেন উঠতি বয়সী থেকে শুরু করে বয়োবৃদ্ধরাও। অনেক ক্রেতা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর যখন দেখেন দোকানে গাজাঁ আর নেই পরদিন আবারো লাইনে দাঁড়ান। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানায়, প্রতি আউন্স বিক্রি হচ্ছে ৮০৭ ডলারে। তারপরও ঠেলে ফেলা যাচ্ছে না ভিড়। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে গাঁজা কিনতে আসা মন্ট্রিলার ৩০ বছর বয়সী এক গ্রাহক আলেক্সজান্ডার বলেন, 'আমি টানা ৭ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে অবশেষে গাঁজার দেখা পেয়েছি। এতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা সত্যিই বিরক্তিকর। কিন্তু আমাদের কাছে তা মনে হয়নি। লাইনে আমরা খুব মজা করেছি।' ৪১ বছর বয়সী গেনিভিভ ডেসপার তার শুকনো মুখটা বাড়িয়ে বলেন, প্রায় একবেলা দাঁড়িয়ে থেকেও আমি পেলাম না। কিন্তু এতে আমার কোনো দুঃখ নেই। কারণ আমি আসলে এটা খাই না। এতদিনের নিষিদ্ধ একটা জিনিসের প্রথম এমন খোলামেলা বিক্রি! সেটা উপভোগ করতেই আমি লাইন ধরেছিলাম। নতুন আইনটি চালু হওয়ার পর অনলাইনে অর্ডার দিয়েও সময়মতো গাঁজা পাননি অনেক ক্রেতা। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বিশাল পরিমাণে অর্ডার থাকায় এ সংকট সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু বাজারে গাঁজার চাহিদার পরিমাণও লক্ষণীয়। কানাডার সবচেয়ে ছোট প্রদেশগুলোর একটি নোভা স্কোশিয়াতেই প্রথমদিনে ৫ লাখ ছয় হাজার ডলার বা প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা মূল্যের গাঁজা বিক্রি হয়েছে। সবচেয়ে জনবহুল প্রদেশ অন্তেরিওর চিত্র আরও ভয়াবহ। প্রথমদিন শুধু অনলাইনেই অর্ডার পড়েছে সাড়ে সাত লাখ ডলার মূল্যের গাঁজার। এ মাত্র ৩৮ হাজার ভোক্তার চাহিদা। পাশের কিউবি প্রদেশেও অপেক্ষায় আছেন ৪২ হাজার গ্রাহক।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর