নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবনে আবারও ছিটকে পড়লো বিমান
অনলাইন ডেস্ক: নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভূবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়েছে একটি বিমান। দেশটির বেসরকারি একটি বিমান সংস্থার অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী এ বিমানের দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত পাঁচ যাত্রী। ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইকে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জেনারেল ম্যানেজার রাজ কুমার ছেত্রী বলেন, ‘কাঠমান্ডু থেকে ২১ আরোহী নিয়ে নেপালগুঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিল ফ্লাইট ৯এনঅ্যাএইচডব্লিউ। শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ত্রিভুবনের রানওয়ে থেকে বিমানটি ছিটকে পড়ে। ছেত্রী বলেন, বিমানের পাঁচজন আরোহী সামান্য আহত হয়েছেন। কেউই তেমন গুরুতর অঅহত হয়নি। তবে বিমানের অন্যান্য যাত্রী এবং ক্রু সদস্যরা নিরাপদ ছিলেন। এই দুর্ঘটনার পর মেরামতের জন্য কিছু সময় ধরে ত্রিভুবনের বিমান উড্ডয়ন-অবতরণ বন্ধ রাখা হয়। এর আগে, গত ১২ মার্চ ত্রিভুবনের এই বিমানবন্দরে বাংলাদেশের বেসরকারি বিমানসংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-২১১ বিধ্বস্ত হয়। বিশ্বের ঝুঁকিপূর্ণ বিমানবন্দরের শীর্ষে থাকা নেপালের এই বিমানবন্দরের ওই দুর্ঘটনায় অন্তত ৫১ আরোহীর প্রাণহানি ঘটে।
রহস্যময় জাহাজ-মিয়ানমার উপকূলে
অনলাইন ডেস্ক: মানুষ নেই, জন নেই। নেই কোনো চালক। মিয়ানমার উপকূলে এসে ভিড়েছে এমন একটি রহস্যময় জাহাজ। জাহাজটি মিয়ানমারের জলসীমায় প্রথম আবিষ্কার করে দেশটির জেলেরা। লোকজনহীন পরিত্যক্ত জাহাজ দেখে তারা ভয় পেয়ে যায়। পরে তারা স্থানীয় পুলিশকে খবর দেয়। মিয়ানমারের বাণিজ্যিক রাজধানী ইয়াঙ্গনের উপকূলে একটি চরে আটকা পড়েছে জাহাজটি। এখন দেশটির কর্তৃপক্ষ জাহাজটি তদন্ত করে দেখছে। বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের নৌ বাহিনী জাহাজটিতে অনুসন্ধান চালায়। ইয়াঙ্গুন পুলিশ জানায়, ৫৮০ ফুট দৈর্ঘ্যের বিশাল এই জাহাজের নাম ‘স্যাম রাতুলাঙ্গি পিবি ১৬০০’। ইন্দোনেশিয়ার পতাকাবাহী জাহাজটি যে অনেক পুরনো তা এর গায়ে মরিচা পড়া দেখে বোঝা যায়। কীভাবে জাহাজটি ইয়াঙ্গুন উপকূলে ভেসে এলে, এর পিছনে কোনো কারণ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইন্ডিপেনডেন্ট ফেডারেশন অব মিয়ানমার সিফারার্সের জেনারেল সেক্রেটারি আং কিউ লিন বলেন, জাহাজটি এখনও ব্যবহার উপযোগী। সম্প্রতি এটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এর পিছনে কোনো কারণ থাকতে পারে। মেরিন ট্র্যাফিক ওয়েবসাইটের তথ্যমতে, ২০১১ সালে জাহাজটি নির্মিত হয়েছিল।
সৌদিকে সতর্ক করলো যুক্তরাষ্ট্র
অনলাইন ডেস্ক: ইয়েমেনের কথিত বিদ্রোহীদের নির্মূলে পশ্চিমা শক্তির আশীর্বাদ নিয়ে সৌদি আরব সামরিক অভিযানে নামলেও শিশুসহ বেসামরিক নাগরিকদের হতাহত হওয়ার প্রেক্ষিতে তাদের ‘সতর্ক’ করে দিলো যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের তরফ থেকে বলা হয়েছে, রিয়াদ যদি বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে কোনো তৎপরতা দেখাতে ব্যর্থ হয়, তবে ইয়েমেনে অভিযানে তারা আমেরিকার যে সামরিক ও গোয়েন্দা সহায়তা পাচ্ছে, তা কমিয়ে ফেলা হবে। ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে সৌদি বাহিনী ইয়েমেনের সুন্নিপন্থি সরকারের গদি রক্ষায় ‘ইরানের আশীর্বাদপুষ্ট’ শিয়াপন্থি হুথি বিদ্রোহীদের দমনের কথা বললেও প্রথম থেকেই সেখানে বিপুলসংখ্যক বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির খবর মিলছে। এর সর্বশেষ নজির দেখা যায় গত ৯ আগস্ট। সেদিন সৌদির নেতৃত্বে আরব জোটের বোমা হামলায় একটি স্কুলবাসে থাকা ৪০টি শিশু নিহত হয়, যাদের বেশিরভাগেরই বয়স ১৫ বছরের নিচে। আমেরিকায় বানানো ওই বোমা স্কুলবাসে আঘাত করার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। সেই সমালোচনার বাইরে থাকলো না খোদ সৌদির মদতদাতা যুক্তরাষ্ট্রও। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দফতর পেন্টাগনের দুই শীর্ষ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ইয়েমেন যুদ্ধে সৌদির কর্মকাণ্ডে ওয়াশিংটন প্রশাসনে অসন্তোষ বাড়ছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী জ্যামস ম্যাটিস ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর মধ্যপ্রাচ্য অপারেশন উইংয়ের প্রধান জেনারেল জোসেফ ভোটেল আলাদাভাবে তাদের উদ্বেগ জানিয়েছেন। সৌদির নেতৃত্বে বিমান হামলায় বিপুলসংখ্যক বেসামরিক মানুষের দায় নিয়েও মাথা ঘামাচ্ছেন তারা। ওই দুই কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অনেক আগে থেকেই সৌদিকে বেসামরিক লোকজনের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে আসছে। কিন্তু এখন স্পষ্টতই মার্কিন কর্মকর্তাদের বিশ্বাস করতে হচ্ছে, তাদের পরামর্শ কাজে আসছে না। ওই হামলার পর মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ম্যাটিস সাংবাদিকদের জানান, স্কুলবাসে হামলার ঘটনাটির বিষয়ে জানতে তিনি শীর্ষ একজন জেনারেলকে সৌদি পাঠাচ্ছেন। তাতেই রিয়াদের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রশাসনের ‘ছাড় না দেওয়ার অবস্থান’ স্পষ্ট হয়ে যায়। এরপর মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কমোডর রেবেকা রেবারিচ বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনা মার্কিন সামরিক নেতাদের এটাই নির্দেশ করেছে যে- বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশেষ নজর দরকার এবং সফরকারী কর্মকর্তা (ম্যাটিসের পাঠানো জেনারেল) এ বিষয়ের ওপরই জোর দিয়েছেন। তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন, পাশাপাশি এ ধরনের ঘটনার দায় নিরূপণপূর্বক প্রতিরোধকল্পে ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানিয়েছেন। পেন্টাগনের ওই কর্মকর্তাদ্বয় বলেন, ম্যাটিসের পাঠানো ওই জেনারেলের বার্তাটিই ছিল মার্কিন প্রশাসনের সামরিক ও গোয়েন্দা সহায়তা হ্রাস করার ইঙ্গিতমূলক। যদিও এমন কিছু যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত করলে কী ফল দেবে, তা এখনই স্পষ্ট নয়। তবে এতে যে সৌদি রাজত্বের নেতৃত্ব আত্মবিশ্বাসের ঘাটতিতে পড়ে যেতে পারে, অন্তত তাদের আস্ফালন কমতে পারে, তা অনুমান করাই যায়। তবু যদি নির্বিচারে শিশু হত্যা বন্ধ হয়!
মিশরে সেনা অভিযানে নিহত ৮ 0
অনলাইন ডেস্ক: মিশরের উত্তর সিনাই উপত্যকায় সেনা অভিযানে ৪ পুলিশসহ ৮ জন নিহত হয়েছেন। খবর আল জাজিরার। মিশরের নিরাপত্তাবাহিনীর সূত্র জানায় শনিবারের ওই অভিযানে বেশ কয়েকজন পুলিশ আহতও হয়েছেন। সূত্র জানায়, আক্রমণকারীরা ভারী অস্ত্র সহ আত্মঘাতী পোশাক পড়া ছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্র জানায়, অভিযানের সময় নিহত ছাড়া বাকি হামলাকারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তবে এই অভিযানে কারা নিহত হয়েছে অথবা ওই বন্দুকধারী কারা ছিল সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। যদিও সিনাই উপত্যকার ওই এলাকায় আইএস জঙ্গিরা বেশ সক্রিয়। গতমাসে সিনাই উপত্যকায় আরেকটি অভিযানে ৫২ জন নিহত হয় এবং গত কয়েকদিন ধরে ওই জনবহুল মরুভূমি থেকে সন্ত্রাস দমনের চেষ্টা চালাচ্ছে মিশরের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সিনাই উপতক্যায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করার পর গত ফেব্রুয়ারী থেকে এ পর্যন্ত সেখানে ৩০০এর অধিক নিহত হয়েছেন। সন্ত্রাসীদের হারানো এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসির নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল। সিসির সমালোচকরা বলছেন, তিনি ক্ষমতায় আসার পর অনেক নিরপরাধ মানুষকে আটক করেছে কিন্তু তার সমর্থকরা মিশরকে স্থিতিশিল করার জন্য এ ধরণের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন।
ক্লোন এটিএম কার্ড দিয়ে ৭৮ কোটি রুপি হ্যাকিং!
অনলাইন ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ২৮ দেশের বিভিন্ন শহরে অবস্থিত ভারতের কসমস ব্যাংকের শাখা থেকে ক্লোন এটিএম কার্ড ব্যবহার করে প্রায় ৭৮ কোটি রুপি হাতিয়ে নিয়েছে একদল হ্যাকার। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, ১১ থেকে ১৩ আগস্টের মধ্যে একদল অজ্ঞাত পরিচয় হ্যাকার ব্যাংকের এটিএম সুইচ সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য হাতিয়ে নেয়। তারা আন্তব্যাংক সুইফট সিস্টেমও আক্রমণ করে এবং সবমিলিয়ে ৯৪ কোটি রুপি পাচার করতে সক্ষম হয়। পুনে পুলিশের সাইবার ও অর্থ অপরাধ শাখার ডেপুটি পুলিশ কমিশনার জয়তি প্রিয়া সিং জানান, হ্যাকাররা ২৮টি দেশের ব্যাংক শাখায় স্বশরীরে গিয়ে ক্লোন কার্ডের মাধ্যমে টাকাগুলো উত্তোলন করে। অপরাধীদের সনাক্ত করতে এসব দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।
উত্তর কোরিয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর স্থগিত করলেন ট্রাম্প
অনলাইন ডেস্ক: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর পরিকল্পিত উত্তর কোরিয়া সফর স্থগিত করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিকট ভবিষ্যতে তার কোনো ধরণের সফরও হওয়ার সম্ভাবনাও বাতিল করেছেন তিনি। বিবিসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। মাইক পম্পেও উত্তর কোরিয়া বিষয়ক তার নয়া বিশেষ প্রতিনিধি স্টিফেন বিগানকে নিয়ে পিয়ংইয়ং সফরে যাবেন বলে ঘোষণা করার পরদিন ট্রাম্প এ সফর আটকে দিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুক্রবার এক টুইটার বার্তায় পম্পেরও সফর স্থগিত করে দেয়ার কথা জানান। পিয়ংইয়ংয়ের পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় পর্যাপ্ত অগ্রগতি না হওয়াকে এ সফর স্থগিত করার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। একইসঙ্গে কোরীয় উপদ্বীপের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা না করার জন্য চীনকে অভিযুক্ত করেন ট্রাম্প। ট্রাম্প বলেন, পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে চীন উত্তর কোরিয়াকে পর্যাপ্ত চাপ দিচ্ছে না। আমেরিকার সাথে চীনের বাণিজ্য মতবিরোধ এর অন্যতম কারণ। শুক্রবার বিকালে পম্পেওকে হোয়াইট হাউজে ডেকে তার উত্তর কোরিয়া সফর বাতিল করার আহ্বান জানান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবার উত্তর কোরিয়া সফরে যেতে পারলে গত জুনের দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকের পর এটি হতো তার দ্বিতীয় পিয়ংইয়ং সফর। গত ১২ জুন সিঙ্গাপুরে কিম জং-উনের সঙ্গে বৈঠককে ব্যাপক সাফল্য বলে উল্লেখ করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ওই শীর্ষ বৈঠকে উত্তর কোরিয়া নিজের পরমাণু অস্ত্র ধ্বংসের মৌখিক প্রতিশ্রুতি দিলেও দুইদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতায় কোনো শক্ত প্রতিশ্রুতি দেয়া থেকে বিরত থাকেন কিম। বিষয়টি নিয়ে দেশে সমালোচনার মুখে পড়েন ট্রাম্প। এদিকে আমেরিকার কয়েকজন গোয়েন্দা ও প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা পম্পেওর উত্তর কোরিয়া সফরের সমালোচনা করে বলেছিলেন, তিনি বারবার উত্তর কোরিয়া সফরে গেলেও দেশটির পরমাণু অস্ত্র ধ্বংসের ব্যাপারে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয়নি। এর আগে একাধিকবার উত্তর কোরিয়া সফরে গিয়ে কিম জং-উনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পম্পেও।
লিবিয়ায় ৪৫ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ-৫৪ জনের কারাদণ্ড
অনলাইন ডেস্ক: ২০১১ সালে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে প্রেসিডেন্ট মোয়াম্মার গাদ্দাফির বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানকালে বিক্ষোভকারীদের নির্বিচারে গুলি করে হত্যার দায়ে ৪৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। বুধবার (১৫ আগস্ট) আদালত ওই ৪৫ জনকে ফায়ারিং স্কোয়াডে নিয়ে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এ আদেশ দেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দণ্ডপ্রাপ্তদের একটি মিলিশিয়া গোষ্ঠীর সদস্য বলছে স্থানীয় পশ্চিমাপন্থি সরকার। গাদ্দাফির বিরুদ্ধে লাখো জনতা রাস্তায় নেমে এলে এই গোষ্ঠীর সদস্যরা তখন নির্বিচারে গুলি ছোড়ে এবং অনেককে হত্যা করে। ধারণা করা হচ্ছে, গাদ্দাফির পতনের পর আফ্রিকার আরব দেশটিতে এখন পর্যন্ত এটিই সবচেয়ে বেশি মৃত্যুদণ্ডাদেশের ঘটনা। দেশটির সরকারি কৌঁসুলিরা জানান, ওই ঘটনায় আরও ৫৪ জনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে মামলা থেকে রেহাই দেওয়া হয়েছে ২২ জনকে। অভিযুক্তদের কবে গ্রেফতার করা হয়েছে কিংবা তাদের বিরুদ্ধে কবে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে, সেসব বিষয়ে কিছু স্পষ্ট করেননি রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা। ওই দেশের সরকার এই দণ্ডপ্রাপ্তদের মিলিশিয়া গোষ্ঠীর বললেও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বলছে, মোয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের খবরে ত্রিপোলির আবু সালিমে আগাম উদযাপনে নামে সরকারবিরোধীরা। এসময় গাদ্দাফিপন্থি স্থানীয় বাসিন্দারা নির্বিচারে গুলি ছোড়ে বিরোধীদের ওপর। তারপর বিজয়ী বিরোধীরা অভিযুক্তদের অনেককে গ্রেফতার করে। ২০১১ সালের অক্টোবরে বিদ্রোহীদের হাতে গাদ্দাফি নিহত হওয়ার প্রায় সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে অস্থিতিশীলতার মধ্যে যাচ্ছে লিবিয়া। যদিও পশ্চিমা গোষ্ঠীর সমর্থনপুষ্ট ত্রিপোলি সরকার সম্প্রতি সেখানে শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে।