ফেরদৌস ইস্যুতে বোমা ফাটালেন মমতা
১১জুন২০১৯,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেরদৌস ইস্যুতে এবার বোমা ফাটালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ভারতের লোকসভা নির্বাচনের সময় তৃণমূলের এক প্রার্থীর প্রচারে অংশ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মধ্যে পড়েছিলেন বাংলাদেশি তারকা ফেরদৌস। এজন্য তাকে ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কালো তালিকাভুক্ত করে এবং ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেয়। এ ঘটনায় অবশেষে বোমা ফাটালেন মমতা। তিনি বলেন, ভোটের সময় বাংলাদেশ থেকে আমাদের একজন বন্ধু এসেছিলেন। তৃণমূলের মিছিল দেখে তিনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন। ব্যাস, অমনি তার ভিসা ক্যানসেল করে দেওয়া হল। এটা কেমন কথা? তার ভিসা বাতিলের কোনও যুক্তি নেই। প্রায় দু’মাস পর মমতা ব্যানার্জি এ বিষয়ে কথা বললেন। সোমবার (১০ জুন) কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ভারত সফরে গিয়ে ১৪ ও ১৫ এপ্রিল রায়গঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী কানহাইয়ালাল আগরওয়ালের হয়ে স্থানীয় চলচ্চিত্র শিল্পীদের সঙ্গে নির্বাচনের প্রচারে গিয়েছিলেন ফেরদৌস। ওই মিছিলের ছবি ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। ওই মিছিলে টালিগঞ্জের দুই তারকা অঙ্কুশ ও পায়েলকেও তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে ভোট চাইতে দেখা গেছে। এ ঘটনার পর ফেরদৌস দেশে ফিরে দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছিলেন। ওই সময় বিজেপি দাবি করে, বাংলাদেশের অভিনেতা টুরিস্ট ভিসা নিয়ে এসে এভাবে ভোটে প্রচার করতে পারেন না। এতে যেমন নির্বাচনি বিধি ভঙ্গ হয়েছে, তেমনই ভিসার শর্তও লঙ্ঘন হয়েছে। রাজ্যের প্রশাসনিক ভবন নবান্নে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কারও নাম না-নিলেও ভিসা বাতিল করার প্রসঙ্গ থেকে এটা স্পষ্ট যে তিনি ফেরদৌসের কথাই বুঝিয়েছেন। তবে ফেরদৌসের ওই বিতর্ক তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্যের জন্য। ওই সময় তার দাবি ছিল, ফেরদৌস এসে তার হয়ে প্রচার করেছেন, এমন কোনও তথ্য তার নাকি জানা-ই নেই। তিনি বলেছিলেন, দেখুন, আমি নিজের সংগঠনের জোরেই চিরকাল ভোট করি। কোনও তারকার আমার হয়ে প্রচারের কোনও দরকার নেই। সেই ঘটনার দুমাস পর মমতা ব্যানার্জিও একই দাবি করছেন। তিনি বলেন, ফেরদৌস আদৌ তৃণমূলের প্রচারে যুক্ত ছিলেন না। শুধু সামনে দিয়ে তৃণমূলের মিছিল যাচ্ছিল দেখে দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় ওরা (বিজেপি) বাংলাদেশ থেকে কাদের নিয়ে এসেছিল, এই রাজ্যে কী করিয়েছিল সেটা বরং আপনারা খোঁজ নিন। মনে রাখবেন (বাংলাদেশ থেকে) ইনফিলট্রেশন (অনুপ্রবেশ) কিন্তু শুধু মাইনরিটিরা (মুসলিমরা) করে না, অন্যরাও করে। তাদেরকে কারা ঢোকালো সেটাও আপনারা দেখুন। ফেরদৌসের ভিসা বাতিলের পর তিনি পশ্চিমবঙ্গে যেসব চলচ্চিত্রর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সেগুলোর শুটিংও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। মমতার এ বিবৃতির পর টালিগঞ্জ সিনেমা-মহলের অনেকেই ধারণা করছেন, ফেরদৌসের ভিসা যাতে পুনর্বহাল করা হয় সেজন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হয়তো এবার কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে টক্কর নিতেও প্রস্তুত।-আলোকিত বাংলাদেশ
পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাটে নির্বাচনোত্তর তিন খুনের ঘটনায় বনধ
১০জুন২০১৯,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাটের সন্দেশখালিতে নির্বাচনোত্তর রাজনৈতিক সহিংসতায় দুই বিজেপির কর্মী ও এক তৃণমূল কর্মীর নিহতের ঘটনায় রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। এসব ঘটনায় আজ পশ্চিমবঙ্গে কালো দিবসের ডাক দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। সেইসঙ্গে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাটে ১২ ঘণ্টার বনধ ডেকেছে দলটি। আজ সোমবার সকাল থেকেই বিজেপির ডাকা ১২ ঘণ্টা বনধের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এই মহকুমায়। বিজেপির দাবি, খুনিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে। সকালেই শিয়ালদহ-হাসনাবাদ শাখার ভ্যাবলা স্টেশনে রেল অবরোধ শুরু করেন বিজেপি সমর্থকরা। স্টেশনে রেললাইনের উপর বসে পড়েন কয়েকশ বিজেপি সমর্থক। ফলে এই শাখায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল। এর ফলে এই পথের যাত্রীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। একইসঙ্গে বসিরহাটে বনধ চলার কারণে এই এলাকার উপর থেকে ঘোজাডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে যাওয়া পণ্যবাহী ট্রাক যাতায়াত বন্ধ রয়েছে। বনধের জেরে বসিরহাটের অন্যতম বাসন্তী হাইওয়ের কানমারি মোড়ে সড়ক অবরোধ শুরু করেছেন বিজেপি সমর্থকরা। ফলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়েছে সরকারি বাসসহ অনেক যানবাহন। বেলা যতো বাড়ছে, ততোই দীর্ঘ হচ্ছে যানবাহনের লাইন। বিজেপির কর্মীদের বক্তব্য, আমাদের দুই কর্মী খুনের বিচার চাই। নিখোঁজ এক কর্মীকেও খুঁজে দিতে হবে। কোনো বাস চলতে দেব না। অবরোধের পাশাপাশি সুনশান গোটা এলাকা। অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ। রাস্তায় নেই লোকজন। বিভিন্ন রাস্তায় চলছে বিজেপি কর্মীদের অবরোধ। গত শনিবার সন্দেশখালির ন্যাজাটে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে নিহত হন বিজেপিকর্মী প্রদীপ মণ্ডল ও সুকান্ত মণ্ডল। নিখোঁজ রয়েছেন দেবদাস মণ্ডল নামে বিজেপির অপর এক কর্মী। ওইদিন খুন হন কাইয়ুম মোল্লা নামে তৃণমূলের এক কর্মীও। এ ঘটনার পর এখনো ন্যাজাটসহ বসিরহাটের বিভিন্ন জায়গায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যে কোনো সময়ে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কায় রয়েছে সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি যেন আয়ত্তের বাইরে না যায় এজন্য প্রশাসন সন্দেশখালির ন্যাজাট এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে। এদিকে বসিরহাটের ব্যাপারে প্রতিবেদন চেয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গতকাল রোববার রাজ্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বসিরহাটে শান্তি বজায় রাখতে যা যা প্রয়োজন, সেই অনুযায়ী যেন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা যেসব পুলিশ কর্মী ও কর্মকর্তা দায়িত্ব ঠিকমত পালন করেননি, তাদেরকে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হোক। তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশ মানতে বাধ্য নয় রাজ্য সরকার। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রাজ্যের এখতিয়ারভূক্ত, এমন যুক্তি দেখিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশের বিরোধিতা করেছে রাজ্য সরকার। সকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাতে উল্লেখ করা হয়, বাংলা যথেষ্ট শান্তিপূর্ণ। তাতে উসকানি দিয়ে অশান্তি করার চক্রান্ত করছে বিজেপি। এই ধরনের নির্দেশের মাধ্যমে রাজ্যবাসীকে অপমান করা হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। এদিকে আজই রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসবেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। সেখানে ন্যাজাটের রাজনৈতিক সংঘর্ষের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। সবমিলিয়ে বসিরহাটের ঘটনা রাজ্য ছাড়িয়ে কেন্দ্রকেও ভাবিয়ে তুলছে বলে মনে করছেন অনেকে।
সুদানে অসহযোগ আন্দোলন
৯জুন২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:সুদানে অন্তর্বর্তী সামরিক কাউন্সিলের (টিএমসি) বিরুদ্ধে গণ অসহযোগ আন্দোলন ডেকেছে প্রধান বিরোধী গ্রুপগুলো। জবাবে সামরিক কাউন্সিল গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে বলে দাবি করেছে সুদানিজ প্রফেশনালস এসোসিয়েশন (এসপিএ)। তারা বলেছে, সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ডাকা ওই অসহযোগ আন্দোলনকে সামনে রেখে ব্যাংক, বিমানবন্দর ও বিদ্যুত বিভাগের বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কর্মকর্তা ও কর্মজীবীদেরও হুমকি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ- এমন দাবি করেছে এসপিএ। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করে নি সামরিক কাউন্সিল। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। কয়েকদিন আগে রাজধানী খার্তুমে সামরিক বাহিনীর দমনপীড়নে নিহত হয়েছেন কয়েক ডজন মানুষ। এরপর রোববার থেকে সেখানে অসহযোগ আন্দোলন ডেকেছে গণতন্ত্রের পক্ষের প্রচারণাকারী গ্রুপগুলো। এপ্রিলে এ দেশটিতে ৩০ বছর ক্ষমতায় থাকা প্রেসিডেন্ট ওমর আল বশিরকে উৎখাত করে সেনাবাহিনী। তারা ক্ষমতা দখল করে বেসামরিক প্রশাসনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতিতে। কিন্তু সোমবার খার্তুমে অবস্থান ধর্মঘটের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী যে নিপীড়ন চালিয়েছে তাতে তাদের এই প্রতিশ্রুতিতে আস্থা রাখতে পারছে না গণতন্ত্রপন্থিরা। সেনাবাহিনী এরই মধ্যে যে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে তাও প্রত্যাখ্যান করেছে তারা। সরকার গ্রেপ্তার করেছে বিরোধী দলের তিনজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে। তারাই সেনাবাহিনীর সঙ্গে মধ্যস্থতা চেষ্টায় জড়িত ছিলেন। খার্তুমের সর্বশেষ অবস্থা রাজধানীতে বেশির ভাগ অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শহরের ট্রাফিক লাইটগুলো জ্বলছে। খার্তুম থেকে বিবিসির সাংবাদিক ক্যাথেরিন বারুহাঙ্গা এ খবর দিচ্ছেন। এতে বলা হয়েছে, রাজধানী খার্তুমের বেশি ভাগ এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে গুলি বিনিময়ের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেয়া নেতারা লোকজনকে বাড়িতে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়েছেন। বলেছেন, কোনো কাজে যোগ দেবেন না। এটা হলো গণ অসহযোগ। তাদের যুক্তি সেনাবাহিনী যে নৃশংসতার সঙ্গে দমনপীড়ন চালাচ্ছে তাতে সাধারণ বিক্ষোভ চালানো আর সম্ভব নয়। ফলে এসপিএ এক বিবৃতিতে বলেছে, রোববার থেকে শুরু হচ্ছে গণ অসহযোগ। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে যদি বেসামরিক প্রশাসনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দেয়া হয় শুধু তাহলেই এই অসহযোগ আন্দোলন বন্ধ হবে। অসহযোগ আন্দোলন হলো শান্তিপূর্ণ একটি কর্মসূচি। এটি হলো বিশ্বে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র, যা শেষ অবলম্বন হিসেবে ব্যবহার করা যায়। তাদের এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো এমন একটি কার্যকর অচলাবস্থা সৃষ্টি করা, যার অধীনে সামরিক কাউন্সিল দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়। বিরোধী নেতাদের গ্রেপ্তার ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবিই আহমেদের সঙ্গে শুক্রবার বৈঠক করেন বিরোধী রাজনীতিক মোহামেদ আসমত। এর পর পরই তাকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার সকালের দিকে গ্রেপ্তার করা হয় এসপিএলএম-এন গ্রুপের নেতা ইসমাইল জালাব ও তার মুখপাত্র মুবারক আরদোলকে। তাদেরকে কোথায় রাখা হয়েছে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তা নিশ্চিতভাবে জানা যায নি। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই গ্রেপ্তার অভিযান এটাই প্রমাণ করে যে, সামরিক বাহিনী মধ্যস্থতা প্রক্রিয়াকে গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে না। বুধবার খার্তুমে নিজের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এসপিএলএম-এনের উপপ্রধান ইয়াসির আরমানকে। ওমর আল বশিরের পতনের পর তিনি নির্বাসন থেকে দেশে ফিরেছিলেন। আসমত এবং জালাব দুজনেই ছিলেন অ্যালায়েন্স ফর ফ্রিডম অ্যান্ড চেঞ্জের শীর্ষ স্তানীয় দুই নেতা। বিরোধী নেতা, প্রতিবাদী জনতা ও বিদ্রোহী গ্রুপগুলোর কাছে অ্যালায়েন্স ফর ফ্রিডম অ্যান্ড চেঞ্জ হলো একটি আমব্রেলা সংগঠন।
১২০ জন মহিলাকে ধর্ষণ করায় বাবা অমরপুরি গ্রেফতার
৮জুন২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:এ যেন আরেক বাবা রামরহিম। নিজের আশ্রমে একাধিক মহিলা ভক্তকে যৌন নির্যাতন করত স্বঘোষিত ধর্মগুরু রামরহিম। আপাতত জেলবন্দি সে। কিন্তু সেই হরিয়ানায় খোঁজ মিলল একইরকম আরও এক পাষণ্ডের। একজন বা দুজন নয়, ১২০ জন মহিলাকে ধর্ষণ করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হলো হরিয়ানার ফতেহাবাদের বাবা বালকনাথ মন্দিরের প্রধান পুরোহিত বাবা অমরপুরিকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই পুরোহিতের কুকীর্তির ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই শুক্রবার তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ইতিমধ্যে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আমরা মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছি। আমরা ওই পুরোহিতের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে কিছু আপত্তিকর জিনিসও উদ্ধার করেছি। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাবা অমরপুরি নামে ওই পাষণ্ড অন্তত ১২০ জন নারীকে ধর্ষণ করেছে এবং সেগুলি ক্যামেরাবন্দি করে রাখে। এরপর মাঝেমধ্যেই ওই ভিডিওগুলির সাহায্যে ওই মহিলাদের ব্ল্যাকমেইল করত সে। ইতিমধ্যে পুলিস সেই ভিডিওগুলি উদ্ধার করেছে। জানা গেছে, প্রত্যেকটি ভিডিও পৃথক পৃথক মহিলার। ওই পুরোহিতের কড়া শাস্তির দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। সূত্র: আজকাল ডট ইন জম্মুতে ৪ জন পাকিস্থানি গুপ্তচরকে আটক করল ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী জম্মুকাশ্মীরের দোরা, উধমপুর, কাথুয়া থেকে পাকিস্থানি গুপ্তচর সন্দেহে ৪ জনকে আটক করল ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী। নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, এই ৪ জন গুপ্তচরের সঙ্গে পাকিস্থানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং পাকিস্থানের জঙ্গি সংগঠন হিজবুল মুজাহিদিনের যোগ আছে। জম্মুকাশ্মীরের সামরিক ঘাঁটিগুলির আশেপাশে এই ৪ জনকে ছবি তুলতে ও ভিডিওগ্রাফি করতে দেখা গিয়েছে। অনেকক্ষণ ধরেই নিরাপত্তা বাহিনী এই ৪ জনের গতিবিধি নজরে রাখছিল। সময়মতো সুযোগ পেয়েই ৪ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনী। এই বিষয়ে একজন সেনা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই ৪ জনের ফোন স্ক্যান করার পর আমাদের সামরিক ঘাঁটির অনেক ছবিভিডিও উদ্ধার করা হয়। ফোন ঘেঁটে দেখা যায়, এই ৪ জনই পাকিস্থানের বেশকিছু মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখে। তাদের মধ্যে একজন হল পাকিস্থানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের কর্নেল ইফতিখার আহমেদ। পুলওয়ামার পর আবার জম্মুকাশ্মীরেই বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক কষছে আইএসআই এবং পাকিস্থানের জঙ্গি সংগঠনগুলি বলে আশঙ্কা করছে নিরাপত্তা বাহিনী।
মোদীর কাছে ইমরানের চিঠি
৮জুন২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কাশ্মীর ইস্যুসহ বিবেচনাযোগ্য সব সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে তিনি বসতে চান। শুক্রবার এ খবর জানিয়েছে পাকিস্তানের গণমাধ্যম। একদিন আগেই ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিলো, কিরজিস্তানে আগামী সপ্তাহে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) আঞ্চলিক সম্মেলন বসবে, সেখানে ভারত-পাকিস্তানের এই দুই শীর্ষনেতার বৈঠকের কোনো সম্ভাবনা নেই। এনডিটিভি। জিওটিভি দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় নরেন্দ্র মোদীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইমরান খান। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ভারত ও পাকিস্তানের জনগণকে দারিদ্রমুক্ত করতে দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার কোনো বিকল্প নেই। আর এক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক আলোচনাই সমাধানের একমাত্র পথ। ইমরান বলেন, আঞ্চলিক উন্নয়নের স্বার্থেও দুদেশের একসাথে কাজ করা উচিত। এই ব্যাপারে ভারত এখনো কোন প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে আশা করা হচ্ছে, আসছে সপ্তাহে কিরজিস্তানে এসসিও সম্মেলনে দুই নেতার বৈঠক হতে পারে।
শিবসেনা নেতা আমিরুদ্দিন আসামে গ্রেপ্তার
৮জুন২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসামে বহুল বিতর্কিত শিবসেনা নেতা আমিরুদ্দিন তালুকদার। তাকে বাংলাদেশী বলে অভিহিত করা হয় সেখানে। এ নিয়ে তুমুল বিতর্ক আসাম তো বটেই, ভারতের অন্যান্য স্থানেও এ নিয়ে বিতর্ক আছে। বলা হয়েছে তিনি বাংলাদেশী নাগরিক। তার কথিত বাংলাদেশী নাগরিকত্ব-এর অভিযোগের প্রশংসা করার জন্য প্রশাসন ও পুলিশের সামনে ওই অভিযোগের পক্ষে থাকা এক ব্যক্তির ওপর চড়াও হয়েছিলেন আমিরুদ্দিন। এ সময় ওই ব্যক্তিকে বেদম মারপিঠ করেন আমিরদ্দিন। এতে তাকে সহায়তা করেন আরেকজন। ফলে আসাম পুলিশ তাকে ও ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। বর্তমানে তাদেরকে রাখা হয়েছে আসাম পুলিশের হেফাজতে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডিএনএ। এতে বলা হয়, আসাম পুলিশের মতে, আমিরুদ্দিন তালুকদার ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে গত বছর ৩রা নভেম্বর ভারতীয় দ-বিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা হয়েছে। ওই মামলার পর মালাদ থেকে পালিয়ে যান আমিরুদ্দিন। তিনি পুলিশের চোখ এড়িয়ে চলতে থাকেন। এ বছর মার্চে তার খোঁজে মুম্বই যান এসপি অঙ্কুর জৈন ও ডিএসপি দীপ্তি মালি। একই সঙ্গে মালাদ এলাকার মালবানি পুলিশ তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে থাকে। আমিরুদ্দিনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশী নাগরিকত্বের যে অভিযোগ আছে তার অনুসন্ধান করতে থাকে পুলিশ। এ তদন্তের একটি আপডেট রিপোর্ট মালবানি পুলিশ লিখিতভাবে পাঠায় আসাম পুলিশের কাছে। ওই তদন্তে আমিরুদ্দিনের বাড়ি ও অন্যন্যা স্থান তল্লাশির কথা ও জব্দ করা জিনিসপত্রের কথা জানানো হয়। ওদিকে শিবসেনা থেকে আমিরুদ্দিনের সদস্যপদ প্রত্যাহার করে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে দল থেকে। এ কথা নিশ্চিত করেছেন শিবসেনার সিনিয়র নেতা সুধাকর সারভে। তিনি বলেছেন, এ অভিযোগ উচ্চতর কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। তার ভাষায়, আমরা তদন্ত করে দেখছি তার বিরুদ্ধে কতগুলো অভিযোগ আছে। এরপরই শিগগিরই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সুদানে বহু বিক্ষোভকারীর প্রাণহানি, বাড়ছে সংকট
৭জুন২০১৯,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুদানে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে গত কয়েকদিনে ৬০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হওয়ার পর আফ্রিকান ইউনিয়ন সুদানের সদস্যপদ সাময়িকভাবে বাতিল করেছে। ইউনিয়ন বলছে, বেসামরিক নেতৃত্বাধীন একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠন না করা পর্যন্ত সুদানকে ইউনিয়ন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং এটাই এ সংকট থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র পথ। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, রাজধানী খার্তুমে কয়েকদিন ধরে চলা বিক্ষোভে ৬১ জন নিহত হয়েছে বলে সরকার বলছে, তবে বিক্ষোভকারীদের সাথে সংশ্লিষ্ট ডাক্তাররা বলছেন নিহতের সংখ্যা শতাধিক। গত কয়েকদিনে সুদানে বিক্ষোভকারীদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিবর্ষণে ব্যাপক হতাহতের খবর আসতে থাকলেও কর্তৃপক্ষ তেমন কিছু বলেনি। গত বুধবার খবর প্রকাশ পায় নিহতের সংখ্যা শতাধিক এবং খার্তুম শহরের মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া নীল নদ থেকে বহু মৃতদেহ তোলা হয়। এসএফ নামের আধাসামরিক বাহিনীর লোকেরা- যাদের আগে জাঞ্জাওয়িদ মিলিশিয়া বলা হতো, প্রায় জনশূন্য রাজধানীর রাস্তাগুলোতে টহল দিচ্ছে এবং বেসামরিক লোকজনকে আক্রমণ করছে। সুদানের সামরিক কাউন্সিল বিক্ষোভকারীদের প্রতি আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন কিন্তু বিরোধীদলীয় কর্মীরা তা প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা বলছে, কর্তৃপক্ষ যেরকম সহিংস উপায়ে বিক্ষোভকারীদের দমন করার পথ বেছে নিয়েছে তাতে তারা এই সামরিক কাউন্সিলকে আর বিশ্বাস করতে পারছে না। সামরিক কাউন্সিলের ডেপুটি প্রধান মোহাম্মদ হামাদান ওই দমননীতিকে সমর্থন করে বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের মধ্যে দুর্বৃত্ত এবং মাদকব্যবসায়ীরা ঢুকে পড়েছে এবং তারা বিশৃঙ্খলা সহ্য করবেন না। এদিকে শহরের বাসিন্দারা বিবিসিকে বলেছে, তারা আতঙ্কিত অবস্থায় রাজধানীতে বাস করছে। হাসপাতালগুলোর ডাক্তার ও নার্সরাও ভয়ে কাজ করতে আসছে না। এরই মধ্যে আফ্রিকান ইউনিয়ন বলেছে, যত দিন বেসামরিক নেতৃত্বাধীন একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠন না করা হচ্ছে তত দিন পর্যন্ত সুদানকে ইউনিয়ন থেকে সাসপেন্ড করাসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইউনিয়ন অবিলম্বে হত্যাকান্ডগুলোর তদন্তেরও দাবি জানিয়েছে।
এই ঈদ আপনাদের জীবনে নতুন সকাল আনবে :মমতা
০৬জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:ঈদগাহে হাজির হয়ে মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার ভারতের কলকাতার রেড রোডের ঈদগাহে উপস্থিত হন তিনি। সেখানে বক্তব্য দেন।পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য দেওয়ার সময় সেখানে বৃষ্টিও হয় কয়েক পশলা। বৃষ্টি দেখেই তিনি বলেন, এই বৃষ্টি শান্তির বৃষ্টি, এই বৃষ্টি বলছে যে, আকাশও আপনাদের সঙ্গে রয়েছে। মাসব্যাপী রোজার পর এটা মুসলমানদের জন্য আল্লাহর আশীর্বাদ। আপনারা ভয় পাবেন না। আপনারা ভাল থাকুন, আপনারা এগিয়ে চলুন, আপনারা মানবতার জন্য কাজ করুন।মমতা মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, এই ঈদ আপনাদের জীবনে নতুন সকাল আনবে। কেউ রুখতে পারবে না। কেউ যদি বাধা দেন, তা হলে তার জন্য দুঃখিত। এছাড়া মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লিখেন, সকলকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। আসুন, বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের এই ধারাকে বজায় রাখি।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর