করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা ৮২ হাজার
0৮এপ্রিল,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সাত হাজার ৩৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত ৮২ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় মারা গেছে। প্রতি মিনিটেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত হয়েছে ১৪ লাখ ৩১ হাজার মানুষ। সুস্থ হয়েছে ৩ লাখ দুই হাজার মানুষ। গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে এক হাজার ৯৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ১২৮৫৪ জনের। আক্রান্তের সংখ্যার দিক দিয়েই সবার চেয়ে ওপরে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এখন পর্যন্ত চার লাখের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যার দিক দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের পরেই রয়েছে ফ্রান্সের অবস্থান। দেশটিতে এক হাজার ৪১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে দেশটিতে ১০ হাজার ৩২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ নয় হাজারের বেশি মানুষ। তবে বৈশ্বিক মৃত্যুর দিক দিয়ে এখনও শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে ইতালি। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১৭ হাজার ১২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ৬০৪ জনের। যা ধারাবাহিকভাবে কমতির দিকে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এক লাখ সাড়ে ৩৫ হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। সার্বিক মৃত্যুর সংখ্যার বিবেচনায় ইতালির পরই স্পেনের অবস্থান। সেখানে এখন পর্যন্ত ১৪ হাজার ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ৭০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ৪১ হাজার ৯৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। ইউরোপের অন্য দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেনে হঠাৎ করে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় এক লাফে ৭৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ছয় হাজার ১৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর আক্রান্তের সংখ্যা ৫৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসেও বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। দেশ দুটিতেই মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ২ হাজার। নেদারল্যান্ডসে ২ হাজার ১০১ জন। বেলজিয়ামে ২ হাজার ৩৫ জন। জার্মানিতে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৯৪১ জন। দেশটিতে আক্রান্ত এক লাখ ৬ হাজার ৫০৪ জন।
করোনায় মৃতের সংখ্যা ৭৪ হাজার ছাড়ালো
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯)- এ মিনিটে মিনিটে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। লাশের সারি দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। দুনিয়ার কোনো মেকানিজমই যেনো কাজে আসছে। মঙ্গলবার ঢাকার সময় সকাল সাতটায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোভিড-১৯ মৃতের সংখ্যা ৭৪ হাজার ৬ শ ৮৫ ছাড়িয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের আপডট করা সর্বশেষ তথ্য হচ্ছে- বিশ্বব্যাপী মোট আক্রান্ত ১৩ লাখ ৪৬ হাজার ৩ শ ৮১জন। এর মধ্যে ৭৪ হাজার ৬ 'শ র বেশি মারা গেলেও সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পেরেছেন ২ লাখ ৭৮ হাজার ৫ শ ৩৪জন। দুনিয়ার ২০৯টি দেশ ও অঞ্চলে এ পর্যন্ত করোনা আঘাতে হেনেছে জানিয়ে জরীপ সংস্থাটি ৭ ই এপ্রিলের আপডেট দিয়েছে। যাতে বলা হয়েছে- মোট নয় লাখ ৯৩ হাজার ১ শ ৭৫ জন করোনা আক্রান্ত দুনিয়ার বিভিন্ন হাসপাতালে রয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৫ ভাগের অবস্থা খুবই সঙ্কটাপন্ন। হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছেন এমন সংখ্যা ৪৭ হাজার, তবে চিকিতসাধীন অন্য ৯৫ভাগ অর্থাৎ ৯ লাখ ৪৫ হাজার ৯শ ১৯ জনের বেশিরভাগের অবস্থা স্থিতিশীল। অনেকের শরীরিক অবস্থার উন্নতির দিকে। মাঝারি মানের অসুস্থ কিংবা ক্রিটিকাল কন্ডিশনে থাকা উভয় রোগীর ক্ষেত্রেই চিকিৎসকরাও চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ওয়ার্ল্ডোমিটার জানিয়েছে- বলিভিয়ায় নতুন করে করোনায় ৩ জনের মৃত্যু এবং ১১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ঘানায় ৭৩ নতুন কেস রেকর্ড হয়েছে। ব্রাজিলে আরও দুজনের মৃত্যু এবং ৪৯জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। নিউজিল্যান্ডে ৫৪ নতুন রোগী ধরা পড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় আরও ৬ জনের মৃত্যুসহ ৪৭ নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। মেক্সিকোতে আক্রান্ত ও মৃতের ঘটনা দুটোই নতুন রেকর্ড হয়েছে। ২৯৬ রোগী শনাক্ত হওয়া ছাড়াও ৩১ জন মারা গেছেন গত ২৪ ঘন্টায়।
করোনার কারণে বেড়েছে নারী নির্যাতন
0৬এপ্রিল,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস আতঙ্কের কারণে অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবে বিশ্বজুড়ে ঘরোয়া সহিংসতা ও নারী নির্যাতনের মাত্রা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। রোববার রাতে এক বিবৃতিতে অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, অনেক নারী ও মেয়ের জন্য হুমকিটা আসছে সেখান থেকেই, যেখানে তারা সবচেয়ে নিরাপদে থাকা উচিত- নিজের বাড়িতে। একারণে আমি বিশ্বজুড়ে প্রতিটি বাড়িতে শান্তি বজায় রাখার অনুরোধ জানাই। নাম উল্লেখ না করে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, কিছু কিছু দেশে নারীদের সহায়তা চাওয়ার হার দ্বিগুণ হয়ে গেছে। করোনা সংকটে পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী ও পুলিশ সদস্যের অভাব দেখা দিয়েছে, তারা অনেকটাই হতবিহ্বল হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় সহায়তাকারী সংগঠনগুলো অর্থের অভাবে অচল হয়ে পড়েছে, নির্যাতিতদের কিছু আশ্রয়কেন্দ্র বন্ধ না হয় পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। একারণে আমি সব সরকারের কাছে আহ্বান জানাই, কোভিড-১৯ মোকাবিলা পরিকল্পনায় নারী সহিংসতা প্রতিরোধের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হোক। বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ঘরোয়া নির্যাতনের শিকার হয়ে সাহায্যের জন্য ফোনকল আসা বেড়ে গেছে। লকডাউনের প্রথম সপ্তাহেই ভারতে নারী নির্যাতন প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। তুরস্কে সবাইকে ঘরে থাকার নির্দেশনা দেয়ার পর থেকে নারী-হত্যার হার বেড়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় লকডাউনের প্রথম সপ্তাহে অন্তত ৯০ হাজার লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার অভিযোগ এসেছে। এছাড়াও অস্ট্রেলীয় সরকারের কাছে অনলাইনে সাহায্যপ্রার্থনার হার বেড়েছে ৭৫ শতাংশ। গত একসপ্তাহে ফ্রান্সে ঘরোয়া নির্যাতন বেড়েছে প্রায় ৩২ শতাংশ।
বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ৬৭ হাজার ২৬০ জন
0৬এপ্রিল,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ৬৭ হাজার ২৬০ জনে পৌঁছেছে। আক্রান্ত হয়েছেন অন্তত ১২ লাখ ৩৭ হাজার ৪২০ জন। সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছেন ইতালিতে। সেখানে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৫ হাজার ৩৬২ জন ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৬৮১ জন। দেশটিতে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৩২ জন। জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটি ও আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে হিসাবে এমন তথ্য উঠে এসেছে। শনিবার ইতালির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশটির হাসপাতালগুলোয় আইসিইউতে ভর্তি রোগীর সংখ্যা কমছে। সেখানে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে। এতে আশা জাগছে। কর্তৃপক্ষ জনগণকে লকডাউন মানতে ব্যাকুল আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন ও ফ্রান্সে তরতর করে বেড়েই চলেছে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা। যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা ভয়াবহ গতিতে বাড়ছে। বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা পর্যন্ত দেশটিতে মারা গেছেন ৯ হাজার ১৩২ জনের বেশি মানুষ। এছাড়া পুরো পৃথিবীর এক-চতুর্থাংশের বেশি আক্রান্ত হয়েছে কেবল সেখানেই। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ২১ হাজার ছাড়িয়েছে। সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখা গেছে নিউ ইয়র্কে। স্পেনে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৬৭৪ জন। তবে দেশটির স্বাস্থ্যকর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, দেশটিতে মৃতের সংখ্যা কমছে। কর্মকর্তারা বলেছেন, রোববারের মৃতের সংখ্যা গত দুইদিনের তুলনায় কমেছে। এর আগে শুক্রবার দেশটিতে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান ৯৫০ জন ও শনিবার মারা যান ৮০৯ জন। সবমিলিয়ে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৪১৮ জনে। বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে একক দেশ হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে দেশটিতে। এছাড়া মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৩০ হাজার ৭৫৯ জন। তবে গত কয়দিন ধরে কমছে দৈনিক হারে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যাও। বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা অবধি ফ্রান্সে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৭ হাজার ৫০০’র বেশি মানুষ। আক্রান্ত হয়েছেন ৯০ হাজারের বেশি। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দেশটিতে রোববারের আক্রান্ত ও মৃতের হিসাব প্রকাশ করা হয়নি। তবে এর আগের দিন দেশটিতে ১০০০ মানুষের বেশি মারা গেছে। আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৮ হাজার। এদিকে, ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে তুলনামূলক মৃত্যুর হার কম জার্মানিতে। কিন্তু আক্রান্তের দিক দিয়ে দেশটি বিশ্বের মধ্যে চতুর্থ স্থানে আছে। সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৭ হাজার ৭০০ জনের বেশি। সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন আরো ৫ হাজার ৯৩৬ জন। এ নিয়ে টানা তৃতীয় দিন সেখানে আক্রান্তের সংখ্যায় পতন দেখা গেছে। শনিবারের তুলনায় রোববার সেখানে ১৪৬ জন কম আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। রোববার সেখানে মারা গেছেন ১৮৪ জন। এতে মোট মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ১ হাজার ৩৪২ জনে। তবে ইউরোপের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে রোগী সুস্থ হওয়ার দিকে বেশ এগিয়ে আছে জার্মানি। জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটি অনুসারে, সেখানে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৬ হাজার ৪০০ জন। তবে সুস্থ হওয়ার দিকে সবচেয়ে এগিয়ে আছে চীন। ৮২ হাজার আক্রান্তের দেশটিতে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৭ হাজারের বেশি মানুষ। মারা গেছেন মাত্র ৩ হাজার ৩৩৩ জন। অন্যদিকে ৩৮ হাজারের বেশি সুস্থ রোগী নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে স্পেন।
করোনা, মৃত্যু ৬৪ হাজার ছাড়ালো
0৫এপ্রিল,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:মহামারী রূপ ধারণ করা নভেল করোনা ভাইরাসে মিনিটে মিনিটে মানুষ মারা যাচ্ছেন। সারাবিশ্বে ৬৪ হাজার ছাড়িয়েছে মৃতের সংখ্যা। আর আক্রান্ত হয়েছেন ১২ লাখেরও বেশি মানুষ।যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডো মিটার বলছে এখন পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসে মোট মৃতের সংখ্যা ৬৪ হাজার ৬৬৭ জন। এ রোগে আক্রান্ত হওয়াদের আড়াই লাখ মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রেই এখন সবচেয়ে বেশি চোখ রাঙাচ্ছে করোনা ভাইরাস। দেশটিতে তিন লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। আর মৃত্যু হয়েছে ৮ হাজার ৩৯৭ জনের।এখন পর্যন্ত বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ইতালিতে।দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা ১৫ হাজার ৩৬২ জন। এরপরই আছে স্পেন। দেশটিতে মারা গেছেন ১১ হাজার ৯৪৭ জন। এ দুই দেশের পর বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। মৃতের সংখ্যায় এরপর যথাক্রমে রয়েছে- ফ্রান্সে ৭ হাজার ৫৬০ জন, যুক্তরাজ্যে ৪ হাজার ৩১৩ জন, ইরানে ৩ হাজার ৪৫২ জন, চীনে ৩ হাজার ৩২৬ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ফ্রান্সে। দেশটিতে মারা গেছেন ১ হাজার ৫৩ জন।
করোনা ভাইরাস,মৃত ছাড়াল ৫৯ হাজার১৫৯ জন,আক্রান্ত ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৩৯০
0৪এপ্রিল,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এখন পর্যন্ত ভাইরাসে মারা গেছেন ৫৯ হাজার ১৫৯ জন। আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৩৯০ জন। অন্যদিকে আর সুস্থ বাড়ি ফিরেছেন হয়েছেন ২ লাখ ২৮ হাজার ৯২৩ জন।এখন পর্যন্ত বিশ্বের অন্তত ২০৫টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা। এদিকে আক্রান্তের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৭৭ হাজার ১৬১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যুবরণ করেছেন ৭ হাজার ৩৯২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে ১ হাজার ৩২১ আক্রান্ত হন।মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে ইউরোপের দেশ ইতালি। এখন পর্যন্ত দেশটিতে সর্বোচ্চ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ১৪ হাজার ৬৮১ জন মারা গেছেন।স্পেনে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৭ হাজার ৭১০ জন, জার্মানিতে ৮৯ হাজার ৮৩৮ জন, চীনে ৮১ হাজার ৬২০ জন, ফ্রান্সে ৬৪ হাজার ৩৩৮ জন এবং ইরানে ৫৩ হাজার ১৮৩ জন।সুস্থ হওয়ার সংখ্যায় সবার ওপরে রয়েছে চীন। চীনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৬ হাজার ৫৭১ জন। স্পেনে সুস্থ হয়েছেন ৩০ হাজার ৫১৩ জন। জার্মানিতে ২৪ হাজার ৫৭৫ জন, ইতালিতে ১৮ হাজার ৭৫৮ ও ইরানে ১৭ হাজার ৯৩৫ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
করোনা ভাইরাস,বিশ্বজুড়ে মারা গেছেন ৫০ হাজার ২৩০ জন। আক্রান্ত ৯ লাখ ৮১ হাজার ২২১ জন
0৩এপ্রিল,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসে (কভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা অর্ধলক্ষ ছাড়িয়েছে। জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির হিসাব অনুসারে, বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৪৭ মিনিট পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে এই রোগে মারা গেছেন ৫০ হাজার ২৩০ জন। আক্রান্ত হয়েছেন ৯ লাখ ৮১ হাজার ২২১ জন। জন হপকিন্স অনুসারে, করোনায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ইতালিতে। সেখানে মারা গেছেন ১৩ হাজার ৯১৫ জন। এছাড়া, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজারের বেশি মানুষ। ইতালির পর সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে স্পেনে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সেখানে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজারের বেশি। প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্সে মারা গেছেন ৪ হাজারের বেশি মানুষ। আক্রান্ত হয়েছেন ৫৭ হাজারের বেশি। প্রাথমিক পর্যায়ে কিছুটা স্তিমিত থাকলেও ইউরোপের অন্যান্য দেশেও সাম্প্রতিক দিনগুলোয় সংক্রমণের হার তীব্র গতিতে বাড়ছে। জার্মানিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮১ হাজার ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা প্রায় এক হাজার। এদিকে, সাম্প্রতিক দিনগুলোয় যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত গতিতে বাড়ছে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা। জন হপকিন্স অনুসারে, এখন পর্যন্ত সেখানে মারা গেছেন ৫ হাজার ৩১৬ জন। মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ২৬ হাজারের বেশি মানুষ। আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস অনুসারে, বিগত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে মারা গেছেন ৬৮১ জনের বেশি। এই সময়ে আক্রান্ত হয়েছেন ২১ হাজারের বেশি মানুষ। বৃটেনে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, মারা গেছেন মোট ২ হাজার ৯২৬ জন। আক্রান্ত হয়েছে ৩৪ হাজারের বেশি।
স্পেনে মৃত্যুর সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে
0২এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্পেনে কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না করেনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব। সরকারের ব্যাপক বিধি-নিষেধেও লাভের লাভ তেমন চোখে পড়ছে না। এরিমধ্যে দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে মারা গেছেন ৯৫০ জন। খবর বিজনেসট ইনসাইডার ইউকের। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একদিনে আর আর কোনো দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এত বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। এর আগে গত ২৭ মার্চ ইতালিতে একদিনে রেকর্ড ৯২৯ জন মারা গিয়েছিলেন। আজ সেই সংখ্যাও ছাড়িয়ে গেল স্পেনে।ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ইতালির পর করোনার ভয়াবহ প্রকোপের মুখোমুখি হয়েছে স্পেন। বুধবার দেশটিতে ৭ হাজার ৭১৯ জন করোনায় আক্রান্ত হলেও গত ২৪ ঘণ্টায় সেই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে; নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ১০২ জন। এ নিয়ে ইউরোপের এই দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ২৩৮ জনে।করোনার প্রাদুর্ভাব দ্রুতই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে স্পেনের সরকারের পক্ষ থেকে যে আশার বানী শোনানো হয়েছিলো বৃহস্পতিবারের মৃত্যুর সংখ্যা তাতে জল ঢেলে দিয়েছে। একদিন আগেই দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্যালভাদর ইলা বলেছিলেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে এবং আমরা করোনার একটি ধীরগতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।এর আগে গত ১৪ মার্চ জরুরি অবস্থা জারির পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবার ও ওষুধের দোকানপাট ছাড়া অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে স্পেন। দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয় বলছে, করোনা পরিস্থিতির কারণে শুধু মার্চেই দেশটিতে তিন লাখের বেশি মানুষ বেকার হয়ে পড়েছেন।
এখনই হজের পরিকল্পনা নয়
0১এপ্রিল,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক:,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে এখনই হজের পরিকল্পনা করতে নারাজ সৌদি আরব। আরব নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, পরিস্থিতি স্পষ্ট হওয়ার আগ পর্যন্ত হজের ব্যাপারে কোনও চুক্তি না করতে মুসলিম বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে রিয়াদ। করোনার ভয়ে গত মাসের শুরুর দিকে মৌসুমের ওমরাহ স্থগিত করা হয়। অভূতপূর্ব এই পদক্ষেপের কারণে এবছরের হজ নিয়ে তখনই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। আরব নিউজ জানিয়েছে, দেশটির হজ ও ওমরাহ বিষয়কমন্ত্রী মোহাম্মদ সালেহ বেনতেন মঙ্গলবার রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে এ প্রসঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, হজ ও ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের সেবায় সৌদি আরব পুরোপুরি প্রস্তুত। বেনতেন বলেন, চলমান পরিস্থিতিতে আমরা যখন বৈশ্বিক মহামারি মোকাবেলা করছি, তখন সৌদি আরব মুসলিমসহ অন্য নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাই পরিস্থিতি স্পষ্ট হওয়া পর্যন্ত হজের বিষয়ে কোনও চুক্তিতে না যেতে আমরা সব দেশের মুসলিম ভাইদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। জুলাইয়ে অনুষ্ঠেয় এক সপ্তাহের হজ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ২৫ লাখ মুসলিম এবারও আসার কথা। ওই সময় তারা মক্কা ও মদিনা শহরের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। হজ মৌসুমে যে আয় হয় তা সৌদি আরবের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখে। ওমরাহ হজ স্থগিত ছাড়াও ভাইরাস ছড়ানো ঠেকাতে সৌদি আরব সব আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রেখেছে এবং গত সপ্তাহে মক্কা-মদিনা সহ কয়েকটি শহরে আগমন-বহির্গমন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর