ভারতের উত্তর প্রদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫
১৮মে,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের উত্তর প্রদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও অন্তত ৩০ জন আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, শনিবার ভোরে লক্ষ্ণৌ -আগ্রা হাইওয়েতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এসময় যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্র্যাক্টরকে ধাক্কা দেয় এবং পরে বাসটি উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ৫ জন নিহত হন। আহত হন আরও ৩০ জন। এর আগে গত ২১ এপ্রিল উত্তর প্রদেশের মইনপুরীতে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারান ৭ জন, গুরুতর আহত হন ৩৪ জন। এছাড়া ৪ এপ্রিল আগ্রা-লক্ষ্ণৌ হাইওয়েতে আরও একটি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন ২০ জন। তখন একটি ট্যুরিস্ট বাসের সঙ্গে ধাক্কা লেগেছিল ট্রাকের। গত দুমাসে উত্তর প্রদেশের সড়ক দুর্ঘটনায় সব মিলিয়ে ১২ জন নিহত হয়েছেন।
সৌদিতে স্পন্সর ছাড়াই মিলবে রেসিডেন্সি গ্রিন কার্ড
১৭মে,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সৌদি আরবে কোনো স্পন্সর ছাড়াই মিলবে রেসিডেন্সি গ্রিন কার্ড। গত বুধবার সৌদি আরবের শুরা কাউন্সিল এ পরিকল্পনায় অনুমোদন দেয়। এর উদ্দেশ্য বিদেশি উদ্যোক্তা ও বিনিযোগকারীদের আকৃষ্ট করা। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি বাংলাদেশিরাও এর সুবিধা পাবেন। বিদেশি উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে বুধবার সৌদি আরবের শুরা কাউন্সিলে প্রিভিলেজড আকামা সিস্টেম নামে একটি পরিকল্পনার অনুমোদন দেয়া হয়। এর ফলে কোনো স্পন্সর ছাড়াই সৌদি আরবে চালু হচ্ছে রেসিডেন্সি গ্রিন কার্ড। নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে বিদেশি দক্ষ শ্রমিক এবং ব্যবসায়ীরা এর সুবিধা ভোগ করতে পারবে। এমন খবরে উচ্ছ্বসিত প্রবাসী বাংলাদেশিরাও। বাংলাদেশি প্রবাসী ব্যবসায়ীরা জানান, সৌদি সরকার তাদের উন্নয়ে কাজটি করতে যাচ্ছে। এটি হলে তাদের জন্য ভাল হবে আমাদের জন্য ভাল হবে। বিদ্যমান আকামা ব্যবস্থায় রেসিডেন্সিয়াল পারমিটের জন্য একজন স্পন্সর বা নিয়োগকর্তার অনুমতি জরুরি। তবে, নতুন ব্যবস্থায় এ সবের দরকার হবে না। কিন্তু এ সুবিধার জন্য নির্দিষ্ট ফি দিতে হবে। দুই ক্যাটাগরিতে রেসিডেন্সি গ্রিন কার্ড দেয়া হবে। একটি স্থায়ী এবং অন্যটি অস্থায়ী। এর জন্য বৈধ অভিবাসীর, ক্রেডিট কার্ড, হেলথ কার্ড এবং পাসপোর্ট থাকতে হবে। সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে এ সুবিধা দেয়া হচ্ছে।
অভিযানের সময় জম্মু কাশ্মিরে সেনাসহ চারজন নিহত
১৬মে,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু কাশ্মিরের পুলাওয়ামায় অভিযানের সময় একজন সেনা সদস্যসহ তিন সন্ত্রাসী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে ভারতের সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স, রাষ্ট্রীয় রাইফেলস এবং স্পেশাল অপারেশন্স গ্রুপ মিলে তল্লাশি চালাচ্ছিল। এসময় সন্ত্রাসীরা তাদের উদ্দেশে গুলি ছুড়ে। পরে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও সন্ত্রাসীদের ওপর পাল্টা গুলি চালান। এতে চারজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি আরও দুই সেনা এবং এক বেসামরিক ব্যক্তি আহত হন। ধারণা করা হচ্ছে সন্ত্রাসীরা জইশ-ই-মোহাম্মদের কর্মী। তারা সবাই একটি বাড়িতে লুকিয়ে ছিলেন। তল্লাশি চালানোর সময় হঠাৎ করে তারা নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালায়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে অনেক অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে ওই পুরো এলাকার ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ আছে।
বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছে,আমরা এটা ছেড়ে দেব না
১৫মে,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কলকাতার বিদ্যাসাগর কলেজে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার পর বিজেপিকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল মঙ্গলবার কলকাতাসংলগ্ন বেহালার এক জনসভায় দাঁড়িয়ে মমতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙে দিয়েছে। আমরা এটা ছেড়ে দেব না। ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে জবাব নেব, শুনে রাখো বিজেপি। বিদ্যাসাগর কলেজে ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষুব্ধ মমতা বলেন, অমিত শাহ বাবু নাকি বিরাট নেতা। তাঁর মুখ দেখলেই মানুষ ভয় পায়। উত্তর কলকাতায় মিছিল করতে উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খন্ড থেকে লোক এনেছেন। অমিত শাহর মিছিল যেই শেষ হয়েছে, বিজেপির কিছু গুণ্ডা হাতে ডাণ্ডা নিয়ে বিদ্যাসাগর কলেজে আগুন লাগিয়েছে, ঈশ্বরচন্দ্রের মূর্তি ভেঙে দিয়েছে। এটা নকশাল আমলেও ঘটেনি। এটা আমাদের লজ্জা। আমরা এটা ছেড়ে দেব না। ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে জবাব নেব। মমতা বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলেন, তোমরা জানো ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কে? যিনি নারী শিক্ষার প্রচলন করেছিলেন। যিনি মানুষকে শিক্ষিত করেছিলেন। বিজেপি মিছিল করার নামে বাইরের গুণ্ডা এনে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছে, আগুন লাগিয়েছে, দাঙ্গা বাধিয়েছে। তাদের কোনো ক্ষমা নেই। মমতা বলেন, এটা বিদ্যাসাগরের দ্বিশত বর্ষ। বাংলার হেরিটেজের গায়ে হাত দিলে আমার থেকে ভয়ংকর কেউ নেই। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহর রোড শো ঘিরে কলকাতার বিদ্যাসাগর কলেজে মঙ্গলবার বিকালে যে তাণ্ডব চলে এবং বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার যে ঘটনা ঘটে, তার জেরে দুটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। কলকাতার জোড়াসাঁকো থানায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। অন্যদিকে, কলকাতার আর্মহার্স্ট স্ট্রিট থানায় মঙ্গলবার মধ্যরাতে অভিযোগ দায়ের করেন বিদ্যাসাগর কলেজের শিক্ষার্থীরা। দুটি অভিযোগের ক্ষেত্রেই অভিযোগের তীর বিজেপির দিকে। বিজেপির লোকজন কলেজ চত্বরে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ। শুধু তাই নয়, অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, কলেজে ঢুকে পড়ুয়াদের মারধর এবং শ্লীলতাহানি করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় যারা যুক্ত, তাদের কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরাও। আজ সকাল থেকে ওই ঘটনার প্রতিবাদে সত্যাগ্রহ আন্দোলনে বসার হুমকি দিয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা। এদিকে, বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার প্রতিবাদে মধ্যরাত থেকেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীসহ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রসের প্রায় সব নেতা-নেত্রীই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের প্রোফাইলে বিদ্যাসাগরের ছবি লাগিয়েছেন। অমিত শাহর রোড শো ঘিরে কলকাতার বিদ্যাসাগর কলেজে তাণ্ডবের ঘটনায় সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার অর্থাৎ আজ রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার রাতেই পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা এবং চন্দ্রকোনা টাউনে প্রতিবাদ জানায় তৃনমূল ছাত্র পরিষদ। ডেবরায় ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহর কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন মহল। আজ বুধবার সকাল থেকেই কলকাতা শহরে একাধিক মিছিল বের করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন। এদিন কলকাতার কলেজ স্কয়ার থেকে হেদুয়ায় বিদ্যাসাগর মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছে বামফ্রন্ট।
মিয়ানমারে সাংবাদিক হয়রানি
১৪মে,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাখাইনভিত্তিক বেসরকারি সংবাদ সংস্থা ডেভেলপমেন্ট মিডিয়া গ্রুপের প্রধান সম্পাদক অং মার্ম ওকে হয়রান ও গ্রেপ্তারের হুমকি অবিলম্বে বন্ধ করতে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সাংবাদিকদের অধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। তার বিরুদ্ধে ঔপনিবেশকি আমলের আনলফুল এসোসিয়েশন অ্যাক্টএর অধীনে আনস্পেসিফাইড নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা করেছে কর্তৃপক্ষ। গত ১লা মে করা ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্য অং মার্ম ও আত্মগোপন করে আছেন। এ অভিযোগে তিনি দোষী প্রমাণিত হলে ৫ বছর পর্যন্ত জেল ও জরিমানা হতে পারে।সিপিজের রিপোর্টিংয়ে দেখা গেছে সশস্ত্র লড়াইয়ের খবর কাভারেজ দেয়ার বিষয়কে গলাটিপে ধরতে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ মাঝে মাঝেই ব্যবহার করে আনলফুল এসোসিয়েশন অ্যাক্ট। উল্লেখ্য, পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের রাজনীতি, সমাজ ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা নিয়ে নিয়মিত রিপোর্ট করে ডেভেলপমেন্ট মিডিয়া গ্রুপ। ওই রাখাইনেই বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে লিপ্ত রয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। তারা নৃশংসতা চালিয়ে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিমকে দেশছাড়া করেছে। তারা এখন নির্মম অবস্থায় বসবাস করছে বাংলাদেশে। সিপিজের দক্ষিণপূর্ণ এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র প্রতিনিধি শন ক্রিসপিন বলেন, মিয়ানমারে সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার এমন অবনতি হয়েছে যে, এখন একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করতে হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে আনডিসক্লোজড বা অজ্ঞাত অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, সাংবাদিক অং মার্ম ওর বিরুদ্ধে অবিলম্বে হয়রানি বন্ধ করা উচিত মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের। একই সঙ্গে কোনো প্রতিশোধের আতঙ্কমুক্ত হয়ে অব্যাহতভাবে রিপোর্ট করতে দেয়া উচিত তার নিরপেক্ষ মিডিয়া গ্রুপকে।এরই মধ্যে সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্পেশাল ব্রাঞ্চ পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে অং মার্ম ওর সহকর্মী ও তার পরিবারের সদস্যদের। এর মধ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী, মা, ভাই। তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে অং মার্ম কোথায় আছেন। ইমেইলের মাধ্যমে এসব কথা সিপিজেকে জানিয়েছেন তিনি। তিনি আরো বলেছেন, এ মাসের শুরুতে তার বাড়ি তল্লাশি করেছে পুলিশ। ওই সময়ে সামান্যর জন্য তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে পেরেছেন। অং মার্ম ও বলেছেন, ৫ ও ৬ মে সিতওয়ের এক নম্বর পুলিশ স্টেশনে এ মামলায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ডেভেডলমেন্ট মিডিয়া গ্রুপের সাংবাদিক নাই উইন সান এবং থেট নাইংকে। এসব জিজ্ঞাসাবাদের সময় কোন খবর বা কি অপরাধের জন্য এসব করছে সে বিষয়ে ইঙ্গিত দেয় নি পুলিশ।মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিষয়ক শাখা দ্য ট্রু নিউজ ইনফরমেশন টিমের সঙ্গে তাদের মন্তব্যের জন্য ফোন করে সিপিজে। কিন্তু তারা কোনো জবাব দেয় নি। মিয়ানমারে মিডিয়া বিষয়ক যেকোনো বিরোধ মীমাংসার জন্য নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান মিয়ানমার প্রেস কাউন্সিল। তাদের কাছে এ মামলায় হস্তক্ষেপ চেয়ে ৮ই মে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন অং মার্ম ও। তিনি বলেছেন, আজ অবধি ওই পরিষদ এ চিঠির কোনো জবাব দেয় নি। মিয়ানমারের সংবাদ মাধ্যমের ওপর ক্রমশ বাড়ছে সেনাবাহিনীর চাপ। তার একটি উদাহরণ হলো অং মার্ম ও। এ ছাড়া ১লা এপ্রিল দ্য ইরাবতী পত্রিকার বার্মিজ ভাষা সংস্করণের সম্পাদক ইয়ি নির বিরুদ্ধে অনলাইনে মানহানীর ফৌজদারি অভিযোগ দায়ে করেছে। এই অভিযোগ করা হয়েছে টেলিযোগাযোগ বিষয়ক আইনের ৬৬(ডি) ধারার অধীনে। এর আওতায় দু বছরের জেল হওতে পারে।
শ্রীলঙ্কায় বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ, অগ্নিকাণ্ড
১৪মে,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শ্রীলঙ্কায় সোমবারও বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ, আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত একজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এ পর্যন্ত বেশ কয়েক জনকে আটক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। হেত্তিপোলা শহরের বিভিন্ন সড়কে টায়ার জালিয়ে, বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়ার পাশাপাশি ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বিশৃঙ্খলাকারীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ। সাম্প্রদায়িক সহিংসতা এড়াতে তিন জেলার পর সোমবার দেশজুড়ে জারি করা হয় ৭ ঘণ্টার কারফিউ। বন্ধ করে দেয়া হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। সহিংসতা বন্ধে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে। ভুয়া খবর বা গুজবে কান না দেয়ারও আহ্বান জানান তিনি। এর আগে রোববার ফেসবুকে এক পোস্টের জেরে চিলাউ শহরের তিনটি মসজিদ ও মুসলিম মালিকানাধীন কয়েকটি দোকানে হামলা চালায় স্থানীয় খ্রিস্টানরা।
সাময়িক সময়ের জন্য ফেসবুক বন্ধ করে দিল শ্রীলঙ্কা
১৩মে,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শ্রীলঙ্কায় মুসলিমদের দোকানপাট ও মসজিদে হামলার জেরে সাময়িক সময়ের জন্য ফেসবুক, মেসেঞ্জার ও হোয়াটস অ্যাপ বন্ধ করে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। দেশটি পক্ষ থেকে সোমবার এ তথ্য জানায়। খবর রয়টার্সের। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিলাউ এলাকায় ফেসবুকে শুরু হওয়া বিতর্কের জেরে রবিবার মসজিদ ও মুসলিমদের দোকানপাটে এলোপাতাড়ি পাথর ছুড়েছে স্থানীয় লোকজন। এছাড়া একজনকে পেটানোর খবর ও পাওয়া গেছে বলে খবরে বলা হয়েছে। এরপর দেশটির সরকার ফেসবুক, মেসেঞ্জার ও হোয়াটস অ্যাপ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। শ্রীলঙ্কার পুলিশ জানায়, তারা ফেসবুকে উসকানি মূলক পোষ্টকারী আব্দুল হামিদ মোহাম্মদ হাসমার নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে। অন্যদিকে মুসলিমদের মসজিদ ও দোকানে হামলার অভিযোগে এক গ্রুপকে আটক করেছে পুলিশ।
পাকিস্তান এর নিরাপত্তা বাহিনী জঙ্গিদের পরাস্ত করবে
১২মে,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:পাকিস্তান এবং এর নিরাপত্তা বাহিনী জঙ্গিদের পরাস্ত করবে। এছাড়া জঙ্গিদের এজেন্ডা সফল হতে দিবে না পাকিস্তান সরকার। এক বিবৃতিতে এমন মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।এছাড়া ওই বিবৃতিতে পাকিস্তানের বালুচিস্তান প্রদেশের বন্দর নগরী গোয়াদারে বিলাসবহুল পাঁচ-তারকা হোটেলে হামলার নিন্দা জানান ইমরান খান। সেইসঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।এছাড়া ইমরান খান হামলার ঘটনায় নিহত এক নিরাপত্তা রক্ষী ও আহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক জানিয়েছেন।শনিবার দেশটির স্থানীয় সময় বিকেল ৫ টা নাগাদ বিলাসবহুল পার্ল কন্টিনেন্টাল হোটেলে তিনজন বন্দুকধারী হামলা করে। এর পরপরই নিরাপত্তা বাহিনী হোটেলটিকে ঘিরে ফেলে।দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন, বন্দুকধারীরা হোটেলের দ্বিতীয় তলার একটি অংশে অবস্থান নিয়ে অনেকটা সময় ধরে গুলি ছুঁড়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীও পাল্টা অবস্থান নিয়ে অভিযান চালালে শেষপর্যন্ত বন্দুকধারী তিনজনই নিহত হয়।ইতিমধ্যে এ হামলার দায় স্বীকার করেছে বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। সেইসঙ্গে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি এক টুইটার বার্তায় চীন ও পাকিস্তানের ওপর আরো হামলা চালানো হবে বলে জানিয়েছে।বিদ্রোহী গোষ্ঠী বিএলএ বলছে, তারা চীনা এবং অন্য বিদেশী বিনিয়োগকারীদের টার্গেট করেছে এবং তারা তাদের লক্ষ্য পূরণ করেছে।গোয়াদারে চীন শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। বিদ্রোহী বিএলএ গোষ্ঠীটি চীনা বিনিয়োগের বিরুদ্ধে। তাদের বক্তব্য হচ্ছে, চীন সেখানে যে বিনিয়োগ করছে, তাতে স্থানীয়দের কোনো লাভ হবে না।
প্রধানমন্ত্রীর অফিসে পেট্রোলবোমা
১২মে,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আলবেনিয়ার রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। নির্বাচনে জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগে তিন মাস ধরে প্রধানমন্ত্রী ইদি রমার পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী বিক্ষোভকারীরা। শনিবার তারা প্রধানমন্ত্রীর অফিসের প্রবেশপথে পেট্রোলবোমা ছুড়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এতে বলা হয়, ১৯৯০ সালে কমিউনিস্ট শাসন থেকে বেরিয়ে আসে বলকান এই দেশটি। সেখানে গণতন্ত্রের পক্ষে বিরোধীরা শনিবার স্লোগান দিচ্ছিল। বলা হচ্ছিল উই ওয়ান্ট এ ইউরোপিয়ান আলবেনিয়া। অর্থাৎ আমরা ইউরোপিয়ান আলবেনিয়া চাই।ফেব্রুয়ারি থেকে তারা একটি নতুন নির্বাচন দাবি করে আসছে। ওদিকে এমপিরা পার্লামেন্ট বর্জন করছেন। এমন অবস্থায় মুখোশপরা বিক্ষোভকারীদের একটি গ্রুপ প্রধানমন্ত্রীর অফিসের প্রবেশপথে পেট্রোলবোমা হামলা চালায়। বাজি ফোটায়। অফিসের বাইরে প্রবেশপথে পেইন্ট করে দেয়। পরে একই কাজ করে পার্লামেন্টের সামনে। এ সময় তাদের ওপর চড়াও হয় পুলিশ। সংঘর্ষ বেধে গেলে ডজনখানেক পুলিশ ও বেশ কিছু বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর অফিসে আক্রমণ চালানোর পর বিরোধী ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা লুলজিম বাশা বলেছেন, তারা সামনে আরো বড় বিক্ষোভ গড়ে তুলবেন। সরকার আলবেনিয়াকে ইউরোপ থেকে বিচ্ছিন্ন রাখবে যতদিন ততদিন এই লড়াই চলবে। কয়েক হাজার বিক্ষোভকারীর উদ্দেশে তিনি বলেন, এখানে আমরা একটি মিশন নিয়ে এসেছি। আমরা অপরাধ ও দুর্নীতি থেকে মুক্ত করবো আলবেনিয়াকে। ইউরোপের অন্যান্য অংশের মতো বানাবো আলবেনিয়া। ওদিকে আলবেনিয়াকে স্বীকৃতি দেয়ার প্রক্রিয়ায় ইউরোপিয়ান কমিশন গত বছর আলোচনা শুরু করার কথা বলে। কিন্তু আলবেনিয়া তার বিচারবিভাগকে ঢেলে সাজায়। এ জন্য এ বছরের জুন পর্যন্ত ওই সিদ্ধান্ত বিলম্বিত করে ইউরোপিয়ান কাউন্সিল।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর