সোমবার, জুলাই ৬, ২০২০
চীনে জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ায় তিন গবেষককে কারাদণ্ড
৩১ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবৈধভাবে জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ায় জড়িত থাকা তিন গবেষককে সোমবার কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন চীনের এক আদালত। খবর দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার। তিন গবেষকের প্রধান হি জিয়ানকুইকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৩০ লাখ ইউয়ান (চার লাখ ৩০ হাজার ডলার) অর্থদণ্ড দেন গুয়াংডং প্রদেশের শেনঝেন শহরের ন্যানশ্যান ডিস্ট্রিক্ট পিপলসের এই আদালত। তার দুই সহকারী ঝ্যাং রেনলি এবং কিন জিনঝৌর শাস্তি কমিয়ে তাদেরকে যথাক্রমে দুই ও দেড় বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া তাদেরকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়। হি জিয়ানকুই ২০১৮ সালের নভেম্বরে বিশ্বে প্রথমবারের মতো জিন এডিট করে সন্তান জন্ম দেয়ায় সাহায্য করার কথা জানালে জিন এডিটিংয়ের নৈতিকতা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। এছাড়া জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ার আরেকটি ঘটনায় জড়িত ছিলেন সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হি জিয়ানকুই।
ভারতে ঘন কুয়াশার কারণে গাড়ি খালে, নিহত ৬
৩০ডিসেম্বর,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘন কুয়াশার কারণে ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের নয়ডায় ভয়াবহ এক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুই শিশুও রয়েছে বলে জানা গেছে। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ৫ জন। তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, প্রাথমিকভাবে তারা ধারণা করছেন যে, ঘন কুয়াশার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন- মহেশ (৩৫), কিষাণলাল (৫০), নীরেশ (১৭), রাম খিলাড়ি (৭৫), মাল্লু (১২), নেত্রপল (৪০)। খবরে বলা হয়েছে, একটি মারুতি এটিগ্রা গাড়িতে মোট ১১ জন ছিলেন। রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ডাংকুরা এলাকায় পৌঁছনোর সময় গাড়িটি খেরলি খালে পড়ে যায়। এরপর সবাইকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে চিকিৎসকরা ছয়জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত অন্যদের চিকিৎসা চলছে। ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কম হয়ে গেছে। সেই কারণেই দুর্ঘটনা বলে মনে করছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই গাড়িটির সঙ্গে আরেকটি গাড়ি ছিল। সবাই সম্ভল জেলা থেকে দিল্লি যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরে ভারতের উত্তরপ্রদেশ, দিল্লিসহ উত্তরাঞ্চলীয় বিভিন্ন রাজ্যে প্রচণ্ড শীত পড়েছে। শীতের কারণে কেবল উত্তরপ্রদেশেই এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
জাপানে ভেসে আসা-ভুতুড়ে নৌকায়-মানুষের দেহাবশেষ
২৯ডিসেম্বর,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাঁচটি মৃতদেহ ও দুটি মানুষের মাথাসহ একটি জাহাজের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করা হয়েছে জাপানের উপকূল থেকে। জাপানের মূল ভূখণ্ডের উত্তর পশ্চিমের সাদো দ্বীপে শুক্রবার ভেসে আসে জাহাজটি। পরে শনিবার কর্তৃপক্ষ জাহাজের ভেতরের অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারে। খবর বিবিসি বাংলার। ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া জাহাজটির গায়ে কোরিয়ান ভাষা লেখা ছিল। জাহাজে থাকা মাথা দুটি মৃতদেহগুলোর মধ্যে দুজনের কিনা তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। তবে জাপানের গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, জাহাজে পাওয়া দেহাবশেষগুলোর সবগুলোই আংশিকভাবে কঙ্কাল হয়ে গেছে। এর ফলে মনে করা হচ্ছে যে, ভুক্তভোগীরা দীর্ঘ সময় যাবত সমুদ্রে অবস্থান করছিলেন। জাপানের উপকূলে উত্তর কোরিয়া থেকে আসা ভুতুড়ে জাহাজ আবিষ্কারের ঘটনা একেবারেই নতুন নয়। এসব জাহাজ সাধারণত খালি থাকে বা সেখানে মানুষের দেহাবশেষ থাকে। জাহাজের নাবিকদের মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ থাকে, শীতের সময় তীব্র ঠান্ডা বা খাবার না পাওয়া। এর আগের ঘটনাগুলোয় জাহাজে থাকা মৃত নাবিকরা আসলে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জংউনের রাজত্ব থেকে পালিয়ে আসতে চেয়েছিল কিনা, তা যাচাই করার কোনও উপায় ছিল না। তবে এমন ধারণা করা হয় যে, অতিরিক্ত দারিদ্র্যই উত্তর কোরিয়ার নাবিকদের ঝুঁকি নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে বাধ্য করে। ২০১৭ সালে ভাসতে থাকা এরকম একটি জাহাজে একজন মাছ ধরা জেলেকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং তাকে উত্তর কোরিয়ায় ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত দেয়া হয়। জাপান ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে সাম্প্রতিক এই জাহাজ দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। শুকবার জাপানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম এনএইচকে ভুলবশত খবর তৈরি করেছে যে, ত্রুটি শোধরানোর আগেই নিক্ষেপ করা হয়েছে উত্তর কোরিয়ার মিসাইল। পরে তারা ভুলের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করে এবং বলে যে প্রশিক্ষণ চলাকালীন ভুলবশত এই খবর প্রকাশিত হয়েছে। নভেম্বরে উত্তর কোরিয়া ব্যালিস্টিক মিসাইল পরীক্ষা করার কথা বলে জাপানকে হুমকি দেয় এবং উত্তর কোরিয়ার মিসাইল পরীক্ষা সম্পর্কে ত্রুটিপূর্ণ খবর প্রচার করায় প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে নির্বোধ বলে সমালোচনা পিয়ংইয়ং।
মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিসঙ্ঘে নিন্দা প্রস্তাব পাস
২৮ডিসেম্বর,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের যুদ্ধাপরাধ তদন্ত করে দেখার জন্য তহবিল বরাদ্দ করেছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ। রোহিঙ্গা মুসলমান ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর যথেচ্ছ গ্রেফতার, নির্যাতন, ধর্ষণ, হেফাজতে মৃত্যুসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে একটি নিন্দা প্রস্তাব গ্রহণ করেছে জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদ। রোহিঙ্গা ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে উত্তেজনা প্রশমনে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহবান জানানো হয় প্রস্তাবটিতে। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের যুদ্ধাপরাধ তদন্ত করে দেখার জন্য তহবিল বরাদ্দ করেছে জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদ। জাতিসঙ্ঘ তিনশো সাত কোটি ডলারের এই তদন্ত তহবিলে প্রথমবারের মতো সিরিয়া ও মিয়ানমারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে শুক্রবার আনা নিন্দা প্রস্তাবে জাতিসঙ্ঘের ১৯৩টি সদস্য দেশের মধ্যে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় ১৩৪টি দেশ আর বিপক্ষে ভোট পড়ে নয়টি। ভোটদানে বিরত ছিল ২৮টি দেশ। জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদে পাশ হওয়া কোনো প্রস্তাব দেশটি মানতে বাধ্য না হলেও, বিশ্ব মতামতের ক্ষেত্রে এ ধরণের প্রস্তাব প্রভাব ফেলে থাকে। তবে মিয়ানমারের দাবি, তারা উগ্রবাদীদের দমন করতে তাদের এসব অভিযান। গত নভেম্বর মাসে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে মামলা করে মিয়ানমার, যে শুনানিতে হাজিরা দিয়েছেন দেশটির নেত্রী অং সান সু চি। নির্যাতনের কারণে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এগারো লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে মিয়ানমারে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘন ও মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে রোহিঙ্গা মুসলমান ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের যেসব তথ্য উপাত্ত তুলে ধরেছিল একটি স্বাধীন তদন্ত দল, সেগুলোও তুলে ধরা হয় নিন্দা প্রস্তাবে। সেসব ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনে চরম অপরাধ বলে মিশনটি বর্ণনা করেছিল। এই প্রস্তাব অনুমোদনের পর জাতিসংঘে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত হাও দো সুয়ান একে মানবাধিকার লঙ্ঘনের নামে আরেকটি বৈষম্যমূলক ও বিশেষভাবে বাছাই করার দ্বৈত আচরণ'' বলে বর্ণনা করেছেন, যার মাধ্যমে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক চাপ দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তার অভিযোগ। তিনি বলেছেন, এই প্রস্তাবটি রাখাইন রাজ্যে জটিল পরিস্থিতি সমাধানে কোন ভূমিকা রাখবে না। এই প্রস্তাব সেখানে অবিশ্বাসের বীজ বপন করবে বলে তিনি বলছেন। তার মতে, এটি ওই অঞ্চলে নানা সম্প্রদায়ের মধ্যে আরো মেরুকরণ তৈরি করবে। জাতিসঙ্ঘের ওই প্রস্তাবে চার দশক ধরে প্রতিবেশী বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের পালিয়ে আসার ব্যাপারে সতর্কবার্তা তুলে ধরা হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ১১ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। ২০১৭ সালের অগাস্ট মাসে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর দমন পীড়ন অভিযান চালানোর পর থেকেই এসেছে সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা। বাংলাদেশ থেকে কয়েক বার রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে আলাপ আলোচনা হলেও, মিয়ানমারে নিরাপদ পরিবেশের অভাবে ফিরতে রাজি হয়নি রোহিঙ্গারা। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে গত ১১ই নভেম্বর আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে মামলা করে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া। বিবিসি
সিরিয়ার বিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠনে বাধা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
২৮ডিসেম্বর,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সিরিয়ার বিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠনে বাধা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।এমনটাই মনে করেন দামেস্কের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। গেলো সপ্তাহেও এই দেশে ব্যবসার বিষয়ে কিছু প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে নিয়মনীতি বেঁধে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার ওপর আধিপত্য বিস্তার করার পরিকল্পনা করছে বলেও মনে করেন সিরিয়ান বিশ্লেষকরা। সিরিয়ায় যুদ্ধ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এ যুদ্ধের পরই শুরু হবে অর্থনীতি স্থিতিশীল করার যুদ্ধ। তাই বিশ্লেষকরা বলছেন, এ মুহূর্তে নিষেধাজ্ঞা আরোপ মানেই পুনরায় আলোচনায় বসে সমঝোতায় আসার চেষ্টা করা।
ভারতের লখনৌসহ বেশ কিছু স্থানে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ
২৭ ডিসেম্বর,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের উত্তর প্রদেশের বেশ কিছু অংশে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে চলমান বিক্ষোভ থামাতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া দেশটির বড় শহরগুলোতে বৃদ্ধি করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। উত্তর প্রদেশ ভারতের সবথেকে বেশি মানুষের রাজ্য। বৃহস্পতিবার রাত থেকে এর রাজধানী লখনৌসহ বেশ কিছু স্থানে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রয়েছে। এ খবর দিয়েছে আল-জাজিরা। কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী নয়া দিল্লির বিভিন্ন অংশে কারফিউ জারি করেছে পুলিশ। এর ফলে একইস্থানে অনেকজন জড়ো হতে পারবে না। উত্তর প্রদেশে এমন আইন গত এক সপ্তাহ ধরে কার্যকর রয়েছে। চলমান সিএএ বিরোধী আন্দোলনে সবথেকে বেশি উত্তাল ছিলো এ রাজ্যটিই। রাজ্যটির পুলিশ বাহিনী আন্দোলন থামাতে ১৯ আন্দোলনকারীকে হত্যা করেছে এমন অভিযোগ রয়েছে। গত ১১ ডিসেম্বর থেকে ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে চলছে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। এখন পর্যন্ত এতে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন অন্তত ২৭ জন। এই আইনকে দেখা হচ্ছে দেশটিতে থাকা মুসলিমদের জন্য বৈষম্যমূলক হিসেবে। প্রায় ১৩০ কোটি মানুষের দেশ ভারতের ১৪ শতাংশ নাগরিক মুসলিম। তবে গত দুই সপ্তাহ ধরে আন্দোলন চরম রূপ ধারণ করেছে। বিভিন্ন শহরে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে উত্তর প্রদেশে এমন ঘটনা বেশি ঘটেছে। সেখানে মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশই মুসলিম। সামনের দিনগুলো মুম্বাই, কোলকাতা, আহমেদাবাদ, বেঙ্গালুরু ও চেন্নাইতে আরো বিক্ষোভ হতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।
হন্ডুরাসে বড়দিন উদযাপনকালে নিহত ১৩
২৬ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হন্ডুরাসে মঙ্গবার থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত বড়দিন উদযাপনকালে কমপক্ষে ১৩ ব্যক্তি প্রাণ হারিযেছেন। নিহত ব্যক্তিদের বেশিরভাগ সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বুধবার এ কথা জানিয়েছে। খবর শিনহুয়ার। সড়ক ও পরিবহন ব্যবস্থার জাতীয় পরিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক জোসে কার্লোস লাগোস সাংবাদিকদের বলেন, যারা প্রাণ হারিয়েছে তাদের মধ্যে আটজন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বেশিরভাগ দুর্ঘটনা ঘটে কোমায়াগুয়া, বে দ্বীপপুঞ্জ ও শান্তা বারবারা এলাকায়। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, ২৪ ডিসেম্বর রাতে আট ব্যক্তি আতশবাজির আগুন লেগে আহত হয়। পুলিশ রিপোর্টে জানা গেছে, একই সময়ে বিভিন্ন অপরাধের জন্য ২৭৫ ব্যক্তিকে এবং ৪০টি যানবাহন আটক করা হয়েছে।
বুরকিনা ফাসোয় সেনা-জঙ্গি লড়াইয়ে ৩১ নারীসহ নিহত ১২২
২৫ডিসেম্বর,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বুরকিনা ফাসো ও সাহেল অঞ্চলে জঙ্গি হানা ও প্রাণহানির ঘটনা নতুন কিছু নয়। তা সত্ত্বেও মঙ্গলবার গভীর রাতে জঙ্গি হানার পর যেভাবে শতাধিক মানুষের প্রাণ গেছে তা অভূতপূর্ব। এর মধ্যে ৩৫ জন বেসামরিক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আর সেনা ও জঙ্গিদের মধ্যে লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছে ৮৭ জনের। খবর ডয়চে ভেলের। সরকার ও সেনাবাহিনী পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, জঙ্গিরা উত্তর বুরকিনা ফাসোর শহর আরবিন্দা আক্রমণ করে। প্রথমে তারা পাশের এলাকায় সামরিক ঘাঁটিতে আক্রমণ করতে যায় সেখানে ব্যর্থ হয়ে আরবিন্দাতে আসে। সেখানেও সেনাবাহিনী তাদের প্রতিহত করলে তারা পালাতে থাকে। পালাবার সময়ই এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে ৩৫ জন বেসামরিক মানুষকে হত্যা করে জঙ্গিরা।। তার মধ্যে ৩১ জনই নারী। সেনাবাহিনী ওই জঙ্গিদের তাড়া করে। সেনার গুলিতে ৮০ জনের মতো জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে জঙ্গিদের ব্যবহার করা মোটর বাইক ও প্রচুর পরিমাণে অস্ত্রশস্ত্র ও গুলি। সপ্তাহখানেক আগেই ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এই এলাকায় সফর করে গেছেন। জি ৫ সাহেল দেশগুলোতে কয়েক হাজার ফরাসি সেনা রয়েছে। এই পাঁচ দেশের মধ্যে রয়েছে বুরকিনা ফাসোও। জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর মোকাবিলা করার জন্যই ফরাসি সেনা সেখানে রয়েছে। ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র ও জি ৫ সাহেল দেশগুলোর চেষ্টা সত্ত্বেও তাদের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। পুরো এলাকার দখলদারিও নেয়া সম্ভব হয়নি। ২০১৫ থেকে বুরিকনা ফাসো, মালি, চাদসহ দেশগুলোতে বারবার আক্রমণ করে জঙ্গিরা কয়েকশো সাধারণ লোককে হত্যা করেছে। কয়েক লাখ লোক নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ঘর ছেড়েছেন। ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে না।
বিজেপি ফেল, ঝাড়খণ্ডে আসছে কংগ্রেস-জেএমএম জোট সরকার
২৪ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঝাড়খণ্ডের পাঁচ দফার ভোটে মোট ৯ বার প্রচার চালিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাজ্যজুড়ে তার বিশাল কাটআউট, ফ্লেক্স। রাঁচিতে বসে বিজেপি নেতারা দাবি করেছিলেন, মোদি ম্যাজিকে ভর করেই ফের ক্ষমতায় আসবেন তারা। যেমনটা হয়েছে কয়েক মাস আগের লোকসভা নির্বাচনে। ১৪টি লোকসভা আসনের ১১টিতেই জিতেছে বিজেপি। একটিতে তৎকালীন জোটসঙ্গী আজসু। বিজেপি নেতারা মাছি তাড়ানোর ভঙ্গিতে বলেছিলেন, আব কি বার, ৬৫ পার। অর্থাৎ এবার ৬৫টির বেশি আসন পাব। সোমবার ফল প্রকাশের পরে দেখা গেল, ৮১ আসনের মধ্যে বিজেপির ঝুলিতে এসেছে ২৫টি। গতবারের থেকে ১২টি কম। বিজেপি ছেড়ে স্বতন্ত্র হিসেবে দাঁড়ানো স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতা সরযূ রাইয়ের কাছে হেরেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস। অন্যদিকে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম)-র জোট পেয়েছে ৪৭টি আসন। তার মধ্যে হেমন্ত সরেনের দল একাই ৩০টি। কংগ্রেসের আসন ১৬, আরজেডির ১। এদিন ফল কিছুটা স্পষ্ট হওয়ার পর হার স্বীকার করে রঘুবর বলেন, এটা আমার হার, বিজেপির নয়। কিন্তু রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা এটিকে দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে আড়াল করার চেষ্টা হিসেবেই দেখছেন। তারা বলছেন, রাজ্যজুড়ে রঘুবরের ভাবমূর্তি ধাক্কা খেয়েছে বুঝতে পেরে ভোটের সব দায়দায়িত্বই কার্যত নিজের হাতে তুলে নিয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। মোদির মতোই রাজ্যে ৯ বার প্রচারে এসেছেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। দুজনেই প্রচার করেছেন কাশ্মীরে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল, রামমন্দির নির্মাণ, তিন তালাক বাতিল, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) চালু করার সাফল্য গাঁথা নিয়ে। কিন্তু ভোটের ফল বলছে, সেই প্রচারকে অনেক পেছনে ফেলে দিয়েছে হেমন্তের জল-জঙ্গল-জমি-র অধিকারের লড়াই। এমনকি বিজেপির একটি সূত্র জানিয়েছে, মোদি-শাহ যেসব জায়গায় জনসভা করেছিলেন, তার বেশির ভাগ এলাকাতেই দল হেরেছে।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর