বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৬, ২০২০
করাচিতে বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার
২৪মে,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাকিস্তানের করাচি শহরের আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটির ব্ল্যাক বক্সটি দুর্ঘটনাস্থল থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের (পিআইএ) এক মুখপাত্র। লাহোর থেকে ছেড়ে আসা পিআইর একটি যাত্রীবাহী বিমান শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে করাচি বিমানবন্দরে অবতরণ করার সময় অল্প দূরের আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। এতে যাত্রী ও ক্রুসহ ৯৯ জনের ৯৭ জনই প্রাণ হারান। বেঁচে যান দুজন। ঘটনাস্থল থেকেই বিমানটির ডাটা রেকর্ডার তথা ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিআইর মুখপাত্র আব্দুল্লাহ খান। সিএনএনকে তিনি জানান, বিধ্বস্তের আগে বিমানটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে বলে করাচির এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকে বলছিলেন পাইলট। পাকিস্তানি সূত্র মারফত সিএনএনর হাতে আসা একটি অডিও রেকর্ডে পাইলটকে বলতে শোনা গেছে- আমরা সরাসরি অবতরণ করছি। ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেছে। তখন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল থেকে বলা হচ্ছিল, বিমানটি বেলি ল্যান্ডিং করানো যাবে কিনা। ল্যান্ডিং গিয়ার কাজ না করলে এই ধরনের ল্যান্ডিংয়ের পরামর্শ দেয়া হয়। এরপর পাইলটের উত্তর স্পষ্ট শোনা যায়নি। কিন্তু কেন ল্যান্ডিং গিয়ার ব্যবহার না করার পরামর্শ এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল থেকে দেয়া হচ্ছিল এর সদুত্তর পাওয়া যায়নি। পবিত্র রমজান শেষে পাকিস্তানিরা যখন ঈদুল ফিতর উদ্যাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে তখন এমন ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে দেশটিতে। যাত্রীদের অধিকাংশই ঈদ উপলক্ষে বাড়ি ফিরছিলেন।
বিশ্বে করোনায় প্রাণহানি তিন লাখ ৪৩ হাজার, আক্রান্ত ৫৪ লাখ
২৪ মে,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কোনভাবেই বাগে আনা যাচ্ছে না অদৃশ্য করোনা ভাইরাসকে। যার প্রকোপে এখনও প্রতিদিনই ঘটছে রেকর্ড আক্রান্ত, স্বজন হারাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। এশিয়া থেকে ইউরোপ, আমেরিকা থেকে আফ্রিকা সবখানে আঘাত হেনেছে ভাইরাসটি। ইতিমধ্যে করোনার শিকার হয়েছেন বিশ্বের প্রায় ৫৪ লাখ মানুষ। এর মধ্যে পৃথিবী ছাড়তে হয়েছে ৩ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি জনকে। যার নতুন হটস্পট হতে চলেছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলো। অন্যদিকে, প্রতিদিনের আক্রান্তের তুলনায় সুস্থ হওয়ার হার অনেকটা কম। তারপরও প্রতিনিয়তই স্রষ্টার অপার কৃপায় বেঁচে ফিরছেন হাজার হাজার মানুষ। যার সংখ্যা পৌঁছেছে ২২ লাখ ৪৭ হাজার ২৫০ জনে। আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকাল পর্যন্ত বিশ্বখ্যাত জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনার শিকার হয়েছেন ৫৩ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫০ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৯৯ হাজার ৮৫৪ জন। নতুন করে প্রাণ গেছে ৪ হাজার ১৮৩ জনের। এ নিয়ে করোনাঘাতে পৃথিবী থেকে গত হয়েছেন বিশ্বের ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৬০৮ জন মানুষ। করোনা মরণ আঘাত হেনেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনাক্রান্তের সংখ্যা ১৬ লাখ ৬৬ হাজার ৮২৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ২১ হাজার ৮৪৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। প্রাণ গেছে আরও ১ হাজার ৩৬ জনের। ফলে, প্রাণহানি বেড়ে ৯৮ হাজার ৬৮৩ জনে ঠেকেছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত ব্রাজিলে সাড়ে তিন লাখ ছুঁই ছুই। যেখানে প্রাণহানি ২২ হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে আক্রান্ত সাড়ে ১৬ হাজার, মৃত্যু হয়েছে ৯৬৫ জনের। আক্রান্তের তালিকায় তিনে থাকা রাশিয়ায় করোনার শিকার ৩ লাখ প্রায় ৩৬ হাজার মানুষ। সে তুলনায় অবশ্য প্রাণহানি অনেকটা কম পুতিনের দেশে। এখন পর্যন্ত সেখানে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৩৮৮ জনের। নিয়ন্ত্রণে আসা স্পেনে আক্রান্ত ২ লাখ সাড়ে ৮২ হাজার ৩৭০ জন। এর মধ্যে প্রাণহানি ঘটেছে ২৮ হাজার ৬৭৮ জনের। যুক্তরাজ্যে সংক্রমণ ২ লাখ ৫৭ হাজার ছাড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে সেখানে ৩৬ হাজার ৬৭৫ জনের। যা করোনায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু। ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া ও আংশিক লকডাউনে থাকা ইতালিতে ৩২ হাজার ৭৩৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। যেখানে আক্রান্ত ২ লাখ সাড়ে ২৯ হাজারের বেশি। দু’দিন আগে হঠাৎ করেই আক্রান্ত বাড়ে ফ্রান্সে। তবে, গত ৪৮ ঘণ্টায় কিছুটা থেমেছে প্রকোপ। ইউরোপের দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা হানা দিয়েছে ১ লাখ প্রায় সাড়ে ৮২ হাজার মানুষের দেহে। যেখানে মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজার ৩৩২ জনের। এদিকে আক্রান্ত দেড় লাখ পেরোনো তুরস্কে সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে। যেখানে প্রাণহানি ঘটেছে ৪ হাজার ৩০৮ জনের। আর দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ভারতে। দেশটির সংক্রমিতের ১ লাখ ৩১ হাজারের বেশি। মৃত্যু হয়েছে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৮৬৮ জনের। আর বাংলাদেশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া তথ্যানুযায়ী গতকাল শনিবার পর্যন্ত করোনার শিকার ৩২ হাজার ৭৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৪৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বেঁচে ফিরেছেন ৬ হাজার ৪৮৬ জন।
করোনা পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ঈদুল ফিতর উদযাপন
২৪ মে,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদযাপন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। করোনা মহামারীর কারণে এ বছর মক্কা-মদিনাসহ সৌদি আরবের কোথাও ঈদের জামাতের আয়োজন নেই। সৌদি আরবে গেলো দুমাস ধরে মসজিদে জামাতে নামাজ আদায় বন্ধ রয়েছে। এ কারণে এবারই প্রথম রমজান মাসে মসজিদে তারাবির নামাজ পড়া থেকে বঞ্চিত হন দেশটির ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। সৌদি আরবে প্রতিবছর কয়েক লাখ মুসল্লির উপস্থিতিতে সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় মসজিদুল হারাম এবং মসজিদে নববীতে। কিন্তু করোনা মহামারীর কারণে এ বছর মক্কা মদিনায় ঈদের জামাত হচ্ছে না। এমন অবস্থার মধ্যে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন স্থানীয়দের পাশাপাশি দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এদিকে, অসহায় প্রবাসীদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করছে সৌদি আরবের বেশ কয়েকটি সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।
বিশ্বব্যাপী করোনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩ লাখ ৩৮ হাজার
২৩ মে,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারিতে বিশ্বব্যাপী আক্রান্তের সংখ্যা ৫২ লাখ। আর এ মহামারিতে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩ লাখ ৩৮ হাজার। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৩৮ হাজার ১৬০ জনের এবং আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫২ লাখ ১০ হাজার ৮১৭ জনে। ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২০ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪৩ জন। বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে, ৯৫ হাজার ৯৭৯ জন। দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যাও বিশ্বে সর্বোচ্চ, ১৬ লাখ ৯৩৭ জন। মৃতের সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের পরেই উঠে এসেছে যুক্তরাজ্য। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৩৬ হাজার ৪৭৫ জন। আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৪৪ জন। আর আক্রান্তের সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে ব্রাজিল। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার ৮৯০ জন। আর মারা গেছে ২১ হাজার ৪৮ জন। করোনায় মৃত্যুর দিক দিয়ে যুক্তরাজ্যের পরের অবস্থানে আছে ইতালি। দেশটিতে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৩২ হাজার ৬১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ২৮ হাজার ৬৫৮ জন। মৃত্যুতে চতুর্থ অবস্থানে থাকা স্পেনে মারা গেছে ২৮ হাজার ৬২৮ জন ও আক্রান্ত ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮২৪ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজার ২০৫ জন এবং মোট মৃতের সংখ্যা ৪৩২ জন। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয় এবং ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৮৮টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
করাচিতে ১০৭ আরোহী নিয়ে বিমান বিধ্বস্ত
২২ মে,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচির একটি আবাসিক এলাকার উপর পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের (পিআইএ) একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় বহু মানুষের হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। পিআইএ এয়ারলাইন্সের বিমানটিতে ৯৯ যাত্রীসহ ১০৭ জন আরোহী ছিল। খবর আল জাজিরা, রয়টার্স ও এএফপির। লাহোর থেকে করাচিগামী বিমানটি স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে বিধ্বস্ত হয়। করাচি বিমানবন্দরে অবতরণের আগ মুহূর্তে বিমানটি মডেল কলোনি আবাসিক এলাকার কাছে এসে দ্রুত নীচে নেমে যায় এবং কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে এটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এয়ার বাস এ ৩২০ মডেলের বিমাটি বিধ্বস্ত হওয়ার কিছুক্ষণ আগে যান্ত্রিক ত্রুটির কথা জানিয়েছিল। কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে এ সময় পাইলটকে জানানো হয় বিমানবন্দরের দুটি রানওয়েই উন্মুক্ত রয়েছে তিনি যে কোনো একটিতে অবতরণ করতে পারেন। কিন্তু পাইলট তা না করে মধ্য আকাশে বিমানের গতি পরিবর্তন করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাস্থল থেকে কালো ধোঁয়া উড়তে এবং মানুষকে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিমানটি প্রায় পাঁচটি বাড়ি জুড়ে বিধ্বস্ত হয় এবং এসব বাড়িতেও আগুন ধরে গেছে। এ ঘটনায় হতাহতের বিবরণ এখনো প্রকাশিত হয়নি। বিমানের কিছু যাত্রীর বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে পাকিস্তানের একাধিক গণমাধ্যম।
ভারতে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড
২২ মে,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতে জেঁকে বসা করোনায় প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সময় যত গড়াচ্ছে বৃদ্ধির এ হারে তৈরি হচ্ছে নতুন রেকর্ড। গত একদিনেই সেখানে আবারও সর্বোচ্চ সংক্রমণ ছড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ৮৮ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া গেছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে একদিনে এতো সংখ্যক মানুষ এর আগে আক্রান্ত হননি। এতে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৪৭ জনে দাঁড়িয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধিতে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, গুজরাট ও রাজধানী দিল্লি। অপরদিকে, গত একদিনে প্রাণ গেছে ১৪৮ জনের। এই নিয়ে ভারতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৩ হাজার ৫৮৩ জনে ঠেকেছে। এর মধ্যে মহারাষ্ট্রেই মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৪৫৪ জনের। গুজরাটে ৭৭৩, মধ্যপ্রদেশে ২৭০ ও পশ্চিমবঙ্গে ২৫৯। শতাধিক মৃত্যুর তালিকায় রয়েছে দিল্লি (১৯৪), রাজস্থান (১৫১) ও উত্তরপ্রদেশ (১৩৮)। ভারতে করোনাক্রান্তের সংখ্যায় অনেক দিন ধরেই শীর্ষে মহারাষ্ট্র। সারাদেশের মোট আক্রান্তের তিন ভাগের এক ভাগই সেখানে। গত ২৪ ঘণ্টায় দু’হাজার ৩৪৫ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন সেখানে। এতে করে সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৪১ হাজার ৬৪২ জনে হয়েছে। এর মধ্যে মুম্বই শহরেই আক্রান্তের সংখ্যা ২৫ হাজারেরও বেশি। আক্রান্তের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু। রাজ্যটিতে আক্রান্ত ১৩ হাজার ৯৬৭ জন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা গুজরাটে আক্রান্তের সংখ্যা ১২ হাজার ৯০৫ জন। রাজধানী দিল্লিতে আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ১১ হাজার ৬৫৯ জনে। এরপর ক্রমান্বয়ে রাজস্থান (৬ হাজার ২২৭), মধ্যপ্রদেশ (৫ হাজার ৯৮১), উত্তরপ্রদেশ (৫ হাজার ৫১৫), পশ্চিমবঙ্গ (৩ হাজার ১৯৭), অন্ধ্রপ্রদেশ (২ হাজার ৬৪৭), পঞ্জাব (২ হাজার ০২৮), বিহার (১ হাজার ৯৮২), তেলঙ্গানা (১ হাজার ৬৯৯), কর্নাটক (১ হাজার ৬০৫), জম্মু-কাশ্মীর (১ হাজার ৪৪৯) ও ওড়িশা (১ হাজার ১০৩), হরিয়ানা (১ হাজার ৩১)-র মতো রাজ্য। দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধিতে রেকর্ডের মধ্যেই সুস্থ হয়ে ওঠার হার বৃদ্ধি প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কিছুটা আশা জাগাচ্ছে। মোট আক্রান্তের মধ্যে এখনও অবধি ৪৮ হাজার ৫৩৪ জন বেঁচে ফিরেছেন। এর মধ্যে গত একদিনেই সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন তিন হাজার ২৩৪ জন।
বিশ্বে করোনায় মারা গেছেন ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ জন,শনাক্ত ৫২ লাখ
২২ মে,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বে এখন পর্যন্ত ৫১ লাখ ৯৪ হাজার ২১০ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ জন। অন্যদিকে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছেন ২০ লাখ ৮০ হাজার ৯৬৬ জন। পরিসংখ্যান ভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডো মিটারের সবশেষ আপডেটে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বর্তমানে ভাইরাসের উপস্থিতি থাকা ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ৬২৩ জনের মধ্যে ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ৬২৩ জনের সংক্রমণ মৃদু এবং ৪৫ লাখ ৬২০ জনের অবস্থা গুরুতর। ভাইরাসটিতে সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা ১৬ লাখ ২০ হাজার ৯০২ জন এবং মৃতের সংখ্যা ৯৬ হাজার ৩৫৪ জন। অন্যদিকে রাশিয়ায় শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা ৩ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৪ জন এবং মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ৯৯ জন। এছাড়া ব্রাজিল, স্পেন, যুক্তরাজ্য, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি, ইরান, ভারত ও পেরুতে শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা এক লাখের বেশি। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ২৮ হাজার ৫১১ জনের শরীরে। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৪০৮ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৬০২ জন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক্সিকিউটিভ বোর্ড চেয়ারম্যান হচ্ছেন ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর
২১মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর এক্সিকিউটিভ বোর্ড চেয়ারম্যান পদে বসছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন। ২২ মে থেকে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব নেবেন। বর্তমানে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট ওই বোর্ডের চেয়ারম্যান জাপানের ডা. হিরোকি নাকাতানির স্থলাভাষিক্ত হবেন হর্ষবর্ধন। ইতিমধ্যেই হর্যবর্ধনের পক্ষে ১৯৪ টি দেশ স্বাক্ষর করেছে। বিভিন্ন দেশের মধ্যে রোটেশন পদ্ধতিতে এই চেয়ারম্যান পদ আবর্তিত হয়। ওই পদে ভারতের প্রতিনিধিকে সমর্থন জানানো হবে বলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পক্ষ থেকে গত বছরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ফলে ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ওই পদে অভিষেক এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। ২২ মে এক্সিকিউটিভ বোর্ডের সভার পরই হর্ষবর্ধনের নামের পাশে সিল পড়বে। এর মধ্য দিয়ে আগামী তিন বছরের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক্সিকিউটিভ বোর্ড চেয়ারম্যান পদে বসতে চলেছেন হর্ষবর্ধন। এই কাজ অবশ্য পুরো সময়ের জন্য নয়। হর্ষবর্ধনকে বছরে দুবার এক্সিকিউটিভ বোর্ডের বৈঠকে নেতৃত্ব দিতে হবে। মূলত জানুয়ারি মাসে বোর্ডের প্রধান বৈঠকটি হয়ে থাকে। দ্বিতীয় বৈঠক হয় প্রতি বছর মে মাসে। বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরাও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞ। চেয়ারম্যান ছাড়া বাকি সদস্যরাও তিন বছরের জন্যই ওই পদে থাকেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর 'হেল্থ অ্যাসেম্বলি'কে স্বাস্থ্য বিষয়ক সিদ্ধান্ত ও নীতি নিয়ে পরামর্শ দেওয়াই এই এক্সিকিউটিভ বোর্ডের প্রধান কাজ। সূত্রঃ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
আম্ফানে পশ্চিমবঙ্গে মৃত ৭২
২১মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভয়াল ভয়ঙ্কর আম্ফানের জেরে এপার বাংলায় মোট বাহাত্তর জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে পনেরোজন কলকাতার। নিহতদের অধিকাংশের মৃত্যু হয়েছে গাছ পরে, বাড়ির চাল ভেঙে অথবা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে। নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় নিহতদের পরিবারের জন্যে দু লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছেন, তিনি বাংলার দুর্বিপাকের সব ভিজ্যুয়াল দেখেছেন। এই দুর্দিনে তিনি সবরকম ভাবে বাংলার পাশে দাঁড়াবেন। কেন্দ্রীয় সরকার সব রকম সাহায্য করবে। দুর্দশা মোকাবিলায় তিনি আরও চারটি এন বি আর এফ টিম পাঠাচ্ছেন বলে জানান।মানবজমিন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেন, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনও ঠিক হয়নি। সব খবর এখনও আসেনি। কার্যত কলকাতা শহরই এখন যোগাযোগবিহীন। ইন্টারনেট নেই, কেবল টিভি সম্প্রচার বন্ধ, মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থাও বিপর্যস্ত। সড়ক পথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। গাছ পড়ে রাস্তা বন্ধ। আম্ফান আছড়ে পড়ার পর চব্বিশ ঘণ্টা কেটে গেছে। জনজীবন এখনও স্বাভাবিক হয়নি। বহু এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। বন্ধ জল সরবরাহ ব্যবস্থা। আম্ফান চলে গেলেও নিম্নচাপের জেরে কলকাতার আকাশ কালো মেঘে ঢাকা। অনেকটা রাজ্যের ভাগ্যের মতোই।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর