শুক্রবার, নভেম্বর ২৭, ২০২০
নাগরিকত্ব আইন নিয়ে সুর নরম অমিত শাহর
১৫ডিসেম্বর,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নাগরিকত্ব আইন কার্যকর হওয়ার পর ভারতের আসাম ও পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন রাজ্যে আন্দোলন জোর হয়েছে। ব্যাপক চাপের মুখে সুর নরম করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এমন পরিস্থিতিতে আইনে পরিবর্তন আনার কথাও বলেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সইয়ের পর সেদিন রাত থেকেই কার্যকর হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। আর এরপর রীতিমতো অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে আসাম ও পশ্চিমবঙ্গ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসামে কারফিউ জারি করা হয়। কারফিউ জারি করা হয় উত্তর-পূর্ব ভারতের আরেক রাজ্য মেঘালয়েও। তারপরও বিক্ষোভ কমার নাম নেই। উল্টো বিক্ষোভের মধ্যেই আসামের পাঁচজনের মৃত্যু হয়। এদিকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে পুরো দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাইরে চলে যাওয়ায়, এর দায় কংগ্রেসের ওপর চাপিয়েছেন অমিত শাহ। তার দাবি, মানুষকে ভুল তথ্য দিয়ে উস্কানি দিচ্ছে কংগ্রেস। কংগ্রেসই দেশে আশান্তি ছড়াচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে এখন এই আইনে পরিবর্তন আনার কথা বলেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ঝাড়খণ্ডে এক নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে অমিত বলেন, তিনি মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী ও সেখানের মন্ত্রীদের সঙ্গে শুক্রবার কথা বলেছেন। তিনি বলেন, তারা (মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী ও প্রতিনিধিদল) আমাকে কিছু পরিবর্তন (আইনে) আনতে অনুরোধ করেছেন। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি সাংমাজিকে (কনরাড সাংমা) বলেছি আমার সঙ্গে দেখা করতে। এরপরই অমিত শাহ জানান, ক্রিস্টমাসের পর সম্ভবত মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমার সঙ্গে তিনি বৈঠকে বসবেন। সেখানে একটি সংগঠিত আলোচনা হবে বলে দাবি করেন অমিত শাহ। পাশাপাশি তিনি বলেন, কারোর ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
ব্রিটেনের নির্বাচনে জয় পেলেন আরেক বাঙালি নারী
১৫ডিসেম্বর,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্রিটেনের এবারের নির্বাচনে জয় পেয়েছেন পাঁচজন বাঙালি নারী। এই পাঁচ নারীই লেবার পার্টি নির্বাচনে থেকে অংশ নিয়ে জয়ী হয়েছেন। যদিও তাদের দল নির্বাচনে ধরাশায়ী হয়েছে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভদের হাতে। তবে খুব শক্তিশালীভাবেই জয় তুলে নিয়েছে এই পাঁচ বঙ্গকন্যা। এই পাঁচ নারীর মধ্যে চারজনই বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত। তবে পঞ্চম নারী হচ্ছেন ব্রিটিশ বাঙালি লিসা নন্দী। তিনি ম্যানচেস্টারের উইগান আসন থেকে জয়লাভ করেছেন। ব্রিটিশ মা ও বাঙালি বাবার কন্যা লিসা ২১,০৪২ ভোটে জিতেছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ প্রার্থী অ্যাশলে উইলিয়ামস ১৪৩১৪ ভোট পেয়েছেন। ২০১০ সাল থেকে এই আসনটি লিসার দখলে রয়েছে। তবে এবারের লড়াই সবচেয়ে কঠিন ছিল বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। সমর্থকদের উদ্দেশে তার বার্তা, আপনারা আমায় প্রতিটি দিন অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। সাধারণ মানুষ ৯ বছর ধরে আমার ওপরে আস্থা রেখেছেন। সবাইকে এজন্য ধন্যবাদ। লিসা দুই দফায় শ্যাডো মিনিস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। লিসার বাবা দীপক নন্দী ছিলেন কলকাতার বাসিন্দা। ১৯৫৬ সালের মার্চে তার বাবা ব্রিটেনে এসে বসবাস শুরু করেন। ১৯৭৯ সালে যুক্তরাজ্যে লিসার জন্ম। যুক্তরাজ্যে বর্ণবাদী হামলা রুখে দিতে কাজ করছেন তিনি। এদিকে গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনে জয় পাওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত নারী হচ্ছেন- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নাতনি টিউলিপ সিদ্দিক, রুশনারা আলী, রূপা হক ও আফসানা বেগম।
নাগরিকত্ব আইনের সংশোধনী নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করা কে এই মহুয়া
১৪ডিসেম্বর,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নাগরিকত্ব আইনের সংশোধনী নিয়ে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল মোদি সরকার। শুক্রবার সকালে সুপ্রিম কোর্ট খুলতেই তার বিরুদ্ধে মামলা ঠুকলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। প্রধান বিচারপতি শরদ এ বোবডের বেঞ্চে মহুয়ার আইনজীবী অনুরোধ জানান, দ্রুত এই মামলার শুনানি হওয়া দরকার। তার অনুরোধ ছিল, শুক্রবারই শুনানি হোক। না হলে সোমবার। কিন্তু প্রধান বিচারপতি জানান, দ্রুত শুনানির জন্য রেজিস্ট্রারের কাছে যেতে হবে। তৃণমূল সাংসদের আইনজীবীদের আশা, আগামী সপ্তাহেই এর শুনানি হতে পারে। মহুয়া মৈত্রের জন্ম ১৯৭৫ সালের ৫ মে। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসে মাউন্ট হলিয়োক থেকে তিনি গনিত ও অর্থনীতি নিয়ে পড়াশুনা করেছেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনে জে.পি মরগ্যান ব্যাংকের হয়ে কাজ করেছেন। ২০০৯ সালে ভারতীয় কংগ্রেস পার্টিতে যোগদান করেন মহুয়া। এর পরের বছরই পশ্চিমবঙ্গের মুখমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন মহুয়া মৈত্র। এ বছর ভারতীয় লোকসভায় প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারে ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস পার্টির মহুয়া মৈত্র। সংসদে প্রথম ভাষণে নজর কাড়েন তিনি। ওই ভাষণে তিনি ফ্যাসিবাদ বা কর্তৃত্ববাদী জাতীয়তাবাদের প্রাথমিক লক্ষণসমূহ নিয়ে বক্তব্য দেন যেটিকে 'বছরের সেরা' ভাষণ হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়। মহুয়া ছাড়াও সুপ্রিম কোর্টে নাগরিকত্ব আইন সংশোধনীকে অসাংবিধানিক বলে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা করেছেন কংগ্রেসের রাজ্যসভা সাংসদ জয়রাম রমেশও। এর পর রিহাই মঞ্চ ও সিটিজেনস এগেন্সট হেট নামক দুটি অসরকারি সংগঠনও সুপ্রিম কোর্টে একসঙ্গে মামলা করেছে। বৃহস্পতিবারই ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন অব মুসলিম লিগ সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিল। বিল পাশের আগেই বছরের গোড়ায় আসামের বিদ্বজ্জনেরা নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। তখন সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, এই বিল পাশের পরে শুনানি হবে। জয়রাম রমেশশের পিটিশনে বলা হয়েছে, নাগরিকত্ব আইনে সংশোধন সংবিধানের মৌলিক অধিকারের ভিতে নির্লজ্জ হামলা। তার অভিযোগ, সংবিধানের ১৪-তম অনুচ্ছেদ ও ২১-তম অনুচ্ছেদে প্রদত্ত মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। কারণ নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রশ্নে ধর্ম ও ভূখণ্ডের ভিত্তিতে ভেদাভেদ করা হয়েছে।- বিডি প্রতিদিন
জ্বলন্ত উত্তর-পূর্ব ভারত ভ্রমণে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য-কানাডার সতর্কতা জারি
১৪ডিসেম্বর,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতে নাগরিকত্ব আইন নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়ে সহিংস বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতি এসব রাজ্যে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডা। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া এই রাজ্যগুলো ভ্রমণ না করতে পরামর্শ দিয়েছে এসব দেশ। বৃহস্পতিবার রাতে নাগরিক বিলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পরই দেশের আইনে পরিণত হয়েছে এই বিল। এরপর থেকেই উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সহিংসতা আরও বেড়েছে। প্রতিবাদের আগুনে বেশি জ্বলছে আসাম ও ত্রিপুরা। আসামের গুয়াহাটিতে অনির্দিষ্টকালের কারফিউ জারি হয়েছে। স্থগিত রাখা হয়েছে মোবাইল ইন্টারনেট ও এসএমএস সেবা। এমন পরিস্থিতিতে এসব রাজ্য ভ্রমণের সময় গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডা। আর তাই এসব রাজ্যে ভ্রমণ এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন মোদি সরকার চলতি সপ্তাহের শুরুতে বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন দেশের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোর ওপর চাপিয়ে দেয়। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গুয়াহাটি। বহু মানুষ এই আইনের ফলে হারিয়েছেন তাদের দীর্ঘদিনের নাগরিকত্ব। ফলে বিক্ষোভের আঁচে পুড়েছে বহু সরকারি সম্পত্তি, গাড়ি। মশাল মিছিল করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ। এরই মধ্যে সেখানে পাঁচজন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে ভারতের এমন অশান্ত পরিবেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মহলও। আগামী সপ্তাহে গুয়াহাটিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার সম্মেলন স্থগিত রেখেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। অন্যদিকে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরও জানিয়েছে, দেশ থেকে মুসলিম নাগরিকদের সরাতে ভারতের এই নতুন নাগরিকত্ব আইন বৈষম্যমূলক।
গণহত্যার পক্ষে সাফাই গাইলেন নির্লজ্জ সু চি
১১ডিসেম্বর,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার মামলার দ্বিতীয় দিনের শুনানি শুরু; আদালতে নিজের সাফাই তুলে ধরছেন সু চি। নেদারল্যান্ডসে দ্য হেগের পিস প্যালেসে বাংলাদেশ সময় দুপুর তিনটায় শুরু হয় শুনানি। নিজের এবং মিয়ানমারের পক্ষে আজ বুধাবার বক্তব্য তুলে ধরবেন সে দেশের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি। এর আগে, রোহিঙ্গা গণহত্যায় খোদ সু চির সমর্থন রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। এদিকে, চূড়ান্ত রায়ের আগে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিতে পারে আদালত। ২০১৭ সালের ২৫শে আগস্ট, রাখাইনে পুলিশের চৌকিতে কথিত হামলার পর রোহিঙ্গা গ্রামে সেনা অভিযান শুরু করে মিয়ানমার। দুই সপ্তাহের ওই অভিযানে অন্তত এক হাজার মানুষ নিহত হয়েছে বলে দাবি জাতিসংঘের। এদিকে, মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিকে গণহত্যাসহ রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত সব অপরাধ স্বীকার করার আহ্বান জানিয়েছেন সাত নোবেলজয়ী। সু চি মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পক্ষ নেয়ায় উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন তারা। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ায় গাম্বিয়ার প্রশংসা করে সু চিকে রোহিঙ্গাদের প্রতি ব্যক্তিগত ও নৈতিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তারা। সাত নোবেলজয়ী হলেন: শিরিন এবাদি, লেমাহ গোবোই, তাওয়াককুল কারমান, মারিদ মাগুইর, রিগোবার্তা মেনচু তুম, জোদি উইলিয়ামস এবং কৈলাস সত্যার্থী।
রোহিঙ্গা গণহত্যার শুনানি শুরু আজ
১০ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাখাইনে মুসলিম রোহিঙ্গাদের গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আজ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) শুনানি শুরু হচ্ছে। আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ার করা মামলাটির শুনানি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায়। প্রথমদিনের শুনানি চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত। তিনদিনের শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে। মিয়ানমার সরকারের পক্ষে সাফাই দিতে ইতোমধ্যেই নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে পৌঁছেছেন দেশটির রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি। তিনি মিয়ানমারের পক্ষে সব প্রশ্নের জবাব দেবেন। দ্য হেগের পিস প্যালেসে অনুষ্ঠিত এই শুনানিতে ১৬ সদস্যের বিচারিক প্যানেল রয়েছে। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ তুলে গত ১১ নভেম্বর দেশটির বিরুদ্ধে ওআইসির পক্ষে মামলাটি করে গাম্বিয়া। রাখাইনে রোহিঙ্গাদের গণহত্যার অভিযোগে ৪৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনও জমা দেয় আফ্রিকান দেশটি। উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছে গাম্বিয়া। এদিকে শুনানি শুরুর একদিন আগে বিশ্বজুড়ে বয়কট মিয়ানমার প্রচারণা শুরু করেছে রোহিঙ্গা-সমর্থিত মানবাধিকার সংগঠনগুলো। সোমবার এক বিবৃতিতে দ্য ফ্রি রোহিঙ্গা কোয়ালিশন জানায়, মিয়ানমার বয়কটের ডাক দিয়েছে ১০ দেশের ৩০টি মানবাধিকার সংগঠন। অন্যদিকে মানবতার স্বার্থে গাম্বিয়াকে সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে নেদারল্যান্ডস ও কানাডা। সহযোগিতা করবে বাংলাদেশও। এ লক্ষ্যে সোমবার দ্য হেগের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকের নেতৃত্বে ২০ সদস্যের প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধি দলটি গাম্বিয়াকে তথ্য-উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতা করবে। এই দলে কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের তিনজন প্রতিনিধিও রয়েছেন।
এবারের মিস ইউনির্ভাস দক্ষিণ আফ্রিকার জোজিবিনি তুনজি
০৯ডিসেম্বর,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দক্ষিণ আফ্রিকার জোজিবিনি তুনজি ২০১৯ সালের মিস ইউনিভার্স নির্বাচিত হয়েছেন। গত আসরের বিজয়ী ফিলিপাইনের ক্যাটরিওনা গ্রে তাকে মুকুট পরিয়ে দেন। এছাড়া রানার্স আপ হয়েছেন পুয়ের্তো রিকোর ম্যাডিসন অ্যান্ডারসন। মেক্সিকান সুন্দরী সোফিয়া আরাগন হন তৃতীয়। ৯০টি দেশের অংশগ্রহণে যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়াতে অনুষ্ঠিত এ বছরের আসর অনুষ্ঠিত হয়। মর্যাদাপূর্ণ বৈশ্বিক সুন্দরী প্রতিযোগীতার এ আসরে এবার অভিষেক হয় বাংলাদেশের। নানা ধাপ পেরিয়ে জমজমাট এ আসরের সেমিফাইনালে উঠে আসেন ২০ জন। শীর্ষ ২০-এ স্থান করে নিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রতিযোগী শিরিন আক্তার শিলা। এর পর সেখান থেকে বেছে নেয়া হয় শীর্ষ ১০ প্রতিযোগীকে। চূড়ান্ত পর্বে সবাইকে পেছনে ফেলে বিজয়ীর মুকুট মাথায় তোলেন আফ্রিকান সুন্দরী জোজিবিনি তুনজি।
দিল্লিতে কারখানায় আগুনে নিহত ৩৫, আরও হতাহতের শঙ্কা
০৮ডিসেম্বর,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের রাজধানী দিল্লিতে রানি ঝাঁসি রোডের একটি কারখানায় ভয়াবহ আগুনে অন্তত ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে আহতদের মধ্যে আরও মৃত্যু বাড়তে পারে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। প্রায় ৫০ জনকে উদ্ধার করেছেন দমকল বাহিনীর কর্মীরা। খবর আনন্দবাজারর। রোববার ভোরে বহুতল ওই কারখানাটিতে আগুন লাগে। কারখানার ভিতরে অনেকে ছিলেন। ধোঁয়া ও আগুন দেখতে পেয়ে পুলিশ ও দমকলে খবর পাঠান স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসীই উদ্ধারের কাজও শুরু করেন। দমকলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোর ৫.২২ মিনিটে স্থানীয়দের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দমকলের অন্তত ১৫টি ইঞ্জিন। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কারখানার ভিতরে আরও কেউ আটকে রয়েছেন কিনা, তা পরীক্ষা করে দেখছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় অনেককে উদ্ধার করে এলএনজেপি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বেশ কয়েক জনের মৃত্যু হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও এখনও চলছে উদ্ধার কাজ। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের উপ-প্রধান কর্মকর্তা সুনীল চৌধুরী বলেন, ৬০০ বর্গফুট এলাকার ওই ভবনটিতে আগুন লাগে। ভিতরে খুব অন্ধকার ছিল। ভিতরে স্কুল ব্যাগ ও অন্যান্য দাহ্য বস্তু মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার নৌ-ঘাঁটিতে হামলাকারী সৌদি নাগরিক
০৭ডিসেম্বর,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার পেন্সাকোলা নৌ-ঘাঁটিতে হামলাকারী সৌদি বিমান বাহিনীর একজন জুনিয়র কর্মকর্তা বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার ওই সৌদি নাগরিকের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনজন নিহত ও ৮ জন আহত হন। পরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হন হামলাকারীও। এদিকে নৌ-ঘাঁটিতে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যান্য দিনের মতোই শুক্রবার সকালেও দৈনন্দিন কার্যক্রম শুরু হয় ফ্লোরিডার পেন্সাকোলা নৌ-ঘাঁটিতে। ভোর সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ করেই ঘাঁটির প্রশিক্ষণ কাজে ব্যবহৃত একটি শ্রেণিকক্ষে শুরু হয় এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়া। ঘটনার পরপরই নৌ-সেনারা হামলাকারীকে প্রতিহত করার কাজ শুরু করেন। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় পুলিশের বিশেষ বাহিনী। যৌথ অভিযানে নিহত হন হামলাকারী। নেভাল ঘাঁটির ক্যাপ্টেন টিমোথি কিনসেলা বলেন, একটি ফোন কলে জানতে পারি, আমাদের একটি ভবনে কেউ গুলি চালাচ্ছে। এরপরই ঘাঁটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনীকে জানানোর পাশাপাশি, আমাদের সেনারা হামলাকারীকে প্রতিহত করার চেষ্টা করে। পরে কর্তৃপক্ষ জানায় হামলাকারীর নাম সৈয়দ আল শামরানি। সৌদি বিমান বাহিনীর এ সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট প্রশিক্ষণ নিতে ওই ঘাঁটিতে অবস্থান করছিলেন। এদিকে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প বলেন, নৌ-ঘাঁটিতে হামলার পরই সৌদি বাদশাহ সালমান আমাকে ফোন করেছিলেন। তিনি বন্দুকধারীকে বর্বর হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। কী কারণে হামলাকারী এ বর্বরতা চালিয়েছে তা এখোনও স্পষ্ট নয়। তদন্ত শেষেই সব পরিষ্কার হবে। এর আগে গত বুধবার হাওয়াইয়ের একটি ঘাঁটিতে এক সেনা গুলি চালিয়ে তার দুই সহকর্মীকে হত্যা করেন। পরে নিজের বন্দুকের গুলিতে আত্মহত্যা করেন ওই সেনা।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর