বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৬, ২০২০
দুবাই ভ্রমণে বাংলাদেশসহ ৫ দেশের যাত্রীদের জন্য নতুন নিয়ম
১৬,অক্টোবর,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুবাই ভ্রমণে বাংলাদেশসহ ৫ দেশের ট্যুরিস্ট ভিসাধারীদের জন্য সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থা ও ট্রাভেল এজেন্টদের নতুন নিয়ম চালুর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গাল্ফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে বিমানবন্দরে প্রবেশের নিয়ম না মানায় গত মঙ্গলবার পর্যন্ত শতাধিক ভারতীয় ও পাকিস্তানি নাগরিক দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে পড়েন। পরে তাদেরকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়। এরপর বিমান সংস্থা ও ট্রাভেল এজেন্টদের এই নতুন নিয়ম জারির নির্দেশনা দেয় কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থা ও ট্রাভেল এজেন্টরা বলছে, কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ নির্দেশ অনুযায়ী বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, আফগানিস্তান ও নেপাল থেকে আসা ট্যুরিস্ট ভিসাধারীদের দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও মাকতুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশের জন্য অবশ্যই বৈধ রাউন্ড ট্রিপ (আসা-যাওয়া) টিকিট সঙ্গে রাখতে হবে। এয়ারলাইন্স কোম্পানিগুলোকে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই পাঁচ দেশ থেকে ট্যুরিস্ট ভিসায় আসা যেসব যাত্রীর কাছে ফিরতি টিকিট থাকবে না, তাদেরকে ফেরত পাঠানো হবে। আর তাদের ফেরত পাঠানোর ব্যয় বহন করতে হবে এয়ারলাইন্সগুলোকেই। ট্রাভেল এজেন্টরা জানিয়েছে, এসব দেশের ট্যুরিস্ট ভিসার যাত্রীদের কাছে অন্তত দুই হাজার দিরহাম থাকতে হবে বলেও তাদেরকে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস জানিয়েছে, দুবাই ভ্রমণে ট্যুরিস্ট ভিসাধারীদের অবশ্যই ফিরতি টিকিট সঙ্গে রাখতে হবে। এদিকে ইন্ডিগো জানিয়েছে, যেসব যাত্রীর কাছে ফিরতি টিকিট থাকবে না তাদেরকে বিমানবন্দরে ঢুকতে দেয়া হবে না। এছাড়া তারা নিজেদের অর্থে বিমানবন্দর ত্যাগ করবে। ট্রাভেল এজেন্টগুলো বলছে, তাদেরকেও এ ব্যাপারে অবহিত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বলা হয়েছে, দুবাই ভ্রমণে ট্যুরিস্ট ভিসাধারীদের কাছে যেন অন্তত ২ হাজার দিরহাম করে থাকে।
কাশ্মীরের মর্যাদা ফেরাতে মেহবুবা-ফারুকের জোট গঠন
১৬,অক্টোবর,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এক বছরের বেশি সময় গৃহবন্দি থাকার পর সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছেন ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি। এর মধ্যে জম্মু-কাশ্মীরে রাজনীতির চাকা গড়াতে শুরু করেছে। ৩৭০ ধারা ফেরাতে পিডিপি, এনসি ও অন্যান্য কয়েকটি বড় দল নিয়ে পিপলস অ্যালায়েন্স ফর গুপকার ডিক্লারেশন নামে একটি জোট গঠন করেছেন মেহবুবা মুফতি ও ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রেসিডেন্ট ফারুক আবদুল্লাহ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফারুক আবদুল্লাহর বাড়িতে এ নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির (পিডিপি) প্রেসিডেন্ট মেহবুবা মুফতি, পিপলস কনফারেন্সের চেয়ারম্যান সাজ্জাদ লোন, পিপলস মুভমেন্টের নেতা জাভেদ মির ও সিপিএমের মহম্মদ ইউসুফ তারিগামি উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের পর ফারুক বলেন, একটি জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এই জোট কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা ফেরানোর চেষ্টা করবে। বৈঠকে জম্মু-কাশ্মীর কংগ্রেস প্রধান গুলাম মির শারীরিক অসুস্থতার কারণে আসতে পারেননি। গত বছরের আগস্টে ৩৭০ ধারা বিলুপ্তির সঙ্গে সঙ্গে বিশেষ মর্যাদা হারায় কাশ্মীর। এ ঘটনার ঠিক আগে আগে রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি, ওমর আবদুল্লাসহ একাধিক স্থানীয় নেতানেত্রীকে আটক করে সরকার। পরে তাদের গৃহবন্দি করে রাখা হয়। ৩৭০ ধারা বাতিলের পর মেহবুবাকে প্রথমে দুটি সরকারি বাসস্থানে আট মাস গৃহবন্দি করে রাখা হয়। তারপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তাকে ফের আটক করা হয়। পরে তার বাসভবন ফেয়ার ভিউয়ে স্থানান্তরিত করা হয়। সেই বাসভবনকেই অস্থায়ী জেলে পরিণত করা হয় এবং সেখানেই গৃহবন্দি করে রাখা হয় এই নেত্রীকে।
তাইওয়ান প্রণালীতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, সতর্ক করল চীন
১৫,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তাইওয়ান প্রণালীতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতির জেরে যুক্তরাষ্ট্রকে পরিণতির ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছে চীন। যদিও মার্কিন সামরিক বাহিনী যুদ্ধজাহাজের তাইওয়ান প্রণালী পেরিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে নিয়মিত যাত্রা বলে দাবি করেছে। কিন্তু এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠা চীন সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, তাইওয়ান প্রণালীতে ঝামেলা তৈরি করতে পারে এমন কর্মকাণ্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বিরত থাকতে বলা হচ্ছে। তাইওয়ান প্রণালী এবং এর আশপাশের এলাকার একচ্ছত্র মালিকানা দাবি করে চীন। গত কয়েক মাসে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, হংকংয়ের উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ আরও বেশ কিছু বিষয় নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। স্ব-শাসিত তাইওয়ানও এ দুই দেশের দীর্ঘদিনের উত্তেজনার অন্যতম উৎস। মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় সামরিক বহরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ১৪ অক্টোবর ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ব্যারি তাইওয়ান প্রণালী অতিক্রম করেছে। এই যুদ্ধজাহাজের তাইওয়ান প্রণালী অতিক্রম সেখানে অবাধ এবং উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিকের প্রতি মার্কিন প্রতিশ্রুতির প্রদর্শন করে। বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন নৌ-বাহিনী আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী যেকোনও স্থানে উড্ডয়ন, যাত্রা এবং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে। তাইওয়ান প্রণালীতে মার্কিন নৌবাহিনীর যেকোনও ধরনের সামরিক উপস্থিতি চীনকে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ করে তোলে। স্বশাসিত দ্বীপ তাইওয়ানকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য ভূখণ্ড হিসেবে মনে করে চীন। তাইওয়ান প্রণালীতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ব্যারির যাত্রা আকাশ এবং সমুদ্রপথ থেকে শনাক্ত করেছে চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মি। চীনের সামরিক বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় থিয়েটার কমান্ডের মুখপাত্র কর্নেল ঝ্যাং চুনহুই এক বিবৃতিতে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, তাইওয়ান প্রণালীতে ঝামেলা তৈরি করে; যুক্তরাষ্ট্রের এমন যেকোনও ধরনের কর্মকাণ্ড এবং কথা বন্ধ রাখতে সতর্ক করা হচ্ছে। ১৯৪৯ সালে চীনে গৃহযুদ্ধের অবসানের পর থেকে পৃথকভাবে শাসিত হয়ে আসছে তাইওয়ান। স্বশাসিত এই দ্বীপের নিজস্ব পতাকা, মুদ্রা এবং সামরিক বাহিনী রয়েছে। কিন্তু জাতিসংঘ তাইওয়ানকে এখন পর্যন্ত স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয়নি। ১৯৭৯ সালে তাইপের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে ওয়াশিংটন; সে সময় চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সম্পর্ক ছিন্ন করলেও এই দ্বীপ ভূখণ্ডের শক্তিশালী মিত্র এবং প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী হিসেবে থেকে যায় যুক্তরাষ্ট্র।
সৌদি ক্রাউন প্রিন্স-পুতিনের ফোনালাপ
১৪,অক্টোবর,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ফোনে আলাপ করেছেন। সৌদি প্রেস এজেন্সি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। টেলিফোনে আলাপকালে তারা বর্তমান বিশ্বে তেলের বাজারের অবস্থা, বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রসার ঘটাতে স্থিতিশীলতা এবং ভারসাম্য অর্জন ও তা বজায় রাখার জন্য প্রচেষ্টার বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তেল উৎপাদনের শীর্ষে থাকা দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত প্রকাশ করেছে সৌদি ও রাশিয়া। তারা ওপেক প্লাস চুক্তির প্রতি সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। কারণ এর মাধ্যমে উৎপাদক এবং গ্রাহক উভয় পক্ষই উপকৃত হবে। এর আগেও পুতিন এবং ক্রাউন প্রিন্সের মধ্যে ফোনে আলাপ হয়েছে। গত এপ্রিলে তেল রফতানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক-এর সম্মেলন শুরুর প্রাক্কালে পুতিনকে ফোন করেন মোহাম্মদ বিন সালমান। ওই ফোনালাপ বেশ তিক্তই ছিল বলা চলে। এরপর থেকেই বিশ্বের দুই শীর্ষ তেল রফতানিকারক দেশ সৌদি আরব ও রাশিয়ার মধ্যে তেলের দাম নিয়ে ভয়াবহ প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এ নিয়ে সে সময় একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক সংবাদ মাধ্যম মিডল ইস্ট আই। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জেয়ার্ড কুশনারের পরামর্শেই পুতিনের সঙ্গে ফোনে আলাপ করেছিলেন মোহাম্মদ বিন সালমান। তবে এখন আর পুতিন এবং ক্রাউন প্রিন্সের মধ্যে সেই তিক্ত সম্পর্ক বিরাজ করছে না। বরং সাম্প্রতিক সময়ে দু'জনের এই ফোনালাপ বেশ ইতিবাচক বলেই উল্লেখ করা হয়েছে।
তুরস্কে মদ্যপানে ৪৪ জনের মৃত্যু
১৩,অক্টোবর,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তুরস্কে অবৈধ উপায়ে বাসায় তৈরি মদ্যপানের পর বিষক্রিয়ায় অন্তত ৪৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। গত এক সপ্তাহে দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে মদ্যপানে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম টিআরটি বলছে, মদ্যপানে প্রথম প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় ইজমির প্রদেশে। মদ্যপানের পর বিষক্রিয়ায় গত শুক্রবার এই অঞ্চলে অন্তত ১৮ জন মারা যান। তুরস্কের আরও অন্তত সাতটি প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় বাকিদের প্রাণ গেছে। পুলিশ বলছে, অবৈধ উপায়ে মদ তৈরি এবং বিক্রির দায়ে গত চারদিনে পুলিশ অন্তত ৫৮ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় বলছে, মৃতদের মধ্যে কয়েকজন মাদকযুক্ত কিছু পরিষ্কারক ব্যবহার করে বাসায় পানীয় তৈরি করে পান করেছেন বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। তুরস্কের ইসলামপন্থী ক্ষমতাসীন একে পার্টি দেশটিতে মদের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করেছে। দেশটিতে ব্যাপক জনপ্রিয় মৌরির স্বাদযুক্ত পানীয় রাকির ওপর গত এক দশকে ৪৪৩ শতাংশ ও বিয়ারে ৩৬৫ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে। ৭০ ঘন-সেন্টিমিটারের একটি রাকির বোতলের দাম প্রায় ২২ মার্কিন ডলার; এর ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়েছে প্রকৃত মূল্যের চেয়ে ২৩৪ শতাংশ বেশি।
নাগোর্নো-কারাবাখে তীব্র সংঘর্ষে লিপ্ত আর্মেনিয়া-আজারবাইজান
১২,অক্টোবর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সমঝোতার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘন করে নাগোর্নোা-কারাবাখ অঞ্চলে আবারো সংঘর্ষে জড়িয়েছে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান। দুই পক্ষই একে অন্যের প্রতি সমঝোতার শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। ফলে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সত্যিকারে অস্ত্রবিরতি কার্যকর হওয়া নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। খবর এএফপি। সংঘাত বন্ধে জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ অনুরোধ জানালেও তাতে রাজি হচ্ছিল না আর্মেনিয়া-আজারবাইজান কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যেই গত বৃহস্পতিবার দুই দেশের নেতাদের কাছে ফোন করেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এ সময় তিনি আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মস্কোয় গিয়ে শান্তি আলোচনায় অংশ নেয়ার আমন্ত্রণ জানান। তার এ আহ্বানে সাড়া দিয়েই শনিবার আলোচনায় বসেছিলেন দুই দেশের মন্ত্রীরা। স্থানীয় সময় শনিবার সকাল থেকে মস্কোয় টানা ১০ ঘণ্টার আলোচনা শেষে অস্ত্রবিরতির সিদ্ধান্তে পৌঁছায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান কর্তৃপক্ষ। বৈঠক শেষে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভ জানান, ১০ অক্টোবর মধ্যরাত থেকেই এ অস্ত্রবিরতি কার্যকর হচ্ছে। এ সুযোগে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান সংঘর্ষে নিহতদের মরদেহ এবং বন্দিদের বিনিময় করবে। কিন্তু অস্ত্রবিরতি কার্যকর হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই দুই পক্ষ শর্ত লঙ্ঘনের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে। রোববার আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, আর্মেনিয়ার একটি স্থাপনায় বোমা হামলা করেছে আজারবাইজান। তাদের দাবি, অস্ত্রবিরতি কার্যকর হওয়ার ৫ মিনিটের মাথায় আজারি বাহিনী আবারো সহিংস পদক্ষেপ শুরু করেছিল। বিপরীতে আজারবাইজান দাবি করেছে, শত্রুপক্ষই শর্ত ভেঙে তাদের এলাকায় হামলা চালিয়েছে। তবে আর্মেনিয়া-আজারবাইজান উভয়ই প্রতিপক্ষের এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বিতর্কিত নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চলের নেতা আরাইক হারুতইউনিয়ান রোববার দাবি করেন, পরিস্থিতি তুলনামূলক শান্ত রয়েছে, তবে অস্ত্রবিরতি নাজুক অবস্থায় রয়েছে বলে সতর্ক করেন। অঞ্চলটির প্রশাসনিক রাজধানী স্টেপানাকার্ট থেকে বার্তা সংস্থা এএফপির এক সাংবাদিক জানান, ওই এলাকায় ভারী গোলাবর্ষণ হয়েছে এবং সারারাত ধরেই ভারী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। নাগোর্নো-কারাবাখ নেতার মুখপাত্র ভাহরাম পগহোসিয়ান বলেন, স্টেপানাকার্ট এলাকায় রাতব্যাপী হামলা মস্কোতে আসা সমঝোতা ও অস্ত্রবিরতি উদ্যোগের প্রতি অসম্মান। এছাড়া সংঘাত নিরসনে অঞ্চলটির স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিতে আঞ্চলিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান রাখেন তিনি। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিবাদপূর্ণ নাগোর্নো-কারাবাখের মালিকানা ঘিরে প্রতিবেশী দুই দেশ আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার সামরিক বাহিনীর মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। ৯০-এর দশকের পর এ অঞ্চলে এত বড় সংঘাত আর দেখা যায়নি। গত দুই সপ্তাহে এ সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৩০০ জন। উভয়পক্ষের গোলা, রকেট ও ড্রোন হামলায় নিখোঁজ রয়েছেন আরো অনেকে। এ সহিংসতার জন্য উভয় পক্ষই একে অন্যকে দায়ী করেছে। আজারবাইজানের অভ্যন্তরে দেড় লাখ মানুষ অধ্যুষিত বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটিকে জাতিগত আর্মেনীয়রা নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল। ৯০-এর দশকে সর্বশেষ সংঘাতে ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। নাগোর্নো-কারাবাখের বিচ্ছিন্নতাবাদী সরকারকে মদদ দিয়ে আসছে আর্মেনিয়া। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর একই সঙ্গে স্বাধীনতা পেয়েছিল আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান।
সংক্রমণের মধ্যেই উত্তর কোরিয়ায় বৃহত্তম কুচকাওয়াজের প্রস্তুতি
১০,অক্টোবর,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকির মধ্যেই সামরিক কুচকাওয়াজের প্রস্তুতি নিয়েছে উত্তর কোরিয়া। শনিবারের (আজ) এ আয়োজন দেশটির ইতিহাসের সর্ববৃহৎ কুচকাওয়াজ হতে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এ সময় দেশটির সর্বাধুনিক ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হতে পারে। খবর রয়টার্স ও বিবিসি। উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দল ওয়ার্কার্স পার্টি অব কোরিয়ার ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ছুটির এ দিনে কুচকাওয়াজের পাশাপাশি কনসার্ট, কলা ও শিল্প এবং আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। দক্ষিণ কোরীয় সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপ জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে কুচকাওয়াজ সম্প্রচার করা হতে পারে। তবে এ সম্প্রচার সরাসরি করা হবে কিনা সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। ইয়োনহাপ আরো জানিয়েছে, এদিন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং-উন ভাষণও দিতে পারেন। দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কুচকাওয়াজে উত্তর কোরিয়া তাদের একটি নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) প্রদর্শন করতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়ার ইউনিফিকেশন মিনিস্ট্রি বলছে, দুর্বল অর্থনৈতিক অর্জনের এ সময়ে মনোযোগ আকর্ষণের জন্য উত্তর কোরিয়ার নতুন কৌশলগত অস্ত্র উন্মোচনের সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন এসব অস্ত্রের মধ্যে থাকতে পারে আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালাস্টিক কিংবা সাবমেরিন থেকে উেক্ষপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র। ২০১৮ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এখন পর্যন্ত কিম কোনো কুচকাওয়াজে আইসিবিএম প্রদর্শন করেননি। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রম বন্ধে তাদের আলোচনা স্থগিত হওয়ায় বর্তমানে ওয়াশিংটনের প্রতি ধৈর্য হারিয়েছে পিয়ংইয়ং।
দ. কোরিয়ায় ৩৩তলা টাওয়ারে আগুন নিয়ন্ত্রণে
০৯,অক্টোবর,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দক্ষিণ কোরিয়ায় ৩৩ তলা বিশিষ্ট একটি টাওয়ারে আগুন লাগার পর তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ১১ টায় এ ঘটনা ঘটে দক্ষিণের শহর উলসানে। প্রথম দিকে ওই ভবন থেকে উদ্ধার করা হয় কয়েক শত মানুষকে। কমপক্ষে ৮০ জনকে ধোয়া থেকে সৃষ্ট শ্বাসকষ্টের জন্য ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। এতে বলা হয়, আগুন লাগার পর তা উচ্চ গতির বাতাসের কারণে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ইয়ানহোপ নিউজ বলেছে, কমপক্ষে ১৩ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে ফায়ারফাইটাররা আগুন ছড়িয়ে পড়া নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছেন। ইয়ানহোপ আরও জানিয়েছে, উচ্চ গতির বাতাসের কারণে প্রথম দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়ে। সামওয়ান আর্ট নুভেউ বাণিজ্যিক এবং আবাসিক ভবনের ৮ম ও ১২তম তলার মধ্যবর্তী স্থানে এই আগুনের সূত্রপাত হয়। এই ভবনে রয়েছে ১২০টি পরিবারের বসতি। এ ছাড়া আছে মার্কেট। একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, আকস্মিকভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়। সঙ্গে সঙ্গে জানালা ভেঙে পড়তে থাকে। আগুন ছড়িয়ে পড়ে লিভিং রুম এবং বেডরুমে। তবে কিভাবে আগুনের সূত্রপাত তা নিশ্চিত করে জানা যায়নি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
সিরীয় বাহিনী ও আইএসের সংঘর্ষে নিহত ৯০
০৮,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিরিয়ার মরুভূমিতে সরকারপন্থী বাহিনী ও ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে চলতি মাসে অন্তত ৯০ যোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে দ্য সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস। খবর এএফপি। সংস্থাটি জানায়, বিশাল মরুভূমি অঞ্চলের দুটি পৃথক এলাকায় মূলত এ সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। এতে সিরিয়ার সরকারপন্থী বাহিনীর ৪১ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে আইএস জিহাদি নিহত হয়েছে ৪৯ জন। ব্রিটেনভিত্তিক যুদ্ধ পর্যবেক্ষক সংস্থাটির প্রধান রামি আব্দুল রহমান বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায়ই অন্তত ১০ জন সরকারপন্থী ও ১৩ জন আইএস জিহাদি নিহত হয়েছে। তার মতে, এ সংঘাতের মধ্য দিয়ে আইএস প্রমাণ করতে চাইছে যে তারা এখনো বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। গত বছরের মার্চে আইএস তার স্বঘোষিত খেলাফতের সর্বশেষ অংশেরও নিয়ন্ত্রণ হারায়। এরপর থেকে আইএসের ভ্রাম্যমাণ ইউনিটগুলো সিরিয়ার মরুভূমিতে সক্রিয় রয়েছে। আরবি ভাষায় এ অঞ্চলকে বলা হয় বাদিয়া। এর আগে গত মাসে সংঘর্ষে ১৩ জন সরকারপন্থী যোদ্ধা ও ১৫ জন আইএস জিহাদির মৃত্যু হয়েছিল। তারও আগে জুলাইয়ের প্রথমদিকে দুই দিনে নিহত হয় সরকারপন্থী ২০ যোদ্ধা ও ৩১ জিহাদি।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর