বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৬, ২০২০
দুই বছরের সংস্কার শেষে খুলেছে দুবাইয়ের সাফারি পার্ক
০৬,অক্টোবর,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুই বছর ধরে সংস্থার কার্যক্রমের পর স্থানীয় সময় সোমবার দর্শনার্থীদের জন্য ফের খুলেছে দুবাইয়ের সাফারি পার্কের দরজা। ১১৯ হেক্টর জমির ওপর নির্মিত এ সাফারি পার্ক প্রথম দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে। কিন্তু পার্কের উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য পাঁচ মাস পরই সেটি বন্ধ করে দেয়া হয়। খবর এএফপি। পার্কের অপারেশন ডাইরেক্টর মুনা আলহাজেরি এক বিবৃতিতে বলেন, দুবাইয়ের পূর্বাঞ্চলীয় মরুভূমিতে অবস্থিত এ পার্কে বর্তমানে তিন হাজারের কাছাকাছি প্রাণী রয়েছে। কিছু প্রাণী রয়েছে খুবই বিরল, যেগুলো সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রথমবারের মতো আনা হয়েছে। দর্শনার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় প্রাণীর মধ্যে অন্যতম হলো আফ্রিকান হাতি, এশিয়ার কালো ভালুক এবং আফ্রিকান বংগো হরিণ। তিনি আরো বলেন, মূলত বর্জ্য ফেলার সাবেক এ স্থানটিকে দুবাইয়ের অন্যতম পর্যটন, বিনোদন ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে রূপান্তরিত করা হয়েছে। মূলত ১৯৭০ দশকের শেষ দিক থেকে ১৯৯০ দশকের প্রথম দিক পর্যন্ত পার্কের এ স্থান কঠিন বর্জ্য ফেলার কাজে ব্যবহার করা হতো। এক সময় এখানে বর্জ্য জমে প্রায় ১০০ ফুটের মতো উঁচু হয়ে যায়। এরপর সেখানে শুরু হয় পুলসহ পার্ক নির্মাণের কাজ। মোট কথা, এমনভাবে পার্কটি নির্মাণ করা হয়, যাতে সেটি বন্যপ্রাণীর জন্য আদর্শ আবাসস্থল হয়ে ওঠে। এরই মধ্যে সেখানে পাখিরাও বাসা বাঁধছে।
কোয়ারেন্টাইনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
০৫,অক্টোবর,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মুহিদ্দিন ইয়াসিন কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। সম্প্রতি কোভিড-১৯ আক্রান্ত এক মন্ত্রীর সংস্পর্শে আসার কারণে সেলফ কোয়ারেন্টাইনে থাকছেন এই প্রধানমন্ত্রী। সোমবার মুহিদ্দিন ইয়াসিন নিজেই তার কোয়ারেন্টাইনে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১৪ দিন তিনি সেলফ কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে তার শরীরে সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কোভিড-১৯ নেগেটিভ এসেছে। তবুও অতিরিক্ত সতর্কতার জন্য তিনি কোয়ারেন্টাইনেই থাকছেন। তিনি জানিয়েছেন, গত শনিবার তিনি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী জুলকিফলি মোহাম্মদ আল বাকরির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সোমবার ওই মন্ত্রীর দেহে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জুলকিফলির করোনায় আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরই কোয়ারেন্টাইনে যাওয়ার কথা জানালেন মুহিদ্দিন ইয়াসির। গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশে প্রথম করোনার উপস্থিতি ধরা পড়ে। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে এই ভাইরাসের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুতে এখনও শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মালয়েশিয়ায় এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ১২ হাজার ৮১৩ জন। দেশটিতে নতুন করে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪৩২। মালয়েশিয়ায় করোনা সংক্রমণে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ১৩৭ জন। দেশটিতে ইতোমধ্যেই করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছে ১০ হাজার ৩৪০ জন। সেখানে বর্তমানে করোনার অ্যাক্টিভ কেস ২ হাজার ৩৩৬টি। অপরদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে ৩২ জন। ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৩৭ হাজার ৪৬৬। করোনা সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ১০ লাখ ৪২ হাজার ৩৪৩ জনের। অপরদিকে, সুস্থ হয়ে উঠেছে ২ কোটি ৬৬ লাখ ৪৫ হাজার ৩২৩ জন।
শুরু হচ্ছে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা
০৫,অক্টোবর,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে চলতি বছরের নোবেল পুরস্কার ঘোষণা। সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে বাংলাদেশ সময় বিকালে চিকিৎসায় বিশেষ অবদানের জন্য এ বছর কে বা কারা নোবেল পাচ্ছেন সেই নাম ঘোষণা করা হবে। যদিও এ বছর চিকিৎসায় নোবেলের জন্য মনোনীত ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান বা সংক্ষিপ্ত তালিকা সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। বরাবরের মতো সব নথিপত্র অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে রেখে তা জনসাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে রাখা হয়েছে। চলতি বছর মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কারজয়ীদের গত বছরের তুলনায় ১০ লাখ ক্রোন বা প্রায় এক লাখ ১০ হাজার ডলার বেশি দেওয়া হবে বলে সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন নোবেল ফাউন্ডেশনের প্রধান লারস হেইকেনস্টেন। ডিনামাইট আবিষ্কারক আলফ্রেড নোবেল ৩ কোটি ১০ লাখ ক্রোনার রেখে গিয়েছিলেন, আজকের বাজারে যা প্রায় ১৮০ কোটি ক্রোনের সমান। তার রেখে যাওয়া ওই অর্থ দিয়েই ১৯০১ সাল থেকে মর্যাদাপূর্ণ এ নোবেল পুরস্কারের প্রচলন করা হয়। এতদিন এ নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য ছিল ৯০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার। আলফ্রেড নোবেলের উপার্জিত অর্থ দিয়ে ১৯০১ সালে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে গোড়াপত্তন ঘটে। ১৯৬৮ সালে এ তালিকায় যুক্ত হয় অর্থনীতি।
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে প্রস্তুত শি জিনপিং
০৪,অক্টোবর,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে প্রস্তুত চীন। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৪৫তম বার্ষিকীতে এমন প্রত্যয় ঘোষণা করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। রোববার তিনি বলেন, বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভের অধীনে দুই দেশের মধ্যকার কৌশল ও প্রকল্পগুলোকে যৌথভাবে অনুমোদনের মাধ্যমে আরো উন্নততর করার জন্য প্রস্তুত তিনি। এ জন্য বাংলাদেশে সহযোগীর সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুতির কথা জানান তিনি, যাতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সহযোগিতার কৌশলগত অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া যায়। চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এ খবর দিয়েছে। বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদের কাছে পাঠানো অভিনন্দন বার্তায় শি জিনপিং বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ইতিহাস দীর্ঘ এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা নতুন অবস্থায় রয়েছে। তিনি আরো বলেছেন, ৪৫ বছর আগে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হওয়ার পর থেকেই দুই দেশ একে অন্যের প্রতি সব সময় শ্রদ্ধা দেখিয়েছে এবং একে অন্যকে সমান হিসেবে দেখেছে। বৃদ্ধি পেয়েছে পারস্পরিক রাজনৈতিক আস্থা। গভীর হয়েছে পারস্পরিক সহযোগিতার সুবিধা। এটা দুই দেশের মানুষের কাছে সুস্পষ্ট সুবিধা নিয়ে এসেছে। শি জিনপিং আরো বলেছেন, করোনা ভাইরাস মহামারি শুরুর পর থেকে প্রতিটি জটিলতা ও প্রতিবন্ধকতার মধ্যে একত্রিত রয়েছে চীন ও বাংলাদেশ। একে অন্যকে সাহায্য করেছে। পাশাপাশি থেকে করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। এর মধ্য দিয়ে রচিত হয়েছে দ্বিপক্ষীয় বন্ধুত্বের এক নতুন অধ্যায়। অন্যদিকে জবাবে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ তার বার্তায় বলেছেন, দ্রুত উন্নতি ঘটছে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বন্ধুত্ব। গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা হচ্ছে, যেসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ খুব গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে চীনের অব্যাহত সমর্থনের জন্য গভীর প্রশংসা করেন তিনি। প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরো গভীর হবে এবং তা অব্যাহত থাকবে। ওদিকে একই দিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং। এতে তিনি বলেছেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে গভীরভাবে প্রাকটিক্যাল সহযোগিতা করতে আগ্রহী চীন। দুই দেশ ও এর মানুষের উন্নত সুবিধার জন্য চীন ও বাংলাদেশের সহযোগিতার কৌশলগত অংশীদারিত্বের অব্যাহত ও টেকসই উন্নয়নকে অনুমোদন করে চীন। জবাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দুই দেশের পরীক্ষিত বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা থেকেই বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতার অংশীদারিত্ব গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শক্তিশালী সহযোগিতা এই অঞ্চলের, এমনকি সারাবিশ্বের শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় বিপুল সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে।- মানবজমিন
হোয়াইট হাউস ছেড়ে হাসপাতালে ট্রাম্প
০৩,অক্টোবর,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনায় আক্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শুক্রবার ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউস থেকে মেরিল্যান্ডের ওলটার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিক্যাল সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। তার স্ত্রী ফার্স্ট লেডি মেলানিয়াও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর নিজেই এক টুইটে সস্ত্রীক করোনায় সংক্রমিত হওয়ার খবর জানান ট্রাম্প। রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার বিকালে প্রেসিডেন্টের হেলিকপ্টার মেরিন ওয়ান এ করে হোয়াইট হাউজ থেকে হাসপাতালে যান ট্রাম্প। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউজের লন ধরে হেঁটেই হেলিকপ্টারে উঠেছেন ট্রাম্প। তিনি মুখে মাস্ক পরে ছিলেন। সেখানে জড়ো হওয়া সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি হাত নাড়েন এবং থাম্বস আপ করেন, কিন্তু কোনো কথা বলেননি। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, কিছুটা ক্লান্ত থাকলেও প্রেসিডেন্ট মানসিকভাবে শক্ত রয়েছেন। সংবাদমাধ্যম সিবিএস জানিয়েছে, করোনা শনাক্ত হলেও ট্রাম্পের শরীরে খুব বেশি জ্বর নেই। হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, বাড়তি সতর্কতা ও চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট আগামী কয়েক দিন ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিক্যাল সেন্টার থেকেই কাজ করবেন। নিজের ও ফার্স্ট লেডির শুভকাঙ্ক্ষীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। টুইটারে পোস্ট করা একটি ভিডিওতেও ট্রাম্প বলেছেন, আমার মনে হচ্ছে আমি খুব ভালো আছি। তবে আসলেই সবকিছু ঠিকঠাক আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে কিছু পরীক্ষা করতে হবে। ফার্স্ট লেডিও খুব ভালো আছেন। আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। যুক্তরাষ্ট্রে বিখ্যাত হাসপাতালগুলোর মধ্যে ওলটার রিড অন্যতম। এখানে মার্কিন প্রেসিডেন্টদের বার্ষিক চেক করা হয়ে থাকে। প্রেসিডেন্টদের জন্য হাসপাতালটিতে রয়েছে বিশেষ প্রেসিডেন্টশিয়াল স্যুটও। ট্রাম্প আগামী কয়েকদিন সেখানে থেকেই তার দায়িত্ব পালন করবেন বলেও জানানো হয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত
০২,অক্টোবর,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। শুক্রবার (০২ অক্টোবর) টুইটে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে তাদের নিকটতম সহযোগী একজন করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত হওয়ার পর তিনি এবং ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প কোয়ারেন্টিনে চলে যান। ট্রাম্প টুইটে জানিয়েছেন, আমরা ইতোমধ্যেই কোয়ারেন্টিনে চলে গেছি। সংক্রমণ সেরে উঠতে শিগগিরই আমরা চিকিৎসা প্রক্রিয়া শুরু করব। এবং আশা করি আমরা শিগগিরই একসঙ্গে করোনা জয় করব। এর আগের টুইটে তিনি জানান, ৩১ বছর বয়সী হোপ হিক্সের করোনা ভাইরাস পজিটিভ আসার পর তারা উভয়ই কোয়ারেন্টিনে চলে যান। হোপ হিক্স ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টা। ট্রাম্পের সঙ্গে তার সংস্পর্শ ছিল। অর্থাৎ ট্রাম্পের নিকটতম সহায়ক তিনি। এছাড়া হোপ হিক্স এখনও করোনা ভাইরাস পজিটিভ বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প। বিবিসি জানিয়েছে, এই সপ্তাহের শুরুতে ওহিওতে একটি টিভি বিতর্কের জন্য এয়ার ফোর্স ওয়ানে ট্রাম্পের সঙ্গে ভ্রমণ করেছিলেন হোপ হিক্স। শুধু তা-ই নয়, ট্রাম্পের সঙ্গে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্লেন থেকে নামার সময় হিক্সকে মাস্ক পরা ছাড়াও দেখা গেছে ছবিতে। এছাড়া বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রেসিডেন্টের আরও সংস্পর্শে যেতে হয়েছিল হোপ হিক্সকে। সেদিন মিনেসোতাতে সমাবেশ করতে যাওয়ার সময় মেরিন ওয়ান হেলিকপ্টারে ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) রাতে ট্রাম্প টুইটে বলেন, কঠোর পরিশ্রম করতে সক্ষম হোপ হিক্সের করোনা ভাইরাস পজিটিভ এসেছে। ভয়ানক!
বিশ্বের সবচেয়ে প্রত্যন্ত দ্বীপ- ত্রিস্তান ডি কুনহা
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পৃথিবীর প্রত্যন্ত একটি এলাকা ত্রিস্তান ডি কুনহা। এটি একটি দ্বীপ, স্থানীয়দের কাছে - টিডিসি নামে পরিচিত। সেখানে যাওয়া খুবই কঠিন একটি কাজ। এই দ্বীপটি কেমন এবং সেখানে কারা কীভাবে থাকে তা দেখতে সেখানে যেতে চাইলে আপনাকে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে থেকে বিমানে না হয় নৌকায় যেতে হবে। যদিও এই দ্বীপটি ব্রিটিশ শাসনাধীন এলাকা বা ব্রিটিশ ওভারসিজ টেরিটরি। নৌকায় গেলে ১৮ দিন ধরে আপনাকে পাড়ি দিতে হবে উত্তাল সমুদ্র। যা পৃথিবীর সবচেয়ে বিপদসংকুল সমুদ্রপথের একটি পথ। তারপর কোন এক সময় কুয়াশা উঠে গেলে আপনি এই দ্বীপটির দেখা পেতে পারেন। নৌকাটি কূলে ভেড়ানোর জন্য আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে কখন বাতাসের গতি একটু দুর্বল হয়ে আসে তার জন্য। নৌকাটি ডাঙায় তুলে রাখতে হবে। না হলে সমুদ্রের ঢেউ এটিকে দূরে কোথাও ভাসিয়ে নিতে পারে। অথবা ঢেউয়ের আঘাতে পাথরের সঙ্গে সংঘর্ষে নৌকা ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। এর পরই আপনি দেখা পাবেন ত্রিস্তান ডি কুনহার রাজধানী সেভেন সিজের এডিনবরা এলাকার বসতি। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দ্রুত গতির নৌকাও নিতে পারেন। এই নৌকায় সমুদ্র পথে ২,৮১০ কিলোমিটার পাড়ি দিতে সময় লাগবে মাত্র ছয় দিন। কিন্তু এর নেতিবাচক দিকও আছে আর তা হচ্ছে এই নৌকাটি বছরে মাত্র একবার ছাড়ে। এর যাত্রী সংখ্যাও সীমিত। এছাড়াও এই পথে মাছ ধরার যে সামান্য কয়েকটি জাহাজ চলাচল করে সেগুলোর কাছেও আপনি লিফট চাইতে পারেন। ত্রিস্তান ডি কুনহাতে যাওয়া যেমন কঠিন, সেখান থেকে ফিরে আসাটাও ঠিক এতোটাই কঠিন। সর্বশেষ জরিপ অনুসারে ত্রিস্তান ডি কুনহা দ্বীপে মোট অধিবাসীর সংখ্যা ২৪৫। তাদের মধ্যে ১৩৩ জন নারী এবং ১১২ জন পুরুষ। তারা সবাই সেভেন সিজের এডিনবরায় বসবাস করেন। সেখানে আছে একটি কফি শপ, সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য একটি হল, একটি পোস্ট অফিস এবং একটি পাব। পাবটির নাম অ্যালবেট্রোস। দ্বীপটি আকারে ছোট্ট হলেও সেখানে একটি আধুনিক হাসপাতাল আছে, আছে তার চেয়েও ছোট একটি স্কুল। ত্রিস্তান ডি কুনহা এমন একটি জায়গা যেখানে হয়তো বিয়ের বহু আগেই আপনার স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে দেখা হয়ে যাবে। আর আপনি যদি ত্রিস্তানিয়ান বা এখানকার আদি বাসিন্দাদের উত্তরসূরি হন তাহলে আপনার নামের সঙ্গে লাভারেল্লো, রেপেত্তো, রজার্স, সোয়েইন, গ্রিন এবং গ্লাস এই ছয়টি পদবীর যেকোনো একটি থাকতে পারে। অধিবাসীদের মধ্যে মাত্র দুজন আছেন যারা এই দ্বীপে জন্মগ্রহণ করেননি। তাদের একজন পুরুষ, আরেকজন নারী। কয়েক বছর আগে তারা দুজনেই দ্বীপের বাসিন্দাদের বিয়ে করে প্রত্যন্ত এই দ্বীপটিতে তাদের পরিবারের সঙ্গে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখানে একজন ডাক্তার এবং একজন শিক্ষকও আছেন যাদেরকে ব্রিটেন থেকে সেখানে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। আর জায়গাটি এতোই নিরাপদ যে, এখানে তালা বলে কিছু নেই। দ্বীপে ইন্টারনেট সংযোগ খুবই খারাপ। তবে ভাল দিক হচ্ছে এখান থেকে বিদেশে যতো ফোন করা হয়, যদি সংযোগ ঠিক থাকে, সেগুলো ফ্রি। দ্বীপটির উপকূল-জুড়ে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ একটি রাস্তাও আছে। এই সড়ক ধরে খোলা একটি জায়গায় যাওয়া যায়। সেখানে জমির পর জমি। এর চার পাশে পাথরের প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। তীব্র বাতাস থেকে লোকজনকে রক্ষা করতে এসব প্রাচীর তৈরি করা হয়েছে। দ্বীপের লোকজনের কাছে বারবিকিউ বা ব্রাই সবচেয়ে প্রিয় বিনোদন। আগুনে মাংস ঝলসে খাওয়াকে ব্রাই বলা হয় যা ত্রিস্তান ডি কুনহার সবচেয়ে নিকটতম প্রতিবেশি দক্ষিণ আফ্রিকার সংস্কৃতি থেকে এসেছে। দ্বীপের গবাদি পশুগুলো মূলত একাজেই ব্যবহৃত হয়। একটা সময় ছিল যখন তাদের জীবনের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল সঙ্গীত। বাদ্যযন্ত্র বাজানো এবং গান গাওয়াই ছিল তাদের বিনোদনের উপায়। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ এখন স্ক্রিনেই সময় কাটাতে পছন্দ করেন। সুশ্যামল এই দ্বীপে ট্রেকিং বা পায়ে হেঁটে ঘুরে বেড়ানোও আরও একটি বড় বিনোদন। দ্বীপটি কখনোই ১০ কিলোমিটারের বেশি প্রশস্ত ছিল না। গভীর উপত্যকা এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০৬২ মিটার উপরে খাড়া পাহাড়ের কিনার ধরে হেঁটে যাওয়াও বাসিন্দারা উপভোগ করে থাকেন। আসলে এই দ্বীপে সমতল ভূমি খুব কমই আছে। চারপাশে দুই-তৃতীয়াংশ ঘিরে আছে পাথরের প্রাচীর যা খাড়া নেমে গেছে উত্তাল সমুদ্রের গভীরে। বাতাসের শীস এবং গরু ডাক ছাড়া এই দ্বীপে তেমন বেশি কিছু শোনা যায় না। তবে দ্বীপপুঞ্জের যেখানেই যাবেন সেখানেই আপনি প্রচুর পাখি দেখতে পাবেন। তবে তাদের কাউকে গান গাইতে শোনা যায় না। সেখানে ফল-মূল, শাক-সবজি নাই বলতে গেলেই, তবে ত্রিস্তান লবস্টার বা বড় বড় চিংড়ির অভাব নেই। সমুদ্রের ঠাণ্ডা পানিতে এই চিংড়ি প্রচুর পরিমাণে জন্ম নেয়। দ্বীপের বাসিন্দারা সমুদ্র থেকে এই লবস্টার ধরে সেগুলো হিমায়িত করে রেখে দেয়। এগুলো রপ্তানি করে প্রচুর অর্থ আয় করে দ্বীপের বাসিন্দারা। এই অর্থের পরিমাণ টিডিসির মোট রপ্তানি আয়ের ৭০ শতাংশ। দ্বীপটি থেকে তিনটি মেয়েকে মাধ্যমিক স্কুলের লেখাপড়া শেষ করার জন্য ব্রিটেনে পাঠানো হয়েছিল। তাদের একজন উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে যাচ্ছে। এই মেয়েটি হবে ওই দ্বীপের প্রথম কোন নারী যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করবে। যদিও একজন ত্রিস্তানিয়ান এর আগে দূর-শিক্ষণ পদ্ধতিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। আপনি যদি প্রত্যন্ত এলাকার জীবন উপভোগ করতে চান এবং সেখানে যাওয়ার ব্যাপারে উৎসাহিত হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে সতর্ক করে দেওয়া উচিত যে তাতে আপনার সফল হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। কেউ যদি সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে চায় তাহলে তাকে ওই দ্বীপের কাউন্সিলের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে। যদিও বেশিরভাগ আবেদনই ফিরিয়ে দেওয়া হয়। সূত্র: বিবিসি
চরম বিশৃঙ্খল-বিদ্বেষপূর্ণ বিতর্কে ট্রাম্প-বাইডেন
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে প্রথমবারের মতো বিতর্কে মুখোমুখি হয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন। বিবিসি জানায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে হোয়াইট হাউসের ইতিহাসে অন্যতম বিশৃঙ্খল ও বিদ্বেষপূর্ণ বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন এ দুই প্রার্থী। ওহিও অঙ্গরাজ্যের ক্লিভল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ৯০ মিনিটের ওই বিতর্কে মহামারি, শেতাঙ্গ আধিপত্যবাদ এবং অর্থনীতি নিয়ে তর্ক ক্রমেই চিৎকার-চেঁচামেচিতে রূপ নেয়। এক পর্যায়ে বাইডেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ক্লাউন বলে বিদ্রূপ করেন এবং তাকে চুপ করতে বলেন। অন্যদিকে, ট্রাম্পও কম যান না। তিনি বাইডেনের ছেলের মাদক সেবনের বিষয়টি তুলে আনেন। বর্ণবাদ এবং শেতাঙ্গ আধিপত্যবাদ নিয়ে তুমুল বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন ট্রাম্প ও বাইডেন। বাইডেন বলেন, ইনি এমন একজন প্রেসিডেন্ট, যিনি সবকিছুকে বর্ণবাদী ঘৃণা ও বিভেদ তৈরিতে ব্যবহার করেছেন। বাইডেনের বক্তব্যের সময় বারবার বাধা দিচ্ছিলেন ট্রাম্প। করোনা ভাইরাস বিষয়ে বাইডেন বলেন, মহামারি নিয়ে আতঙ্কিত ছিলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ট্রাম্প আরও স্মার্ট না হলে, আরও বেশি মানুষের মৃত্যু হতে যাচ্ছে। এদিকে, স্মার্ট শব্দের ব্যবহারে রেগে যান ট্রাম্প। মহামারির কারণে কেইস ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ ইউনিভার্সিটিতে সামাজিক দূরত্ব মেনে স্বল্প দর্শক নিয়ে এ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয় এবং এর শুরুতে হাত মেলানোর সৌজন্য এড়িয়ে যাওয়া হয়। মতামত জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, ট্রাম্পের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে রয়েছেন বাইডেন। নির্বাচনের আর বাকি ৩৫ দিন। জরিপের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ১০ জন মার্কিন নাগরিকের মধ্যে একজন কোন প্রার্থীকে ভোট দেবেন, সে বিষয়ে এখনো মনস্থির করতে পারেননি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মঙ্গলবার রাতের বিতর্কে তেমন কোনো প্রভাব নাও পড়তে পারে।
কুয়েতের নতুন আমির শেখ নওয়াফ আল-আহমদ আল সাবাহ
৩০সেপ্টেম্বর,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ নওয়াফ আল-আহমদ আল-জাবের আর-সাবাহ দেশটির নতুন আমির ঘোষিত হয়েছেন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের শপথপাঠ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) শেখ সাবাহ আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহ ইন্তেকাল করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। ওই দিন রাতে কুয়েতি মন্ত্রিসভায় নতুন আমিরের কথা ঘোষণা করা হয়। এ সভায় সভাপতিত্ব করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেখ সাবাহ খালিদ আল-হামাদ আল-সাবাহ। শেখ নওয়াফ হলেন আল-সাবাহ রাজবংশের ১০ম শাসক শেখ আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহর ষষ্ট ছেলে। তিনি ১৯৩৭ সালের ২৫ জুন জন্মগ্রহণ করেন। আল-সাবাহ অসুস্থ হয়ে পড়লে শেখ নওয়াফকে (৮৩) গত ১৮ জুলাই কিছু সাংবিধানিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কুয়েতি আইনানুযায়ী, আমিরের অনুপস্থিতিতে ক্রাউন প্রিন্সই হন ভারপ্রাপ্ত শাসক। শেখ সাবাহ আমির নিযুক্ত হওয়ার পর ২০০৬ সালে শেখ নওয়াফকে ক্রাউন্স প্রিন্স করা হয়। এদিকে কুয়েতের আমিরের মৃত্যুতে দেশটির সরকার মঙ্গলবার থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে। এছাড়া তিন দিনের জন্য সব অফিস-আদালত কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে আরব উপসাগরের তেলসমৃদ্ধ দেশ কুয়েতের আমিরের দায়িত্বে ছিলেন শেখ সাবাহ। দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর