ভূমিকম্পে ১০ ইঞ্চি উপরে উঠে গেল ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ
অনলাইন ডেস্ক: ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠা ইন্দোনেশিয়ার লম্বক দ্বীপ ১০ ইঞ্চি উপরে উঠে গেছে বলে জানা গেছে। শনিবার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, উপগ্রহ চিত্র মারফত এই তথ্যের প্রমাণ মিলেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, ছবিতে স্পষ্ট লম্বক দ্বীপের মাটি উঁচুনিচু ও অসমান হয়েছে। দ্বীপের উত্তর-পশ্চিম পাশ অর্থাৎ ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের কাছে ভূখণ্ডটি প্রায় ১০ ইঞ্চি উঁচু হয়ে গেছে। এমনই তথ্য জানাচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ও ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি। ৫ আগষ্টের ওই ভূমিকম্পে শুধু দ্বীপ উচুঁই হয়ে যায়নি, বিভিন্ন জায়গা দুই থেকে ছয় ইঞ্চি নিচুও হয়ে গেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রশান্ত মহাসাগরীয় বেসিনে আগ্নেয়গিরি আর চ্যুতি রেখার অবস্থানের কারণে বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা তথা রিং অব ফায়ারের মধ্যে পড়েছে ইন্দোনেশিয়া। ফলে এখানে ভূমিকম্প নিত্যদিনের ঘটনা। উল্লেখ্য, ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৯। জাতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে রোববারের সেই ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪০০। তবে সরকারি সংস্থা বলছে, ভূমিকম্প আঘাত হানার পর এ পর্যন্ত ৩৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
জার্মানিতে পানি কমতেই নদীতে বেরিয়ে আসছে অস্ত্র
অনলাইন ডেস্ক: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এবং যুদ্ধের পর নদী বা জলাশয়ে অস্ত্র, বোমা ও অন্যান্য উপকরণ ফেলে দেয়া হয়েছিল। এতদিন পর এসব সামরিক অস্ত্র-শস্ত্র বের হচ্ছে। কারণ, জার্মানি জুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে জলাশয়ের পানি কমে গেছে। তবে এসব অস্ত্রের দেখা পেলে তাতে স্পর্শ না করতে সতর্ক করেছে দেশটির পুুলিশ। পুলিশের দেয়া তথ্যানুযায়ী, জার্মানির পূর্বাঞ্চলের সাক্সনি আনহাল্ট আর সাক্সনি রাজ্যে এল্বে নদীর বিভিন্ন জায়গায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিপুল পরিমাণ বোমা ও অস্ত্র পাওয়া গেছে। এগুলোর মধ্যে আছে রয়েছে- ২২টি গ্রেনেড, মাইন ও অন্যান্য বিস্ফোরক দ্রব্য। পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন,এটা পরিষ্কার যে পানির স্তর নীচে নেমে যাওয়ায় এগুলো পাওয়া যাচ্ছে।’ জার্মানিতে এ বছর জুলাইকে বলা হচ্ছে উষ্ণতম মাস। ৩১ জুলাই সাক্সনি আনহাল্টে তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সপ্তাহের শুরুতে সাক্সনি আনহাল্টের মাগডেবুর্গে পানির উচ্চতা রেকর্ড পরিমান ৫১ সেন্টিমিটার কমে গেছে। যেখানে সর্বশেষ ১৯৩৪ সালে পানি কমেছিল ৪৮ সেন্টিমিটার। দেশটির পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ রকম কোনো অস্ত্র বা সরঞ্জাম দেখতে পেলে প্রথমে তাদেরকে যেন খবর দেয়া হয়। এরপর অস্ত্র নিষ্ক্রিয়করণ বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা করে সেগুলোকে নিষ্ক্রিয় করেন। এছাড়া যেগুলো নিষ্ক্রিয় করা যায় না, সেগুলোকে খোলা জায়গায় নিয়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। গত মাসে এলবে নদীতে পাওয়া দুটি অ্যান্টি ট্যাংক মাইনের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন অস্ত্র নিষ্ক্রিয়করণ বিশেষজ্ঞরা। শীর্ষ নিউজ
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধ ঘোষণার শামিল: রুশ প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাজ্যের সলসবুরিতে সাবেক রুশ গোয়েন্দা ও তার কন্যাকে নার্ভ এজেন্ট প্রয়োগে হত্যাচেষ্টায় রাশিয়ার সংশ্লিষ্টার অভিযোগ এনে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আর যুক্তরাষ্ট্রের এমন নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধের শামিল বলে অভিহিত করেছেন রুশ প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদেভ। রাশিয়ার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে রুশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার দেশের বিরুদ্ধে মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে আরোপিত যেকোনো নিষেধাজ্ঞা মস্কোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল এবং রাশিয়া এ ব্যাপারে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে। রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী গতকাল দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় কামচাটকা উপত্যকা সফরে গিয়ে এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানান। মেদভেদেভ বলেন, রাশিয়ার আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা বরদাশত করা হবে না। গত বুধবার থেকে যুক্তরাষ্ট্রে তৎপর রাশিয়ার রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত বেশ কয়েকটি ব্যাংকের কার্যক্রমের ওপর ওই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। এর ফলে এসব ব্যাংক কর্তৃক ডলার ব্যবহারের ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। রাশিয়ার ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞাকে মস্কোর বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধ ঘোষণার শামিল ধরে নেয়া হবে জানিয়ে রুশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক এমনকি প্রয়োজনে অন্য কোনো উপায়ে জবাব দেবে মস্কো। মার্কিন কর্মকর্তাদের এ বিষয়টি উপলব্ধি করা উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
ইরান ত্যাগ করেছে কমপক্ষে ১০০ আন্তর্জাতিক কোম্পানী
অনলাইন ডেস্ক :সম্প্রতি ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধ দিয়েছে। এ কারণে অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কায় ইরান ত্যাগ করেছে কমপক্ষে ১০০ আন্তর্জাতিক কোম্পানী। মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন এর বরাতে আনাদোলু এজেন্সি এ খবর দিয়েছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা সিএনএনকে জানান, মার্কিন অবরোধের সাথে সাড়া দিয়ে ১০০ টি বিদেশী কোম্পানী ইরান ত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। ঐ কর্মকর্তা আরও জানান, আমরা আনন্দিত যে জ্বালানী এবং বিনিয়োগ খাত থেকে এতগুলো কোম্পানী আমাদের সিদ্ধান্তের প্রতি একাত্মতা পোষণ করেছে। সিএনএন মোতাবেক, এসব কোম্পানীর মধ্যে প্রসিদ্ধ হলো ফ্রান্সের বেজো ও রোনো, জার্মানির গাড়ি উৎপাদন কোম্পানী দিয়ালমার, ফ্রান্সের টোটাল, জার্মানির সিমেনস ইত্যাদি। উল্লেখ্য, চলতি বছরের নভেম্বর মাসে দ্বিতীয় দফায় ইরানের জ্বালানী খাতকে টার্গেট করে অবরোধ কার্যকর করবে যুক্তরাষ্ট্র। সূত্র :
ইন্দোনেশিয়ার লম্বক দ্বীপে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ৮২
অনলাইন ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার লম্বক দ্বীপে শক্তিশালী ভূমিকম্পে কমপক্ষে ৮২ জন প্রাণ হারিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তারা এমনটাই জানিয়েছেন। খবর বিবিসির। শত শত মানুষ ভূমিকম্পে আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তর। ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে হাজার হাজার ভবন ভেঙে পড়েছে এবং বন্ধ হয়ে গেছে বিদ্যুৎ যোগাযোগ। রবিবার রাতে ভূকম্পন শুরু হলে পার্শ্ববর্তী দ্বীপের লোকজনকে আতঙ্কে বাড়িঘর থেকে বেরিয়ে ছুটোছুটি করতে দেখা যায়। পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় লম্বক দ্বীপে এক সপ্তাহ আগে আরেকটি ভূমিকম্পে ১৬ জন নিহত হয়েছিলেন। মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্যমতে, সর্বশেষ ভূ-কম্পনটির কেন্দ্র ছিল ভূ-গর্ভের ১০ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পের পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও কয়েক ঘণ্টা পর তা তুলে নেয়া হয়। পরে লম্বক এবং বালির রাস্তায় ভেঙে পড়া বাড়িঘরের ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কার করতে সাধারণ মানুষকে কাজে নামতে দেখা যায়। নিরাপত্তা বিষয়ক এক সম্মেলনে যোগ দিতে যাওয়া সিঙ্গাপুরের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে. শানমুগাম ভূমিকম্পের সময় লম্বকে ছিলেন। ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, যেভাবে তার হোটেল কাঁপছিল, তার দাঁড়িয়ে থাকাটা রীতিমত অসম্ভব মনে হয়েছিল। অল্প কিছু ক্ষয়ক্ষতি হলেও বালি এবং লম্বক দুই দ্বীপের বিমানবন্দরেই বিমান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ইন্দোনেশিয়ায় প্রায়ই ভূমিকম্প হয়ে থাকে কারণ এটি পৃথিবীর রিং অব ফায়ারের ওপর অবস্থিত। প্রশান্ত মহাসাগরীয় এই অঞ্চলটিতে ঘন ঘন ভূকম্পন এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত দেখা যায়। সমুদ্রপৃষ্ঠের ওপরে বিশ্বের অর্ধেকের বেশি সক্রিয় আগ্নেয়গিরিগুলো এই রিং-এ রয়েছে।
ত্রিপুরা রাজ্যেও এনআরসি চায় আইএনপিটি
অনলাইন ডেস্ক: ভারতের আসাম রাজ্যের মতো ত্রিপুরা রাজ্যেও জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এন আর সি) চালু করার জন্য জোর দাবী করছে রাজ্যের জনজাতি ভিত্তিক আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ইন্ডিজেনাস ন্যাশনেলিষ্ট পার্টি অব ত্রিপুরা (আই এন পি টি)। গত কয়েক মাস ধরেই স্থানীয়ভাবে তারা এই দাবী জানিয়ে এলেও এখন দলের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এই দাবী তারা জাতীয় স্তরে নিয়ে যাবেন। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত করতে দলটি'র কেন্দ্রী কমিটি শনিবার (৪ আগস্ট) দুপুরে বৈঠকে বসে। আগরতলার প্রগাতি রোড এলাকার দলের কার্যালয়ে হয় বৈঠকটি। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সভাপতি বিজয় কুমার রাংখল, সাধারণ সম্পাদক জগদীশ দেববর্মাসহ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা। বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় দলের সভাপতি বিজয় কুমার রাংখল জানান, তারা আসাম রাজ্যের মতো ত্রিপুরা রাজ্যেও এনআরসি চালুর পক্ষে। তা যাতে রাজ্যে চালু করা যায় এর জন্য দলের তরফে এনআরসি'র রেজিস্টার জেনারেলকে একটি দাবী সনদ পাঠাবেন। এই দাবী সনদের কপিটি ভারতের প্রাধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক'র মন্ত্রী রাজনাথ সিং'কেও পাঠাবেন। সম্প্রতি আসাম রাজ্যে এনআরসি'র খসড়া তালিকায় যে ৪০ লাখ লোকের নাম বাদ পড়েছে, তাদের অনেকেই ত্রিপুরা রাজ্যে চলে আসার চেষ্টা করছেন বলে আশঙ্কা করেছেন তিনি। এই সকল লোক যাতে ত্রিপুরা রাজ্যে এসে বসবাস না করতে পারে তার জন্য আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্তে আধা সামরিক বাহিনী দিয়ে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে সরকারের কাছে দাবী জানাবেন।
কারো ওপর কোনোরকম বৈষম্য করা হবে না
অনলাইন ডেস্ক :নাগরিকপঞ্জি ইস্যুতে আসাম রাজ্যের কারো ওপর কোনোরকম বৈষম্য করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। আজ শুক্রবার রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে এভাবেই আশ্বাস দিলেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেইসঙ্গে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এই বিষয়টিকে নিয়ে কিছু মানুষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। গুজবে যাতে কেউ কান না দেন এবং যাতে কেউ এই নাগরিকপঞ্জি নিয়ে অযথা আতঙ্কে না থাকেন সেই অনুরোধও করেন রাজনাথ। মূলত ভারতের আসাম রাজ্যের নাগরিকপঞ্জি ইস্যুতে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির কাছে থেকে ক্রমাগত চাপের ফলে পিছু হঠলো বিজেপি সরকার। নাগরিকপঞ্জি নিয়ে রাজ্যসভার রাজনাথ বলেন, ‘আমি আবারও বলছি, এই নাগরিকপঞ্জি একটা খসড়া মাত্র। প্রত্যেকেই তাদের বক্তব্য বলার সুযোগ পাবেন। স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই নাগরিকপঞ্জি করা হচ্ছে। গোটা বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণে হচ্ছে। কোনো ভারতীয় নাগরিককে তাড়ানো হবে না। এদিন রাজনাথ এই নাগরিকপঞ্জি প্রসঙ্গে কংগ্রেসের কোর্টে বল ঠেলে দিয়ে বলেন, ১৯৮৫ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর আমলে আসাম চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিলো। আসামে ১৯৫১ সালে নাগরিকপঞ্জি হয়েছিলো। আসামে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চ পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন তৎকালীন রাজীব গান্ধী সরকার। এরপর আসাম সমঝোতা কার্যকর করতে ২০০৫ সালে নাগরিকপঞ্জি আপডেট করার সিদ্ধান্ত নেন তৎকালীন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন মনমোহন সিং সরকার। তারপর ২০১৩ সালের ৬ ডিসেম্বর নাগরিকপঞ্জি আপডেট করার জন্য নোটিফিকেশন জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার। গোটা প্রক্রিয়াটাই হচ্ছে স্বচ্ছভাবে। আসামে নাগরিকপঞ্জি থেকে ৪০ লাখ মানুষের নাম বাদ পড়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে ভারতের বিরোধী রাজনৈতিকদলগুলি সোচ্চার ভূমিকা নেয়। মমতা দাবি তুলেছিলেন, আসামের নাগরিকপঞ্জি তৈরির নামে কাউকে তাড়িয়ে দেওয়া যাবে না, আর কাউকেই অনুপ্রবেশকারী তকমা দেওয়া যাবে না। এদিন রাজনাথ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, কোনো পরিস্থিতিতেই কারো বিরুদ্ধে কড়া ব্যাবস্থা নেওয়া হবে না। তবে অযাচিত যে সব অভিযোগ উঠছে সেগুলো দুর্ভাগ্যজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের রাজধানী রাঁচির একটি ভাড়া বাড়ি থেকে ৪ মরদেহ উদ্ধার
অনলাইন ডেস্ক: ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের রাজধানী রাঁচির একটি ভাড়া বাড়ি থেকে একই পরিবারের সাতজনের মরদেহ উদ্ধারের মাত্র তিনদিন পরেই এবার কেরালা রাজ্যে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ আগস্ট) রাজ্যটির ইডুকি জেলার একটি বাড়ি থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের কোনো সদস্যকে গত চারদিন যাবৎ না দেখতে পেয়ে প্রতিবেশী ও তাদের স্বজনেরা বাড়িটিতে যায়। তারা মেঝেতে রক্তের দাগ দেখে পুলিশে খবর দেয়। বাড়ির কর্তার নাম কৃশনান (৫২), তার স্ত্রী সুশীলা (৫০), মেয়ে আরশা (২১) ও ছেলে অর্জুন (১৯)। পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, কৃশনান রাবার চাষ করতেন। সেইসঙ্গে তিনি জাদুবিদ্যা অনুশীলনও করতেন। তাদের মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, বাড়িটির পেছন দিকে মাটি খুঁড়ে তাদের একসঙ্গে চাপা দেওয়া হয়েছিল। বাড়িটি থেকে ছুরি ও হাতুড়ি পাওয়া গেছে। তাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ ধারণা করছে, হাতুড়ি বা অন্য কিছু দিয়ে তাদের আঘাত করা হয়েছে। এখনও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ ধারণা করছে, তাদের ২৯ জুলাইয়ের পরে খুন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শুরু হয়েছে। সবদিক বিবেচনা করা হচ্ছে। গত জুলাই মাসের প্রথমদিকে রাজধানী দিল্লির বুরারিতে একই পরিবারের ১১ সদস্য আত্মহত্যা করেন। এরপর হাজারিবাগে এক অবস্থাসম্পন্ন পরিবারের ছয়জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর