গাল্ফ শিল্ড-১ এর যৌথ সামরিক মহড়া পরিদর্শন করেছেন সৌদিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সৌদি আরবের দাম্মামে ২৪ দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত গাল্ফ শিল্ড-১ এর যৌথ সামরিক মহড়া পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার স্থানীয় সময় দুপুরে সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ আল-জুবাইলে সামরিক মহড়ার সমাপনী পর্বে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে যোগ দেন তিনি। এই মহড়ায় ২৪টি দেশের সামরিক বাহিনীর পাশাপাশি যোগ দেয় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীও। এই যৌথ সামরিক মহড়ার সমাপনী কুচকাওয়াজ উপলক্ষে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ এর আমন্ত্রণে সৌদি আরবে যান প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান সৌদি বাদশাহ। কর্মসূচি অনুযায়ী স্থানীয় সময় সোমবার দুপুর ১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত এই মহড়া পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে, সৌদি আরবের কর্মসূচি শেষে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় কমনওয়েলথ এর সরকার প্রধানদের সম্মেলনে যোগ দিতে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার পর প্রধানমন্ত্রী সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে লন্ডনের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন বলে জানা গেছে।
মার্কিন সেনারা সিরিয়া ছাড়বে না-লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত
লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন সেনারা সিরিয়া ছাড়বে না বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি। সেই সঙ্গে সিরিয়ায় আবারও হামলা চালাতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। রোববার ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে হ্যালি বলেন, সিরিয়ায় নিযুক্ত দুই হাজার মার্কিন সেনা এখনই দেশে ফিরবে না। এর আগে শনিবার রাশিয়ার আহ্বানে নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে তিনি বলেন, আসাদ সরকার সিরিয়ায় রাসায়নিক হামলা চালালে, দেশটিতে আবারও সামরিক অভিযান শুরু করবে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। এদিকে, রাসায়নিক হামলার অভিযোগের তদন্ত ছাড়াই মার্কিন মিত্রদের সিরিয়ায় হামলাকে ''গুণ্ডামি'' এবং ''আন্তর্জাতিক আইনের ভয়াবহ লঙ্ঘন'' উল্লেখ করে এর তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতিসংঘে রুশ রাষ্ট্রদূত ভাসিলি নেবেনজিয়া। এরই মধ্যেই সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ বলেছেন, পশ্চিমা জোটের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সিরিয়াকে দুর্বল নয় বরং দৃঢ়তা আরও বাড়াবে। এছাড়া বিদ্রোহী দমনে এক ইঞ্চিও ছাড় দেয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।
শেষ ধাপের অপেক্ষায় ব্রহ্মোস মিসাইল,ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে ভারত
আন্তর্জাতিক মহলে উত্তেজনা ছড়িয়ে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশগুলো নিজেদের সামরিক বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে ব্যস্ত। আর তারই জের ধরে আগামী ২-৩ মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষা করা হবে ব্রহ্মোস ক্রুজ মিসাইল। ২০১৭ সালের নভেম্বরে এটি পরীক্ষা করা হয় তবে সমুদ্রে টার্গেটের বিরুদ্ধে। আর এবার লক্ষ্য ল্যান্ড টার্গেট। এ ব্যাপারে ব্রহ্মোস আ্যারোস্পেসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সু-৩০এমকেআই ফাইটার জেট থেকে ব্রহ্মোস মিসাইল এই পরীক্ষায় সফল হলেই যাবতীয় পরীক্ষার শেষ ধাপে এটি চলে আসবে। তিনি আরও জানান, ২০১৭ সালের নভেম্বরের ফলাফল দেখে বলা যায় পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ চলছে। সমুদ্রে এবং স্থলে এই মিসাইলের পরীক্ষা সম্পূর্ণ হলে ভারতীয় বিমানবাহিনীতে একে যুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। উল্লেখ্য, বেশি কিছুদিন আগেই ‘ব্রহ্মোস’ মিসাইলের সফল পরীক্ষা করেছে ভারত।
সিরিয়ায় বিমান হামলা শুরু ট্রাম্পের নির্দেশে
সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এতে একযোগে অংশ নিয়েছে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। হামলার ঘটনায় সিরীয় বিমানবাহিনীর পাল্টা প্রতিরোধ ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে রাসায়নিক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এরই মধ্যে সিরিয়ায় হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশ যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। খবর বিবিসির গত সপ্তাহে সিরিয়ার দুমা এলাকায় রাসায়নিক হামলার পর পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তখন থেকেই এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সরকার সবসময়ই দুমায় রাসায়নিক হামলার কথা অস্বীকার করে আসছেন। তবে সিরিয়ার মিত্র রাশিয়া এ হামলার বিরোধিতা করে আসছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্রের ঘাঁটিতে সেনা হামলার বিষয়ে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প বলেন,যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে এই হামলা চালানো হচ্ছে। সিরিয়া যতক্ষণ পর্যন্ত এই অবৈধ রাসায়নিক হামলা বন্ধ না করবে, আমরা তাদের ওপর হামলা চালাতে প্রস্তুত আছি। এ হামলায় যুক্তরাজ্যের সম্পৃক্ততার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বলেছেন, হামলা চালানো ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না। বিবিসি বলছে, যুক্তরাষ্ট্র চারটি টর্নেডো জেট বিমান দিয়ে হোমস শহরের কাছে একটি সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। এই ঘাঁটিতে রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি সিরিয়া নিয়েই হবে !
চারদিকে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা। কি ঘটতে যাচ্ছে সিরিয়ায়। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত হামলা চালাতে। প্রস্তুত ফ্রান্স। প্রস্তুতি নিচ্ছে বৃটেন। রাশিয়ার তরফ থেকে সতর্কতা দেয়া হয়েছে। কোন দিকে মোড় নেবে সিরিয়া যুদ্ধ! তবে কি এখান থেকেই শুরু হবে এ শতকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। সিরিয়ার আকাশসীমায় এতগুলো দেশের যুদ্ধবিমান যখন গর্জন করবে তখন একটির সঙ্গে আরেকটির টক্কর লেগে গেলেই সূচনা হতে পারে এমন যুদ্ধ। আর তার ধারাবাহিকতায় মধ্যপ্রাচ্যে সিরিয়া নামের যে একটি দেশ ছিল, তাদের সভ্যতা, সংস্কৃতি ছিল তা হতে পারে বিপন্ন। এখনই তো সিরিয়া বলতে চোখের সামনে ভেসে ওঠে এক ধ্বংসস্তূপ। চারদিকে লাশের সারি। পচে যাওয়া, পরিত্যক্ত লাশের গন্ধে ভারি হয়েছে বাতাস। হাসপাতালগুলো হিমশিম খাচ্ছে আহতদের সামাল দিতে। সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ বেসামরিক লোকজনের ওপর রাসায়নিক গ্যাস হামলা চালিয়েছেন, এই অভিযোগে তার ওপর তীব্র আক্রমণ চালাতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স। তার সঙ্গে যোগ দেবে বৃটেন। বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের পদক্ষেপে তারা সহযোগিতা করবেন। এ জন্য তিনি সিনিয়র মন্ত্রীদের এক বৈঠক আহ্বান করেছেন। বুধবার রাতে সিরিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালানো নিয়ে হাউস অব কমন্সে ভোটের আহ্বানকে প্রত্যাখ্যান করেছেন তেরেসা মে। তবে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বিরুদ্ধে কয়েকদিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে যৌথ হামলায় অংশ নিতে মন্ত্রীদের সমর্থন চেয়েছেন তিনি। এ জন্য ডাউনিং স্ট্রিটে তাদের ডেকে পাঠানো হয়েছে। তেরেসা মে বলেছেন, রাসায়নিক গ্যাস হামলাকে কোনো জবাব না দিয়ে ছেড়ে দেয়া হবে না। দামেস্কের কাছে শনিবার যে নৃশংসতা চালানো হয়েছে তার জন্য দায়ী বাশার আল আসাদের বাহিনী। ওদিকে বৃটেনের সেনা প্রধানদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বৃটিশ সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজকে প্রস্তুত থাকতে। বলা হয়েছে, টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সম্বলিত এসব সাবমেরিনকে সিরিয়ার কাছাকাছি ছুটে গিয়ে অবস্থান নিতে। এক্ষেত্রে রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক সংঘাতের প্রবল আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও কেউ পিছু হটছে না। আর সিরিয়ায় হামলা চালানোর জন্য পার্লামেন্টের অনুমোদন প্রয়োজন নেই বলেই বিশ্বাস করছে ১০ ডাউনিং স্ট্রিট। ওদিকে রাশিয়াকে প্রস্তুত থাকার কথা বলে বুধবার নাটকীয়ভাবে পরিস্থিতিকে উত্তেজনাকর করে তুলেছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, চমৎকার ও সুন্দর স্মার্ট ক্রজ ক্ষেপণাস্ত্র আসছে। এ সময় তিনি প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের পক্ষ না নিতে আহ্বান জানান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লদিমির পুতিনকে। ওদিকে লেবাননে অবস্থানরত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেছেন, যদি সিরিয়ার ক্ষমতাসীন সরকারের বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো হামলা হয় তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধজাহাজকে টার্গেট করতে প্রস্তুত তার দেশ। যদি এমনটাই হয় তাহলে তা সিরিয়া যুদ্ধকে কেন্দ্র করে নতুন এক মাত্রা পাবে। এমন কি তা তৃতীয় বিশ্বযুুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সাবেক সিনিয়র সেনা কমান্ডার স্যার রিচার্ড ব্যারোনস। সিরিয়ায় এমন হস্তক্ষেপেরা বিপদ সম্পর্কে তেরেসা মেকে সতর্ক করেছেন হাউস অব কমন্সের প্রতিরক্ষা বিষয়ক কমিটির চেয়ার জুলিয়ান লুইস। এমনতরো মনোভাব পোষণ করেন আরো অনেক এমপি। ওদিকে সর্বশেষ যে খবর পাওয়া যাচ্ছে তাতে বলা হচ্ছে, সাইপ্রাসের আক্রোতিরিতে রয়েল এয়ার ফোর্সের যেসব বৃটিশ সেনারা অবস্থান করছেন তারা ক্রজ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার নির্দেশের অপেক্ষায় আছেন। যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি স্ট্রাইক ফোর্স উপসাগরমুখে যাত্রা করেছে। এটি যুদ্ধবিমান বহনে সক্ষম। অন্যদিকে সিরিয়ার সেনাবাহিনীও তাদের এয়ার ইউনিটগুলো নতুন করে সাজানো শুরু করেছে। রাশিয়ার সেনাদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে দুমাতে।
রাখাইনে রোহিঙ্গা হত্যার দায়ে ১০ বছর করে কারাদণ্ড ৭ সেনাকে
রাখাইনে রোহিঙ্গা হত্যার দায়ে ৭ সেনাকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এ খবর জানিয়েছে মিয়ানমারসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে তারা। গত বছর রাখাইনে ১০ রোহিঙ্গাকে হত্যার দায়ে তাদের এ সাজা হয়েছে। কমান্ডার ইন চিফ মিং অং এর অফিশিয়াল ফেসবুক পেইজে জানানো হয় যে, হত্যায় অংশগ্রহণের কারণে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ৭ জনের মধ্যে ৪ সেনা কর্মকর্তা এবং তিন জন অন্যান্য পদে ছিলেন তাদের সবাইকে সেনাবাহিনী থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও পুলিশ কর্মকর্তা ও বেসামরিক নাগরিকরাও দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, তাদের বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে পশ্চিম রাখাইনের ইন দিন গ্রামের একটি গণকবরে ঐ দশ রোহিঙ্গার মরদেহ পাওয়া যায়। সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে ইন দিন গ্রামে সেনা বাহিনী ও উগ্রপন্থী বৌদ্ধরা ঐ ১০ রোহিঙ্গাকে গুলি করে হত্যা করে বলে অভিযোগ ওঠে। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে ঘটনার অভ্যন্ত্যরীণ তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। গত বছর রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নৃশংসতার জেরে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা।
রাসায়নিক হামলার মূল্য দিতে হবে রাশিয়াকে:ট্রাম্প
সিরিয়ায় রাসায়নিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ট্যুইট বার্তায় বলেছেন,এর জন্য বড় ধরণের মূল্য দিতে হবে রাশিয়াকে। বার্তায় তিনি বাশার আল আল-আসাদকে পশু বলেও উল্লেখ করেছেন। সূত্র জানায়, শনিবারও হামলায় সিরিয়ার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত দৌমাতে ৭০ জন লোক নিহত হয়েছেন। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে, এই রাসায়নিক হামলার ঘটনা নিয়ে আলোচনায় বসবে রাষ্ট্রসংঘ। ইউরোপীয় ইউনিয়নও দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে আন্তর্জাতিক মহলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। যদিও সিরিয়া সরকার ও রাশিয়া রাসায়নিক হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করেছে। এদিকে, পোপ ফ্রান্সিস জানিয়েছেন, নিরাপত্তাহীন মানুষের ওপর বিধ্বংসী অস্ত্র প্রয়োগ কোনোভাবেই মেনে যায় না। দৌমা শহরের নিয়ন্ত্রণ নিতে বিদ্রোহী সংগঠন জাঈশ আল-ইসলামের সাথে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে রাশিয়া। রয়টার্স সূত্রে জানা যায়, শহর ছেড়ে পালানো অথবা সেখানে নিরাপত্তার সাথে থাকার নিশ্চয়তা দিলে তারা রুশ বাহিনীকে ভেতরে ঢুকতে দেবে বলে বিদ্রোহীরা জানিয়েছে। জাঈশ আল-ইসলামের সাথে সমঝোতার কথা নিশ্চিত করেছে সিরিয়ার জাতীয় সংবাদমাধ্যম। তবে এর জন্য বিদ্রোহীরা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার শর্ত দিয়েছে। এদিন ট্যুইট বার্তায় ট্রাম্প বলেন, সাধারণ মানুষের ওপর বিষাক্ত গ্যাস হামলা চালিয়ে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ রেড লাইন অতিক্রম করেছে। এই গোটা ঘটনাকে মানবতার অপমান উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন,আপনি যখন নিষ্পাপ সন্তানদের, শিশুদের এবং ছোট্ট বাচ্চাদের হত্যা করবেন তখন এটা সব সীমা ছাড়িয়ে
সামরিক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সিরিয়ায়
সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সানা জানিয়েছে, ওই দেশের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। সংবাদমাধ্যমে আরো বলা হয়, তাইফুর বিমানঘাঁটিতে ওই হামলার সময় সিরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল। হামলার পর সিরিয়া আটটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করে। ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, সোমবার ভোরে মধ্য সিরিয়ার পালমিরা শহরের নিকটস্থ হোমস শহরের টি৪ বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। সন্দেহ করা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র এ হামলা চালিয়েছে। বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সিরিয়ায় পূর্ব গৌতার দৌমায় রাসায়নিক হামলায় ৭০ জন নিহত হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার বলেছিলেন,সিরিয়াকে এজন্য বড় ধরনের খেসারত দিতে হবে। অবশ্য সিরিয়ার সরকার কোনো ধরনের রাসায়নিক হামলার কথা নাকচ করে দেয়। দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধুপরায়ণ দেশ রাশিয়া রাসায়নিক হামলার খবরকে ভুয়া বলে দাবি করে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা সোমবারের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় অস্বীকার করেছেন। তারা জানিয়েছেন, তাদের সামরিক বাহিনী কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়নি।
অনলাইন হামলা ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সাইবার হামলার শিকার হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হ্যাক করে সেখানে কিছু চীনা হরফের বার্তা বসানো হয়েছে। চীনা হরফের নিচে সাইটটিতে এরর মেসেজ (ভুল বার্তা) দেখাচ্ছে। খবর এনডিটিভির। এ ঘটনার পর দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় টুইটের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানায়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের সমস্যা লক্ষ করা হয়েছে। এটি মেরামতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ওয়েবসাইটটি দ্রুত আবার চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সিতারামান। খবরে বলা হয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট হ্যাক হওয়ার পর সব সরকারি ওয়েবসাইট ন্যাশনাল ইনফরমেটিকস সেন্টারকে এ বিষয়ে তদন্ত করতে বলা হয়েছে। ন্যাশনাল ইনফরমেটিকস সেন্টার ভারতের সব সরকারি ওয়েবসাইটরক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছেন।