ভারতের নতুন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ
অনলাইন ডেস্ক: ভারতের সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হতে যাচ্ছেন রঞ্জন গগৈ। তিনি আগামী ৩ অক্টোবর প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নেবেন।দেশটির বর্তমান প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রর মেয়াদ ২ অক্টোবর শেষ হবে। ভারতের রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরক্রমে রঞ্জন গগৈকে এ পদে নিয়োগের কথা জানিয়ে আদেশ জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়। ২০১৯ সালের ১৭ নভেম্বর অবসরে যাবেন তিনি। রঞ্জন গগৈ ১৯৫৪ সালে আসামে জন্মগ্রহণ করেন।১৯৭৮ সালে আসামের গুয়াহাটি হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে যোগ দেন তিনি। পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে এক বছর কাজ করার পর ২০১২ সালের ২৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান রঞ্জন গগৈ। উল্লেখ্য, বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের আগে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে কেউ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হননি।
স্ত্রীকে পিঠে নিয়ে কাদাপথ পাড়ি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর!
অনলাইন ডেস্ক: পাহাড়ি পথ ধরে হাঁটছিলেন স্বামী-স্ত্রী। কিন্তু পথিমধ্যে কাদা থাকায় স্ত্রীকে কাঁধে করে কাদাপথ পাড়ি দিলেন স্বামী। সাধারণ কোনো মানুষ এটি করলেও সাড়া পড়ে যেত। তবে যিনি এটা করেছেন তিনি আর দশজন সাধারণ কেউ নন। তিনি ভুটানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে। হ্যা সত্যিই এমনটি করেছেন ভুটানের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। এসময় তাদের পোশাক ছিলো খুবই সাধারণ। আর স্ত্রীর পায়ে যেন কাদা না লাগে তার জন্য তাকে পিঠে তুলে কাদাপথ পাড়ি দেন। স্ত্রীকে পিঠে করে কাদাপথ পাড়ি দেয়ার ছবি টুইটারে পোস্ট হতেই তা রীতিমতো আলোড়ন ফেলেছে। টুইটে ছবি পোস্ট করে শেরিং টোবগে লিখেছেন, স্যর ওয়াল্টার রালের মতো ড্যাশিং নই, কিন্তু স্ত্রীর পা পরিষ্কার রাখার জন্য একজন পুরুষের যা করা উচিত তাই করলাম। ইতিহাস বলে, স্যর ওয়াল্টার রালে প্রথম এলিজাবেথের পায়ে যাতে কাদা না লাগে তার জন্য পরনের চাদর রাস্তায় বিছিয়ে দিয়েছিলেন। তবে এর সত্যতা নিয়ে মতৈক্য রয়েছে। ঢাকাটাইমস
সুপার টাইফুন -ম্যাংখুতে- ক্ষতবিক্ষত ফিলিপাইন
অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ক্যারোলিনায় হারিকেন ফ্লোরেন্সের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হওয়া শেষ না হতেই বছরের সবচেয়ে শক্তিশালি টাইফুন 'ম্যাংখুত' আঘাত হেনেছে ফিলিপাইনে। ফিলিপাইনের উত্তর উপকূলীয় অঞ্চলে এখনো তাণ্ডব চালাচ্ছে ম্যাংখুত। খবর বিবিসির। শনিবার স্থানীয় সময় সকালের দিকে আঘাত হানা শুরু করে ম্যাংখুত। ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে লুজন দ্বীপ। ঝড়ের কারণে ভেঙ্গে গেছে বাড়ি ঘর ও বিদ্যুতের খুঁটি। বিশাল এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু মানুষ। উপকূলবর্তী এলাকায় জলোচ্ছাস দেখা দিয়েছে। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল বাগগাঁওতে ভূমিধসের সৃষ্টি হয়েছে। চলতি বছরের সবচেয়ে শক্তিশালি এ সুপাই টাইফুনের কারণে ক্ষতির মুখে পড়েছে ৪০ লক্ষাধিক মানুষ। ঘূর্ণিঝড়ে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার, যা ঘণ্টায় ৩৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে আবহাওয়াবিদেরা মনে করছেন। শক্তিশালি এ ঝড়ের পূর্বাভাস পাওয়ার পর বহু মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এ্ররইমধ্যে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে উদ্ধারকর্মীরা। বিভিন্ন এলাকায় ৪ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
শ্রীলঙ্কায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পশু বলি নিষিদ্ধ
অনলাইন ডেস্ক: ধর্মীয় আচারের অংশ হিসাবে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পশুপাখি বলি দেয়ার রীতি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীলঙ্কার সরকার। সরকারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, এ বিষয়ে হিন্দু ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে দেশটির মন্ত্রীসভা। বেশিরভাগ হিন্দু উদারপন্থী এটিকে সমর্থন করছেন বলেও তিনি জানান। তবে অনেক হিন্দু ধর্মাবলম্বী আপত্তি করে বলছেন, এতে তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ব্যাহত হবে। কারণ এটি তাদের ধর্ম বিশ্বাসের একটি অংশ যা প্রাচীন কাল থেকে চলে আসছে এবং এখনো অব্যাহত থাকা উচিত। দেবতাদের খুশি করতে বা সন্তুষ্ট করার জন্য হিন্দ ধর্মের রীতি অনুসারে ছাগল, মহিষ এবং মুরগি মন্দিরে বলিদানের মাধ্যমে উৎসর্গ করা হয়ে থাকে। কিন্তু সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা দীর্ঘদিন ধরে এটিকে নিষ্ঠুরতা বর্ণনা করে এর বিরুদ্ধে আপত্তি করে আসছেন। হিন্দু এবং মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ধর্মীয় আচারের অংশ হিসাবে কেটে বা জবাইয়ের মাধ্যমে পশু উৎসর্গ করা হয়ে থাকে, যার বিরুদ্ধে আপত্তি করে আসছে পশু অধিকার কর্মী এবং বৌদ্ধরা। তবে শ্রীলঙ্কার এই নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় মুসলমানদের কোরবানি পড়ছে না। দেশটিতে জনসংখ্যার দিক থেকে মুসলমানদের অবস্থান তৃতীয়। যদিও গত মার্চ মাসে দেশটিতে মুসলিম বিরোধী সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, যাতে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছে এবং ৪৫০ মুসলিম মালিকানাধীন ঘরবাড়ি ও দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। সূত্র : বিবিসি
গ্যাস ট্যাঙ্কার বিস্ফোরণে নাইজেরিয়ায় নিহত ৩৫
অনলাইন ডেস্ক: নাইজেরিয়ার নাসারাওয়া রাজ্যে একটি গ্যাস ট্যাঙ্কার বিস্ফোরণে অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন কয়েকশ মানুষ। স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে রাজধানীর আবুজার সঙ্গে সংযোগকারী লাফিয়া-মাকুর্দি সড়কের পাশে একটি পেট্রল স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রাজ্যের জরুরি ব্যবস্থাপনাবিষয়ক সংস্থার (এসইএমএ) ভারপ্রাপ্ত পরিচালক উসমান আহমেদ জানান, গ্যাস নির্গমন করার সময় বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটির তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি। আহমেদ আরো বলেন, আমরা নিশ্চিত হয়েছি ৩৫ জন নিহত ও শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের পর কী ঘটেছে, তা দেখতে ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে বেশির ভাগ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এছাড়া, গত জুনে নাইজেরিয়ার বাণিজ্যিক রাজধানী লাগোসে একটি পেট্রল ট্যাঙ্কার বিস্ফোরণে অন্তত নয়জন নিহত হন।
বেনামে কলাম লেখা সেই কর্মকর্তাকে খুঁজছেন ট্রাম্প
অনলাইন ডেস্ক: হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বেনামে নিউ ইয়র্ক টাইমসে উপসম্পাদকীয় লেখায় বেজায় চটেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই কর্মকর্তাকে খুঁজে বের করে অ্যাটর্নি জেনারেলকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। এমনকি ‘আমি হোয়াইট হাউসে চলমান প্রতিরোধ প্রক্রিয়ার অংশ শিরোনামে ওই কলাম প্রকাশের জেরে তিনি নিউইয়র্ক টাইমসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও ভাবছেন। খবর বিবিসি'র। গত বুধবার নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক উপসম্পাদকীয় নিয়ে মার্কিন প্রশাসনে তোলপাড় চলছে। এর লেখক নিজের নাম গোপন রেখে উল্লেখ করেন, তিনি হোয়াইট হাউসেরই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। উপসম্পাদকীয়তে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের অনেক সিদ্ধান্ত হঠকারী এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থপরিপন্থী। হোয়াইট হাউসের অনেকেই তাঁর সেই হঠকারিতার বিরুদ্ধে সক্রিয় রয়েছেন। লেখক আরো বলেন, ট্রাম্পকে হটাতে মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী প্রয়োগের কথাও ভেবেছিলেন। ওই সংশোধনীতে দায়িত্ব পালনের অক্ষমতায় প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতাচ্যুত করার বিধান রাখা হয়েছে। এদিকে নিজ প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা এমন হাঁড়ির খবর ফাঁস করায় তা স্বাভাবিকভাবেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ক্ষুব্ধ করেছে। লেখাটি প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই সম্ভাব্য লেখকের নাম নিয়েও চলছে জল্পনা-কল্পনা। মার্কিন প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের একেকজন একেকভাবে ট্রাম্পকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন, তাঁরা ওই উপসম্পাদকীয় লেখেননি। এমনকি সন্দেহের বাইরে থাকতে লেখাটির তীব্র সমালোচনাও করছেন তাঁরা। এ অবস্থায় কে ওই উপসম্পাদকীয় লিখেছে, তা বের করতে অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশনসকে তদন্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। গত শুক্রবার গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি বলেন, ‘আমি জেফকে বলব, কে লেখাটি লিখেছে, তাকে শনাক্ত করতে তদন্ত হওয়া উচিত। কারণ আমি বিশ্বাস করি, বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট। নিউ ইয়র্ক টাইমসের ব্যাপারে ট্রাম্প বলেন, তাদের এটা করা মোটেও ঠিক হয়নি। কারণ তারা যা করেছে, সেটা এক ধরনের রাষ্ট্রদ্রোহিতা। পত্রিকাটির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদেও কী ক্রিকেটার আসছেন?
অনলাইন ডেস্ক: আর কয়েকমাস পরেই বিশ্বের সবথেকে বড় গণতন্ত্রের দেশ ভারতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশ পরিচালনার জন্য নেতাকে বেছে নেবেন দেশের মানুষ। ১২৫ কোটি মানুষের এই দেশে প্রধানমন্ত্রী পদ ঘিরে চলছে নানা আলোচনা। অর্থাৎ ২০১৯-এ, কারা ওই চেয়ারের দাবিদার হতে চাইছেন, তা পরিষ্কার। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে দৌড়ে রয়েছেন কংগ্রেসের যুবরাজ রাহুল গান্ধী। পিছিয়ে নেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কিন্তু দেশটিতে আলোচনার মোর কিছুটা ঘুড়িয়ে দিয়েছে পাকিস্তানের নির্বাচন। দেশটির প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসেছেন সাবেক ক্রিকেটার ইমরান খান। তবে কী ভারতেও আসছেন সাবেক কোন ক্রিকেটার? এমন প্রশ্নে নাম উঠে এসেছে সৌরভ গাঙ্গুলীর। না কোনও সিনেমার স্ক্রিপ্ট নয়। হয়ত এরকম একটা দিনের দিকেও তাকিয়ে আছে ভারতবাসীর একাংশ। যাদের সঙ্গে রাজনীতির দূর অবধি কোনও সম্পর্ক নেই, যাঁরা মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দেন না, তবু যাদেরকে একবার দেখার জন্য উপচে পড়ে সাধারণ মানুষ, তাঁরাই যদি নেতা হন, মন্দ কি! দেশটিতে I-PAC নামে একটি সংস্থা ‘ন্যাশনাল পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি’ নামে এক বিশেষ সমীক্ষা চালু করেছিল সম্প্রতি। আর সেখানেই স্পষ্ট হয়েছে ভারতবাসীর সেই অলীক আশার কথা। প্রতিবেদনটি লেখার সময় পর্যন্ত সমীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ৫৮ লক্ষের কিছু বেশি মানুষ। কাকে তাঁরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান, তাতে ভোট দিয়েছেন অংশগ্রহণকারীরা। কিন্তু সেই সমীক্ষায় ছিল একটি মজার অপশন-ADD NEW LEADER। নরেন্দ্র মোদী, রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ, মায়াবতী, কেজরিওয়াল, ইয়েচুরি, দেবগৌড়া, নীতিশ কুমার ও শরদ পাওয়ার বাদে যদি অন্য কাউকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিতে চান কেউ, তাহলে তিনি ওই অপশনে যোগ করতে পারবেন সেই ব্যক্তির নাম। সেখানেই উঠে এসেছে একাধিক অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নাম। সেই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী। ক’দিন আগেই পাশের দেশ পাকিস্তানে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেছেন ইমরান খান। বিদেশ থেকে বাহবা দিয়েছেন অনেক ক্রিকেটার বন্ধু। তবে তফাৎ একটাই ইমরান খান বহুদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তবে সৌরভের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক এখনও তৈরি হয়নি। বাম আমলে অশোক ভট্টাচার্য মন্ত্রী থাকাকালীন, তাঁর সঙ্গে সৌরভের সুসম্পর্কের কথা সবাই জানতেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতার আসার পর তাঁর সঙ্গেও এক ফ্রেমে সৌরভকে দেখা গিয়েছে একাধিকবার। আবার আইপিএলের সময় নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে হাত মেলাতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। ২০১৫-তে একবার সৌরভের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনার কথা সামনে এলেও সেই আশা ধোপে টেকেনি। নিছক সংবাদমাধ্যমের প্রচার হয়েই রয়ে গিয়েছিল সেটা। যদিও, সব জল্পনা উড়িয়ে সৌরভ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। শুধু সৌরভ নয়, অরাজনৈতিক অনেকেই দেখতে চাইছেন ভারতের মানুষ। তালিকায় ১ নম্বরে রয়েছেন আমির খান। দ্বিতীয়তে, অক্ষয় কুমার। স্ক্রিনের দেশভক্তিই বোধহয় আগে রেখেছে এই দুই অভিনেতাকে। রয়েছেন আন্না হাজারেও। রামদেবের সঙ্গে রাজনীতির হালকা যোগাযোগ থাকলেও, তিনিও স্থান নিয়েছেন এই তালিকায়। সৌরভ ছাড়াও আরও এক অধিনায়ককে মোদির সঙ্গে লড়াইতে দেখতে চান ভারতবাসী, তিনি ‘ক্যাপ্টেন কুল’ ধোনি। আর ভারতে যখন পেট্রোল আর টাকার দাম বাড়ছে, তখন বোধহয় অর্থনীতির বিপ্লব দেখতেই তালিকায় জায়গা দেওয়া হয়েছে রঘুরাম রাজন কিংবা রতন টাটার মত ব্যক্তিত্বকে। সূত্র: কলকাতা টোয়েন্টিফোর সেভেন
মিয়ানমারে দণ্ডিত সাংবাদিকদের মুক্তির আহ্বান জাতিসংঘের
অনলাইন ডেস্ক: জাতিসংঘের নবনিযুক্ত মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট মিয়ানমারে দণ্ডপ্রাপ্ত রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান। চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল বলেন,যে আইনি প্রক্রিয়ায় তাঁদের দণ্ড হয়েছে তাতে স্পষ্টভাবেই আন্তর্জাতিক মান লঙ্ঘন করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এর মাধ্যমে যে বার্তাটি দেওয়া হলো তা হচ্ছে মিয়ানমারের অন্য সাংবাদিকরা ভয়হীনভাবে কাজ করতে পারবে না। তাদের বরং নিজে থেকে সংবাদ প্রকাশ বন্ধ করতে হবে অথবা বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।’ রাখাইন রাজ্য থেকে সেনাবাহিনীর খুন, ধর্ষণ, নির্যাতনের মুখে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিয়ে তথ্য সংগ্রহকারী বার্তা সংস্থা থমসন রয়টার্সের সাংবাদিক ওয়া লোন (৩২) ও কিয়াও সো ওকে (২৮) কারাদণ্ড দেন মিয়ানমারের একটি আদালত। গতকাল রাজধানীর ইয়াঙ্গুনের দক্ষিণ জেলা জজ ইয়ে লইন এ ঘোষণা করেন। বিচারক বলেন, সরকারি গোপনীয়তা আইন ভঙ্গ করেছেন আসামিরা। গত বছরের ২৫ আগস্ট নির্যাতনের মুখে রাখাইন রাজ্য থেকে সাত লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। একে জাতিসংঘ ‘জাতিগত নিধন বলে আখ্যায়িত করেছে। সারা বিশ্ব যখন মিয়ানমারের এই ‘হত্যাযজ্ঞের’ বিরুদ্ধে সরব, তখনই সাংবাদিক ওয়া লোন ও কিয়াও সো ও গ্রেপ্তার হন। তাঁদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের গোপনীয়তা ভঙ্গের অভিযোগে মামলা হয়। তার পর থেকে তাঁরা কারাগারেই ছিলেন। যদিও দুই সাংবাদিক তাঁদের বিরুদ্ধে আনা সব ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে ৭ বছরের কারাদণ্ড
অনলাইন ডেস্ক: মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিপীড়নের তথ্য সংগ্রহের সময় গ্রেফতার রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে তাদের সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার ইয়াঙ্গুনের জেলা জজ আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। খবর রয়টার্সের। এ সময় দণ্ডপ্রাপ্ত সাংবাদিক কো ওয়া লোন (৩২) ও কায়াও সোয়ে ও (২৮) আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার সময় বিচারক ইয়ে লউইন বলেন, ওই দুই সাংবাদিক গোপনীয় নথি সংগ্রহ ও প্রাপ্তি উপনিবেশিক যুগের অফিসিয়াল সিক্রেটস আইন ভঙ্গ করেছিল। এ জন্য তাদের দোষী সাব্যস্ত করে দণ্ডিত করা হয়েছে। রয়টার্সের প্রধান সম্পাদক স্টিফেন জে অ্যাডলার রায়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, মিয়ানমারের জন্য, রয়টার্সের সাংবাদিক ওয়া লোন ও কিয়াও সো ওর জন্য এবং বিশ্বের সব সংবাদমাধ্যমের জন্য আজ একটি দুঃখের দিন। উল্লেখ্য, কো ওয়া লোন এবং কায়াও সোয়ে ও নামে এ দুই সাংবাদিককে গত ১২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ইয়াঙ্গনের উপকণ্ঠে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাদেরকে ১৫ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনীর নির্যাতন নিয়ে তারা কিছু দলিল জোগাড় করেছিলেন। সে জন্য তাদের অফিসিয়াল সিক্রেটস আইনে গ্রেফতার করা হয়। দুজনই মিয়ানমারের নাগরিক। দুই সাংবাদিক বলেছেন, তারা কোনো ভুল করেননি। রয়টার্স জানায়, তাদের দুই রিপোর্টারকে ১২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ডিনারের কথা বলে ডেকে নিয়ে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। এর পর তাদের বিরুদ্ধে ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টয়ের আওতায় অভিযোগ করা হয়। ১৯২৩ সালে প্রণীত ওই আইনের আওতায় আটক ব্যক্তি দোষি সাব্যস্ত হলে তার ১৪ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে দেশটিতে।