সর্বোত্তম নাগরিক সেবা প্রদান করাই আমার লক্ষ্য: কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব
২০জানুয়ারী,সোমবার,কমল চক্রবর্তী, বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩৩ নং ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর আলহাজ্ব হাসান মুরাদ বিপ্লব এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। সোমবার ২০শে জানুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর তুলে ধরেন। তিনি জানান, তিনি জনগনের প্রত্যাশিত ভোটে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে বিগত পাঁচ বছরে তিনি জনগণকে যে ওয়াদা করেছেন তা পুরন করেছেন এবং আগামীতে ও সেই ধারা অব্যাহত রাখবেন। জনগন চায় একজন কাউন্সিলর তাদের সুখে দুখে পাশে থাকবে আমি সেই প্রত্যাশা পুরন করতে পেরেছি। কাউন্সিলর আলহাজ্ব হাসান মুরাদ বিপ্লব জানিয়েছেন, তিনি জনগনের প্রত্যাশা অনুসারে আগামী নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হবেন এবং তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করবে। তিনি আরো জানান, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এলাকার উন্নয়নের জন্য মেয়রের সহযোগিতায় সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। তার এলাকায় বিভিন্ন প্রকল্পে মোট ১২৩ কোটি টাকার এডিবির বরাদ্ধের কাজ চলছে। তারমধ্যে উল্লেখ যোগ্য কাজ গুলোর মধ্যে কোতয়ালী মোড়ের হজরত শাহ সুন্দর মাজার সজ্বিতকরন কাজ করেছেন। এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরনের কাজ করেছেন। এখন কাজ চলমান আছে আলকরন-১,২,৩ নং গলি ও বাটা গলি পাকা করনের কাজ। ডাঃ মান্নান গলিতে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যায়ে কাঁচা রাস্তা পাকাকরনের কাজ চলছে। কবি নজরুল সড়ক, হাজী কলোনি, এয়াকুব নগর, শিব বাড়ি এগুলুতে এডিবির রাস্তা পাকাকরনের কাজ চলছে এবং অনেকটা শেষ পর্যায়ে। কোতয়ালী থেকে মেরিনার্স রোড পর্যন্ত মিড আইল্যান্ড সজ্জিতকরণ ও সম্প্রসারণ। কোতয়ালী থেকে মেরিনার্স ও অভয়মিত্র ঘাট পর্যন্ত রোড কারপেটিং এর কাজ চলছে। যাতে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৪ কোটি টাকা। ব্রিজ ঘাট এলাকার রাস্তা পাকাকরনের কাজ চলছে। রাস্তায় ব্যপক এলইডি বাল্ব স্থাপন করেছেন। বান্ডেল খালের উপর দুটি রিটাইনিং ওয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে যা এখনো চলমান আছে। এলাকার ময়লা আবর্জনা অপসারনের ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাছাড়া ডাঃ জাকির হোসেন হোমিও কলেজের দশ তলা ভবনের মধ্যে ৬ তলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কলেজটিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়েছে। হরিজন সেবক ভাইদের জন্য একটি অত্যাধুনিক বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। যাতে করে ওরা সমাজের অন্যন্য নাগরিকের মত বসবাস করতে পারে। ইতিমধ্যে এর ভিতিপ্রস্তর স্তাপন করা হয়েছে এবং দরপত্র চুরান্ত পর্যায়ে আছে। দ্রুত কাজ শুরু হবে। তিনি জানান, তার ১ বর্গ কিলোমিটারের এলাকার মোট জনসংখ্যা প্রায় এক লক্ষ ও মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় বিশ হাজার। কিন্তু এই ওয়ার্ড একটি সমৃদ্ধ ওয়ার্ড। এখানে প্রাইমারী স্কুল আছে পাঁচটি। তাছাড়া এখানে আছে হাইস্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা , হোমিও কলেজ সব মিলিয়ে এটাকে একটি শিক্ষা নগরী বলা চলে। এখানে চালু হচ্ছে ডিপ্লোমা ইন নার্স কোর্স । এটা ইতিমধ্যে অনুমোদন হয়েছে এবং এই বছরই ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। তাছাড়া, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত তিন বছর মেয়াদী ম্যাটস কোর্স চালু হয়েছে। তিনি জানান, মাননীয় মেয়র চট্টগ্রামের ৪১টি ওয়ার্ডকে মাদক মুক্ত ঘোষণা করছেন। সেই লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। আমাদের এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশ করা হয়েছে। এতে এলাকার জনগনের স্বতস্পুত অংশগ্রহণ ছিল। জনগন ওয়াদা করেছে তারা মাদককে ঘৃণা করবে এবং মাদক কারবারীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবে। সুতরাং আমার ওয়ার্ডে মাদক ও সন্ত্রাস এর কোন সুযোগ নেই। তার এলাকায় চাঁদাবাজি নেই বললেই চলে। তিনি জানান তার এলাকায় জলাবদ্ধতার সমস্যা তেমন নেই। তিনি তার এলাকার ড্রেন গুলোকে সম্প্রসারণ করেছেন। যাতে করে এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি না হয়। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি অসমাপ্ত কাজ গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শেষ করবেন। তিনি তার এলাকায় একটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবেন। যাতে করে এলাকার বেকার যুবক ও মহিলারা কর্মমুখী হয় এবং কাজ শিখে আত্মকর্মসংস্থান করতে যাবেন । তাছাড়া মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাবেন। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ৩৩ নং ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ৩৩ নং ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ডের ফিরিঙ্গী বাজার মোড় এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা সচিন দাশ(৫৪) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর এলাকায় অনেক উন্নয়ন করেছেন। রাস্তা ঘাটেরও অনেক উন্নয়ন করেছেন। এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরনের কাজ করছেন। ব্যক্তি হিসাবে এলাকায় ভালো গ্রহণযোগ্যতাও আছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বেশ ভালো। আগামী নির্বাচনে আবার নির্বাচিত হবে বলে আশা করি। ৩৩ নং ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ডের ফিরিঙ্গী বাজার মোড় এলাকার পাইকারী ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল হাই (৪৭) জানান,বর্তমান কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব ভাই ব্যক্তি হিসাবে ভালো। এলাকায় ওনার গ্রহণযোগ্যতা আছে। আমি আশা করি তিনি আবার নির্বাচিত হবেন। ৩৩ নং ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ডের ব্রিজ ঘাট মোড় এলাকার এক ফল ব্যবসায়ী সাইফুল আলম জানান, শুনছি বর্তমান কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব ভাই আবার নির্বাচন করবে। ব্যক্তি হিসাবে ওনার ভালো গ্রহনযোগ্যতা আছে। আমি মনে করি তিনি আবার নির্বাচিত হবেন।
একজন সমাজ কর্মী হিসাবে জনগনের পাশে থাকতে চাই: কাউন্সিলর মোহাম্মদ জাবেদ
১৯জানুয়ারী,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২৩ নং উত্তর পাঠানটুলী বর্তমান কাউন্সিলর মোহাম্মদ জাবেদ এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। শনিবার ১৮ই জানুয়ারি সকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর তুলে ধরেন। তিনি জানান, তিনি তার এলাকায় অভাবনীয় উন্নয়ন করেছেন। বিগত পাঁচ বছরে আমি জনগণকে যে ওয়াদা করেছিলেন তা পূরণ করেছেন। এর আগে যারা কাজ করেছেন তাদের চেয়ে অনেক বেশি কাজ তিনি একা করেছেন। তিনি একজন সমাজ কর্মী হিসাবে জনগনের পাশে থাকতে চান। কাউন্সিলর মোহাম্মদ জাবেদ জানিয়েছেন, তিনি আগামী নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হবেন এবং তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করবে। তিনি আরো জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চট্টগ্রামের উন্নয়ন শুরু হয়ে গেছে। তারই ধারাবাহিকতায় এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরনের কাজ করেছেন। ময়লা আবর্জনা অপসারন ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উল্লেখ যোগ্য কাজ গুলোর মধ্যে ড্রেনের উপর কালভাট নির্মাণ করেছেন। রাস্তায় এলইডি বাল্ব স্থাপন করেছেন। চট্টগ্রাম শহরের প্রথম এলইডি বাল্ব স্থাপন আমার ওয়ার্ড থেকেই শুরু হয়েছে। তাছাড়া আমার নির্বাচনী এলাকায় প্রায় ৪৫ কোটি টাকার কাজ হয়েছে। এরমধ্যে সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যায়ে পোস্তার পাড় ডিগ্রি কলেজ ভবনের কাজ করেছেন। চার কোটি টাকা ব্যায়ে সিটি কর্পোরেশন সরকারী প্রাথমিক স্কুল ছয় তলা ভবন নির্মাণ। প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যায়ে দেওয়ান হাট ডিগ্রী কলেজের ফ্লোর নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি জানান, তার এলাকায় কোন সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নেই বললেই চলে। তাছাড়া এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বেশ ভালো। মাদকের সমস্যাও তেমন একটা নেই। তিনি মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না সে যেই হোক না কেন। প্রতিটি মোড়ে মোড়ে সি সি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, যা সরাসরি থানা থেকে এবং আমার এখান থেকে মনিটরিং করা হচ্ছে। যেখানে সরাসরি লাইভ দেখানো হচ্ছে ফলে পুলিশ সহজে আসামি সনাক্ত করতে পারে। সুতরাং আমার ওয়ার্ডে মাদক ও সন্ত্রাস এর কোন সুযোগ নেই। তাছাড়া আমি নির্বাচন কালীন সময়ে ওয়াদা করেছিলাম এলাকার জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স এর ব্যবস্থা করবো। আমি আমার নিজের অর্থায়নে একটি অ্যাম্বুলেন্স এর ব্যবস্থা করেছি। যা এলাকার জনগন বিনামুল্যে ব্যবহারের সুযোগ পাবে এবং এটি ২৪ ঘন্টা সেবা প্রদান করবে। তিনি জানান, তার এলাকায় জলাবদ্ধতার সমস্যা আছে। তার এলাকায় দুইটি ছড়া আছে লালমিয়া ছড়া ও নাছির খান ছড়া । বাটালী পাহাড় থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি এই দুই ছড়া দিয়ে নামে। ফলে ঢলের পানির সাথে আসা বালিতে একদিকে ছড়া ভরাট হয়ে যায় অন্যদিকে এলাকার ড্রেনগুলো ভরাট হয়ে যায়। এরফলে এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্ট হয়। জলাবদ্ধতা নিরসনে সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যৌথভাবে মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। তবে তিনি আশাবাদী মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ হলে জলাবদ্ধতা আর থাকবেনা। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি অসমাপ্ত কাজ গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শেষ করবেন। এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে সর্বাত্মক কাজ করে যাবেন। এলাকাবাসীর প্রয়োজনে ও এলাকার উন্নয়নে যা যা করার দরকার তা করে যাবেন। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ২৩ নং উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ২৩ নং উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ডের চৌমুহনী এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা কবির আহম্মেদ সিদ্দিকি (৫৮) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর এলাকায় অনেক উন্নয়ন করেছেন। রাস্তা ঘাটেরও বেশ উন্নয়ন করেছেন। এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরনের কাজ করছেন। তবে জলাবদ্ধতার সমস্যা থেকে আমরা মুক্তি পাই নাই, যা বর্ষা মৌসুমে আমাদের খুব ভোগান্তিতে ফেলে। ব্যক্তি হিসাবে এলাকায় উনার ভালো গ্রহণযোগ্যতাও আছে। মাদকের সমস্যা তেমন নেই এখানে সন্ত্রাসী কাজ করে কেউ পার পাবে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বেশ ভালো প্রতিটি মোড়ে মোড়ে সি সি ক্যামেরা বসানো আছে। উনি আবার নির্বাচিত হবেন এতে কোন সন্দেহ নেই। ২৩ নং উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ডের সুলতান কলোনী এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী মোঃ ইলিয়াস হোসেন (৪৯) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর জাবেদ ভাই ব্যক্তি হিসাবে ভালো। এলাকায় ওনার গ্রহণযোগ্যতা আছে। মাদকের সমস্যা নেই বললেই চলে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বেশ ভালো।
এলাকার জনগনের সুখে দুঃখে পাশে থাকতে চাইঃকাউন্সিলর হাজী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী
১৬জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩৬ নং গোসাইলডাঙা বর্তমান কাউন্সিলর হাজী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। আজ বৃহস্পতিবার ১৬ই জানুয়ারী দুপুরে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর তুলে ধরেন। তিনি জানান,তিনি টানা চার বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর। এলাকার জনগনের জন্য কাজ করতে পারাটাই আমার একমাত্র লক্ষ্য। আমি সব সময় এলাকার জনগনের সুখে দুঃখে পাশে থাকতে চাই। কাউন্সিলর হাজী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, জনগন চাইলে তিনি আগামী নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হবেন এবং তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে বেছে নিবে বলে তিনি আশা করেন। তিনি আরো জানান, এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরনের কাজ করেছেন। তবে ওয়াসার খোঁড়া খুড়িতে রাস্তা ঘাট অনেকটা নষ্ট হয়ে গেছে। যার কারনে বেশীর ভাগ রাস্তায় ধুলাবালি লেগে থাকে। এই সাময়িক অসুবিধার জন্য তিনি এলাকার জনগনের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা গুলো পুনরায় মেরামত করা হবে। ময়লা আবর্জনা অপসারনের ডাস্টবিন বসানো হয়েছে।সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উল্লেখ যোগ্য কাজ গুলোর মধ্যে নিমতলা ডিসি রোড এর কাজ ,যেটা চলমান আছে। বড় বড় কাল্ভারট নির্মাণ করেছেন। তাছাড়া ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ওনার পিতার নামে নির্মিত হচ্ছে আব্দুল নবী চৌধুরী ব্রিজ। ইতিমধ্যে এর দরপত্র চুরান্ত করা হয়েছে। যেটি দিয়ে এলাকার জনগন গোসাইলডাঙা থেকে নিমতলা পর্যন্ত সরাসরি চলাচল করতে পারবে। বারিক বিল্ডিং বহুমুখি স্কুল কে বহুতল ভবনে উন্নতি করন করেছেন। দ্বি-তলা থেকে ৫ম তলায় উন্নতি করন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এটিকে ৭ তলায় উন্নিত করন করা হবে এবং এটিকে মহিলা কলেজে রুপান্তর করবেন। তিনি জানান, তার এলাকায় কোন সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নেই বললেই চলে। তাছাড়া এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বেশ ভালো। মাদকের সমস্যাও তেমন একটা নেই। দুই একজন আছে যারা অসাধু কিছু পুলিশের পশ্রয়ে করে থাকে। তবে আমি মাদক পুরোপুরি নির্মূলে বদ্ধপরিকর। জলাবদ্ধতার সমস্যা কিছুটা আছে তবে তা নিরসন হয়ে যাবে। ক্রসিং এলাকায় সুইচ গেট নির্মাণ করার কাজ শেষ হলে জলাবদ্ধতা কমে যাবে বলে মনে করেন। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি অসমাপ্ত কাজ গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শেষ করবেন। ব্যপক ভাবে রাস্তার আলোকায়নের ব্যবস্থা করবেন। চট্টগ্রাম বন্দরে অনেক বিদেশী জাহাজ আসে। সেই সাথে অনেক বিদেশী নাগরিক আসে এলাকায় বাজার করতে ওদের কথা চিন্তা করে ফকির হাট এলাকায় একটি দশ তলা বিশিষ্ট মার্কেট করা হবে। যা ২০২০-২০২১ সালের মধ্যে কাজ শুরু করার চিন্তা ধারা আছে। জিআরবি স্কুলকে সম্প্রসারণ করে ছেলেদের জন্য একটি কলেজ করার পরিকল্পনা আছে। তদুপরি তিনি এই বার নির্বাচিত হলে বেশ কিছু কাজ হাতে নিবেন যা এলাকাবাসীর জন্য সারপ্রাইজ হয়ে থাকবে। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ৩৬ নং গোসাইলডাঙা ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ৩৬ নং গোসাইলডাঙা ওয়ার্ডের স্থানীয় এক বাসিন্দা ফরিদ আহমেদ (৫৪) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর এলাকায় অনেক উন্নয়ন করেছেন। রাস্তা ঘাটেরও বেশ উন্নয়ন করেছেন। এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরনের কাজ করছেন। তবে জলাবদ্ধতার একটু সমস্যা আছে। ব্যক্তি হিসাবে ওনি ভালো এলাকায় ওর গ্রহণযোগ্যতাও আছে। মাদকের সমস্যা তেমন নেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বেশ ভালো। ওনাকে যে কোন সময় পাশে পাওয়া যায়। ওনি আবার নির্বাচিত হবেন এতে কোন সন্দেহ নেই। ৩৬ নং গোসাইলডাঙা ওয়ার্ডের ফকির হাট এলাকার এক ব্যবসায়ী পংকজ দে (৪৭) জানান,বর্তমান কাউন্সিলর ব্যক্তি হিসাবে ওনি ভালো এলাকায় ওনার গ্রহণযোগ্যতা আছে। মাদকের সমস্যা তেমন নেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বেশ ভালো। ওনাকে যে কোন সময় পাশে পাওয়া যায়। আমি আশা করি তিনি আবার নির্বাচিত হবেন। তিনি এলাকার মানুষের খুব আপনজন। ৩৬ নং গোসাইলডাঙা ওয়ার্ডের স্থানীয় গোসাইলডাঙা এলাকার এক ব্যবসায়ী মফিজুর রহমান (৪৫) জানান,বর্তমান কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আমাদের খুব কাছের লোক। বিপদে আপদে ওনাকে সব সময় কাছে পাওয়া যায়। এলাকায় অনেক উন্নয়ন মুলক কাজ করেছেন। এলাকার জনগনের জন্য অনেক জনসেবা মুলক কাজ করেন। আজকে বিকালেও এলাকার গরীব মানুষদের মাঝে কম্বল বিতরন করেছেন। তাছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথেও জড়িত। আমরা ওনাকে আমাদের কাউন্সিলর হিসাবে আবার নির্বাচিত করবো। --------------------------------
জনগনের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জনই আমার কাম্য: কাউন্সিলর এ কে এম আরিফুল ইসলাম ডিউক
১৪জানুয়ারী,মঙ্গলবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর (মৃত) এ কে এম জাফরুল ইসলাম এর পুত্র বর্তমান কাউন্সিলর এ কে এম আরিফুল ইসলাম ডিউক এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। আজ মঙ্গলবার ১৪ই ডিসেম্বর বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর তুলে ধরেন। তিনি জানান,তিনি টানা দুই বারের সফল কাউন্সিলর প্রয়াত এ কে এম জাফরুল ইসলাম এর ছেলে। তার বাবার মৃত্যুর পর শুন্য আসনে উপনির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন। তার পিতার চলতি মেয়াদের ৫ বছরের যে সকল কাজ আসমাপ্ত রয়েছে সে গুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শেষ করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এরমধ্যে বেশির ভাগ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তিনি তার বাবার কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান। এলাকার জনগনের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করতে পারাটাই বড় পাওয়া বলে মনে করেন তিনি। চেষ্টা করেন সবসময় জনগণকে ভালো সেবা দিতে। কাউন্সিলর এ কে এম আরিফুল ইসলাম ডিউক জানিয়েছেন, জনগন চাইলে তিনি আগামী নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হবেন এবং তিনি আশাবাদী তার বাবা যে সকল কাজ করে গেছেন এবং তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে বেছে নিবে বলে তিনি আশা করেন। তিনি আরো জানান, তার বাবার অসমাপ্ত কাজসহ এলাকায় উল্লেখ যোগ্য বেশ কিছু উন্নয়ন তিনি করেছেন। তার মধ্যে এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরনের কাজ হাতে নিয়েছেন। তবে ওয়াসার খোঁড়া খুড়িতে রাস্তা ঘাট অনেকটা নষ্ট হয়ে গেছে। যেগুলো পুনরায় মেরামত করা হচ্ছে। ওয়াসার খোঁড়া খুড়িতে ক্ষতিগ্রস্ত বেশির ভাগ রাস্তা নতুন ভাবে করতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। ময়লা আবর্জনা অপসারনের ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেশির ভাগ সময় নিজে দাঁড়িয়ে থেকে ময়লা অপসারন কাজ তদারকি করেন। তিনি জানান, তার এলাকায় কোন সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি তেমন একটা নেই। তাছাড়া এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বেশ ভালো। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি অসমাপ্ত কাজ গুলো শেষ করবেন। এলাকার অলি গলির সব রাস্তা পাকাকরন করবেন। ব্যপক ভাবে রাস্তার আলোকায়নের ব্যবস্থা করবেন। নালা নর্দমা গুলো সম্প্রসারণ করবেন বলেও জানিয়েছেন। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডের স্থানীয় এক বাসিন্দা হাজী আবুল হাসেম (৫৫) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর এলাকায় অনেক উন্নয়ন করেছেন। রাস্তা ঘাটেরও বেশ উন্নয়ন করেছেন। এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরনের কাজ করছেন। তবে জলাবদ্ধতার সমস্যা থেকে আমরা মুক্তি পাই নাই। বেশির ভাগ সময় জোয়ারের পানিতে একাকার হয়ে যায়। ব্যক্তি হিসাবে ওনি মোটামোটি ভালো এলাকায় ওর গ্রহণযোগ্যতাও আছে। মাদকের সমস্যা তেমন নেই। এলাকার জনগনের মাঝে সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতি ও বজায় আছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বেশ ভালো। ১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডের ডিসি রোডের, দেওয়ান বাজার এলাকার ব্যবসায়ী স্বপন চৌধুরী (৪৭) জানান,প্রয়াত এ কে এম জাফরুল ইসলাম এর পুত্র বর্তমান কাউন্সিলর এ কে এম আরিফুল ইসলাম ডিউক এলাকায় মোটামুটি ভালো কাজ করেছেন। ওনার বাবার অসমাপ্ত কাজ গুলো ভালো ভাবে করছেন। তার ব্যবহার ও ভালো। আগামী নির্বাচনেও তিনি আবার নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যক্তি হিসাবে ওনার একটা ভালো গ্রহন যোগ্যতাও আছে এলাকায়।
আমি সবসময় জনগনের পাশে থাকতে চাইঃ কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইসমাইল
১৩জানুয়ারী,সোমবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩৪ নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইসমাইল আজ সোমবার ১৩ই ডিসেম্বর বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর তুলে ধরেন। তিনি জানান, চলতি মেয়াদে বিগত ৫ বছরে তিনি এলাকার অনেক উন্নয়ন করেছেন। যার সুফল জনগন ভোগ করছে। আমি চাই জনগন আমাকে ভালবাসুক আর আমিও চাই জনগনের পাশে থাকতে। কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইসমাইল বালি জানিয়েছেন, তিনি আগামী নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হবেন এবং তিনি আশাবাদী তার সময়ে এলাকায় যে উন্নয়ন হয়েছে তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে বেছে নিবে। তিনি আরো জানান, তার এলাকায় উল্লেখ যোগ্য বেশ কিছু উন্নয়ন তিনি করেছেন। তার মধ্যে এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরন করেছেন ও মেরামত করেছেন, তবে ওয়াসার খোঁড়া খুড়িতে রাস্তা ঘাট অনেকটা নষ্ট হয়ে গেছে। যেগুলো পুনরায় মেরামত করে দেয়া হবে। এছাড়া এলাকার প্রতিটি রাস্তা ঘাট অনেক সুন্দর। রাস্তার উপর এলইডি লাইট স্থাপন, নালা নর্দমা গুলো পরিচ্ছন্ন করা। জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনের পরিসর বাড়ানো হয়েছে। ময়লা আবর্জনা অপসারনের ডাস্টবিন বসানো হয়েছে সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসন কল্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি প্রকল্প হাতে হিয়েছে এর কাজ সমাপ্ত হলে এলাকার জলাবদ্ধতা কমে যাবে। আমার এলাকায় কোন বালক উচ্চ বিদ্যালয় ছিল না। এখানে ১১ কোটি টাকা ব্যায়ে একটি বালক উচ্চ বিদ্যালয় করা হচ্ছে যা এলাকার শিক্ষা বিস্তারে ব্যপক ভুমিকা পালন করবে। বর্তমানে এর কাজ প্রায় শেষের দিকে বলেও জানিয়েছেন। আমার এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোটামোটি ভালো। তবে আমার এলাকার সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে মাদক। এখানে আগে কোন মাদকের কারবার ছিল না। এটি ছিল ফিরিঙ্গী বাজারে। অনুপ বিশ্বাস এখানে বাংলা মদের ব্যবসা শুরু করেছে। এর ফলে একদিকে এলাকার যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে অন্যদিকে এলাকার পরিবেশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে। আমি ব্যক্তিগত ভাবে প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছি যাতে এখান থেকে মদের ব্যবসা সড়ানো হয়। প্রতিদিন এখানে মেলা বসে যায়। বন্ধের দিন ও এখানে মদ বেচা কিনা হয় অবাধে। কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করে না। তাই তিনি এই ব্যপারে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি। তিনি জানান, তার এলাকায় কোন সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি তেমন একটা নেই। মাদকের সমস্যা আছে, এই যে মদের মহালের কথা বললাম ওটাই মুলত মাদকের স্বর্গ রাজ্য। এখানে এই মদের মহালকে ঘিরে নানা ঝামেলা হয়। এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয়। তাছাড়া এলাকার পরিবেশ দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। তবে প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে মাদক নির্মূল করা সম্ভব। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি পুরোপুরি মাদক নির্মূলে কাজ করে যাবেন। সেইসাথে এলাকায় একটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খুলবেন যাতে এলাকার বেকার যুবকরা এখানে থেকে কাজ শিখে বিদেশ যেতে পারে এবং দেশে নিজেদের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে। আর মহিলারাও যাতে কাজ শিখে স্বাবলম্ভি হতে পারে। এটা আমার সবচেয়ে বড় একটি পরিকল্পনা। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ৩৪ নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ৩৪ নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডের স্থানীয় এক বাসিন্দা মোঃ মনির হোসেন (৫৫) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর এলাকায় অনেক উন্নয়ন করেছেন। রাস্তা ঘাটেরও বেশ উন্নয়ন করেছেন। তবে জলাবদ্ধতার সমস্যা থেকে আমরা মুক্তি পাই নাই। বেশির ভাগ সময় জোয়ারের পানিতে একাকার হয়ে যায়। ব্যক্তি হিসাবে ওনি মোটামোটি ভালো এলাকায় ওর গ্রহণযোগ্যতাও আছে। এখানে পুরো এলাকায় চলে মাদকের রমরমা। যা এলাকার পরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলছে। ৩৪ নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডের ব্রিক ফিল্ড রোডের ব্যবসায়ী সমীরণ বসাক (৩৭) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইসমাইল বালি এলাকায় মোটামুটি ভালো কাজ করেছেন। যে কোন সময় ওনাকে কাছে পাওয়া যায়। আগামী নির্বাচনেও তিনি আবার নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যক্তি হিসাবে ওনার একটা ভালো গ্রহন যোগ্যতাও আছে এলাকায়। আমাদের এলাকার মাদকের সমস্যাটা বেশী। সেইসাথে জলাবদ্ধতার সমস্যা তো আছেই। রাস্তা ঘাটের মোটা মোটি ভাল কাজ হয়েছে। আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হলে আবার নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নাই,জনগনের সেবাই আমার একমাত্র লক্ষ্যঃ কাউন্সিলর হাজী নুরুল হক
১২জানুয়ারী,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩৫ নং বক্সির হাট ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর হাজী নুরুল হক এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। রবিবার ১২ই ডিসেম্বর সকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ,এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা তুলে ধরেন। তিনি জানান, তিনি ১৯৯৪-২০০৫ইং মেয়াদে দুই বার ও ২০১০-২০২০ইং মেয়াদে দুই বার মোট ৪ বার নির্বাচিত হয়েছেন।বিগত ৫ বছরের মেয়াদে তিনি এলাকার অনেক উন্নয়ন করেছেন, জনগন এর সুফল ভোগ করছে। কাউন্সিলর হাজী নুরুল হক জানিয়েছেন, তিনি আগামী নির্বাচনে আবারও নির্বাচন করবেন এবং তিনি আশাবাদী তার সময়ে এলাকায় যে উন্নয়ন হয়েছে তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার নির্বাচিত করবে। সেইসাথে তিনি জনগনের সেবা করে যাবেন। আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নাই ।জনগনের সেবাই আমার একমাত্র লক্ষ্য। ব্যক্তিগত কোন সুবিধার জন্য কাউন্সিলর পদটিকে ব্যবহার করেন না। এমনকি পরিবারের কেউ না। তিনি আরো জানান, তার এলাকায় উল্লেখ যোগ্য বেশ কিছু উন্নয়ন তিনি করেছেন। তার মধ্যে এলাকার রাস্তা ঘাটের মেরামত, রাস্তার উপর এলইডি লাইট স্থাপন, নালা নর্দমা গুলো পরিচ্ছন্ন করা। জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনের পরিসর বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে বেশ কিছু ড্রেনের কাজ চলমান আছে যা আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে কাজ করাচ্ছি। ময়লা আবর্জনা অপসারনের ডাস্টবিন বসানো হয়েছে । সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসন কল্পে চাক্তাই খাল পরিস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি প্রকল্প হাতে হিয়েছে। আমার এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোটামোটি ভালো। তিনি জানান, তার এলাকায় কোন সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নেই এটা বলা যাবে না। চাঁদাবাজি আছে, সরকারি দলীয় নামধারীরা চাঁদাবাজি করে। তাই চাঁদাবাজি বন্ধ করতে অনেকটা বেগ পেতে হচ্ছে। মাদকের সমস্যা কিছুটা আছে, তবে নির্মূলে তিনি বদ্ধ পরিকর। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি পুরোপুরি মাদক নির্মূলে কাজ করে যাবেন। সেইসাথে জলাবদ্ধতা নিরসন কল্পে নানা প্রয়োজনীয় উদ্দেগ নিবেন। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ৩৫ নং বক্সির হাট ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ৩৫ নং বক্সির হাট ওয়ার্ডের বাজার এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা মোঃ আবুল কালাম(৩৫) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর এলাকায় অনেক উন্নয়ন করেছেন। রাস্তা ঘাটেরও বেশ উন্নয়ন করেছেন। তবে জলাবদ্ধতার সমস্যা থেকে আমরা মুক্তি পাই নাই। বেশির ভাগ সময় জোয়ারের পানিতে একাকার হয়ে যায়। এটাই আমাদের বড় সমস্যা। ব্যক্তি হিসাবে ওনি ভালো লোক। তাই আগামী নির্বাচনে আবার বিজয়ী হবেন এতে সন্দেহ নেই। ৩৫ নং বক্সির হাট ওয়ার্ডের বক্সির হাট মোড়ের ব্যবসায়ী কাঞ্চন দাশ জানান (৪৭) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর মোটামুটি এলাকায় কাজ করেছেন। তিনি একাধারে দুই মেয়াদে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী নির্বাচনেও তিনি আবার নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যক্তি হিসাবে ওনার ভালো গ্রহন যোগ্যতা আছে। আমাদের এলাকার মাদকের ব্যপারে বলতে পারবনা তবে ও চাঁদাবাজি হয়। সেইসাথে জলাবদ্ধতার সমস্যা তো আছেই। যানজট ও একটা বড় সমস্যা।
উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই: কাউন্সিলর হাজী মোঃ হারুন উর-রশিদ
১১জানুয়ারী,শনিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১৮নং পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর হাজী মোঃ হারুন-উর-রশিদ এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। আজ শনিবার ১১ই ডিসেম্বর বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর তুলে ধরেন। তিনি জানান, তার বিগত ৫ বছরের মেয়াদে তিনি এলাকার অনেক উন্নয়ন করেছেন। জনগন এর সুফল পাচ্ছে। কাউন্সিলর আলহাজ্ব মোঃ হারুন-উর-রশিদ জানিয়েছেন, তিনি আগামী নির্বাচনে আবারও নির্বাচন করবেন এবং তিনি আশাবাদী তার সময়ে এলাকায় যে উন্নয়ন হয়েছে তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার নির্বাচিত করবে। সেইসাথে তিনি এলাকার উন্নয়্নের ধারা অব্যাহত রাখাই তার একমাত্র লক্ষ্য। তিনি আরো জানান, তার এলাকায় উল্লেখ যোগ্য বেশ কিছু উন্নয়ন হয়েছে। তার মধ্যে এলাকার রাস্তা ঘাটের সুপ্রস্থ ও পাকাকরন, রাস্তার উপর এলইডি লাইট স্থাপন, নালা নর্দমা গুলো পরিচ্ছন্ন করা। এলাকার রাস্তা গুলো পাকাকরন করা হয়েছে। ময়লা আবর্জনা অপসারনের ডাস্টবিন বসানো হয়েছে যা আগে ছিল না। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসন কল্পে রাস্তা গুলো উঁচু করা হয়েছে এবং রাস্তার পাশের ড্রেন গুলোও সম্প্রসারন করা হয়েছে। তাই বর্তমানে এখানে জলাবদ্ধতা নেই বললেই চলে। তিনি জানান, তার এলাকায় কোন সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নেই। মাদকের ভয়াবহতা তেমন নেই, তবে নির্মূলে তিনি বদ্ধ পরিকর। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি পুরোপুরি মাদক নির্মূলে কাজ করে যাবেন। সুপেয় পানির সমস্যা এখানে বেশি তাই সুপেয় পানির ব্যবস্থা করবেন। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম ওয়াসার সাথে ও মেয়রের সাথে কথা বলেছেন বিষয়টি নিয়ে। আর অল্প কিছু রাস্তা মেরামতের কাজ বাকি আছে সেইগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মেরামত করা হবে। রাস্তায় ব্যাপক হারে এলইডি বাল্ব স্থাপন করা হবে।একটি জেনারেল হাসপাতাল করার জন্য তিনি কাজ করবেন যাতে এলাকার লোকজনের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা যায়। সরেজমিনে এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তা গুলো বেশ উঁচু ও প্রশস্ত করা হয়েছে। রাস্তার পাশের ড্রেন গুলো বেশ চড়া ও উঁচু করা হয়েছে যা জলাবদ্ধতা নিরসনে সহায়ক। রাস্তা ঘাট গুলো অনেকটাই ছিমাছাম ও নিরিবিলি। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ১৮ নং পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হল ১৮ নং পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডের বাজার এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা পেশায় দর্জি মোঃ নাছের(৪৫) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর এলাকায় অনেক উন্নয়ন করেছেন। রাস্তা ঘাটেরও বেশ উন্নয়ন করেছেন। জলাবদ্ধতা এখন হয় না। ১৮ নং পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডের বাজার এলাকার মোঃ কবির (২৮) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর মোটামুটি এলাকায় কাজ করেছেন। আগামী নির্বাচনে তিনি আবার বিজয়ী হবেন এতে কোন সন্দেহ নেই। ব্যক্তি হিসাবে ওনার ভালো গ্রহন যোগ্যতা আছে। আমাদের এলাকায় মাদক ও চাঁদাবাজি নেই। ব্যবসায়ী ও ভ্রাম্যমাণ দোকানদাররা নিরাপদে ব্যবসা করতে পারে। এলাকায় যানজট ও জলাবদ্ধতা নেই। ১৮ নং পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডের বাজার এলাকার ভ্রাম্যমাণ দোকানদার ফজল আহমেদ (৫৬) জানান, তার বাড়ি কর্ণফুলীর ওপাড়ে এই এলাকায় ১৭ বছর ধরে আছেন। এখানে কোন চাঁদাবাজি নেই। অনেকটাই নিরিবিলি পরিবেশ।
এলাকার উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখা আমার একমাত্র লক্ষ্য: কাউন্সিলর সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু
০৯জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১৬নং চকবাজার ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। আজ বুধবার ৮ই ডিসেম্বর বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর তুলে ধরেন। তিনি জানান, তার ৬ টার্ম মেয়াদে তিনি এলাকার অনেক উন্নয়ন করেছেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের জন্মলগ্ন থেকে তিনি কাউন্সিলর হিসাবে জনগনের সেবায় নিয়োজিত আছেন। তিনি বাংলাদেশের একজন প্রথম মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসাবে গর্ব বোধ করেন। তিনি বলেন তার বাবা সৈয়দ মাজহারুল আলম ১৯৪৮ সালের দিকে রয়েল ইন্ডিয়া এয়ার ফোরস(RIAF) এ কর্পোরেল পদে কর্মরত ছিলেন। পরে ভারত ভাগের পর পাকিস্তান এয়ার ফোরস(PAF) এ যোগ দেন। এক সময় পাকিস্তান এয়ার ফোরস এ কর্মরত থাকা অবস্থায় স্বাধীনতার পক্ষে কাজ করার জন্য তাকে বাহিনীর শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য মৃত্যু দণ্ডের মুখোমুখি হতে হয়। পরে যদিও আদালতের মাধ্যমে তিনি ছাড়া পান। পরে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থানে মেডিকেলে চাকরী নেন। চাকরী করা কালীন সময়ে গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষন দিয়েছিলেন। কাউন্সিলর মোঃ সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু নিউজ একাত্তরকে জানিয়েছেন, তিনি আগামী নির্বাচনে আবারও নির্বাচন করবেন এবং তিনি আশাবাদী তার সময়ে এলাকায় যে উন্নয়ন হয়েছে তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার নির্বাচিত করবে। এলাকার জনগনের খুব কাছে পৌঁছতে পেড়েছেন বলে ও দাবি করেন তিনি। সেইসাথে তিনি এলাকার উন্নয়্নের ধারা অব্যাহত রাখতে চা্ন। তিনি আরো জানান, তার এলাকায় উল্লেখ যোগ্য বেশ কিছু উন্নয়ন হয়েছে। তার মধ্যে এলাকার রাস্তা ঘাটের সুপ্রস্থ করন, রাস্তার উপর এলইডি লাইট স্থাপন, রাস্তার উপর আইল্যান্ড নির্মাণ ও আইল্যান্ড গুলোর সৌন্দর্য বর্ধন, নালা নর্দমা গুলো পরিচ্ছন্ন করা এবং আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে ও মাদক নিয়ন্ত্রণেও তার কার্যকর ভুমিকা রয়েছে। রাস্তা ঘাটের বেশ উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন তিনি করেছেন। তবে ওয়াসার খোড়া খুড়িতে রাস্তা ঘাটের অবস্থা অনেকটাই খারাপ হয়ে গেছে। রাস্তা ঘাটের বর্তমান অবস্থার জন্য ওয়াসার খোড়া খুড়িকে দায়ী করেছেন। তবে তিনি মনে করেন ওয়াসার খোড়া খুড়িকে উন্নয়নের স্বার্থে মেনে নিতে হবে। বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও পানির প্রবাহ বাড়ানোর জন্য ওয়াসার খোড়া খুড়িকে যৌক্তিক বলে মনে করেন তিনি। অনেকটাই সন্তানের দিকে চেয়ে প্রসব বেদনা হজম করার মত। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক গুলো পুনরায় মেরামত করে দেয়া হবে। তিনি জানান, তার এলাকায় দুই একটি ছোটখাট ঘটনা ছাড়া তেমন কোন সন্ত্রাস নেই। মাদক নির্মূলে তিনি বদ্ধ পরিকর। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি পুরোপুরি মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নির্মূলে কাজ করে যাবেন। তাছাড়া তিনি জানান, রাস্তায় ব্যাপক হারে এলইডি বাল্ব স্থাপন করা হবে। ড্রেন গুলোকে প্রশস্ত করনের কাজ হাতে নিবেন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেজিং এর ব্যবস্থা করবেন। তবে তিনি জলাবদ্ধতা নিরসনে মাষ্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের উপর জোর দেন। এ ব্যাপারে একটি সমন্বিত উদ্দেগ প্রয়োজন। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ১৬ নং চকবাজার বাজার ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ১৬ নং চকবাজার বাজার ওয়ার্ডের কাঁচা বাজার এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করে জানান, বর্তমান কাউন্সিলর একটানা ৬ টার্ম ধরে কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালন করে আসছেন । অনেকটা সিটি কর্পোরেশনের জন্ম লগ্ন থেকেই তিনি এখানের কাউন্সিলর। তবে তিনি আমাদের এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন করতে পারেন নাই। একটু বৃষ্টি হলে রাস্তায় পানি জমে একাকার হয়ে যায়। তাছাড়া চকবাজার এলাকায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি হর হামেশার কারনে আমরা অতিষ্ঠ। ১৬ নং চকবাজার বাজার ওয়ার্ডের কাপাস গোলা এলাকার মোঃ সেলিম হায়দার খোকন(৩৮) জানান, চট্টগ্রামে সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টুর মত আর কোন কাউন্সিলর এতো দীর্ঘ মেয়াদে ও টানা ৬ টার্ম কাউন্সিলর হিসাবে কেউ নেই। যেহেতু তিনি দীর্ঘ মেয়াদে আছেন তাই মোটামুটি এলাকায় কাজ করেছেন। আগামী নির্বাচনে তিনি আবার বিজয়ী হবেন এতে কোন সন্দেহ নেই। ব্যক্তি হিসাবে উনার ভাল গ্রহন যোগ্যতা আছে। তাই তিনি চাইলে এলাকার উন্নয়ন তথা সন্ত্রাস দমনে কার্যকর ভুমিকা রাখতে পারেন।
ক্লিনসিটি ও গ্রিনসিটি বাস্তবায়নই একমাত্র লক্ষ্যঃ কাউন্সিলর মোঃ সেলিম উল্লাহ বাচ্ছু
০৮জানুয়ারী,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২২নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ সেলিম উল্লাহ বাচ্ছু এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। আজ বুধবার ৮ই ডিসেম্বর তার নিজ বাসভবনে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর তুলে ধরেন। তিনি জানান, তার ৫ বছর মেয়াদে তিনি এলাকার অনেক উন্নয়ন করেছেন যা এর আগে হয় নাই। কাউন্সিলর মোঃ সেলিম উল্লাহ বাচ্ছু জানিয়েছেন তিনি আগামী নির্বাচনে আবার নির্বাচন করবেন এবং তিনি আশাবাদী তার সময়ে এলাকায় যে উন্নয়ন হয়েছে তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার নির্বাচিত করবে। তিনি জানান তার এলাকায় উল্লেখ যোগ্য বেশ কিছু উন্নয়ন হয়েছে। তার মধ্যে এলাকার রাস্তা ঘাটের সুপ্রস্থ করন, রাস্তার উপর এলইডি লাইট স্থাপন, রাস্তার পাশে আইল্যান্ড নির্মাণ,আইল্যান্ড গুলোর সৌন্দর্য বর্ধন, নালা নর্দমা গুলো পরিচ্ছন্ন করা এবং আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে ও মাদক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভুমিকা পালন করছেন বলে জানান। রাস্তা ঘাটের বেশ উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন তিনি করেছেন। তবে ওয়াসার খোড়া খুড়িতে রাস্তা ঘাটের অবস্থা অনেকটাই খারাপ হয়ে গেছে। রাস্তা ঘাটের বর্তমান অবস্থার জন্য ওয়াসার খোড়া খুড়িকে দায়ী করেছেন। নির্দিষ্ট স্থানে ডাস্টবিন থাকা সত্বেও আর রাস্তা ঘাটে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলার জন্য মানুষের অসচেতনতাকে দায়ী করেছেন। যা কেবল আমাদের দেশেই এসব হয়। তিনি জানান, তার এলাকায় সাম্রদায়িক সম্প্রিতি বজায় আছে, এখানে আছে অনেক প্রাচীন একটি চার্চ ও আছে বৌদ্ধ মন্দির পাশাপাশি আছে হিন্দু মন্দির। তাছাড়া এখানে সুন্দর ব্যবসায়ীক পরিবেশ বিরাজ করছে। এই এলাকার ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে পারছেন। মাদক নির্মূলে তাকে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে তিনি জানান তার এলাকায় কিছু বস্তি আছে কিছুটা অংশ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই বস্তি গুলো থেকেই মাদকের আখড়া। এই বস্তি গুলোই মাদকের স্বর্গ রাজ্য। তিনি জানান মাদক পুরোপুরি নির্মূল করতে পারেন নাই কারন এর সাথে কারো না কারো হাত থাকে। তবে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি পুরোপুরি মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাবেন। তাছাড়া তিনি জানান, তার এলাকায় দুটি পুকুর আছে এগুলোকে তিনি খনন করে আরো ব্যবহার উপযোগী করে গড়ে তুলবেন। সেইসাথে পুকুরের চার পাশ পার্কের আদলে গড়ে তুলবেন যাতে এলাকার লোকজন বিনোদন উপভোগ করতে পারে। ড্রেন গুলোকে প্রশস্ত করনের কাজ হাতে নিবেন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেজিং এর ব্যবস্থা করবেন। সেইসাথে মেয়রের ঘোষিত ক্লিন সিটি ও গ্রিন সিটি বাস্তবায়নে তিনি বদ্ধ পরিকর। ২২নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর মতামত এখানে তুলে ধরা হলঃ ২২নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ডের বাটালী রোড এলাকার ব্যবসায়ী মোঃ সেলিম জানান, বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ সেলিম উল্লাহ বাচ্ছু একজন ভাল লোক, তিনি এলাকায় দৃশ্যত কিছু উন্নয়ন মুলক কাজ করেছেন। তাকে যে কোন কাজে পাশে পাওয়া যায়। কথা হয় একই এলাকার ফল ব্যবসায়ী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন এর সাথে তিনি জানান, কাউন্সিলর মোঃ সেলিম উল্লাহ বাচ্ছু সাহেব একজন ভাল লোক। সবার সাথে ভালো ব্যবহার করেন। আশা করি তিনি আবার নির্বাচিত হবেন। ২২নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ডের বাটালী রোড এলাকার আরেক ব্যবসায়ী রুবেল দাশ জানান, বর্তমান কাউন্সিলর ভাল লোক ঠিকই কিন্তু তিনি পূর্বের কাউন্সিলরের মত তেমন কাজ করতে পারেন নাই। তবে আশা করি তিনি আবার নির্বাচিত হলে এলাকার যথেষ্ট উন্নয়ন করবেন। ২২নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ডের স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করে জানান, বর্তমান কাউন্সিলর একজন ভালো লোক। তাকে আমাদের যে কোন কাজে পাশে পাই। তবে তিনি আমাদের এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন করতে পারেন নাই। একটু বৃষ্টি হলে রাস্তায় পানি জমে যায়। তাছাড়া মাদক ও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন নাই।এলাকার বস্তি গুলোতে চলে মাদকের রমরমা ব্যবসা। এইসবের সমাধান আগে দরকার বলেও জানান। তিনি আরো বলেন,নির্বাচনের আগে সব প্রাথিই ভালো ভালো কথা বলে। কিন্তু নির্বাচনের পর আমরা কি পেলাম সেটাই বড় কথা।

সাক্ষাৎকার পাতার আরো খবর