মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০২০
মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত ও কর্মসংস্থান মুখী একটি আধুনিক ওয়ার্ড গড়তে চাইঃ কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নিউজ একাত্তর ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান কাউন্সিলরদের নির্বাচন ভাবনা, এলাকার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন , মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ভুমিকা এবং এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর আলহাজ্ব এইচ এম সোহেলএলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। সোমবার ১০ই ফেব্রুয়ারি্ বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল জানিয়েছেন, এলাকার জনগন চাইলে আবার নির্বাচন করবেন। বিশেষ করে তার কিছু কর্মপরিকল্পনা আছে সে গুলো বাস্তবায়নের জন্য। তার চলতি মেয়াদে ২৪৫ কোটি টাকার কাজ হচ্ছে তার মধ্যে ৮০ ভাগ কাজ প্রায় শেষ। বাকি কাজ গুলো চলমান আছে। তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করবে। তিনি গ্রিন সিটি ক্লিন সিটি তথা মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত ও কর্মসংস্থান মুখী একটি আধুনিক ওয়ার্ড গড়ে তুলতে চান। তিনি আরো জানান, তার চলতি মেয়াদে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে থোক ফান্ড বরাদ্ধকৃত ৭ কোটি ২৫ লক্ষ ৭৪ হাজার টাকা ব্যায়ে প্রায় ৩১টি প্রকল্পের কাজ হয়। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হল,.২,৬,৭,৮,৯,১১,১৩ ও ১৫ নং ইসলামিয়া ব্রিক ফিল্ড বাইলেইনের উন্নয়ন। আগ্রাবাদ সিঙ্গাপুর-ব্যংকক মার্কেটের সংস্কার কাজ। আগ্রাবাদ শপিং কমপ্লেক্স ভবনের অবশিষ্ট কাজ সম্প্রসারণ। নাছির খাল ছড়ার মাটি উত্তোলন কাজ। বেপারি পাড়া রুহুল আমিন চেয়ারম্যান গলির নির্মাণ কাজ। আবিদার পাড়া এলাকার মিয়া খায়ের সওদাগর বাড়ি বাইলেইনের উন্নয়ন কাজ। বেপারি পাড়া এলাকার আবুল হোসেন বাইলেইনের উন্নয়ন কাজ। বেপারি পাড়া এলাকার সিডিএ বাইলেইনের উন্নয়ন কাজ। সিডিএ আবাসিক এলাকার ২০নং রোড উচু করন কাজ। বেপারি পাড়া মাজার বাড়ি বাইলেইনের উন্নয়ন কাজ।ছোট পুল এলাকার শেখ দেওয়ান আলি লেইনের সংস্কার কাজ। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এডিপি ফান্ড বরাদ্ধকৃত ১১ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা ব্যায়ে ৫টি প্রকল্পের কাজ হয়। তার মধ্যে ৩ কোটি ৭৯ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ আবাসিক রোডের উন্নয়ন। ২ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ আবাসিক ১ নং রোডের পাশ্বের নাছির খালের রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ। ৯৫ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ আবাসিক এলাকার নালা নির্মাণ। ২ কোটি ১ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সাইফুল ইসলাম সড়ক এবং সালে আহম্মেদ সড়ক, ফয়েজ আহমেদ পেসকার লেইন, নজির মাঝি লেইন এবং সিডিএ আবাসিক এলাকার ২৩/২ রোডের উন্নয়ন। ২ কোটি ৭ লক্ষ টাকা ব্যায়ে জাফর আহমেদ রোড, বুড়ির মাজার পাশ্বের রোড, সিডিএ ১নং রোড থেকে ৩নং রোড কেজি স্কুল পর্যন্ত রাস্তার উন্নয়ন। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে থোক ফান্ড বরাদ্ধকৃত ৩১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে ২২ টি প্রকল্পের কাজ হয়। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হল আগ্রাবাদ এক্সেস রোড থেকে নালার পাড় বাজার পর্যন্ত সড়কের উন্নয়ন। জাম্ভুরি মাঠের দক্ষিন পূর্ব পাশ্বের নালা নির্মাণ। ইসলামিয়া ব্রিক ফিল্ড ৫নং রোডের উন্নয়ন। সিডিএ আবাসিক এলাকার ব্যাংক কর্মচারী নিবাসের প্রবেশ মুখে কাল্ভাট নির্মাণ। সিডিএ আবাসিক এলাকার ৭,৬,১০ নং রোডের উন্নয়ন। সিঙ্গাপুর –ব্যংকক মার্কেটের বেজইমেন্ট ফ্লোর থেকে ৫ম তলা পর্যন্ত আধুনিকায়তন। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে থোক ফান্ড বরাদ্ধকৃত ১শত ৬৩ কোটি চৌষট্টি লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা ব্যায়ে ১০টি প্রকল্পের কাজ হয়। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হল সিংগাপুর ব্যংকক মার্কেট , হাইটেক পার্ক নির্মাণ। মহেশ খালের উপর রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ। হালিশহর রোডের উন্নয়ন। সিডিএ ১,২,১৬,২৬,২৭ ও ২৯ নং রোডের উন্নয়ন। আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের উন্নয়ন। ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ড অফিসের জায়গায় বহুমুখী বহুতল ভবন নির্মাণ। চলমান প্রকল্প গুলো হল ৪ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ ২০ নং রোডস্থ মহেশ খালের উপর ব্রিজ নির্মাণ। ৭ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ ৪ নং রোডস্থ মহেশ খালের উপর ব্রিজ নির্মাণ। এছাড়া এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরন ও সম্প্রসারণ করেছেন। ড্রেন ও নালা গুলো সম্প্রসারণ ও সংস্কার করেছেন। ড্রেন ও নালা গুলো পরিস্কার করেছেন। মাদক ও সন্ত্রাসের ব্যপারে তিনি জিরো টলারেন্স। তিনি জানান, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী গঠিত কমিটি নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন। মাদক বিরোধী সভা সমাবেশ করা হয়েছে। বাস্তুহারা বস্তি উচ্ছেদ করা হেয়েছে যেখানে মাদক সহ নানা অসামাজিক কাজ হত। সেইসাথে প্রশাসনকে সাথে নিয়ে মাদক বিরোধী প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাছাড়া এলাকার ফুটপাত ৯০ ভাগ দখল মুক্ত করা হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে ওয়ার্ডের বড় নালা ও খালের ময়লা ও মাটি অপসারনে তিনি কার্যকর ভুমিকা রেখেছেন। নাছির খাল ছড়ার মাটি অপসারন করেছেন। আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের দক্ষিন পাশ্বের নালার মাটি অপসারন করেছেন। মা ও শিশু হাসপাতালের আশে পাশের সড়কের উন্নয়ন। সিডিএ আবাসিক এলাকার রোড সমুহ ও সংযোগ সেতুর উন্নয়ন কাজ করেছেন। এলাকার নালা ও ড্রেন গুলো প্রসস্থ করন ও গভীর করা হয়েছে। তাছাড়া সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে যে প্রকল্পের কাজ চলছে তা সম্পূর্ণ হলে আশা করছি আর জলাবদ্ধতা থাকবে না। তিনি জানান একসময় জলাবদ্ধতার জন্য সিডিএ আবাসিক এলাকার নিচ তলার বাসিন্দারা বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়েছিল। এখন জলাবদ্ধতা নেই তাই তারা আবার ফিরে এসেছে। তবে জোয়ারের প্রভাবে যেখানে কোমড় সমান পানি হত এখন সেখানে পায়ের পাতা সমান পানি হয়। আশা করছি জলাবদ্ধতা একেবারেই থাকবেনা। ময়লা আবর্জনা অপসারনে মেয়রের ঘোষিত ক্লিন সিটি গ্রিন সিটি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারন করার ফলে এই এলাকায় কোন ডাস্টবিন নেই। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চান। মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাবেন। এলাকার প্রতিটি অলি গলিতে এলইডি বাতির ব্যবস্থা করবেন। চলমান কাজ গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শেষ করা। হাইটেক পার্ক নির্মাণ কাজ শেষ করবেন। এর নির্মাণ কাজ শেষ হলে এখানে প্রায় ১০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে বলে মনে করেন।এলাকার গরিব ও অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো। সেইসাথে এই ওয়ার্ডকে একটি মাদ্কমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত ওয়ার্ড হিসাবে গড়ে তুলবেন। একটি কমিউনিটি সেন্টার খুলবেন যেখানে কম দামে এলাকার জনগন এটি ব্যবহার করতে পারে। পূর্বের ওয়ার্ড অফিসের ৩৩ কাঠা জমির উপর আয় বর্ধক একটি প্রকল্পের আওতায় সদরঘাটের মেমন হাসপাতালের আদলে একটি হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে।এর ফলে এলাকার লোকজন সদরঘাটের মেমন এর সুযোগ সুবিধা আগ্রাবাদে উপভোগ করতে পারে। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের বেপারিপাড়া মোড় এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা হাজী আমানুল্লাহ (৫৫) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল চলতি মেয়াদে এলাকা্র উন্নয়নে বেশ কিছু কাজ করেছেন। রাস্তা ঘাট গুলো সংস্কার করেছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে নানা মুখি কাজ করেছেন। এলাকার কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে ওনাকে আবারও সুযোগ দেওয়া দরকার বলে আমি মনে করি। ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের আগ্রাবাদ এক্সেস রোড এলাকার এক ফার্নিচার ব্যবসায়ী মোঃ জানে আলম (৪৮) জানান,বর্তমান কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল ব্যক্তি হিসাবে অনেক ভালো।এলাকায় ওনার ভালো গ্রহণযোগ্যতাও আছে। তিনি এলাকার রাস্তা ঘাটের উন্নয়নে কাজ করেছেন। আশা করছি এলাকার জনগন আবার নির্বাচিত করবে। ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের সিডিএ আবাসিক এলাকার এক কাপড় ব্যবসায়ী মোবারক হোসেন (৫২) জানান, কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল এলাকার রাস্তা ঘাটের ব্যাপক সংস্কার কাজ হয়েছে। এলাকার জনগন আবারও নির্বাচিত করবেন বলে আশা করি। ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের বেপারি পাড়া রুহুল আমিন চেয়ারম্যান গলির এক সব্জি বিক্রেতা মোঃ সাইফুল আলম (৪৬) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর একজন যোগ্য লোক। তিনি এলাকার উন্নয়নে বেশ কিছু কাজ করেছেন। তিনি আবার নির্বাচিত হবেন এতে কোন সন্দেহ নেই।
এলাকার উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে চাইঃ কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে ,নিউজ একাত্তর ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান কাউন্সিলরদের নির্বাচন ভাবনা, এলাকার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন , মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ভুমিকা এবং এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। সোমবার ১০ই ফেব্রুয়ারি্ সকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের জানিয়েছেন, এলাকার জনগন তাকে আবার নির্বাচন করার জন্য চাপ দিচ্ছেন। তাই জনগনকে সেবা দিতে আগামী নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হবেন। তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করবে। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে জনগনের ক্ষমতায়ন শেখ হাসিনার দর্শন এই দর্শনকে সামনে রেখে ঘোষিত রূপকল্প ২০২০ আলোকে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা। তিনি আরো জানান, তার এলাকায় সর্বমোট প্রায় ৩৫ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকা টাকা ব্যায়ে ১৭টি প্রকল্পে উন্নয়ন কাজ হয়েছে। এবং বেশ কিছু প্রকল্প চলমান আছে। উল্লেখযোগ্য কাজ গুলো হল ৭ কোটি টাকা ব্যায়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ। ২ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা ব্যায়ে মাঝিরঘাট থেকে কদমতলী নোয়াখালী বাস স্ট্যান্ড মোড় পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার কাজ। প্রায় ৫ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা ব্যায়ে শুভপুর স্ট্যান্ড থেকে বারিক বিল্ডিং পর্যন্ত তিনটি বড় ড্রেন নির্মাণসহ রাস্তার সংস্কার কাজ। ৮৫ লক্ষ টাকা ব্যায়ে রশিদ মাষ্টার লেইন গন্ডারিয়া পাড়ার রাস্তা সংস্কার কাজ। ৯০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে টং ফকির মাজার লেইনের রাস্তা সংস্কার কাজ। ১ কোটি টাকা ব্যায়ে বরই গাছ থেকে ২নং গলি এবং নাজিম উদ্দিন লেইনসহ রাস্তা সংস্কার কাজ। ১নং গলি থেকে চট্রলা বেকারী পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার কাজ। ৪০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে বায়তুল জান্নাত মসজিদ আলো সিঁড়ি ক্লাব রাস্তা সংস্কার ও নর্দমা সংস্কার কাজ। ৯৫ লক্ষ টাকা ব্যায়ে উদয়ন গলির মুখ থেকে শেষ মাথা পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার নর্দমা সংস্কার কাজ। ২২ লক্ষ টাকা ব্যায়ে এস আর বি/ কাচার্যা লি রাস্তা সংস্কার ও নর্দমা সংস্কার কাজ। ৮০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে আলি ফজর মেম্বার বাড়ির মুখ থেকে নজু ফকির মাজার বড় লেইনের রাস্তা সংস্কার ও বড় নালা আরসিসি ঢালাই এর কাজ। চলমান প্রকল্প গুলো হল হাজী বাদশা মিয়ার বাড়ির রাস্তা সংস্কার কাজ। দক্ষিন মাদারবাড়ি ফকির পাড়া স্ট্যান্ড রোড এর সংস্কার কাজ। ঝাড়ু গলি বাই লেইনের সংস্কার কাজ। কদমতলি রওশন মসজিদ লেইনের সংস্কার কাজ। হাজী এনায়েত আলি সর্দারের বাড়ির রাস্তা সংস্কার কাজ। এছাড়া এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরন ও সম্প্রসারণ করেছেন। ড্রেন ও নালা গুলো সম্প্রসারণ ও সংস্কার করেছেন। ড্রেন ও নালা গুলো পরিস্কার করেছেন। মাদক ও সন্ত্রাস ব্যপারে তিনি জিরো টলারেন্স। তিনি জানান, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী গঠিত কমিটি নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন। মাদকের আখড়া বরিশাল কলোনি উচ্ছেদ করে সেখানে এতিমদের জন্য একটি মাদ্রাসা নির্মাণ করা হয়েছে। মাদক বিরোধী মানব্বন্ধন করা হয়েছে। সেইসাথে প্রশাসনকে সাথে নিয়ে মাদক বিরোধী প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে ওয়ার্ডের বড় নালা ও খালের ময়লা ও মাটি অপসারনে তিনি কার্যকর ভুমিকা রেখেছেন। রশিদ মাষ্টার লেইন ও মাঝির ঘাট উদয়ন গলিতে কিছু জোয়ারের পানি আসে। গুলজার খালের খনন কাজ চলছে। এর ফলে জোয়ারের পানি দ্রুত নেমে যাবে। তাছাড়া সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে যে প্রকল্পের কাজ চলছে তা সম্পূর্ণ হলে আশা করছি সামনের দিন গুলিতে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না। ময়লা আবর্জনা অপসারনে মেয়রের ঘোষিত ক্লিন সিটি গ্রিন সিটি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারন করার ফলে এই এলাকায় কোন ডাস্টবিন নেই। প্রতিদিন পরিচ্ছন্ন কর্মীরা ময়লা অপসারনে কাজ করে যাচ্ছে। এই ওয়ার্ড অনেকটাই ময়লা আবর্জনা মুক্ত বলা চলে। মানুষের অসচেতনার জন্য কিছুটা সমস্যা হয়।তবে আমরা শত ভাগ ময়লা অপসারণে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চান। মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাবেন। এলাকার প্রতিটি অলি গলিতে সড়ক বাতির ব্যবস্থা করা। চলমান কাজ গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শেষ করা। এলাকার গরিব ও অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো। সেইসাথে এই ওয়ার্ডকে একটি মাদ্কমুক্ত, ইভটিজিং মুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত ওয়ার্ড হিসাবে গড়ে তুলবেন। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের শুভপুর বাস স্ট্যান্ড রোড এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা মইজ ঊদ্দিন (৪৮) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের ভাই চলতি মেয়াদে এলাকা্র উন্নয়নে বেশ কিছু কাজ করেছেন। রাস্তা ঘাট গুলো সংস্কার করেছেন ও কারপেটিং এর কাজ করেছেন। মাদক নির্মূলেও কাজ করেছেন। এলাকার কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে ওনাকে আবারও সুযোগ দেওয়া দরকার বলে আমি মনে করি। ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকার এক মেশিনারি ব্যবসায়ী মোঃ সাইফুল আলম (৫৩) জানান,বর্তমান কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের ব্যক্তি হিসাবে অনেক ভালো।এলাকায় ওনার ভালো গ্রহণযোগ্যতাও আছে। তিনি এলাকার রাস্তা ঘাটের উন্নয়নে কাজ করেছেন। আশা করছি এলাকার জনগন আবার নির্বাচিত করবে। ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের মাদার বাড়ি এলাকার এক লৌহ ব্যবসায়ী জাবের হোসেন (৫৫) জানান, কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের ভাই এলাকার রাস্তা ঘাটের ব্যাপক সংস্কার কাজ হয়েছে। এলাকার জনগন আবারও নির্বাচিত করবেন বলে আশা করি। ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের রেল গেইট এলাকার এক চা বিক্রেতা মোঃ সামছুউদ্দিন (৪৩) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর একজন যোগ্য লোক। তিনি এলাকার উন্নয়নে বেশ কিছু কাজ করেছেন। তিনি আবার নির্বাচিত হবেন এতে কোন সন্দেহ নেই। আমিও ব্যাক্তিগত ভাবে ওনাকে পছন্দ করি।
এলাকার উন্নয়ন ও মাদক নির্মূলে কাজ করাটাই আমার একমাত্র চাওয়াঃ কাউন্সিলর তারেক সোলেমান সেলিম
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে ,নিউজ একাত্তর ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান কাউন্সিলরদের নির্বাচন ভাবনা, এলাকার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন , মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ভুমিকা এবং এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩১ নং আলকরন ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর তারেক সোলেমান সেলিম এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। সোমবার ৩ ফেব্রুয়ারি্ দুপুরে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। কাউন্সিলর তারেক সোলেমান সেলিম জানিয়েছেন, তিনি সংগঠন করেন তাই সংগঠনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ও এলাকার জনগন চাইলে তিনি আগামী নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হবেন। তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করবে। তিন একটানা চার টার্ম ধরে কাউন্সিলর হিসাবে কাজ করছেন। বিগত তিন মেয়াদে যে পরিমান কাজ হয় নাই চলতি মেয়াদে অনেক বেশি কাজ হয়েছে। এলাকার উন্নয়ন ও মাদক নির্মূলে কাজ করাটাই আমার একমাত্র চাওয়া। তিনি আরো জানান, বর্তমান মেয়রের সহায়তায় চলতি মেয়াদে তার এলাকায় সর্বমোট প্রায় ২৫ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পে উন্নয়ন কাজ হয়েছে। উল্লেখযোগ্য কাজ গুলো হল এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরন ও সম্প্রসারণ করেছেন। সকল কাঁচা রাস্তা গুলো পাকাকরনের কাজ করছেন। ড্রেন ও নালা গুলো সম্প্রসারণ ও সংস্কার করেছেন। রাস্তায় ব্যপক আলোকায়নের ব্যবস্থা করেছেন। এলাকার প্রতিটি সড়ক সংস্কার করেছেন। ড্রেন ও নালা গুলো পরিস্কার করেছেন। বিশেষ করে অভয়মিত্রঘাটে নতুন ব্রিজ স্থাপন ও ব্রিজ সংগ্লগ্ন রাস্তা সংস্কার , ওয়াকওয়ে নির্মাণ ও বিনোদনের উপযোগী করা হয়েছে। কবি নজরুল ইসলাম রোড এর উভয় পাশে নতুন ড্রেন নির্মাণ ও সম্প্রসারণ। ফলমন্ডি থেকে নিউ মার্কেট পর্যন্ত ও স্টেশন রোড এর দক্ষিন পাশে নতুন ড্রেন নির্মাণ। নিউ মার্কেট মোড়ে স্বাধীনতা স্থম্ভ নির্মাণ যেটি কামাল চত্ত্বর নামে পরিচিত। আলকরন মোড়ে আলকরন চত্ত্বর নির্মাণ ও সজ্জিতকরন। সদরঘাট রোড থেকে কবি নজরুল ইসলাম মোড় ও সাইকেল পার্টস রোড থেকে নিউ মার্কেট পর্যন্ত সড়কের উন্নয়ন ও কারপেটিং। স্টেশন রোড এর ফুট ওভার ব্রিজ সংস্কার ও টাইলস বসানো। নিউ মার্কেট রোড এলাকার জলসা মার্কেটের এর সামনের ফুট ওভার সংস্কার। আলকরন ওয়ার্ডের ছোট ছোট গলি-উপগলি কারপেটিং ও সিসি ঢালাই কাজ। সড়কে ব্যাপক আলোকায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পূর্বে বেশ কিছু এলাকায় ডাস্টবিন ছিল যারফলে মানুষকে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হত। বিশেষ করে স্টেশন রোড ,জুবলী রোড, অপর্ণাচরন স্কুল, রিয়াজ উদ্দিন বাজার ও এর আশপাশ এলাকা। এখন ডাস্টবিন গুলো সরিয়ে নেয়া হয়েছে। ময়লা আবর্জনা অপসারনে মেয়রের ঘোষিত ক্লিন সিটি ও গ্রিন সিটি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারনের ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে। চট্টগ্রামের বৃহত্তর পাইকারী বাজার রিয়াজুদ্দিন বাজারের ও ফলগলির সামনের বড় ডাস্টবিন অপসারণ। বাজার ও এলাকার ভিতরের ডাস্টবিন অপসারণ। ডোর টু ডোর ময়লা অপসারণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তবে জনসচেতনতার অভাবে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারনে অনেকটা বেগ পেতে হয়। তাই ক্লিন সিটি ও গ্রিন সিটি বাস্তবায়নে জনগনের সচেতনতা জরুরি। রিয়াজ উদ্দিন বাজারের জলজট নিরসনে নালার মাটি অপসারন ও সংস্কার। স্টেশন রোড থেকে নিউ মার্কেট পর্যন্ত ড্রেন সম্প্রসারন ও মেরামত করা হয়েছে। মাদক ও সন্ত্রাস ব্যপারে তিনি জিরো টলারেন্স। মাদক নিয়ন্ত্রনের জন্য জনসচেতনতার কোন বিকল্প নেই। তাই জনসচেতনতা তৈরি ও মাদক নিয়ন্ত্রনের জন্য উঠান বৈঠক ও সভা সমাবেশ করেছি। সেই সাথে প্রশাসনকে ও সহযোগিতা করেছি মাদক নির্মূলে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের একটি আইন শৃঙ্খলা স্ট্যান্ডিং কমিটি আছে। এই স্ট্যান্ডিং কমিটি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৪১টি ওয়ার্ডে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, শিক্ষক, ছাত্র, সমাজের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের উপস্থিতিতে সভা সমাবেশ করা হয়েছে। তিনি জানান, আগামী ৬ তারিখ বিকালে লালদিঘী মাঠে মেয়র মহোদয় এর উদ্দ্যেগে চসিক ৪১ ওয়ার্ড এর সমন্বয়ে একটি মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী বিশাল এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে উপস্থিত থাকবে সকল প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ ও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ। এই সমাবেশ থেকে মেয়র মহোদয় মাদক ও সন্ত্রাস এর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করবেন বলেও জানান। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চান। মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাবেন। ওয়ার্ডকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত একটি মডেল ওয়ার্ডে রুপান্তরিত করবেন। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ৩১ নং আলকরন ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ৩১ নং আলকরন ওয়ার্ডের সাইকেল পার্টস রোড এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেন (৪৬) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর তারেক সোলেমান সেলিম ভাই এই নিয়ে চার টার্ম কাউন্সিলর হসাবে কাজ করছেন। তিনি বিগত সময়ের চেয়ে এই চলতি মেয়াদে এলাকা্র উন্নয়নে বেশ কিছু কাজ করেছেন। রাস্তা ঘাট গুলো সংস্কার করেছেন ও কারপেটিং এর কাজ করেছেন। মাদক নির্মূলে ওনি মোটামুটি কাজ করেছেন। তাকে আবারও সুযোগ দেওয়া দরকার কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে।আগামী নির্বাচনে আবারও নির্বাচিত হবে বলে আশা করি। ৩১ নং আলকরন ওয়ার্ডের স্টেশন রোড এলাকার এক হোটেল ব্যবসায়ী মোঃ সাইদুজ্জামান খালেদ (৪৭) জানান,বর্তমান কাউন্সিলর তারেক সোলেমান সেলিম ব্যক্তি হিসাবে অনেক ভালো।এলাকায় ওনার যেমন প্রভাব আছে তেমনি গ্রহণযোগ্যতাও আছে। তিনি এলাকার রাস্তা ঘাটের উন্নয়নে কাজ করেছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন ও নালা গুলোর সংস্কার করেছেন। আশা করছি এলাকার জনগন আবার নির্বাচিত করবে। ৩১ নং আলকরন ওয়ার্ডের নিউ মার্কেট এলাকার এক কাপড় ব্যবসায়ী মোঃ সাইদ (৪৮) জানান, কাউন্সিলর তারেক সোলেমান সেলিম ভাই এই এলাকার সন্তান। তাছাড়া তিনি বেশ কয়েকবার নির্বাচিত হয়েছেন।এলাকার রাস্তা ঘাটের ব্যাপক সংস্কার কাজ হয়েছে। তিনি আবারও নির্বাচিত হবেন বলে আশা করি।
আমি আজীবন বিনা পারিশ্রমিকে এলাকার জনগণকে সেবা দিয়ে যেতে চাইঃ কাউন্সিলর মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী
১০ফেব্রুয়ারী,সোমবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নিউজ একাত্তর ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান কাউন্সিলরদের নির্বাচন ভাবনা, এলাকার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন , মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ভুমিকা এবং এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩০ নং পূর্ব মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। রবিবার ৯ই ফেব্রুয়ারি দুপুরে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। কাউন্সিলর কাউন্সিলর মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী জানিয়েছেন, তিনি আগামী নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হবেন। তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করবে। তিনি আজীবন বিনা পারিশ্রমিকে এলাকার জনগণকে সেবা ও ভালোবাসা দিয়ে যেতে চাই। তিনি আরো জানান, তার এলাকার আয়তন ০.৪২২ বর্গমাইল, জনসংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ও হোল্ডিং সংখ্যা চার হাজার। পুরুষ ও মহিলা মিলে ভোটার সংখ্যা ৩৭ হাজার ২৫০ জন। তার এলাকায় সর্বমোট প্রায় ২৬ কোটি টাকা ব্যায়ে ৪১টি প্রকল্পে উন্নয়ন কাজ হয়েছে। উল্লেখযোগ্য কাজ গুলো হল এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরন ও সম্প্রসারণ করেছেন। সকল কাঁচা রাস্তা গুলো পাকাকরনের কাজ করছেন। ড্রেন ও নালা গুলো সম্প্রসারণ ও সংস্কার করেছেন। এলাকার প্রতিটি সড়ক সংস্কার করেছেন। ড্রেন ও নালা গুলো পরিস্কার করেছেন। মাদক ও সন্ত্রাস ব্যপারে তিনি জিরো টলারেন্স। তিনি জানান, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ভূমিকা রাখার দরুন বরিশাল কলোনী, বাস্থহারা কলোনী ও মাইল্যার বিল এলাকা থেকে মাদক ও সন্ত্রাস স্ব-মুলে উচ্ছেদ করতে সক্ষম হন। তাছাড়া প্রতিমাসে মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী গঠিত কমিটি নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন বলেও জানান। জলাবদ্ধতা নিরসনে ওয়ার্ডের বড় নালা ও খালের ময়লা ও মাটি অপসারনে তিনি ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে ও কর্পোরেশনের সহযোগিতায় কার্যকর ভুমিকা রেখেছেন। স্ট্যান্ড রোড ও মাঝির ঘাট এলাকায় দুটি ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে। আশা করছি সামনের দিন গুলিতে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না। ময়লা আবর্জনা অপসারনে মেয়রের ঘোষিত ক্লিন সিটি গ্রিন সিটি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারন করার ফলে এই এলাকায় কোন ডাস্টবিন নেই। তিনি জানান, এই ওয়ার্ডটি একটি নিন্ম আয়ের মানুষের বসবাস। বিশেষ করে, বিভিন্ন শ্রেনীর লেবার, গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেশির ভাগ লোক এখানে বাস করে। এলাকার গরীব অসহায় শিক্ষার্থীদের কে স্কুল, কলেজে ভর্তি ও লেখা পড়ার জন্য আর্থিক ও প্রশাসনিক সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছি। প্রাপ্ত বয়স্ক গরিব অসহায় অবিবাহিত মেয়েদের বিবাহের জন্য আর্থিক সহায়তা করেন। তাছাড়া ওয়ার্ড কার্যালয় থেকে প্রদত্ত সেবা সমুহ অতি দ্রুততার সাথে ও সম্পূর্ণ বিনামুল্যে জনসাধারনকে সেবা দেওয়া হয়। এলাকার সন্মানিত ও নির্বাচিত ১০জন সর্দার দের উপস্থিতিতে প্রতি শনিবার সালিশি কার্যক্রম সম্পাদন করেন। এই পর্যন্ত প্রায় ১১০টি বিচার কাজ সম্পাদন করেন। প্রতি শনিবার বিনামুল্যে চিকিৎসা সেবা ও ফ্রি চিকিৎসা সামগ্রী বিতরন করে থাকেন। মেয়রের অনুমতি ক্রমে ওয়ার্ড অফিসের নিচতলায় একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র স্থাপন করেন। যেখানে ডাক্তার তাহমিদা ফাতেমা হোসাইন ও ডাক্তার আশিকুল ইসলাম প্রতি শনিবার তাদের স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে থাকেন। ওয়ার্ডে ন্যায্যমূল্যের দোকান চালু রেখেছেন যেখানে প্রতি কেজি চাল ২০ টাকা দরে ও পেঁয়াজ ৩৫ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চান। মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাবেন। ওয়ার্ডকে শিক্ষামুখি একটি মডেল ওয়ার্ডে রুপান্তরিত করবেন। তিনি এলাকার শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করে যাবেন । এলাকায় একটি বয়েস উচ্চ বিদ্যালয় গড়ে তুলবেন। যার জন্য ইতিমধ্যে একটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। ওনার নিজস্ব ১৪ কাঠা একটা জমি আছে সেখানে এই স্কুল নির্মাণ করবেন বলে জানান। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ৩০ নং পূর্ব মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ফ্রি চিকিৎসা কেন্দ্রে কর্মরত ডাক্তার তাহমিদা ফাতেমা হোসাইন (৩২) এর সাথে কথা হয় প্রতিবেদকের সাথে, ডাক্তার তাহমিদা জানান সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তিনি এই ফ্রি চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এই এলাকার বেশির ভাগ লোক গরীর। ওরা বাইরে গিয়ে টাকা খরচ করে ভালো ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা সেবা নিতে পারে না। তাই এই গরিব অসহায় মানুষদের কথা চিন্তা করে ওদের ফ্রি সেবা দিচ্ছি সাথে প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী প্রদান করি। তিনি আরো জানান, বর্তমান কাউন্সিলর আমার শ্বশুর তিনি যেমন সমাজের সেবা করে যাচ্ছেন তেমনি আমি ও আমার স্বামী ডাক্তার আশিকুল ইসলাম এলাকাবাসীর সেবা করে যাচ্ছি। সমাজের প্রতিটি মানুষকে তার নিজ নিজ অবস্থান থেকে এইভাবে এগিয়ে আসা উচিত বলেও মনে করেন তিনি। ৩০ নং পূর্ব মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের দারোগার হাট রোড এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা কফিল ঊদ্দিন (৪৯) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী ভাই চলতি মেয়াদে এলাকার উন্নয়নে বেশ কিছু কাজ করেছেন। রাস্তা ঘাট গুলো সংস্কার করেছেন ও কারপেটিং এর কাজ করেছেন। মাদক নির্মূলে ওনি মোটামুটি কাজ করেছেন। তাকে আবারও সুযোগ দেওয়া দরকার কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে। আগামী নির্বাচনে আবারও নির্বাচিত হবে বলে আশা করি। ৩০ নং পূর্ব মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের এজাজ কলোনি এলাকার এক ক্রোকারিজ ব্যবসায়ী মোঃ মনির হোসেন (৪৫) জানান,বর্তমান কাউন্সিলর মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী ব্যক্তি হিসাবে অনেক ভালো। এলাকায় ওনার ভালো গ্রহণযোগ্যতাও আছে। তিনি এলাকার রাস্তা ঘাটের উন্নয়নে কাজ করেছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন ও নালা গুলোর সংস্কার করেছেন। আশা করছি এলাকার জনগন আবার নির্বাচিত করবে। ৩০ নং পূর্ব মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের মাঝির ঘাট এলাকার এক কাঁচামাল ব্যবসায়ী আব্দুল হাই (৫৪) জানান, কাউন্সিলর মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী ভাই এই এলাকার সন্তান। তাছাড়া তিনি এলাকার রাস্তা ঘাটের ব্যাপক সংস্কার কাজ হয়েছে। ওনি ওনার ছেলে ও ছেলের বউকেও এলাকা বাসির সেবায় নিয়োজিত করেছেন। এলাকার জনগন আবারও নির্বাচিত করবেন বলে আশা করি। ৩০ নং পূর্ব মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের স্ট্যান্ড রোড এলাকার এক স্থানীয় বাসিন্দা মরিয়ম বেগম(৫২) জানান, ভাই আমি এক কথায় বলবো বর্তমান কাউন্সিলর একজন যোগ্য লোক। তিনি কাউকে নিরাশ করেন না। এলাকার জনসাধারন যেকোন সেবা ও সহযোগিতার তার কাছ থেকে পায়। তাকে আবারও নির্বাচিত করা উচিৎ।
শেষ একটি বার সুযোগ চাই এলাকার জনগনের সেবা করার: কাউন্সিলর মোঃ আজম
০৪ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নিউজ একাত্তর ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান কাউন্সিলরদের নির্বাচন ভাবনা, এলাকার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন , মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ভুমিকা এবং এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৫ নং মোহরা ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। রবিবার ২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম জানিয়েছেন, এলাকার জনগন চাইলে তিনি আগামী নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হবেন। তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করবে। এই বারের পর তিনি আর নির্বাচন করবেন না। তিনি চান আগামীতে নতুন নেতৃত্ব আসুক। এইবার নির্বাচন করতে চান এইজন্য যে,তার কিছু অসমাপ্ত কাজ আছে সেগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য। তিনি আরো জানান, এলাকার জনগন বেশী কিছু চায় না। তারা চায় সড়ক আলোকায়ন, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা, রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসন। তিনি চেষ্টা করেছেন এলাকার মানুষকে তাদের চাহিদা পুরন করতে। তিনি একটানা দুই টার্ম ধরে কাউন্সিলর হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান মেয়রের সহায়তায় চলতি মেয়াদে তার এলাকায় সর্বমোট ১০০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পে উন্নয়ন কাজ হয়েছে। যার সুফল এলাকার জনগন ভোগ করছে। উল্লেখযোগ্য কাজ গুলো হল এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরন ও সম্প্রসারণ করেছেন। সকল কাঁচা রাস্তা গুলো পাকাকরনের কাজ করছেন। ড্রেন ও নালা গুলো সম্প্রসারণ ও সংস্কার করেছেন। রাস্তায় ব্যপক এলইডি বাল্ব স্থাপন করেছেন। এলাকার প্রতিটি সড়ক সংস্কার করেছেন। ড্রেন ও নালা গুলো পরিস্কার করেছেন। ময়লা আবর্জনা অপসারনে মেয়রের ঘোষিত ক্লিন সিটি ও গ্রিন সিটি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারনের ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে। তিনি জানান, ২০১৫ সালে দয়িত্ব নেয়ার সময় মাত্র ১৫ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়ে পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু করেছিলেন বর্তমানে প্রায় ৫৬ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী পরিচ্ছন্নতার কাজ করে যাচ্ছে। যেখানে আমার ওয়ার্ডের আয়তন ৬ কিলোমিটার এবং স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ লোকের বসবাস। এই ওয়ার্ডে ছোট বাজারগুলো বাদ দিয়ে সিটি কর্পোরেশনের গেজেটভুক্ত দুইটি বড় বাজার আছে কামাল বাজার ও কাজির হাট বাজার। কালুর ঘাট ভারী শিল্প এলাকাও এই ওয়ার্ডের অন্তভুক্ত। সবমিলিয়ে অনেক বড় একটি ওয়ার্ড। তবুও এই ওয়ার্ড অনেকটাই আবর্জনা মুক্ত একটি ওয়ার্ড। মাদক ও সন্ত্রাস ব্যপারে তিনি জিরো টলারেন্স। মাদক নিয়ন্ত্রনের জন্য জনসচেতনতার কোন বিকল্প নেই। তাই জনসচেতনতা তৈরি ও মাদক নিয়ন্ত্রনের জন্য উঠান বৈঠক ও সভা সমাবেশ করেছি। সেই সাথে প্রশাসনকে ও সহযোগিতা করেছি মাদক নির্মূলে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের একটি আইন শৃঙ্খলা স্ট্যান্ডিং কমিটি আছে। এই স্ট্যান্ডিং কমিটি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৪১টি ওয়ার্ডে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, শিক্ষক, ছাত্র, সমাজের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের উপস্থিতিতে সভা সমাবেশ করা হয়েছে। তিনি জানান, আগামী ৬ তারিখ বিকালে লালদিঘী মাঠে মেয়র মহোদয় এর উদ্দ্যেগে ৪১ ওয়ার্ড এর সমন্বয়ে একটি মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী বিশাল এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে উপস্থিত থাকবে সকল প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ ও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ। এই সমাবেশ থেকে মেয়র মহোদয় মাদক ও সন্ত্রাস এর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করবেন বলেও জানান। জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন ও নালা গুলো সম্প্রসারণ ও সংস্কার করেছেন। তাছাড়া চট্টগ্রাম উন্নয়ন কতৃপক্ষ(সিডিএ ) পাঁচ হাজার ছয় শত কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। যেটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আশা করছি এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এলাকায় জলাবদ্ধতা হ্রাস পাবে। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি তার উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখবেন। মাদক ও সন্ত্রাস সমাজের একটি ব্যাধি তাই এলাকার জনগণকে সাথে নিয়ে মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাবেন। ওয়ার্ডকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত একটি মডেল ওয়ার্ডে রুপান্তরিত করবেন। তাছাড়া এলাকায় একটি বৃদ্ধাশ্রম করার পরিকল্পনা আছে। সেইসাথে সনাতন ধর্মীদের জন্য একটি মহাশ্মশান করা। তবে মহাশ্মশান করার কাজ চলতি মেয়াদে সম্পন্ন করার জন্য অনেক দূর এগিয়েছিলেন এর মধ্যে টেন্ডার ,ওয়ার্ক অডার পর্যন্ত হয়েছিল কিন্তু সনাতন ধর্মী কিছু লোকের অসহযোগিতার কারনে করা হয় নাই। তবে তিনি আশাবাদী আগামীতে এটি বাস্তবায়ন করবেন। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ৫ নং মোহরা ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ৫ নং মোহরা ওয়ার্ডের কামাল বাজার এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম (৪২) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর আজম ভাই এলাকার উন্নয়নে বেশ কিছু কাজ করেছেন। রাস্তা ঘাট গুলো সংস্কার করেছেন ও কারপেটিং এর কাজ করেছেন। মাদক নির্মূলে ওনি মোটামুটি কাজ করেছেন। তিনি একটানা দুই টার্ম ধরে কাজ করছেন। তাকে আবারও সুযোগ দেওয়া দরকার কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে। আগামী নির্বাচনে আবারও নির্বাচিত হবে বলে আশা করি। ৫ নং মোহরা ওয়ার্ডের বাহির সিগন্যাল এলাকার এক ক্রোকারিজ ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম সুমন (৩৮) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর আজম ভাই ব্যক্তি হিসাবে ভালো এলাকায় ওনার প্রভাব আছে। এলাকার রাস্তা ঘাটের পাকাকরনের কাজ করেছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন ও নালা গুলোর সংস্কার করেছেন। আশা করছি এলাকার জনগন আবার নির্বাচিত করবে। ৫ নং মোহরা ওয়ার্ডের কাজির হাট এলাকার এক হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী মোঃ খালেকুজ্জামান (৫৪) জানান, আমাদের এলাকায় জলাবদ্ধতার সমস্যা আছে। তবে বেশ কিছু কাজ হয়েছে তাছাড়া সেনাবাহিনী ও জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি প্রকল্পের কাজ করছে, আশা করছি আগামী বর্ষায় আর জলাবদ্ধতার সমস্যা তেমন হবে না। রাস্তা ঘাটের ব্যাপক সংস্কার কাজ হয়েছে। বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ আজম বিগত দুই টার্ম ধরে ধারাবাহিক ভাবে কাউন্সিলর হিসাবে কাজ করছেন। তিনি আবারও নির্বাচিত হবেন বলে আশা করি।
ওয়ার্ডকে তরুণ প্রজন্মের জন্য উপযোগী করে গড়ে তুলবো: কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন হিরন
৩০জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নিউজ একাত্তর ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান কাউন্সিলরদের নির্বাচন ভাবনা, এলাকার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন , মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ভুমিকা এবং এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নং পাহাড়তলি ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন হিরন এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। বুধবার ২৯শে জানুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন হিরন জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন গুলো এখন দলীয় সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে। তাই দল থেকে মনোনয়ন দিলে অবশ্যই নির্বাচন করবেন। তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করবে। তিনি ওয়ার্ডেকে তরুন প্রজন্মের উপযোগী একটি ওয়ার্ড হিসাবে গড়ে তুলবেন। তিনি আরো জানান, তিনি একটানা চার টার্ম ধরে কাউন্সিলর হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান মেয়রের সহায়তায় তার চলতি মেয়াদে এলাকায় সর্বমোট ১৪০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পে উন্নয়ন কাজ হয়েছে। যা একটি উপজেলাতে ও এমন বরাদ্ধের কাজ হয় না। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরন ও সম্প্রসারণ করেছেন। সকল কাঁচা রাস্তা গুলো পাকাকরনের কাজ করছেন। ড্রেন ও নালা গুলো সম্প্রসারণ করেছেন। রাস্তায় ব্যপক এলইডি বাল্ব স্থাপন করেছেন। এলাকার সড়ক গুলো সংস্কার করেছেন। বেশকিছু ড্রেন নতুন ভাবে করেছেন। মেয়রের ঘোষিত ক্লিন সিটি ও গ্রিন সিটি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। এই ওয়ার্ড একটি ময়লা আবর্জনা মুক্ত ওয়ার্ডে রুপান্তরিত করা হবে। মাদক ও সন্ত্রাস ব্যপারে তিনি জিরো টলারেন্স। মাদক নিয়ন্ত্রনে বেশ কয়েকটি সংস্থা আছে যাদের নৈতিক দায়িত্ব মাদক নিয়ন্ত্রন। মাদক নিয়ন্ত্রনের জন্য জনসচেতনতার কোন বিকল্প নেই। তাই জনসচেতনতা তৈরি ও মাদক নিয়ন্ত্রনের জন্য উঠান বৈঠক ও সভা সমাবেশ করেছি। সেই সাথে প্রশাসনকে ও সহযোগিতা করেছি মাদক নির্মূলে। তিনি জানান, ২৫ কোটি টাকা ব্যায়ে বিভিন্ন ড্রেন সম্প্রসারন, নালা ও খাল সংস্কার করেছেন । ড্রেন সম্প্রসারন ও পরিষ্কার করার ফলে এখন আর তেমন জলাবদ্ধতা হয় না। এই ওয়ার্ডের অনেক অংশ উঁচু তারপরও একসময় এখানে বর্ষা মৌসুমে কোমড় সমান পানি জমে থাকত। বিশেষ করে ছিন্নমুল বস্তি, আমবাগান কলোনি, মাস্টার লেইন, একসিএম কলোনি এলাকায় ব্যপক জলাবদ্ধতা হত। ব্যাপক ভাবে ড্রেন সম্প্রসারন ও সংস্কার করনের ফলে আশা করছি আগামীতে আর জলাবদ্ধতা হবে না। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি তার কাজের ধারা অব্যহত রাখবেন। ওয়ার্ডকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত একটি মডেল ওয়ার্ডে রুপান্তরিত করবেন। তিনি তার ওয়ার্ডকে তরুন প্রজন্মের জন্য উপযোগী করে গড়ে তুলবেন। তার আগামীর পরিকল্পনা থাকবে তরুণ প্রজন্মকে নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে কাউন্সিলিং এর ব্যবস্থা করবেন। তার এলাকায় পাঁচটি স্কুল আছে এই স্কুল গুলোতে প্রচার প্রচারনার মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে দেশ প্রেম ও সত্যিকার সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার অনুপ্ররনা জোগানোর জন্য কাজ করে যাবেন। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ১৩ নং পাহাড়তলি ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ১৩ নং পাহাড়তলি ওয়ার্ডের রেলগেইট এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা মাজেদুল হক (৫২) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর হিরন সাহেব এলাকার উন্নয়নে অনেক করেছেন। রাস্তা ঘাট গুলো সংস্কার করেছেন ও কারপেটিং এর কাজ করেছেন। মাদক নির্মূলে ওনি কাজ করেছেন। তিনি একটানা চার টার্ম ধরে কাজ করছেন। আগামী নির্বাচনে আবারও নির্বাচিত হবে বলে আশা করি। ১৩ নং পাহাড়তলি ওয়ার্ডের আমবাগান কলোনি এলাকার এক কাঁচামাল ব্যবসায়ী আইয়ুব খান (৪৭) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর ব্যক্তি হিসাবে মোটামুটি ভালো। এলাকার রাস্তা ঘাটের পাকাকরনের কাজ করেছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন ও নালা গুলোর সংস্কার করেছেন। আশা করছি আমাদের কলোনি জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাব। তিনি মাদক নিয়ন্ত্রনে ও অনেক সভা সমাবেশ করেছেন। বিভিন্ন প্রয়োজনে ওনাকে পাশে পাওয়া যায়। ১৩ নং পাহাড়তলি ওয়ার্ডের মাষ্টার লেইন এলাকার এক স্থানীয় বাসিন্দা হাজী মোঃ করিমুল্লা (৫৯) জানান, আমাদের এলাকায় জলাবদ্ধতার সমস্যা আছে। তবে বেশ কিছু কাজ হয়েছে আশা করছি আগামী বর্ষায় আর জলাবদ্ধতা হবে না। রাস্তা ঘাটের ব্যাপক সংস্কার কাজ হয়েছে। সন্ত্রাস ও মাদকের সমস্যা থেকে পুরো পুরি মুক্ত নয় আমাদের এলাকা। বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ হোসেন হিরন বিগত কয়েক টার্ম ধরে ধারাবাহিক ভাবে কাউন্সিলর হিসাবে আছেন। আমি মনে করি বর্তমান কাউন্সিলর এলাকায় উন্নয়ন কাজ করেছেন। তিনি আবারও নির্বাচিত হবেন বলে আশা করি।
আমার ওয়ার্ডকে চট্টগ্রামের সবচেয়ে উন্নত ও পরিচ্ছিন্ন ওয়ার্ডে রুপান্তর করবঃ কাউন্সিলর মোরশেদ
২৮জানুয়ারী,মঙ্গলবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নিউজ একাত্তর ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান কাউন্সিলরদের নির্বাচন ভাবনা, এলাকার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন , মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ভুমিকা এবং এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৮ নং শুলকবহর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ মোরশেদ আলম এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। সোমবার ২৭শে জানুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। কাউন্সিলর মোঃ মোরশেদ আলম জানিয়েছেন, জনগনের আশা প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে তিনি আবার নির্বাচন করবেন। বিগত নির্বাচনে এলাকা বাসীকে দেয়া প্রতিশ্রুতি পালন করেছেন। শতভাগ চেষ্টা করেছেন এলাকা বাসীর প্রত্যাশা পুরন করতে। যা জনগন বিচার করবে। তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করে সেবা করার সুযোগ দিবে। এই ওয়ার্ডকে চট্টগ্রামের সবচেয়ে উন্নত ও পরিচ্ছিন্ন ওয়ার্ডে রুপান্তর করবেন । তিনি আরো জানান, এই ওয়ার্ড অনেক বড় যার আয়তন ৪.৬৫ বর্গ কিলোমিটার। এখানে ভোটারের সংখ্যা একলক্ষ তেইশ হাজার। এই ওয়ার্ড একটি জনবহুল ও সমৃদ্ধ ওয়ার্ড। এই শুলকবহর ওয়ার্ডের সাক্ষরতার হার ৭৩.৭২%।এ ওয়ার্ডে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ছাড়াও রয়েছে ২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, ১টি কারিগরী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৫টি কলেজ, ১১টি স্কুল এন্ড কলেজ, ৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ২০১৫ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে প্রায় ১০৪ কোটি টাকার কাজ করছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কাজ হচ্ছে এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরন ও সম্প্রসারণ করেছেন। রাস্তার মাঝখানে আইল্যান্ড স্থাপন ও সজ্জিতকরণের কাজ করেছেন। এলাকার প্রায় ৯০ শতাংশ রাস্তা পাকাকরনের কাজ হয়েছে। বেশ কিছু রাস্তা সংস্কার করা হেয়েছে। বাকি কাজ গুলো চলমান আছে। ড্রেন গুলো সম্প্রসারণ ও নালা নর্দমা পরিষ্কার করেছেন। রাস্তায় ব্যপক এলইডি বাল্ব স্থাপন করেছেন। এলাকার ময়লা আবর্জনা অপসারনের জন্য ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ছোট বড় ১২০ টি ডাস্টবিন এরমধ্যে প্রায় ৯০টি সরিয়ে ওখানে ফুলের বাগান করা হয়েছে। মাদক ও সন্ত্রাস ব্যপারে তিনি জিরো টলারেন্স। প্রশাসনের সহযোগিতায় মাদকের অনেক আস্তানা উচ্ছেদ করেছেন। মাদক ও সন্ত্রাস দমনে উঠান বৈঠক ও নানা সবা সমাবেশের আয়োজন করেছেন। জনগণকে সাথে নিয়ে মাদক দমনে কাজ করে যাচ্ছেন। শতভাগ মাদক নির্মূলে বদ্ধপরিকর। তিনি জানান, এই এলাকায় জলাবদ্ধতার সমস্যা আছে। ড্রেন সম্প্রসারন ও পরিষ্কার করার ফলে জলাবদ্ধতার হার অনেকটা কমেছে। তবে পুরো পুরি জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসনে সেনাবাহিনী ও সিডিএর সমন্বয়ে একটি প্রকল্পের কাজ চলছে। আশাকরি প্রকল্পটির কাজ শেষ হলে জলাবদ্ধতা আর থাকবেনা। কাউন্সিলর মোঃ মোরশেদ আলম জানান, তিনি বেশ কিছু মানবিক ও সামাজিক কাজের সাথেও জড়িত। তারমধ্যে গত দুই বছর যাবত ন্যায্য মুল্যের পন্য সরবরাহ। প্রতি শীতকালে ৬টি শীতকালীন সবজি ১০ টাকা কেজি দরে জনগনের মধ্যে বিক্রি। দুটি পথশিশু স্কুল পরিচালনা। বিজয় কেতন বিদ্যানিকেতন ও চারুলতা বিদ্যাপীঠ এর প্রায় ৩শ জন পথ শিশুদের বিনামুল্যে শিক্ষার সুযোগ প্রদান। ১শ জন পথ শিশুকে প্রতিদিন বিভিন্ন হোটেল থেকে ফ্রি খাবারের ব্যবস্থা। প্রতি রমজান মাসে পথচারীদের জন্য ফ্রি ইফতার সামগ্রী বিতরন করেন। তিনি জন্ম দিন পালন করেন পথ শিশুদের নিয়ে। পথ শিশুরাই তার জন্ম দিনের কেক কাটে। প্রতিটি শিশুর জীবন হোক ভালোবাসায় ধন্য- এই শ্লোগান কে সামনে রেখে প্রতি বছর ১৪ই ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালো বাসা দিবসে পাল্ন করেন ব্যতিক্রমী এক ভালোবাসা দিবস। যেখানে পথশিশু ও সুবিধা বঞ্চিত শিশুরাই প্রধান অথিতি। যে অনুষ্ঠানে পথশিশুদের ক্ষনিকের জন্য হলেও ভুলিয়ে দেয় ভালবাসা বঞ্চিত জীবন যন্ত্রণাকে। অযত্ন অবহেলায় বেড়ে উঠা জীবনটাকে লাল পোশাক আর লাল গোলাপ হাতে নতুন ভাবে আবিস্কার করে সকলের মাঝে। বর্ণাঢ্য পুরো অনষ্ঠান জুড়ে থেকে তাদের আধিপত্য। সেইসাথে নানা শ্রেনী পেশার মানুষ ও যোগ দেয় এই অনুষ্ঠানে। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তার কাজের ধারা অব্যহত রাখবেন। ওয়ার্ডকে একটি মাদক ,সন্ত্রাস ও আবর্জনামুক্ত একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রুপান্তরিত করবেন। এলাকার উন্নয়নে বেশ কিছু স্বপ্ন আছে সেই গুলো বাস্তবায়ন করতে চান। এলাকার মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের ফ্রি কোচিং এর ব্যবস্থা করবেন। এলাকার দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে থাকবেন এবং সব রকমের সহযোগিতা করে যাবেন। শতভাগ জলাবদ্ধতা মুক্ত ওয়ার্ড হিসাবে গড়ে তুলবেন। সমাজের বিত্তবানদের সহায়তায় পথ শিশুদের জন্য একটি ট্রাষ্ট গড়ে তুলবেন। শতভাগ সড়ক আলোকায়ন তথা রাস্তা পাকাকরনের কাজ করবেন। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ৮ নং শুলকবহর ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ৮ নং শুলকবহর ওয়ার্ডের মির্জার পুল এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম সাজু (৪৩) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর এলাকার উন্নয়নে অনেক করেছেন। রাস্তা ঘাট গুলো সংস্কার করেছেন ও পাকাকরনের কাজ করেছেন। মাদক নির্মূলে ওনি অনেক ভুমিকা রেখেছেন। আগামী নির্বাচনে আবার নির্বাচিত হবে বলে আশা রাখি। ৮ নং শুলকবহর ওয়ার্ডের কাতালগঞ্জ এলাকার এক ব্যবসায়ী জমির হোসেন (৪৮) জানান,বর্তমান কাউন্সিলর মোরশেদ আলম ব্যক্তি হিসাবে ভালো। এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছেন। তাকে আবার সুযোগ দেওয়া দরকার। ওনার আবার নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৮ নং শুলকবহর ওয়ার্ডের শুলকবহর এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা চাকুরিজীবী এনামুল করিম চৌধুরী (৪২) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর মোরশেদ আলম এর এলাকায় ভালো গ্রহনযোগ্যতা আছে। তার আবার নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৮ নং শুলকবহর ওয়ার্ডের মির্জার পুল এলাকার এক কাঁচামাল ব্যবসায়ী ছগির আহম্মেদ (৫৪) জানান, এলাকায় জলাবদ্ধতার সমস্যা আছে। এলাকায় রাস্তা ঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন কাজ হয়েছে। মাদকের সমস্যা থেকে পুরো পুরি মুক্ত নয় আমাদের এলাকা। তাছাড়া আমি মনে করি বর্তমান কাউন্সিলর এলাকায় উন্নয়ন কাজ করেছেন।
আমার ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড হিসাবে গড়তে চাই: কাউন্সিলর জসিম
২৭জানুয়ারী,সোমবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নিউজ একাত্তর ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান কাউন্সিলরদের নির্বাচন ভাবনা, এলাকার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ভুমিকা এবং এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৯ নং উত্তর পাহাড়তলি ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ জহুরুল আলম জসিম এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। শনিবার ২৩শে জানুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। কাউন্সিলর মোঃ জহুরুল আলম জসিম জানিয়েছেন, জনগন চাইলে তিনি আবার নির্বাচন করবেন এবং তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করবে। তিনি ওয়ার্ডেকে একটি মডেল ওয়ার্ড গড়তে চান। তিনি সব সময় জনগনের পাশে থাকবেন। তিনি আরো জানান, এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরন ও সম্প্রসারণ করেছেন। প্রায় ৯০ শতাংশ রাস্তা পাকাকরনের কাজ হয়েছে। বাকি কাজ গুলো চলমান আছে। সেই সাথে সকল কাঁচা রাস্তা গুলো পাকাকরনের কাজ করছেন। ড্রেন গুলো সম্প্রসারণ করেছেন। রাস্তায় ব্যপক এলইডি বাল্ব স্থাপন করেছেন। এলাকার ময়লা আবর্জনা অপসারনের জন্য ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। সেই সাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে প্রায় ৪০ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী রয়েছে যারা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। এই ওয়ার্ড একটি ময়লা আবর্জনা মুক্ত ওয়ার্ড। অচিরেই এই ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ডে রুপান্তরিত করা হবে। মেয়রের ঘোষিত ক্লিন সিটি ও গ্রিন সিটি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। পাহাড়তলি বালিকা স্কুল এন্ড কলেজ কে কলেজে রূপান্তর করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয় সম্প্রসারণ করা হয়েছে। মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের ব্যপারে তিনি জিরো টলারেন্স। প্রশাসনের সহযোগিতায় মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করেছি। এই ওয়ার্ড অনেকটাই মাদক, সন্ত্রাস মুক্ত ওয়ার্ড হিসাবে পরিনত হয়েছে। তিনি জানান, এই এলাকায় জলাবদ্ধতার সমস্যা নেই। অলংকার এলাকায় কিছুটা জলাবদ্ধতার সমস্যা ছিল। ড্রেন সম্প্রসারন ও পরিষ্কার করার ফলে এখন আর জলাবদ্ধতা হয় না। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি তার কাজের ধারা অব্যহত রাখবেন। ওয়ার্ডকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত একটি মডেল ওয়ার্ডে রুপান্তরিত করবেন। জনগনের পাশে আছেন এবং থাকবেন। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ৯ নং উত্তর পাহাড়তলি ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ৯ নং উত্তর পাহাড়তলি ওয়ার্ডের বঙ্গবন্ধু চত্তর এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা সাজেদুল ইসলাম (৪১) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর এলাকা্র উন্নয়নে অনেক কাজ করেছেন। রাস্তা ঘাট গুলো সংস্কার করেছেন ও পাকাকরনের কাজ করেছেন। মাদক নির্মূলে ওনি মোটামুটি কাজ করেছেন। আগামী নির্বাচনে আবার নির্বাচিত হবে বলে আশা করি। ৯ নং উত্তর পাহাড়তলি ওয়ার্ডের নিউ মন্সুরাবাদ এলাকার এক ফল ব্যবসায়ী কবির হোসেন (৪৪) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর ব্যক্তি হিসাবে ভালো। এলাকার রাস্তা ঘাটের পাকাকরনের কাজ করেছেন। ওনার আবার নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৯ নং উত্তর পাহাড়তলি ওয়ার্ডের পূর্ব আকবর শাহ এলাকার এক মেডিসিন ব্যবসায়ী সাইফুল আলম (৩৯) জানান, জলাবদ্ধতার সমস্যা নেই বললেই চলে। রাস্তা ঘাটের ব্যাপক কাজ হয়েছে। সন্ত্রাস ও মাদকের সমস্যা থেকে পুরো পুরি মুক্ত নয় আমাদের এলাকা। তাছাড়া আমি মনে করি বর্তমান কাউন্সিলর এলাকায় উন্নয়ন কাজ করেছেন।
জনগন চাইলে আবার নির্বাচন করবেন কাউন্সিলর মোহাম্মদ মোবারক আলী
২৪জানুয়ারী,শুক্রবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নিউজ একাত্তর ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান কাউন্সিলরদের নির্বাচন ভাবনা, এলাকার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন , মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ভুমিকা এবং এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৭ নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোহাম্মদ মোবারক আলী এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। বৃহস্পতিবার ২৩শে জানুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। কাউন্সিলর মোহাম্মদ মোবারক আলী জানিয়েছেন, জনগন চাইলে তিনি আবার নির্বাচন করবেন এবং তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করবে। তিনি এলাকার উন্নয়নে কাজের ধারা অব্যহত রাখতে চান। তিনি তার ওয়ার্ডকে একটি জনবাদ্ধব ওয়ার্ড হিসাবে গড়ে তুলেছেন। আর এই জনমুখি সেবা প্রদানের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদ যথেষ্ট নয়।এলাকার উন্নয়নে কাজের ধারা অব্যহত রাখতে আবারো নির্বাচিত হবার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরো জানান, এরমধ্যে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ হয়েছে তার এলাকায়। তারমধ্যে এলাকার ১১৭ টি রাস্তা পাকাকরনের কাজ করেছেন। প্রায় ৯০ শতাংশ রাস্তা পাকাকরনের কাজ হয়েছে। বাকি কাজ গুলো চলমান আছে। শতভাগ কাঁচা রাস্তা মুক্ত ওয়ার্ড করার জন্য কাজ করছেন। এলাকার স্কুল গুলোতে শিক্ষা প্রসারে লজিস্টিক সহায়তা করা হয়েছে। ড্রেন গুলো সম্প্রসারণ করেছেন। রাস্তায় ব্যপক এলইডি বাল্ব স্থাপন করেছেন। প্রায় ১৩শ সড়ক বাতি লাগিয়েছেন। এলাকার ময়লা আবর্জনা অপসারনের জন্য ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। প্রতি ঘরে ময়লা ফেলার জন্য প্রায় ৪৫ হাজার বিম বিতরন করা হয়েছে। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওয়ার্ডকে বর্জ্য মুক্ত ওয়ার্ড হিসাবে ঘোষণা করতে কাজ করে যাচ্ছেন। এখানে প্রায় ৯২ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী রয়েছে যারা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। এখানে ময়লা আবর্জনা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে। যারা নিয়মিত মনিটরিং করে থাকে। ময়লা আবর্জনা অপসারনে ব্যাকের সহযোগিতায় বেশ কিছু গাড়ি সংযুক্ত করা হয়েছে। অচিরেই এটি একটি আবর্জনা মুক্ত মডার্ন ওয়ার্ডে রুপান্তরিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের ব্যপারে তিনি জিরো টলারেন্স। ওয়ার্ডের জনগনেকে সাথে নিয়ে মাদক নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে জগননের মধ্যে ব্যপক সচেতনতা তৈরি হয়েছে। মেয়র মহোদয়ের সার্বিক সহযোগিতায় ও এলাকার জনগনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় মাদক বিরোধী সভা সমাবেশ করেছেন। অভাবগ্রস্ত মাদকাসক্ত পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা ও মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। মাদক, সন্ত্রাস নির্মূলে এলাকার জনগন সোচ্চার আছে। এই ওয়ার্ড অনেকটাই মাদক, সন্ত্রাস মুক্ত ওয়ার্ড হিসাবে পরিনত হয়েছে। তিনি জানান,তার ওয়ার্ডে কিছু জলাবদ্ধ প্রবন এলাকা রয়েছে। জলাবদ্ধতা নরসনে বেশ কিছু পদক্ষেপ হাতে নিয়েছেন। খতিবের হাট, মরাদপুর, জাংগাল পাড়া, মোহাম্মদ পুর, নাজির পাড়া,হাদি নাজির পাড়া এইসব এলাকাগুলো বর্ষা মৌসুমে জলমগ্ন থাকে। ইতিমধ্যে ওই সব এলাকার সকল ড্রেন থেকে ময়লা ও মাটি অপসারন করা হয়েছে। সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঙ্গিনিয়ারিং ব্রিগেড জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে যে প্রকল্পের কাজ হচ্ছে তাদের সাথে সমন্নয় করে কাজ করে যাচ্ছি। তাছাড়া ত্রিপুরা খাল খনন, সিডিএ এভিনিউর পাশের মির্জা খালের অংশটি সম্প্রসারন করা। আশা করছি এই প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে জলাবদ্ধতার সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। তিনি আরো জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি তার কাজের ধারা অব্যহত রাখবেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাবেন এবং তার ওয়ার্ডকে একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রুপান্তরিত করবেন। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা মনির হোসেন চৌধুরী (৪৩) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর মোহাম্মদ মোবারক আলী সাহেব এলাকা্র উন্নয়নে অনেক করেছেন। রাস্তা ঘাটেরও অনেক উন্নয়ন করেছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে অনেক কাজ হাতে নিয়েছেন। মাদক নির্মূলে ওনি বলিষ্ঠ ভুমিকা রেখেছেন। আগামী নির্বাচনে আবার নির্বাচিত হবে বলে আশা করি। ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের এক হোটেল ব্যবসায়ী সাইমন জাকির (৪৭) জানান,বর্তমান কাউন্সিলর মোবারক আলী ভাই ব্যক্তি হিসাবে ভালো।এলাকায় ওনার ভালো গ্রহণযোগ্যতা আছে। তাকে যে কোন সময় কাছে পাওয়া যায়। তিনি আবার নির্বাচিত হবেন এতে কোন সন্দেহ নেই। ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের এক কাঁচামাল ব্যবসায়ী মোঃ ফারুক হাসান ভূঁইয়া (৪৬) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর মোবারক আলী ভাই একসময় ছাত্র রাজনীতি করেছেন।বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথেও তিনি জড়িত আছেন। এলাকার লোকজনের সাথে ওর ভালো সম্পর্ক আছে । আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি তিনি আবার নির্বাচিত হবেন। ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের এক স্থানীয় বাসিন্দা মইনুল হাসান চৌধুরী (৫৪) জানান, জলাবদ্ধতার সমস্যা আমাদের এখানে বড় সমস্যা যা বর্ষা মৌসুমে আমাদের বড় ভোগান্তিতে ফেলে। সন্ত্রাস ও মাদকের সমস্যা তেমন নেই আমাদের এলাকায়। তাছাড়া কাউন্সিলর এলাকায় মোটামুটি উন্নয়ন কাজ করেছেন।

সাক্ষাৎকার পাতার আরো খবর