সোমবার, এপ্রিল ১২, ২০২১
চলতি বছর গম উৎপাদন বাড়ছে মিসরের
২৮,মার্চ,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২৮,মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছর নিজেদের ফসল উৎপাদন অঞ্চলের সম্প্রসারণ করেছে মিসর। এর মধ্য দিয়ে চলতি বছরে গম উৎপাদন বাড়ার সম্ভাবনা দেখছে দেশটি। ২০২০-২১ বিপণন বর্ষে মিসরের গম উৎপাদন বেড়ে ৯০ লাখ টনে দাঁড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি অধিদপ্তরের অধীন ফরেন কৃষি সার্ভিসের (এফএএস) এক প্রতিবেদনে এমনটাই উঠে এসেছে। চলতি বিপণন বর্ষে গম উৎপাদনে দেশটির ফসলি জমির পরিমাণ ১৪ লাখ হেক্টর। এর আগের বছর দেশটির গম চাষের জন্য নির্ধারিত জমির মোট পরিমাণ ছিল ১৩ লাখ ৯০ হাজার হেক্টর। গমের দেশীয় চাহিদা পূরণে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয় মিসরকে। তবে উৎপাদনের পরিমাণ সামান্য বাড়লেও আমদানির পরিমাণ কমছে না দেশটির। বরং বিভিন্ন খাতের চাহিদার কারণে চলতি বর্ষেও ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ আমদানি বাড়াতে হচ্ছে তাদের। সে হিসেবে ২০২০-২১ বিপণন বর্ষে মিসরের গম আমদানির সম্ভাব্য পরিমাণ দাঁড়াবে ১ কোটি ৩২ লাখ টনে। খাদ্য, বীজ এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য এগুলো আমদানি করা হয়। কায়রোতে কার্যক্রম পরিচালনকারী এফএএসের সংস্থাটির পূর্বাভাস বলছে, ২০২১-২২ বিপণন বর্ষে মিসরের গম ব্যবহারের পরিমাণ দাঁড়াবে ২ কোটি ১৩ লাখ টনে। ২০২০-২১ বিপণন বছরের তুলনায় যা প্রায় ২ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়বে। এফএএস বলছে, মিসরের সরকারি, বেসরকারি ও আধাসরকারি খাতের ৪১০টিরও বেশি কারখানা রয়েছে।
চিটাগং চেম্বারে- সাপ্লাই চেইন রেসিলিয়েন্স শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন
২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ সেন্টার অব এক্সিলেন্স, দ্য চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল রেসিলিয়েন্স প্রোগ্রাম (এনআরপি) এবং ইউএনডিপির যৌথ উদ্যোগে চার দিনব্যাপী- সাপ্লাই চেইন রেসিলিয়েন্স শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি নগরীর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চিটাগং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের প্রধান (অতিরিক্ত সচিব) খন্দকার আহসান হোসেন ও এনআরপির প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ড. নুরুন নাহার উপস্থিত ছিলেন।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
বিজিএমইএ নির্বাচন : নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার শপথ প্রার্থীদের
১৫,মার্চ,সোমবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পোশাক খাতের উন্নয়নে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার শপথ নিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক রফতানিকারক ও মালিক সমিতি (বিজিএমইএ) নির্বাচনে ফোরাম মনোনীত প্রার্থীরা। রোববার (১৪ মার্চ) রাতে রাজধানীর হোটেল র‌্যাডিসন ব্লুতে আয়োজিত- ফোরাম পর্ষদের পরিচিতি অনুষ্ঠানে এ শপথ নেন তারা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পোশাক শিল্প উদ্যোক্তা এবং সংসদ সদস্য হাফিজ আহমেদ মজুমদার, সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আনিসুর রহমান সিনহা, ফোরামের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার-উল-আলম পারভেজ, প্রধান সমন্বয়ক বেনজীর আহমেদসহ পোশাক কারখানা মালিকরা। দেশের পোশাক খাত ব্যবসায়ীদের শীর্ষ জোট ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভিজ্ঞ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে এবারের প্যানেল গঠন করা হয়েছে। যারা নির্বাচিত হলে যেকোনো পরিস্থিতিতে বিজিএমইএ তথা বাংলাদেশের পোশাক খাতকে সমৃদ্ধির পথে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম। এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিজিএমইএর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাইন্যান্স এ বি এম শামছুদ্দিন এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট ড. রুবানা হক ফোরামের প্যানেল সদস্য হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ঢাকায় ফোরামের মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন- আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, ইনামুল হক খান বাবলু, ভিদিয়া অমৃত খান, মো. কামাল উদ্দিন, মাশিদ আর আব্দুল্লাহ, এম এ রহিম ফিরোজ, শাহ রাঈদ চৌধুরী, মিজানুর রহমান, খান মনিরুল আলম শুভ, এ এম মাহমুদুর রহমান, এ বি এম সামছুদ্দিন, নাফিস উদ দৌলা, আসিফ ইব্রাহিম, মজুমদার আরিফুর রহমান, তাহসিন উদ্দিন খান, নাভিদুল হক, ড. রুবানাহক, ড. রশিদ আহমেদ হোসাইনী, ইকবালহামিদ কোরাইশী আদনান, মাহমুদ হাসান খান বাবু, মো. রেজওয়ান সেলিম, ফয়সাল সামাদ, রানা লাইলা হাফিজ, মো. মেজবা উদ্দীন আলী এবং নজরুল ইসলাম। চট্টগ্রামে ফোরামের মনোনয়নপ্রাপ্তরা হলেন- মোহাম্মদ আতিক, মোহাম্মদআব্দুস সালাম, এমডি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, এনামুল আজিজ চৌধুরী, মুহাম্মদসাইফ উল্যাহ মানসুর, মীর্জা মো. আকবর আলী চৌধুরী, মোহাম্মদ দিদারুল আলম, রিয়াজ ওয়ায়েজ এবং খন্দকার বেলায়েত হোসেন।
চিংড়ি উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশের তালিকায় থাকবে ভিয়েতনাম
১৩,মার্চ,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বের চিংড়ি উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষদের তালিকায় অচিরেই নিজেদের নাম লেখাবে ভিয়েতনাম। কভিড-১৯-এর কারণে চিংড়ি শিল্পে প্রতিযোগী দেশ থাইল্যান্ড কিছুটা খারাপ অবস্থায় থাকা এবং বিপরীতে ভিয়েতনামের চিংড়ি শিল্পে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শিগগিরই সেই অবস্থানে যেতে পারবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। খবর ভিয়েতনাম টাইমস। চিংড়ি উৎপাদনের তথ্য-উপাত্ত বলছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ভিয়েতনামের চিংড়ি উৎপাদন ৫ থেকে ১০ শতাংশ বেড়েছে। কোনো কোনো বছর উৎপাদন বৃদ্ধির পরিমাণ ১২ শতাংশে গিয়ে পৌঁছেছে। যদিও এর বিপরীতে থাইল্যান্ডের উৎপাদন বৃদ্ধির হার বছরে প্রায় ৫ থেকে ৭ শতাংশ। সেদিক থেকেও এগিয়ে আছে দেশটি। ভিয়েতনামের কৃষি ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশটিতে স্থানীয়ভাবে দুই লাখ হেক্টর জমিতে উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন চিংড়ি খামার রয়েছে। এর মধ্যে কেবল ব্যাক লিউ ও সক ট্র্যাং প্রদেশেই রয়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার হেক্টর জমি। এ দুটি প্রদেশের চিংড়ি খামারগুলোয় মূলত বিদেশী বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ রয়েছে। চিংড়ি উৎপাদন ও রফতানি কার্যক্রমে এ বিনিয়োগকারীদের বেশ আগ্রহ রয়েছে। এদিকে গত বছর ভিয়েতনামের চিংড়ি রফতানি আয় ছিল ৩৮৫ কোটি টাকা। করোনা মহামারীর ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও এ খাতে দেশটির আয় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।
বিক্রয়োত্তর সেবা বেগবান করতে এসিআই মটরসে্র মোটরসাইকেল প্রদান
৯,মার্চ,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কম্বাইন হারভেস্টারের ক্ষেত্রে বিক্রয়োত্তর সেবা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেহেতু এই মেশিন দিয়ে ধান বা গম কাটা হয়, তাই মেশিনের কোন সমস্যা হলে মাঠে গিয়ে সার্ভিস দিতে হয়। এসিআই মটরস্ এ বিষয়টি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে। আসছে মৌসুমের গম ও ধান কাটার কাজ আরও সহজ করতে এবং স্বল্পসময়ে সার্ভিস দেয়ার লক্ষ্যে টেকনিশিয়ান এবং ইঞ্জিনিয়ারদেরকে ইয়ামাহা স্যালুটো মোটরসাইকেল প্রদান করেছে এসিআই মটরস্। রোববার এসিআই মটরস্ এর প্রধান কার্যালয়, এসিআই সেন্টার, তেজগাঁও এ এই মোটরসাইকেল প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসিআই মটরস্ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. ফা হ আনসারী, নির্বাহী পরিচালক সুব্রত রঞ্জন দাস ও এসিআই মটরস্ এর অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। এসিআই মটরস্ এর রয়েছে ৪০০ জনের অধিক সার্ভিস টিম, যার মধ্যে ২১ জন ইঞ্জিনিয়ার এবং ৩৭০ জন টেকনিশিয়ান। অনুষ্ঠানে প্রত্যেক সার্ভিস কর্মীকে বাইক প্রদান করা হয় যার, মাধ্যমে তারা দেশব্যাপী গ্রাহকের দ্বোরগোড়ায় স্বল্প সময়ে সেবা প্রদান করবে। এ কর্মীদের নিকট ইয়ানমার হারভেস্টারের প্রয়োজনীয় স্পেয়ার পার্টস্ও থাকবে। টেকনিশিয়ান এবং ইঞ্জিনিয়াররা সার্ভিস রিকোয়েস্ট অথবা গ্রাহকের নিকট থেকে ফোন কল পাবার সাথে সাথে যত দ্রুত সম্ভব স্পটে গিয়ে সার্ভিস প্রদান করবে। আশা করা যায়, অন্যান্য বছরের মত আসছে ধান কাঁটার মৌসুমেও এসিআই মটরস সারা দেশব্যাপী তার দক্ষ নেটওয়ার্ক ও লোকবল এর মাধ্যমে বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করবে।
আইসিএবিতে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক লিডারশিপ শীর্ষক কর্মশালা
৬,মার্চ,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পেশাদার হিসাববিদদের সংগঠন দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) উদ্যোগে সম্প্রতি দুই দিনব্যাপী প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক লিডারশিপ শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইনস্টিটিউটের ট্রেনিং রুমে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় সনদ বিতরণ করেন আইসিএবির সভাপতি মাহমুদুল হাসান খসরু এফসিএ। এ সময় সিইও শুভাশীষ বসু, সহসভাপতি মারিয়া হাওলাদার, সিইও শুভাশীষ বসু, কাউন্সিল সদস্য মো. মনিরুজ্জামান এফসিএ ও মুহাম্মদ ফোরকান উদ্দীন এবং সিওও মাহবুব আহম্মেদ সিদ্দিক এফসিএ উপস্থিত ছিলেন।- বিজ্ঞপ্তি
পারটেক্স স্টার গ্রুপের নতুন ডিএমডি ফাবিয়ানা আজিজ
৩,মার্চ,বুধবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের অন্যতম শিল্প প্রতিষ্ঠান পারটেক্স স্টার গ্রুপের নতুন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে নিযুক্ত হলেন ফাবিয়ানা আজিজ। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টমিনস্টার থেকে ব্যবসা ব্যবস্থাপনায় স্নাতক এবং মার্কেটিং ম্যানেজমেন্টে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিপ্রাপ্ত ফাবিয়ানা আজিজের ডিজিটাল মার্কেটিং, কমিউনিকেশন স্ট্র্যাটেজি ফর ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস এবং মার্কেট কম্পিটিশন বিষয়ে বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। ফাবিয়ানা আজিজ কোম্পানিটির এমডি আজিজ আল মাহমুদের জ্যেষ্ঠ কন্যা। তিনি পারটেক্সে গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত এমএ হাশেমের নাতনি।- বিজ্ঞপ্তি
রাজশাহীতে যাত্রা শুরু বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোনের
১,মার্চ,সোমবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সম্প্রতি রাজশাহীতে বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোন একটি নতুন ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট চালু করেছে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড (বিপিবিএল)। রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিপিবিএল থেকে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ১৩৮, রেশম পট্টি, বোয়ালিয়া ঠিকানায় অবস্থিত এই আউটলেটটির উদ্বোধনী আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বিপিবিএলর সেলস অ্যান্ড মার্কেটিংয়ের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মহসিন হাবীব চৌধুরী, জেনারেল ম্যানেজার (মার্কেটিং) একেএম সাদেক নাওয়াজ, প্রজেক্ট প্রোলিঙ্কস অ্যান্ড বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোনের হেড সাব্বির আহমেদ; রাজশাহী ও দিনাজপুরের বার্জারের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মো. মোস্তাফিজুল করিম, রাজশাহী সেলসের ব্র্যাঞ্চ ম্যানেজার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান এবং বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোনের ম্যানেজার দেওয়ান মাহবুবুল হাসানসহ প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ক্রেতা ও ভোক্তা সাধারণকে বার্জারের পণ্যসমূহ সম্পর্কে আরো গভীরভাবে জানানো এবং পরিচিত করাই বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোনের মূল উদ্দেশ্য। বার্জার দেশের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম। বহু বছর ধরে পেইন্ট সল্যুশন নিয়ে দেশের মানুষের আস্থার জায়গা ধরে রেখেছে বার্জার। বার্জারের পণ্য ব্যবহার করে নিজ বাড়ির অন্দরমহলকে কীভাবে আরো স্বস্তিদায়ক ও ছিমছাম করে তোলা যায়-তা নিয়ে বিশদভাবে জানতে বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোন ক্রেতাদের সহায়তা করবে। ইতোমধ্যেই দেশজুড়ে ১৬টি বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোন রয়েছে এবং রাজশাহীতে এই নতুন ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটের মাধ্যমে রাজশাহীর ক্রেতারা এখন আরও স্বাচ্ছন্দ্যে বার্জারে পণ্য ও সেবা গ্রহণ করতে পারবে। নতুন এ এক্সপেরিয়েন্স জোন সম্পর্কে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের সেলস অ্যান্ড মার্কেটিংয়ের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মহসিন হাবীব চৌধুরী বলেন, বহু বছরের জমানো স্বপ্ন আর কষ্টার্জিত অর্থকে পুঁজি করে আমরা নিজেদের জন্য একটি স্থায়ী ঠিকানা তৈরি করি। সেক্ষেত্রে, আমাদের স্বপ্নের বাড়িটি যদি আমরা পছন্দ মত রঙ আর নকশায় সাজাতে না পারি, তাহলে একটি খুঁতখুঁতে ভাব মনের ভেতর রয়েই যায়। বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোন আমাদের সম্মানিত ক্রেতাদের জন্য একটি ওয়ান-স্টপ পেইন্টিং সল্যুশন হিসেবে কাজ করবে, যার মাধ্যমে বারবার বাড়ির চেহারা বদলানোর ঝক্কি এড়িয়ে প্রথম থেকেই পছন্দ ও সাধ্য অনুযায়ী ঘরের ভেতর প্রাণবন্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব। ক্রেতারা উক্ত নতুন এই বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোন থেকে তাদের পেইন্টিং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরামর্শ পাবেন। বাড়ির রঙ এবং এ সংক্রান্ত খুঁটিনাটি সব বিষয়ে পরামর্শের জন্য রাজশাহীর ক্রেতারা বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোনে যোগাযোগ করতে পারেন। আউটলেটের ফোন নাম্বার- ০১৭৫৫৫৩২৬৯১ অথবা ২৪/৭ কল সেন্টার ০৮০০০-১২৩৪৫৬। এছাড়াও ইমেইলে যোগাযোগের ঠিকানা nasim.shahriar@bergerbd.com।
চ্যানেল আই অ্যাওয়ার্ড পেল ইভ্যালি
২৮,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সেফ কিপার চ্যানেল আই মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০২০ পেল দেশীয় ই-কমার্সভিত্তিক অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইভ্যালি ডট কম ডট বিডি। ই-কমার্স ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই সম্মাননা পুরস্কার পায় ইভ্যালি। শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) চ্যানেল আই ভবনের চেতনা চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে পুরস্কার পদক তুলে দেয়া হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সনদপত্র তুলে দেন। এ সময় চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কারপ্রাপ্তরা উপস্থিত ছিলেন। পুরস্কার গ্রহণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল বলেন, আমাদের জন্য যারা ভোট দিয়েছেন তাদের প্রতি ইভ্যালি পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম আয়োজিত এমন অনুষ্ঠানে আমাদের সম্মানিত করায় আয়োজকদের প্রতিও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করি এই অর্জনের মূল কারিগর আমাদের প্রায় এক হাজার কর্মী এবং ৪০ লক্ষাধিক গ্রাহক ও বিক্রেতারা। এমন সম্মাননা আমাদের মতো দেশীয় উদ্যোগ ও উদ্যোক্তাদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকলো। প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ১৬ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা করে ইভ্যালি। প্রতিষ্ঠার প্রায় দুই বছরের মধ্যে ৪০ লক্ষাধিক গ্রাহক এবং ২০ হাজারের বেশি বৃহৎ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের নিজেদের প্ল্যাটফর্মে আনতে সক্ষম হয় প্রতিষ্ঠানটি। এর আগেও ২০২০ সালে এশিয়া ওয়ান সাময়িকীর বাংলাদেশে দ্রুত বর্ধনশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে সম্মাননা পায় ইভ্যালি। এছাড়াও ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের সংগঠন ই-ক্যাব কর্তৃক করোনাকালে অনবদ্য অবদানের জন্য ই-কমার্স মুভার্স অ্যাওয়ার্ড ও পায় ইভ্যালি।

অর্থনীতি পাতার আরো খবর