শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
একরামুল হক সোনালী ব্যাংকের নতুন জিএম
১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:সম্প্রতি জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে একরামুল হক সোনালী ব্যাংকের রংপুর অফিসে যোগদান করেছেন। পদোন্নতির পূর্বে তিনি প্রধান কার্যালয়ের গভঃ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড সার্ভিসেস ডিভিশনের বিভাগীয় প্রধান (ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একরামুল হক ১৯৮৩ সালে ব্যাংকার্স রিক্রুটমেন্ট কমিটির মাধ্যমে সিনিয়র অফিসার হিসেবে সোনালী ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে বিএসসিসহ এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। সুদীর্ঘ চাকরি জীবনে তিনি সোনালী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা, প্রিন্সিপাল অফিস, প্রধান কার্যালয়ের একাধিক বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দক্ষতা, নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আইবিবির একজন ডিপ্লোম্যাট অ্যাসোসিয়েট। তিনি ১৯৬০ সালে দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক।
বাংলাদেশকে এডিবি ৫০০ কোটি ডলার দেবে
১৩সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিনিধি ,নিউজ একাত্তর ডট কম:এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৩তম বড় অর্থনীতির দেশ এখন বাংলাদেশ। দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির আকার গত দেড় যুগে সিঙ্গাপুর ও হংকংকে ছাড়িয়েছে। সম্প্রতি এডিবির কি ইনডিকেটরস্ ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক বিষয়ে প্রতিবেদনে, এমন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এবার বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে আগামী তিন বছরে প্রায় ৫০০ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন সংস্থা (এডিবি)। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে এডিবির আবাসিক প্রতিনিধি মনমোহন পারকাশ এ তথ্য জানান বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মনমোহন বাংলাদেশের জন্য এডিবির বর্ধিত উন্নয়ন কর্মসূচি শেখ হাসিনার সামনে তুলে ধরেন। এডিবি প্রতিনিধি ২০২০-২২ মেয়াদে নতুন কান্ট্রি বিজনেস প্লান প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।
বাংলাদেশকে ব্ল্যাঙ্ক চেক দিয়েছে বিশ্বব্যাংক
০৫সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: একসময় পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন থেকে সরে দাঁড়ালেও বর্তমানে তাদের আচরণে আমূল পরিবর্তন এনেছে বিশ্বব্যাংক। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বাংলাদেশকে ব্ল্যাঙ্ক চেক দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি বলেছে, তোমাদের প্রয়োজন মতো টাকা লিখে নাও। তিনি বলেন, বাংলাদেশে অর্থায়নের ক্ষেত্রে আর কোনো লুকোচুরি থাকবে না। বৃহস্পতিবার (০৫ সেপ্টম্বর) রাজধানীর শেরে বাংলানগরে অর্থমন্ত্রীর নিজ কার্যালয়ে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর (বাংলাদেশ-ভূটান) মার্সি মিয়াঙ টেমবনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে প্রকল্প তৈরি ও অর্থায়নে প্রস্তুত। যত অর্থের প্রয়োজন হোক না কেন, তারা তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য বিশ্বব্যাংকের পরমর্শও নেবো। আমাদের ৮৮ শতাংশ ব্লু -ইকোনোমিকে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। এখাতে কাজ করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। ডেল্টা প্ল্যান প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল বলেন, আমাদের ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডসের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকও এগিয়ে আসবে। এ খাতে অর্থ ও প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা দেবে। ফলে ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত হবে। ডেল্টাপ্ল্যানে যদি ভারতও আসতে চায়, তবে স্বাগত জানাবো। সড়ক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় সব ধরনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দেবে। বাংলাদেশের সড়ক উন্নয়নে যত টাকার প্রয়োজন তত দিতে আগ্রহী। সড়কে বাস-বে, সড়কের পাশে চালকদের জন্য বিশ্রামাগারসহ নানা উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। এসব দেখে প্রশংসা করেছে বিশ্বব্যাংক। নতুন আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের ১৪ অক্টোবর ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভায় নতুন প্যাকেজ ঘোষণা করবে সংস্থাটি। বাংলাদেশের বিষয়ে সংস্থাটির ইতিবাচক ধারণা হয়েছে। আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সংস্থাটি অর্থায়ন করতে উন্মুখ। বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াঙ টেমবন বলেন, আমি বাংলাদেশ নিজেই চিনে নিয়েছি। সুন্দরবন ছাড়া বাংলাদেশের সব জায়গায় ঘুরেছি। বাংলাদেশের অবকাঠামোগত সুবিধাসহ আর্থিক বিষয়ে ব্যাপক উন্নত হয়েছে। নদী, পানি ও ব্লু-ইকোনোমিতে বাংলাদেশকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। মূলত আমি বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে ব্র্যান্ডিং করতে এসেছি। ব্লু-ইকোনোমির ৮৮ শতাংশ কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে এই দেশটির,’ যোগ করেন তিনি। এ সময় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মনোয়ার আহমেদসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।-আলোকিত বাংলাদেশ
হলমার্ককে ব্যবসার সুযোগ দিতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী
০৫সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল বলেছেন, হলমার্ক, বিসমিল্লাহ গ্রুপসহ ঋণ জালিয়াতি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরেকবার ব্যবসার সুযোগ দিতে চায় সরকার। তবে সে সুযোগ কিভাবে দেওয়া হবে তা এখনো ঠিক হয়নি। সচিবালয়ে সরকারের ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বুধবার বিকেলে তিনি এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, হলমার্ক, বিসমিল্লাহসহ যেসব প্রতিষ্ঠান ঋণ জালিয়াতি করেছে তারা সবাই টাকা ফেরত দিয়ে ব্যবসায় আসবে। সরকার নতুন করে কোনো ব্যবসায়ী সৃষ্টি করতে পারবে না। যারা আছে তারা ব্যবসা করবে। সরকার চায় তারা পাওনা টাকা দিয়ে দিক। হলমার্কের অর্থ পরিশোধের সক্ষমতা রয়েছে। তবে নতুন করে ব্যবসা শুরুর আগে হলমার্ককে অবশ্যই জালিয়াতির টাকা ফেরত দিতে হবে। প্রসঙ্গত, হলমার্কের ঋণ জালিয়াতির ৬ বছর পার হলেও ঋণ নেয়া সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা ফেরত নিতে পারেনি সোনালী ব্যাংক। এদিকে বিসমিল্লাহ গ্রুপ জনতা ব্যাংক ভবন করপোরেট শাখা থেকে ফান্ডেড ৩০৭ কোটি ৩৮ লাখ এবং নন ফান্ডেড ২৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকাসহ বিভিন্ন শাখা থেকে মোট ১২০০ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি করে।-আরটিভি অনলাইন
কমছে পেঁয়াজের দাম
২৫আগস্ট,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারত থেকে আমদানি বাড়ায় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর হিলিতে কমেছে পেঁয়াজের দাম। ঈদের ছুটির পর এই বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অল্প পরিসরে হওয়ায় লাগামহীনভাবে বাড়তে থাকে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম। ঈদের আগের তুলনায় ঈদের পরে কেজিতে প্রায় ২০ টাকা বেড়ে যায় পেঁয়াজের দাম। তবে গতকাল (শনিবার) ব্যতিক্রম দেখা গেছে বন্দরের আড়ৎগুলোতে। পেঁয়াজের আমদানি বাড়ার সাথে সাথে কমতে শুরু করেছে দাম। প্রকারভেদে কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ১২ টাকা। আর বিক্রি হচ্ছে ২৮ থেকে ৩২ টাকা কেজি দরে। ঈদের পর গত বুধবার বন্দরে এ পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩৮ থেকে ৪৪ টাকায়। হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ হারুন জানান, ছুটির পর পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত আছে। গত কয়েকদিনের তুলনায় আমদানি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। যে কারণে দাম কমতে শুরু করেছে। তিনি আরো জানান, আমরা ভারতে আমদানিকারকদের চাপ দিয়েছি বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ রপ্তানিতে। তারা বিভিন্ন রাজ্য থেকে পেঁয়াজ সংগ্রহ করে ইতোমধ্যে আমাদের রপ্তানি করছে। আর এই কারণে বন্দরে বেশি পরিমাণ পেঁয়াজ প্রবেশ করায় দাম কমেছে। আশা করছি সামনে দাম আরো কমে আসবে। পেঁয়াজ আমদানিকারক সাইফুল ইসলাম জানান, আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে দাম কমতে শুরু করেছে। আজ আমরা বন্দরে সবচেয়ে ভালো পেঁয়াজটা ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি, যে পেঁয়াজ গত বুধবার বিক্রি করেছি ৪৪ টাকা দরে। আর সর্বনিম্ন বিক্রি করছি ২৮ টাকা কেজি দরে, যা আগে বিক্রি করেছিলাম ৩৮ টাকা কেজি দরে। প্রকারভেদে কেজিতে ১০ থেকে ১২ টাকা কমেছে।
ঈদুল আজহায় ১৭৫ কোটি ডলারের নতুন রেকর্ড
১৭আগস্ট,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রায় ১৭৫ কোটি ডলারের রেকর্ড পরিমাণ রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। মুদ্রা বিনিময় হার (৮৪.৫০) অনুযায়ী যা ১৪ হাজার ৭৮৭ কোটি টাকা। বন্ধের দিনগুলো বাদ দিলেও চলতি আগস্টের প্রথম ১০ দিনে এ রেমিটেন্সে এসেছে। বিপুল অংকের এ রেমিটেন্সের বেশিরভাগই মধ্যপ্রাচ্য থেকে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ সময়ে তা রেকর্ড ১৮০ কোটি ডলার ছাড়ানোর । বিভিন্ন ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবারের মতো এবারও রেমিটেন্স গ্রহণের শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকটি ৯ আগস্ট পর্যন্ত রেমিটেন্স পেয়েছে ১৪ কোটি ৩৭ লাখ ডলার। এছাড়া ১০ আগস্ট পর্যন্ত অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স এসেছে ১০ কোটি ডলার। ৯ আগস্ট পর্যন্ত ৬ কোটি ২৯ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পেয়ে তৃতীয় স্থানে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। এ সময় ৫ কোটি ৬৩ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পেয়েছে সোনালী ব্যাংক। জনতা ব্যাংক পেয়েছে ৩ কোটি ১৪ লাখ ডলার। সাউথইস্ট ব্যাংকের রেমিটেন্সও প্রায় ৩ কোটি ডলার। জানতে চাইলে অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস উল ইসলাম বলেন, রেমিটেন্স পেতে ঈদের আগে শুক্র-শনিবার ছুটির দিনেও সারা দেশে ১৭৯টি শাখা খোলা রেখেছিলাম। এছাড়া সরকারি ব্যাংকের মধ্যে প্রথমবারের মতো অগ্রণী ব্যাংক সিঙ্গাপুর থেকে বিকাশের মাধ্যমে দেশে রেমিটেন্স এনেছে। সব মিলিয়ে মাত্র ১০ দিনেই ১০ কোটি ডলার রেমিটেন্স আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি। জনতা ব্যাংকের এমডি আবদুছ ছালাম আজাদ বলেন, কোরবানির ঈদে রেমিটেন্স প্রবৃদ্ধি ভালো। অন্য ঈদের তুলনায় এবার রেমিটেন্স বেশি এসেছে। মাস শেষ হলে রেমিটেন্স আরও বাড়বে। এদিকে ২০১৯-২০ অর্থবছর শুরু হয় রেমিটেন্স প্রবাহের সুখবর দিয়ে। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৬০ কোটি ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। রেমিটেন্সের এ অংক মাসের হিসাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং গত বছরের জুলাইয়ের চেয়ে ২১ দশমিক ২০ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরেও ভালো প্রবৃদ্ধি নিয়ে শুরু হয়েছে। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে পরিবার-পরিজনের কাছে বেশি টাকা পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এছাড়া ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেয়ার কারণেও রেমিটেন্স বাড়ছে। এর আগে রোজা ও ঈদ সামনে রেখে মে মাসে ১৭৫ কোটি ৫৮ লাখ ডলার রেমিটেন্সে আসে, যা ছিল মাসের হিসাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তার আগে ১ মাসে সর্বোচ্চ রেমিটেন্স এসেছিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে, ১৫৯ কোটি ৭২ লাখ ডলার। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, প্রস্তুতির অভাবে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেয়া এখনও শুরু করা যায়নি। যখনই শুরু করা হোক না কেন ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকেই ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাবেন প্রবাসীরা। তিনি বলেন, প্রণোদনা দেয়ার জন্য সিস্টেম আপডেট করতে আরও ২ থেকে ৩ মাস সময় লাগবে। এখন রেমিটেন্স পাঠালেও দুই শতাংশ প্রণোদনা, ৬ মাস পরে হলেও পাবে। বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হল বিদেশে থাকা বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থ বা রেমিটেন্স। বর্তমানে এক কোটির বেশি বাংলাদেশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন। জিডিপিতে রেমিটেন্সের অবদান ১২ শতাংশের মতো। স্থানীয় বাজারে ডলারের তেজিভাব এবং হুন্ডি ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা পদক্ষেপের কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই রেমিটেন্স বাড়ছে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা। প্রবাসীরা ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১ হাজার ৬৪১ কোটি ৯৬ লাখ (১৬.৪২ বিলিয়ন) ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন, যা ২০১৭-১৮ অর্থবছরের চেয়ে ৯ দশমিক ৬ শতাংশ এবং অতীতের যে কোনো বছরের চেয়ে বেশি। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৯৮ কোটি ১৭ লাখ (১৪.৯৮ বিলিয়ন) ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।
কাঁচামরিচের দাম কমেছে অর্ধেক
৩০জুলাই২০১৯,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বেড়েছে ভারত থেকে আসা কাঁচামরিচের আমদানি। আমদানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কমছে কাঁচামরিচের দাম। হিলি স্থলবন্দরের আড়তগুলোতে কয়েকদিন আগে প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হচ্ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকা। বর্তমানে সেই মরিচই বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। হিলি স্থলবন্দরের কাঁচা মরিচ আমদানিকারকরা জানান, চলতি মৌসুমে বন্যার কারণে মরিচের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশে উৎপাদিত কাঁচামরিচের সরবরাহ কমে যায়। এ কারণে দেশীয় বাজারে কাঁচামরিচের দামও বেড়ে যায়। আর দেশের বাজারে ভারতীয় কাঁচা মরিচের চাহিদা থাকায় ব্যবসায়ীরাও ভারত থেকে আমদানি শুরু করে। প্রথম কয়েক দিন মরিচের দাম ভালো পেলেও গেল দুই দিন ধরে দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। দাম কমার কারণ হিসেবে মরিচ ব্যবসায়ী বাবলু হোসেন জানান, হঠাৎ করে ভারতীয় মরিচের আমদানির পাশাপাশি দেশীয় মরিচের উৎপাদন বেড়ে যাওয়ায় মরিচের দাম কমেছে। ব্যবসায়ীরা আরও জানান, ভারত থেকে মরিচ আমদানি করে সরকারকে প্রতি কেজি মরিচে ২১ টাকা শুল্ক দিতে হচ্ছে। এতে প্রতি কেজি মরিচ ৯০ টাকা হলেও সেই মরিচের দাম অর্ধেকও পাচ্ছে না তারা। এদিকে হিলি খুচরা বাজারের আড়তদাররা জানান, দেশি মরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা এবং ভারতীয় আমদানিকৃত মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। মরিচ কিনতে আসা ক্রেতা মিজানুর রহমান জানান, মরিচের দাম অনেকটা কমেছে। এরকম দাম থাকলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের অনেক সুবিধা হবে। হিলি কাস্টম সূত্রে জানা গেছে, গেল আট কর্ম দিবসে ৫২ ট্রাকে ২৮৩ মেট্রিক টন মরিচ আমদানি হয়েছে এই বন্দর দিয়ে। যা থেকে সরকারের রাজস্ব আদায় হয়েছে পাঁচ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।
দীর্ঘ দিন মাছ ধরা বন্ধের পর সাগর থেকে ট্রলার ভর্তি ইলিশ নিয়ে আসছেন জেলেরা
২৫জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দীর্ঘ ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধের পর গতকাল থেকে সাগরে জেলেরা জাল ফেলতেই ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ। সাগরে ৩ দিনের জন্য মাছ শিকারে গেলেও একদিনেই ট্রলার ভর্তি মাছ নিয়ে কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ফিরছেন জেলেরা। এতে দারুণ খুশি জেলে, ট্রলার মালিক ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা। আর সাগরে যেভাবে মাছ ধরা পড়ায় সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করেন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক। সরকার ঘোষিত ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে বুধবার থেকে সাগরে ট্রলার নিয়ে মাছ শিকারে যাওয়া শুরু করেছেন কক্সবাজার উপকূলের জেলেরা। ছোট, মাঝারি ও বড় ট্রলারগুলো ৩ থেকে ১০ দিনের জন্য সাগরে মাছ শিকারে গেলেও কোন কোন ট্রলার একদিনেই ট্রলার ভর্তি মাছ নিয়ে ফিরছে উপকূলে। নিষেধাজ্ঞার পর সাগরে জাল ফেলতেই ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ায় দারুণ খুশি জেলে ও ট্রলার মালিকরা।
স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে বাড়ছে ২ হাজার ৪১ টাকা
৪জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ছে। বৃহস্পতিবার থেকে স্বর্ণের দাম ভরিতে দুই হাজার ৪১ টাকা বাড়বে। আজ বুধবার বিকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি। এর আগে গত ১৮ জুন থেকে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ (১১.৬৬৪ গ্রাম) বিক্রি হচ্ছিল ৫০ হাজার ১৫৫ টাকা। বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার থেকে প্রতি গ্রাম ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম পড়বে ৪ হাজার ৪৭৫ টাকা। অর্থাৎ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম হবে ৫২ হাজার ১৯৬ টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণার পর দিন ১৪ জুন স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। তখন প্রতি ভরি সোনায় সর্বোচ্চ এক হাজার ১৬৬ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। অবশ্য এর ৩ দিনের মাথায় ১৮ জুন সংগঠনটি প্রতি ভরি সোনায় সর্বোচ্চ ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমানোর ঘোষণা দেয়। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরিতে বাড়ছে ২ হাজার ৪১ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে সনাতন পদ্ধতির সোনা ও রুপার দাম।