এনসিসি ব্যাংকের সঙ্গে কাজ করবে এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক
১৯,অক্টোবর,সোমবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রবাসী বাংলাদেশিদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা নিরাপদ, দ্রুত ও সহজতম উপায়ে প্রাপকের হাতে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে এনসিসি ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করেছে এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক। এই চুক্তির ফলে এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক এনসিসি ব্যাংকের প্রতিনিধি হিসেবে সহযোগী এক্সচেঞ্জ হাউজের মাধ্যমে সংগৃহীত রেমিট্যান্সের অর্থ প্রদান করবে। সস্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী (চলতি দায়িত্ব) খন্দকার নাইমুল কবির এবং এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. মুখতার হোসেন স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে এনসিসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন, এসইভিপি ও হেড অব অপারেশন্স মুহাম্মদ এইচ. কাফী, এসইভিপি ও সিএফও মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, এসইভিপি ও বনানী শাখার ব্যবস্থাপক মো. জাকির আনাম, এসভিপি ও রেমিট্যান্স ও এনআরবি সার্ভিস বিভাগের প্রধান মো. মাহ্ফুজুর রহমান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের এসইভিপি ও আন্তর্জাতিক বিভাগের প্রধান কবীর আহমেদ, ভিপি ও হেড অব ট্রেজারি (ব্যাংক অফিস) মো. আবু মোসাহিদসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু- স্মরণিকা প্রকাশ বাংলাদেশ ব্যাংকের
১৮,অক্টোবর,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিববর্ষ উপলক্ষে হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু শীর্ষক স্মরণিকার বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (১৮ অক্টোবর) জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। বাংলাদেশ ব্যাংকে মুজিববর্ষ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি নেছার আহাম্মদ ভূঁঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করেন কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন সাগর। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কমিটির সদস্য সচিব এইচএম দেলোয়ার হোসাইনসহ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সবজির দামে আগুন
১৬,অক্টোবর,শুক্রবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দীর্ঘদিন ধরেই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। এর মধ্যে নতুন করে আরও দাম বেড়েছে। সাতটি সবজির কেজি ১০০ টাকা ছুঁয়েছে। বাকি সবজিগুলোর বেশিরভাগের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার কাছাকাছি। আর হঠাৎ করে দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হওয়া আলুর কেজি এখনও ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা ব্যবসায়ীরা আলুর কেজি বিক্রি করছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, যা এক মাস আগে ছিল ৩০ টাকা। হঠাৎ আলুর এমন অস্বাভাবিক দাম বাড়ায় সম্প্রতি খুচরা, পাইকারি ও কোল্ড স্টোর পর্যায়ে সর্বোচ্চ দামে বেঁধে দিয়েছে সরকার। সরকারের নির্দেশে অনুযায়ী, খুচরায় প্রতিকেজি আলুর দাম হবে ৩০ টাকা। তবে সরকারের এ নির্দেশনার কোনো প্রতিফলন বাজারে দেখা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে মধ্য বাড্ডার ব্যবসায়ী আরিফুল ইসলাম বলেন, সরকারের সব কথা কি মানুষ শোনে? আমরা ৩০ টাকা কেজি কিনতে না পারলে বিক্রি করবো কীভাবে? পাইকারিতে আমাদের প্রতিকেজি আলু কেনা পড়ছে ৪০-৪২ টাকা। অন্যান্য খরচ যোগ করে এক কেজি আলু ৫০ টাকার নিচে বিক্রি করা সম্ভব না। তিনি বলেন, শুধু দাম বেঁধে দিলে হবে না। আড়ৎ ও কোল্ড স্টোরে কড়া নজরদারি করতে হবে। আড়ৎ ও কোল্ড স্টোরে আলুর দাম কমলে, খুচরা বাজারেও দাম কমে যাবে। এদিকে গত সপ্তাহের মতো এখনও শিম, টমেটো, গাজর, বেগুন, বরবটি ও উস্তার কেজি একশর ঘরে রয়েছে। এর সঙ্গে নতুন করে একশ টাকার তালিকায় নাম লিখিয়েছে শসা। এর মধ্যে টমেটো গত কয়েক মাসের মতো এখনও ১২০ থেকে ১৪০ টাকা এবং গাজর ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের মতো শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। আর শসার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে। বরবটির কেজি গত সপ্তাহের মতো ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুনও গত সপ্তাহের মতো ৮০ থেকে ১১০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। দাম অপরিবর্তিত রয়েছে উস্তারও। এক কেজি উস্তা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। এগুলোর পাশাপাশি বাজারে অন্য সবজিগুলোও স্বস্তি দিচ্ছে না। পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, তা গত সপ্তাহে ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকা। গত সপ্তাহে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া ঢেঁড়সের দাম বেড়ে ৭০ থেকে ৮০ টাকা হয়েছে। দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে ঝিঙা, কাঁকরোল, ধুন্দুল, কচুর লতি। ঝিঙার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, তা গত সপ্তাহে ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা। গত সপ্তাহে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া কাঁকরোলের দাম বেড়ে ৭০ টাকা হয়েছে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে কচুর লতি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা। লাউয়ের পিস গত সপ্তাহের মতো বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। এক হালি কাঁচকলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। বাজারে আসা শীতের আগাম সবজি ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। ৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে শুধু মুলা ও পেঁপে। এর মধ্যে মুলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। পেঁপের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকায়। স্বস্তি মিলছে না কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজের দামেও। এক কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়। দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। আমদানি করা বড় আকারের ভারতীয় পেঁয়াজের কেজির জন্যও গুনতে হচ্ছে ৮০ টাকা। গত মাসে ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই এমন চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। নিত্যপণ্যের এমন চড়া দামে ক্রেতাদের মুখ থেকে শুধু হতাশার কথায় শোনা যাচ্ছে। মধ্য বাড্ডার বাসিন্দা রেজা বলেন, অনেক দিন ধরেই সবজির দাম বেশি। আর এক সপ্তাহে ধরে বাজারে সবকিছুর দাম আগুন। একশ টাকার সবজি কিনলে এক বেলাও ঠিক মতো হয় না। এক সপ্তাহে শুধু সবজির পেছনেই দেড়-দুই হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, আমাদের পক্ষে টেকাই মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। কারওয়ান বাজার থেকে সবজি কেনা মিলন কর্মকার বলেন, আমাদের কপাল থেকে সবজি প্রায় উঠে গেছে। বেশিরভাগ সবজির কেজি একশ টাকা। এত দাম দিয়ে সবজি কি করে কিনব? হিসাব করে দেখলে সবজির থেকে এখন বয়লার মুরগি সস্তা। কারণ বয়লার মুরগির কেজি ১২০ থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। প্রায় একই ধরনের কথা বলেন রামপুরার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, একশ টাকার সবজি কিনলে একদিনও হয় না। ২০০ টাকার বয়লার মুরগি কিনলে টেনেটুনে দুই দিন নেয়া যায়। এর সঙ্গে মসলা ও তেলের খরচ আছে। বাস্তবতা হলো, এখন স্বল্প আয়ের মানুষের জীবন চালানো দায় হয়ে গেছে। একবেলা না খেয়ে থেকেও খরচের লাগাম টানা যাচ্ছে না। সবজির দামের বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী মো. মিন্টু বলেন, বন্যার পর টানা বৃষ্টিতে সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। চাহিদার তুলনায় বাজারে সবজির সরবরাহ অনেক কম। এ কারণে সবজির দাম এমন চড়া। সামনের সপ্তাহে সব সবজির কেজি একশ টাকা হয়ে গেলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। পরিস্থিতি যা তাতে জানুয়ারির আগে সবজির দাম কমার সম্ভাবনা কম। রামপুরার এক ব্যবসায়ী বলেন, সবজির দাম বাড়ায় আমরাও বিপাকে আছি। বিক্রি অনেক কমে গেছে। আবার দাম বেশি হওয়ায় কারণে অল্প লাভে সবজি বিক্রি করতে হচ্ছে। এছাড়া আড়ৎ থেকে সবজি আনার পর নষ্ট অনেক সবজি ফেলে দিতে হচ্ছে। সবমিলিয়ে কোনো রকমে আসল টিকছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে এক সময় ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে।
রূপায়ণ ভাল-বাসার মেলা শুরু, বুকিং দিলেই মোটরসাইকেল উপহার
১৪,অক্টোবর,বুধবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকার বাসাবোতে গতকাল শুরু হয়েছে রূপায়ণের পাঁচ দিনব্যাপী রূপায়ণ ভাল-বাসার মেলা। রূপায়ণ ত্রিবেণী প্রকল্পের এ মেলা উদ্বোধন করেন রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের ডিএমডি মিজানুর রহমান দেওয়ান এবং নির্বাহী পরিচালক (বিক্রয়) এহসানুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রূপায়ণ গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার (মার্কেটিং অ্যান্ড মিডিয়া) মো. শওকত আহমেদসহ সেলস, মার্কেটিং অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। রূপায়ণ ভাল-বাসার মেলায় বুকিং দিলেই রয়েছে মোটরসাইকেল উপহার। পাঁচ দিনব্যাপী এ মেলা চলবে সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। মেলা শেষ হবে আগামী শনিবার। উল্লেখ্য, কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের দূরত্বে বাসাবোতে ১৮ দশমিক ২৯ কাঠা জমির ওপর নির্মিত ১৪ তলা ভবন রূপায়ণ ত্রিবেণীতে রয়েছে আধুনিক নগর জীবনের সব ধরনের সুবিধা। ১১৮০-১২৯৫ বর্গফুটের রেডি অ্যাপার্টমেন্টের সঙ্গে থাকছে গাড়ি পার্কিং সুবিধা, মনোমুগ্ধকর ছাদ বাগান, সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, রিসেপশন লবি এবং প্রশস্ত রাস্তাসহ অন্যান্য সুবিধা।- বিজ্ঞপ্তি
এ কে খান অ্যান্ড কোম্পানির সিইও হলেন কেএএম মাজেদুর রহমান
১৪,অক্টোবর,বুধবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সম্প্রতি এ কে খান অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে যোগ দিয়েছেন কেএএম মাজেদুর রহমান। ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিন কর্মরত থেকে ব্যবসায় উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং পুঁজিবাজার পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।এ কে খান অ্যান্ড কোম্পানিতে যোগ দেয়ার আগে তিনি মাল্টিলেটারেল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সিতে পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের জুলাই পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) এমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ডিএসইতে যোগ দেয়ার আগে তিনি প্রিমিয়ার ব্যাংকের এমডি ও সিইওর দায়িত্বে ছিলেন। তিনি প্রথম কান্ট্রি হেড হিসেবে ব্যাংক আল-ফালাহ্ লিমিটেড, এবি ব্যাংকের এএমডি, আইপিডিসি বাংলাদেশ লিমিটেডের ডিএমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিজ্ঞপ্তি
চীনে শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা পাওয়া ৮২৫৬টি পণ্যের তালিকা প্রকাশ
১৩,অক্টোবর,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চীন বাংলাদেশকে ৯৭ শতাংশ বা ৮ হাজার ২৫৬টি পণ্য রফতানিতে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাণিজ্য সুবিধা দিয়েছে। গত জুনের শেষ নাগাদ এ তথ্য জানায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ১ জুলাই থেকে এ বাণিজ্য সুবিধা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। এবার সেসব পণ্যের তালিকা প্রকাশ করা হলো। রোববার (১১ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পণ্যগুলোর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। চীন বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে চীন থেকে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ ছিল প্রায় ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যার বিপরীতে বাংলাদেশের রফতানির পরিমাণ ছিল মাত্র বিলিয়ন মার্কিন ডলারের নিচে। এ তথ্য উল্লেখ করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের রফতানি বৃদ্ধির মাধ্যমে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যবৈষম্য কমিয়ে আনার লক্ষ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীনের নেতৃত্বে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় উদ্যোগ গ্রহণ করে। এ লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনক্রমে চীনের সঙ্গে বিনিময়পত্র বা লেটার অব এক্সচেঞ্জ স্বাক্ষর করে। এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, দীর্ঘ সমঝোতার পর ১৬ জুন চীন বাংলাদেশকে শর্তহীনভাবে ৯৭ শতাংশ পণ্যে অর্থাৎ মোট ৮ হাজার ২৫৬টি এইচএসকোড শুল্কমুক্ত কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা প্রদান করে আদেশ জারি করে। ফলে চীনের বাজারে বাংলাদেশের সব সম্ভাবনাময় পণ্য শুল্কমুক্ত কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা পাবে, যা ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। চীন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) আওতায় একপক্ষীয়ভাবে বা ইউনিল্যাটারালি স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে এ সুবিধা প্রদান করায় বাংলাদেশকে এর বিপরীতে কোনো ছাড় দিতে হবে না।
উন্নত দেশের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে বাণিজ্য সংস্থাগুলোকে: সালমান ফজলুর রহমান
০৯,অক্টোবর,শুক্রবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অনুন্নত দেশ থেকে সরে আসার কারণে কিছু সুবিধা হারালেও একটি উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলে আমাদের জন্য আরো অনেক সম্ভাবনার দ্বার খুলে যাবে। বাণিজ্য সংস্থাগুলোর কাজ হবে সেই সম্ভাবনার দ্বার চিহ্নিত করে তা কাজে লাগানো। বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ খাতসহ সার্বিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে মহামারীর প্রভাব সম্পর্কে আলোচনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ (বিএপিএলসি) আয়োজিত কভিড-১৯ প্যানডেমিক: ইমপ্যাক্ট অন ইনভেস্টমেন্ট ইন বাংলাদেশ অ্যান্ড দ্য ওয়ে ফরওয়ার্ড শীর্ষক ভার্চুয়াল সেমিনারে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান। বুধবার আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সালমান ফজলুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি নিহাদ কবির। বিএপিএলসির সভাপতি মো. আজম জে চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সহসভাপতি মো. রিয়াদ মাহমুদের সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে মূল বক্তব্য রাখেন ইস্ট কোস্ট গ্রুপের পরিচালক মো. তানজিম চৌধুরী। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অসাধারণ ভূমিকা রাখার জন্য বাণিজ্য সংস্থাগুলোর নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাণিজ্য সংস্থাগুলো দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে আসছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব একটি নতুন বিশ্বাসের জন্ম দিয়েছে এবং স্টেকহোল্ডারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। ফলস্বরূপ মহামারীর মধ্যেও দেশের ব্যবসায়িক কার্যক্রমসহ অন্যান্য সব ধরনের জরুরি কার্যক্রম সফল ও সুষ্ঠুভাবে চালু রাখা সম্ভব হয়েছে। এ দেশের মানুষ সব সময় যেকোনো দুর্যোগ মোকাবেলার সক্ষমতা রাখে। ফলে মহামারীর মাঝে ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গেও আমরা লড়াই করতে সক্ষম হয়েছি। তিনি আরো বলেন, আজকের সেমিনারে উপস্থিত সব বাণিজ্য সংস্থার করপোরেট গভর্ন্যান্সে সহায়তা করা উচিত। ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে করভিত্তির প্রসারণ এ প্রক্রিয়ায় সহায়ক হতে পারে। আমাদের মনে রাখতে হবে, অনুন্নত দেশ থেকে সরে আসার কারণে কিছু সুবিধা হারালেও একটি উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলে আমাদের জন্য অনেক সম্ভাবনার দ্বার খুলে যাবে। বাণিজ্য সংস্থাগুলোর কাজ হবে সেই সম্ভাবনার দ্বার চিহ্নিত করে তা কাজে লাগানো। তিনি অভ্যন্তরীণ শিল্পকে রক্ষা করতে মূসক ও কর ব্যবস্থা পুনর্গঠন এবং দ্বিপক্ষীয় বাজারে বিনা শুল্কে প্রবেশাধিকারের জন্য অন্যান্য দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে (এফটিএ) সম্পৃক্ত হওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, এফবিসিসিআই হেলপ ডেস্ক ও হেলপ লাইনগুলো নির্দিষ্ট কিছু চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছে। আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে সহায়তা প্রদান করছি। যেমন চা শিল্পের জন্য মাত্রাতিরিক্ত করে যন্ত্রপাতি কেনার বিষয়টি আমরা চিহ্নিত করেছি। এমন আরো একটি উদাহরণ হলো, সেচ ও উৎপাদন শিল্পের যন্ত্রপাতিতে করারোপের বিষয়টি চিহ্নিতকরণ। গুরুত্বপূর্ণ কোনো ইস্যু অথবা নিয়ন্ত্রণ সুপারিশ প্রণয়নের ক্ষেত্রে যেকোনো সমস্যা সমাধানে বিএপিএলসিকে সহযোগিতা করতে পারলে তা এফবিসিসিআইয়ের জন্য আনন্দের বিষয় হবে। তিনি আরো বলেন, দেশে এমএসএমইএস খাত থেকে শুরু করে বৃহৎ খাতগুলোয় বাংলাদেশের বাণিজ্য সংস্থাগুলোর প্রতিনিধি হিসেবে আমরা কমনওয়েলথ এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কাউন্সিল (সিডব্লিউইআইসি), চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড (সিসিপিআইটি), সিল্ক রোড চেম্বার অব ইন্টারন্যাশনাল কমার্স (এসআরসিআইসি), ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি), কনফেডারেশন অব এশিয়া-প্যাসিফিক চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিসহ (সিএসিসিআই) ১২৯টি স্ট্র্যাটেজিক গ্লোবাল পার্টনারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য ব্যবসায়িক কার্যক্রম সহজীকরণে ব্যাপক সংস্কারের পাশাপাশি প্রণোদনাগুলোকে সমন্বিত করার লক্ষ্যে বিডা বেশকিছু নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করেছে। বিনিয়োগসংশ্লিষ্ট গতিশীল সেবাগুলোকে এগিয়ে নিতে বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি ওয়ান স্টপ সার্ভিসও চালু করা হয়েছে। এলডিসি স্ট্যাটাস থেকে উত্তরণের সঙ্গে সঙ্গেই মধ্যম আয়ের দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতার জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। সরকারি-বেসরকারিসহ অন্য যেকোনো ধরনের সংস্থার সহযোগিতায় আমরা সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম হব। বিএসইসির চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে বিনিয়োগকারীদের নির্দেশিকা প্রদানের জন্য সুসংহত করপোরেট গভর্ন্যান্সের গুরুত্ব তুলে ধরেন। ওয়েবিনারের মূল বক্তা ইস্ট কোস্ট গ্রুপের পরিচালক তানজিম চৌধুরী অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং অর্থনীতির বিভিন্ন খাতের ওপর মহামারীর প্রভাবগুলো তুলে ধরেন।
আজাহার আলী বাংলাদেশ থেকে কান্ট্রি চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত
০৮,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আইএফআর ফর এনপিও প্রকল্পের জন্য বাংলাদেশ থেকে কান্ট্রি চ্যাম্পিয়ন হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন আজাহার আলী। তিনি কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড, বাংলাদেশের কান্ট্রি ফিনান্সিয়াল কন্ট্রোলার এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করছেন। আজাহার আলী ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) একজন ফেলো মেম্বার। আইএফআর ফর এনপিও অলাভজনক সংস্থার জন্য বিশ্বের প্রথম আন্তর্জাতিকভাবে প্রয়োগযোগ্য আর্থিক প্রতিবেদনের মানদণ্ড, দিকনির্দেশনা প্রস্তুত এবং বিকাশের একটি বৈশ্বিক উদ্যোগ। এ উদ্যোগটি এনপিও-এর আর্থিক প্রতিবেদনের স্বচ্ছতা, প্রদর্শন এবং ধারাবাহিকতার উন্নতি করবে, এর ফলে বিশ্বব্যাপী অলাভজনক খাতের ওপর আরো বেশি বিশ্বাসযোগ্যতা এবং আস্থার উন্নতি হবে বলে আশা করা হয়। কান্ট্রি চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আজাহার আলী আইএফআর ফর এনপিও প্রকল্পের মাধ্যমে অলাভজনক সংস্থাগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিবেদনের নিয়মাবলীর ওপর মতামত গ্রহণ এবং বিকাশের কাজে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করবেন। সেই সঙ্গে ওই মানদণ্ড নির্ধারণের জন্য দেশের সব অংশীজন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে উৎসাহিত করবেন।
সামিট টেকনোপলিসে ৫০ লাখ ডলার বিনিয়োগ করবে সিডনিসান
০৬,অক্টোবর,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিডনিসান ইন্টারন্যাশনাল এবং তাদের টেকনোলজি অংশীদার চীনের ডাহুয়া গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে ভিডিও সার্ভিল্যান্স উৎপাদন এবং সংযোজন কারখানা স্থাপনের একটি প্লান্ট তৈরি করবে। এজন্য সামিট টেকনোপলিসে ৫ মিলিয়ন বা ৫০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে প্রতিষ্ঠানটি। জানা গেছে, প্লান্টটি ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে সেমি নকড ডাউন (এসকেডি) ভিডিও সার্ভিল্যান্স সরঞ্জাম সংযোজন অ্যাসেম্বলি শুরু করবে। প্রাথমিকভাবে এ কারখানায় প্রায় ৯০ জন বাংলাদেশী প্রকৌশলী এবং ১০ জন বিদেশী বিশেষজ্ঞ কাজে নিয়োজিত থাকবেন। এখানকার উৎপাদিত পণ্য দেশের বাজারে সরবরাহের পাশাপাশি বিদেশেও রফতানি করা হবে। এ লক্ষ্যে গতকাল বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম এনডিসি এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) সভাপতি মো. শাহিদ-উল-মুনীরের উপস্থিতিতে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সামিট টেকনোপলিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু রেজা খান এবং সিডনিসান ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাগর কুমার টিটো সামিট টেকনোপলিসে এক একর জায়গায় ভিডিও সার্ভিল্যান্স ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্ট স্থাপনের জন্য ভূমি ইজারাসংক্রান্ত এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হন সামিট গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান লতিফ খান, পরিচালক ফাদিয়া খান এবং সালমান খানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। উল্লেখ্য, সামিট টেকনোপলিস সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (পিপিপি) বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটির ৯১ একর জায়গায় তথ্যপ্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তিসংবলিত সেবাগুলো (আইটিইএস), দূষণমুক্ত ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাসেম্বলি লাইন এবং ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছে। সামিট টেকনোপলিস এই ৯১ একর জায়গার নকশা, নির্মাণ, অর্থায়ন, সরকারের কাছে নিজস্ব পরিচালনা স্থানান্তরের শর্তের অধীনে ৬০ বছরের জন্য ইজারা পেয়েছে। অন্যদিকে ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত সিডনিসান ইন্টারন্যাশনাল দেশের সুরক্ষা এবং নজরদারি ভিডিও সমাধানের বৃহৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এবং চীনের ডাহুয়া টেকনোলজির একমাত্র অনুমোদিত পরিবেশক।

অর্থনীতি পাতার আরো খবর