গ্রাহক পর্যায়ে ৭৫ শতাংশ গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব
আবারো বাড়ছে গ্যাসের দাম। এরই মধ্যে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে বিভিন্ন খাতে ব্যবহূত প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম গড়ে ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস বিতরণ কোম্পানি। একই সঙ্গে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের বিতরণ চার্জ ২৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬৬ পয়সা করার প্রস্তাব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বুধবার (২০ জুন) সকালে রাজধানীর কাওরানবাজারের টিসিবি অডিটোরিয়ামে বিইআরসির গণশুনানিতে এ প্রস্তাব তুলে ধরে পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস বিতরণ কোম্পানি। শুনানিতে গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিরোধিতা করেন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়শন অব বাংলাদেশ-ক্যাবসহ বিভিন্ন ভোক্তা সংগঠনের প্রতিনিধিরা। গ্রাহক-সেবার মান না বাড়িয়ে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব অযৌক্তিক উল্লেখ করে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান হয়েও সেবার পরিবর্তে মুনাফার দিকে ঝুঁকছে পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি, অমান্য করছে ব্যয় সংকোচন নীতিও। এজন্য প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ নেয়ারও হুঁশিয়ারি দেন ক্যাব প্রতিনিধি। তবে এনার্জি রেগুলেটরী কমিশনের পুনর্মূল্যায়ন কমিটি বলছে, দাম বাড়ানোর প্রস্তাব অযৌক্তিক। একই মত জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, সম্পদ যতটুকু ইন-সার্ভিস থাকবে ততটুকুর ওপরেই থাকবে অবচয়। এটা হচ্ছে মৌলিক নিয়ম। যদিও কম বেশিও অতীতে ব্যত্যয় ঘটেছে। ঘাটতি পূরণ করে লস দিয়ে ব্যবসা দাঁড় করাতে হয়। সরকার এটা ব্যবসায় করছে, তাতেই পুঁজি বিনিয়োগ করতেই হবে। এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন বলছে সবকিছু যাচাই বাছাইয়ের পরই গ্যাস বিতরণে দামের বিষয়টি চূড়ান্ত করবেন তারা। সূত্র: বিডি২৪লাইভ
১ জুলাই থেকে ব্যাংকঋণে সুদের হার ৯ শতাংশ
ব্যাংকঋণের সুদের হার ৯ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংক (বিএবি)। যেটি কার্যকর হবে ১ জুলাই থেকে। একই সঙ্গে আমানতের সুদের হার সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ করার কথাও জানানো হয়েছে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় গুলশানে বিএবির কার্যালয়ে ব্যাংক মালিকদের বৈঠকের পর অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার এ ঘোষণা দেন। বৈঠকে বেসরকারি খাতের সব ব্যাংকের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেয়া ব্যাংক মালিকদের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হল। এ সময় বাড়তি সুদের আশায় আমানত এক ব্যাংক থেকে আরেক ব্যাংকে স্থানান্তর না করার বিষয়েও কঠোর হুশিয়ারির কথা জানান নজরুল ইসলাম মজুমদার।
রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি সাড়ে ১৭ শতাংশ
চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাস অর্থাৎ জুলাই থেকে মে পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৪৬ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ৯৫৮ কোটি টাকা। মে পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে সাড়ে ১৭ শতাংশ। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, অর্থবছরের শুরুতে এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৪৮ হাজার ১৯০ কোটি টাকা নেওয়া হলেও বছরের শেষ দিকে এতে তা কমিয়ে সোয়া ২ লাখ কোটি টাকা করা হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থবছর শেষে কমিয়ে আনা এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করাও কঠিন হবে। কেননা, এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে চলতি জুনে এনবিআরকে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করতে হবে। অর্থবছরের শেষ মাস হিসেবে রাজস্ব আদায় অন্য মাসের চেয়ে বেশি হলেও এত বিশাল পরিমাণ রাজস্ব আদায় করা কঠিন হবে বলে মনে করছেন এনবিআরের কর্মকর্তারাও। সূত্র জানায়, গত অর্থবছরের জুনে এনবিআর রাজস্ব আদায় করেছিল ২৬ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা। এর আগের বছরের জুনে ২১ হাজার ৮২১ কোটি টাকা আদায় করেছিল। আগামী অর্থবছরের জন্য ৩২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরে এরই মধ্যে বাজেটে ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিগত কয়েক বছর ধরেই রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবভিত্তিক হচ্ছে না। এর ফলে লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে আদায়ের বড় পার্থক্য থাকছে। এনবিআর আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট ও আমদানি পর্যায়ে আরোপিত শুল্ক খাত থেকে মোটা দাগে রাজস্ব আদায় করে থাকে। প্রতিষ্ঠানটির প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, রাজস্ব আদায়ে অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে রয়েছে আয়কর বিভাগ। গত ১১ মাসে ৬৮ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয়কর আদায় হয়েছে ৫১ হাজার ৪৫৪ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ঘাটতি সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি। ৮১ হাজার কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ভ্যাট আদায় হয়েছে ৭০ হাজার ৭৯২ কোটি টাকার। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ঘাটতি প্রায় ১০ হাজার ২১১ কোটি টাকা। তবে চলতি অর্থবছরের গত ১১ মাসে শুল্ক আদায় অপেক্ষাকৃত সন্তোষজনক। আলোচ্য সময়ে ৬২ হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে শুল্ক আদায় হয়েছে ৫৬ হাজার ৮০০ কোটি টাকার। রাজস্ব আদায়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে এনবিআরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায়ে এনবিআর প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন প্রকল্পের উৎসে অগ্রিম আয়কর, বকেয়া আদায় বাড়ানোর মাধ্যমে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
শিল্প ও সেবা খাতের হিস্যা দিন দিন বাড়ছে
বর্তমানের দেশে ৬ কোটি ৩৫ লাখ শ্রমশক্তি রয়েছে। এরমধ্যে পুরুষ ৪ কোটি ৩৫ লাখ ও নারী ২ কোটি শ্রম শক্তি রয়েছে। কর্মক্ষম জনশক্তির মধ্যে ৬ কোটি ৮ লাখ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৮ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করে আরো বলা হয়, উচ্চতর জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জণে সামিষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি মূল্য, মজুরি ও কর্মসংস্থান এই তিনিটি সূচক খুবই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। ২০১৮ অর্থ বছরের মার্চ ২০১৮ পর্যন্ত গড় মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যে সরকার খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সতর্ক মুদ্রানীতি গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মক্ষম শ্রমশক্তির মধ্যে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত শ্রমশক্তির মধ্যে ৪০ দশমিক ৬ শতাংশ কৃষিতে, ৩৯ শতাংশ সেবা খাতে এবং ২০ দশমিক ৪ শতাংশ শিল্প খাতে নিয়োজিত রয়েছেন। শ্রম শক্তি জরিপ ২০১৬-১৭ অনুযায়ী কর্মে নিয়োজিতদের মধ্যে আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত প্রায় প্রায় ৪৪ দশমিক ৩ শতাংশ। চাকরিজীবী ও পারিবারিক শ্রমে নিয়োজিত যথাক্রমে ৩৯ দশমিক ১ শতাংশ ও ১১ দশমিক ৫ শতাংশ। পারিবারিক শ্রমে নিয়োজিতদের মধ্যে পুরুষ ১৭ লাখ ও নারী ৫৩ লাখ। অর্থনৈতিক সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও তাদের প্রেরিত অর্থ বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিসহ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিরাট অবদান রাখছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে ৬ লাখ ৯২ হাজার কর্মী বিদেশ গেছেন। এছাড়া ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৯ লাখ ৫ হাজার কর্মী ১২,৭৬৯ দশমিক ৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়েছেন। চলতি ৯ মাসে ১০,৭৬১ দশমিক ৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেশে প্রেরিত হয়েছে । যা পূর্ববর্তী অর্থ বছরের তুলনায় ১৭ দশমিক ০৪ শতাংশ বেশি। দেশের দক্ষ শ্রম শক্তি বৃদ্ধিতে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে ৫৩ হাজার ৫৪ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্থাব করা হয়েছে। এরমধ্যে ৩৮৯টি উপজেলায় কারিগরি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২৩টি উপজেলায় চারটি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ ২৩টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং প্রতিটি বিভাগে একটি করে প্রকৌশল মহাবিদ্যালয় ৩৫টি মডেল মাদ্রাসা স্থাপন ও ৫২টি মাদ্রাসায় অনার্স কোর্স চালু করা হবে। দেশে প্রতি বছর ২০ লাখ নতুন শ্রমশক্তি যুক্ত হচ্ছে। এর মধ্যে ১৬ লাখ দেশের অভ্যন্তরে এবং চার লাখ বিদেশে কর্মসংস্থান হয়। দেশের সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রতিবছর ১৬ লাখ কর্মীর কর্মসংস্থান করতে হচ্ছে। শিল্প ও সেবা খাতের হিস্যা দিন দিন বাড়ছে। কৃষি খাতের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত থাকায় কৃষিতেও শ্রমিকের মজুরি বাড়ছে। বাসস
যেসব পণ্যের দাম কমছে, বাড়ছে
জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আজ বৃহস্পতিবার প্রস্তাবিত বাজেট অনুসারে বেশ কিছু পণ্যের দাম বাড়তে পারে। আবার কিছু পণ্যের দাম কমতে পারে। বাজেটে মোবাইল ও ব্যাটারি চার্জার আমদানিতে শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। ২০০০ ভোল্ট পর্যন্ত ইউপিএসও আইপিএস আমদানিতে শুল্ক বাড়ছে। ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার আমদানিতে শুল্ক বাড়ছে। ল্যাম্প হোল্ডারের দাম বাড়বে। পুরোনো গাড়ির অবচয় সুবিধা বছরভিত্তিক ৫ শতাংশ হারে কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বাইসাইকেল তৈরি সরঞ্জামে আমদানি শুল্ক বেড়েছে। এনার্জি ড্রিংকের ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক ২৫ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ শতাংশ করা হয়েছে।প্রসাধন সামগ্রী যেমন- সানস্ক্রিন,নগ বা পায়ের প্রসাধন সামগ্রীর ওপর ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।সেভিং সামগ্রী,শরীরের দুর্গন্ধ ও ঘাম দূরীকরণে ব্যবহৃত সামগ্রী (আতর ব্যতীত), সুগন্ধযুক্ত বাথ সল্ট ও অন্যান্য গোসল সামগ্রীতে সম্পূরক শুল্কহার ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। এছাড়া সিগারেট পেপার, বিড়ির পেপারের ওপর সম্পূরক শুল্ক ২০ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সিরামিকের বাথটাব, জিকুজি শাওয়ার, শাওয়ার ট্রের সম্পূরক শুল্ক ২০ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদ্যুতের ব্যবহার কমানোর জন্য আলট্রা ভায়োলেট, ফিলামেন্ট ল্যাম্পের ব্যবহার কমানোর জন্য সম্পূরক শুল্ক ১০ শতাংশ করা হয়েছে। পলিথিনের ব্যবহার কমানোর জন্য পলিথিন ব্যাগ, প্লাস্টিক ব্যাগ ও মোড়কের ওপর ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।তামাকজাত পণ্যের রপ্তানির ওপর ২৫ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। মধু, চুইংগাম, সুগার কনফেকশনারি, চকলেট, কোকোযুক্ত খাবার, বাদাম, সিরিয়াল, ওটস, খুচরা মোড়কে সরাসরি বিক্রির জন্য আমদানিতে শুল্কহার ২৫ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। রেফ্রিজারেটর তৈরির উপকরণ রেফ্রিজারেন্ট, প্রিন্টেড স্টিল শিট, কপার টিউব, আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। হাইড্রলিক ব্রেক ফ্লুইড ও হাইড্রলিক ট্রান্সমিশনসহ অন্যান্য পণ্যে আমদানি শুল্ক ১০ থেকে ১৫ করা হয়েছে। কাশ্মীরি ছাগল ও অন্য প্রাণীর লোম থেকে তৈরি সামগ্রীতে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। চুলের ক্লিপ ও চুল পড়া রোধক সামগ্রীর সম্পূরক শুল্ক শূন্য থেকে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। বাজেটে ১৮০০ সিসি পর্যন্ত হাইব্রিড মোটরগাড়ি আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক ৪৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের মধ্যে কার্বন রডের শুল্ক কমেছে। মোটরসাইকেল উপকরণ আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।ওষুধশিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানো হয়েছে ও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ক্যানসার নিরোধক ওষুধ প্রস্তুতের জন্য আমদানি পর্যায়ে কতিপয় উপকরণের রেয়াতি সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।ওষুধশিল্পের উৎপাদনের ব্যবহৃত কাঁচামালের রাসায়নিকে রেয়াতি সুবিধা দেওয়া হয়েছে। পোলট্রি ফিডের প্রয়োজনীয় উপকরণ সয়াবিন ওয়েল, ফ্লাওয়ারের ওপর শুল্ক হ্রাস করে শূন্য করা হয়েছে তবে রেগুলেটরি ডিউটি ৫ শতাংশ করা হয়েছে।ফিশিং নেট আমদানিতে শুল্ক প্রণোদনা প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া গুঁড়া দুধ প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের কাঁচামাল ফিল্ড মিল্ক পাউডার বাল্ক আমদানিতে শুল্ক ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে। দেশীয় মুদ্রণশিল্প রক্ষায় মুদ্রণশিল্পের কাঁচামালে শুল্ক ১০ শতাংশ হ্রাস করা হয়েছে। কর্নফ্লাওয়ার, অ্যালুমিনিয়ামের তার আমদানিতে শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে। বল পয়েন্ট কলমের কালি আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে। ছবি ছাপানোর পণ্যসামগ্রীতে শুল্ক কমানো হয়েছে। ফ্লাক্স ফাইবারে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। সিগারেট, বিড়ি, জর্দাসহ সব ধরনের তামাকজাত পণ্য প্রস্তুতকারী ব্যবসা থেকে অর্জিত আদায় অপরিবর্তিত আছে ও অ্যালুমিনিয়ামের তারে রেগুলেটরি ডিউটি বাড়ছে।
কোন খাতে কত বরাদ্দ
প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক অবকাঠামো খাতে মোট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ২৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ রাখা হয় ১ লাখ ৭ হাজার ৭১৭ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ২৯ শতাংশ। সামাজিক অবকাঠামো খাতের আওতায় মানবসম্পদ খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ২০৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ২৪ হাজার ৮৮৮ কোটি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ২২ হাজার ৪৬৬ কোটি, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ১৮ হাজার ১৫৯ কোটি এবং অন্যান্য মন্ত্রণালয় বা বিভাগে ৪৭ হাজার ৬৯৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদে আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রস্তাবিত এই বাজেটে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ের বিপরীতে মোট রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। এতে আয়-ব্যয়ের ঘাটতি দাঁড়াবে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। বাজেটে বলা হয়েছে, সামাজিক অবকাঠামো খাতের আওতায় খাদ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১৩ হাজার ৮১৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে ৪ হাজার ১৫৫ কোটি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে ৯ হাজার ৬৫৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে ভৌত অবকাঠামো খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯৮২ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ৩০ দশমিক ৯৯ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ রাখা হয় ১ লাখ ২৬ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ৩৩ দশক ৯৭ শতাংশ। ভৌত অবকাঠামো খাতের আওতায় কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন খাতে মোট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৫৮ হাজার ৯২৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ে ১৩ হাজার ৯১০ কোটি, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে ৭ হাজার ৯৩ কোটি, স্থানীয় সরকার বিভাগে ২৯ হাজার ১৫০ কোটি এবং অন্যান্য মন্ত্রণালয় বা বিভাগে ৮ হাজার ৭৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ভৌত অবকাঠামো খাতের আওতায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২৪ হাজার ৯২১ কোটি। যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে মোট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৫৩ হাজার ৮১ কোটি টাকা। এর মধ্যে সড়ক বিভাগে ২৪ হাজার ৩৮০ কোটি, রেলপথ মন্ত্রণালয়ে ১৪ হাজার ৫৪২ কোটি, সেতু বিভাগে ৯ হাজার ১১৪ কোটি এবং অন্যান্য মন্ত্রণালয় বা বিভাগে ৫ হাজার ৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ভৌত অবকাঠামো খাতের আওতায় অন্যান্য খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৭ হাজার ৫২ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত বাজেটে সাধারণ সেবা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার ৫৪২ কোটি টাকা। এর আওতায় জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় ২৬ হাজার ৫৯৪ কোটি এবং অন্যান্যে ৯০ হাজার ৯৪৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে সুদ পরিশোধে ৫১ হাজার ৩৪০ কোটি, পিপিপি ভর্তুকি ও দায় মেটাতে ২২ হাজার ২০১ কোটি এবং নিট ঋণ দান ও অন্যান্যে ২ হাজার ৪৮৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
রমজানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি
রমজানের শুরুতেই রাজধানীর কাঁচাবাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। গরু আর খাসির মাংস ছাড়া সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে না অন্য কোনো পণ্য। তবে টানা বৃষ্টির কারণে বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। হঠাৎ করে ৫০ টাকার বেগুন ৯০ টাকা, শসা ৫০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেলেও শুক্রবারে দেখা যায় ভিন্নচিত্র। বৃষ্টির কারণে শশা, গাজর, কাঁচামরিচ ও বেগুনের দাম গতকালের চেয়ে কিছুটা কমেছে।বাজার মনিটরিংয়ের অভাবে রমজানের শুরুতেই বাজারদরের ছন্দপতন দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। বাজারে সব সবজিই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। ৪০ টাকা কেজির নিচে কোনো সবজি মিলছেই না।রাজধানীর বাজারে একমাত্র গরু আর খাসির মাংস ছাড়া আর কোনো পণ্যই সরকারের বেধে দেয়া দামে বিক্রি হচ্ছে না। রমজানের অজুহাতে ব্রয়লার বা দেশি মুরগি দুটোর দামই চড়া। পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কমলেও মানছেন না বিক্রেতারা। সবজির বাজারেও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি
এবারের বাজেটের আকার হবে ৪ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা
আগামী ৭ জুন ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট জাতীয় সংসদে পেশ করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। বর্তমান সরকারের এটি শেষ বাজেট এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এবারের বাজেটের আকার হবে ৪ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। অর্থমন্ত্রী আজ সোমবার সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) পরিচালনা পর্ষদের সদ্যস্যদের সঙ্গে বৈঠককালে এ কথা জানান। এ সময় মুহিত বলেন, বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পয়ঃনিষ্কাশন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ এবং অবকাঠমো খাতকে প্রধান্য দেওয়া হবে। বর্তমান সরকার দারিদ্র দূরীকরণে সাফল্য দেখিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,দেশে বর্তমানে দারিদ্র পীড়িত মানুষের হার প্রায় ২ দশমিক ৪ ভাগ। তবে শতাংশ মানুষ চরম দারিদ্র সীমার মধ্যে রয়েছে বলেও তিনি জানান। বৈঠকে ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাসেম খান ঢাকা চেম্বারের নেতৃত্ব দেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশে দারিদ্র পীড়িত মানুষের সংখ্যা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণে অধিকতর মনোযোগ দিচ্ছে। ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাষ্ট্রয়ত্ত্ব ব্যাংকগুলোর বেশকিছু সমস্যা রয়েছে। তবে এসব ব্যাংক প্রান্তিক জনগণের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করে থাকে। বাংলাদেশে কর্পোরেট করের হার খুবই বেশি উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন,এটা ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনার বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে। তিনি জানান, বাংলাদেশের রপ্তানি হার বাড়াতে তৈরি পোশাক খাতের অবদান আরোও বেশ কিছু বছর বজায়ে থাকবে এবং বাইরের দেশগুলোতে চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ফলে দূর্নীতি কমেছে এবং আশা করা যাচ্ছে আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে দূর্নীতি উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে। তিনি জানান, সঞ্চয়পত্রের সুদের কমানোর বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে। ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাসেম খান এ সময় বলেন, জ্বালানী ও বিদ্যুৎ খাতের স্বল্পতা, বন্দর ব্যবস্থাপনায় অদক্ষতা, আর্থিক খাতে ঋণ প্রবাহের স্বল্পতা, ব্যবসা পরিচালনায় ব্যয় বৃদ্ধি এবং অবকাঠামো খাতের দূর্বলতা প্রভৃতি বিষয় দেশের বেসরকারি খাতের সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। ঢাকা চেম্বারের সভাপতি বলেন, বর্তমান সরকার ঘোষিত ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়া এবং ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ৩০তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত করতে হলে ৮ থেকে ১০ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে। জিডিপি প্রবৃদ্ধির এ হার অর্জন করতে হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ব্যবসা বান্ধব নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন, অবকাঠামো খাতের উন্নয়ন, মানবসম্পদের দক্ষতা উন্নয়ন ও গবেষণা এবং নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে বলে তিনি জানান। ডিসিসিআই সভাপতি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডালিটির আওতায় উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রম মনিটরিংয়ের জন্য ন্যাশনাল ইনফ্রাস্ট্রাক্চার ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং অ্যাডভাইজরি অথরিটি (নিদমা) নামে একটি প্লাটফর্ম গঠণের করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
ধরার পরেই তদবির আসা শুরু হয়-ভেজালকারীদের তো আমরা ধরতেই পারি
রমজান উপলক্ষে পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন রাখতে সড়ক-মহাসড়কে পুলিশের বিশেষ কার্যক্রম থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। গতকাল রাজধানীতে নিত্যপণ্যের দাম ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা চেম্বার আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন। অসাধু চক্র নিয়ন্ত্রণে কেবল রোজা নয় সারা বছরই পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান ব্যবসায়ীরা। বিশ্বের মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায় রমজান এলেই নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার পরিবর্তে কমে যায়। অথচ বাংলাদেশে এ চিত্র পুরোটাই উল্টো। পণ্যের দামের লাগাম টানতে যেনো সব প্রচেষ্টাই বিফলে যায়। এমন পরিস্থিতিতে আসন্ন রমজানে ভোগ্য পণ্যের দাম ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে করণীয় ঠিক করতে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান বলেন, সারাদেশে সিন্ডিকেট চক্রের দৌরাত্ম্য কমাতে সরকারি খাদ্য কর্মকর্তাদের বিচারিক ক্ষমতা দেয়া উচিত। অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান বলেন, '২০০৯ সালে আমরা ভোক্তা আইন পেয়েছি। কিন্তু এগুলো কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ। শুধু পুলিশ-প্রশাসনের সীমিত লোক দিয়ে তা প্রয়োগ করা সম্ভব না হলে, খাদ্য কর্মকর্তাদের পাওয়ার দিতে হবে।' ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, অসাধু চক্র নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘ মেয়াদী পদক্ষেপ না নিয়ে রমযানের এক থেকে দুই মাস আগে তোড়জোড় শুরু করে সরকার। এতে ভোক্তারা তেমন সুফল পায় না। এদিকে, ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালাতে গেলে বিভিন্ন মহলের তদবিরের কারণে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয় না বলে নিজেই স্বীকার করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।