একটি বাস টার্মিনাল ৬০ লাখ লোকের!
অনলাইন ডেস্ক: বন্দর নগরী হলেও চট্টগ্রামে আছে মাত্র একটি বাস টার্মিনাল। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের ৬৪টি রুট এবং দক্ষিণ ও উত্তর চট্টগ্রামের রোডে যাতায়াতকারী দুই লাখ যাত্রীকে রাস্তার ওপর গাড়িতে ওঠানামা করতে হয়। এতে নগরীতে বিভিন্ন পয়েন্টে সৃষ্টি হয় অসহনীয় যানজট। সরকারি নানা সংস্থার গড়িমসি আর সমন্বয়হীনতার কারণে দীর্ঘদিনেও গড়ে ওঠেনি আধুনিক বাস টার্মিনাল। ১৯৯৫ সালে নগরীর বহদ্দারহাটে নির্মাণ করা হয় একটি টার্মিনাল। পরে নগরীর কদমতলীতে রেলওয়ে থেকে ইজারা নিয়ে সীমিত পরিসরে গড়ে ওঠে আরেকটি টার্মিনাল। এরপর আর কোন টার্মিনাল গড়ে ওঠেনি । অথচ নগরীর ৬০ লাখ লোকের ৪০ লাখের বেশি অন্যান্য অঞ্চলের বাসিন্দা। প্রতিদিন অন্তত দেড় থেকে দু'লাখ মানুষ চট্টগ্রামে আসা-যাওয়া করে ৩০ হাজারের বেশি যানবাহনে। বাস টার্মিনালের অভাবে নানা সমস্যা আর ভোগান্তিতে পড়তে হয় পরিবহণ শ্রমিক ও যাত্রীদের। স্থায়ী কোন বাস টার্মিনাল না থাকায় দক্ষিণের গুরুত্বপূর্ণ এই শাহ আমানত সেতুর গোলচত্বরকে অঘোষিত টার্মিনাল বানিয়ে রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে ওঠানামা করানো হচ্ছে যাত্রীদের। নগরীতে এরকম অন্তত ২০টির বেশি অস্থায়ী বাস টার্মিনাল রয়েছে। এতে সৃষ্টি হচ্ছে নগরজুড়ে তীব্র যানজট। আন্তরিকতা ও সরকারি সংস্থাগুলো একমত হতে না পারাকে এর জন্য দুষলেন পরিবহন নেতারা। পূর্বাঞ্চল বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সভাপতি মৃণাল চৌধুরী বলেন, তাদের মধ্যেও নানা দ্বন্দ্ব আছে। কখনও বলে সিটি করবে, কখন বলে সিটি কর্পোরেশন করবে।' তবে আশার আলো নগরীর বালুছড়া আর বন্দরের টোল প্লাজা এলাকায় দুটি টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনার হাতে নিয়েছে সিটি কর্পোরেশন।
চোর চক্রের ১০ সদস্য গ্রেফতার
অনলাইন ডেস্ক: নগর ও জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে কাভার্ডভ্যান থেকে আমদানি ও রফতানি পণ্য চোর চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া সদস্যদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খাতুনগঞ্জের একটি গোডাউন থেকে চুরি হওয়া ১৫৫ বস্তা রেজিন (দানাদার রাসায়নিক পদার্থ) উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৫ জানুয়ারি) ও রোববার (৬ জানুয়ারি) একটানা দুইদিন অভিযান তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে জানান নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (পশ্চিম) এএএম হুমায়ুন কবির। গ্রেফতার হওয়া ১০ জন হলেন- মো. সালাউদ্দিন (২২), মো. আব্দুল মান্নান (৩৪), মো. রাশেদ (৩৬), সেন্টু হাওলাদার (২৭), মো. নজরুল ইসলাম (২৯), মো. আবু সুফিয়ান রুবেল (২৬), মো. ফারুক (৩৫), মো. আলমগীর লিটন (৩৫), পংকজ দাশ (৫১) এবং সজল দেব(৪১)। নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতার হওয়া ১০ জন কাভার্ডভ্যান থেকে আমদানি ও রফতানি পণ্য চোর চক্রের সদস্য। ভিন্ন ভিন্ন পেশার আড়ালে তারা সংঘবদ্ধ হয়ে এ চুরির কাজ করে। তিনি বলেন, মেসার্স গুডলাক ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড ট্রেডিং এজেন্সি নামক একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর প্রথমে গাড়িচালক সালাহউদ্দিন ও আব্দুল মান্নানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন কৌশলে বাকি আট জনকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার হওয়া পণ্য। পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম বলেন, এই চোর সিন্ডিকেটের কাছ থেকে নির্দিষ্ট ক্রেতারাই সাধারণত এসব পণ্য কিনে থাকেন। তাদের কাছে ছাড়া অন্যদের চোরাই পণ্য বিক্রি করেন না তারা। নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ৫ জানুয়ারি খাতুনগঞ্জের মেসার্স গুডলাক ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড ট্রেডিং এজেন্সির ম্যানেজার বাদি হয়ে পতেঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। নগর গোয়েন্দা পুলিশ টানা দুইদিন অভিযান চালিয়ে এ চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেফতার ও চুরি হওয়া ১৫৫ বস্তা রেজিন উদ্ধার করে। তিনি জানান, মামলায় অভিযোগ করা হয়-১ জানুয়ারি রাফি ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের আমদানি করা ৩ হাজার ৫৯৪ ব্যাগ সিবিসি রেজিন তাইওয়ান হোয়াইট ৭টি কাভার্ড ভ্যানে করে ভারটেক্স ডিপো থেকে আমদানিকারকের কারখানায় পাঠানো হয়েছিল। পরে ২টি কভার্ড ভ্যানে ৭৫ ব্যাগ ও ৮০ ব্যাগ পণ্য কম পাওয়া যায়।
চট্টগ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ ১০৩২ কেন্দ্র
অনলাইন ডেস্ক :আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলা ও নগরের এক হাজার ৮৯৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে এক হাজার ৩২টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ ও দ্বীপাঞ্চলের ৭৯টি কেন্দ্রকে বিশেষ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে জেলার জামায়াত অধ্যুষিত সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও সীতাকুণ্ডের কেন্দ্রগুলোকে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। অতীতের সংঘাত, ব্যালটবাক্স ছিনতাই, কেন্দ্রে প্রার্থীদের প্রভাব ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ তালিকা করেছে পুলিশ। অবশ্য পুলিশ ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র না বলে এসব কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মহানগরী বাদে চট্টগ্রাম জেলায় ভোটকেন্দ্র এক হাজার ৩০২টি। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ (পুলিশের ভাষায় গুরুত্বপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ৮৩২টি। দ্বীপাঞ্চলের ৭৯টি কেন্দ্রকে বিশেষ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া ৩৯১টি কেন্দ্রকে সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সাতকানিয়া থানা এলাকায় ৮৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ৬৬টি ও সাধারণ ২২টি, লোহাগাড়া থানায় ৫৯টি কেন্দ্রের সবগুলোই ঝুঁকিপূর্ণ, বাঁশখালী উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র আছে ১১০টি। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ৭৮টি ও সাধারণ ৩২টি কেন্দ্র আছে। সীতাকুণ্ডে ভোটকেন্দ্র আছে ৮০টি। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ৬৩টি ও সাধারণ ১৭টি কেন্দ্র আছে। মিরসরাই থানায় ৩৪টি গুরুত্বপূর্ণ ও ১৫টি সাধারণ, জোরারগঞ্জ থানায় ৫২টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৩টি সাধারণ, ফটিকছড়ি থানায় ৭৮টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৯টি সাধারণ, ভুজপুর থানায় ৪৪টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৫টি সাধারণ, সন্দ্বীপ থানায় ২৯টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৫০টি সাধারণ, হাটহাজারী থানায় ৭৩টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৩৩টি সাধারণ, রাউজান থানায় ২১টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৬৩টি সাধারণ, রাঙ্গুনিয়া থানায় ৬০টি গুরুত্বপূর্ণ ও ২৮টি সাধারণ, বোয়ালখালী থানায় ৪১টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৩৬টি সাধারণ, পটিয়া থানায় ৪২টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৬৯টি সাধারণ, আনোয়ারা থানায় ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৩৪টি সাধারণ, চন্দনাইশ থানায় ৫৮টি গুরুত্বপূর্ণ ও ১০টি সাধারণ এবং আসন হিসেবে চন্দনাইশের সঙ্গে সংযুক্ত সাতকানিয়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৩৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৬টিকে গুরুত্বপূর্ণ ও ১০টিকে সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ।
ভোটকেন্দ্রে যেতে শঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ :সিএমপি
অনলাইন ডেস্ক :জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে যেতে শঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান।নির্বাচন উপলক্ষে শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) দামপাড়া পুলিশ লাইন্স মাল্টিপারপাস শেডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ আশ্বাস দেন তিনি।মো. মাহাবুবর রহমান বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে যেতে যাতে কেউ শঙ্কিত বোধ না করে। আমাদের পুলিশ সদস্যরা বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি মোটিভেশনাল সভা করেছে, যাতে ওই এলাকার ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যেতে উৎসাহিত হন।সিএমপি কমিশনার বলেন, ‘২০০১ সাল থেকে সকল নির্বাচন অ্যানালাইসিস করে যেখানে সংঘাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেসব জায়গায় সতর্ক অবস্থান নিয়ে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। সিএমপির প্রায় সাড়ে ৬ হাজার পুলিশ সদস্য নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন। আমাদের মোট সদস্য প্রায় ৭ হাজার। বাকি সদস্যদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।মো. মাহাবুবর রহমান বলেন, ‘নগর ও আশপাশের এলাকাসহ ৬টি আসনে মোট ৫৯৭টি কেন্দ্র রয়েছে। ভোট কেন্দ্রগুলোকে আমরা ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছি। সব ভোটকেন্দ্র আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা দিতে আমরা সক্ষম। ভোট কেন্দ্রভিত্তিক ফোর্সের পাশাপাশি পাঁচটি কেন্দ্র নিয়ে একটি করে মোবাইল টিম গঠন করেছি। প্রতিটি থানায় স্ট্রাইকিং টিম, ডিবি টিম, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, আনসার সদস্যরা কাজ করবেন।
চট্টগ্রামের এত উন্নয়ন আওয়ামী লীগ সরকার ছাড়া আর কোনো সরকার করেনি :আ জ ম নাছির
অনলাইন ডেস্ক :হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে করা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রতিদান ভোটের মাধ্যমে চেয়েছেন নগর আওয়ামী লীগ নেতারা।বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় নৌকা প্রতীকে ভোট চান তারা।নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে করা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরেন সিটি মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি বলেন, ১০ বছর আগে ২০০৮ সালে লালদীঘি ময়দানে চট্টগ্রামবাসীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রেখেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। চট্টগ্রামের উন্নয়নে একের পর এক মেগা প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। চলমান উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে চট্টগ্রামের আরও উন্নয়নের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী আবারও নিজে নেবেন। ভবিষ্যতে কিছু পরিকল্পনা রযেছে চট্টগ্রামকে ঘিরে।নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে সিডিএর মাধ্যমে ৮ হাজার কোটি টাকার দুটি প্রকল্প নিয়েছে সরকার। সিটি করপোরেশনও খাল খননের একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসন হবে।আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, নগরে কয়েকটি ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে আরও ফ্লাইওভার ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। যানজটমুক্ত নগর গড়তে আউটার রিং রোড করা হচ্ছে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে বুলেট ট্রেন আসছে। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার হয়ে ঘুমধুম পর্যন্ত ট্রেন যাচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে চট্টগ্রামের চেহারা পাল্টে যাবে। চট্টগ্রামের এত উন্নয়ন আওয়ামী লীগ সরকার ছাড়া আর কোনো সরকার করেনি।আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, চট্টগ্রাম শহরে সুপেয় পানির সংকট ছিল। ওয়াসার মাধ্যমে প্রকল্প গ্রহণ করে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মদুনাঘাটসহ ওয়াসার সব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে নগরবাসী শতভাগ সুপেয় পানির সুবিধা পাবেন। চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন নতুন যন্ত্রপাতি ক্রয় করে কনটেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রম সহজ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা এর সুফল পাচ্ছেন।তিনি বলেন, বিগত ১০ বছরে চট্টগ্রামজুড়ে যতসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে তার সব কৃতিত্ব বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার। তাই বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প শেষ করার জন্য এবং চট্টগ্রামের উন্নয়নে আরও নতুন প্রকল্প নেওয়ার জন্য আবারও শেখ হাসিনাকে প্রয়োজন।আওয়ামী লীগ ও মহাজোট মনোনীত প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়ী করার আহ্বান জানান আ জ ম নাছির উদ্দীন।মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ ও মহাজোট মনোনীত চট্টগ্রাম-৯ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম-১০ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ডা. আফছারুল আমীন, চট্টগ্রাম-৮ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মইনুদ্দীন খান বাদল, চট্টগ্রাম-৪ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী দিদারুল আলম ও চট্টগ্রাম-৫ আসনে লাঙল প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত আসেননি চট্টগ্রাম-১১ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এমএ লতিফ।উপস্থিত ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, নঈম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সুনীল সরকার, জহিরুল আলম দোভাষ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চুসহ নেতাকর্মীরা।সভা শেষে পাঁচ প্রার্থীকে হাত তুলে পরিচয় করিয়ে দেন নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী এবং সিটি মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন।
পাঁচলাইশে মইনউদ্দীন খান বাদলের গণসংযোগ
চট্টগ্রাম-৮ আসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মইনউদ্দীন খান বাদলের পক্ষে নৌকার সমর্থনে গত ২৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার নগরীর পাঁচলাইশ ৩নং ওয়ার্ডের ওয়াজেদিয়ায় ব্যাপক গণসংযোগ করা হয়। গণসংযোগটি ওয়াজেদিয়াস্থ বাদশা কনভেনশন সেন্টার হতে শুরু হয়ে বিভিন্ন এলাকায় নৌকার পক্ষে প্রচারণায় চালায়। এতে স্থানীয় মুরব্বী, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতাসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেয়। গণসংযোগপূর্বক সমাবেশে মইনউদ্দীন খান বাদল বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে হলে নৌকায় ভোট দিয়ে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনার সুযোগ করে দিন। গণসংযোগে অংশ নেন জাসদ কেন্দ্রিয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইন্দু নন্দন দত্ত, চসিক পাঁচলাইশ ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কফিল উদ্দিন খান, জাসদ মহানগর সভাপতি আবু বক্কর ছিদ্দিক, পাঁচলাইশ ওয়ার্ড নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সিরাজুল আলম, মহানগর যুবলীগ সদস্য আব্দুর রহিম, জাহাঙ্গীর সর্দ্দার, ছাত্র ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক জগলুল হায়দার, এস.এম রিদুয়ান, মো. লোকমান, এস.এম নজরুল, সেলিম উদ্দিন জয়, পাঁচলাইশ স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি শওকত আলী সোহেল, আইয়ুব আলী রুবেল, মো. সেলিম, মো. মাহবুব আলম, মো. সালাউদ্দিন, ছাত্রনেতা মো. ইমরান, মো. আজিজ রুমেল, এস.এম দিদারুল আলম, মহিলা নেত্রী ফাতেমা বেগম বুলবুল, রাশেদুল ইসলাম আরমান, ফরহাদ হোসেন সয়ন, মো. জোবাইর প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি
নৌকায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা তরান্বিত করুন
আসন্ন জাতীয় একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মহাজোট প্রার্থী ব্যারিষ্টার মহিবুল হাসান চৌধূরী নওফেলকে জয়ী করার লক্ষে এলাকার জনগণের সাথে গণসংযোগে নেতৃত্ব দেন ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব ও কাউন্সিলর লুৎফুন্নেছা দোভাষ বেবী। গণসংযোগে আরো উপস্থিত ছিলেন, ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা নটন পাল হাজী নাছির আহমেদ, সেকান্দর মিয়া, মঞ্জুর আলম, জাহাঙ্গীর সিদ্দিকী, মঞ্জুর মোর্শেদ, সবির আহমেদ, আকরাম খান, মো. হানিফ, মহানগর যুবলীগ সদস্য খোরশেদ আলম রহমান, সাবেক ছাত্রনেতা তাজ উদ্দিন রিজভী, সাইফুদ্দিন আহমেদ, কামরুল হক, মহানগর যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, নারী নেত্রী বৃষ্টি বৈদ্য, মনোয়ারা বক্স, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আবদুল আজিজ, এনামুল হক, আবদুল মতিন, হুমায়ুন মোর্শেদ শাকিল, তারাপদ দাশ, শাহাদাত হোসেন, যুবলীগ নেতা, মো. মাসুম, জামাল উদ্দিন মাসুম, আবদুল গফুর সুমন, মো. ইদ্রিছ, মো. ফারুক, জ.ই. লিটন, সামিউল হাসান রূমন, আলাউদ্দিন বাপ্পী, আকতার মিয়া, শওকত হোসেন, রাশেদুল আলম, মহানগর ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অসিউর রহমান, সদস্য কায়সার হামিদ, যুবনেতা মোঃ নিয়াজ, মোঃ পারভেজ, মোঃ গোল নেওয়াজ, মোঃ মুরাদ, মোঃ জাবেদ, ছাত্রনেতা রহিত বড়ুয়া, অনিন্দ্য দেব, সৌরভ দাশ, মোঃ নাভেদ, রিগান দত্ত, ইজাজুল হক ইজাজ প্রমুখ। গণসংযোগে হাসান মুরাদ বিপ্লব বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে জয়ী করে বাংলাদেশের যে উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে আরো বেগমান করার জন্য এই আসনের প্রার্থী ব্যারিষ্টার নওফেলকে নির্বাচিত করে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখুন। বিজ্ঞপ্তি
মহাজোট প্রার্থী ব্যারিস্টার আনিসকে লাঙল প্রতীকে ভোট দিন
উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম বলেছেন, বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন-অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পুনরায় ক্ষমতায় আনতে হবে। তিনি আগামী ৩০ তারিখে হাটহাজারীর প্রতিটি নির্বাচনী সেন্টারে মহাজোট প্রার্থী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে লাঙল প্রতিকের পক্ষে কাজ করার জন্য আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানান। গতকাল বুধবার হাটহাজারী উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন আয়োজিত বাস্টেশন মাঠে নির্বাচনী জনসমাবেশে একথা বলেন। হাটহাজারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাড. মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন নোমান ও এসএম মোরশেদুল আলম চৌধুরীর যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যাপক মো. মঈনুদ্দিন, কার্যনির্বাহী সদস্য মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী, দিদারুল আলম বাবুল, জেলা পরিষদ সদস্য জাফর আহমেদ, মো. শওকত আলম, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহসম্পাদক মো. সেলিম উদ্দিন, উত্তর জেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক এসএম রাশেদুল আলম। বক্তব্য দেন, হাটহাজারী উপজেলা আওয়ামী লীগ সহসভাপতি কাজী এনামুল হক, চেয়ারম্যান সরওয়ার মোরশেদ তালুকদার, মো. লেয়াকত আলী, যুগ্ম সম্পাদক শাহনেওয়াজ চৌধুরী, আকতার হোসেন, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ইকবাল বাহার, সরওয়ার চৌধুরী, এসএম নোমান, মো. আজম উদ্দিন, আলমগীর চৌধুরী, চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিকী, চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান বাচ্চু, চেয়ারম্যান আলমগীর জামান, মোছলে উদ্দিন, অধ্যাপক খুরশিদ আলম, গোলাম মোস্তাফা, আলী আবরাহা দুলাল, আলী আকবর চৌধুরী, নাজমুল হুদা মনি, শারমিন ইকবাল, মো. শাহ আলম, আকতার হোসেন, অ্যাড. জোবাইদা সরওয়ার নিপা, মিজানুর রহমান, ইকবাল বাপ্পি, তালুকদার পারভেজ, সাকেরিয়া চৌধুরী সাগর, ছাত্রলীগ সভাপতি আরিফুর রহমান রাসেল প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর