চট্টগ্রামে একদিনে করোনায় ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২২৮ জন
১১,এপ্রিল,রবিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা গত এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এনিয়ে চট্টগ্রামে মোট মৃত্যু ৪২৩ জনের মৃত্যু হলো। এসময়ে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২২৮ জনের। রোববার (১১ এপ্রিল) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ৬টি ল্যাবে ১ হাজার ৮৬৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৮০৯টি, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৪৩৪টি এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ১৫৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে বিআইটিআইডি ল্যাবে ৫২ জন, চমেক ল্যাবে ১০ জন এবং সিভাসু ল্যাবে ৫৩ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ৪০৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭৯ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৫২টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৭ জন এবং জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ১২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এদিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাব, ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাব ও কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের কোনো নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ২২৮ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১ হাজার ৮৬৭টি। আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ২০৪ জন এবং উপজেলায় ২৪ জন। এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪৪ হাজার ৩১৯ জন।
ফটিকছড়ি কোভিড-১৯ হাসপাতাল পুণরায় চালু
১০,এপ্রিল,শনিবার,সজল চক্রবর্তী, ফটিকছড়ি,নিউজ একাত্তর ডট কম: জনঅর্থায়ন-সরকারী সঞ্চালন পদ্ধতিতে ফটিকছড়ির সর্বস্তরের মানুষের দান-অনুদান আর ভালোবাসায় গড়ে উঠা ফটিকছড়ি কোভিড-১৯ হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম পূণরায় চালু হয়েছে । দীর্ঘ ৭ মাস চালু থাকার পর করোনার প্রকোপ কমে যাওয়ায় এবং ভ্যাক্সিনেশন কার্যক্রম চালু হওয়ার প্রেক্ষিতে এই কোভিড হাসপাতালকে বিশেষায়িত মা ও শিশু হাসপাতাল রূপান্তরের সিদ্ধান্তর মধ্য দিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি কোভিড হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। অতি সম্প্রতি কোভিড সংক্রমণ বেড়ে যাওয়াতে ফটিকছড়ির জনসাধারণ পুনরায় কোভিড হাসপাতাল চালু করে দেয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবী তুলেন। জনগণের দাবী ও করোনার চরম প্রকোপ বেড়ে যাওয়াতে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী পুণরায় কোভিড হাসপাতাল চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করে এবং ৮ এপ্রিল ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পুণরায় কোভিড হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম চালু করেন। সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য ফটিকছড়ির মানুষ এমপিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। এখন থেকে পুনরায় দিন রাত ২৪ ঘন্টা করোনা পজিটিভ কিংবা সন্দেহভাজন করোনা রোগী সরাসরি হসপিটালে এসে আগের মত পুনরায় সেবা নিতে পারবে।
চট্টগ্রামে করোনায় প্রাণ গেলো ৫ জনের, আক্রান্ত ৫২৩
১০,এপ্রিল,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামে ২ হাজার ৭৯১টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫২৩ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ৪৪ হাজার ৯১ জন। এসময়ে করোনায় ৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। শনিবার (১০ এপ্রিল) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এইদিন কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামে ৬টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ৭৪৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় ৬৬ জন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৫০৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ২১ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ৩৩৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৩৮ জনের শরীরের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ২১৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ৮৩ জন, শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ৮১৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৬২ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এদিন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাব এবং জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) কোনো নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি। এছাড়া, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ২টি নমুনা পরীক্ষা করে কারো শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেনি। সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ২ হাজার ৭৯১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে আক্রান্ত হয়েছেন ৫২৩ জন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৪২৯ জন এবং উপজেলায় ৯৪ জন।
দ্বিতীয় দফায় চট্টগ্রামে এলো তিন লাখ ৬ হাজার ডোজ কোভিড ভ্যাকসিন
৯,এপ্রিল,শুক্রবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দ্বিতীয় দফায় চট্টগ্রামে এসেছে ৩ লাখ ৬ হাজার ডোজের ৩০ হাজার ৬০০ ভায়াল কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন। প্রতি ভায়াল ভ্যাকসিন ১০জনকে প্রয়োগ করা হবে। শুক্রবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টায় বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ফ্রিজার ভ্যানে করে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এসব ভ্যাকসিন আসে। এরপর চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাসান শাহরিয়ার কবিরকে সঙ্গে নিয়ে এগুলো গ্রহণ করেন ভারপ্রাপ্ত জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আসিফ খান। এরপর একে একে প্রতিটি কার্টন ভ্যাকসিন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ইপিআই স্টোরে ওয়াক-ইন-কুলারে (ডব্লিউআইসি) ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হয়। ভারপ্রাপ্ত জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আসিফ খান বলেন, চট্টগ্রামের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার দ্বিতীয় দফায় ৩ লাখ ৬ হাজার ডোজ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন আমরা পেয়েছি। সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক নগর এলাকায় সিটি করপোরেশন ও উপজেলা পর্যায়ে ইউএনওর তত্ত্বাবধানে ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। রেজিস্ট্রেশনের হিসাব মতে চাহিদা অনুযায়ী ইপিআই স্টোর থেকে সিটি করপোরেশন ও উপজেলা পর্যায়ে ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হবে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ইপিআই শাখায় প্রাপ্ত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন খুব সাবধানতার সঙ্গে ওয়াক-ইন-কুলারে (ডব্লিউআইসি) সংরক্ষণ করা রয়েছে।
২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত ৪৭৩, মৃত্যু ৬ জনের
৮,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামে ২ হাজার ৩৮৬টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭৩ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ৪৩ হাজার ১৮৮ জন। এসময়ে করোনায় ৬ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এইদিন কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামে ৮টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৫৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ৮৬০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় ৮৮ জন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৫২৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ২৭৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ১১৬ জনের শরীরের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ২০২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭৬ জন, শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ৩১৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭০ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৫৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ২০ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। অন্যদিকে জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) একটি নমুনা পরীক্ষা করে ১ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ২টি নমুনা পরীক্ষা করে কারো শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেনি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৩৯০ জন এবং উপজেলায় ৮৩ জন।
ঝাউতলা ও উত্তর কাট্টলীতে অগ্নিকাণ্ড: ১২ দোকান ও ৩ বসতঘর ভস্মীভূত
৭,এপ্রিল,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নগরীর ঝাউতলায় পুড়েছে ১২টি দোকান। এছাড়াও পুড়ে গেছে গরু-ছাগল। গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে ঝাউতলা রেললাইন সংলগ্ন রেলওয়ের সেতু বিভাগের গুদামের পাশে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি ও আগুন লাগার কারণ জানাতে পারেনি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের অপারেটর জিল্লুর জানায়, আগুন লাগার খবর পেয়ে আগ্রাবাদ ও নন্দনকানন স্টেশন থেকে ৬টি গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সকাল ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণ আসে। তিনি বলেন, ১২ জন মালিকের ১২টি দোকান পুড়ে গেছে। আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। ক্ষতির পরিমাণও তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে। এদিকে স্থানীয়দের সাথে আলাপকালে জানা গেছে, সেখানে ছোট-বড় ১২টি দোকান ছিল। সবগুলো পুড়ে গেছে। চারটি গরু ও একটি ছাগলও আগুনে দগ্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া আগুনে রেলওয়ে নলকূপ পরিদর্শকের অফিসও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে নগরের উত্তর কাট্টলীতে প্রফুল্ল সেন বাড়ির রান্নার চুলা থেকে সৃষ্ট আগুনে তিনটি কাঁচা বসতঘর ও একটি গোয়াল ঘর পুড়ে গেছে। গত রাতে সংঘটিত এ দুর্ঘটনায় দুই লাখ টাকার সম্পদ ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস। আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশনের কন্ট্রোল রুমের অপারেটর হেফাজ উল্লাহ বলেন, উত্তর কাট্টলী ঈশান মহাজন হাটের প্রফুল্ল সেনের বাড়িতে রাত সাড়ে ৮টায় আগুন লাগে। অগ্নিকাণ্ডে সমীরণ ও সলীল সেনের মালিকানাধীন দুইটি কাঁচা বসত ঘর ও গোয়াল ঘর পুড়ে যায়। দুই মালিকের তিনজন ভাড়াটিয়া ছিল। গোয়ালঘরে থাকা একটি ছাগলও পুড়ে গেছে। আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশনের দুটি গাড়ি অগ্নি নির্বাপণে কাজ করে। রাত ৯টা ৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
৫০ শয্যার চসিক আইসোলেশন সেন্টারের যাত্রা শুরু
৬,এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের লালদীঘির দক্ষিণ পাড়ে যাত্রা শুরু করলো চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) আইসোলেশন সেন্টার। মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে চসিকের লাইব্রেরি ভবনের দুইটি ফ্লোর নিয়ে গড়ে তোলা ৫০ শয্যার সেন্টারটির উদ্বোধন করেন মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। এ সময় চসিকের প্যানেল মেয়র মো. গিয়াস উদ্দিন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মো. মোজাম্মেল হক, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, আইসোলেশন সেন্টারের সমন্বয়কারী চসিকের আরবান হেলথ প্রকল্প পিএ-১ এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক ডা. মো. মুজিবুল আলম চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। দু-এক দিনের মধ্যেই এ সেন্টারে রোগী ভর্তি শুরু করা হবে। ডা. মো. মুজিবুল আলম চৌধুরী জানান, ৫০ শয্যার মধ্যে দোতলায় ৩৫ শয্যা থাকছে পুরুষদের জন্য, তৃতীয়তলায় ১৫ শয্যা নারীদের। ইতিমধ্যে চসিকের পদায়ন করা ১১ জন চিকিৎসক যোগদান করেছেন। ১০ জন চিকিৎসক সবসময় থাকবেন। এ ছাড়া ১২ জন প্যারামেডিকস, ৩ জন ফার্মাসিস্ট, ৮ জন ওয়ার্ডবয়, ২ জন স্টোর কিপার, ৩ জন ওয়ার্ড মাস্টার রোস্টার অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি জানান, পরিস্থিতি বুঝে এ আইসোলেশন সেন্টার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। তখন শয্যা ও জনবল বাড়ানো হবে। প্রাথমিকভাবে চসিকের আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসা নিতে আসা করোনা রোগীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধপত্র-অক্সিজেন সাপোর্ট, খাবারসহ সব ধরনের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সেবা নিশ্চিত করা হবে। রোগী পরিবহন ও স্থানান্তরের জন্য থাকবে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস। চসিকের লোকজনই সেন্টারের রোগীদের করোনাসহ অন্যান্য টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট পরীক্ষাগারে পৌঁছে দেবেন। জটিল রোগীদের দ্রুত সরকারি হাসপাতালে রেফার করা হবে।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর