সীতাকুণ্ডে দেশের প্রথম ফিল্ড হাসপাতাল চালু
২১এপ্রিল,মঙ্গলবার,মো.সেলিম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: সীতাকুণ্ডে এক লাখ মানুষের আর্থিক সহায়তায় উদ্যোগের মাত্র ২৩ দিনের মধ্যে চালু হয়েছে মহামারি করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য দেশের প্রথম একটি অস্থায়ী ৬০ শয্যার ফিল্ড হাসপাতাল। আজ (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে উপজেলার ফৌজদারহাট এলাকায় এ হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। জানা গেছে, দেশের শিল্প প্রতিষ্ঠান নাভানা গ্রুপের দেয়া একটি দ্বিতল ভবনের ৬ হাজার ৫০০ বর্গফুট জায়গা নিয়ে গড়ে উঠেছে হাসপাতালটি। এর জন্য ইতোমধ্যে ১০টি আইসিইউ বেড ও চারটি ভেন্টিলেটর সংগ্রহ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এছাড়া, করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক, নার্স ও স্বেচ্ছাসেবক মিলিয়ে মোট ৩৫ জনের একটি দল গঠন করা হয়েছে। চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়ার বড় ভাই আমেরিকান ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া এ হাসপাতালে উদ্যোক্তা। তিনি একমাস আগে ফেসবুকে এ হাসপাতালে নির্মাণের কথা জানিয়ে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি বলেন, মাত্র এক লাখ লোক ১০০ টাকা করে দিলেই এক কোটি টাকার ফান্ড হবে, আর এ টাকায় হাসপাতাল তৈরী সম্ভব। এরপর ব্যাপক সাড়া পড়ে যায়। কোন শিল্পপতির কাছে অনুদান চাওয়া হয়নি বলে জানান ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া। একলাখ মানুষের টাকা দিয়ে এ হাসপাতাল তৈরী হয়েছে। তবে ভবন ও জায়গা দিয়ে এর সাথে শরিক হয়েছেন নাভানা গ্রুপের ভাইস-চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম। এদিকে, নব নির্মিত এ ফিল্ড হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে প্রায় ২৮৭ জন তরুণ আবেদন করলেও ২৫ জনকে নির্বাচিত করেছে কর্তৃপক্ষ। তাদেরকে করোনা রোগীর যত্ন বিষয়ক প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া বলেন, এমন সময়ে আমরা এ হাসপাতালটি স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে চালু করতে যাচ্ছি, যখন সারা দেশে করোনা রোগীরা চিকিৎসা নিয়ে নানা ধরনের দুর্ভোগের মুখোমুখি হচ্ছেন। আমরা প্রমাণ করতে চাই, করোনা রোগীরা অবহেলার পাত্র নন। নিজেরা নিরাপদে থেকে তাদের সেবা দেওয়া যায়। তিনি বলেন, আমরা ৩৭টি বেড স্থাপন করেছি। যেখানে থাকছে ৫টি ভেন্টিলেটর বেড। এছাড়াও আছে একটি অ্যাম্বুলেন্স ও একটি মাইক্রোবাস রোগী ও চিকিৎসক পরিবহনে। ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে। ইতোমধ্যেই আমরা চিকিৎসক, নার্স ও স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছি।
চট্টগ্রামে জনসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ১০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর
২১এপ্রিল,মঙ্গলবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাত দিন মানুষের সেবায় নিজেকে নিযোজিত রেখে জনসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ড.আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু। তিনি এখনো পর্যন্ত দ্বিতীয় বারের মত একজন সফল কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইতি মধ্যে চসিক নির্বাচন (২০২০) এ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কতৃক তৃতীয় বারের মত থাকে একই ওয়াডের্র আওয়ামীলীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রদান করেন। বিগত দিনে অত্র ওয়ার্ডে যারা কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তারা এলাকার জনগনের আস্থা অর্জন করতে না পারলেও বর্তমান কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু তার কর্মকান্ডের মাধ্যমে জনগনের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। বর্তমান করোনা ভাইরাসের কারনে যেখানে অনেক জনপ্রতিনিধি নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ঘর থেকে বের হননি সেখানে চসিকের ১০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্থায় জীবাণুনাশক পানি চিটিয়েছেন নিজে। মশার উপদ্রব রোধে বিভিন্ন কার্যক্রম নিজে উপস্থিত থেকে চালিয়ে যাচ্ছেন। তার পাশাপাশি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এলাকার নিন্মবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবারের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী কখনো সরকারি ভাবে আবার কখনো নিজ উদ্যেগে এবং অর্থায়নে পৌছে দিচ্ছেন। যারা সহায়তা না পেয়ে তার সাথে যোগাযোগ করেছেন তাদেরকে নিজ বাসা এবং কাউন্সিলর অফিস থেকে এসে যে কোন সময় নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশের আলোকে অনেকে নিজে গিয়েও সহায়তা নিয়ে এসেছেন। এলাকা ভিত্তিক সহায়তা প্রদানের জন্য তিনি এবার দক্ষ ও চৌকস ব্যক্তিদেরকে দায়িত্ব দিয়েছেন তালিকা প্রণয়নের জন্য। চসিকের অন্যান্য ওয়ার্ডের চেয়ে উক্ত ১০ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা অধিক সুফল পেয়েছেন বলে এলাকার বেশ কয়েকজন ব্যক্তির সহিত কথা বলে জানা গেছে। কাউন্সিল নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জুর এই জনপ্রিয়তায় এবং তার এই জনসেবায় এক শ্রেনীর কু-চক্রি মহল ইতিমধ্যে নিছার উদ্দিন মঞ্জুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চালাচ্ছেন বলে এলকার বিভিন্ন ব্যক্তি সূত্রে জানা গেছে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরন সহ ওয়ার্ডের সকল উন্নয়ন মূলক কাজে স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে সততা ও নিষ্ঠার সহিত সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন। সম্প্রতি ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দেশ বিদেশের সকলের মঙ্গল কামনা করে মোনাজাত করা হয়।উক্ত বিষয়ে জেলা প্রশাসক ইলিয়াছ হোসেন বলেন, ত্রাণ বিতরণকালে যাতে কোনো উপকারভোগী বাদ না পড়েন, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বিশেষভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকার অজুহাতে যাতে কোনো অসহায় ভাসমান গরিব ও দুস্থ ব্যক্তি ত্রাণ থেকে বাদ না পড়েন, বিষয়টিও গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ. ম. নাছির উদ্দীন বলেন,নগরীতে অবস্থানরত নিন্মজীবী বেকার শ্রমিক, চা দোকানদার, রেস্টুরেন্ট শ্রমিক, পরিবহন শ্রমিক, মোটরযান শ্রমিক, নির্মাণ শ্রমিক ও কৃষি শ্রমিক, দোকান কর্মচারী যে-যেখানে অবস্থান করছেন সেই ঠিকানানুযায়ী ত্রাণ প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং কোন অস্বচ্ছল পরিবার যাতে বাদ না পড়ে সেই দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করতে হবে। এক্ষেত্রে যাতে আইডি কার্ড না থাকা-অন্য আঞ্চলিক অবস্থান বা ভোটার না হওয়া- এসব-আমলে না এনে সরকারি ত্রাণ প্রাপ্তির হালনাগাদ তালিকা তৈরি এবং সকল নাগরিকের ঘরে ঘরে যাতে দ্রততম সময়ের মধ্যে সরকারি ত্রাণ-সামগ্রী পৌঁছে যায় সেজন্য কাউন্সিলরদের ত্রাণসামগ্রী বিতরণে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।সেই ক্ষেত্রে ১০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সফল কি না তা উক্ত ওয়ার্ডের জনগনই বিবেচনা করবেন।স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও মহামারি থেকে রক্ষা পেতে ঘরে থাকার জন্য বলা হয়েছে। এ অবস্থায় দেশের প্রান্তিক গরীব জনগোষ্ঠীর জন্য সরকার প্রদত্ত খাদ্য সহায়তা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বন্টন করা হচ্ছে। ত্রাণ নয়-ছয় করা হলে কোন ধরণের অনুকম্পা তারা পাবে না। যারা ভালো কাজ করবে তাদের নাম গুডবুকে লিখে রাখা হচ্ছে।
চসিকে দেশের প্রথম অটো স্যানিটাইজিং চেম্বার বসালেন মেয়র নাছির
২১এপ্রিল,মঙ্গলবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: টাইগার পাস চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ের সামনে অটো স্যানিটাইজিং চেম্বার বসালেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এই স্যানিটাইজিং চেম্বারের ভিতর দাঁড়ালে স্বয়ংক্রিয় স্প্রের মাধ্যমে মাত্র চার সেকেন্ডে নিজেকে জীবাণুমুক্ত করা যাবে। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র আবু আদনানের নেতৃত্বে ছয় শিক্ষার্থী এই অটো স্প্রে চেম্বারটি তৈরি করেছেন। অটো ডিসইনফেকশান চেম্বার নামের এই স্বয়ংক্রিয় চেম্বারটি তৈরিতে ব্যয় হয়েছে মাত্র ২০ হাজার টাকা। আজ ২১ এপ্রিল বিকালে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এই অটো স্যানিটাইজিং চেম্বারটি উদ্বোধন করেছেন। এ ব্যাপারে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে নানা শ্রেণির লোকজন যাতায়াত করেন। এই ক্রান্তি সময়ে যেকোন ভাবেই করোনা ভাইরাস সংক্রমনের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই কার্যালয়ের প্রবেশ মুখে এই স্যানিটাইজিং স্প্রে চেম্বার বসানো হয়েছে। আগত কর্মকর্তা-কর্মচারী বা জনসাধারণ এর ভিতর দিয়ে প্রবেশ করে চার মিনিট অবস্থান করলে জীবাণুধ্বংসকারী রাসায়নিক মিশ্রণ স্বয়ংক্রিয় ভাবে স্প্রেয়িং হবে। এতে করে শরীরে থাকা করোনা ভাইরাস বা যেকোন ধরণের জীবাণু ধ্বংস হয়ে যাবে। এ ব্যাপারে প্রস্তুতকারক দলের প্রধান চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ৩৫০ শয্যার কোয়ারেন্টিন সেন্টার হচ্ছে
২১এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ৩৫০ শয্যার কোয়ারেন্টিন সেন্টার হচ্ছে। মূলত বিদেশ থেকে আসা প্লেনের যাত্রীদের এ কোয়ারেন্টিন সেন্টারে ১৪ দিনের জন্য রাখা হবে। এ ছাড়া আমিন জুট মিল সংলগ্ন টেক্সটাইল কলেজ ভবনেও ৩০০ শয্যার প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন প্রস্তুত করা হচ্ছে। গতকাল সোমবার মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করে কোয়ারেন্টিন সেন্টার চালুকরণে চসিকের বিদ্যুৎ বিভাগ, পরিচ্ছন্ন বিভাগসহ প্রয়োজনীয় সেবা সহায়তা চায় সেনাবাহিনী। টাইগারপাসের চসিক দফতরে মেয়রেরর সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন সেনাবাহিনীর ২৪ কোর ডিভিশনের লে. কর্নেল শাহজাহান ও মেজর মো. সালাউদ্দিন। মেয়র সেনাবাহিনীকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন চালুকরণে চসিকের পক্ষ থেকে সার্বিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন। এ সময় মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, চসিকে প্রকৌশলী ঝুলন দাশ ও পরিচ্ছন্নতা বিভাগের প্রধান শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী যিশু উপস্থিত ছিলেন। আবুল হাশেম বলেন, বিদেশফেরত যাত্রীদের রাখার জন্য জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ৩৫০ শয্যার ও আমিন জুট মিল সংলগ্ন টেক্সটাইল কলেজ ভবনে ৩০০ শয্যার কোয়ারেন্টিন সেন্টার হবে। এগুলো সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।
পত্রিকার অসচ্ছল হকারদের পাশে সিএমপি
২১এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ইস্পাত নির্মাণকারী শিল্পগ্রুপ কেএসআরএমের সহায়তায় পত্রিকার অসচ্ছল হকার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন (সিএমপি) পুলিশ দক্ষিণ বিভাগ। করোনার প্রভাবে অসহায় হয়ে পড়া এসব পরিবারকে কেএসআরএমের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি নগরীর স্মরণিকা কমিউনিটি সেন্টারে সিএমপি দক্ষিণ বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মেহেদী হাসান হকার সমিতি নেতাদের কাছে তা আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন। কেএসআরএমের পক্ষে দেয়া নিত্যপণ্যসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল সাত কেজি, আলু দুই কেজি, পেঁয়াজ এক কেজি, ডাল এক কেজি, তেল এক লিটার, লবণ আধা কেজি, রসুন আধা কেজি। প্রাথমিকভাবে ৩৫০ হকার পরিবারকে এ সহায়তা দেয়া হয়েছে। এ সময় উপপুলিশ কমিশনার মেহেদী হাসান বলেন, মহামারী করোনার প্রভাবে বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষ চরমভাবে আর্থিক সংকটে পড়েছে। আমরা চাই তাদের পাশে দাঁড়াতে। কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়াতে। এরই অংশ হিসেবে আমরা জানতে পেরেছি চট্টগ্রামে প্রায় এক হাজার পত্রিকা হকার কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ৩৫০ পরিবার দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। কেএসআরএমের সহায়তায় আমরা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। আরো বিভিন্ন শিল্পগ্রুপ আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়েছে। ভবিষ্যতে অসহায় বিভিন্ন পেশার মানুষ চিহ্নিত করার মাধ্যমে আরো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী দেয়া হবে। আমরা এসব সামগ্রী তালিকাভুক্ত হকার পরিবারের ঘরে ঘরে রাতের মধ্যেই পৌঁছে দেব। যাতে সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করা যায়। কেএসআরএমের মিডিয়া অ্যাডভাইজার মিজানুল ইসলাম বলেন, আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার ও ধারাবাহিক কাজের অংশ হিসেবেই এসব খাদ্যসামগ্রী দেয়া হচ্ছে। বৈশ্বিক মহামারী করোনার প্রভাব শুরু হওয়ার পর থেকে কেএসআরএম বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। কেএসআরএমের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার জাহানের আন্তরিক সহযোগিতায় এসব পণ্যসামগ্রী দেয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিএমপির দক্ষিণ বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আবদুর রউফ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, চিটাগাং সংবাদপত্র হকার্স বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মো. ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম লিটন প্রমুখ।
আটকে পড়া চট্টগ্রামের দুই হাজার ২০০ মানুষকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে
২১এপ্রিল,মঙ্গলবার,স্টাফ রিপোর্টার,নিউজ একাত্তর ডট কম:ভারত ও সিঙ্গাপুরে আটকে পড়া চট্টগ্রামের দুই হাজার ২০০ মানুষকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। ইউএস বাংলার আটটি বিশেষ ফ্লাইটে আনা হচ্ছে এসব মানুষ। আগামীকাল বুধবার প্রথমদিনে ৬০০ জনকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। ফিরিয়ে আনা মানুষগুলোকে কোয়ারেন্টিনে রাখার ব্যবস্থাও সম্পন্ন হয়েছে। এমন তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে লকডাউন ঘোষণার পর চিকিৎসা নিতে যাওয়া চট্টগ্রামের এসব মানুষ ভারত ও সিঙ্গাপুরে আটকা পড়ে। এখন তাদের আটটি বিশেষ ফ্লাইটে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। তাদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে। তিনি জানান, ভারত থেকে ৬০০ জন চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে আসবে আগামীকাল বুধবার। এদের ৩০০ জনকে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে, অপর ৩০০ জনকে বায়েজিদ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। কয়েক দফায় বাকী লোকজন চট্টগ্রামে ফিরবে। সিঙ্গাপুর থেকেও ২০০ জনকে ফিরিয়ে আনা হবে। এজন্য নগরীর বিভিন্ন এলাকায় আরও এক হাজার ৩০০ মানুষের জন্য কোয়ারেন্টাইন সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে সেনাবাহিনী। বিশেষ করে কাজির দেউড়ির এমএ আজিজ স্টেডিয়াম, নগরীর কিছু হোটেল-মোটেল ও ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউটকে ঘিরেই মূলত পরিকল্পনা করছে সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশন। কোয়ারেন্টিনে রাখতে থাকা-খাওয়ার বিষয় ও খরচ-সবকিছুই ঠিক করবে সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রাম নগরীর মধ্যে এই কোয়ারেন্টিন সেন্টারগুলো পরিচালনা করা হবে। এক্ষেত্রে বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা সেনাবাহিনীকে সহায়তা দিচ্ছেন বলেও জানান চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ। এদিকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স থেকে জানানো হয়েছে, ২২ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ছয়টি, এরপর আরও দুটি বিশেষ ফ্লাইটে আটকে পড়া প্রায় দুই হাজার ২০০ মানুষকে চেন্নাই ও কলকাতা থেকে চট্টগ্রামে ফিরিয়ে আনা হবে।
নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হেক্সিসল, মাস্কের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান
২০এপ্রিল,সোমবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা প্রতিপালন,বাজার মনিটরিং, স্বপ্রণোদিত লকডাউনের আড়ালে অননুমোদিত দোকান বন্ধ রাখা, আড্ডা বন্ধ, বাড়ির নির্মান কাজ বন্ধ, টিসিবি পণ্য বিক্রি মনিটরিং ও ক্রেতাদের নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরণ ইত্যাদির মাধ্যমে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে ছিলো চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ১০ টি টিম। এসময় ভ্রাম্যমান আদালতে ৫১ টি মামলায় ৪৫,৫০০(পয়তাল্লিশ হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা আদায় এবং ১১০ লিটার নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার জব্দ করা হয়। আজ সোমবার ২০ এপ্রিল সকাল ৯.০০ টাথেকে বিকাল ৩.০০ টা পর্যন্ত ও বিকাল ৩.০০ টা থেকে রাত ৯ঃ০০ টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ সরকারি নির্দেশনা বাস্থবায়নে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে। বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজন চন্দ্র রায়। তিনি জানান,বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সিএম পুলিশের সহযোগিতায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সকলকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। সর্বমোট ১ টি মামলায় ১,০০০(এক হাজ্র) টাকা জরিমানা করা হয়। সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমা বিনতে আমিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন পাঁচলাইশ, খুলশী ও বায়েজিদ এলাকায়। তিনি জানান, অননুমোদিতভাবে খুলে ব্যবসা করায় ১ টি রডের দোকানকে ৩,০০০(তিন হাজার) টাকা, সামাজিক দূরত্ব না মানা এবং চায়ের দোকানে চা পান ও আড্ডাবাজির জন্য দোকানি ও ক্রেতাদের ১,০০০(এক হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া বাজার মনিটরিং এর অংশ মূল্য তালিকা না টানানো ও মেয়াদোত্তীর্ণ মালামাল রাখায় ৪টি মুদি দোকানকে ৫,০০০(পাচ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়। বাজারসহ যেখানে লোকসমাগম বেশি সেখানে মাইকিং করা হয় এবং সচেতনা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়।। অপরদিকে চাঁন্দগাও,চকবাজার,বাকলিয়া এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজা জেরিন । তিনি জানান, অভিযানকালে মাস্ক, গ্লাভস না পড়া, অযথা বাহিরে ঘুরাঘুরি এবং মাংসের দোকানে অতিরিক্ত দাম রাখায় জরিমানা আদায় করা হয়। টেরিবাজারে একজন দোকানী নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রি করার সময় তা জব্দ করলে সে এইসব নকল জিনিস আনসার ক্লাব থেকে এনেছে বলা জানায়। পরে সেই বিক্রেতাকে সাথে নিয়ে আনসার ক্লাবে গিয়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির জিনিসপত্র পাওয়া যায়৷ পরিমাণ আনুমানিক প্রায় ১১০ লিটার। অনুমতি ছাড়া এবং সুনির্দিষ্ট পরিমাপ ছাড়া এসব স্যানিটাইজার তৈরি করে চড়া দামে বিক্রি করছিল বলে দোকানদার নিজেই স্বীকার করেন। এগুলো জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।সর্বমোট ১১ টি মামলায় ৯,৫০০(নয় হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা করা হয়। সদরঘাট, কোতোয়ালি ও ডবলমুরিং এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামনূন আহমেদ অনিক। তিনি জানান, সামজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরনের জন্য মানুষকে ব্যাপকভাবে সচেতন করা হয়। করোনা প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য মানুষকে অনুরোধ করা হয়। ১ টি মামলাচশত)(পাচশত) টাকা জরিমানা করা হয়। সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন নাহার জানান, আকবরশাহ, পাহাড়তলি, হালিশহর এলাকায় সরকার প্রদত্ত নির্দেশ অমান্য করে বিভিন্ন দোকান খোলা রাখা, সামাজিক দুরত্ব বজায় না থাকার কারণে সর্বমোট ১০টি মামলা দায়ের করা হয় এবং ১০,১০০(দশ হাজার একশত) টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অপরদিকে বিকাল ৩.০০ টা থেকে রাত ৯.০০ টা পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা থানাধীন অঞ্চলে সহকারী কমিশনার ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবুবকর সিদ্দিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। চান্দগাঁও,চকবাজার,বাকলিয়া এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম ইশমাম। তিনি বিভিন্ন অপরাধ আমলে নিয়ে ১৩ টি মামলায় ৭,০০০(সাত হাজার) টাকা অর্থদন্ড করেন। বায়েজিদ, খুলশী, পাঁচলাইশ থানাধীন অঞ্চলে সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট চাই থোয়াইহলা চৌধুরী ২ টি মামলায় ১,৫০০(এক হাজার পাঁচ শত) টাকা জরিমানা করেন। হালিশহর, পাহাড়তলী, আকবরশাহ থানাধীন এলাকায় ভূমি অধিগ্রহন কর্মকর্তা ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কায়সার খসরু ৪ টি মামলায় ৪,৫০০(চার হাজার পাচ শত) টাকা জরিমানা করেন। এছাড়াও সদরঘাট, কোতোয়ালী, ডবলমুরিং থানাধীন এলাকায় ভূমি অধিগ্রহন কর্মকর্তা ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সোহেল রানা ৩ টি মামলায় ২,৪০০(দুই হাজার চারশত) টাকা জরিমানা করেন।
চট্টগ্রামে ২৪ ঘন্টায় করোনায় ১০ জন পজেটিভ
২০এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিভাগে করোনায় আজ ১১৩ নমুনা পরীক্ষা করে ১০ জনের করোনা পজেটিভ পাওয়া যায় তবে কোন রোগীর মৃত্যু হয়নি। চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন করোনা সংক্রান্ত আপডেটে এ তথ্য জানিয়েছেন। স্বাস্থ্য বিভাগ জানায় চট্টগ্রামে বিগত (২০ এপ্রিল ) ২৪ ঘন্টায় ফৌজদারহাটস্থ (বিআইটিআইডি) হাসপাতালে ১১৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয় তার মধ্যে ১০ টি নমুনা পজেটিভ হয়। তার মধ্যে লক্ষীপুর জেলায় ৪ জন, নোয়াখালী ১জন করোনায় আক্রান্ত হয়। চট্টগ্রামে নতুন আরো ৪ জন আক্রান্ত হয়েছে। এছাড়াও আগে থেকে শনাক্ত হওয়া এক রোগীর দ্বিতীয়বার নমুনা পরীক্ষা করে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে ফৗজদারহাটস্থ (বিআইটিআইডি)। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির এ তথ্য জানিছেছেন। এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে ৫ জন রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন। এ পর্যন্ত আইসোলেশন বেডে ৩৯ জন রোগী আছে। তার মধ্যে ২৯ জন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ও ১০ জন ফৌজদারহাটস্থ (বিআইটিআইডি) হাসপাতালে। এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে ৩০৫ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, চট্টগ্রামে কমিউনিটি পর্যায়ে করোনা আক্রান্ত শুরু হয়েছে। এ করোনা সংক্রমন থেকে বাঁচতে ঘরে থাকার বিকল্প নেই। বিশেষ প্রয়োজনে রাস্তায় বের হওয়ার জন্য নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা দেন স্বাস্থ্য বিভাগ। স্বাস্থ্য বিভাগ আরো জানায়, তাদের কাছে ২১ হাজার ৬১টি পিপিই মজুদ আছে। চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি এ তথ্য জানিয়েছেন।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও শুরু হচ্ছে করোনা পরীক্ষা
২০এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:এবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালেও করোনা ভাইরাস পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। করোনা শনাক্তে চমেক এর জন্য পিসিআর মেশিন ও এক হাজার কিট এসে পৌঁছেছে। সোমবার সকালে এসব মেশিনপত্র ঢাকা থেকে চমেক হাসপাতালে এসে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএম হুমায়ুন কবির। তিনি জানান, আমরা এটি দ্রুত স্থাপন করে পরীক্ষা শুরু করতে চাই। এটি স্থাপনের জন্য টেকনিশিয়ানরা ঢাকা থেকে আসছে। স্থাপনে অন্তত দুই থেকে তিন দিন লাগবে জানিয়ে তিনি বলেন, এর পর থেকে আমরা চমেক হাসপাতালেও পরীক্ষা শুরু করতে পারবো। এদিকে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন-বিএমএ চট্টগ্রাম শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী জানান, সকালে পিসিআরসহ প্রয়োজনী যন্ত্রপাতি বিমানে চট্টগ্রাম পৌঁছেছে। সাথে এসেছে এক হাজার কিট। তিনি বলেন, যন্ত্রপাতি স্থাপনের পর আগামী সপ্তাহ থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা শুরু হবে। চট্টগ্রামে কিটের সংকট হবেনা। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ল্যাবটিকে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষার জন্য ইতিমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি জানান, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনার ল্যাব চালু হলে টেস্টের সংখ্যা বাড়বে। এখন ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডিতে প্রতিদিন গড়ে ২০০ স্যাম্পল সংগ্রহ করা হচ্ছে। কিন্তু জনবল ও যন্ত্রপাতি সংকটের কারণে একশর বেশি টেস্ট করা যায় না। ফলে অনেক রোগীর পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে কয়েকদিনও লেগে যায়। চমেকে করোনা পরীক্ষা ল্যাব চালু হলে এ অঞ্চলে এ সংকট আর থাকবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। দেশে করোনা প্রাদুর্ভাব শুরুর পর ঢাকার বাইরে প্রথম গত ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের বিশেষায়িত হাসপাতাল ফৌজদারহাটের বিআইটআইডিতে শুরু হয় করোনা শনাক্তকরণ পরীক্ষা।বাসস

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর