শুক্রবার, এপ্রিল ১৬, ২০২১
দুবাই-আবুধাবি যাচ্ছে ইডিইউর শিক্ষার্থীরা
২০নভেম্বর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইন্টারন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট লিডারশিপ এক্সপেরিয়েন্স (আইজিএলই) কোর্সের অধীনে ৮ দিনের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই-আবুধাবীতে যাচ্ছে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির (ইডিইউ) ২০ জন শিক্ষার্থী। এ সময় বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে শিক্ষার্থীরা কয়েকটি সেশনে অংশ নেবে। এতে শিক্ষার্থীদের সাথে অংশ নিচ্ছেন ৪ জন ফ্যাকাল্টি মেম্বার ও ২ জন প্রশাসনিক কর্মকর্তা। আগামী ২৩ নভেম্বর তারা দুবাইয়ের উদ্দেশে রওনা দেবেন। ইডিইউর প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিনিধিত্ব করতে হলে গ্লোবাল এক্সপেরিয়েন্স প্রয়োজন। শুধু ক্লাস লেকচার আর পাঠ্যপুস্তক নির্ভর পড়াশোনায় সবকিছু সম্ভব নয়। ইডিইউ শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষক ও উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্ব দিচ্ছে। ইডিইউর স্কুল অব বিজনেসের সহযোগী ডিন ড. মুহাম্মদ রকিবুল কবির বলেন, এই কোর্সে শিক্ষার্থীরা রিসার্চ আন্ডারস্ট্যান্ডিং, সাসটেইনেবল লিডারশিপ, ডিজিটাল লিডারশিপ, মোরাল এন্ড এথিকাল লিডারশিপ, ইনোভেটিভ লিডারশিপ এবং সফট স্কিল ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করবে। দুবাই-আবুধাবির কালচারাল হেরিটেজ সাইট, গ্লোবাল ভিলেজ, শেখ যায়েদ ইউনিভার্সিটি, ফ্রি জোন ও নলেজ পার্কে নিয়ে যাওয়া হবে শিক্ষার্থীদের। এছাড়া লেবার ক্যাম্পে শ্রমিকদের জীবনযাপনও দেখানো হবে। এসব অভিজ্ঞতা তাদের গভীর জীবনবোধের শিক্ষা দেবে।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
পেঁয়াজ-চালের মূল্য নিয়ন্ত্রণ না হলে এবার হার্ড লাইনে
২০নভেম্বর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. মো. আবদুল মান্নান বলেছেন, দুএক দিনের মধ্যে কার্গোতে করে দেশে পেঁয়াজ আসবে। নতুন পেঁয়াজ ও শীঘ্রই বাজারে আসবে। এসব পণ্যের মুল্য নিয়ন্ত্রণে না আসলে আমরা হার্ড লাইনে যাবো। অভিযুক্ত আড়তদারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অসাধু আড়তদারদের রক্ষা নেই। পেঁয়াজ ও চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসকগণের নেতৃত্বে সদরের পাইকারী ও খুচরা বাজারে এবং উপজেলা গুলোতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। প্রয়োজনে সাড়াঁশী অভিযান পরিচালনা করতে হবে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম আঞ্চলিক টাস্কফোর্স সভা, বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাগনের সাথে সমন্বয় সভা, জেলা প্রশাসকগনের সাথে সমন্বয় সভা, এসডিজি বাস্তবায়ন ও সমন্বয় সম্পর্কিত বিভাগীয় কমিটির সভা, কারাগারে আটক শিশু-কিশোরদের অবস্থার উন্নয়ন বিষয়ক সভা, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সংক্রান্ত সভা ও বিভাগীয় রাজস্ব সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার অফিস পৃথক সভাগুলোর আয়োজন করেন। বিগত সভার সিদ্ধান্ত ও অগ্রগতি তুলে ধরেন বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইনামুল হাসান ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সাবরিনা আফরিন মুস্তফা। বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সরকারের প্রত্যেকটি প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে কি না তা তদারকি করা হবে। দুর্নীতিতে জড়ানো যাবেনা। আমরা সকলে সততা, আন্তরিকতা ও দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করলে দেশ আরো অনেকদুর এগিয়ে যাবে। পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ দমন, চরি-ডাকাতি রোধ ও অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পৃথক সভাগুলোতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা, বিজিবির রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিঃ জেনারেল আমিরুল ইসলাম সিকদার, বিভাগীয় স্থানীয় সরকার পরিচালক দীপক চক্রবর্তী, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোঃ নুরুল আলম নিজামী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী মোঃ সামসুদ্দোহা, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন (চট্টগ্রাম), আবুল ফজল মীর (কুমিল্লা), তন্ময় দাস (নোয়াখালী), একেএম মামুনুর রশীদ (রাঙ্গামাটি), মো. মাজেদুর রহমান খান (চাঁদপুর), মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম (বান্দরবান), অঞ্জন চন্দ্র পাল (লক্ষীপুর), প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস (খাগড়াছড়ি), মো. ওয়াহিদুজ্জামান (ফেনী), হায়াত-উদ-দৌলা (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া), বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-মহাপরিচালক মোঃ সামছুল আলম, ওয়াসার সচিব ড. পীযুষ দত্ত, ডিসি-ডিবি(বন্দর)এসএম মোস্তাইন হোসেন,Rab-7 এর অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ মশিউর, এনএসআইর অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ ইউসুফ আলী হাওলাদার, আনসার-ভিডিপির উপ-মহাপরিচালক মোঃ সামছুল আলম, ডিআইজি (প্রিজন) একেএম ফজলুল হক, বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক মোঃ আবু সাইদ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ মুজিবুর রহমান পাটওয়ারী প্রমুখ। পৃথক সভাগুলোতে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মরত পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বোয়ালখালীর নিখোঁজ গৃহবধু: অভিযোগ অপহরণের, তদন্তে মিলল পালিয়েছিলেন প্রেমিকের সাথে
১৯নভেম্বর,মঙ্গলবার,নিউজ চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুই সন্তানসহ এক নারী নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবার অপহরণের সন্দেহ করলেও পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছিলেন তিনি। গত ১২ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর আমান বাজার থেকে সিএনজি অটো রিকশা করে বোয়ালখালী উপজেলার শাকপুরায় নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় চার ও দুই বছর বয়েসী দুই সন্তানসহ উধাও হয়ে যান ওই নারী (২৫)। তার মা তখন চান্দগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তাতে তিনি বলেন, কাপ্তাই রাস্তার মাথায় অটো রিকশা দাঁড় করিয়ে কাপড় কিনতে নেমেছিলেন তিনি। মিনিট দশেক পর ফিরে এসে দেখেন, অটোরিকশাটিও নেই, তার মেয়ে ও নাতনিরাও নেই। স্থানীয় সংবাদপত্র ও ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি আলোচনায় এলে তা দেখে এর তদন্ত শুরু করে চট্টগ্রাম নগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মঈনুল ইসলাম বলেন,আমরা জিডিটির তদন্তভার গ্রহণ করার পর পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলি। তাদের ধারণা ছিল, সিএনজি অটোরিকশা চালক তাদের মেয়ে ও নাতনিদের অপহরণ করেছে। এরপর আমরা বিভিন্ন স্থানের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ শুরু করে কাজ করে নিশ্চিত হয়েছি ওই গৃহবধূ অপহৃত হয়নি। সাবেক প্রেমিকের সাথে তিনি ঢাকায় পালিয়ে গেছেন। ঢাকায় যার কাছে ওই নারী গিয়েছিলেন, তার বিষয়ে পুলিশের অনুসন্ধানের মধ্যেই দুই সন্তানসহ ওই নারী মঙ্গলবার ফিরে আসেন চট্টগ্রামে। পুলিশ কর্মকর্তা মঈনুল বলেন, আমরা ওই ব্যক্তির সন্ধান শুরু করলে সে বিষয়টি জানতে পেরে আজ তাকে তার দুই সন্তানসহ চট্টগ্রামে পাঠিয়ে দেয়। পরে তাকে আমরা হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে চান্দগাঁও থানায় হস্তান্তর করেছি। পুলিশ জানায়, সাত বছর আগে বিয়ে হওয়ার আগে ওই ব্যক্তির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ওই নারীর।-সিপ্লাস
গাজী আবদুর রহমান ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিবিদ: খোরশেদ আলম সুজন
১৯নভেম্বর,মঙ্গলবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম গাজী আবদুর রহমান দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন। তিনি গত ১৫ নভেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় সিডিএ আবাসিক এলাকা প্রভাতি উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে গাজী আবদুর রহমান স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে এবং কাট্টলী সংসদের সহযোগিতায় মরহুম গাজী আবদুর রহমানের স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত মন্তব্য করেন। এ সময় সুজন বলেন গাজী আব্দুর রহমানের মতো হাজারো নিবেদিত প্রাণ দলের নেতাকর্মী বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। যারা সবসময় দলের জন্য নীরবে নিভৃতে কাজ করে। তাদের কোন চাওয়া পাওয়া নেই। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই হচ্ছে তাদের আস্থার একমাত্র ঠিকানা। দলে অনুপ্রবেশকারীদের উত্থানে সে সকল নিবেদিত প্রাণ নেতা কর্মী যারা এতোদিন নীরব ছিলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষনায় তারা আবারো প্রাণ ফিরে পেয়েছে। তারা দলের কর্মকান্ডে সরব হতে শুরু করেছে এটা দলের জন্য সুসংবাদ। তিনি আরো বলেন জিয়াউর রহমানের আমল থেকে শুরু করে স্বৈরাচারী এরশাদ এবং খালেদা জিয়ার দুঃশাসনের মতো কঠিন সময়েও বিভিন্ন নির্বাচনে দলের নেতা কর্মীদের উজ্জীবিত করতেন মরহুম গাজী আবদুর রহমান। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে শত অত্যাচার নির্যাতন সত্বেও এ প্রবীণ নেতা সবসময় রাজপথে থাকতেন এবং দলের পক্ষে কাজ করতেন। তার এ আদর্শ রাজনীতির জন্য অনুকরনীয়। বর্তমান প্রজন্মকে মরহুম গাজী আবদুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে কাজ করার আহবান জানিয়ে জনাব সুজন বলেন কি পেলাম, কি পেলাম না সেটার নাম রাজনীতি নয়। রাজনীতি করে সমাজ কিংবা রাষ্ট্রকে আমি কি দিতে পেরেছি সেটাই হচ্ছে বড়ো বিষয়। স্মরণ সভা শেষে জনাব সুজন মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত করেন। সিডিএ আবাসিক এলাকা সমাজ কল্যান পরিষদের সভাপতি ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা এ এইচ এম আবুল খায়েরের সভাপতিত্বে এবং যুবনেতা আসরাফ উদ্দিন হাসনাতের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট আনোয়ারুল কবির চৌধুরী, জহির উদ্দিন মোঃ বাবর, হাবিবুর রহমান হাবিব, এমদাদুল হাসান বাবু, মোঃ হারুন উর রশীদ এম.এ, ডাঃ মোজাম্মেল হক, ফেরদৌস মাহমুদ আলমগীর, মোঃ আলমগীর, মাহফুজ রহমান, ইরফান আলম তানিম, আনন্দ আর্চায্য প্রমূখ। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য নুরুল কবির, সহিদুল ইসলাম দুলদুল, আবুল হাসনাত সৈকত, শিবলু বিশ্বাস শিবু, ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, মিজানুর রহমান মিঝু, তাজউদ্দীন চৌধুরী রিপন, মোহাম্মদ ইসহাক, মিঠুন সরকার, ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান চৌধুরী জনি, এস এম সাফায়েত হৃদয়, রায়হান সাব্বির, তুসার আহমেদ, অসিত দেব, সানিম, অভি রাজ প্রমুখ।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সাত্তার চৌধুরীর অবদান অসামান্য: ড. মাহবুবুল হক
১৯নভেম্বর,মঙ্গলবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক ড. মাহবুবুল হক বলেছেন, পুঁথি ও লোকসাহিত্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে আবদুস সাত্তার চৌধুরীর অবদান অসামান্য। আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের লালন ও তার পুনরুদ্ধারে আবদুস সাত্তার চৌধুরীর শ্রম ও সাধনা সার্থক হয়েছে। আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ ও আশুতোষ চৌধুরীর পরে তিনি উল্লেখযোগ্য কাজ সম্পাদন করেছেন। ড. মাহবুবুল হক গত ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম একাডেমির উদ্যোগে পুঁথি গবেষক ও সংগ্রাহক আবদুস সাত্তার চৌধুরীর জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন। সাহিত্যিক ও সাংবাদিক রাশেদ রউফ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ড. মাহবুবুল হক আরো বলেন, তাঁর সংগৃহীত পুঁথি ও লোকসাহিত্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার সমৃদ্ধ হয়েছে। তাঁর সংগৃহীত পুঁথির তালিকা নিয়ে একটা দীর্ঘ রচনা আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের পান্ডুলিপি পত্রিকায় প্রকাশ করেছিলাম। সেটি জন্ম শতবর্ষকে উপলক্ষ করে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করা গেলে এ প্রজম্মের পাঠক একটা ধারণা পেতে পারেন। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে ছিলেন আগ্রাবাদ মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. আনোয়ারা আলম, সরকারি মহসিন কলেজের অধ্যাপক ড. ইলু ইলিয়াস, শিল্পশৈলী সম্পাদক নেছার আহমদ, মরহুমের পুত্র পুঁথি গবেষক মুহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী, অধ্যাপক অজিত কুমার মিত্র, ব্যাংকার ফারুক খান চৌধুরী প্রমুখ। একাডেমির মহাপরিচালক অরুণ শীলের সঞ্চালনায় সাত্তার চৌধুরীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান সাবেক মহাপরিচালক কবি জিন্নাহ চৌধুরী, পরিচালক গল্পকার দীপক বড়ুয়া, গল্পকার সাংবাদিক বিপুল বড়ুয়া, সংগঠক মো. জাহাঙ্গীর মিঞা, লেখক এসএম আবদুল আজিজ, অধ্যাপক সুপ্রতিম বড়ুয়া, গল্পকার মিলন বনিক, কবি আবুল কালাম বেলাল প্রমুখ। অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে দীপক বড়ুয়ার সম্পাদনায় শ্রদ্ধাঞ্জলি শীর্ষক একটি সংকলন প্রকাশিত হয়।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি
নগরীর কোতোয়ালী থানা এলাকায় জেলা প্রশাসনের মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১১
১৮নভেম্বর,সোমবার,নিউজ চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন লালদিঘীর পাড়, টেরিবাজার ও পুরাতন রেলস্টেশন এলাকায় ভবঘুরে মাদকসেবীদের দৌরাত্য দিন দিন বেড়েই চলছিলো। প্রকাশ্য মাদকসেবনের পাশাপাশি এই সব এলাকায় বেড়ে গেছে নানান অপরাধ কার্যক্রম৷ বিশেষ করে নিউ মার্কেট এলাকায় যানবাহনের যাত্রীদের কাছ থেকে মোবাইল সহ মূল্যবান জিনিস ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা হরহামেসা ঘটছে। অভিযোগ পাওয়া গেছে এসব মাদকসেবীরা নেশার টাকা জোগাড় করতে ছিনতাই ও চুরির মতন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে৷ অবশেষ আজ লালদিঘীর পাড়, টেরিবাজার ও পুরাতন রেলস্টেশন এলাকায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। এসময় এসব এলাকা থেকে ১১ জন মাদকসেবীকে আটক করে জেল জরিমানা করেন অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী। মাদকবিরোধী অভিযানে লালদিঘীর পাড় থেকে মোট ৬জন মাদকসেবীকে গাঁজা সেবনরত অবস্থান আটক করে। প্রত্যেককে ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। তারা হলেন মোঃ শাকিল (২০), মোঃ সাইফুল ইসলাম (৩২), মোঃ জামাল (৪০), মোঃ নবী হোসেন (২৬), মোঃ রশিদ (২৪) এবং মোঃ আরমান (২৫)। পুরাতন রেলস্টেশনের নিউ বিরতি হোটেলের সামনে থেকে মোঃ রাসেল (৩০) এবং মোঃ জয়নাল আবেদীন (৩০) কে গাঁজা সেবনের অপরাধে প্রত্যেককে ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। অপরদিকে, টেরিবাজারে জগদ্ধাত্রী মন্দিরের পাশ থেকে মিজানুল হক রাসেল (৩৫), মাঈনউদ্দীন হোসেন (৩৫) এবং মোঃ মাসুদ আব্দুর রহমান (৩৭) কে ইয়াবা সেবনের সময় আটক করে অপরাধ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে প্রত্যেককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। চট্টগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের নির্দেশনায় জেলায় মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।
বাংলাদেশ হেভি মেশিনারী এন্ড ইকুইপমেন্ট ইম্পোটারর্স এসোসিয়েশন-চট্টগ্রামের মতবিনিময় সভা সম্পন
১৭নভেম্বর,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম:বাংলাদেশ হেভি মেশিনারী এন্ড ইকুইপমেন্ট ইম্পোটারর্স এসোসিয়েশন-চট্টগ্রামের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা গতকাল ১৭ নভেম্বর বিকাল ৪ টায় এসোসিয়েশনের সভাপতি চসিক প্যানেল মেয়র প্রফেসর ড. নিছার উদ্দিন মঞ্জুর সভাপতিত্বে নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম কাস্টামস্ এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট কমিশনারেটর যুগ্ম কমিশনার মোঃ তাফসির উদ্দিন ভূইয়া। এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হেভি মেশিনারী এন্ড ইকুইপমেন্ট ইম্পোটারর্স এসোসিয়েশন-চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক নাজির আহমেদ রাজু, সহ-সভাপতি মোঃ কামাল উদ্দিন, মোঃ সেলিম উদ্দিন, মোঃ শহীদুল ইসলাম চৌধুরী সহ আরও অনেকে। সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, প্রত্যেক ব্যবসায়ী ও নাগরিককে ভ্যাট প্রদান করা নাগরিক দায়িত্ব, কেননা রাজস্ব আহরণের মাধ্যমে সরকারের যাবতীয় কর্মকা- পরিচালিত হয়। রাষ্ট্রের উন্নয়নে রাজস্ব বৃদ্ধির কোন বিকল্প নেই। তিনি এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দদের ভ্যাট সংক্রান্ত আইন ও বিধি বিধানসহ নানান বিষয়ের উপর আলোকপাত করেন।
স্থপতি তসলিম উদ্দীন চৌধুরী চট্টগ্রামের উন্নয়নে সবসময় আন্তরিক ছিলেন
১৭নভেম্বর,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের উদ্যোগে দৈনিক পুর্বকোণের সাবেক সম্পাদক, বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান স্থপতি তসলিম উদ্দীনের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে এক স্মরণ আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবালের সভাপতিত্বে গতকাল বিকাল ৫ টায় সুপ্রভাত স্টুডিও মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, রাজনীতিবিদ আবু সুফিয়ান। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা অমর দত্ত, সংগঠক নোমান উল্লাহ বাজার, আবৃত্তিশিল্পী সোমা মুৎসুদ্দী, শবনম ফেরদৌসী, ছাত্রনেতা বোরহান উদ্দীন গিফারী, সাইফুল আরাফাত বাপ্পা। দোয়া ও মোনাজাত করেন মোঃ মিনহাজ উদ্দীন। সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন স্থপতি তসলিম উদ্দীন চৌধুরী একজন দেশপ্রেমিক ও চট্টলদরদী মানুষ ছিলেন। তিনি সবসময় চট্টগ্রামের উন্নয়নে সবসময় আন্তরিক ছিলেন। স্থপতি তসলিম উদ্দীন চৌধুরী ছিলেন আধুনিক মননের কীর্তিমান মানুষ। পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলার প্রয়াস ছিল তার চিন্তায়। স্পষ্টভাষী ও নীতির প্রশ্নে অটুট তসলিম উদ্দীন চৌধুরীর জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়। তিনি বলেন চট্টগ্রামের আধুনিক সংবাদপত্রের বিকাশে ও উন্নয়নে স্থপতি তসলিম উদ্দীন চৌধুরীর ভুমিকা অনস্বীকার্য। তিনি সবসময় সংবাদপত্রের আধুনিক প্রচার, প্রচারের নৃত্য নতুন চিন্তা ধারা কাজে লাগাতে চেষ্ঠা করতেন। তিনি একাধারে সম্পাদক ও সংগঠক হিসেবে সফল। তিনি বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে আমৃত্যু কাজ করে গেছেন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর