চট্টগ্রাম-৬ রাউজান আসনে ফজলে করিমের গণসংযোগ
সাংবাদিক, ক্রীড়া সংগঠক ও ক্রীড়াবিদদের নিয়ে গতকাল সারাদিন গণসংযোগ করলেন চট্টগ্রাম-৬ রাউজান আসনের মহাজোট প্রার্থী এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী । তিনি উপজেলার রাউজান ইউনিয়নের মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্নস্থানে সাতটি পথসভা করেন। ক্রীড়াবিদদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ তায়কোয়ান্ডো দলের সদস্যরা। তাদের মধ্যে দেশের হয়ে স্বর্ণ জয়ী ক্রীড়াবিদরাও ছিলেন। দেশ বরেণ্য ক্রীড়া সংগঠকরাও ছিলেন গণসংযোগে। একইসাথে সাংবাদিকরাও ভোট চেয়েছেন এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর পক্ষে। এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী গত ১১ ডিসেম্বর থেকে গতকাল পর্যন্ত উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ১৩০টি পথসভা ও গ্রামীণ জনপদে গণসংযোগ করে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়েছেন। গতকাল সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পথসভা ও গণসংযোগে এলাকার হাজার হাজার মানুষ যোগ দেন। এদিন তার প্রচারণায় যোগ দিয়ে নৌকার জন্য ভোট চান চট্টগ্রামের সিনিয়র সাংবাদিকসহ কয়েকজন ক্রীড়া সংগঠক। এ সময় ক্রীড়াবিদ, ক্রীড়া সংগঠক ও সাংবাদিকরা বলেন- বাংলাদেশের এমপিদের মধ্যে ফজলে করিম চৌধুরী একজন মডেল। তিনি এক সময়ের সন্ত্রাসের জনপদ খ্যাত রাউজানকে পরিণত করেছেন শান্তি ও সমৃদ্ধ উপজেলায়। শিক্ষা, রাস্তাঘাট, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষির উন্নয়নসহ সবদিক থেকে রাউজান আজ দেশের অন্য সব নির্বাচনী এলাকা থেকে আলাদা। আগামীতে আবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে রাউজান হবে বাংলাদেশের সবচাইতে এগিয়ে যাওয়া একটি উপজেলা। যেখানে মানুষ সুখ আর শান্তিতে জীবনযাপন করবে। এসময় ফজলে করিম চৌধুরীর সাথে ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সহ সভাপতি আলহাজ্ব আলী আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুদ্দিন মো. আলমগীর, জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাশেম, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশ, সহ সভাপতি মনজুর কাদের মঞ্জু, ক্রীড়া সম্পাদক নজরুল ইসলাম, দৈনিক পূর্বদেশের চীফ রিপোর্টার রতন কান্তি দেবাশীষ, দেশ টিভির চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান আলমগীর সবুজ, সাংবাদিক আল রহমান, খোরশেদুল আলম শামীম, বাংলাদেশ তায়াকোয়ানডো ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শ্যামল পালিত, এডভোকেট অপূর্ব ভট্টাচার্য, দীপক দত্ত, চেয়ারম্যান সৈয়দ আবদুর জব্বার সোহেল, সুমন দে, মোহাম্মদ রাশেদ প্রমুখ। এতে ফজলে করিম চৌধুরী বলেন- রাউজানের নারী পুরুষ যারা ভোটার তাদেরকে ৩০ ডিসেম্বর ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। চুড়ান্ত ফলাফল নিয়ে সবার আগে বিজয় উৎসব করার প্রস্তুতি থাকতে হবে। রাউজানে গত ১০ বছরে ২৭ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন- আওয়ামীলীগ সরকার আবার ক্ষমতা আসলে অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করা হবে। রাউজানের কোনো মানুষ বেকার থাকবে না। সবার জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। এদিন সকাল নয়টায় ইউনিয়নের প্রথম পথসভায় হরিষখান পাড়ায় ফুলের নৌকা সাজিয়ে মহাজোট প্রার্থীকে অভ্যর্থনা জানান আওয়ামীলীগ নেতা সৈয়দ হোসেন কোম্পানি ও যুবলীগ নেতা আজিজ উদ্দিন ইমু। পথসভায় সভাপতিত্ব করেন চেয়ারম্যান বিএম জসিম উদ্দিন হিরু। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইমরান হোসেন ইমু। এরপর মহাজোট প্রার্থী রশিদাপাড়া এলাকায় পথসভায় বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন ইউপি সদস্য আবদুর নবী, এরপর তিনি যান কেউটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে। এরপর যোগ দেন রাউজান বড়ুয়াপাড়া, মোহাম্মদপুর, রমজান আলী হাট সংলগ্ন মাঠ ও মঙ্গলখালীসহ আরো কয়েকটি পথসভায়। এতে বক্তব্য রাখেন পৌরসভার প্যানেল মেয়র বশির উদ্দিন খান, শাহ আলম চৌধুরী, জমির উদ্দিন পারভেজ, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী রানা, আলহাজ নুরুল আমিন, নাছির উদ্দিন, সারজু মোহাম্মদ নাছের, শওকত হোসেন, তছলিম উদ্দিন, ইসহাক ইসলাম, আহসান হাবিব চৌধুরী, তপন দে, হাসান মোহাম্মদ রাসেল, মোবারক আলী, জহির উদ্দিন, শাহাবুদ্দিন মেম্বার, কল্যাণ বড়ুয়া, মাস্টার সাধন বড়ুয়া, জিল্লুর রহমান মাসুদ, অনুপ চক্রবর্তী, মোহাম্মদ আসিফ, এনামুল হক, মোহাম্মদ রিপন, ওসমান গণি, আবদুল করিম, তছলিম উদ্দিন রিপন, ইকবাল হোসেন ইমন, মোহাম্মদ কায়সার প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
হাসিনার ডাকে জঙ্গিবাদ রুখতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি :বাদল
চট্টগ্রাম-৮ আসনের মহাজোট প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মইনউদ্দীন খান বাদল বলেছেন, আজও দেশে পেট্রোল বোমা হামলা হয়, সীতাকুণ্ডে নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা হয়েছে। জাতির জনকের ডাকে ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম পাকিস্তানী শাসন-শোষণের হাত থেকে দেশ রক্ষা করতে। এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডাকে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ রুখতে, সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে। গতকাল জান আলী হাটস্থ মুজিব চত্বরে আমরা মুজিব সৈনিকের জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। সংগঠনের আহ্বায়ক আসফাক হোসাইন খানের সভাপতিত্বে ও তরিকুল ইসলাম চৌধুরী তানিমের সঞ্চানায় এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্রনেতা ও সিডিএ সদস্য এম.আর.আজিম, মো. জসিম উদ্দিন, মো. ইয়াকুব উদ্দিন। এমপি বাদল বলেন, চান্দগাঁও-বোয়ালখালী এলাকায় শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন হয়েছে। রাস্তা-ঘাট, স্কুল-মাদ্‌রাসায় নতুন ভবন নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এলাকার সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন হয়েছে। আমাকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যু্‌ক্ত করলে আগামীতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সুন্দর সমৃদ্ধ চান্দগাঁও পাঁচলাইশ, বায়োজিদ, বোয়ালখালী উপহার দিব। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
স্বামীর জন্য ভোট চাইলেন রুখমিলা জামান
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের সহধর্মিণী ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান রুখমিলা জামান চৌধুরী গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার চাতরী ইউনিয়নে আয়োজিত নির্বাচনী নারী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, আমি আপনাদের কাছে আমার স্বামী ও পরিবারের জন্য দোয়া চাইতে এসেছি। এলাকার ধারাবাহিক উন্নয়ন শান্তি প্রতিষ্ঠায় আওয়ামীলীগ সরকারের বিকল্প নেই। গত ৬ বছরে আমার স্বামী ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এলাকার উন্নয়নে অনেক অবদান রেখেছেন। তাই আপনাদের কাছে তাঁর জন্য ৩০ ডিসেম্বর নৌকা প্রতীকে ভোট চাই।চাতরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াছিন হিরুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাবেক নারী সাংসদ চেমন আরা তৈয়ব, সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের ছোট বোন ফারহানা জামান, জাবেদের চাচাতো ভাই ওয়ারিসুজ্জামান চৌধুরী আরজুর স্ত্রী জাসিয়া সুলতানা, ইউপি সদস্য সাজিয়া সুলতানা, মিরা দত্ত প্রমূখ। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক চাতরী শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহা নেওয়াজ চৌধুরী, যুবলীগ নেতা মাহতাব হোসেন জুয়েল, মোহাম্মদ মোহসিনসহ ইউনিয়নের কয়েক শতাধিক নারী উপস্থিত ছিলেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামে প্রার্থীর গাড়ি থেকে পেট্রোল বোমা-অস্ত্র উদ্ধার
অনলাইন ডেস্ক: সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, পাজেরো গাড়িটিতে তল্লাশি করে ১৯টি পেট্রোল বোমা ও একটি কাটা বন্দুক পাওয়া গেছে। গাড়িটিতে ভালোভাবে তল্লাশি করা হচ্ছে। আরও অস্ত্র-গুলি, বিস্ফোরক আছে কি-না দেখা হচ্ছে। ওসি জানান, মেহেদি হাসান আগে প্রার্থী ইসহাক কাদের চৌধুরীর ভাই বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীর গাড়ি চালাতেন। আসলাম চৌধুরী জেলে যাবার পর এই গাড়িতে ইসহাক কাদের চৌধুরী যাতায়াত করেন। স্থানীয়রা জানান, বুধবার বেলা ১২টার দিকে ইসহাক কাদের চৌধুরী বাসায় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসময় তার বাড়ির সামনে পুলিশ অবস্থান নেয়। পাজেরো গাড়িটি ওই বাসা থেকে বের হওয়ার সময় সেটি আটকে তল্লাশি করে পুলিশ। তল্লাশিতে পেট্রোল বোমা ও অস্ত্র পাওয়া যায়। এর আগে মঙ্গলবার চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে উপজেলার ভাটিয়ারি ইউনিয়নের জাহানাবাদ গ্রামে আওয়ামী লীগের প্রার্থী দিদারুল আলম গণসংযোগে গেলে তাদের উপর পেট্রোল বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে তিনগন দগ্ধসহ অন্ততঃ ১০ জন আহত হয়।
সীতাকুণ্ডে নৌকার মিছিলে পেট্রোল বোমা, দগ্ধ ৩
সুজন আশ্চ্যার্য :চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে নৌকা প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণা মিছিলে পেট্রোল বোমা ছুঁড়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩ জন দগ্ধ হয়েছেন। হামলায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহেদুল ইসলাম শাহেদ দগ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার মাদাম বিরিহাটে চট্টগ্রাম-৪ আসনে আ. লীগের প্রার্থী আলমের প্রচারের মধ্যে এ হামলা হয়। আহত ৪ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ বিষয়ে মেডিকেল পুলিশ ফঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, তাদের মধ্যে ৩ জন দগ্ধ। আরেকজন শরীরে কিছুটা আঘাত পেয়েছেন। এদিকে ভাটিয়ারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বিএনপি-জামায়াতের লোকজন অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে আমাদের লোকদের ওপর হামলা করে। এ সময় তারা আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর ২০১৩-১৪ সালের মতো পেট্রোল বোমা ছুঁড়ে মারে। এতে তিনজন দগ্ধসহ ১০ জন আহত হয়। দগ্ধদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হামলার ব্যাপারে চট্টগ্রাম-৪ আসনের বর্তমান সাংসদ দিদার বলেন, দুপুরে তিনি যখন সমর্থকদের নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন, তখনই তার কর্মীদের ওপর হামলা করে পেট্রোল বোমা ছোড়া হয়। আমার বিপক্ষের প্রার্থীর লোকজন এ হামলা চালিয়েছে। আমার কর্মীদের মধ্যে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। সীতাকুণ্ড আসনে আ. লীগের প্রার্থী দিদারুল আলমের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির উত্তর জেলা কমিটির আহ্বায়ক আসলাম চৌধুরীর বড়ভাই ইসহাক কাদের চৌধুরী। সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি দেলওয়ার হোসেন বলেন, দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসি।
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকারকে আবারও ক্ষমতায় আনতে সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে
অনলাইন ডেস্ক: প্রগতিশীল সাংবাদিকরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার পক্ষে তারা। মুক্তিযুদ্ধের সরকার নির্বাচিত না হলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতো না। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার জন্য সরকারের ধারাবাহিকতা দরকার। অপশক্তি ক্ষমতায় এলে দেশের অগ্রযাত্রা বন্ধ হয়ে যাবে। তাই এই ক্রান্তিলগ্নে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকারকে আবারও ক্ষমতায় আনতে সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে 'মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে লালিত চট্টগ্রামের সাংবাদিক সমাজ আয়োজিত অনুষ্ঠানে সিনিয়র সাংবাদিকরা এসব কথা বলেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রার্থীদের সমর্থন দিতে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বক্তব্য দেন চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধ করলেও বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে না। গোলাম আজমকে নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দিয়েছে তারা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারীরা কখনো বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটকে সমর্থন দিতে পারে না। তিনি আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াতের মিডিয়ায় তাদের দলের বিরুদ্ধে, তাদের ক্যাডারদের নিয়ে লেখে না। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মিডিয়াকে বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। সাংবাদিকরা এ দেশের নাগরিক। আপনাদের সমর্থন সমাজে অনেক প্রভাব ফেলবে। চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের প্রার্থীদের সমর্থন দেয়ায় সরকার গঠন সহজ হবে। বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী ডা. মো. আফছারুল আমীন,অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের আয়োজনে মেয়র আ জ ম নাছির সহ একমঞ্চে বসেন চট্টগ্রাম-৯ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী, চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী ডা. মো. আফছারুল আমীন, চট্টগ্রাম-১১ আসনের প্রার্থী এমএ লতিফ। সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি কলিম সরওয়ার। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সভাপতি নাজিমুদ্দীন শ্যামল। বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম-৯ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকরা এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে জানিয়ে দিলেন-দেশ কোন পথে যাবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা গণমাধ্যমকে শিল্পে পরিণত করেছেন। রাজনৈতিক সৎ সাহস আছে বলেই এতগুলো গণমাধ্যমের অনুমতি দিয়ে সমালোচনাকে উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। একজন রাজনৈতিক দার্শনিক হিসেবে তিনি নির্বাচন নিয়ে চিন্তা করছেন না, তিনি আগামি কয়েকটি প্রজন্মের কথা চিন্তা করছেন। বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম-১১ আসনের প্রার্থী এমএ লতিফ।ডা. মো. আফছারুল আমীন বলেন, বার আউলিয়ার চট্টগ্রাম, বীরের দেশ চট্টগ্রামের সাংবাদিকরা যে সমর্থন দিলেন তা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার প্রতীক নৌকাকে এগিয়ে নেবে। সাংবাদিক বন্ধুদের রাজপথে দেখলে ভোটাররা উদ্বুদ্ধ হবে কেন্দ্রে আসবে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চূড়ান্ত কবর রচিত হবে প্রতিক্রিয়াশীলদের। এমএ লতিফ বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলবাদীরা অঘোষিত যুদ্ধ ঘোষণা করেছে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে। নৌকার বিজয়ে সাংবাদিকদের সমর্থন বড় ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, যারা রাজনীতি করি, স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির প্রতিনিধিত্ব করি, রাষ্ট্রক্ষমতার সঙ্গে সাধারণ মানুষের যোগসূত্র স্থাপন করি। বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে দিয়েছেন। বন্দরের সক্ষমতা বেড়েছে। পতেঙ্গা টার্মিনাল, বে-টার্মিনাল ও সীতাকুণ্ড-মিরসরাইয়ে টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অনুষ্ঠানে তিন প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, আলী আব্বাস, সিনিয়র সাংবাদিক মোস্তাক আহমেদ, হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, জসিম চৌধুরী সবুজ, মোয়াজ্জেমুল হক, স্বপন দত্ত, পঙ্কজ কুমার দস্তিদার, রফিকুল বাহার, এজাজ ইউসুফী প্রমুখ।
আমার পরিবার মানুষের কল্যাণে নিবেদিত: দিদারুল আলম
অনলাইন ডেস্ক: সীতাকুণ্ডের মানুষের ভালোবাসা ও আস্থাকে পুঁজি করে এখানকার সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণে, উন্নয়নে সকাল থেকে গভীর রাত অবধি বিরামহীন কাজ করছি। বংশ পরম্পরায় আমার পরিবার মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। আমিও নিজের কষ্টার্জিত অর্থ-সম্পদ সীতাকুণ্ডের দুখী, অসহায়, দরিদ্র মানুষের জন্য অকাতরে ব্যয় করছি। রোববার (২৩ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টায় পৌরসদরের দক্ষিণ বাইপাসে পৌর আওয়ামী লীগ আয়োজিত কর্মী সমাবেশে নৌকার প্রার্থী দিদারুল আলম এসব কথা বলেন। সীতাকুণ্ডে পৌর আওয়ামী লীগ আয়োজিত কর্মী সমাবেশপৌর মেয়র বদিউল আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এ জে এম হোসেন লিটনের পরিচালনায় কর্মী সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম আল মামুন, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. ইসহাক, সহ-সভাপতি গোলাম রব্বানী, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা কাউন্সিলর জুলফিকার আলী শামীম, শফিউল আলম মুরাদ, মাঈমুন উদ্দিন মামুন, মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, মফিজুর রহমান, নাজিম উদ্দিন কনক, পৌর কাউন্সিলর হারাধন চৌধুরী বাবু, আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া, মাসুদ হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর, দিদারুল আলম এপোলো, মোফাক্কর চৌধুরী, মো. শাহজাহান, জাহেদ চৌধুরী ফারুক, ইব্রাহীম বাবুল প্রমুখ।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা বিপুল ভোটে জয়ী হবে :আ জ ম নাছির
অনলাইন ডেস্ক : দেশে মুষ্টিমেয় কিছু কুলাঙ্গার ছাড়া সবাই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।রোববার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে নগর আওয়ামী লীগের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মেয়র এ মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর বহুল প্রত্যাশিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশ কোন পথে অগ্রসর হবে তা এ নির্বাচনে নির্ধারণ হবে। তাই নির্বাচন অতীব গুরুত্বপূর্ণ। স্বাধীনতার সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। এর জন্য নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের বিজয়ী করা ছাড়া বিকল্প নেই।নগর আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণা। ছবি: সোহেল সরওয়ারতিনি বলেন, নগর আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধভাবে নগর সংশ্লিষ্ট ৬টি আসনে জয়ের লক্ষ্যে প্রচারণা চালাচ্ছে। নওফেল, লতিফ, আফছারুল আমীন, ব্যারিস্টার আনিস, মইনউদ্দিন খান বাদল, দিদারুল আলমের পক্ষে ২৮ ডিসেম্বর সকাল আটটা পর্যন্ত প্রচারণা চলবে।২৭ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নগর আওয়ামী লীগ গত ১০ বছরে শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের জন্য কী করেছেন, কী করবেন তা নগরবাসীর সামনে তুলে ধরা হবে বলে জানান নাছির।নগর আওয়ামী লীগের আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় চসিক মেয়র। ছবি: সোহেল সরওয়ারসকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে নগর আওয়ামী লীগের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী।তিনি বলেন, আমাদের প্রতিপক্ষ কান্নাকাটি করে লাভ হবে না, নৌকা বিপুল ভোটে জয়ী হবে।এসময় উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, যুগ্ম সম্পাদক আবদুর রশীদ, বদিউল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ চৌধুরী, নোমান আল মাহমুদ, তথ্য সম্পাদক চন্দন ধর, বন সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক আবদুল আহাদ, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. হোসেন, প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী, উপ প্রচার সম্পাদক শহীদ উল আলম, মহিলা সম্পাদক জোবাইরা নার্গিম খান, সদস্য অমল মিত্র, কামাল উদ্দিন, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, রোটারিয়ান মো. ইলিয়াস, জাফর আলম, বেলাল আহমদ, শেখ শহীদুল আনোয়ার, মানস রক্ষিত, দক্ষিণ জেলা যুগ্ম সম্পাদক শাহজাদা মহিউদ্দিন, গণতন্ত্রী পার্টির জেলা সহ-সভাপতি স্বপন সেন, জেপির আজাদ দোভাষ, ন্যাপের মিঠুল দাশগুপ্ত প্রমুখ।বিএফইউজের সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের নেতা ডা. একিউএম সিরাজুল ইসলামসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারাও এসময় উপস্থিত ছিলেন।
উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন :জাবেদ
চট্টগ্রাম-১৩ সংসদীয় আসন হতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণায় আনোয়ারা ৮নং চাতরী ইউনিয়নের কৈনপুরা ও মহতরপাড়া ওয়ার্ডের জনগণের সাথে উঠান এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন আনোয়ারা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক এম.এ. মান্নান চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক এম.এ. মালেক, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াছিন হিরো, বিশিষ্ট সমাজসেবক রঘুপতি সেন, সাবেক ছাত্রনেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ উপ কমিটির সহ-সম্পাদক, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুরজিৎ দত্ত সৈকত, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুছাফা মেম্বার, সাধারণ সম্পাদক আশীষ কান্তি নাথ, আনোয়ারা থানা যুবলীগ নেতা মো: আব্বাস, পীযুষ দত্ত, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রণধীর দত্ত, সহ-সভাপতি বাবু প্রণোতোষ দত্ত, সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ দত্ত, মহতর পাড়া ওয়ার্ড নির্বাচনী কমিটির সভাপতি শরিফ মেম্বার (বাডু), সাধারণ সম্পাদক মো: ইসহাক, ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা মো: শফি, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ নেতা আবদুল মাজেদ, সুশান্ত দত্ত, নিরোদ বরণ সেন, সজল সেনগুপ্ত, শ্রীকান্ত দত্ত, ভবতোষ দত্ত, সঞ্জিত পাল, দিবাকর দত্ত, সজল দাশ, কাজল দাশ, লিটন দাশ, অবিনাশ দাশ, যদু দাশ, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সুমন দাশ, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সুশান্ত দে, রতন দাশ, ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা নন্দন ঘোষ, দেবাশীষ দাশ, পলাশ দে, শক্তিম চৌধুরী (তুলতুল) প্রমুখ। জাবেদ বলেন, এই কৈনপুরা ও মহতর পাড়া আনোয়ারা-কর্ণফুলী ও সারা বাংলাদেশে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সর্বোচ্চ উন্নয়ন হয়েছে। ভবিষ্যতে আরো উন্নয়ন হবে। আমার বিশ্বাস আপনারা আমাকে নৌকা প্রতীকে বিপুল ভোটে নির্বাচিন করবেন। আমি নির্বাচিত হলে অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করে গ্রামকে শহরের মত রূপান্তরিক করবো। তাই আগামী ৩০ ডিসেম্বর নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে পুনরায় আপনাদের সেবার করার সুযোগ দিন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর