শুক্রবার, এপ্রিল ১৬, ২০২১
নির্বাচনী সহিংসতায় ৪ ঘণ্টায় চমেকে ভর্তি ২৬ জন
২৭,জানুয়ারী,বুধবার,সৃজন দত্ত,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: এক লালখানবাজার ওয়ার্ডেই নির্বচনী সহিংসতায় গুরুতর আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১০ জন। এছাড়া ১৩ নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডে সংঘর্ষে ১০ জন, চান্দগাঁও ওয়ার্ডে ৪ জন, পাথরঘাটা ও চকবাজার ওয়ার্ডে একজন করে গুরুতর আহত হয়ে চমেক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মোট ২৬ জনকে চমেক হাসপাতালে গুরুত্বর আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে বলে চমেক পুলিশ সূত্র জানিয়েছে। গুরুত আহতাবস্থায় চমেক হাসপাতালে ভর্তিদের মধ্যে রয়েছেন- ১৩ নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডে সংঘর্ষে বিএনপির প্রার্থীর এজেন্ট মো. হোসেন (৩৫), আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থক ইমরান (২৫), রাকিব মাহমুদ, মো. রাজু, বাবু (৪০), আবু তাহের (৪২), রাজু, হৃদয় (১৬), বহিরাগত জামশেদ (২৬), আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক ফারুক (২০), মাহমুদুল হাসান। এছাড়াও লালখানবাজার এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে মো. হোসেন (৩৫), মহসিন (২৪), আনসার সদস কামাল (২২), বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক সেলিনা (৫৫), আওয়ামী লীগের সমর্থিত কাউন্সিল প্রার্থীর সমর্থক তারেক (২১), মোক্তার হোসেন (৩৫), অভিজিৎ চৌধুরী অভি (৫০), লুজক লুক (৩১), রাকিব ও দেলোয়ারকে (২৬)। এছাড়াও চান্দগাঁও ওয়ার্ডে বিএনপির কর্মীদের হামলায় আহত হয়েছেন সাইফ উদ্দীন (৩৪), ইলিয়াস (২৮), আবু সাঈদ (২৮) ও ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মোবারক আলীর অনুসারী আলমগীর (৪০)। ৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ওয়ার্ডের বিএনপি সমর্থক কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থক আবু তাহের (৩০), চকবাজার ওয়ার্ডে ইদ্রিস হোসেনকে (৪৫) গুরুতর আহতাবস্থায় চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে, বললেন সাবেক মেয়র নাছির
২৭,জানুয়ারী,বুধবার,মো.মহিউদ্দিন চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছর উদ্দীন বলেছেন, ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছেন। কেন্দ্রে সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট হচ্ছে। সে সময় নৌকার প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরীকে নগরবাসী বিজয়ী করবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় নগরীর কদম মোবারক এম ওয়াই বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রথম ভোটার হিসেবে ভোট দিয়ে এসব কথা বলেন এই সাবেক মেয়র। এদিকে নগরীর ৭৩৫ কেন্দ্রে একযোগে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। নগরীর সব কয়েকটি কেন্দ্রে এবারই প্রথমবার ইভিএমে (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির দুই প্রার্থী ছাড়াও এবার চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে আরো পাঁচ প্রার্থী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে, ৩৯টি সাধারণ কাউন্সিলর ও ১৪টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়েছেন ২৩৭ জন। এবারের ৭৩৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪১৭টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। এসব কেন্দ্রের নিরাপত্তায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে। এ ছাড়া নগরজুড়ে দিনব্যাপী রয়েছে গোয়েন্দা নজরদারির আওতায়। ২০২০ সালের ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ষষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে নির্বাচনের আট দিন আগে তা স্থগিত করা হয়। এরপর পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ভোটের দিন ঠিক করে কমিশন। এবারের নির্বাচনে ৭৩৫টি কেন্দ্রের ৭৬৪টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন মেয়র ও ২২৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থী।
চসিক নির্বাচন: উত্তেজনার জেরে পাথরঘাটা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত
২৭,জানুয়ারী,বুধবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে নগরীর পাথরঘাটা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। এর আগে নগরীর পাহাড়তলী ও লালখানে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পাহাড়তলীতে একপক্ষের সমর্থক নিহত হন। অন্যদিকে, লালখান এলাকায় অন্তত ২১ জন আহত হয়েছেন। নগরীর ৭৩৫ কেন্দ্রে একযোগে সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির দুই প্রার্থী ছাড়াও এবার চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে আরও পাঁচ প্রার্থী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে, ৩৯টি সাধারণ কাউন্সিলর ও ১৪টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়েছেন ২৩৭ জন। এবারের ৭৩৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪১৭টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। ২০২০ সালের ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ষষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে নির্বাচনের আট দিন আগে তা স্থগিত করা হয়। এরপর পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ভোটের দিন ঠিক করে কমিশন।
ইভিএমে ভোট ছিনিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই: নওফেল
২৭,জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরুর পর নগরের আন্দরকিল্লায় এমইএস উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। এ সময় তার সঙ্গে আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী জহর লাল হাজারী উপস্থিত ছিলেন। ভোট দেওয়ার পর ব্যারিস্টার নওফেল সাংবাদিকদের বলেন, ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট হচ্ছে। ভোটাররা নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে যাচাই বাছাই করে ভোট দিচ্ছেন। ইভিএমে ভোট ছিনিয়ে নেওয়ার সুযোগ বা শঙ্কা নেই। কেউ কারো ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ভোটগ্রহণ সুন্দরভাবে হচ্ছে। ভোটারদের আহ্বান জানাবো ভোটকেন্দ্রে আসতে। আমাদের দলের মনোনীত মেয়র প্রার্থী ও সমর্থিত সকল কাউন্সিলর প্রার্থীদের জন্য শুভ কামনা।
সিটি নির্বাচন: পাহাড়তলীতে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে নিহত ১
২৭,জানুয়ারী,বুধবার,স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পাহাড়তলীতে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে সকাল ৮টা থেকে নগরীর ৭৩৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এরপর সকাল ১০টার দিকে পাহাড়তলী ও লালখান বাজার এলাকায় আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। ওই সংষর্ষে ১০ জন আহত হন। জানা গেছে মোটরসাইকেলেও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এদিকে নগরীর সব কয়েকটি কেন্দ্রে এবারই প্রথমবার ইভিএমে (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির দুই প্রার্থী ছাড়াও এবার চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে আরো পাঁচ প্রার্থী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে, ৩৯টি সাধারণ কাউন্সিলর ও ১৪টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়েছেন ২৩৭ জন। এবারের ৭৩৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪১৭টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। এসব কেন্দ্রের নিরাপত্তায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে। এ ছাড়া নগরজুড়ে দিনব্যাপী রয়েছে গোয়েন্দা নজরদারির আওতায়। ২০২০ সালের ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ষষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে নির্বাচনের আট দিন আগে তা স্থগিত করা হয়। এরপর পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ভোটের দিন ঠিক করে কমিশন। এবারের নির্বাচনে ৭৩৫টি কেন্দ্রের ৭৬৪টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন মেয়র ও ২২৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থী।
জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী: রেজাউল করিম চৌধুরী
২৭,জানুয়ারী,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৯টায় নগরের এখলাসুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন রেজাউল। এ সময় মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। ভোট দেওয়ার পর রেজাউল করিম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, সুন্দরভাবে ভোট দিয়েছি। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে আসছেন। জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। সারাদিন সুষ্ঠু ভোট হবে বলে আশা করি। বিএনপির অভিযোগ প্রসঙ্গে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বিএনপির অভিযোগ ভিত্তিহীন। তারা সবসময় এমন অভিযোগ করে আসছে। এটা তাদের নিয়ম। সারাবছরই তারা শুধু অভিযোগ করে আসছে।
ভোট দিয়ে শাহাদাত বললেন- শেষ পর্যন্ত থাকবো
২৭,জানুয়ারী,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন। বুধবার সকাল ১০টার দিকে চকবাজার বিএড কলেজে ভোট দেন। ভোট দিয়ে ডা. শাহাদাত সাংবাদিকদের বলেন, পশ্চিম বাকলিয়া, পাথরঘাটা ও জামালখানে আওয়ামী লীগের কর্মীরা ভোটকেন্দ্র দখল করে রেখেছে। গতকাল রাতে বাকলিয়ার ৭জন এজেন্টকে মারধর করা হয়েছে। তিনি বলেন, ভোটে আমি শেষ পর্যন্ত থাকবো। তাদের ভোট ডাকাতির মুখোশ সারাবিশ্বে জানাবো। প্রশাসন আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে জয়ী করতে উঠেপড়ে লেগেছে। প্রশাসন আমাদের সহযোগিতা করছে না। ডা. শাহাদাত এজেন্টদের বের করে দেয়া হচ্ছে অভিযোগ করে বলেন, আমার পেছনেই কয়েকজন এজেন্ট আছে। তারা অভিযোগ করছে। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো নারী এজেন্টদের গায়ে হাত দেয়া হচ্ছে। তাদের শরীরের স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দিয়েছে। তিনি বলেন, ৯টার মধ্যেই আমাদের ১৫ জন আহত হয়েছে। জামালখান এবং পাহাড়তলীর দুই প্রার্থীকে আহত করা হয়েছে।
রাত পোহালেই ভোট উৎসব
২৬,জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা গতকাল (সোমবার) মধ্যরাতে শেষ করা হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) রাত পেরুলেই বুধবার (২৭ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হবে কাঙ্ক্ষিত চসিক নির্বাচন। সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রচারণার শুরু থেকেই সংঘাত-সহিংসতার কারণে নির্বাচনকে ঘিরে রয়েছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণে মাঠে থাকবে ১৪ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এদিকে, নির্বাচনকে ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার সিটি নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সবকটি ভোটকেন্দ্রে ইভিএম মেশিনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)। আজ (মঙ্গলবার) দুপুর থেকে নির্বাচনী কর্মকর্তারা ইভিএম মেশিন ও ভোটগ্রহণ সামগ্রী নিয়ে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে যাবেন। চসিক নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য মাঠে থাকবেন বিজিবি, Rab, পুলিশ, আনসার বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনী। থাকবেন সাদা পোশাকধারী গোয়েন্দা সংস্থাও। তিনি বলেন, সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী ও বহিরাগত লোকজন নগরী ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্ট করার চেষ্টা করলে আইনের আওতায় আনা হবে। নির্ভয়ে ভোট প্রদানের জন্য ভোটারদের প্রতি অনুরোধ করেছেন তিনি। ভোটগ্রহণে ৭৩৫ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৩৯ টি ভোটকেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) কেন্দ্র হিসেবে চিহিৃত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ৩০৬ ভোটকেন্দ্র সাধারণ হিসেবে চিহিৃত করেছে। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে নজর বেশি থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬ জন ও গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১৮ জন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়াও বিজিবি ২৫ প্লাটুন, Rabর ৪১টি টিম, স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে ১৪০টি, মোবাইল টিম থাকবে ৪১০টি। সবমিলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে থাকবেন ১৪ হাজার ৩৭০ জন সদস্য। মাঠে থাকবেন ৬৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ২০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। প্রতি ওয়ার্ডে একজন করে, বিজিবি প্লাটুন প্রতি একজন, Rab সিপিসির সঙ্গে তিন জন করে ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন। গত ৮ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়। গতকাল (সোমবার) রাত ১২টা থেকে নির্বাচনী এলাকায় সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা ও সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল শেষমুহূর্তে প্রচার-প্রচারণায় মুখরিত ছিল নগরী। মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়েছিল চিরচেনা সেই বন্দরনগরী।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর