শুক্রবার, এপ্রিল ১৬, ২০২১
বিদ্রোহী প্রার্থীর পৃষ্ঠপোষকদের ব্যাপারেও কঠিন সিদ্ধান্ত
১৫,জানুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য ঢাকা থেকে আসা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেছেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন তাদের বহিস্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি যারা বিদ্রোহীদের পৃষ্ঠপোষকতা করছেন তাদের ব্যাপারেও কঠোর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত আসতে পারে। শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। আহমদ হোসেন বলেন, আমরা যারা আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কাজ করতে পারি না। তাছাড়া মনোনয়ন চেয়ে যারা আবেদন করেছিলেন প্রত্যেকেই দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে দল সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন। অন্যথায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দলীয় পদ হারাবেন বলে মুচলেকায় উল্লেখ ছিল। তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন অগ্রযাত্রার যুগপূর্তি, মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী আমরা নৌকার বিজয়ের মধ্য দিয়ে পালন করতে চাই। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী হিসেবে চট্টগ্রামের মেয়র হিসেবে আমাদের প্রার্থীর বিজয় অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। নির্বাচনী পরিস্থিতির কথা বলতে গিয়ে আহমদ হোসেন বলেন, ভোটার উপস্থিতিতেই সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে স্বাধীনভাবে কাজ করছে। বক্তব্যে তিনি নেতাকর্মীদেরকে ঘরে ঘরে উন্নয়নের বার্তা নিয়ে গিয়ে নৌকার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করার আহ্বান জানান। আলোচনায় অংশ নিয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ছোট ছোট গ্রুপে ভাগ হয়ে এই কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করে ঘরে ঘরে উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিয়ে নৌকায় ভোট চাইতে হবে। মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, আমরা নির্বাচনে বিশ্বাসী, গণমানুষের রায়ে বিশ্বাসী। সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে উন্নয়নের প্রতীক নৌকায় ভোট দিতে মানুষ ভোটকেন্দ্রে আসবে বলে আমি আশাবাদী। গণসংযোগে নৌকা ও আওয়ামী লীগের প্রতি মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে বিএনপি নানা অজুহাত তুলে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে নির্বাচন থেকে সরে গিয়ে পরাজয়ের গ্লানি এড়াতে চাইছে। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য মো. বেলাল হোসেন, মিররাইয়ের উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন প্রমুখ।
জাতির পিতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানালেন পটিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী- বাবুল
১৪,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,সৃজন দত্ত,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত দলীয় মেয়র পদপ্রার্থী দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও পটিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি,আওয়ামী দুঃসময়ের যোদ্ধা আইয়ুব বাবুল সাথে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সাথে নিয়ে গতকাল ১৪ জানুয়ারী সকালে ৩২নং ধানমন্ডিস্হ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনকালে উপস্হিত ছিলেন জাতীয় মহিলা সংস্হার চেয়ারম্যান, দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক এমপি চেমন আরা তৈয়ব,পটিয়া পৌরসভার বর্তমান মেয়র,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হারুনুর রশিদ,পটিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলমগীর আলম, সাধারণ সম্পাদক এস,এম,নাছির উদ্দীন,জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আলী আকবর সিদ্দিকী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য বেলাল নুরী,তসলিম উদ্দিন রানা,পটিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার হায়দার দক্ষিণজেলা কৃষকলীগের সহ সভাপতি সৈয়দ নুরুল আবছার,যুগ্ন সম্পাদক মোঃ আলমগীর,পটিয়া উপজেলা যুবলীগের লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক এম,এ,রহিম,সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল করিম,কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ সভাপতি তৌহিদুল হক চৌধুরী।
মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিমের গণসংযোগ
১৪,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বহদ্দারহাট, বলিরহাট, ঘাসিয়া পাড়া, খাজা রোড এলাকায় গণসংযোগ করেছেন চসিক মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। বুধবার (১৩ জানুয়ারি) গণসংযোগকালে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, আমি আপনাদের সন্তান হিসেবে আপনাদের সেবার দায়িত্ব নিতে চাই। চট্টগ্রাম মহানগরীতে বসবাসকারী আমরা সকলেই একটি পরিবার। সিটি করপোরেশন এই পরিবারের সেবামূলক কাজ করে। আমি চট্টগ্রামের সন্তান হিসেবে সুখে-দুখে সবার সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। চট্টল পরিবারে সদস্য হিসেবে মেয়র নির্বাচিত হলে চট্টল পরিবারের উন্নয়নে নিজেকে উজার করে দিতে চাই। বহদ্দারহাট এলাকায় প্রচারণা শেষে তিনি নাসিরাবাদ সাংগঠনিক ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেন। গণসংযোগকালে তিনি জনসাধারণ এবং ভোটারদের সালাম ও শুভেচ্ছা জানান। এসময় তিনি নৌকা মার্কায় ভোট দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানান। গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন নোমান আল মাহমুদ, শফিকুল ইসলাম ফারুক, শাহজাদা মহিউদ্দিন, কাউন্সিলর প্রার্থী মোরশেদুল আলম, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী জেসমিন পারভিন জেসি প্রমুখ। বহদ্দারহাট ও আশপাশের এলাকায় প্রচারণাকালে জামাল উদ্দিন, আবদুল শুক্কুর, শামসুল আলম, কাউন্সিলর প্রার্থী আশরাফুল আলম, লালখান বাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল হাসনাত বেলাল, রফিকুল হায়দার রফি, খলিলুর রহমান নাহিদ, খায়রুল আলম কক্সি প্রমূখ তার সঙ্গে ছিলেন। পরে তিনি মোমিন রোডে একটি কমিউনিটি সেন্টারে চট্টগ্রাম শহরস্থ রাউজানবাসী আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন।
নির্বাচিত হলে প্রতিটি দিন কাজে লাগাবেন ডা. শাহাদাত
১৪,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ও নগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মেয়র নির্বাচিত হলে ৫ বছরের প্রতিটি দিন নগরবাসীর জন্য কাজ করে যাবো। চট্টগ্রামকে পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তুলবো। বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) নগরের আগ্রাবাদ চৌমুহনি এলাকায় গণসংযোগের সময় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। সকাল ১১টায় বাদামতলী থেকে শুরু হয়ে ২৪ নম্বর উত্তর আগ্রাবাদের দেওয়ানহাট মিস্ত্রি পাড়া এলাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় গণসংযোগ করেন ডা. শাহাদাত। এসময় তিনি সবার কাছে ধানের শীষ মার্কায় ভোট চান। ডা. শাহাদাত বলেন, চট্টগ্রাম শহরে পরিকল্পিত কোনো উন্নয়ন হয়নি। প্রতিটি ওয়ার্ডের ভেতরের সড়কগুলোর বেহাল অবস্থা। জোয়ারের পানিতেও তলিয়ে যায়। বর্ষাকালে তো ডুবেই থাকে। মেয়র নির্বাচিত হলে জলবদ্ধতা নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে পরিকল্পনার অভাব। আমি মেয়র হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আগে জলাবদ্ধতা নিরসন করবো। এজন্য নালা-নর্দমা, খাল ও নদী খনন করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখবো। তিনি বলেন, মানুষের কল্যাণে কোনো কাজ করা হয়নি। উন্নয়নের নামে সরকারের নেতাকর্মীরা শুধু পকেট ভারি করেছে। শিক্ষা, চিকিৎসাসেবা থেকেও মানুষ বঞ্চিত। খাদ্যদ্রব্যের দাম অনেক বেশি। এতে নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা বেশি সমস্যায় পড়েছেন। ডা. শাহাদাত বলেন, আগ্রাবাদ এলাকায় প্রধান সমস্যা মাদক ও সন্ত্রাস। এই সরকারের আমলে এখানে মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় সন্ত্রাসও ব্যাপক আকারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবস্থাও চরম পর্যায়ে ঠেকেছে। মেয়র হলে এগুলো বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।
আইয়ুব বাবুলের অঙ্গিকার পটিয়া পৌরসভার মেয়র হবে জনতার
১৪,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,সৃজন দত্ত,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আইয়ুব বাবুল মৃত্যু্ঞ্জয়ী ছাত্রনেতা।বীর প্রীতিলতার পটিয়ায় ছাত্রলীগের ৮৫-৯০ এর দিকে দাপুটে নেতা ছিলেন।১৯৯০ সালে স্বৈরচ্চার এরশাদ ও ৯৬ সালে বিএনপি জামাতের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় আইয়ুব বাবুলের ভুমিকা অতুলনীয়। যার ফলশ্রুতিতে আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে ক্ষমতার মুখ দেখে। রাত দিন লড়াই সংগ্রাম করতে গিয়ে ও তাদেরকে বিতাড়িত করতে গিয়ে এরশাদ সরকার মার্শাল আইনে বিচার করে আইয়ুবদের উপর ষ্টিম রোলার চালায় যা ইতিহাসের অংশ।সেই ৮০ /৯০ এর দুঃসময়ে রাজনীতি করতে গিয়ে তার জীবনে নেমে আসে এক কালো অধ্যায়।সেই দুঃসময়ের কাল অতিক্রম করে এগিয়ে যেতে আইয়ুব বাবুলের ত্যাগ আর তিতিক্ষার করতে হয়।আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসাবে মুক্তিযোদ্ধা বদিউর রহমান মাষ্টারের ছত্রছায়া ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।পটিয়ার সুচক্রদণ্ডী ইউনিয়ন ছাত্রলীগ থেকে ৮৫ সালে পটিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি,উপজেলার সাধারণ সম্পাদক ও এক সময়ে ১৯৯৩ সালের দিকে (মাঈনু - ইকবাল ) কমিটি অনুমোদিত চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।দীর্ঘদিন শাপলা কুড়ির আসর ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে হাজারো নেতার কারিগর ছিলেন আইয়ুব বাবুল। সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাধ্যমে পটিয়া গড়ে তুলছে হাজার হাজার নেতা কর্মী যা নতুন প্রজন্মের জন্য আর্শীবাদ।দীর্ঘদিন পদ বঞ্চিত হওয়ার পর ২০১৪ সালের দিকে পটিয়া পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।তারপরে একসময় পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক হতে চাইলে তার জন্য টাকা আর ক্ষমতা নিকট পরাজিত হয়ে পদ বঞ্চিত হয়।দমে থাকার লোক নয় বলে আদর্শিক ও পরিক্ষীত যোদ্ধা প্রিয় আইয়ুব বাবুল আবারও গতির সঞ্চয় করে রাজনীতি করে যায় শেষমেষ উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হিসাবে কোনমতে কমিটিতে রাখা হয়।৮০,৯০ দশকের জিয়া,এরশাদ স্বৈরচ্চার বিরোধী আন্দোলন,৯৬ খালেদা বিরোধী আন্দোলন ও ২০০১,১/১১ আন্দোলন সংগ্রামে আইয়ুবের অনেক অবদান আছে তা ভুলবার নয়।জেল জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়ে জীবনের মুল্যবান সময় নষ্ট করে আজীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার কর্মী হিসাবে কঠিন দুঃসময়ে রাজনীতি করেছেন।তার পরিবারের ভুমিকা অতুলনীয় এমনকি তার শ্রদ্ধেয় চাচা বিএলএফ ডেপুটি কমান্ডার ছিলেন ও ফুফাতো ভাই সাংবাদিক জালাল উদ্দিন মুক্তিযুদ্ধের সময় থানার ইনচার্জ এর দায়িত্ব পালন করে বলে তার পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগ পরিবার হিসেবে পরিচিত। এমনকি সাতকানিয়া,লোহাগড়া, চন্দনাইশ,বোয়ালাখালী,আনোয়ারা,বাশখালী উপজেলায় ছাত্রলীগের অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় তার অবদান অতুলনীয়।অনেক সংগ্রাম আর আন্দোলন জেল জুলুম নির্যাতনের শিকার করে দলকে ক্ষমতায় আনলে তাদের কপালে জুটল না কোন ভালো পদবী বা জনপ্রতিনিধির তকমা। আদর্শিক ও পরিক্ষীত সাবেক মেধাবী ছাত্রনেতার পাশাপাশি এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও উন্নয়নমুলক কাজের মাধ্যমে নিজ গুণে প্রতিষ্ঠা লাভ করলেও আর কখনো ক্ষমতা আর টাকার নিকট পরাজিত হয়ে আইয়ুব বাবুলের নিকট কোন ভালো পদবী এমনকি তার নিজ পৌরসভায় মেয়র বা জনপ্রতিনিধির কোন কিছুই জুটল না।জেলার নেতারা তালিকায় তার নাম তিন নম্বরে দিয়ে নমিনেশন নিলেও ক্ষমতা আর টাকার নিকট পরাজিত হয়ে নমিনেশন পাবে কিনা তার সংশয় রয়েছে।১ম শ্রেণির পটিয়া পৌরসভা চট্রগ্রাম জেলার মধ্যে অন্যতম ।ইতিহাস আর ঐতিহ্য শিল্প এলাকা হিসাবে সুপরিচিত। নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায় আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা স্থানীয় সরকার কমিটির প্রতিটি সদস্যদের কাছে আকুতি মিনতি এমনকি কান্নায় জর্জরিত হয়ে তার রাজনীতির আদর্শ,জেল জুলুম ত্যাগের কথা তুলে ধরে এগিয়ে যাচ্ছে দুঃসময়ের রাজনীতির নায়ক আইয়ুব বাবুল।নমিনেশন বোর্ড তাকে নমিনেশন দিয়ে দলের দুঃসময়ের কর্মী হিসেবে মুল্যায়ন করায় ত্যাগী নেতা আর দলের লাভ হবে তা শতভাগ নিশ্চিত। আজ অবহেলিত ও আদর্শিক যোদ্ধা আইয়ুবের মুল্যায়ন করায় আবারো প্রমানিত হলো দল ত্যাগি নেতাদের মূল্যায়ন করছে যা সকলের দাবী ছিলো ।তার কাছে তেমন কোন কিছুই নেই।দলের জন্য আজ নিঃস্ব হয়ে গেছে। তবুও শেষ বারের নেত্রী এই ত্যাগী নেতাকে মূল্যায়ন করায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জননেত্রী বঙ্গকন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সহ মনোনয়ন বোর্ডের সকল সদস্যদেরকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।সঠিক সময়ে যোগ্য বেক্তীর মূল্যায়ন হলো।আইয়ুব বাবুলের অঙ্গিকার পটিয়ার পৌরসভার মেয়র হবে জনতার। লেখক - তসলিম উদ্দিন রানা, সাবেক ছাত্রনেতা ।
করোনা: ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে নতুন আক্রান্ত ৫৩ জন
১৪,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামে ১ হাজার ৭৯৩টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫৩ জন। এ নিয়ে মোট করোনা আক্রান্ত ৩১ হাজার ৮৩৩ জন। এসময়ে চট্টগ্রামে করোনায় মৃত্যুবরণ করেনি কেউ। বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এইদিন কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামে ৮টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ২১৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ২০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ১ হাজার ১৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় ১০ জন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ২৬৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৬ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ৫৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩ জনের করোনা ভাইরাস পজেটিভ পাওয়া গেছে। ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ৫২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৯ জন, শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ২৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ১৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। অন্যদিকে জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ২ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ১৩৮টি নমুনা পরীক্ষা করে কারো শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেনি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ৫৩ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এইদিন নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১ হাজার ৭৯৩টি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৪৪ জন এবং উপজেলায় ৯ জন।
সিএনজি অটোরিকশা চুরি করে টাকা আদায়, গ্রেফতার ২
১২,জানুয়ারী,মঙ্গলবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিএনজি অটোরিকশা চুরি করে মালিকের কাছ থেকে টাকা আদায় করে এমন একটি চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশের পশ্চিম বিভাগ। এ চক্রের সদস্যরা চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে কৌশলে সিএনজি অটোরিকশা ছিনতাই করে। সোমবার (১১ জানুয়ারি) ডবলমুরিং থানাধীন ইদগাঁ কাচারাস্তার মাথা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার দুইজন হলো- মো. রফিকুল ইসলাম (৪৫) ও মো. মাঈন উদ্দিন প্রকাশ মনির (৪২)। এদের মধ্যে মো. রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় পাঁচটি ও মো. মাঈন উদ্দিন প্রকাশ মনিরের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নগর গোয়েন্দা পুলিশের পশ্চিম বিভাগের পরিদর্শক মো. কামরুজ্জামান বলেন, সিএনজি অটোরিকশা চুরি করে মালিকের কাছ থেকে টাকা আদায় করে এমন একটি চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ চক্রের সদস্যরা চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে কৌশলে সিএনজি অটোরিকশা ছিনতাই করে। পরে মালিককে ফোন করে সিএনজি অটোরিকশা ফেরত দিতে টাকা আদায় করে। গত ১০ বছর ধরে তারা এসব কাজের সঙ্গে জড়িত বলে জানতে পেরেছি আমরা।
চসিক নির্বাচন: প্রার্থীদের গণ জমায়েত থেকে বিরত থাকার অনুরোধ
১১,জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে প্রার্থীদের গণ জমায়েত পরিহার করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রচারণা চালানোর অনুরোধ জানিয়েছেন চসিক নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান। সোমবার (১১ জানুয়ারি ) বিকেলে নগরের কাজীর দেউড়ি মোড়ে করোনা সচেতনতা ও ইভিএম সম্পর্কিত প্রচারপত্র বিতরণের সময় এমন অনুরোধ জানান তিনি। মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং যতটুকু সম্ভব গণজমায়েত না করে প্রচার প্রচারণা চালাতে ইতোমধ্যে প্রার্থীদের অনুরোধ করেছি। ইভিএম মেশিন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা এবং ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানাতে আমাদের এই কার্যক্রম। তিনি আরও বলেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা আমাদের উদ্দেশ্য। একটু সচেতন হলেই এই ভাইরাস থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। করোনা সম্পর্কে যে কার্যক্রম শুরু করেছি পর্যায়ক্রমে এ প্রচারণা চলমান থাকবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আতাউর রহমান, অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা বশির আহমদ, নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার জাকিয়া হোসনাইন, বুলবুল আহমদ প্রমুখ।
আওয়ামী ঐক্যের কাছে কোন শক্তি দাঁড়াতে পারবে না- আ জ ম নাছির উদ্দীন
১১,জানুয়ারী,সোমবার,মো.ইলিয়াছ, চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, নির্বাচনে সকল শক্তি নিয়ে নেতাকর্মীদেরকে মাঠে থাকতে হবে। আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদেরকে কাজ করতে হবে। কোন ধরনের মতানৈক্য ,বিরোধ বিভ্রান্তি রাখা যাবে না। মনে রাখতে হবে প্রার্থী দলের মনোনীত, এই প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের, এই প্রার্থী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। আওয়ামীলীগ যদি সম্মিলিত শক্তি নিয়ে কাজ করে তাহলে বিরোধী কোন শক্তি দাঁড়াতে পারবে না। আজ ১১ জানুয়ারি চট্টল শার্দূল এম এ আজিজের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ প্রেসিডিয়াম মেম্বার ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় নগর আওয়ামীলীগ যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এম রেজাউল করিম চৌধুরী ,ত্রান ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোহাম্মাদ হোসেন, সদস্য সাইফুদদীন খালেদ বাহার,আবদুল লতিফ টিপু, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম বদি, রেজাউল করিম কায়সার , আবদুল মান্নান প্রমুখ।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর