চট্টগ্রামে শীতকালীন সবজিতে ভরপুর বাজার, কমেছে দাম
০৪ডিসেম্বর,শুক্রবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের কাঁচাবাজারগুলো এখন শীতকালীন সবজিতে ভরপুর। বিভিন্ন সবজির দাম ১০-২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। শুক্রবার (০৪ ডিসেম্বর) সকালে নগরের চকবাজার কাঁচাবাজার ও রিয়াজউদ্দিন বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ফুলকপি ৩০-৪০ টাকা, বাধাঁকপি ৩০ টাকা, শিম ৪০ টাকা, মুলা ২০-৩০ টাকা, বেগুন ৩৫-৪০ টাকা, ঝিঙ্গা ৫০ টাকা, করলা ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, লাউ ৩০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ২৫-৩০ টাকা, ছোট কচু ৩০ টাকা, শালগম ৩০ টাকা, আলু ৪৫-৬০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা ও কাঁচামরিচ ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে মাছের বাজারে প্রতিকেজি রুই মাছ ২০০ টাকা, লইট্টা ৮০-১০০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, চিংড়ি ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ২০০ টাকা, কোরাল ৫৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০-২০০ টাকা, কাতাল ৩০০ টাকা, রূপচাঁদা ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, একসপ্তাহ ধরে শীতকালীন শাকসবজি বাজারে প্রচুর পরিমাণে আসতে শুরু করেছে। সবজির সরবরাহ বাড়ায় দামও কমেছে। এদিকে মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১১৫ টাকা, লেয়ার মুরগি ১৮০ টাকা, সোনালী মুরগি ২০০ টাকা, হাড় ছাড়া গরুর মাংস ৬৫০ টাকা, হাড়সহ ৫৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যা- স্ত্রীসহ ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড
০৩ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় স্ত্রী রাবেয়া বেগমের পরিকল্পনায় স্বামী মো. মোমিনুল হককে হত্যার দায়ে রাবেয়া বেগমসহ পাঁচজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে খাগড়াছড়ি জেলা ও দায়রা জজ রেজা মো. আলমগীর হাসান এ রায় দেন। মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি প্রবাসী মো. মোমিনুল হকের স্ত্রী রাবেয়া বেগম ভাড়াটিয়া খুনিসহ পরকীয়ার সম্পর্কের জেরে স্বামী মোমিনুল হককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় তদন্ত করে ৫ই সেপ্টেম্বর আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। আদালত রাষ্ট্রপক্ষের ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে চার বছরের মাথায় এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন- রামগড় চৌধুরীপাড়ার মানিক মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম (২৪), একই এলাকার মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে ফিরোজ (২৮), গুইমারা উপজেলার রেনুছড়া এলাকার শাহ আলমের ছেলে আবুল কালাম (২২) এবং একই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে আবুল আসাদ ওরফে মিঠু (২০)। এদের মধ্যে আবুল আসাদ ওরফে মিঠু পলাতক। বাকিরা রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
ফটিকছড়িতে মাদকাসক্ত যুবকের হামলায় মহিলা সহ আহত ১০
০২নভেম্বর,বুধবার,সজল চক্রবর্তী ফটিকছড়ি ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভুজপুর থানাধীন সুয়াবিল ইউনিয়নের বারমাসিয়া সাহা পাড়া এলাকায় (বুধবার) রতন নাথ নামে মাদকাসক্ত এক যুবকের হামলায় মহিলা সহ অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। হামলাকারী রতন ওই এলাকার ভোলা নাথের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাহা পাড়া এলাকার মাদকাসক্ত যুবক রতন নাথ বুধবার সকালে এলাকার গ্রামীণ সড়কে অতর্কিতভাবে পথচারীদের রাম দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এতে এক নারীর হাত দ্বি-খন্ডিত হয়ে যায়। এছাড়াও রামদার আঘাতে আরও ৯ ব্যাক্তি গুরুতর আহত হন । একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা রতনকে আটক করে পিঠুনি দেয়। পরে পুলিশ এসে রতনকে আটক করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সুয়াবিল ইউ.পি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হামলাকারী রতন একজন মাদকসেবী। প্রায়ই সে মাদকসেবন করতো। জানতে পেরেছি এ ঘটনা ঘটনানোর সময়ও সে মাদকাসক্ত ছিল। রতনের ছুরিকাঘাতে উপজেলার উত্তর সুন্দরপুর গ্রামের বজল আহম্মদের পুত্র ইব্রাহিম (৫০), বারমাসিয়া গ্রামের মনমোহন নাথের পুত্র নারায়ণ নাথ (৬৫), একই গ্রামের যাত্রামোহন দাশের স্ত্রী শিবু রাণী দাশ(৬৫), নেপাল নাথের স্ত্রী শিল্পী রাণী দেবি(৩৮), বেপতি নাথের স্ত্রী নিলা নাথ (৬৫), দুলাল নাথের স্ত্রী গীতা দেবি(৭০), জালাল আহমদের ছেলে দিদার (৩০), বাদশাহর ছেলে রমজান (২৮), মিলনের ছেলে টিটু সাহা (৪৫), মুনাফের ছেলে জলিল (৪৭) অাহত হয়। পরে আহতদের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে নাজিরহাটস্থ ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চমেক) এ প্রেরণ করা হয়। এব্যাপারে ভুজপুর থানায় মামলা করা হয়েছে।
কর্ণফুলীর পাড়ে উচ্ছেদ অভিযান, ব্রিজঘাটে বন্দরের ২ একর ভূমি দখলমুক্ত
০২নভেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের কর্ণফুলী নদীর উত্তর পাড়ের ব্রিজঘাট থেকে নতুন ব্রিজ পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এ অভিযানে ১০১টি কাঁচা স্থাপনা উচ্ছেদ করে ২ একর ভূমি উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২ ডিসেম্বর) বন্দরের অথরাইজড অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট গৌতম বাড়ৈ এর নেতৃত্বে অভিযানে অ্যাসিস্ট্যান্ট এস্টেট ম্যানেজার মুহাম্মদ শিহাব উদ্দিন, সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারী, ১৫ জন শ্রমিক ও ২০ জন আনসার অংশ নেন। মুহাম্মদ শিহাব উদ্দিন বলেন, বন্দরের জায়গায় অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে অভিযান নিয়মিত প্রক্রিয়া। বুধবার ১০১টি স্থাপনা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ করে ২ একর ভূমি দখলমুক্ত করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
চট্টগ্রামে করোনায় নতুন শনাক্ত ২৬০
০২নভেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৬০ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। সোমবার (৩০ নভেম্বর) ১ হাজার ৩৯০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে চট্টগ্রামে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২৫ হাজার ৫৯৪ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) রাতে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামের ৯টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৩৯০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাব ১১৩টি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৪৯০টি, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৩৬৩টি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ১০৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে চবি ল্যাবে ৩৫ জন, বিআইটিআইডি ল্যাবে ২১ জন, চমেক ল্যাবে ১২০ জন, সিভাসু ল্যাবে ১৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ৮৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩২ জন, শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ১০৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ২০ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ১৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ১৬টি নমুনা পরীক্ষা করে এতে ১১টি নমুনা পজিটিভ আসে। অন্যদিকে, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ৮৫টি নমুনা পরীক্ষা করে কারো শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায় নি। সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৩৯০টি নমুনা পরীক্ষা করে মোট করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে ২৬০ জনের। এরমধ্যে ২১৩ জন নগরীর এবং ৪৭ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।
নতুন চাক্তাইয়ের চটের গুদামে আগুন
০১নভেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের বাকলিয়া থানাধীন নতুন চাক্তাই ড্রামপট্টি এলাকায় চটের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) ভোররাত আড়াইটার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ সহকারী পরিচালক ফরিদ আহমেদ চৌধুরী জানান, মো. নাসিরের মালিকানাধীন পাকা ভবনের চটের গুদামে আগুন লাগার খবর পেয়ে লামারবাজার ও নন্দনকানন ফায়ার স্টেশনের ৫টি অগ্নিনির্বাপণকারী গাড়ি পাঠানো হয়। সকাল সোয়া ১০টার দিকে আগুন নেভাতে সক্ষম হয় তারা। আগুন লাগার কারণ তদন্ত সাপেক্ষে নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এ অগ্নিকাণ্ডে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের হিসাবে।
মাস্ক না পরায় ৩৫ জনকে জরিমানা
৩০নভেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাস্ক না পরায় ৩৫ জনকে জরিমানা করেছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ সোমবার নগরীর ফিরিঙ্গীবাজার, নতুন ব্রিজ, চাক্তাই, লালখান বাজার, ওয়াসা মোড় ও আন্দরকিল্লা মোড় এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগন । অভিযানে ফিরিঙ্গীবাজার, নতুন ব্রিজ, চাক্তাই এলাকায় মোবাইল কোর্টে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলী হাসান। এসময় তিনি মাস্ক মুখে থাকলেও মুখ খোলা অবস্থায় চলাফেরা ও না পরার দায়ে ১৬ জনকে ২ হাজার ৬শ টাকা জরিমানা করেন। অন্যদিকে নগরীর লালখান বাজার ও ওয়াসা মোড় এলাকায় অভিযান চালায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারজান হোসেন। এসময় তিনি একই অপরাধে ১১ জনকে ১ হাজার ৩শ টাকা জরিমানা করেন । এছাড়া অপর আরেকটি অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী আন্দরকিল্লা মোড় এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় ৮ জনকে ১ হাজার ৬শ টাকা জরিমানা করেন। অভিযানে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়। জনস্বার্থে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী।
করোনা: চট্টগ্রাম একদিনেই আক্রান্ত ২৯১ জন
৩০নভেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম করোনা আক্রান্ত ছাড়ালো ২৫ হাজার। সর্বশেষ গত ২৪ ঘন্টায় ১ হাজার ৪০৪টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৯১ জন। এ নিয়ে মোট করোনা আক্রান্ত ২৫ হাজার ১৫১ জন। এইদিন চট্টগ্রামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৯ নভেম্বর) রাতে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এইদিন কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামে ৮টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৩৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪৪ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ৫৫৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় ২৪ জন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৩৪৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ১০৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ৩৫টি নমুনা পরীক্ষা হয়। এতে পজেটিভ আসে ১৪ জনের। তাছাড়া ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১৬৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫৪ জন, শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ৪৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ২১ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৫২টি নমুনা পরীক্ষা করে ২১ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ২১ নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ৯ জনের পজেটিভ শনাক্ত হয়। কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ৫৪টি নমুনা পরীক্ষা করে কারো শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেনি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ২৯১ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এইদিন নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১ হাজার ৪০৪টি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ২৫৫ জন এবং উপজেলায় ৩৬ জন।
চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় পরিবর্তন এসেছে: নওফেল
২৯নভেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগের চেয়ে বর্তমানে চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় পরিবর্তন এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। রোববার (২৯ নভেম্বর) নগরের আন্দরকিল্লা চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য নতুন আইসোলেশন ওয়ার্ডের উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। নওফেল বলেন, করোনার সম্ভাব্য দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় চট্টগ্রাম শতভাগ প্রস্তুত। করোনাকালীন সময়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রী নিজে তদারকি করছেন। প্রথম থেকেই চট্টগ্রামের করোনা রোগীদের চিকিৎসায় জেনারেল হাসপাতালকে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তিনি আরও বলেন, একটি শহর বেসরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর গড়ে উঠে না। সরকারি চিকিৎসা সেবা বাড়াতে জেনারেল হাসপাতালে আরও সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। এখানে আরও ৫০০ শয্যার একটি ইউনিট তৈরির ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে এই হাসপাতালে ১ হাজার শয্যার হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার দাশ, চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি, মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. আবদুর রব মাসুম, জুনিয়র কনসালটেন্ট হামিদুল্লাহ মেহেদি, আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার তানজিম ইসলাম প্রমুখ।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর