শুক্রবার, এপ্রিল ১৬, ২০২১
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার: তাজুল ইসলাম
০৮,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার। এটি নির্মিত হলে অর্থনীতির নতুন দ্বার উম্মোচিত হবে। আজ ৮ অক্টোবর ২০২০ ইং বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি, দখল দূষন রোধে প্রণীত মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন, চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, এ মেরিন ড্রাইভ নির্মিত হলে এ অঞ্চলে নতুন হাজার হাজার হোটেল মোটেল কল-কারখানা গড়ে ওঠবে। এতে একদিকে যেমন কর্মসংস্থান তৈরি হবে অন্যদিকে পর্যটন খাতে খুলবে নতুন দিগন্ত। বন্দরনগরী চট্টগ্রামকে সারা দেশের ব্যবসায়-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের নামে অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ করে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট করা যাবেনা। এটি করা হলে পরবর্তিতে তা নগরবাসীর জন্য দুর্ভোগের কারন হবে। কর্ণফুলী নদীর দুপাড়ের জায়গা অবৈধ দখল করে লীজ দেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ তুলে সতর্ক করে তিনি বলেন, যারা সরকারি জায়গা ও স্থাপনা দখল করে আছেন, খুব শীঘ্রই অভিযান চালিয়ে তাদের উচ্ছেদ করা হবে। চট্টগ্রাম বন্দরসহ যেসকল প্রতিষ্ঠান সিটি কর্পোরেশনের রাস্তা-ঘাটসহ নানাবিধ সেবা গ্রহণ করছে তাদেরকে কর্পোরেশনের ন্যায্য পাওনা পরিশোধের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার ট্রাক লরিসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করায় নগরীর অভ্যন্তরীণ রাস্তা-ঘাট ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এসব রাস্তা ঘাট সংস্কার করতে অর্থের প্রয়োজন, যা কর্পোরেশনের একার পক্ষে যোগান দেওয়া সম্ভব নয়। তাই সকল প্রতিষ্ঠানকে সঠিক সময়ে কর্পোরেশনের রাজস্ব পরিশোধ করতে হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম দৃষ্টিনন্দন শহর হবে। এ শহরের গড গিফটেড অপরচুনিটি রয়েছে। আউটার রিং রোড, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ কাজ শেষ হলে শহরের চাহিদা বিশ্বব্যাপী বৃদ্ধি পাবে। ফলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে। কর্মসংস্থানও বাড়বে। তখন চট্টগ্রাম শুধু পর্যটন খাত দিয়েই পুরো দেশকে এগিয়ে নিতে পারবে। দেশের উন্নয়ন বেড়ে যাবে বহুগুণে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আরো বলেন, উন্নয়নকে শুধু ঢাকায় সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে না, পুরো দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে কাজের ক্ষেত্রে আমাদের সবার জবাবদিহি থাকতে হবে। জবাবদিহিতার মাধ্যমে সব সংকট নিরসন করে দেশকে উন্নত করতে হবে। অনুষ্ঠানে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারক এমপি, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফ আহমদ এমপি, ওয়াসেকা আয়শা খান এমপি বক্তব্য রাখেন। চট্টগ্রামম বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হেলাল উদ্দিন, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো.ইব্রাহীম, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন, সিডিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহিরুল আলম দোভাষ, চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি চসিকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম চৌধুরী, সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী হাসান বিন শামস, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান, বন্দরের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো.জাফর আলম, চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মো.ফয়জুল্লাহসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তর প্রধানগণ বক্তৃতা করেন।
পটিয়ায় ধর্ষণ ও মাদক বিরোধী সমাবেশ ছাত্রলীগের
০৮,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পটিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে কেন্দ্র ঘোষিত দেশব্যাপী ধর্ষণ ও মাদক বিরোধী প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আবু তাহের আদনানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোফরান রানা। তিনি বলেন, লন্ডনে বসে তারেক রহমান দেশব্যাপী অরাজকতা সৃষ্টির নীলনক্সা চালিয়ে যাচ্ছেন। দেশের ছাত্র জনতাকে সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দক্ষিন জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তারেক রহমান তারেক,পৌরসভা যুবলীগ নেতা শাহরিয়ার শাহজাহান, জেলা ছাত্রলীগ সহ সভাপতি মোরশেদুল আলম অভি, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক নেজাম উদ্দিন, পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা ইরফান শিকদার, মহিউদ্দিন, সাকিব, শহীদুল আলাম তানিম,পার্থ দাস সহ নেতৃবৃন্দ।- পটিয়া নিউজ
মানুষের কল্যাণে যত কাজ সব স্থানীয় সরকার করবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
০৮,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বন্দর গর্বের জায়গা। বন্দরের জায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে।কর্ণফুলী নদীর পাড় লিজ দিয়ে ব্যবসা বাণিজ্যের সুযোগ কেন দিচ্ছেন আমি জানি না। মহিউদ্দিন সাহেব আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতেন। তার মধ্যে বেসিক দেশপ্রেম ছিল।বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি, দখল ও দূষণ রোধে প্রণীত মাস্টারপ্ল্যানের বাস্তবায়ন, নগরের জলাবদ্ধতা নিরসন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উন্নয়ন সংক্রান্ত আলোচনা সভায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এসব কথা বলেন।স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এ সভা আয়োজন করে।মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী উন্নত দেশের স্বপ্ন দেখেন। পথনকশা তৈরি করেছেন। ঢাকাতে উন্নতি সীমাবদ্ধ রাখা হবে না। গ্রামেও পৌঁছে দেওয়া হবে। আমাদের বিভিন্নভাবে দায়িত্ব দিয়েছেন। আমাদের উপলব্ধি এসেছে, বিভাজন নয়, ঐক্যবদ্ধ হবো। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গোটা জাতি ঐক্যবদ্ধ।তিনি বলেন, আমরা অর্থনীতির শঙ্কার জায়গা থেকে বেরিয়ে গেছি। কোভিডের কারণে অনিশ্চয়তা দেখা দিলেও আমরা জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা মোকাবেলা করতে পারবো। চট্টগ্রাম বাংলাদেশের ইকোনমিক হাব। সমুদ্রবন্দর গড গিফটেড। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে ২০০০ সালেই সিঙ্গাপুর হতো। আমাদের প্রাকৃতিক সুযোগ রয়েছে।ঢাকার পাঁচটি নদী ও কর্ণফুলীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, অবৈধ দখল ও দূষণ বন্ধে কাজ করছি আমরা। ঢাকার বাইরে এটি প্রথম সভা। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী প্রস্তাব দিয়েছিলেন সভাটি এখানে করার জন্য। দুর্ভাগ্য তিনি এখন অসুস্থ।মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম দৃষ্টিনন্দন শহর হবে। গড গিফটেড অপরচুনিটি রয়েছে। আউটার রিং রোড, কক্সবাজার পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ করতে পারলে হাজার হাজার পাঁচ তারকা হোটেল হবে। এর জন্য রকেট সায়েন্সের দরকার হবে না। শুধু চট্টগ্রাম পর্যটন খাত দিয়ে পুরো দেশকে এগিয়ে নেবে। তবে অবকাঠামো যাতে আগামী দিনের দুর্ভাগ্য ডেকে না আনে।প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের ব্যাপারে আন্তরিক। তাই এত প্রকল্প ও টাকা দিয়েছেন। আরও দেবেন যদি কাজে লাগাতে পারি। আগে মহিউদ্দিন চৌধুরী বলতেন, ইনকাম জেনারেট করতে হচ্ছে। এখন সরকার সহায়তা দিচ্ছে।তিনি বলেন, আপনি যে সালাম পাওয়ার কথা আমি দেব। কিন্তু আমি যা পাব তা না দিলে ছাড় দেব না। একবার ওয়াসার টাকা দেয় না সিভিল অ্যাভিয়েশন। আমি বললাম, পানির লাইন কেটে দাও। মানুষ দেয় না-এ কথা আমি বিশ্বাস করি না। মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।পানির কস্টিং ২২ টাকা পড়লে আপনি দেন ৯ টাকা। হোল্ডিং ট্যাক্স সবাইকে দিতে হবে। মানুষের কল্যাণে যত কাজ সব স্থানীয় সরকার করবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সাসটেইনেবল ডেভলপমেন্টের বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। ১০ টাকা বেশি খরচ হলেও কাটাকাটি সারা বছর চলবে কেন? ধুলোবালিতে ভারী ধাতু উড়ছে। মানুষ অসুস্থ হচ্ছে। সব ইউটিলিটি লাইনের জন্য সড়কের পাশে ঢাকনাযুক্ত লেন রাখতে হবে। জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পে অনেক স্লুইসগেট করবেন। এমএস, জিএস শিট থাকলে নষ্ট হয়ে যাবে। ড্রেন, কালভার্ট সঠিকভাবে করতে হবে।মন্ত্রী বলেন, রাজস্ব আহরণ করে বন্দর। বন্দর থেকে ট্রাক বের হয়ে সিটি করপোরেশনের সড়ক ব্যবহার করে। চসিককে তো কেউ বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ফ্রি দিচ্ছে না। চট্টগ্রামের উন্নতির ক্ষেত্রে আপস করবো না। সম্প্রতি অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধ করায় চসিককে ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তাদের না পাওয়ার কথা শুনে আমার নিজেরই কান্না এসেছিল। তিন বছরের বেশি সময় পোর্ট কানেকটিং রোডের দুরবস্থা চলছে।সভায় উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়েশা খান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার, নৌসচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী।বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদের সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম আবুল কালাম আজাদ, বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান, বন্দরের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলম, চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন, সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ, চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী একেএম ফজলুল্লাহ, চসিকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম চৌধুরী, সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী হাসান বিন শামস প্রমুখ।
ফিরিঙ্গিবাজারে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার
০৮,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর ফিরিঙ্গিবাজারের ব্রিজঘাট থেকে ইয়াবাসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত যুবকের নাম আব্দুর শুক্কুর (২৭)। আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৭ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। নগর গোয়েন্দা পুলিশের (বন্দর জোন) এডিসি আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা বাজারজাতের উদ্দেশ্যে এক যুবক অবস্থান করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ব্রিজঘাট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় সাত হাজার পিস ইয়াবাসহ আব্দুর শুক্কুর নামে ওই যুবককে আটক করা হয়। তিনি আরও বলেন, আটককৃত যুবকের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় মাদক আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।
চট্টগ্রামে ৫ খাদ্যপণ্য প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা- মামলা
০৭,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নলকূপের পানি বোতালজাত করে বিক্রি ও নোংরা পরিবেশে খাবার তৈরির দায়ে ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ও আরও তিন প্রতিষ্ঠানের নামে বিএসটিআই আইনে মামলা দায়ের করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে নগরের এনায়েত বাজার এলাকায় ভেজালবিরোধী অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুক। অংশ নেন বিএসটিআইর ফিল্ড অফিসার জারীন তাসনীম সিলি, পরিদর্শক মুকুল মৃধা। বিএসটিআইয়ের সহকারী পরিচালক মোস্তাক আহমেদ জানান, এনায়েত বাজার জুবলী রোড়ের তাকওয়া এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান অনুমোদন ছাড়া নলকূপের অপরিশোধিত পানি বোতলজাত করে বিক্রি করায় ও প্রতিষ্ঠানে কোন ক্যামিস্ট নিয়োজিত না থাকায় মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে নোংরা পরিবেশে কেক, বিস্কুট, মিষ্টি, দই ও রুটি উৎপাদনের দায়ে কোতোয়ালির বাটালী রোডের মিসকা ধানসিঁড়ি সুইসটসকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এছাড়া অনুমোদনহীন পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করার দায়ে মুরাদপুরের হাসিনা বেকারি, বিবিরহাট এলাকার আপন ড্রিকিং ওয়াটার ও চান্দগাঁও শমসের পাড়া এলাকার এস এইচ এম বিজনেস কনসোর্টিয়ামের বিরুদ্ধে বিএসটিআই আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চট্টগ্রামে গ্রেফতারী পরোয়ানাভূক্ত আসামী আব্দুর রহমান গ্রেফতার
০৭,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ এলাকা থেকে গ্রেফতারী পরোয়ানাভূক্ত আসামী আবদুল রহমান (৬০)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০ টায় মির্জাপুল থেকে তাকে গ্রেফতার করে। সে হাটহাজারী উত্তর মেখল রহিমপুরের বাসিন্দা মৃত আবদুল খালেকের পুত্র এবং চট্টগ্রাম রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতির অবৈধ সাধারণ সম্পাদক। জালিয়াতি, আত্মসাৎ ও প্রতারণার মামলায় পাঁচলাইশ থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। একাধিক মামলার সাজা ও গ্রফেতারি পরোয়ানাও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তাকে দুপুর ১২ টায় জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। পাঁচলাইশ থানার এস আই জসিম বলেন, পাঁলাইশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মির্জাপুলের একটি অফিস থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। উল্লেখ্য, রাউজানের সাবেক মেয়র কাজী আবদুল্লাহ আল হাছানের পুত্র কাজী আবদুল্লাহ আল আনিসুর রহমানের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গত ৩০ সেপ্টম্বর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট। নির্বাচন ছাড়া আবদুর রহমান দীর্ঘ ১২ বছর ক্ষমতা দখল করে একের পর এক অন্যায় করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন অত্র মামলার বাদী।
রেল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৩০ শতাংশ কোঠা থাকবে: রেলপথ মন্ত্রী
০৭,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রেলপথ মন্ত্রণালয়কে ঢেলে সাজিয়েছেন। বাংলাদেশ রেলওয়ে এখন আগের অবস্থানে নেই। রেলের সকল সেক্টরে অকল্পনীয় পরিবর্তন ও উন্নয়ন হয়েছে। নিয়োগবিধি সংশোধনসহ রেল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৩০ শতাংশ পোষ্য কোঠা রাখার ও ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। রেলপথ মন্ত্রী আজ (০৭ অক্টোবর) চট্টগ্রামে রেলওয়ের পাহাড়তলিস্থ প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রেকের কার্যালয় এবং নতুন আমদানিকৃত ১০ টি এমজি ডিজেল লোকোমেটিভ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান। এ সময় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম রেজা, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. সামসুজ্জামান, প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক রুহুল কাদের আজাদ উপস্থিত ছিলেন। মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, রেলে নিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আবাসন ব্যবস্থায় কাজ চলছে। রেল কর্মচারীদের জন্য ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার। এ জন্য রেল পরিবারের সকলের সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী। ঘুষ দিয়ে কারও চাকরি নিতে হবে না উল্লোখ করে রেল মন্ত্রী বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে নিয়োগবিধির কাজ শেষ করে নতুন লোক নিয়োগ দেওয়া হবে। জনবল কাঠামো বৃদ্ধি করে রেলকে আরো যুগোপোযোগী করা হবে বলে উল্লেখ করেন রেলমন্ত্রী।
শিশু ও নারী নির্যাতন রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান ইপসার
০৭,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিশু ও নারীদের উপর করা সব ধরনের নির্যাতনের দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন সংগঠন- ইপসা। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে এই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। চট্টগ্রামের ২০টিরও বেশি উন্নয়ন সংস্থা ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতারা মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে অংশ নেন। মানববন্ধনে স্বাগত বক্তব্যে ইপসার কর্মসূচি সমন্বয়ক মোহাম্মদ আলী শাহিন বলেন, গত ৯ মাসে দেশে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৯৭৫টি, তার মধ্যে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ২০৮টি। ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ঘটেছে ৪৩টি। আইন ও সালিস কেন্দ্রের (আসক) হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯ সালে ১ হাজার ৪১৩ জন নারী ধর্ষণের শিকার হন। ২০১৮ সালে এই সংখ্যা ছিল ৭৩২ জন। আর চলতি বছরে প্রতিদিন অন্তত ৩ জন নারী ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বলার অপেক্ষা রাখে না- এই হিসাব অসম্পূর্ণ। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা প্রভাবশালী বা তাদের পরিবারের সদস্যদের চাপে অনেক ধর্ষণের তথ্য চাপা পড়ে যায়। নারীর নিরাপত্তা দেওয়া এবং নারী নির্যাতন, ধর্ষণ প্রভৃতি অপরাধ প্রতিহত করার দায়িত্ব শুধু সরকার ও সরকারি দলের নয়। সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে শিশু ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। ইপসার প্রধান নির্বাহী মো. আরিফুর রহমান বলেন, বিগত কয়েকমাস ধরে দেশে শিশু ও নারী নির্যাতন অস্বাভাবিক মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। ধর্ষণ, শিশু ও নারী নির্যাতনসহ সকল ধরনের সহিংসতার দ্রুত বিচার করতে হবে এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ধর্ষণ বন্ধে প্রয়োজনে দেশের প্রচলিত আইন পরিবর্তন করতে হবে। উন্নয়নকর্মী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সচেতন হতে হবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি মানুষের সচেতনতাই পারে আমাদের এই বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে। সন্তানকে বাসায় নৈতিকতা ও সুশিক্ষা এবং নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা শিক্ষা দিতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও নারীর প্রতি সম্মানের মানসিকতা সৃষ্টির জন্য প্রতিনিয়ত নৈতিক শিক্ষা দিতে হবে। শিশু ও নারী নির্যাতন বন্ধে মানববন্ধনে চারটি সুনির্দিষ্ট দাবি জানান ইপসার উপ-পরিচালক নাছিম বানু। তিনি বলেন, শিশু ও নারী নির্যাতন বন্ধে সকল ধরনের শিশু ও নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে করতে হবে। তিন মাসের মধ্যে ধর্ষণের বিচারকাজ নিষ্পন্ন করতে হবে। ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি এবং নির্যাতিত শিশু ও নারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে শিশু ও নারীদের জন্য একটি নিরাপদ দেশের স্বপ্ন দেখেছি। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে। ইপসার প্রোগ্রাম অফিসার মো. ওমর শাহেদ হিরোর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজের) সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস, ১৫ নম্বর বাগমনিরাম ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. গিয়াস উদ্দিন, এন্টি ট্যোবেকো মিডিয়া অ্যালায়েন্সের (আত্মা) আহ্বায়ক মো. আলমগীর সবুজ, আত্মার সদস্য কামরুল হুদা, ইপসার উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান প্রমুখ।
২০২২ সালের মধ্যে নতুন কালুরঘাট সেতু: রেলমন্ত্রী
০৭,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০২২ সালের মধ্যে নতুন কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়ন হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকাল ১১টায় কালুরঘাট সেতু পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নদী কর্ণফুলী। এ নদীর ওপর কালুরঘাট সেতুটি রেল কাম সড়ক সেতু করার মানুষের যে দাবি তা শিগগিরই পূরণ হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই প্রধানমন্ত্রী আমাকে জানান, সেতুটি রেল কাম সড়ক সেতু করার উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি বলেন, পরে সেতুর অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে কোরিয়ার প্রকৌশলী টিমের সঙ্গে কথা বলি, তারা পরিদর্শনে এসে প্রথমে সেতুটি করবে বলে জানালেও কিছুদিন পর জানায়-তারা সেতুর কাজ করবে না। একপর্যায়ে আমি আবারও বৈঠকে বসলে তারা জানায়, রেলসেতু ও সড়ক সেতু আলাদা করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলাদা সভায় ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা করি। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে কোরিয়ার প্রস্তাবনা তুলে ধরি। তখন প্রধানমন্ত্রী আমাকে জানান, আলাদা সেতু নয়। সেতুটি হবে রেল কাম সড়ক সেতু। রেলপথ মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক রেল কাম সড়ক সেতু করার উদ্যোগ নিয়েছি। সে লক্ষ্যে পুরনো সেতুটি পরিদর্শনে আসা। আশা করছি ২০২২ সালের মধ্যে নতুন কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়ন করতে পারবো। এতদিনও সেতুর কাজ না হওয়ায় আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। তিনি বলেন, সেতুর ওপর হবে দুই লাইনের সড়ক। রেললাইনটি হবে ডুয়েলগেজের। সেতুটি হলে ভারত, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর