শুক্রবার, এপ্রিল ১৬, ২০২১
১৩ কোটি টাকার ইয়াবাসহ তিন কারবারি ধরা
১৫সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের বাকলিয়া ও আনোয়ারা উপজেলার গহিরা এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করেছে Rapid Action Battalion (Rab)। এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় দুই লাখ ৬৫ হাজার ১৩০ পিস ইয়াবা। গ্রেফতার তিনজনই মাদক কারবারের সাথে জড়িত বলে দাবি করেছে Rab। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নগরে ও উপজেলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে Rab। Rab এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মশিউর রহমান জুয়েলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এরা হলেন, আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর চুন্নাপাড়া এলাকার নুরুল হকের ছেলে মো. কামরুজ্জামান (৩০), কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার খুনিয়াপালং রশিদ আহমদের ছেলে মো. জমির উদ্দীন (৩৬) ও একই উপজেলার ডেগারদীঘি বদ্দারপাড় এলাকার নুরুল হকের ছেলে মো. রমজান আলী (২৫)। তাদের কাছ উদ্ধার হওয়া এসব ইয়াবার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৩ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকা বলে জানিয়েছেন Rab। Rab জানায়, এদের মধ্যে কামরুজ্জামানকে আনোয়ারা গহিরা এলাকা আটক করে Rab। ওই সময় তার কাছ থেকে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়। তাছাড়া পরে তার দেওয়া তথ্যে আরেক ইয়াবা ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার ১৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে বাকলিয়া থানাধীন আহাদ কনভেনশন সেন্টারের সামনে থেকে আটক করা হয় মো. জমির উদ্দীন ও মো. রমজান আলীকে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করার হয়েছে। Rab-7 এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মশিউর রহমান নিউজ একাত্তরকে বলেন, আনোয়ারার গহিরা ও বাকলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২ লাখ ৬৫ হাজার ১৩০ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রফেতার করা হয়েছে।
সিইপিজেড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টকে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা
১৪সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম রফতানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলের (সিইপিজেড) কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার চিটাগাং ওয়েস্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টকে (সিডব্লিউটিপি) ১৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এনএসআই মেট্রো শাখার তথ্যের ভিত্তিতে পরিবেশ অধিদফতর সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করেছে। সূত্র জানায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর এনএসআইর একটি টিম প্ল্যান্টটি সরেজমিন অনুসন্ধান করে জানতে পারে, চট্টগ্রাম ইপিজেডের ক্ষতিকর প্রায় ১ লাখ ঘনমিটার তরল বর্জ্য বঙ্গোপসাগরে ফেলা হয়। চট্টগ্রামের রফতানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলে ইপিজেডের কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার চিটাগাং ওয়েস্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (সিডব্লিউটিপি) গত ২৮ আগস্ট থেকে ১০ দিন অকার্যকর ছিল। এই ১০ দিনের প্রতিদিনই ৯ হাজার ২৩০ ঘনমিটার করে অপরিশোধিত তরল বর্জ্য ফেলা হয়েছে সাগরে। এতে পরিবেশ ও সাগরের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হয়। পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নূরী জানান, সিডব্লিউটিপির কারিগরি ত্রুটি সমাধানে ৭ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। সূত্র: বাংলা নিউজ
দুর্নীতি মামলায় বদির বিচার শুরু
১৩সেপ্টেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে নিজ দখলে রাখা ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুদুকের দায়ের করা একটি মামলায় টেকনাফের সাবেক এমপি আব্দুর রহমান বদির বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ইসমাইল হোসেন এ আদেশ দেন। এসময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন টেকনাফের বহুল আলোচিত-সমালোচিত সাবেক এমপি আব্দুর রহমান বদি। আগামী ১৫ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলি মেজবাহ উদ্দিন নিউজ একাত্তরকে বলেন, নানা কারণে আব্দুর রহমান বদির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুদকের করা মামলার বিচার শুরু হয়নি। অবশেষে আজ রোববার ১৩ অক্টোবর সেটি হয়ে গেল। এখন তার বিরুদ্ধে প্রথমে সাক্ষ্যগ্রহণ ও পরে যুক্তিতর্ক শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। আশা করি এ মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হবে। ২০০৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ দুদক আইনের ২৬/২ ও ২৭/১ ধারা অনুযায়ী আব্দুর রহমান বদির বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। এর মধ্যে ২৬/১ ধারায় ৪৩ লাখ ৪৩ হাজার ৪৪৯ টাকা ৫৩ পয়সা সম্পদের তথ্য গোপন ও ২৭/১ ধারায় ৬৫ লাখ ৭০ হাজার ৪১৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে নিজ দখলে রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে। বদির আইনজীবী রফিকুল আলম বলেন, এক এগারোর সময় সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ছিলেন আমার মক্কেল আব্দুর রহমান বদি। কারাগারে থাকতেই তার বিরুদ্ধে দুদক এ মামলাটি দায়ের করেন। পরবর্তীতে তিনি এ মামলা থেকে জামিন নেন এবং এখনো তিনি এ মামলায় জামিনে আছেন। চট্টগ্রামে এটিই তার বিরুদ্ধে একমাত্র মামলা। আর কোনো মামলা নেই। আশা করি আমার মক্কেল দুদকের এ মামলায় ন্যায় বিচার পাবেন। আদালত সূত্র জানায়, আবুল কালাম আজাদের করা মামলা তদন্ত করে দুদকের আরেক উপ-পরিচালক আলী আকবর ২০০৮ সালে টেকনাফের সাবেক এমপি আব্দুর রহমান বদির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। উল্লেখ্য, বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে বিচারক না থাকায় জেলা ও দায়রা জজ ইসমাইল হোসেন এ আদালতে ভারপ্রাপ্ত বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন।
চান্দগাঁওয়ে চুনারটালে ৪ জুয়াড়ি আটক
১২সেপ্টেম্বর,শনিবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় জুয়ার আসরে পুলিশি অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় চুনারটাল এলাকা থেকে একটি জুয়ার বোর্ডে থাকা চারজনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে এ অভিযান পরিচালিত হয়। চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খন্দকার নিউজ একাত্তরকে বলেন, কমিশনার স্যারের নির্দেশে জুয়ার বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। একটি জুয়ার বোর্ড থেকে চারজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে তাস ও টাকা জব্দ করা হয়েছে। আটক চারজনের বিরুদ্ধে জুয়া আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক হওয়া চারজন হলো- মো. নুর ইসলাম (৫৪), মো. ইউসুফ (৩২), মো. আলম (২৭) ও মো. মাসুদ (৪২)। তারা চান্দগাঁও থানাধীন চুনারটাল এলাকায় বসবাস করেন। জুয়ার বিরুদ্ধে নিয়মিত পুলিশি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান চান্দগাঁও থানার ওসি আতাউর রহমান খন্দকার।
চট্টগ্রামের দুঃখ পিসি রোড দৃশ্যমান হওয়ায় সন্তোষ সুজনের
১১সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগের পাইলাইন খ্যাত পোর্ট কানেক্টিং (পিসি) রোডের সংস্কার ও উন্নয়নকাজে দৃশ্যমান অগ্রগতি হওয়ায় সন্তোষ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। তিন বছর ধরে সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে জনদুর্ভোগ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর সড়কটির সংস্কার ও উন্নয়নকাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্নের জন্য বিশেষ গুরুত্ব দিই। প্রতিদিনই বিরামহীন এ সড়কটির কাজ চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত কাজের যেটুকু অগ্রগতি হয়েছে তাতে অনেকাংশে জনদুর্ভোগ লাঘব হয়েছে। একইভাবে নগরের ক্ষতিগ্রস্ত অন্য সড়কগুলোকেও নির্বিঘ্নে যান চলাচল উপযোগী করে তোলার জন্য প্যাচওয়ার্ক চলমান থাকবে। তিনি শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পোর্ট কানেক্টিং রোডে সংস্কার ও নির্মাণকাজ পরিদর্শনকালে সমবেত এলাকাবাসীর উদ্দেশে এসব কথা বলেন। সুজন বলেন, যে গতিতে কাজ চলছে তাতে নভেম্বরের মধ্যেই সড়কটির সংস্কার ও উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হওয়ার আশা করা যায়। বৃষ্টিজনিত কারণে পূর্ণগতিতে কাজ করার ক্ষেত্রে সাময়িক বিরতি না থাকলে অক্টোবরেই কাজটি সম্পন্ন হয়ে যেত। প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের উদ্দেশে সুজন বলেন, সড়কটির স্থায়িত্ব ও ভারী যানবাহন চলাচলের সক্ষমতা বজায় এবং গুণগতমান রক্ষায় কারিগরি বিষয়গুলোর যথাযথ প্রয়োগ হলে আগের মতো সড়ক বেহাল দশায় পর্যবসিত হওয়ার কোনো আশঙ্কা থাকবে না। আমি বিষয়টির ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই। অতীতে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলেই সড়ক উন্নয়নের কাজ শেষ হওয়ার পর অল্প সময়ের ব্যবধানে এসব সড়ক বেহাল অবস্থায় পৌঁছে গেছে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের দায়িত্বহীনতার চিত্র প্রকট হয়ে ওঠে। স্থানীয় লোকজন বলেন, দীর্ঘ তিন বছর ধরে আমরা কাদামাটির জন্য রাস্তাটি দেখতেই পাইনি। এখন রাস্তাটি দেখতে পাচ্ছি যা আমাদের কাছে স্বপ্নের মতো। এতদিন ভাঙাচোরা খানাখন্দে ভরা সড়কে কাদা পানি মেখে চললেও এখন পিচঢালা পাকা-পোক্ত সড়ক দেখতে পেয়ে গ্লানি ও হতাশা দূর হচ্ছে। প্রশাসক সুজন পিসি রোডে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী-শ্রমিকদের ঘরে তৈরি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বিনি চালের পিঠা-পুলি খাইয়ে আপ্যায়িত করেন। তিনি শ্রমিকদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের উপ সহকারী প্রকৌশলী সুমন সেন, সড়ক তদারককারী মো. নুর ইসলাম, ঠিকাদারদের পক্ষ থেকে ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ওসমান ও ইঞ্জিনিয়ার মো. জহির উদ্দিন। এ ছাড়া কলকা সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে সরাইপাড়া স্কুল, মেহেদীবাগ, শেখ মুজিব সড়ক, দেওয়ানহাট, মেরিনার্স রোড, সিডিএ অ্যাভিনিউ, বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার, এয়ারপোর্ট রোড, কাস্টম মোড়, ঈশান মহাজন সড়কে চসিকের প্যাচওয়ার্ক দিনভর চলমান ছিল। পিসি রোডের চলমান উন্নয়নকাজের সুবিধার্থে এক পাশ বন্ধ রেখে কাজ চলছে এবং এক পাশ খোলা রাখা হয়েছে। যে অংশটি খোলা সেই অংশে গাড়ি চলাচল ও ভারী বৃষ্টির কারণে সমাপ্ত সংস্কার কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সেগুলোতে তাৎক্ষণিক প্যাচওয়ার্ক করা হচ্ছে। এরপর চসিক প্রশাসক আরেফিননগর টিজি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে চসিক প্রশাসক টিজির প্রবেশমুখের সড়ক আরও হাইজেনিক করার নির্দেশনা দেন। এ ছাড়া করপোরেশনের জায়গা যারা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন তাদের কাছ থেকে জায়গাগুলো অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে বলে ঘোষণা দেন। এ ছাড়া মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী কর্মপন্থা নেওয়া হবে বলে এলাকাবাসীকে জানান চসিক প্রশাসক।
কোতোয়ালিতে কিশোর গ্যাংয়ের ১৬ সদস্য গ্রেফতার
১১সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীতে ছিনতাই, ছিনতাইয়ের চেষ্টা, অপহরণ ও মারামারির ঘটনায় জড়িত কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্যসহ মোট ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত ও শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। বিষয়টি নিউজ একাত্তরকে নিশ্চিত করেন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন। কোতোয়ালি থানা পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার নিউ মার্কেট মোড় থেকে কিশোর গ্যাংয়ের একটি চক্র পেয়ার আহমদ (২৫) নামের এক যুবককে অপহরণ করে ব্রিক ফিল্ড এলাকায় নিয়ে গিয়ে জিম্মি করেন এবং চাঁদা দাবি করেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং ভিকটিমকে জীবিত উদ্ধারসহ ০৬ জন কিশোর অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া, রেলওয়ে ষ্টেশন রোডের এক দোকানদারের কাছ থেকে চাঁদা দাবি ও ত্রাসের সৃষ্টির ঘটনায় নিউমার্কেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মো. সাহেদ হোসেন প্রকাশ মনা (২২) ও মো. রফিককে (২০) গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে মনা মিরসরাইয়ের শাহ আলম ও রফিক কুমিল্লার মো. কামাল হোসেনের ছেলে। ওসি মোহাম্মদ মহসিন জানান, স্টেশন রোড ও ব্রিক ফিল্ড এলাকা ছাড়াও কোতোয়ালী থানাধীন আরও তিনটি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। যেখানে কিশোর গ্যাংয়ের আরও ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের প্রত্যকের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে এবং আদালতে পাঠানো হয়েছে।
হুইপ সামশুল হক চৌধুরী বাফুফে নির্বাচনে প্রধান সমন্বয়ক
১০সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন বাফুফে নির্বাচনে সম্মিলিত পরিষদের প্রধান নির্বাচন সমন্নয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দেশের অন্যতম প্রধান ক্রীড়া সংগঠক, চট্টগ্রাম আবাহনীর মহাসচিব ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি, পটিয়ার গর্ব ও অহংকার, একটানা জাতীয় সংসদে ৩ বার বিজয়ী, হুইপ আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী এমপি। টানা ৩ বারের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন-সালাম মুর্শেদীর নেতৃত্বে এবারও সম্মিলিত পরিষদ নামে প্যানেল ঘোষণা করেছেন সালাউদ্দিন। সহ-সভাপতি পদে এই প্যানেলে নতুন যোগ হয়েছেন বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি ইমরুল হাসান ও ফুটবল সংগঠক আতাউর রহমান মানিক। বাফুফে ভবনের সামনে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার তৃতীয় দিনে নিজেদের প্যানেল ঘোষণা করেছে সালাউদ্দিন প্যানেল সম্মিলিত পরিষদ। সমন্বয়ক হিসেবে রাখা হয়েছে আলহাজ্ব সালেহ জামান সেলিম। মঙ্গলবার দুপুর ৩টায় ইলেকশন কমিশনের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এই সম্মিলিত প্যানেল পরিষদ। প্যানেলের নতুন মুখ: ইমরুল হাসান (সহ-সভাপতি), আতাউর রহমান মানিক (সহ-সভাপতি), আসাদুজ্জামান মিঠু (সদস্য), কামরুল হাসান হিলটন (সদস্য), সৈয়দ রিয়াজুল করিম (সদস্য) ও ইমতিয়াজ হামিদ সবুজ (সদস্য)। বাদ পড়েছেন যারা: মহিউদ্দিন আহমেদ মহি (সহ-সভাপতি), বাদল রায় (সহ-সভাপতি), মো.ফজলুর রহমান বাবুল (সদস্য), আব্দুর রহিম (সদস্য)। বাফুফে নির্বাচনকে সামনে রেখে ৫ সেপ্টেম্বর থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের সময় শুরু হয়েছে। ৭ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার শেষ দিন ছিল। এ দিনেই সভাপতি পদ থেকে শুরু করে ২১ পদে প্রার্থীতার মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে লোকে লোকারণ্য হয়েছে বাফুফে ভবন । সকাল থেকে বাফুফে ভবনজুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছিল। মনোনয়ন পত্র সভাপতি পদের জন্য এক লাখ, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ৭৫ হাজার, সহ-সভাপতি ৫০ হাজার এবং সদস্য পদের জন্য ২৫ হাজার টাকা (অফেরতযোগ্য)। ১১ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাই (বিকেল ৩টা থেকে), ৮-১২ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার এবং ১৩ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ ও ব্যালট দেয়া হবে। ৩ অক্টোবর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম), নির্বাচন (দুপুর ২টা থেকে বেলা ৬টা) ও প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ১৩৯ জন কাউন্সিলর একজন করে সভাপতি ও সিনিয়র সহ-সভাপতি, চারজন সহ-সভাপতি এবং ১৫ জন সদস্যকে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করবেন। আগামী ৩ অক্টোবর আয়োজন হবে এবারের বাফুফে নির্বাচন ও সাধারণ বার্ষিক সভা। কাজী সালাউদ্দিনের প্যানেল সভাপতি- কাজী মো. সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি: আবদুস সালাম মুর্শেদী। সহ-সভাপতি: কাজী নাবিল আহমেদ, ইমরুল হাসান, আমিরুল ইসলাম বাবু ও আতাউর রহমান মানিক। সদস্য: হারুনুর রশিদ, শওকত আলী খান জাহাঙ্গীর, সত্যজিৎ দাশ রুপু, ইলিয়াছ হোসেন, বিজন বড়ুয়া, অমিত খান শুভ্র, ইকবাল হোসেন, মহিউদ্দিন আহমেদ সেলিম, মো. জাকির হোসেন চৌধুরী, মাহফুজা আক্তার কিরণ, আসাদুজ্জামান মিঠু, কামরুল হাসান হিলটন, সৈয়দ রিয়াজুল করিম ও ইমতিয়াজ হামিদ সবুজ, নুরুল ইসলাম। অনেকটা একপেশে এই নির্বাচনে কাজী সালাহউদ্দিনের নেতৃত্বে সম্মিলিত পরিষদ বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী এমপি।- পটিয়া নিউজ
কিশোর গ্যাংয়ের মাথায় ছাতা ধরে রাখা শেল্টার দানকারীরা পার পাবে না: সিএমপি কমিশনার
১০সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সদ্য যোগদান করা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার সালেহ্ মোহাম্মদ তানভীর বলেছেন, চট্টগ্রাম বার আউলিয়ার দেশ, পূণ্যভূমি। আমি ইতোপূর্বে এখানে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। আমাকে আবার সুযোগ দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম মহানগরবাসীর সেবা করার। আমি কৃতজ্ঞ। তিনি বলেন, আপনারা জানেন- আমাদের ইন্সপেক্টর জেনারেল মহোদয় দুর্নীতি, মাদকসহ পাঁচটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা সিএমপি এর বাইরে বিট পুলিশিং, কোয়ালিটি ইনভেস্টিগেশন কাজ করবো। আমরা পরিকল্পনা করেছি- প্রশিক্ষণ বাড়ানো, সুপারভাইজিং নিবিড় করা, মনিটরিং বাড়ানো, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে তদন্তের মান উন্নয়ন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সিএমপি কমিশনার সালেহ্ মোহাম্মদ তানভীর। তিনি বলেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত করোনাকালীন সময়ে সিএমপির প্রতিটি সদস্য মানবিক পুলিশিং করে বিশ্বাস ও আস্থার জায়গায় পরিণত হয়েছে। আমার পূর্ববর্তী সহকর্মী অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এই কর্মকাণ্ডে নেতৃত্বে দিয়েছেন। আমি সিএমপির যেসমস্ত অর্জন রয়েছে তা ধরে রাখার চেষ্টা করবো। যে সকল ক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ আছে সেগুলোকে উন্নয়নের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। আমার সহকর্মীরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মান ধরে রাখার জন্য। সিএমপিকে মর্যাদাসম্পন্ন, জনবান্ধব ও মিডিয়াবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করবো। সিএমপি কমিশনার সালেহ্ মোহাম্মদ তানভীর বলেন, পুলিশি সেবার মূল কেন্দ্র হলো থানা। থানাকে নিবিড় মনিটরিংয়ের আওতায় এনে সেবা দেওয়ার সুযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করবো। থানার কর্মকাণ্ডের কিছু অংশ ডিজিটালাইজেশন করবো। থানায় আগত সেবাপ্রার্থীরা যাতে প্রয়োজনীয় সেবা পান সে বিষয়টি নিশ্চিত করবো। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সেফ সিটি কনসেপ্ট রয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশেও রয়েছে। এলাকাভিত্তিক এটি চালু রয়েছে। সীমিত জনবল নিয়ে হলেও সিএমপিতেও আমরা এটি শুরু করতে চাই। সিএমপিতে একটি মিডিয়া সেন্টার স্থাপন করার পরিকল্পনার কথা জানান সালেহ্ মোহাম্মদ তানভীর। তিনি বলেন, বিট পুলিশিং ও কমিউনিটি পুলিশিংকে কার্যকর করে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাস দমন, জঙ্গিবাদ দমন, সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে এটি ভূমিকা রাখবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিএমপি কমিশনার বলেন, আমার কাজ আমার হয়ে কথা বলবে। আমি এখন কিছু বলতে চাই না। আপনারা আমার কাজ অবজার্ভ করুন। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট কয়েকটি ভাগে বিভক্ত। আমরা ট্রাফিক এনফোর্সমেন্ট নিয়ে কাজ করি। এনফোর্সমেন্টের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার করতে চাচ্ছি। যেসব মোড়ে ট্রাফিক জ্যাম বেশি হয় সেসব মোড় চিহ্নিত করে দুর্ভোগ লাঘবে পরিকল্পনা করছি। চট্টগ্রামে নানা জায়গায় উন্নয়ন কাজ চলছে, এর ফলেও ট্রাফিক জ্যাম হয়। বিষয়টি নিয়ে আমরা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবো। থানা এলাকায় দালালের আনাগোনার বিষয়ে সিএমপি কমিশনার বলেন, থানা এলাকায় আমরা সিসিটিভি ক্যামেরা লাগাবো। সেটি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মনিটরিং করবেন। থানা একটি পাবলিক অফিস, এখানে যে কেউ আসতে পারে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য রাখবো, পুলিশি কাজে ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ যাতে না হয়। নগরে কিশোর গ্যাং ও মাদক নিয়ে সিএমপি কমিশনার বলেন, মাদকের মাধ্যমে নানা অপরাধ হয়। প্রতিটি মাদকের আগে ও পরে নানা লিংকআপ থাকে। আমরা শুধু যিনি মাদক বহন করবেন তাকেই নয়, এর পেছনে যারা থাকবেন তাদেরও আইনের আওতায় আনবো। কিশোর গ্যাং একটি বাইপ্রোডাক্ট সমস্যা। এলাকায় আধিপত্য বিস্তারসহ নানা অপরাধে জড়িত থাকে। প্রতিটি কিশোর গ্যাংয়ের মাথায় একজন ছাতা ধরে থাকেন, শেল্টার দেন। এরকম যারা থাকবেন তারাও পার পাবেন না। আমরা কাউকে ছাড় দিব না। সিএমপিতে অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম, অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) এসএম মোস্তাক আহমেদ খান, অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) শ্যামল কুমার নাথ, উপ-কমিশনার (সদর) আমির জাফরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পটিয়ায় নববধূকে ধর্ষণের মূল হোতা গ্রেফতার
১০সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,পটিয়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: পটিয়ার চাঞ্চল্যকর নববধূকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আবু তাহের মন্টু (৩০) কে গ্রেফতার করেছে Rab। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক বিকেল ৫ টায় নগরীর ইপিজেড থানাধীন সল্টগোলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার আসামি কোলাগাঁও ইউনিয়নের আজিজুল হক মেম্বারের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে আবু তাহের মন্টু। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে অন্য সহযোগীদের নিয়ে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। Rab সূত্রে জানা যায়, গত ৭ জুন পটিয়া থানাধীন কোলাগাঁও বড়ুয়াপাড়া এলাকায় সদ্যবিবাহিত নবদম্পতি স্ত্রীর বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়ি যাচ্ছিলেন। ঐ সময় হান্নান, মন্টু, জুয়েল এবং মিন্টু নামে ৪ জন বখাটে যুবক সদ্যবিবাহিত এ নবদম্পতির পথ অবরোধ করে। এবং সদ্যবিবাহিতা স্ত্রীকে জোরপূর্বক টেনেহিঁচড়ে আধা কিলোমিটার দূরে একটি পুকুর পাড়ে নিয়ে গিয়ে স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে পালাক্রমে ঐ নববধূকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল। পরবর্তীতে গত ১৫ জুন পটিয়া থানায় এই ঘটনায় মামলা দায়ের হলে ১৮ জুন জুয়েল ও মিন্টুকে গ্রেফতার করে পটিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়। পলাতক আসামি কোলাগাঁও ইউনিয়নের খায়ের উল্লাহ সওদাগরের বাড়ির মৃত আবুল হোসেনের সন্তান হান্নান (৩২) কে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে Rab। গ্রেফতার আসামি আবু তাহের মন্টু একটি হত্যামামলারও আসামি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর