শুক্রবার, এপ্রিল ১৬, ২০২১
করোনা চিকিৎসায় ভেন্টিলেটর-ন্যাজাল ক্যানোলা দিল এস আলম গ্রুপ
২জুন,মঙ্গলবার,মো.ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা আক্রান্ত রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রামের তিনটি হাসপাতালে ৬টি ভেন্টিলেটর ও ৮টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা দিয়েছে এস আলম গ্রুপ। যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি ফিলিপস্ ব্যান্ডের প্রতিটি ভেন্টিলেটরের দাম সাড়ে ২৭ লাখ টাকা। নিউজিল্যান্ডের তৈরি প্রতিটি এয়ারবু হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলার দাম ১৫ লাখ টাকা। এছাড়া ঢাকা মেডিক্যালে একটি ভেন্টিলেটর ও মুগদা মেডিক্যালে একটি ভেন্টিলেটর এর মধ্যে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জন্য ৪টি ভেন্টিলেটর, ৪টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের জন্য ২টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের জন্য ২টি ভেন্টিলেটর ও ২টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিএমএ চট্টগ্রাম শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সাল ইকবাল চৌধুরীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের নির্দেশে চেয়ারম্যানের পিএস আকিজ উদ্দিনের মাধ্যমে এসব চিকিৎসাসামগ্রী দেওয়া হয়। এর আগে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিরাপত্তার জন্য ৫০০টি পিপিই, চিকিৎসকদের ডিউটি রুমের জন্য ২টি ২ টনের এসি, ২টি নমুনা কালেশন বুথ, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের কোয়ারেন্টিনে থাকা চিকিৎসকদের আপ্যায়ন বাবদ ১ লাখ টাকা, ১টি ২ টনের এসি, ২টি নমুনা কালেকশন বুথ, বিআইটিআইডির চিকিৎসকদের ডিউটি রুমের জন্য ১টি ২ টনের এসি, ২টি নমুনা কালেকশন বুথ ও চট্টগ্রামের ১৪ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রতিটিতে ৫০টি করে ৭০০ পিপিই দিয়েছে এস আলম গ্রুপ।
সাইকেলের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে গেলেন বাইকের চালক
২জুন,মঙ্গলবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের টাইগারপাসে বাইসাইকেলের ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল আরোহী ছিটকে পড়েছেন। এ সময় সামনে-পেছনে বড় গাড়ি থাকলেও পুলিশের হস্তক্ষেপে প্রাণে বেঁচে যান তিনি। মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, চোখের পলকে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। সামনে ছিলো মিনি ট্রাক, পেছনে বাস। দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ বিষয়টি আঁচ করতে পেরে দ্রুত গাড়িগুলো থামিয়ে দেন। ট্রাফিক সার্জেন্ট পুলক দেব জানান, বৃষ্টির কারণে সড়ক কিছুটা পিচ্ছিল ছিলো। মোটরসাইকেল চালক ইস্পাহানি মোড়ের দিক থেকে দেওয়ানহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। ওই মোটরসাইকেলের পেছনে একটি বাইসাইকেল ধাক্কা দিলে তিনি ছিটকে পড়ে যান। আমরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করি।
করোনায় চট্টগ্রাম বারের সাবেক সভাপতির মৃত্যু
২জুন,মঙ্গলবার,ফয়সাল সিকদার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনায় আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক সদস্য এবং চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মো. কবির চৌধুরী মারা গেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সমপাদক এ এইচ এম জিয়াউদ্দিন তার মৃত্যুও বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ৩০ মে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় প্রবীণ এই আইনজীবি নেতাকে। সোমবার দিবাগত রাতে প্রকাশ করা পরীক্ষার ফলাফলে তার করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। প্রবীণ আইনজীবী মো. কবির চৌধুরী আনোয়ারা উপজেলার বাসিন্দা। তার মৃত্যুতে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
চট্টগ্রামে করোনা উপসর্গে আইনজীবীর মৃত্যু
২জুন,মঙ্গলবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে করোনা উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে মো. কবীর চৌধুরী নামে এক আইনজীবী মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা ১১টার দিকে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্টে ডা. আব্দুর রব বলেন, বেলা ১১টায় করোনা উপসর্গ নিয়ে আইসিইউতে এক আইনজীবীর মৃত্যু হয়। গত ৩০ মে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন। এর আগে সকালে আইসিইউতে করোনা উপসর্গ নিয়ে করিম উল্লাহ নামে আরেকজন মারা যান। এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে করোনায় মারা গেছেন ৭৭ জন। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি গেছেন ২৪২ জন।
আল্লামা নুরুল ইসলাম হাশেমী আর নেই
২জুন,মঙ্গলবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, ওস্তাজুল ওলামা, ইমামে আহলে সুন্নাত আল্লামা কাজী মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম হাশেমী (৯২) আর নেই (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)। মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর পাঁচটার দিকে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর চট্টগ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল পরিচালনা পর্ষদের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানান, গত ৩০ মে আল্লামা হাশেমী হুজুরকে ভর্তি করানো হয়। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগসহ হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। আইসিইউ সাপোর্টও দিয়েছিলাম আমরা। মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। আল্লামা হাশেমীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এক শোকবার্তায় মেয়র বলেন, প্রিয়নবীর সুন্নাতের একনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন আল্লামা হাশেমী। এ মহান ব্যক্তিত্ব নিজেই হয়ে ওঠেন অনুপম অনুসরণীয় আদর্শ । আলেমকুলের এ শিরোমণি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সর্বজন শ্রদ্ধেয় ইমাম হিসেবেও উপমহাদেশে অতুলনীয় স্থান গড়ে নেন। আল্লামা হাশেমীর প্রতি শ্রদ্ধা ও স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে শোক জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান, সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, এম মনজুর আলম, নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম নাগরিক উদ্যোগের আহ্বায়ক রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, সদস্যসচিব শেখ মুজিব আহমদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শাহজাদা কাযী ফোরকান হাশেমী জানিয়েছেন, ইমামে আহলে সুন্নাত আল্লামা কাজী মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম হাশেমীর নামাজে জানাজা রাত ৯টায় নগরের জালালাবাদ (অক্সিজেন মোড়ের উত্তরে) দরবারে হাশেমীয়া আলিয়া শরিফে অনুষ্ঠিত হবে।
মৃতদের লাশ পরিবহনে অ্যাম্বুলেন্স প্রদান সীতাকুণ্ডের এমপির
১জুন,সোমবার,সীতাকুণ্ড প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুণ্ডে এমপি আলহাজ্ব দিদারুল আলম বলেছেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনার এই সংকটময় মুহূর্তে যখন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্যক্তির দাফন বা সৎকারে আত্মীয়-স্বজনরাই এগিয়ে আসছে না সেই মুহূর্তে আলমানাহেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ নামক সংগঠনটি মানবতার সেবায় এগিয়ে এসে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে করোনায় মৃতদের দাফন বা সৎকারের মতো মহৎ কাজ করছে। তাদের এই কাজে সবার সহযোগিতা করা উচিত। আমিও তাদের কাজকে সহযোগিতার উদ্দেশ্যে একটি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করলাম। সোমবার তিনি এই সংগঠনের নেতাদের কাছে অ্যাম্বুলেন্স প্রদানকালে এসব কথা বলেন। এসময় অ্যাম্বুলেন্স গ্রহণ করে আলমানাহেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের নেতারাও এমপির এ বিশাল সহযোগিতা তাদের কাজকে আরো বেগবান করবে জানিয়ে তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, আলমানাহেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাওলানা হেলাল উদ্দিন জমির উদ্দিন, মাওলানা হাফেজ সাহাব উদ্দিন, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন, ক্বারী মবিনুল হক, মাওলানা জাহাঙ্গীর, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. শোয়েব আহম্মদ, সমাজ সেবক মো. জসিম উদ্দিন প্রমুখ।
চবিতে করোনা ল্যাবের উদ্বোধন
১জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) জীব বিজ্ঞান অনুষদে কোভিড-১৯ সনাক্তকরণ ল্যাব উদ্বোধন করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ল্যাবটিতে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫০০ নমুনা পরীক্ষা করা যাবে। সোমবার (১ জুন) বিকেল ৩টায় জীব বিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স রুমে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ ল্যাব উদ্বোধন করা হয়। ভিডিও কনফারেন্সে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ওয়াসিকা আয়েশা খান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মাহবুব হোসেন, সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, বিভাগীয় কমিশনার এ বি এম আজাদ অংশ নেন। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ। এ সময় চবি সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রভোস্ট, বিভাগীয় সভাপতি ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক, প্রক্টর, রেজিস্ট্রার, ল্যাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
চালক শ্রমিকদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন মেয়র নাছির ও কাউন্সিল হিরন
১জুন,সোমবার,ফয়সাল সিকদার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার চাউল ও সাবান মাস্ক বিতরণ করলেন মেয়র আজম নাছির উদ্দীন ও ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিল মোঃ হোসেন হিরন। চট্টগ্রাম কর্মহীন হয়ে পড়া পরিবহন শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াতে সহায়তা প্রদান করেন সিটি মেয়র আলহাজ্ব আজম নাছির উদ্দীন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে অন্যান্য জেলার মতো এই জেলাতেও বন্ধ রয়েছে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল। ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন পরিবহন শ্রমিকরা। এমন পরিস্থিতিতে তাদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগকে সাধুবাদ জানালেন সিটি মেয়র আলহাজ্ব আজম নাছির উদ্দীন। আজ সোমবার দুপুর ২ টায় চট্টগ্রাম পাহাড়তলী রেল স্কুল বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগ কার্যলয় দুই শতাধিক পরিবহন শ্রমিকের মাঝে এাণ বিতরণ করেন সিটি মেয়র ও কাউন্সিল মোঃ হোসেন হিরন। এসব খাদ্য সহায়তা করেন। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার দেশ রত্ন মানবতার মা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় সিটি মেয়র আজম নাছির উদ্দীন শ্রমিকদের মাঝে কথা বলেন চট্টগ্রামে কোন অসহায় দরিদ্র পরিবার যেন কষ্ট না পায় সে দিকে তিন নজর রাখবেন বলেন। তিনি আরো বলেন, আমাদের শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। তাই আমরা তাদের পাশে দাঁড়াতে এ উদ্যোগটি নিয়েছে। এই সংকটময় মুহূর্তে সিটি মেয়ের এমন মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এদিকে এ সংকটময় মুহূর্তে অসহায় শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সিটি মেয়র আলহাজ্ব আজম নাছির উদ্দীনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. মিনহাজ । তিনি বলেন, অনেকে মনে করেন পরিবহন শ্রমিকদের অনেক টাকা পয়সা আছে। তারা অসহায় নয়। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন পরিবহন শ্রমিকরা কাজ না করলে টাকা পান না। চট্টগ্রাম যান চলাচল বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা অসহায় হয়ে পড়েছেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি আবদুল গফুর, সড়ক পরিবহনের সাধারণ সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠতা মোঃ কালিম শেখ,কর্যকারী সভাপতি বেলাল হোসেন, কার্যকারী সদস্য জয়নাল আবেদীন, কামাল হোসেন, চট্টগ্রাম যুব লীগ নেতা রেদোয়ান ফারুক প্রমূখ।
চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালকে করোনা হাসপাতাল ঘোষণার দাবি সুজনের
১জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালকে করোনা বিশেষায়িত হাসপাতাল ঘোষণা করার দাবি চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজনের। রোববার (৩১ মে) বেলা ১১টায় মা ও শিশু হাসপাতালের সামনে নাগরিক উদ্যোগ আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এ দাবি জানান। সুজন বলেন, দেশের রাজধানী ঢাকার পরেই চট্টগ্রামের গুরুত্ব বিবেচনা করে চট্টগ্রামের মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রীর শত উদ্যোগের পরেও চট্টগ্রামে করোনা চিকিৎসায় নানারকম অসঙ্গতি, অব্যবস্থাপনা লেগেই রয়েছে।সর্বত্র চিকিৎসাসেবা নিয়ে হাহাকার। সরকার কিংবা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কোন সিদ্ধান্তই এখানে সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। মানুষের জীবন মৃত্যুর এ সন্ধিক্ষণে বেসরকারি হাসপাতালগুলো প্রতিদিনই তাদের নিত্যনতুন গল্প জনগণের সামনে উপস্থাপন করছে। তারা প্রতিদিন করোনা চিকিৎসায় তাদের নানারকম প্রস্তুতির কথা শুনিয়েই সময় পার করছে। অথচ চিকিৎসাসেবার জন্য তাদের দুয়ারে গেলে তাদের সে দুয়ার আর খোলে না। চট্টগ্রামের মা ও শিশু হাসপাতাল ৪০০ মানুষের চিকিৎসা সেবার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। রয়েছে পর্যাপ্ত আইসিইউ সুবিধা। এখন শুধু প্রয়োজন হাসপাতালটিকে করোনা বিশেষায়িত হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা প্রদান করার। প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ পুরোপুরি পরিপূর্ণতা লাভ করবে যদি হাসপাতালটিকে সম্পূর্ণ করোনা বিশেষায়িত হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়। নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব হাজী মো. হোসন এর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুর রহমান মিয়া, মোরশেদ আলম, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের আজীবন সদস্য ফোরামের সদস্য সচিব লায়ন মাহমুদুর রহমান শাওন, আজীবন সদস্য জাহিদ তানছির, এম এ জলিল প্রমুখ।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর