শুক্রবার, এপ্রিল ১৬, ২০২১
মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সুলতান আহমদ কুসুমপুরীর ১৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
১জুন,সোমবার,পটিয়া প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বীর পটিয়ার সুর্য সন্তান,বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক,চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি,বন্দরের সাবেক চেয়ারম্যান ও গণপরিষদ সদস্য জননেতা সুলতান আহম্মদ কুসুমপুরীর ১৬ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আজ।২০০৪ সালের ১লা জুন কুসুমপুরী সাহেব মৃত্যুবরণ করেন।তিনি স্বাধীনতা আন্দোলন সংগ্রামে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসাবে কাজ করেছেন।চট্রগ্রামের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসাবে তিনি জননেতা এম আজিজ,এমএ হান্নান ও জহুর আহমেদ চৌধুরীর সাথে একসাথে যুদ্ধ করেন ও কমান্ডার ছিলেন।বঙ্গবন্ধু তাকে তার কুসুমপুরা ইউনিয়ন নাম অনুসারে কুসুমপুরী উপাধি প্রদান করেন।মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী কুসুমপুরীর অবদান অতুলনীয়। তার গ্রামের বাড়িতে জননেতা সুলতান আহমদ কুসুমপুরী স্মৃতি সংসদের উদ্যাগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে। তার স্মৃতিচারন করতে গিয়ে সাবেক ছাত্রনেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ উপকমিটির সদস্য তসলিম উদ্দিন রানা বলেন- মরহুম জননেতা সুলতান আহমদ কুসুমপুরী ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসাবে তার অবদান অতুলনীয়। তিনি আদর্শ রাজনীতির প্রতীক।তার মত দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ খুবই কম।জীবনের সব কিছু উজাড় করে মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন কুসুমপুরী সাহেব।বর্তমানে আমরা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থেকেও এসব বীরদের কোন স্মরন তু দুরের কথা কেউ কোন অনুষ্ঠান করেনা।অবিলম্বে এই বীরদের সম্মানে প্রতি বছর স্মরন সভা ও তার নামে পটিয়ায় একটা বিশ্ববিদ্যালয় করার দাবী জানান।তাহলে তার ত্যাগের কথা স্মরণ করে অনেক তরুণ প্রজন্মেরা জানবে ও শিখবে,তার আদর্শ বাস্তবায়নে এগিয়ে যাবে।
আইসিইউ সাপোর্ট না পেয়ে এছাক ব্রাদার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের মৃত্যু
১জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বন্দরভিত্তিক খ্যাতনামা শিল্পপ্রতিষ্ঠান বেসরকারি কন্টেইনার ইয়ার্ড এছাক ব্রাদার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইউনুস আর নেই। রবিবার (৩১ মে) রাত সাড়ে নয়টার দিকে চট্টগ্রামের বেসরকারি মেট্রোপলিটন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মোহাম্মদ ইউনুস আইসিইউ সাপোর্ট না পেয়ে অসুস্থতা বোধ করার সাড়ে তিন ঘণ্টার ব্যবধানে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। মৃত্যুকালে হাজী মোহাম্মদ ইউনুছের বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। তিনি স্ত্রী, চার মেয়ে, এক ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। হাজী ইউনুছের পরিবারের সদস্যরা জানান, দক্ষিণ মধ্যম হালিশহরের সন্তান শিল্পপতি মোহাম্মদ ইউনুস গত তিন দিন ধরে তীব্র জ্বর, সর্দি ও কাশিতে ভুগছিলেন। তবে আগে থেকেই তিনি কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। রোগের তীব্রতা আরও বাড়লে একপর্যায়ে ভর্তি হন চট্টগ্রামের বেসরকারি হাসপাতাল মেডিকেল সেন্টারে। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর রূপ নিলেও মেডিকেল সেন্টারসহ কোথাও আইসিইউ খালি পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয় মেট্রোপলিটন হাসপাতালে। সেখানেও আইসিইউ খালি ছিল না। আইসিইউর অভাবেই তিনি একপর্যায়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে গণপরিবহন চলাচল সংক্রান্তে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
৩০মে,শনিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৩০ মে দুপুর টায় দামপাড়া পুলিশ লাইন্স কনফারেন্স হলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান, বিপিএম, পিপিএম এর সভাপতিত্বে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে গণপরিবহন চলাচল সংক্রান্তে সড়ক পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিএমপি কমিশনার চলমান করোনা ভাইরাসের পরিস্থিতিতে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও বিস্তার প্রতিরোধের লক্ষ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার স্বার্থে এসব নির্দেশনা সমূহ বাস্তবায়নে সিএমপি কঠোর হবেন মর্মে তিনি জানান। নির্দেশনা সমূহ হলোঃ- ১. জীবাণুনাশক দ্বারা প্রত্যেকটি গাড়িকে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। সম্ভব হলে প্যাসেঞ্জার নামার সাথে সাথে জীবাণুনাশক ছিটাতে হবে। ২. পরিবহনে স্যনিটাইজার রাখা নিশ্চিত করতে হবে যেন প্রয়োজনে ব্যবহার করা সম্ভব হয়। ৩. গাড়ির ড্রাইভার, হেলপার ও যাত্রীদের প্রত্যেকে মাস্ক ব্যবহার করবে। হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সম্ভব হলে ফেসশিল্ড ব্যবহার করতে হবে। ৪. ঠান্ডা, জ্বর, সর্দি, কাশির লক্ষণ থাকলে কিংবা অসুস্থ এরূপ কোনো ড্রাইভার বা শ্রমিককে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব থেকে বিরত রাখতে হবে। ৫. গাড়ির দরজা অবশ্যই বন্ধ রাখতে হবে। ৬. গাড়ির অভ্যন্তরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এক সিটে একজন বসবে। পাশপাশি সিটে যেন দুজন প্যাসেঞ্জার না বসে তা নিশ্চিত করতে হবে। ৭. গাড়ি ছাড়ার পূর্বে হ্যান্ডমাইকে বা মুখে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে কন্ডাক্টর সকলকে ধারণা প্রদান করবে। ৮. গাড়িতে কখনোই দাড়িয়ে কোনো যাত্রী বহন করা যাবে না। ৯. গাড়ির অভ্যন্তরে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। ১০. গাড়ি বাসস্ট্যান্ড ব্যতীত কোথাও দাঁড়াবে না। হুড়োহুড়ি করে প্যাসেঞ্জার তোলা যাবে না। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে তুলতে হবে। ১১. ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলতে হবে। ১২. গাড়ির ডকুমেন্ট আপটুডেট থাকতে হবে। লকডাউনের কারণে কেউ দলিলাদি নবায়ন না করতে পারলে নবায়ন করে গাড়ি চলাবে। ১৩. অবৈধ কোনো গাড়ির চলাচল করবে না। গ্রাম সিএনজি, নিলাম সিএনজি, ব্যাটারিচালিত রিক্সা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। ১৪. দিন শেষে প্রত্যেকটি গাড়িকে জীবাণুনাশক দ্বারা যথাযথভাবে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। ১৫. কোভিড নিয়ন্ত্রনে গণপরিবহন বিষয়ক সকল সরকারী নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। ১৬. সকল ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে। উক্ত মতবিনিময় সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এস. এম. মোস্তাক আহমেদ খান, বিপিএম, পিপিএম (বার), মোঃ মুসা, সভাপতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, জনাব অলি আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, বেলায়েত হোসেন বেলাল, মহাসচিব, চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পরিবহন মালিক সমিতি সহ পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও পরিবহন মালিক শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পহেলা জুন থেকে নির্দেশনাসমূহ কার্যকর হবে মর্মে উক্ত সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
যাএী পরিবহন গুলো মানছেনা সামাজিক দুরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি। ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা
৩০মে,শনিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীতে ক্রমেই বাড়ছে যান বাহনের সংখ্যা। তবে অন্যান্য যাএী পরিবহন গুলো তেমন একটা রাস্তায় নামেনি এখানো। এই সুযোগে নগরীতে মাইক্রোবাস, সিএনজি,মোটরসাইকেলের অবাধ বিচরণ বেড়েছে। কিন্তু যান চালক ও ষাএী কেউ মানছেনা সামাজিক দুরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি। এর প্রেক্ষিতে আজ নগরের বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালকের করে। এসময় বেশ কয়েকজন চালককে জরিমানা করা হয়। আজ শনিবার ৩০ মে সকাল ১০ টা থেকে বেলা ৩ টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিল্লুর রহমান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিন চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত বাকলিয়া থানাধীন কর্ণফুলী নতুন ব্রিজে ৯ জন যাত্রীসহ ভাড়ায় চালিত একটি মাইক্রোবাসকে আটক করে চালককে ৩০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই জায়গায় সাধারণ যাত্রী পরিবহন করায় একজন প্রাইভেট কার চালককে ১০০০ টাকা, একজন প্রাইভেট সিএনজি চালককে ৫০০ টাকা এবং রাহাত্তারপুল এলাকায় একজন মোটরসাইকেল চালককে শারীরিক দূরত্ব না মানায় ৪০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমান আদালত। পৃথক চারটি মামলায় মোট ৪৯০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অন্যদিকে নগরীর পতেঙ্গা, ইপিজেড, বন্দর, পাহাড়তলীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিল্লুর রহমান। অভিযানে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সাধারণ জনগণ,দোকানদার ও ব্যবসায়ীদের সতর্ক ও সচেতন করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিল্লুর রহমান জানান, সকালে হালকা বৃষ্টি থাকায় পতেঙ্গা সি বিচ এলাকায় লোক সমাগম খুবই কম ছিলো। এসময় স্বাস্থ্যবিধি না মানায় এক মিনিবাসকে ৫০০ টাকা এবং মূল্যতালিকা প্রদর্শণ না করায় এক করায় একটি দোকানকে ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রের সুরাইয়া ইয়াসমিন নগরীর সিটি গেট এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। এসময় দুটি মাইক্রোবাস চালককে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে যাত্রী বহণ করায় ২০০০ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।
এবার করোনা রোগির প্রান বাচাতে প্লাজমা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন ওসি মোঃ মহসিন
৩০মে,শনিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীর অন্যতম আলোচিত কোতয়ালী থানার ওসি মোঃ মহসিন ভাই ইতিমধ্যে নানা মানবিক কাজের মধ্য দিয়ে নগরবাসীর অন্তরে জায়গা করে নিয়েছে। বর্তমান সময়ের জন্য আরও একটি মানবিক উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন। তিনি প্লাজমা নিয়ে কাজ শুরু করছেন। যা একজন করোনা রোগির জীবন বাচাতে সাহায্য করবে। তাকে সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছে একটি অনলাইন ব্লাড গ্রুপ। করোনাভাইরাস জয় করে ফিরেছেন এমন ব্যক্তির সন্ধান করছেন তিনি। করোনা জয় করা ব্যক্তির রক্ত বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি তাজা প্রাণ। প্লিজ এগিয়ে আসুন। ওসি মহসিনের এই মানবিক কাজে অংশগ্রহণ করুন। আপনার আমার সহযোগিতায় বেচে যেতে পারে একজন করোনা রোগী। ওসি মোঃ মহসিন জানান, যখন জানলাম প্লাজমা দিয়্রে একজন করোনা রোগি বাচতে পারে তখন থেকে কাজ শুরু করে দিলাম। তবে আমাকে সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছে একটি অনলাইন ব্লাড গ্রুপ। আশাবাদী সকলের সহযোগীতা পেলে এই কাজে সফল হব।করোনা জয় করে ফিরেছেন এমন লোকের তথ্য দিয়ে সহযোগীতার অনুরোধ করেন। নিচে দেওয়া লিংকে থাকা ফরমটি পূরন করলেই যোগাযোগ করা হবে। https://bit.ly/2Xa0aKb
বাস ভাড়া বৃদ্ধি করোনাকালে ভোগান্তির নতুন মাত্রা যোগ করবে: ক্যাব-চট্টগ্রাম
৩০মে,শনিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা মহামারী ও লকডাউন চলাকালে সাধারণ মানুষের জীবন জীবিকা এমনিতে থমকে আছে। এ অবস্থায় বাস মালিক ও শ্রমিকদের দাবির প্রেক্ষিতে ভাড়া বৃদ্ধি করা হলে তা জনগনের জীবন যাত্রায় নতুন একটি ভোগান্তি ও যন্ত্রণা যোগ করবে। তাই এই জরুরী সংকটকালীন সময়ে বাস ভাড়া বৃদ্ধির মতো হটকারী সিদ্ধান্তে উপনীত না হতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ও বিআরটিএর প্রতি আহবান জানিয়েছেন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম। করোনামহামারীর সংকট কালে তড়িগড়ি করে বাস ভাড়া বৃদ্ধির খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করে ৩০ মে ২০২০ এক বিবৃতিতে ক্যাব নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত দাবি জানান। শনিবার গণমাধ্যমে প্রেরিত বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, ক্যাব মহানগরের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, সাধারণ সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, যুগ্ন সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম ও ক্যাব চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান। বিবৃতিতে ক্যাব নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন দীর্ঘদিন লকডাউনে থাকায় কর্মহীন মানুষ এমানিতেই আর্থিক ও মানষিক ভাবে বিপর্যস্ত, সেখানে বর্ধিত হারে বাস ভাড়া আদায়ের অনুমতি দেয়া হলে এটা হবে সড়কে ডাকাতির সামিল। কারন বাস মালিক-শ্রমিকরা কোন সময় সরকারের নির্ধারিত হারে ভাড়া আদায় না করে যাত্রীদের জিম্মি করে দ্বিগুন-তিনগুন ভাড়া আদায় করে থাকেন। সেখানে আইন শৃংখলা বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহনে সক্ষম হচ্ছে না। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন গণমাধ্যম সুত্রে জানা যায় রাজধানীতে প্রতিটি সড়ক রুটে চলাচলকারী বাস-মিনিবাস দৈনিক গড়ে ১২০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা দিয়ে থাকেন। করোনা মহামহারী কালে এই চাঁদা বন্ধ করা গেলে ও প্রয়োজনে সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানী সরবরাহ করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিটি গণপরিবহন অর্ধেক যাত্রী পরিবহন করতে পারেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে কোন সংকট ও অজুহাতে গণপরিবহনগুলি বর্ধিত ভাড়া আদায় করলেও স্বাভাবিক সময়ে ভাড়া কমানোর কোন নজির নেই। দেশের ইতিহাসে র্দীঘ ছুটিতে থাকায় কর্মহীন মানুষ ভয়াবহ আর্থিক সংকটে আছে, তাই অর্থেক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে গণপরিবহনগুলো বিদ্যমান ভাড়া আদায় করে পরিবহন সেবা চালু করে মালিক-শ্রমিকদের আয় ও কর্মসংস্থান পূনরায় শুরু করতে পারেন।
নগরীর পাথরঘাটায় দেড় কোটি টাকার ইয়াবাসহ ৩ জনকে আটক করেছে Rab-7
৩০মে,শনিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালি থানাধীন পাথরঘাটা আশরাফ আলী রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার এবং ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7। শুক্রুবার ২৯ মে ৬ঃ৩০ মিনিটের সময় মহানগরীর কোতয়ালী পাথরঘাটা এলাকায় আশরাফ আলী রোড সংলগ্ন সাইফুল স্টোরে অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান Rab-7 সহকারী পরিচালক(মিডিয়া)এএসপি মাহমুদুল হাসান মামুন। আটককৃত আসামীরা হলেন খোরশেদ আলম(৩২) ও সাইফুল ইসলাম (২৪), উভয়ের পিতা- নুরুল বশর, গ্রাম- জালিয়াপাড়া, থানা- টেকনাফ, জেলা- কক্সবাজার, বর্তমান ঠিকানা- আশরাফ আলী রোড, ২০৬ হাজী সামছুল হুদা লেইন, কোতয়ালী, চট্টগ্রাম এবং মোঃ ওসমান(৪৬), পিতা- নরল ইসলাম, গ্রাম- খদবহেরা, থানা- আনোয়ারা, জেলা- চট্টগ্রাম। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক(অপারেশন) মেজর মুশফিকুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারি যে, নগরীর কোতয়ালী পাথরঘাটা এলাকায় আশরাফ আলী রোড সংলগ্ন সাইফুল স্টোর নামীয় দোকানের ভিতর কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে Rab-7 একটি টহল দল অভিযান চালালে Rabর উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে ৩ জনকে আটক করে।পরে আটককৃত আসামীদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেখানো ও সনাক্ত মতে দোকান তল্লাশী করে দোকানের রেকের ভিতর সুকৌশলে লুকানো ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে যোগসাজশে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে মুদি ব্যবসার আড়ালে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। গ্রেফতারকৃত আসামীদের নগরীর কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান।
যাত্রী পরিবহণে শৃঙ্খলা ফিরাতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত
২৯মে,শুক্রবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সচেতনতা বৃদ্ধি ও বাজার মনিটরিং এর লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছে। এদিকে লক ডাউন কিছুটা শিথিল হলে রাস্তায় পরিবহনের সংখ্যা ক্রমেই বাড়াতে থাকে। তাছাড়া সরকারি নির্দেশনা অমান্যকরে ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে যাত্রী পরিবহণ করছে ভাড়ায়চালিত মাইক্রো, মোটরসাইকেল ও সিএনজি চালকরা । তাই যাত্রী পরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরাতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এর প্রেক্ষিতে আজ নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটগণ। আজ শুক্রুবার ২৯ মে সকাল ১০ টা থেকে বেলা ৩ টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের তিনটি টিম ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে। এসময় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিন এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিল্লুর রহমান। নগরীর বাকলিয়া, সদরঘাট, কোতোয়ালী, ডবলমুরিং ও হালিশহর থানাধীন বিভিন্ন জায়গায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনায় নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী জানান, অভিযান চলাকালে বাকলিয়া থানাধীন কর্ণফুলী নতুন ব্রিজে ১০ জন যাত্রীসহ ভাড়ায় চালিত একটি মাইক্রোবাসকে আটক করে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় চালককে ২৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই স্থানে একজন সিএনজি চালককে ৫০০ টাকা এবং কোতোয়ালী থানাধীন ফিরিঙ্গিবাজার এলাকায় ৩ জন মোটরসাইকেল আরোহীকে শারীরিক দূরত্ব না মানায় ১৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য সতর্ক করা হয়। এদিকে আকবর শাহ, পাহাড়তলী, বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা এলাকায় দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিন জানান, আজকের অভিযানে দেখা গেছে অন্যদিনের তুলনায় লোক সমাগম তুলনামূলক কম ছিল । তবে মাইক্রোবাস ও মোটর সাইকেলে করে শারীরিক দূরত্ব বজায় না রেখে যাত্রী পরিবহন করছিল। তাই অভিযান পরিচালনাকালে সিটি গেট এলাকায় স্বাস্থবিধি না মেনে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করায় ৭ টি মাইক্রোবাসের চালককে ১১,০০০ টাকা এবং একজন মোটর সাইকেল আরোহীকে ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অন্যদিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিল্লুর রহমান মহানগরীর পাঁচলাইশ, খুলশী, বায়েজিদ, চান্দগাঁও , চকবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। তিনি জানান, অভিযানে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা,মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহারের বিষয়ে সাধারণ জনগণ, দোকানদার ও ব্যবসায়ীদের সচেতন করা হয়। এছাড়া অতিরিক্ত দামে ফল বিক্রির অভিযোগে তিনটি ফলের দোকানকে ১০০০ টাকা করে মোট ৩০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সাথে অন্যান্য ফল ব্যবসায়ীকে সঠিক মূল্যে ফল বিক্রি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিল্লুর রহমান।
করোনা-আক্রান্তদের জন্য আইসোলেশন সেন্টার' স্হাপনে তরুণ সংগঠকদের বৈঠক
২৮মে,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশে বিস্তৃত হচ্ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। এরমধ্যে চট্টগ্রামের অবস্হা নাজুক। আক্রান্ত হবে আরও। চারিদিকে লাশ হচ্ছে মানুষ, স্বজনদের চোখে শোক বৃষ্টি। এই অবস্থায় আর বসে থাকার সুযোগ নেই। তাই করোনা-আক্রান্তদের জন্য কিছু একটা করার জন্য কিছু স্বপ্নবাজ তরুণ ও প্রাক্তন ছাত্রনেতাদের আয়োজনে সামাজিক দূরুত্ব মেনে এক বৈঠক নগরির জিইসিস্হ স্পিকার কাউন্সিল অফিসে অনুষ্ঠিত হয়। উদ্দ্যেক্তাদের মধ্যে এইসময় উপস্হিত প্রাক্তন ছাত্রনেতা ও সাংস্কৃতিক সংগঠক মুহাম্মদ সাজ্জাত হোসেন, আ্যাডভোকেট টি আর খান, তৌহিদুল ইসলাম, নারী উদ্দ্যেগক্তা সাবিনা আক্তার, ডায়মন্ড হেভেন লিঃ পরিচালক জাওইদ চৌধুরী, স্পীকার কাউন্সিলর এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমরান আহমেদ, জাফর আল তানিয়ার, জাহাঙ্গীর আলম, মানবিক সংগঠক মুসাফিরের আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী সদস্য মুহাম্মদ মহরম হোসাইন প্রমুখ। বৈঠক নগরির একটি কমিউনিটি হলে অন্তত ১০০ জন করোনা রোগীকে আইসোলেটেড করে তাদের পাশে দাঁড়ানোর ব্যবস্হা করার উদ্যেগ নেওয়ার ব্যপারে আলোচনা করা হয় আইসোলেটেড সেন্টারে থাকবে অক্সিজেন সাপোর্ট, স্বাভাবিক চিকিৎসা ও ভালোবাসাময় সেবা। এই ব্যপারে আইসোলেশন সেন্টার স্হাপন উদ্দ্যেক্তাদের মধ্যে সাবেক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ সাজ্জাত হোসেন বলেন, কেউ আক্রান্ত হলে তাকে করোনা-জয়ে সাহস সঞ্চারের পাশাপাশি তার আইসোলেশন নিশ্চিত করতে আমাদের আজকের প্রথম বৈঠক। জানিনা কতটুকু সফল হতে পারবো। তবে বিশ্বাস আছে যেকোন ভালো কাজে আল্লাহতায়ালার সরাসরি সহযোগিতা থাকে। তিনি আরো বলেন, 'চট্টগ্রাম করোনা আইসোলেশন সেন্টার 'শিরোনামের এই প্লাটফর্মে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করতে চাই।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর