সবজির দাম বেশি চড়া
অনলাইন ডেস্ক :বাজারে সবজির দাম বেশি চড়া। তার সঙ্গে বাড়তি ডিমের দামও। ফলে নিম্নবিত্ত আয়ের মানুষদের জীবিকা নির্বাহে হিমশিম খেতে হচ্ছে। মূলত দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যার প্রভাব পড়েছে রাজধানীর সবজি বাজারে। বড় বাজারের তুলনায় ছোট বাজারে দাম বেশি বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, যেসব এলাকায় সবজি চাষ হয়, সেসব এলাকায় বন্যার কারণে সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। তাই বাজারে সবজির দাম বাড়তি। ক্রেতারা বলছেন, বন্যার দোহাই দিয়ে সবজির দাম বাড়িয়ে তুলছে বিক্রেতারা। ফলে জীবন বাঁচাতে যতটুকু বাজার করা দরকার ততটুকুই করছেন বেশির ভাগ মানুষ। শুক্রবার রাজধানীর কাঁঠালবাগান, কারওয়ান বাজার ও হাতিরপুল বাজারে গিয়ে বর্ষার হরেক রকম সবজি দেখা যায়। এসব সবজির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিপ্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, বর্ষায় কাঁকরোল, ঝিঙে, চিচিঙ্গা, পটোল, ঢ্যাঁড়স, কচু মুখি, কচুর লতি, চালকুমড়া পাওয়া যাচ্ছে। কারওয়ান বাজারের খুচরা বাজার, হাতিরপুল ও কাঁঠালবাগান বাজারে ঝিঙা ও ধুন্দলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি, আর পটল ২৫ থেকে ৩০ টাকা, ঢেঁড়স ও করলার কেজি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ২০ থেকে ২৫ টাকা, কাঁকরোল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকা, শসা ২৫ থেকে ৩০ টাকা, কচুর লতি ২০ থেকে ৪০ টাকা, কচুর ছড়া বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়। এছাড়া মরিচের দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। প্রতি কেজি প্রকার ভেদে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজির দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের এক সবজি বিক্রেতা বলেন, বাজারে মাল কম আসে, বন্যায় খেত ডুইবা গেছে। সরবরাহ বাড়লে দাম কমব। বাজার ঘুরে দেখা যায়, ডিমও বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। ডিম ভেদে প্রতি ডজনের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত। ব্রয়লার মুরগির ডিম প্রতি ডজন ৯৫ টাকায়, দেশি মুরগির ডিম ১৪০ টাকা এবং হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। মাছ ও মাংসের দাম বেশ চড়া। প্রতিকেজি মাংসে ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আর মাছ ভেদে বেড়েছে ২০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত। এ বাজারে গরুর মাংস প্রতিকেজি ৫২০ টাকা, খাসির মাংস ৮০০ টাকা, মুরগি ব্রয়লার ১৬০ টাকা, লেয়ার ২৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি রুই ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাঙাস ১৪০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৮০ টাকা, চিংড়ি ৬০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাংলাদেশের উন্নয়নে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী ফরাসি ব্যবসায়ীরা
অনলাইন ডেস্ক :ফরাসি ব্যবসায়ী ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের বর্তমান উন্নয়নে অংশগ্রহণ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রশংসা করে তারা বলেছেন, এদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ যথেষ্ট ভাল এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো। প্যারিসে এমইডিইএফ ইন্টারন্যাশনাল-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-ফ্রান্স বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক: সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। এমইডিইএফ ইন্টারন্যাশনাল-এর পরিচালক গেরাল্ডিন লিমনের সভাপতিত্বে সেমিনারে ফ্রান্সে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। ফ্রান্সের বড় এবং মাঝারি আকারের ১৪ টি কোম্পানির প্রধান নির্বাহীগণ আলোনায় অংশ নেন।এছাড়াও ইউরোপ এবং বিদেশ বিষয়ক ফ্রান্সের মন্ত্রণালয় এবং ফ্রান্সের উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিগণও উপস্থিত ছিলেন। গেরাল্ডিন লিমন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফ্রান্সের উদ্যেক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণের কথা স্বরণ করে বলেন,২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফ্রান্স সফরের সময় এমইডিইএফ ইন্টারন্যাশনাল-এর প্রতিনিধিদের সাথে বাবসায়িক সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন,ফরাসি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের সুদৃঢ় প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক অগ্রগতির নিবিড়ভাবে অনুসরণ করে এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরো জোরালোভাবে অংশগ্রহণ করতে চায়। মূলপ্রবন্ধে রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের বিশেষত বিদ্যুৎ ও বিদ্যুৎ উৎপাদন,অবকাঠামো উন্নয়ন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,স্বাস্থ্য,শিক্ষা ও নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে স্থিতিশীল অগ্রগতি অর্জণ করেছে।তিনি বলেন,গত এক দশকে দেশে ৬ দশমিক ৬ শতাংশেরও বেশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করেছে এবং গত অর্থবছরে এ হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশেরও বেশি। ভিশন ২০২১ ও ভিশন ২০৪১-এর উলে¬খ করে রাষ্ট্রদূত বলেন,বাংলাদেশ ইতিমধ্যে এই ভিশন অর্জনের পথে এগিয়ে গেছে । তিনি বলেন,ফ্রান্সের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশে তাদের ব্যবসায় সম্প্রসারণের আহবান জানান। সেমিনারে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।বাসস
হঠাৎ করেই শেয়ারবাজারে লেনদেন ১১০০ কোটি টাকা
অনলাইন ডেস্ক :হঠাৎ করেই দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেনের পালে হাওয়া লেগেছে। প্রায় ৮ মাস পর মঙ্গলবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) হাজার কোটি টাকার ওপরে লেনদেন হয়। আর বুধবার লেনদেন আরও বেড়ে ১১শ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে, যা গত বছরের ২০ নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ। লেনদেনের এমন উলম্ফনের দিন ডিএসই ও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্যসূচক বেড়েছে। তবে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। আবশ্য লেনদেনের শুরুতে সূচকের বড় উত্থানের সঙ্গে প্রায় সব প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকেনি।বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমলেও এদিন ব্যাংক খাতের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বেড়েছে। ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ব্যাংক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২৩টিরই শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৫টির।তবে ব্যাংক খাতের এ প্রভাব পড়েনি অন্য খাতের ওপর। ফলে দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে ১৫৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম আগের দিনের তুলনায় কমেছে। বিপরীতে বাড়ার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ১৫৩টি। আর ৩১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।অবশ্য শুরুতে লেনদেনে অংশ নেয়া সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ে। ফলে প্রথম দেড় ঘণ্টার লেনদেনে ডিএসইর প্রধান সূচক প্রায় ১০০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। কিন্তু শেষ ঘণ্টায় একের পর এক প্রতিষ্ঠানের দাম কমতে থাকে। তবে কিছুটা ব্যতিক্রম থাকে ব্যাংকগুলো।ফলে দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৩৭৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অপর দুটি মূল্যসূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ আগের দিনের তুলনায় ৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯১৫ পয়েন্টে অবস্থা করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২৬৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিকে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম কমার দিনে ডিএসইতে চলতি বছরের সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে। বুধবার বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ১১৫ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এর আগে গত বছরের ২০ নভেম্বর ডিএসইতে ১ হাজার ১৫৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকার লেনদেন হয়। এর পর গত ৮ মাসের মধ্যে বাজারটিতে আর ১১শ কোটি টাকার ওপরে লেনদেন হয়নি।লেনদেনের এমন রেকর্ডের দিনে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে বসুন্ধরা পেপারের শেয়ার। কোম্পানিটির ৩৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা পেনিনসুলা চিটাগাংয়ের ৩৪ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ৩২ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আরএসআরএম স্টিল। লেনদেনে এরপর রয়েছে- বিবিএস কেবলস, বেক্সিমকো, লিগাসি ফুটওয়্যার, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন, মিরাকেল ইন্ডাস্ট্রিজ, কনফিডেন্স সিমেন্ট এবং ব্র্যাক ব্যাংক।অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএসসিএক্স ৫৫ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ৬৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৫৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১০টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১২২টির। আর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টির। ফোকাস বাংলা নিউজ
বাংলাদেশসহ ৫ দেশকে শুল্ক ছাড় ভারতের
বাংলাদেশসহ পাঁচ দেশের জন্য তিন হাজার ১৪২ পণ্যে শুল্ক ছাড় দিয়েছে ভারত। এশিয়া প্যাসিফিক ট্রেড এগ্রিমেন্টের (আপটা) আওতায় এ সুবিধা দেয়া হয়েছে। গত ১ জুলাই থেকে এ সুবিধা কার্যকর করেছে ভারত। ভারতের দ্য হিন্দু বিজনেস অনলাইনের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ভারত আপটার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। আপটাকে শক্তিশালী করতে পর্যায়ক্রমে সদস্য দেশগুলোকে শুল্ক ছাড়ের সুবিধা দিচ্ছে দেশটি। বাংলাদেশের পাশাপাশি চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা ও লাওস এ সুবিধা পাবে। আর এলডিসিভুক্ত বাংলাদেশ ও লাওসকে ভারত ৪৮ ট্যারিফ লাইনে বিশেষ সুবিধা দিয়েছে। তবে আগে থেকে বাংলাদেশ সাফটার আওতায় তামাক ও মদজাতীয় ২৫ পণ্য বাদে সকল পণ্যে ভারতে রফতানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পায়। তৈরি পোশাকের ৪৬টি ক্যাটাগরিও এর মধ্যে রয়েছে। ফলে আপটার আওতায় শুল্ক ছাড়ের এ ঘোষণায় বাংলাদেশের বিশেষ উপকার হবে না। এ ছাড়া যেসব পণ্যে ভারত শুল্ক ছাড় দিয়েছে সেগুলোর অধিকাংশই এখান থেকে রপ্তানি হয় বলে জানা গেছে। ভারত ধাপে ধাপে আপটা সদস্যদের জন্য শুল্ক ছাড় দিচ্ছে। এবার চতুর্থ দফায় শুল্ক কমানো হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ১০ হাজার ৬৭৭ পণ্যে শুল্ক ছাড় ঘোষণা করেছে দেশটি। এর আগে তৃতীয় দফায় ৪ হাজার ২৭০ পণ্যে শুল্ক ছাড় দেয় দেশটি। এলডিসিভুক্ত দেশগুলো এক হাজার ২৪৯ পণ্যে বেশি শুল্ক ছাড় পেয়ে থাকে। এলডিসির আপটার আওতায় মার্জিন সুবিধায় ৮১ ভাগ পণ্যে সুবিধা পায়।
সরকারি হাজিদের পেছনে ব্যয় ৫ কোটি টাকা
সরকারি খরচে ২০১৭ সালে পবিত্র হজ পালনের জন্য ৩২০ জনকে পাঠানো হয়েছিল। এতে বিমান ভাড়া ও খাওয়া বাবদ সরকারের ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার ৫২০ টাকা। বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ৩৬তম বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে কার্যপত্র থেকে জানা যায়, রাষ্ট্রীয় খরচে হাজিদের ঢাকা-জেদ্দা-ঢাকা বিমান ভাড়া ও খাওয়া বাবদ এই খরচ হয়। প্রত্যেক হাজির পেছনে খরচ হয় ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬১ টাকা। বৈঠক শেষে কমিটির সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী বলেন, এই খরচ শুধু বিমান ভাড়া ও খাওয়া বাবদ। এছাড়া বাড়ি ভাড়াও সরকার দেয়। এই বাড়ি ভাড়া আগেই দেয়া হয়েছিল। তাই কমিটির উত্থাপিত প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করা হয়নি। প্রসঙ্গত, পবিত্র হজ পালনের জন্য সরকারি খরচে সৌদি আরবে যান। এই দলে সরকারের মন্ত্রী, সাংসদ, সংসদীয় কমিটির সদস্য, প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা থেকে শুরু করে পিয়ন, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, গাড়িচালকও থাকেন। বাদ যান না ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরাও। এর মধ্যে ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমানের নির্বাচনী এলাকার লোকই বেশি সুযোগ পান বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। কমিটির সভাপতি বজলুল হক হারুন এমপি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে কমিটির সদস্য সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি, এ কে এম এ আউয়াল (সাইদুর রহমান) এমপি, সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী এমপি, মোহাম্মদ আমির হোসেন এমপি এবং দিলারা বেগম এমপি অংশ নেন। বৈঠকে বিশেষ আমন্ত্রণে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান অংশ নেন। বৈঠকে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনিছুর রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্বমানের ফুটওয়্যার তৈরি এবং রপ্তানি শুরু করেছে বাংলাদেশে
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশ বিশ্বমানের ফুটওয়্যার তৈরি এবং রপ্তানি শুরু করেছে। ফুটওয়্যারের উন্নত-মানের কাঁচামাল আমদানি করতে হয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশেই উৎপাদিত হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী আজ (২৬ জুন) ব্রাসেলসে ‘বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও ফুটওয়্যারের উপর বিশেষ এক কর্মশালায় বক্তৃতাকালে এ কথা বলেন। ইউরোপিয়ন ইউনিয়ন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা’র (ওইসিডি) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় তোফায়েল আহমেদ বলেন, চামড়া বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রপ্তানি পণ্য। বাংলাদেশের তৈরি চামড়াজাত পণ্যের বেশ সুনাম রয়েছে। এদেশে প্রতি বছর বিপুল পরিমান উন্নত মানের চামড়া উৎপাদিত হয়। মঙ্গলবার ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, ওই কর্মশালায় তোফায়েল আহমেদ উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশ চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে সুনামের সাথে রপ্তানি করে আসছে। বিপুল সংখ্যক দক্ষ-জনশক্তির দেশ হিসেবে এই দেশ তৈরী পোশাকের মতো কম মূল্যে উন্নত মানের ফুটওয়্যার তৈরী ও রপ্তানি করতে সক্ষম। তোফায়েল আহমেদ বলেন,বাংলাদেশ তার সাড়ে ১৬ কোটি মানুষের চাহিদা পূরণ করেই বিভিন্ন দেশে চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করছে। সংগত কারণেই বাংলাদেশে একের পর এক আধুনীক ও বিশ^মানের ফুটওয়্যার কারখানা গড়ে উঠছে। এ সেক্টরে বিদেশী বিনিয়োগও আসছে। ইউরোপিয়ন ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মতো উন্নত দেশগুলো বাংলাদেশ থেকে তৈরী পোশাকের মতো ফুটওয়্যার আমদানি করলে তারা লাভবান হবে। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দরের সদস্য শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক চুন্নু বক্তৃতা করেন। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সদস্য বাণিজ্যসচিব শুভাশীষ বসু, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আফরোজা খান, এফবিসিসিআই-এর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শফিউল ইসলাম, বিজিএমই-এর প্রেসিডেন্ট মো. সিদ্দিকুর রহমান, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনের নির্বাহী পরিচালক মেজর জেনারেল মো. হাবিবুর রহমান খান এবং ব্রাসেলসে নিযুক্ত বাংরাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সাহাদাত হোসেন ওয়ার্কশপে উপস্থিত ছিলেন।বাসস
ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর ভ্যাট ৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত
ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের অব্যাহত আবদারে সায় দিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। অবশেষে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের পাশে দাঁড়ালেন তিনি। ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর ধার্য ১৫ শতাংশ ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) কমিয়ে ৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রতিবেদককে মোস্তাফা জব্বার বলেন, এতদিন ১০০ টাকায় যে ১৫ টাকা ভ্যাট দিতে হতো গ্রাহককে, এখন দিতে হবে ৫ টাকা করে। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে এই সিদ্ধান্ত ইতিবাচক ফল দেবে। উল্লেখ্য, ইন্টারনেট থেকে ভ্যাট, শুল্ক ও সারচার্জ বাবদ সরকারের আয় হয় বছরে এক হাজার ১০০ কোটি টাকা। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বার্থে এই খাতে আয় কমলেও সরকার সেটি করবে। সূত্র: জাগোনিউজ২৪
গ্রাহক পর্যায়ে ৭৫ শতাংশ গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব
আবারো বাড়ছে গ্যাসের দাম। এরই মধ্যে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে বিভিন্ন খাতে ব্যবহূত প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম গড়ে ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস বিতরণ কোম্পানি। একই সঙ্গে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের বিতরণ চার্জ ২৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬৬ পয়সা করার প্রস্তাব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বুধবার (২০ জুন) সকালে রাজধানীর কাওরানবাজারের টিসিবি অডিটোরিয়ামে বিইআরসির গণশুনানিতে এ প্রস্তাব তুলে ধরে পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস বিতরণ কোম্পানি। শুনানিতে গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিরোধিতা করেন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়শন অব বাংলাদেশ-ক্যাবসহ বিভিন্ন ভোক্তা সংগঠনের প্রতিনিধিরা। গ্রাহক-সেবার মান না বাড়িয়ে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব অযৌক্তিক উল্লেখ করে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান হয়েও সেবার পরিবর্তে মুনাফার দিকে ঝুঁকছে পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি, অমান্য করছে ব্যয় সংকোচন নীতিও। এজন্য প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ নেয়ারও হুঁশিয়ারি দেন ক্যাব প্রতিনিধি। তবে এনার্জি রেগুলেটরী কমিশনের পুনর্মূল্যায়ন কমিটি বলছে, দাম বাড়ানোর প্রস্তাব অযৌক্তিক। একই মত জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, সম্পদ যতটুকু ইন-সার্ভিস থাকবে ততটুকুর ওপরেই থাকবে অবচয়। এটা হচ্ছে মৌলিক নিয়ম। যদিও কম বেশিও অতীতে ব্যত্যয় ঘটেছে। ঘাটতি পূরণ করে লস দিয়ে ব্যবসা দাঁড় করাতে হয়। সরকার এটা ব্যবসায় করছে, তাতেই পুঁজি বিনিয়োগ করতেই হবে। এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন বলছে সবকিছু যাচাই বাছাইয়ের পরই গ্যাস বিতরণে দামের বিষয়টি চূড়ান্ত করবেন তারা। সূত্র: বিডি২৪লাইভ