সর্বনাশা প্লাস্টিক: পতেঙ্গা সৈকতে পরিচ্ছন অভিযান
৫,মার্চ,শুক্রবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল ও বিভিন্ন নিত্যপণ্যের প্লাস্টিক মোড়কে সারাদেশের পরিবেশ বিপর্যস্ত। ভেঙে পড়ছে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, উর্বরতা হারাচ্ছে মাটি, বাতাসে ছড়াচ্ছে বিষ, ভরাট হচ্ছে নদী-খাল-বিল, পরিচ্ছন্নতা হারাচ্ছে সড়ক-গলিপথ। সব মিলিয়ে প্লাস্টিক বা পলিথিনের ব্যাপক ব্যবহারে মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে দেশের পরিবেশ। ফলে এর থেকে পরিত্রাণ পেতে চট্টগ্রাম জেলা নৌ রোভার স্কাউটরা গত ২ মার্চ পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে পরিচ্ছন অভিযান, প্লাস্টিক ব্যবহারে সচেতন ও পুনর্ব্যবহারের কৌশল নিয়ে এলাকার স্থানীয় লোকজন ও দোকানদারদের মাঝে লিফলেট বিতরণ ও সচেতনতা সৃষ্টি করেন। তারা বলেন, প্লাস্টিক ও পরিথিন অপচনশীল হওয়ায় পরিবেশের ওপর দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। সর্বনাশা এই পলিথিন বা প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহারে দূষিত হচ্ছে মাটি, পানিসহ সামগ্রিক পরিবেশ ও প্রতিবেশ। মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে জনস্বাস্থ্য। পরিবেশবিদদের মতে, যত্রতত্র পলিথিন নিক্ষেপের ফলে মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে পানি, মাটি ও বাতাস। মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে চর্মরোগে। পলিথিনের অবাধ ব্যবহারের কারণে বিভিন্ন স্থানে ড্রেনেজ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাও দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
মহানগর আ. লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভা কাল
৫,মার্চ,শুক্রবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামীকাল শনিবার বিকাল ৩টায় চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট হলে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী। বর্ধিত সভায় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সকল কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ, থানা, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পদাক, আহ্বায়ক-যুগ্ম আহ্বায়কদেরকে যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য সাধারণ সম্পাদক সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন অনুরোধ জানিয়েছেন।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির বসন্ত উদযাপন
৪,মার্চ,বৃহস্পতিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে ফাল্গুনের আগমন উপলক্ষে সমিতির অডিটরিয়ামে বসন্ত উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩ মার্চ) সমিতির অডিটরিয়ামে বসন্ত উৎসবের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মঞ্চ শিল্পী, আইনজীবী শিল্পী এবং তাদের পরিবারবৃন্দ গান, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন করে। বসন্ত উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমিতির নব নির্বাচিত সভাপতি এড. মুহাম্মদ এনামুল হক এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ.এইচ.এম. জিয়াউদ্দিন। বসন্ত উৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী। সমিতির সমিতি নব নির্বাচিত সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক এড. মোঃ মনজুরুল আজম চৌধুরীর সঞ্চালনা ও পরিচালনায় অনুষ্ঠানে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল আল মামুন, অর্থ সম্পাদক এস.এম. অহিদুল্লাহ, পাঠাগার সম্পাদক এড. মোঃ নজরুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক এড. মাহ্মুদ-উল আলম চৌধুরী (মারুফ), নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে এড. ফাতেমা নার্গিছ হেলনা, এড. মারুফ মোঃ নাজেবুল আলম, এড. এস এম আরমান মহিউদ্দিন, এড. আবু নাসের রায়হান, এড. সাহেদা বেগম, খায়রুন নেছা, এড. জোহরা সুলতানা (মুনিয়া), এড. নুর কামাল, এড. মোঃ সরোয়ার হোসাইন (লাভলু), এড. মোমেনুর রহমান এবং সমিতির সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরাসহ বিপুল সংখ্যক আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন । অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কোকিলের ডাক আর চারপাশে গাছে গাছে ফুল দেখলে বোঝা যায় এখন ফাল্গুনের আগমন যেমন তেমনি সব কিছু সুন্দর করে দেখবার ও উপলব্ধির জন্য প্রয়োজন সুন্দর মন। বাঙ্গালীর এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি আছে বলেই বসন্ত আজ বর্ণিল সাজে সেজেছে। বাঙালীরা আজ একাকার হয়ে বাসন্ত রংয়ে সেজেছে। আমরা আমাদের প্রজন্মকে বাঙ্গালীর সত্তা এবং ধারাবাহিকতায় তৈরী করতে চাই। আমরা আমাদের কর্মজীবনের ফাঁকে আমাদের সকলের হৃদয়ের সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করতে চাই।
এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে শিক্ষা উপমন্ত্রীর শোক
৪,মার্চ,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা, মুজিবনগর সরকারের কেবিনেট সেক্রেটারি, আওয়ামী লীগের প্রচার উপ-কমিটির চেয়ারম্যান হোসেন তৌফিক ইমামের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোক বার্তায় তিনি মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এরআগে বুধবার (০৩ মার্চ) দিনগত রাত সোয়া ১টায় রাজধানীর সিএমএইচ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হোসেন তৌফিক ইমাম। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। এইচ টি ইমামের জন্ম ১৯৩৯ সালের ১৫ জানুয়ারি টাঙ্গাইল শহরে। বাবার চাকরি সূত্রে শৈশবে রাজশাহীতে অবস্থানের কারণে সেখানেই প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন তিনি। পরে লেখাপড়া করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া ও কলকাতায়। ১৯৫২ সালে ম্যাট্রিক পাস করেছেন ঢাকা কলেজিয়েট হাইস্কুল থেকে। এরপর ভর্তি হন পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে। এখান থেকেই ১৯৫৪ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। এর পর ভর্তি হন রাজশাহী কলেজে এবং সেখান থেকে অর্থনীতিতে অনার্সসহ বি এ ডিগ্রি অর্জন করেন ১৯৫৬ সালে। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএ শ্রেণিতে ভর্তি হন। ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ পাস করার পর রাজশাহী সরকারি কলেজে অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। এ সময় তিনি পাকিস্তানে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬১ ব্যাচের সিএসপিদের মধ্যে তিনি ৪র্থ স্থান লাভ করেন এবং পাকিস্তান সরকারের উচ্চ পদে যোগদান করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি লন্ডন স্কুল অব ইকনমিক্স থেকে উন্নয়ন প্রশাসনে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা করেন। পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে সদস্য হিসেবে তিনি তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বপূর্ণ পদে চাকরি করেন। শুরুতে তিনি রাজশাহী কালেক্টরেটে ১৯৬২-১৯৬৩ মেয়াদে অ্যসিন্ট্যান্ট কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। এরপর তিনি পদোন্নতি লাভ করেন এবং ১৯৬৩-১৯৬৪ মেয়াদে নওগাঁ মহকুমা প্রশাসক বা এসডিও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারপর তিনি নারায়ণগঞ্জ মহকুমার এসডিও হিসেবে বদলি হন এবং প্রায় এক বৎসর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৫ সালে তিনি ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন তিনি অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭৫ সালের ২৬ আগস্ট পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ সরকারের ক্যাবিনেট সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৪ পর্যন্ত সাভারস্থ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত তিনি সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৭ পর্যন্ত পরিকল্পনা সচিবের পদে নিযুক্ত ছিলেন। তিনি পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ক্যাবিনেট মন্ত্রীর মর্যাদায় জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা নিয়োগ করেন। ২০১৪ সালে তাকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নিয়োগ করা হয়। তিনি ২০০৯ থেকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান ছিলেন।
উন্নয়নের পূর্বশর্ত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা: অনিন্দ্য ব্যানার্জী
৩,মার্চ,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উন্নয়নের প্রধান পূর্বশর্ত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা উল্লেখ করে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা নিশ্চিত করেছেন বলেই বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। বুধবার (৩ মার্চ) সকালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) টাইগারপাসের অস্থায়ী কার্যালয়ে মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে প্রত্যক্ষ সমর্থন ও সবধরনের সহযোগিতা করেছিলেন। তিনি ওষুধ, তৈরি পোশাক রফতানি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প খাতে বাংলাদেশ বেশ ভালো অবস্থানে আছে বলে মন্তব্য করে বলেন, ক্রমবিকাশমান এ খাতগুলো বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধিতে গতিশীলতা এনেছে। পর্যটনশিল্প বিকাশে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে পর্যটনশিল্প দৃশ্যমান। এই খাতে ধারাবাহিক উন্নয়ন দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে মজবুত ও সমৃদ্ধ করবে। চট্টগ্রাম বন্দরের বহুমুখী ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে সহকারী হাইকমিশনার বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরকে ঘিরে রিজিওনাল কানেকটিভিটি সংযুক্ত হলে বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ই উপকৃত হবে। চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ, পতেঙ্গায় উপকূলবর্তী বে-টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ীতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক কানেকটিভিটির সঙ্গে সংযুক্ত হবে এবং বৈশ্বিক আর্থিক সমৃদ্ধির অংশীদার হবে। কোভিড-১৯ অতিমারি মোকাবেলায় বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসা করে বলেন, অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন কোভিড-১৯ সংক্রমণের ছোবলে বাংলাদেশের অবস্থা ভয়াবহ হবে। বাংলাদেশ একটি ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। বিশ্বের অনেক উন্নত ও ক্ষমতাধর দেশের চেয়ে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বাংলাদেশে তুলনামূলক ভাবে অনেক কম। বাংলাদেশ দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে এবং এটা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে। তিনি চট্টগ্রামের সৌন্দর্যবর্ধন ও মশার উপদ্রব কমানোর জন্য সিটি মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। মেয়র বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা ও অবদানের জন্য সে দেশের সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই এবং অশেষ ঋণ স্বীকার করি। একাত্তরে ভারত আমাদের দেশের এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছিল। তাদের সেনাবাহিনীর অনেক কর্মকর্তা ও জওয়ান প্রাণ বিসর্জন দিয়েছে। এই ঋণ কোনো দিন শোধ হবে না। তিনি বলেন, যারা একসময় বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলে মন্দবাক্য উচ্চারণ করেছিল তারা এখন বাংলাদেশের নজিরবিহীন উন্নতি দেখে লজ্জা পায় এবং তারা স্বীকার করে যে, বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের চট্টগ্রাম বন্দরের বহমুখী ব্যবহারের মতামতের সঙ্গে সহমত প্রকাশ করে মেয়র বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে মনে করি চট্টগ্রাম বন্দরের বহুমুখী ব্যবহারে রিজিওনাল ও ইন্টারন্যাশনাল কানেকটিভিটির সংযুক্তিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। নগরের সৌন্দর্যবর্ধন পরিকল্পিতভাবে করা হবে। জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রামে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে। সে কারণে প্রকল্পের আওতায় খালের কোন কোন স্থানে বাঁধ দেওয়ার পানি জমে আছে। এ জন্য মশা প্রজনন হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে মশার উপদ্রব অনেক লাঘব হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, ভারপ্রাপ্ত সচিব ও প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম প্রমুখ।
চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত ৮৫ জন, টিকা নিলেন ১০ হাজার
৩,মার্চ,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১ হাজার ৭০৪টি নমুনা পরীক্ষা করে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৮৫ জনের। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ৩৫ হাজার ১৯৩ জন। অন্যদিকে চট্টগ্রামে করোনার টিকাদান কার্যক্রমে সর্বশেষ টিকা নিয়েছেন ১০ হাজার ৯০৪ জন। এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৯২ হাজার ১৭ জন টিকা নিয়েছেন। বুধবার (৩ মার্চ) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামে ৮টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ৪৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৩ জনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ৭৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় ১৩ জন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৪৫৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ৫৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ১১ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ৪৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৩ জন, শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ২২৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ১১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ১৬ নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে। এছাড়া কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ৭৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে সবকটি নমুনা নেগেটিভ আসে। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ৮৫ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এইদিন নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১ হাজার ৭০৪টি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৬৭ জন এবং উপজেলায় ১৮ জন। তিনি বলেন, করোনার টিকা প্রদান কার্যক্রমে মঙ্গলবার (২ মার্চ) টিকা নিয়েছেন ১০ হাজার ৯০৪ জন। এর মধ্যে সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬ হাজার ৬৩৪ জন এবং উপজেলায় ৪ হাজার ২৭০ জন।
করোনা প্রতিরোধে টিকা নিলেন চসিক মেয়র রেজাউল
২,মার্চ,মঙ্গলবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা প্রতিরোধে টিকা নিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। মঙ্গলবার (২ মার্চ) বেলা সোয়া দুইটায় চসিক জেনারেল হাসপাতালে টিকা নেন তিনি। এ সময় কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। দেশের মানুষের জন্য বিনামূল্যে করোনা প্রতিরোধী টিকার ব্যবস্থা করায় মেয়র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। মেয়র রেজাউল করিমকে টিকা দেন হাসপাতালের মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট আশীষ বর্ধন। টিকা নেওয়ার পর মেয়র বলেন, আমি নগরের অভিভাবক হিসেবে ভ্যাকসিন নিয়েছি আপনারাও নিয়ম মেনে টিকা নিন। বিশ্বের বিভিন্ন ক্ষমতাধর রাষ্ট্র যেখানে এখনো ভ্যাকসিন পায়নি সেক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী চিন্তায় বাংলাদেশ ভ্যাকসিন পেয়েছে যা আমাদের জন্য সৌভাগ্যের বিষয়। এ সময় করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে গুজবে কান না দেওয়ার ও আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, টিকা নিয়ে গুজবে কান দেবেন না। যারা গুজব ছড়াচ্ছে তারাও নিয়মিত টিকা নিচ্ছেন। সাবেক মেয়র, প্রয়াত নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে স্মরণ করে মেয়র রেজাউল বলেন, একসময় চসিকের স্বাস্থ্যখাতের বেশ সুনাম ছিল। এ হাসপাতাল তার দূরদর্শী চিন্তা। উনি মেয়র থাকাকালে নগরের প্রাণকেন্দ্রে হাসপাতালের জন্য শতকোটি টাকার জায়গা কিনেছিলেন। এটি ছিল ব্যক্তিগতমালিকানাধীন জায়গা ছিল। যতটুকু জানি এখানে ২৪ গণ্ডা জায়গা আছে। উনি চাইলে নিজের নামে, পরিবারের নামে এ জায়গা নিতে পারতেন। উনি জননেতা। চট্টগ্রামের মানুষের প্রতি দরদ ছিল। আজ যে মানুষ সেবা নিচ্ছেন তিনি কবরে শান্তি পাচ্ছেন। একজন মানুষ চিকিৎসাসেবা নিয়ে সন্তুষ্ট চিত্তে ফিরে যান সেই দোয়াটুকু তিনি পান। আমি আশ্বস্ত করতে চাই, আমাদের সীমাবদ্ধতা আছে, স্বল্পতা আছে। তারপরও আমি কথা দিতে পারি স্বাস্থ্য বিভাগের জন্য যা যা কিছু করা দরকার সেটা আমি করব। আমি শুধু বিনীত আবেদন জানাব, আপনারা অতীতে যে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছিলেন এখনো সেই ঐতিহ্য ধারণ করে সেই ভূমিকা রাখবেন। স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসকরা আন্তরিকভাবে কাজ করছেন। শুধু একটু সহযোগিতার প্রয়োজন। যারা চসিক জেনারেল হাসপাতালে কোভিড প্রতিরোধী টিকা নিয়েছেন উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন। টিকাদান প্রক্রিয়ায় চলমান পদ্ধতিতে আপনাদের সুনাম হচ্ছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সুনাম হচ্ছে।
আমরা ক'জন মুজিব সেনা কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন তসলিম উদ্দিন রানা
২,মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্রগ্রাম জেলা আমরা ক'জন মুজিব সেনার সাবেক প্রচার সম্পাদক,দুঃসময়ের সাবেক ছাত্রনেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অর্থ ও পরিকল্পনা উপ-কমিটির নবনির্বাচিত সদস্য তসলিম উদ্দিন রানার সাথে আমরা ক'জন মুজিব সেনা কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে ধানমন্ডি কর্নকড আর্কেডিয়া প্লাজায় মত বিনিময় সভা ব্যাংকার মোঃ ইমরান হোসেনের সভাপতিত্বে সাবেক ছাত্রনেতা ইমরুল কায়েসের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আমরা ক'জন মুজিব সেনা কেন্দ্রীয় সভাপরিচালনা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাংস্কৃতিক উপকমিটির সদস্য সাঈদ আহমেদ বাবু।বিশেষ অতিথি চট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য ও পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলী আকবর সিদ্দিকী,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সদস্য মুফতি মাসুম বিল্লাহ নাফায়ী,মোঃ ওয়াজেদ আলী।বক্তব্য রাখেন ব্যাংকার বিশিষ্ট যুবনেতা আরশাদ খান ফাহিম,সাবেক ছাত্রনেতা সন্তোষ দাশ গুপ্ত,মোঃ আয়েছ,সেলিম রেজা, সাংবাদিক আশিক মল্লিক,সাবেক ছাত্রনেতা জসিম উদ্দিন,এমএ শাহেদ,আরিফ মহিউদ্দিন,আব্দুল্লাহ আল নোমান,ওয়াসিম,মোঃ জাহেদ হোসেন মন্টু,মোঃ সাজ্জাদ হোসেন,আকরাম হোসেন,আমানত উল্লাহ, রিজোয়ানুল ইসলাম,আবু সাঈদ এনাম প্রমুখ। সভায় প্রধান অতিথি বলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও জননেত্রী শেখ হাসিনার আধুনিক বাংলা গঠনে সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি করতে হবে।নিজেকে গঠন করতে প্রচুর লেখাপড়া,বই পড়তে হবে।বাঙালী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির পিতার সব বইগুলো পড়তে হবে।শেখ হাসিনার উন্নয়ন মুলক কাজে বাস্তবায়নের তরুণ প্রজন্মকে নতুনভাবে কাজ করতে হবে।দলের দুর্দিনের কর্মীর মুল্যায়ন করার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা,দলের সাধারণ সম্পাদক জননেতা ওবায়দুল কাদের এমপি ও আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান এমপির প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।
এসডিজি ইয়ুথ ফোরামের বক্তারা: উন্নয়ন ও সমাজের মূল স্রোতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করতে হবে
২,মার্চ,মঙ্গলবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অর্থনৈতিক, সামাজিক, জন্মগত, ভৌগোলিক প্রভৃতি কারণে চরমভাবে বৈষম্যের শিকার যারা তারাই প্রকৃত অর্থে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। বিশেষ করে সক্ষম ও অসহায় মানুষের মধ্যে শ্রেণি বৈষম্য বিদ্যমান, যা অনভিপ্রেত। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বৈষম্য হ্রাস করতে হবে। উন্নয়ন ও সমাজের মূল স্রোতে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করা অপরিহার্য। প্রত্যেক মানুষের কাঙ্খিত জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও সামষ্টিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতেই এসডিজি-২০৩০ এজেন্ডা প্রণীত হয়েছে। সরকার এসডিজি বাস্তবায়নে যে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে তা বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। এসডিজি ইয়ুথ ফোরামর উদ্যোগে ও ওব্যাট হেল্পার্সের সহযোগিতায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও কর্মপরিকল্পনা শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক, ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের কার্যনির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। গতকাল সোমবার এসডিজি ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি নোমান উল্লাহ বাহারের সভাপতিত্বে ও দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুর রহমান শিহাবের সঞ্চালনায় প্রারম্ভিক বক্তব্য রাখেন ওব্যাট হেল্পার্সের কান্ট্রি ম্যানেজার সোহেল আকতার খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ওব্যাট হেল্পার্সের প্রজেক্ট ম্যানেজার মোশতাক রায়হান হিমাদ্রী, ওব্যাট স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ইসরাত পারভীন, সহকারী প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হোসেন, কাইয়মুর রশীদ বাবু, জি এম তাওসিফ, আহসান উল্লাহ খান সাকিব, ইমরান হোসেন, আব্দুর রহমান রবিন প্রমুখ।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর