অধ্যক্ষের বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনে চমেক শিক্ষার্থীরা
০৬নভেম্বর,বুধবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন উপাচার্যের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলছে, তখন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে চলছে ভিন্ন আন্দোলন। এই মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকালে একদল শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের সর্বস্তরের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ ব্যানারে প্রশাসনিক ভবনের নিচে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। সৎ শিক্ষক অধ্যক্ষ ডা. সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরকে বদলি করা ঠিক হয়নি বলে তাদের দাবি। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে অধ্যাপক সেলিম জাহাঙ্গীরকে বদলি করে শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের অধ্যাপক ডা. শামীম হাসানকে নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়া হয়। অধ্যাপক সেলিম জাহাঙ্গীরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ফার্মাকোলজি বিভাগে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,আমাকে অধ্যক্ষ থেকে সরিয়ে ফার্মাকোলজি বিভাগে বদলি করা হয়েছে। এটি সরকারি সিদ্ধান্ত। তা মানতে হবে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে ক্লাসে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, যেখানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে সরানোর আন্দোলন করছে, সেখানে শিক্ষার্থীরা আমাকে রাখার জন্য আন্দোলন করছে, এটি আমার জন্য বড় পাওয়া।
৭১ গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থী পেল বৃত্তি
০৩নভেম্বর,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ প্রাক্তন ছাত্র সমিতির উদ্যোগে কলেজ অডিটোরিয়ামে সমিতির সভাপতি ও দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেকের সভাপতিত্বে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সরকারি কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সাগর কান্তি দে। তিনি বলেন, সচরাচর প্রাক্তন ছাত্র সমিতিরগুলির কর্মকাণ্ডের ব্যতিক্রমধর্মী আজকের এই অনুষ্ঠান। প্রাক্তন ছাত্র সমিতি বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যাণে মহত কাজের যে দৃষ্টান্ত, তা নিসন্দেহে অনুকরণীয় ও অনুসরণীয়। কোরআন তেলোয়াত, গীতা ও ত্রিপিটকের মাধ্যমে শুরু হওয়া সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন, প্রাক্তন ছাত্র সমিতির সাধারণ সম্পাদক তৈয়বুর রহমান। বক্তব্য দেন শিক্ষাবৃত্তি প্রদান উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি লায়ন এম. শামসুল হক, উপ-কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক প্রফেসর আবু মো. রহিমউল্লাহ, সরকারি কমার্স কলেজের শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক এস এম রুবাইয়াত ফাহিম। বৃত্তি গ্রহণ শেষে অনুভুতি ব্যক্ত করে দুইজন শিক্ষার্থী বক্তব্য রাখেন। সভাপতির বক্তব্যে এম এ মালেক সরকারি কমার্স কলেজের বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার মানোন্নয়ে ও ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে তাদের প্রয়োজনীয় নানাবিধ ব্যবস্থা গ্রহণে সমিতি সর্বদা ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকবে। শিক্ষাবৃত্তি ছাড়াও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সমপোযোগী আরো নানাবিধ প্রকল্পসমূহ প্রাক্তন ছাত্র সমিতির অর্থায়নে আগামীতে গ্রহণ করা হবে। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সহ-সভাপতি মো. আবুল হাশেম, নুরুল আমিন খান, যুগ্ম সম্পাদক আ ন ম ওয়াহিদ দুলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান মুরাদ বিপ্লব, অর্থ সম্পাদক মো. হারুন ইউসুফ, দফতর সম্পাদক তাজুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক চৌধুরী শামীম মোস্তফা, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. কাজী সানোয়ার আহমেদ, ক্রীড়া সম্পাদক মনোরঞ্জন সাহা, মহিলা সম্পাদক রানু চক্রবর্তী, আপ্যায়ন সম্পাদক মোহছেন আলী মুহসিন, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. মো. মাহবুবুল ইসলাম, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন আসিফ, গণসংযোগ সম্পাদক রঞ্জন কান্তি দে, সাহিত্য সম্পাদক সাইফুল আলম খান, সহ-প্রকাশন সম্পাদক ছৈয়দ মো. খালেদ, সহ-দফতর সম্পাদক সৌরভ বড়ুয়া রয়েল, হুমায়ুন কবরি ঢালী, মামুনুল হক চৌধুরী, আমান উল্লাহ আল কাদের, ট্যাঙ এডভাইজার মো. আহসান উল্লাহ, ট্যাঙ এডভাইজার নিয়াজুর রহমান, রুপম পালিত, আনোয়ারুল আনিস কাঞ্চন, জোনায়েদ জন প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন বৃত্তি উপ কমিটির সদস্য সচিব ও সমিতির সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাজমুল হক ডিউক। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে কাজ করছে ট্রাফিক বিভাগ
৩১অক্টোবর,বৃহষ্পতিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি।,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিএমপির নবাগত অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এস এম মোস্তাক আহম্মদ খান বলেছেন, গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, যানজট নিরসন, সড়কে শৃঙ্খলা আনয়ন, দুর্ঘটনা রোধ, বেপরোয়া গাড়ি চলাচল থেকে ড্রাইভারদের বিরত রাখা, রোড সাইন চিনে গাড়ি চালানো, ছাত্র-ছাত্রী ও পথচারীসহ সকলের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ট্রাফিক বিভাগ নিরলসভাবে কাজ করছে। পরিবহন চালক-হেলপারসহ সর্বস্তরের জনগণ সচেতন হলে দুর্ঘটনা অনেকাংশেই রোধ হবে ও সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। এজন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। ট্রাফিক আইন মেনে গাড়ি চালালে সড়কে বিশৃঙ্খলা ও যানজট হবেনা। গাড়ি চালানোর সময় চালককে অবশ্যই পোশাক পরিধান ও হালনাগাদ ডকুমেন্ট সাথে রাখতে হবে। একই সাথে চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স সামনে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। পরিবহন চালক-হেলপার আন্তরিক না হলে ট্রাফিক বিভাগের একার পক্ষে কোন কিছু করা সম্ভব নয়। এখন থেকে নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড ছাড়া যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে কোন গণপরিবহন যাত্রী উঠা-নামা করা যাবেনা। আগামী ১ নভেম্বর থেকে ট্রাফিক আইন মেনে গাড়ি না চালালে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সার্বিক উন্নয়নে যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সকলের আন্তরিক সহযোগিতায় আমরা যানজটমুক্ত নিরাপদ নগরী গড়ে তুলতে চাই। গতকাল বুধবার নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন সিনেমা প্যালেস মোড়ে সিএমপির ট্রাফিক আন্দরকিল্লা জোন আয়োজিত ৩নং বাস/মিনিবাস রুটের সিটিং সার্ভিস পরিবহনসমূহের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শুরুতে গণপরিবহনের চালক-হেলপারদের হাতে ওয়েবিল ও পোশাক তুলে দেন প্রধান অতিথি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
পটিয়ায় ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে মাদ্রাসার পরিচালককে গ্রেপ্তার
৩১অক্টোবর,বৃহষ্পতিবার,পটিয়া প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে পটিয়া উপজেলার জিরি থেকে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মওলানা ফারুক চৌধুরীকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (৩০ অক্টোবর) সকালে মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ফারুক চৌধুরী উপজেলার জিরি ইউনিয়নের মোহাম্মদিয়া তালিমুল কুরআন নুরানী মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক। ওই মওলানা জিরি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মৌলভী মো. মিয়ার পুত্র। বেশ কিছুদিন ধরে ওই মাদ্রাসার শিশু ছাত্রীদের নানাভাবে যৌন নিপীড়ন করে আসছিলেন কওমী আকিদার মওলানা ফারুক চৌধুরী। প্রায় সময় ক্লাস রুম থেকে মওলানার ব্যক্তিগত রুমে ঢেকে নিয়ে নানাভাবে যৌন নিপীড়ন করতেন বলে অভিযোগ। মাদ্রাসার পাশে রয়েছে মওলানার বাড়ি। আজ সকাল সাড়ে ৮টায় ছাত্রীকে মাদ্রাসার ব্যক্তিগত রুমে কৌশলে ঢেকে নিয়ে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রী চিৎকার শুরু করলে এলাকাবাসী ও মাদ্রাসার শিক্ষকরা দৌড়ে এসে ছাত্রীকে উদ্ধার করে। পরে স্থানীয় লোকজন মওলানাকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ সময় এলাকাবাসী বিক্ষোভ করে মাদ্রাসার দরজা, জানালাসহ বেশকিছু আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পটিয়া থানার এসআই মো. মোক্তারসহ একদল পুলিশ ছুটে যায়। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারায় পরে পটিয়া থানার ওসি বোরহান উদ্দিনসহ আরেকদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মওলানাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার জিরি ইউনিয়নের মোহাম্মদিয়া তালিমুল কুরআন মাদ্রাসাটি মূলত কওমী আকিদার। এখানে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করা হয়। মাদ্রাসার পাশাপাশি হেফজখানা রয়েছে। মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মওলানা ফারুক চৌধুরী প্রায় সময় শিশু ছাত্রীদের ব্যক্তিগত রুমে ঢেকে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করতেন। গত বৃহস্পতিবার মাদ্রাসার ৫ ছাত্রীকে বাড়িতে ঢেকে নিয়ে যায়। এর মধ্যে তিন শিশুকে বাড়িতে ঝাড়ু দিতে বলে, দুই শিশু ছাত্রীকে তার শয়ন কক্ষে নিয়ে যায় এবং একজনকে পাশের রুমে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের যৌন নিপীড়ন করে। এভাবে মওলানা প্রায় সময় ছাত্রীদের যৌন নিপীড়ন করে থাকে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব কর্মকান্ডে মাদ্রাসার অন্য শিক্ষকরা অবগত হলেও ভয়ে চুপ থাকতেন। এসবের প্রতিবাদ করতে গিয়ে শিক্ষক মো. হোছাইন, হাফেজ রিফাত ও জিয়াউর রহমান লাঞ্ছিত হয়েছেন বলেও শিক্ষরা জানান এবং ছাত্রীদেরকে প্রায় সময় ফারুক যৌন নিপিড়ন করতো বলে ছাএীরা তাকে জানান। জিরি ইউনিয়নের কতিপয় মেম্বার ও স্থানীয়ারা জানান, কওমী আকিদার এই মাদ্রাসার মওলানা ফারুক শিশুদের আদর করার কৌশলে প্রায় সময় যৌন নিপীড়ন করে আসছেন। সে একজন দুশ্চরিত্রের লোক বলে তারা জানান। পটিয়া থানার ওসি বোরহান উদ্দিন জানিয়েছেন, মাদ্রাসার শিশু ছাত্রীকে নিয়মিত যৌন নিপীড়ন করার অভিযোগে পুলিশ মাদ্রাসার মওলানাকে গ্রেপ্তার করেছেন। এ ব্যাপারে ছাত্রীর অভিভাবক জেসমিন আক্তার বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে পটিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান।
প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি: বিএনপি নেতা গিয়াস কাদের চৌধুরীর তিন বছর কারাদণ্ড
৩০অক্টোবর,বুধবার,আদালত প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অনাদায়ে আরও ৩ মাস জেল দেয়া হয়েছে। বুধবার চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়ার ম্যাজিস্ট্রেট শহীদুল্লাহ কায়সারের আদালত এ রায় দেন। দলীয় সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি, হত্যার হুমকি ও মানহানির অভিযোগে গত বছরের ৩১ মে মামলাটি দায়ের করা হয়। ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন মুহুরী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় বলা হয়, জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ২৯ মে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে এক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দেন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী। এরপর তার বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা হয়। এই মামলায় এর আগে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল গিয়াস কাদেরকে। গত বছরের ২৩ নভেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গেলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়। গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান। তিনি একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া বিএনপির তৎকালীন স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছোট ভাই। একাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রামের রাউজান ও রাঙ্গুনিয়া আসন থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছিলেন। পরে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
চট্টগ্রাম নগরীর সিআরবি এলাকা থেকে ৭ মামলার আসামি অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার
৩০অক্টোবর,বুধবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর সিআরবি এলাকা থেকে সাত মামলার এক আসামিকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিআরবি সাত রাস্তার মাথা থেকে সাইফুল ইসলাম ইকবাল ওরফে মামা ইকবাল (৩২) নামে এ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামা ইকবালের বাড়ি ভোলার দৌলতখানে, থাকেন নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার শেরশাহ বাংলা বাজারের ঢেবার পাড় এলাকায়। নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) আসিফ মহিউদ্দীন জানান, ইকবাল হত্যা, চাঁদাবাজিসহ সাতটি মামলার পলাতক আসামি, বায়েজিদ বোস্তামী থানার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী।
রোটারি ক্লাব চিটাগাং প্রাইমর প্রথম সভা
৩০অক্টোবর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: রোটারি ক্লাব অব চিটাগাং প্রাইম এর প্রথম সভা সম্প্রতি নগরীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাব প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া। প্রধান অতিথি ছিলেন ডিস্ট্রিক গভর্নর ৩২৮২ লে. কর্ণেল আতাউর রহমান পীর। প্রধান অতিথি বলেন, রোটারি সারা বিশ্বে মানবতার কল্যাণে কাজ করছে। রোটারীর প্রচেষ্ঠায় পোলিও বিশ্ব থেকে নির্মুল হয়েছে। মানবতার কল্যানে যারা কাজ করে তারাই প্রকৃত মানুষ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্পন্সর ক্লাব প্রেসিডেন্ট মোরতাজা বেগম, চার্টার প্রেসিডিন্ট রোহেলা খান চৌধুরী, এসিসটেন্ট গভর্নর মো. শাহজাহান, ক্লাব এডভাইজার সানিউল ইসলাম। ক্লাবের অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ক্লাব সেক্রেটারি মো. হেলাল উদ্দিন, চার্টার প্রেসিডেন্ট সুরঞ্জিত ধর, ট্রেজারার ছোটন বড়ুয়া, ডাইরেক্টর ক্লাব সার্ভিস ডা. খালেদ বিন সাগর, ডাইরেক্টর সার্ভিস প্রজেক্ট এড. সাবিনা পারভীন, ডাইরেক্টর পাবলিক রিলেশন পুরবী দাশ, ডাইরেক্টর নিউ জেনারেশন আলউদ্দিন মো. সাবের, ইঞ্জি. মোজাহেদুল ইসলাম রানা প্রমুখ।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন
৩০অক্টোবর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) কোর্সের এ-ইউনিট বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ অনুষদভুক্ত সকল বিভাগ/ইনস্টিটিউটের ভর্তি পরীক্ষা গতকাল ২৯ অক্টোবর দুই শিফটে অনুষ্ঠিত হয়। ১ম শিফট সকাল ৯.৪৫ থেকে ১২ টা এবং ২য় শিফট দুপুর ২.১৫ থেকে ৪.৩০ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। উপাচার্য (দায়িত্বপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার ভর্তি পরীক্ষার হলসমূহ পরিদর্শন করেন। এ সময় এ-ইউনিট ভর্তি কমিটির কো-অর্ডিনেটর ও ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. শংকর লাল সাহা, বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, চবি শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। শন্তিপূর্ণ পরিবেশে ও সুষ্ঠুভাবে এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় উপাচার্য (দায়িত্বপ্রাপ্ত) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারী বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকসহ ভর্তি পরীক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও বিশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার পরবর্তী ভর্তি পরীক্ষাসমূহে ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বিঘ্নে অংশগ্রহণ করতে পারে সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (http://admission.cu.ac.bd) পাওয়া যাবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সীতাকুণ্ডে বন্দুকযুদ্ধে ডা. শাহ আলম হত্যার আরো তিন আসামী নিহত
২৯অক্টোবর,মঙ্গলবার,সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সীতাকুণ্ড থানার ছোট কুমিরা এলাকায় Rabর সঙ্গে ডাকাত দলের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় অন্ত:জেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য নিহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৯ অক্টটোবর) ভোর রাত সাড়ে ৩টায় উপজেলার ৭ নং ছোট কুমিরা এলাকায় এই বন্দুকযুদ্ধে ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাস্থল থেকে Rab বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছে। নিহত তিন ডাকাত কুমিরায় চাঞ্চল্যকর ডা. শাহ আলম হত্যাকাণ্ডের আসামী বলে জানিয়েছেন সীতাকুণ্ড মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ আলম মোল্লা। এর আগে গত বুধবার চাঞ্চল্যকর ডা. শাহ আলম হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা ডাকাত দলের প্রধান নজির আহমেদ সুমন প্রকাশ কালু (২৬) ডাকাত ভোরে সাড়ে ৪টার দিকে সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নে Rabর সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়।Rab-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোঃ মাহমুদুল হাসান মামুন তিন ডাকাত নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে Rab বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছে। তবে Rab তাৎক্ষনিকভাবে নিহত ৩ জনের নাম পরিচয় জানাতে পারেনি। মোঃ মাহমুদুল হাসান মামুন জানান, ছোট কুমিরা এলাকায় Rabর টহল দল ও আন্তঃজেলা ডাকাত দলের মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে, পরে ঘটনাস্থল থেকে তিন জনের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। এ সময় একটি বিদেশী পিস্তল সহ দুটি অস্ত্র, ১২ রাউন্ড গুলি এবং বিপুল পরিমান দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে Rab -7 এর টহল দল। সীতাকুণ্ড মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ আলম মোল্লা বলেন, Rabর সাথে ডাকাত দলের বন্দুক যুদ্ধের ঘটনায় নিহত তিনজনের লাশ থানায় আনার পর পোর্ষ্টমটেমেন জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর