মোস্তফা-হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ইফতার ও সেহেরী সামগ্রী বিতরণ
২৯এপ্রিল,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে মোস্তফা-হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় ও সাবেক মেয়র এম মনজুর আলমের উদ্যোগে মঙ্গলবার সকালে ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী বস্তিবাসীদের মাঝে সেহরী ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। ওয়ার্ডের আকবরশাহ বাজার কলোনী বস্তি, ফারুক কলোনী, নতুন মুনছুরাবাদ ট্রেনলাইন সংলগ্ন বস্তি, ট্রেনলাইন সংলগ্ন সিডিএ এলাকার বস্তি, ছড়ারখিল বস্তি, জনারখিল বস্তি, মীর আউলিয়া মাজার সংলগ্ন বস্তি, নন্দন হাউজিং এলাকা সংলগ্ন বস্তি, আকবরশাহ বেলতলীঘোনা, বিজয় নগর, জিয়া নগর, ভান্ডারীঘোনা, ঈগল স্টার সংলগ্ন শাপলা আবাসিক এলাকার আশপাশের বস্তি কৈবল্যধাম ট্রেনলাইন সংলগ্ন বস্তি ও বিশ্বকলোনী সহ আকবরশাহ থানার বিভিন্ন এলাকার দুই হাজার বস্তিবাসীর মাঝে সেহরী ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। মেয়র এম মনজুর আলম বলেন, মোস্তফা-হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন সর্বদা মানব সেবায় নিবেদিত। চলমান করোনা ভাইরাসের লকডাউনের শুরু থেকেই দুস্থ অসহায়দের পাশে রয়েছে এই প্রতিষ্ঠান। আর এই দুঃসময়ে কর্মহীন বস্তিবাসীরা যেন অনাহারে অর্ধাহারে জীবনযাপন না করে সেই জন্য বস্তিবাসীদের সহায়তায় এই ফাউন্ডেশন নিবেদিত। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিম, মোস্তফা-হাকিম গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ সারোয়ার আলম, জসিম উদ্দিন, ওয়াহিদ মুরাদ প্রমুখ।
দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধি ও সামাজিক দুরত্ব বজায় না রাখায় ১৮টি মামলায় ৪৩ হাজার টাকা জরিমানা
২৯এপ্রিল,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা প্রতিপালন,বাজার মনিটরিং, স্বপ্রণোদিত লকডাউনের আড়ালে অননুমোদিত দোকান বন্ধ রাখা, আড্ডা বন্ধ, বাড়ির নির্মান কাজ বন্ধ, টিসিবি পণ্য বিক্রি মনিটরিং ও ক্রেতাদের নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরণ ইত্যাদির মাধ্যমে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে ছিলো চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৪ টি টিম। বৈরী আবহাওয়া স্বত্ত্বেও ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ১৮টি মামলায় ৪৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল বিকেল ২টা থেকে সন্ধ্যা ৫টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের ৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৪ টি পৃথক টিম নগরীর বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক অভিযান পরিচালনা করেন নগরীর কোতোয়ালি, বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা এলাকায় । অভিযান চলাকালে নাবিক কলোনির বউ বাজারে অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রির দায়ে শাহ আমানত স্টোরকে ৮ হাজার টাকা, দেলোয়ার স্টোরকে ৫ হাজার টাকা ও জসীম স্টোরকে ৫ হাজার টাকা জরমানা করা হয়। সেই সাথে ট্রাকে করে যাত্রী পরিবহনের কারণে এক ট্রাক চালককে ১ হাজার টাকা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখায় এক ব্যাবসায়ীকে ১ হাজারসহ ৪টি মামলায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম আলমগীর অভিযান পরিচালনা করেন পাঁচলাইশ, খুলশী, বায়েজিদ ও চান্দগাঁও এলাকায়। অভিযানে অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখাসহ ৪টি পৃথক মামলায় ১০ হাজার ৩০০ জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান নগরীর বাকলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিকাশ ও মোবাইল সরঞ্জামের দোকানকে ৫০০ টাকা, মুদি দোকানকে ১ হাজার টাকা, মোমিন রোড এলাকায় দুটি ফার্মেসিকে ২ হাজার ৫০০ টাকা, সারাহ সুপারশপকে ৫ হাজার টাকা এবং একজন বাইক আরোহীকে ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন আকবরশাহ এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি টেইলার্সকে ৫০০ টাকা, একটি মুদি দোকান ১ হাজার, হালিশহর এলাকায় সিমেন্ট দোকানকে ৫ হাজার টাকা, একটি মুদি দোকানকে ২ হাজার টাকাসহ মোট ৪টি মামলায় ৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুক জানান, করোনা পরিস্থিতিতে প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে ঘরে অবস্থান না করে অকারনে রাস্তায় ঘোরাঘুরি করা। সামাজিক দুরত্ব বজায় না রাখা। রমজানকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মূল্যে ভোগ্য পণ্য বিক্রি করছে। তাই সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও ভোগ্য পণ্যের বাজার ঠিক রাখার জন্য জেলা প্রশাসন এর ভাম্যমান আদালত প্রতিদিন নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে। আজকের আমার অভিযানে ৪টি মামলায় ১৫ হাজার টাকা জরিমান করা হয়েছে।
প্রবাসী পরিবারে পাশে এডিশনাল পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান মোল্যা
২৮এপ্রিল,মঙ্গলবার,সাতকানিয়া প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুরো পৃথিবী আজ করোনা ভাইরাস বা Covid-19 এ স্তব্ধ হয়ে গেছে। প্রবাসে যারা অবস্থান করছেন এই ক্রান্তিলগ্নে তারাই আজ সব চাইতে বেশি বিপদে। নেই কোনো উপার্জন। তাই পেটেও নেই খাবার। দেশে পরিবারের কাছে টাকা পাঠাতে না পারার কারনে অসহায় হয়ে পড়েছে পরিবার গুলো। তাই প্রবাসীদের পরিবার ও ঘরবন্দি, কর্মহীন মধ্যবিত্ত, দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের পরিরারের পাশে দাড়িয়েছেন চট্টগ্রাম সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান মোল্যা। এসএমএসের মাধ্যমে প্রবাসীদের পরিবারের সমস্যার কথা জানতে পেরে সাথে সাথে প্রবাসীদের পরিবারের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান মোল্যা। হাসানুজ্জামান মোল্লাহ বলেন, এই রেমিটেন্স যুদ্ধারাই দেশ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এই মূহুর্তে তাদের পাশে দাড়ানো মানুষ হিসেবে আমাদের দায়িত্ব। তারই অংশ হিসেবে এই সময় প্রবাসীদের পাশে দাঁড়াতে পেরে নিজেকে অনেক সৌভাগ্যমান মনে হচ্ছে। আসুন আমরা সবাই মিলে দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে তাদের পাশে দাড়াই। আজ সকালে সাতকানিয়া মির্জাখীল ছোটহাতিয়া আচারতলী এই উপহার দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন সোনাকানিয়া ইউনিয় পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ, সাংবাদিক নাসির উদ্দিন, ইউপি সদস্য আব্দুল কাদের, আলী মোহাম্মদ জিয়া, আব্দুল হামিদ, নুরুল আমিন, গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।
অসহায় মানুষের পাশে ইফতার নিয়ে হাজির ওসি মহসিন
২৮এপ্রিল,মঙ্গলবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে দেশে গত শনিবার থেকে শুরু হয়েছে রোজা। প্রতিবছর দেখা এমন দিনে দুপুর থেকেই ফুটপাতে ইফতারের পসরা সাজিয়ে শুরু হয় বেচা কেনা। সন্ধ্যায় চলে ইফতারের আয়োজন ও ইফতার পার্টি। ইফতার পার্টি আয়োজন চলত বিভিন্ন অফিসে, মসজিদে, ক্লাবে । ফুটপাতে চলে নানা বাহারী ইফতার কেনাবেচা। অথচ এবার সেই চিরচেনা ইফতারের কোন আয়োজন নেই। রোজাদারদের ভিড়ও নেই তেমন। এ যেন ভিন্ন এক রমজান। বাংলার চিরচেনা রমজানের সেই আমেজও নেই । করোনার কারনে এ বছর সরকারি নির্দেশনা মেনে ইফতারির বাজার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বসছে। কোন অবস্থায় নির্দিষ্ট দোকান ছাড়া ফুটপাতে ইফতারির বাজার বসতে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে ফুটপাতগুলোতে নেই ইফতারের দোকান। নেই ইফতার পার্টি আয়োজনের কোন আসর। যে যার অবস্থানে থেকে করছে ইফতার আয়োজন। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশবাসীকে ঘরে থাকার যে নির্দেশ সরকার দিয়েছে, এটাকে সফল করতে রমজানে ফুটপাতে বা দোকানে ইফতার সামগ্রী বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ। এই নিষেধাজ্ঞার কারণে কোথাও ইফতার সামগ্রী নিয়ে রাস্তায়, ফুটপাতে বা দোকানে বসতে দেখা যায়নি কাউকে। কম আয়ের ছিন্নমুল অসহায় মানুষ গুলো ফুটপাত থেকে ইফতার কিনে রোজা সাড়ে। কিন্তু ফুটপাতে দোকান না বসাতে ও কর্মহীন হয়ে পড়ার কারনে অসহায় মানুষ গুলো ইফতার করাটা অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়ে । আর এই অসহায় মানুষ গুলোর পাশে দাড়িয়েছে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসিন। বাড়িয়ে দিয়েছেন মানবিকতার প্রসারিত হাত। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, প্রতিবছর ইফতার পার্টি করে কোতোয়ালী থানা। এবারও তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়েছে। তবে সরকারি বিধি নিষেধ অনুযায়ী এবারের আয়োজনে কিছুটা ভিন্নতা আনা হয়েছে। ভিন্নতা আনা হয়েছে অতিথি তালিকায়ও। এবার আমরা ইফতার পার্টি করছি পথে পথে, অলিতে গলিতে, রাস্তার মোড়ে মোড়ে! পূর্ব নির্ধারিত কোন অতিথিরাও থাকছেন না। পথই যাদের ঠিকানা তারাই আমাদের অতিথি।আমরা তাদের সাথে ইফতার করছি। তিনি আর বলেন, করোনা দুর্যোগে এবার কোতোয়ালী থানার ইফতার পার্টি থাকবে অসহায়, ভিক্ষুক, ভবঘুরে ও নিঃস্বদের জন্য। প্রতিদিন টিম কোতোয়ালি ভ্রাম্যমাণ ইফতারের গাড়ি নিয়ে রোজাদার অতিথিদের খুঁজে নিবে। পৌঁছে দিবে তাদের হাতে ইফতার সামগ্রী। পুরো রমজান জুড়ে ধারাবাহিকভাবে চলবে এই আয়োজন। প্রথমদিন ১০০ জন অতিথির মাঝে ইফতার বিতরন করা হয়। পর্যায়ক্রমে অতিথি সংখ্যা আরও বাড়বে বলেও জানান ওসি মহসীন।
এই অদৃশ্য সংক্রামক রোগ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় প্রদত্ত নির্দেশনা মেনে চলা
২৮এপ্রিল,মঙ্গলবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীনের নিকট ১০ হাজার মাস্ক ও ৪ শত পিপিই হস্তান্তর করেছে চায়না জিমেন সেং ওহাং টুরিজম কোং লিমিটেড এর পক্ষে লায়ন্স ক্লাব ও ঢাকার নেতৃবৃন্দ। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন থেকে এক প্রেস রিলিজ এর মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। আজ মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর টাইগারপাস্থ চসিক নগরভবনে এইসব সামগ্রী হস্তান্তর করেন তারা। এসময় প্যানেল মেয়র ড.নিছার উদ্দিন আহমদ মঞ্জু, চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.সমশুদ্দোহা, চট্টগ্রাম শিশু পার্কের ডি.এ. মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. এনামুল হক চৌধুরী, জি এম মো. নাসির উদ্দীন, ম্যানেজার মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন, চসিক প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মো. শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদিপ বসাক উপস্থিত ছিলেন। সিটি মেয়র জিমেন সেং ওহাং টুরিজম কোং লিমিটেডকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সর্ব প্রথম সুরক্ষা দরকার সেবা প্রদানকারী ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীসহ যারা এই রোগীর সংস্পর্শে যায়। এজন্য মাস্ক ও পিপিই অত্যন্ত জরুরী, যার সংকট এখন পৃথিবীময়। কর্পোরেট হাউসগুলো এভাবে এগিয়ে আসলে করোনা রোগীর সেবা সহজতর হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, এই অদৃশ্য সংক্রামক রোগ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রদত্ত নির্দেশনা মেনে চলা। এই মহামারিতে নিজেকে রক্ষা করার মাধ্যমেই পরিবার, সমাজ ও দেশ রক্ষা করা সম্ভব। তিনি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে করোনামুক্ত থাকতে ঘরে অবস্থানের আহবান জানান। মেয়র বলেন, এই রমজান মাসে কোন মানুষ যাতে অনাহারে না থাকে সে ব্যাপারে আমাদের মানবিকতাকে অগ্রসর করে কাজ করতে হবে। তিনি ত্রাণ প্রাপ্তি নিশ্চিতে ওয়ার্ড পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিদের প্রস্তুতকৃত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার নগরবাসীকে পরামর্শ দেন। মেয়র করোনা সংকটকালীন জীবন ও জীবিকা দুটোকে রক্ষায় সকলকে সমন্বয় সাধনের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
বেসরকারি স্কুল কলেজ শিক্ষার্থীদের বেতন পরিশোধে চাপ সৃষ্টি করছে যা সম্পূর্ণ অনৈতিক
২৮এপ্রিল,মঙ্গলবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল কলেজ শিক্ষার্থীদের বেতন পরিশোধের জন্য চাপ সৃষ্টি করছে যা সম্পূর্ণ অনৈতিক বলে মত প্রকাশ করেছেন জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন। তিনি আজ ২৮শে এপ্রিল ২০২০ইং মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উপরোক্ত আহবান জানান। এ সময় জনাব সুজন বলেন করোনা পরিস্থিতি বৈশ্বিক মহামন্দা অবস্থা সৃষ্টি করেছে। দেশের আর্থিক পরিস্থিতির ওপর করোনা ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলবে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস মোকাবিলায় নানামূখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে প্রতিদিনই প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন। এছাড়া করোনাভাইরাসের আর্থিক প্রভাব কাটাতে ইতিমধ্যে ৭২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকার করোনা পরবর্তী সংকট সামাল দিতে আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে। তাছাড়া এ ভাইরাস মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি অফিসে সাধারণ ছুটির মেয়াদ ৫ মে পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বাভাবিকভাবেই এ অবস্থায় দেশের মানুষ কিছুটা উদ্বেগ উৎকন্ঠায় দিনাতিপাত করছে। প্রয়োজন ছাড়া বেশীরভাগ অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্টান বন্ধ রয়েছে। ফলতঃ জনগনের আয় রোজগারের পথ রুদ্ধ হয়ে গিয়েছে। অভিভাবকরা নানাবিধ অর্থ কষ্টে রয়েছেন। এ অবস্থায় নগরীর কতিপয় বেসরকারি স্কুল কলেজের পরিচালনা পরিষদ শিক্ষার্থীদের বেতন পরিশোধের জন্য অভিভাবকদের উপর চাপ সৃষ্টি করছে যা সম্পূর্ণরূপে নিষ্ঠুরতার সামিল। আমরা বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছি এসব প্রতিষ্ঠানগুলো অভিভাবকদের মোবাইলে ফোন করে এবং ম্যাসেজ পাঠিয়ে বিভিন্ন ধরণের হুমকি ধামকি প্রদান করছে যা একেবারেই অযৌক্তিক। তিনি বলেন শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকারগুলোর মধ্যে অন্যতম। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাই শিক্ষাকে অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে এ খাতে সর্বোচ্চ সংখ্যক বাজেট বরাদ্ধ দিয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় সরকারের নানা রকম উদ্যোগের পরও সরকারী নির্দেশনা অম্যান্য করে বছরের শুরুতেই বিভিন্ন বেসরকারী স্কুল কলেজে ভর্তি, পুনঃভর্তির নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ আদায় করে। এছাড়া নামে বেনামে বিভিন্ন উপলক্ষের নামে টাকা আদায় করার ফলে এসব প্রতিষ্ঠানে টাকার পাহাড় গড়ে উঠেছে। অথচ বর্তমান পরিস্থিতিতে ঐসব খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানেও নানা অজুহাতে শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধ করা হচ্ছে না। তিনি এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক কর্মচারীদের নিজস্ব তহবিল থেকে বেতন ভাতা পরিশোধ করার উদাত্ত আহবান জানান। এছাড়া নগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নন এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদেরও করোনা অজুহাতে বেতন ভাতা পরিশোধ না করার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। যার ফলে এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছে। এর ফলে দেশের মেধা তৈরীর কারিগর শিক্ষক শ্রেণীকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে যা কোনভাবেই কাম্য নয়। তিনি নগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নন এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধ করার ব্যবস্থা গ্রহণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ জানান। এছাড়া বর্তমান পরিস্থিতিতে যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নানা ধরণের অনৈতিক কাজের সাথে যুক্ত রয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা বোর্ডের নিকট সবিনয় আবেদন জানান।
আমরা চাই আমাদের নিবেদিত এই কর্মীরা প্রানোচ্ছল থাকুক:মেয়র আ জ ম নাছির
২৮এপ্রিল,মঙ্গলবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ মঙ্গলবার সকালে নগরীর ৩৬ নং গোসাইলডেঙ্গা, ৩৭ নং মুনির নগর ও ৩৮ নং দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ডের নেতা কর্মীদের মাঝে ভোগ্যপন্য উপহার হিসেবে বিতরণ করেছে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। এসময় মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক লায়ন মোহাম্মদ হোসেন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাজী জহুর আহাম্মদ, শ্রম সম্পাদক আবদুল আহাদ, বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল আলম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. ইলিয়াছ, প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ্ব আবদুল খালেক চৌধুরী, মহানগর শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহবুবুল হক চৌধুরী এটলি, ৩৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আহবায়ক মো. ইলিয়াছ, যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল আলম চৌধুরী, আলহাজ্ব মোরশেদ আলী, ৩৭ নং ওয়ার্ডের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হোসেন মুরাদ, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান, ৩৮ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হাজী হাসান মুরাদ, সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ হাসানসহ সংশ্লিষ্ট ইউনিট আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উপহার সামগ্রী বিতরণকালে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, দলের কঠিন মুহূর্তে অকাতরে প্রাণ বিলিয়ে দেওয়া এই কর্মীরাই আওয়ামীলীগের মূল ভিত্তি। দল যখন ক্ষমতায় থাকে তখন এইসব নেতাকর্মীদের আর কেউ খবর রাখে না। আমাদের দলীয় সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাঠ পর্যায়ের নেতা কর্মীদের মূল্যায়ন করে যাচ্ছেন। আমরা তাঁর আদর্শের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আমরা সেই জায়গাটা উপলব্ধি করে নেতাকর্মীদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছি। আমরা চাই আমাদের নিবেদিত এই কর্মীরা প্রানোচ্ছল থাকুক।ইউনিট আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা সরাসরি এলাকার মানুষের সাথে সম্পৃক্ত, তাই সরকারি ত্রান পৌছে দিতে এবং তালিকায় নাম অন্তুর্ভুক্তি করতে তাদেরই দায়িত্বটা বেশি নিতে হবে। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এই সংকটময় পরিস্থিতিতে আমাদের জীবন এবং জীবিকা দুটোই গুরুত্বপুর্ণ। তাই সরকার দুটোই যাতে সচল থাকে তার ব্যবস্থা করছেন। শুধুমাত্র সরকারি সাহায্যের দিকে না তাকিয়ে যার যতটুকু সামর্থ আছে উপার্জনের চাকাকে সচল রাখার ব্রত নিয়ে কাজ করতে হবে। মেযর বলেন পুরো মানবজাতি এখন এক সংকটের মুখোমুখি। আমাদের অর্থনীতি, রাজনীতি ও সংস্কৃতিও নির্ভর করছে আমাদের নিজেদের উপর। আগামী ইতিহসে আমরা যাতে মানবিক হিসেবে জায়গা করে নিতে পারি সেজন্য আমি সংগঠনের প্রত্যেককে স্ব স্ব অবস্থান থেকে মানবতার কাজে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।
পটিয়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করার অপরাধে অর্থদণ্ড
২৮এপ্রিল,মঙ্গলবার,মো.ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: পটিয়ায় কামাল বাজার এলাকায় বিভিন্ন দোকানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনশীল রাখার লক্ষে বাজার মনিটরিং করেন জনাব ফারহানা জাহান উপমা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, পটিয়া, চট্টগ্রাম। বাজার মনিটরিং কালে ভেজাল ঘি, অতিরিক্ত দামে আদা বিক্রি ও মেয়াদোত্তীর্ণ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করার অপরাধে আল-মক্কা ট্রের্ডাসের মালিককে ৪০,০০০/- টাকা, আল-মদিনা স্টোরের মালিককে ২০,০০০/- টাকা, বিসমিল্লাহ স্টোরের মালিককে ১০,০০০/- টাকা, মিলন স্টোরের মালিককে ১০,০০০/- টাকা ও নিউ আল-মদিনা স্টোরের মালিককে ১০,০০০/- টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং জব্দকৃত বিভিন্ন কোম্পানীর ভেজাল ঘি বিনষ্ট করা হয়। এছাড়া সরকারি নির্দেশ অমান্য করে জনসমাগম করে দোকান খোলা রাখায় পটিয়া আদালত রোড, সবুর রোড ও স্টেশন রোডের বিভিন্ন দোকান ও মার্কেট সমূহ বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয় এবং দোকান খোলার রাখার অপরাধে ০৪ দোকানীকে ১,৬০০/- টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর