বৃহস্পতিবার, মার্চ ৪, ২০২১
চসিক নির্বাচন: উত্তেজনার জেরে পাথরঘাটা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত
২৭,জানুয়ারী,বুধবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে নগরীর পাথরঘাটা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। এর আগে নগরীর পাহাড়তলী ও লালখানে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পাহাড়তলীতে একপক্ষের সমর্থক নিহত হন। অন্যদিকে, লালখান এলাকায় অন্তত ২১ জন আহত হয়েছেন। নগরীর ৭৩৫ কেন্দ্রে একযোগে সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির দুই প্রার্থী ছাড়াও এবার চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে আরও পাঁচ প্রার্থী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে, ৩৯টি সাধারণ কাউন্সিলর ও ১৪টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়েছেন ২৩৭ জন। এবারের ৭৩৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪১৭টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। ২০২০ সালের ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ষষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে নির্বাচনের আট দিন আগে তা স্থগিত করা হয়। এরপর পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ভোটের দিন ঠিক করে কমিশন।
ইভিএমে ভোট ছিনিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই: নওফেল
২৭,জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরুর পর নগরের আন্দরকিল্লায় এমইএস উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। এ সময় তার সঙ্গে আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী জহর লাল হাজারী উপস্থিত ছিলেন। ভোট দেওয়ার পর ব্যারিস্টার নওফেল সাংবাদিকদের বলেন, ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট হচ্ছে। ভোটাররা নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে যাচাই বাছাই করে ভোট দিচ্ছেন। ইভিএমে ভোট ছিনিয়ে নেওয়ার সুযোগ বা শঙ্কা নেই। কেউ কারো ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ভোটগ্রহণ সুন্দরভাবে হচ্ছে। ভোটারদের আহ্বান জানাবো ভোটকেন্দ্রে আসতে। আমাদের দলের মনোনীত মেয়র প্রার্থী ও সমর্থিত সকল কাউন্সিলর প্রার্থীদের জন্য শুভ কামনা।
সিটি নির্বাচন: পাহাড়তলীতে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে নিহত ১
২৭,জানুয়ারী,বুধবার,স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পাহাড়তলীতে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে সকাল ৮টা থেকে নগরীর ৭৩৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এরপর সকাল ১০টার দিকে পাহাড়তলী ও লালখান বাজার এলাকায় আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। ওই সংষর্ষে ১০ জন আহত হন। জানা গেছে মোটরসাইকেলেও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এদিকে নগরীর সব কয়েকটি কেন্দ্রে এবারই প্রথমবার ইভিএমে (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির দুই প্রার্থী ছাড়াও এবার চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে আরো পাঁচ প্রার্থী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে, ৩৯টি সাধারণ কাউন্সিলর ও ১৪টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়েছেন ২৩৭ জন। এবারের ৭৩৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪১৭টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। এসব কেন্দ্রের নিরাপত্তায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে। এ ছাড়া নগরজুড়ে দিনব্যাপী রয়েছে গোয়েন্দা নজরদারির আওতায়। ২০২০ সালের ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ষষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে নির্বাচনের আট দিন আগে তা স্থগিত করা হয়। এরপর পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ভোটের দিন ঠিক করে কমিশন। এবারের নির্বাচনে ৭৩৫টি কেন্দ্রের ৭৬৪টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন মেয়র ও ২২৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থী।
জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী: রেজাউল করিম চৌধুরী
২৭,জানুয়ারী,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৯টায় নগরের এখলাসুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন রেজাউল। এ সময় মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। ভোট দেওয়ার পর রেজাউল করিম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, সুন্দরভাবে ভোট দিয়েছি। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে আসছেন। জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। সারাদিন সুষ্ঠু ভোট হবে বলে আশা করি। বিএনপির অভিযোগ প্রসঙ্গে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বিএনপির অভিযোগ ভিত্তিহীন। তারা সবসময় এমন অভিযোগ করে আসছে। এটা তাদের নিয়ম। সারাবছরই তারা শুধু অভিযোগ করে আসছে।
ভোট দিয়ে শাহাদাত বললেন- শেষ পর্যন্ত থাকবো
২৭,জানুয়ারী,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন। বুধবার সকাল ১০টার দিকে চকবাজার বিএড কলেজে ভোট দেন। ভোট দিয়ে ডা. শাহাদাত সাংবাদিকদের বলেন, পশ্চিম বাকলিয়া, পাথরঘাটা ও জামালখানে আওয়ামী লীগের কর্মীরা ভোটকেন্দ্র দখল করে রেখেছে। গতকাল রাতে বাকলিয়ার ৭জন এজেন্টকে মারধর করা হয়েছে। তিনি বলেন, ভোটে আমি শেষ পর্যন্ত থাকবো। তাদের ভোট ডাকাতির মুখোশ সারাবিশ্বে জানাবো। প্রশাসন আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে জয়ী করতে উঠেপড়ে লেগেছে। প্রশাসন আমাদের সহযোগিতা করছে না। ডা. শাহাদাত এজেন্টদের বের করে দেয়া হচ্ছে অভিযোগ করে বলেন, আমার পেছনেই কয়েকজন এজেন্ট আছে। তারা অভিযোগ করছে। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো নারী এজেন্টদের গায়ে হাত দেয়া হচ্ছে। তাদের শরীরের স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দিয়েছে। তিনি বলেন, ৯টার মধ্যেই আমাদের ১৫ জন আহত হয়েছে। জামালখান এবং পাহাড়তলীর দুই প্রার্থীকে আহত করা হয়েছে।
রাত পোহালেই ভোট উৎসব
২৬,জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা গতকাল (সোমবার) মধ্যরাতে শেষ করা হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) রাত পেরুলেই বুধবার (২৭ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হবে কাঙ্ক্ষিত চসিক নির্বাচন। সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রচারণার শুরু থেকেই সংঘাত-সহিংসতার কারণে নির্বাচনকে ঘিরে রয়েছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণে মাঠে থাকবে ১৪ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এদিকে, নির্বাচনকে ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার সিটি নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সবকটি ভোটকেন্দ্রে ইভিএম মেশিনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)। আজ (মঙ্গলবার) দুপুর থেকে নির্বাচনী কর্মকর্তারা ইভিএম মেশিন ও ভোটগ্রহণ সামগ্রী নিয়ে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে যাবেন। চসিক নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য মাঠে থাকবেন বিজিবি, Rab, পুলিশ, আনসার বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনী। থাকবেন সাদা পোশাকধারী গোয়েন্দা সংস্থাও। তিনি বলেন, সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী ও বহিরাগত লোকজন নগরী ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্ট করার চেষ্টা করলে আইনের আওতায় আনা হবে। নির্ভয়ে ভোট প্রদানের জন্য ভোটারদের প্রতি অনুরোধ করেছেন তিনি। ভোটগ্রহণে ৭৩৫ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৩৯ টি ভোটকেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) কেন্দ্র হিসেবে চিহিৃত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ৩০৬ ভোটকেন্দ্র সাধারণ হিসেবে চিহিৃত করেছে। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে নজর বেশি থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬ জন ও গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১৮ জন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়াও বিজিবি ২৫ প্লাটুন, Rabর ৪১টি টিম, স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে ১৪০টি, মোবাইল টিম থাকবে ৪১০টি। সবমিলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে থাকবেন ১৪ হাজার ৩৭০ জন সদস্য। মাঠে থাকবেন ৬৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ২০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। প্রতি ওয়ার্ডে একজন করে, বিজিবি প্লাটুন প্রতি একজন, Rab সিপিসির সঙ্গে তিন জন করে ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন। গত ৮ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়। গতকাল (সোমবার) রাত ১২টা থেকে নির্বাচনী এলাকায় সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা ও সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল শেষমুহূর্তে প্রচার-প্রচারণায় মুখরিত ছিল নগরী। মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়েছিল চিরচেনা সেই বন্দরনগরী।
কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম
২৬,জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম। মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে নগরের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়াম হল, আগ্রাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নাসিরাবাদ বালক উচ্চ বিদ্যালয়, বন্দর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২টি অস্থায়ীসহ ৭৩৫ কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জামাদি বিতরণ শুরু হয়। আগামীকাল (২৭ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। ভোটাধিকার সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে ৭৩৫টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৮৮৬টি কক্ষে ৭৩৫ জন প্রিজাইডিং অফিসার ও ৯ হাজার ৭৭২ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। পাশাপাশি টহলে থাকবে বিজিবি, পুলিশের মোবাইল টিম ও নির্বাচনী কর্মকর্তাবৃন্দ। সরঞ্জামাদি বিতরণস্থল পরিদর্শন করে নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ২ থেকে ৩ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচনের সরঞ্জামাদি কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে। সেখানে আবার সরঞ্জামাদিগুলো চেক করে দেখা হবে। সমস্যা হলে তা দ্রুত সমাধান করে আগামীকালের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত করা হবে।
২৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন: নিরাপত্তার চাদরে নগরী
২৬,জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিটি কর্পোরেশনের আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে চট্টগ্রাম মহানগরীকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। শুধু সিএমপির পুলিশই নয়, চট্টগ্রাম রেঞ্জের এক হাজারসহ সারাদেশ থেকে আনা হয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ। পুলিশের পাশাপাশি Rab ও বিজিবি টহল থাকবে নগর জুড়ে। ইতোমধ্যে ২৫ প্লাটুন বিজিবি নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে। নগরীর সাড়ে ৭৩৫টি ভোট কেন্দ্রে প্রায় সাড়ে চৌদ্দ হাজার লোকবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে দায়িত্ব পালন করবে। এর বাইরেও বিপুল সংখ্যক পুলিশ স্বাভাবিক পুলিশি কার্যক্রমে নিয়োজিত থাকবে। বিজিবি, Rab, পুলিশ এবং আনসার সদস্যসহ আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বিপুল সংখ্যক ফোর্সের সার্বক্ষণিক নজরদারিতে সুরক্ষিত নগরী। চট্টগ্রাম নগর পুলিশ (সিএমপি) সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বহুল প্রত্যাশার নির্বাচনকে ঘিরে নগরজুড়ে সর্বাত্মক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরীর ৭৩৫টি ভোট কেন্দ্রের প্রতিটির ব্যাপারেই সর্বাত্মক সতর্কতা অবলম্বন করে নিরাপত্তা ছক তৈরি করা হয়েছে। এরমধ্যে ৪২৯টি ভোটকেন্দ্রকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে নিরাপত্তা বলয়ে ঢেকে ফেলা হচ্ছে। এগুলোর প্রতিটিতে ৬ জন করে পুলিশ, দুইজন পিসি এপিসি এবং দশজন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। এর বাইরে ৩০৬টি কেন্দ্রের প্রতিটিতে ৪ জন পুলিশ, পিসি এপিসি ২ জন এবং ১০ জন আনসার মোতায়ন করা হচ্ছে। এর বাইরে ১৪০টি স্ট্রাইকিং ফোর্স গঠন করা হয়েছে। এগুলোতে ৪১০ জন পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা থাকবেন। ৪১টি ওয়ার্ডের প্রতিটিতে ১২ জন করে Rab সদস্যের টহল দলের পাশাপাশি ২৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়ন থাকছে। নির্বাচন উপলক্ষে ৪১০টি মোবাইল টিম, ১৪০ স্ট্রাইকিং ফোর্স এবং ৭৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকছেন। প্রতি ওয়ার্ডে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ থাকবেন। বিজিবির প্রতি প্লাটুনের সাথে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। Rab সদস্যদের সাথেও তিনজন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। গতকাল থেকে শুরু করে চারদিন আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশাল বহর নগরীতে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করবে। ১৪ হাজার ৩৭০ জন ফোর্সের এই নিরাপত্তা ছাদর নগরীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলেও সিএমপির শীর্ষ একজন কর্মকর্তা জানান। তিনি বলেন, ভোটে কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সুযোগ কাউকে দেয়া হবে না। কেন্দ্র দখল বা ভোটকেন্দ্রে যেতে কাউকে বাধা দেয়া হলে পরিণতি খারাপ হবে। নগর পুলিশের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা গতকাল আলাপকালে বলেন, ভোটোৎসবের জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন। উৎসবের এই আমেজ কাউকে নষ্ট করতে দেয়া হবে না। যে কোনো মূল্যে সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর