বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৯, ২০২০
চট্টগ্রাম-৯ সংসদীয় আসনে নৌকার সমর্থনে কর্মী সভা
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে সৎ, মেধাবী তরুণ শিক্ষিত যুবকরাই অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। বিএনপি-জামাত জোটের আমলে বাংলাদেশ ২৮০০ মেগাওয়াট হতে প্রায় ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে বাংলাদেশের মানুষকে ৯৩ ভাগ বিদ্যুতের সুবিধা দিয়েছে, ডিজিটাল সেবায় ঘরে বসে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, স্কুলের ভর্তি সহ নানা কাজে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সুবিধা ভোগ করছে, যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক উন্নতি ঘটেছে, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে দ্রুত স্বাস্থ্য সেবা নিতে পারছে সাধারণ জনগণ, সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃকালিন ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা উৎসব ভাতা, শিক্ষা উপবৃত্তি, মেয়েদের বিনামূল্যে ডিগ্রী পর্যন্ত পড়ালেখার সুযোগ, বছরের প্রথমদিন কোমলমতি শিশুদের হাতে পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়া, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মত বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়া, দোহাজারী হতে রামু পর্যায়ক্রমে দুমদুম রেল লাইন সম্প্রসারিত করা, বাংলাদেশের সমপরিমাণ মায়ানমার ও ভারত থেকে সমুদ্র সীমানা বিজয়, জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ, সন্ত্রাসবাদ নির্মূল, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার গণমানুষের মৌলিখ চাহিদা মিটিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রায় ১০ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থীদেরকে আশ্রয় এবং পুনর্বাসন। এসব বিশাল কর্মযজ্ঞে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাই উন্নত রাষ্ট্র গঠন করতে আরেকবার বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ৩০ ডিসেম্বর নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করতে হবে, এক্ষেত্রে চট্টগ্রাম-৯ সংসদীয় আসনের নৌকার প্রার্থী তরুণ, সৎ, মেধাবী, যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব চট্টল বীর আলহাজ্ব এ.বি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান নওফেলর বিকল্প নেই। তাকেও আমরা যদি নির্বাচিত করি চট্টগ্রামের অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পাদন করতে পারবে। কাজির দেউরী বালক-বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সেন্টার কমিটির কর্মী সভায় প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি, কাউন্সিলর, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. সাজ্জাদুর রহমান বাচ্চুর সভাপতিত্বে এবং যুবনেতা শেখ বশির আহমেদ এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল বশর। প্রধান বক্তা ছিলেন ছাত্রলীগ মহানগর শাখার সাবেক সভাপতি এম.আর. আজিম, বিশেষ অতিথি থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাকির উদ্দিন সর্দ্দার, শেখ হারুনুর রশিদ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ যুগ্ম সম্পাদক শাহজাহান রতন, নগর যুবলীগ সদস্য হাবিব উল্লাহ নাহিদ, শেখ নাছির আহমেদ। আলোচনায় অংশ নেন- মুক্তিযোদ্ধা মো: রফিক, আবদুল জলিল সর্দ্দার, যুবনেতা আবু তাহের, শওকত উল্লাহ সোহেল, এস.এম. সিরাজ, মো: রফিকুল ইসলাম, মো: কফিল উদ্দিন, নারী নেত্রী নুর বেগম, পেয়ারী বেগম, যুবনেতা জহির উদ্দিন রাজু, মো: জুয়েল, আবদুর রকি, রুবেল আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা মাহবুব আলম, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মালেক, ছাত্রনেতা খোরশেদ আলম জুয়েল, মো: সাজ্জাদ গণি, শহিদুল ইসলাম রানা, আহমেদ জুয়েল, নুর মোহাম্মদ ইলিয়াছ, বিশ্বনাথ দাশ বিশু, ফরিদ আলম, আজাদ হোসেন, আবদুল হান্নান, জাহাঙ্গীর আলম, আসাদ হোসেন, মাহবুব আলম, মো: আনোয়ার আনু, হাজী জসিম মিয়া, মো: সুমন প্রমুখ। কাজির দেউরী বালক-বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সেন্টার কমিটির ক্যাম্প উদ্বোধন, মিছিল ও প্রচারণায় অংশ নেন সম্মানিত অতিথিবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস স্মরণে আলোচনা সভা
১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের স্মরণে আলোচনা সভা বঙ্গবন্ধু একাডেমি কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব ফজল আহমদ। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কাউন্সিলর আবিদা আজাদ। বঙ্গবন্ধু একাডেমির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক বিপ্লব দাশগুপ্তের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুল্লাহ বাহার, মুক্তিযোদ্ধা বাদশা মিঞা, মুক্তিযোদ্ধা দয়াল হরি দে, মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা এস এম আবু তাহের, সৈয়দ দিদার আশরাফী, আলী আহমেদ শাহিন, মোহাম্মদ এজাহারুল হক, প্রবণরাজ বড়–য়া, কাজী মোহাম্মদ আইয়ূব, রোজী চৌধুরী, ইউনুস মিঞা, মোঃ তিতাস, জামাল উদ্দিন কান্টু, ফারুকুল ইসলাম, আবদুল হান্নান হীরা, সালমা আকতার শীলা, ফারহানা শান্তা, রিয়ান রাজু প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পুুরো সময়টুকুতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের জ্ঞানীগুণী ও মুক্তিবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষদের হত্যা করা হয়েছিল উল্লেখ করে বক্তারা আরো বলেন, পাকিস্তানি দোসরদের অমানবিক নির্যাতনে অনেক শিক্ষাবিদ এখনো পঙ্গুত্ব জীবন যাপন করছেন। বক্তারা বলেন যুদ্ধাপরাধীর বিচার বাংলাদেশের হয়েছে এর সাথে শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের দোষী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে আইননের আওতায় এনে কঠিন শাস্তির দাবি জানান। বক্তারা আরো বলেন আগামী ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচন অতিবগুরুত্বপূর্ণ। দেশরতœ শেখ হাসিনার উন্নয়ন সমৃদ্ধির বাংলাদেশকে ব্যাপকতরভাবে বাস্তবায়নের জন্য ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে নৌকা মার্কা প্রতীকের ভোট দিয়ে বাংলাদেশের মানচিত্রে আওয়ামী লীগ তথা মহাজোটকে ক্ষমতায় বসাতে পারলে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা চলমান থাকবে। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে স্মরণ সভা সমাপ্তি ঘটে।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শিল্পী গোষ্ঠী চট্টগ্রামের উদ্যোগে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও পরে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ভাবগম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সংগঠনের সভাপতি লায়ন জাফর উল্লাহর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ লিপটনের পরিচালনায় পালন করা হয়। প্রদীপ প্রজ্জ্বলন পূর্বে আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, হত্যার মধ্য দিয়ে মানুষের মৃত্যু হয়, কিন্তু জ্ঞান-আদর্শ ও চেতনার মৃত্যু হয় না। আমাদের বুদ্ধিজীবীদের আত্মদানের মধ্য দিয়ে বাঙালীর স্বাধীনতা যুদ্ধ তরান্বিত হয়েছে। তাদের দেশপ্রেম ও আদর্শ চিরঞ্জীব হয়েছে। বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীরা আত্মদান করেছিল মুক্তবুদ্ধির ও অসম্প্রদায়িক শোষণমুক্ত বাংলাদেশের জন্য। এদেশের মুক্তবুদ্ধি চর্চা গণতন্ত্রের যাত্রা ও অসম্প্রদায়িক চেতনায় অব্যাহত থাকলে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মদানের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন হবে। স্বাধীনতা যুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়ের দু’দিন পূর্বে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী ও এদেশীয় পাকিস্তানীদের দোসর যুদ্ধাপরাধীদের মানবতাবিরোধী অপরাধীরা সুপরিকল্পিত চক্রান্তে নির্মমভাবে শহীদ হন দেশের পতিথযশা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বুদ্ধিজীবী। বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্ন ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় লালিত হয়ে বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বিশ্বের মানচিত্রে একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আসন্ন নির্বাচনে বিজয় হলে। তাই আসুন শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্নকে পূরণের লক্ষ্যে নতুন প্রজন্ম সহ তথা বাংলাদেশের সকল জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে পাকিস্তানী দোসর গং ঐক্য ফ্রন্টকে পরাজিত করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আমাদের মূল্যবান ভোটটি ৩০ ডিসেম্বর নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রতিহত করি। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম মহানগর যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তারী মোরশেদ স্মৃতি, সংগঠনের সহ-সভাপতি কণ্ঠশিল্পী স্বপন কুমার দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক রোকন উদ্দিন মাহমুদ, মহিলা বিসয়ক সম্পাদক কণ্ঠশিল্পী কাকলী দাশগুপ্তা, সহ-সংগীত বিষয়ক সম্পাদক সুকুমার দে, সহ-নাট্য বিষয়ক সম্পাদক অভিনেতা ইন্দ্রজিৎ ভট্টাচার্য, কন্ঠশিল্পী রেখা বড়–য়া, কণ্ঠশিল্পী হেপী দাশ, কণ্ঠশিল্পী শিউলী দে, রোজি চৌধুরী, সমীরণ পাল,কানিজ ফাতেমা, ইসরাত জাহান, সাদিয়া আক্তার, রহিমা হোসাইন, নাসরিন সুলতানা, উম্মে সায়মা খেঁয়া, রোমানা আক্তার, তাসনিমা, মো: জাকির, জাফর ইকবাল, পুষ্পা, বর্ষা চাকম,া প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
পটিয়ায় জাপা প্রার্থী নুরুচ্ছফা সরকার, উন্নয়ন চাইলে পল্লী বন্ধু এরশাদের লাঙ্গল প্রতীকের বিকল্প
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে জাপার দলীয় প্রার্থী মো: নুরুচ্ছফা সরকার বলেছেন, পটিয়ার উন্নয়ন চাইলে পল্লী বন্ধু হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের লাঙ্গল প্রতীকের বিকল্প নেই। পল্লীবন্ধুর শাসন আমলে পটিয়ায় যথেষ্ট উন্নয়ন কাজ হয়েছে। দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রবেশদ্বার কর্ণফুলী ব্রীজ, পটিয়া পৌরসভা রূপান্তর, পটিয়ায় পল্লী বিদ্যুৎ স্থাপন, বিসিক শিল্প নগরী প্রতিষ্ঠা, পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্থাপন, প্রত্যেক মসজিদ, মন্দির, প্রেগোডা, গির্জাসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎবিল মওকুফ করেছিলেন। তাছাড়া সাপ্তাহিক বন্ধ শুক্রবার ঘোষনাসহ রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং পটিয়াকে জেলা ঘোষনা ছাড়াও পটিয়ার অসংখ্য রাস্তাঘাট, ব্রীজ-কালভার্টসহ উন্নয়ন কাজ করেন। আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীককে বিজয়ী করে পটিয়ার উন্নয়নকে আরো এগিয়ে নিতে হবে। গত ১৩ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) বিকেলে পটিয়া উপজেলার আশিয়া ইউনিয়নের বাংলা বাজার, ছনহরা, মুন্সির পুকুর পাড়, আশিয়া ছৈয়দ মার্কেট, আশিয়া মোসলেম খাঁ ব্রীজ এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগকালে জাপা প্রার্থী নুরুচ্ছফা সরকার এই কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জাপা নেতা মো.হেলাল উদ্দীন, মো. মিয়া, মো. রফিক চৌধুরী, মো. হাবিব উল্লাহ, মো. ওসমান খান, নুর ছৈয়দ, নুরুন্নবী, আবুল বশর সওদাগর। লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী নুরুচ্ছফা সরকার জানান, দলের মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার দায়িত্ব থাকাকালীন সময়ে সারা দেশে যেসব নেতাদের দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন তার মধ্যে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনটি রয়েছে। পল্লী বন্ধু হুসেইন এরশাদের প্রতীক লাঙ্গল নিয়ে তিনি (নুরুচ্ছফা) নির্বাচন করছেন। পল্লীবন্ধুর শাসন আমলে পটিয়ায় যথেষ্ট উন্নয়ন হয়েছিল। আগামীতেও উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে হলে লাঙ্গল প্রতীককে বিজয়ী করতে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রিজিয়া রেজা চৌধুরীর বিরামহীন গণসংযোগ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া লোহাগাড়া আসনে মহাজোট মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী প্রফেসর ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী এমপি'র সমর্থনে বিরামহীন গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন নদভী মিসেস রিজিয়া রেজা চৌধুরী। গত ১২ ও ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ, চরম্বা ও সাতকানিয়া পৌরসভা এবং সদর ইউনিয়নের পাড়া মহল্লা, অলিতে-গলিতে ব্যাপক গণসংযোগ ছাড়াও বিভিন্ন পথসভায় বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে মিসেস রিজিয়া রেজা চৌধুরী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠার যে মিশন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রফেসর ড. আবু রেজা নদভীকে নমিনেশন দিয়েছিলেন সকল প্রকার ভয় ভীতি উপেক্ষা করে জনগনের সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি ব্যাপক সাফল্যের স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে দীর্ঘ উন্নয়ন বঞ্চিত সাতকানিয়া লোহাগাড়া আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। ব্যাপক উন্নয়নের পাশাপাশি সন্ত্রাসের জনপথের বদনাম ঘুচিয়ে শান্তির নীড়ে পরিণত হয়েছে সাতকানিয়া লোহাগাড়া। ধর্মীয় সেন্টিমেন্টের অপব্যবহার করে ভোটারদের, বিশেষ করে মহিলা ভোটারদের বিভ্রান্ত করার দিন শেষ উল্লেখ করে মিসেস রিজিয়া রেজা চৌধুরী বলেন, ড.আবু রেজা নদভী এমপি কেবল একজন জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিই নন; উঁচু মাপের আলেমেদ্বীন ও আন্তর্জাতিক ইসলামিক স্কলারও। তিনি আগামী ৩০ ডিসেম্বর এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক নৌকা মার্কায় ভোট প্রদানের আহবান জানান। গণসংযোগকালে তাঁর সাথে ছিলেন সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া মহিলা আওয়ামীলীগ এর নেত্রীগণ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
১০ নং ওয়ার্ডে নৌকার পক্ষে সাবেক মেয়র মনজুর আলমের গণসংযোগ
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এম মনজুর আলমের উদ্যোগে নৌকার বিজয়ের লক্ষ্যে গতকাল বিকালে ১০ নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারণা করেন চট্টগ্রাম-৪ সীতাকু-ের বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব দিদারুল আলম এমপি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এম মনজুর আলম। গণসংযোগকালে নৌকার প্রার্থী আলহাজ্ব দিদারুল আলম নিজ নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং আবারো নৌকার পক্ষে রায় দেওয়ার জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান। দিদারুল আলম আরো বলেন,গত পাঁচ বছর আমি অত্র এলাকার অন্ত পাঁচশত কোটি টাকার উন্নয়ন করেছি। উন্নত হয়েছে রাস্তা-ঘাট। সংস্কার ও নির্মিত হয়েছে বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির স্কুল সহ নানা প্রতিষ্ঠান। আবারো নির্বাচিত হলে এই এলাকায় আরো ব্যাপক উন্নয়ন হবে। আমি আশাকরি অত্র এলাকার ভোটারগণ আমার উপর অতীতে যে ধরণনের আস্থা ও বিশ্বাস রেখে আমাকে অত্র এলাকার সংসদ সদস্য নির্বাচিক করে জনগণের সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন, একাাদশ সংসদ নির্বাচনেও আমি ভোটারদের কাছে সেই রায় পাব। তিনি অরো বলেন, শুধু সীতাকুন্ডে নয় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত পাঁচ বছরে প্রচুর উন্নয়ন হয়েছে সারা দেশে। বর্তমানে বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচন। আমাকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ থেকে আবারো অত্র আসনে নৌকার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আমি আপনাদের রায় প্রত্যাশা করি। কামনাা করছি সকলের দোয়া ও আশীর্বাদ। এদিকে গণসংযোগকালে সাবেক মেয়র মনজুর আলম আগামী ৩০ ডিসেম্বর সকলকে নৌকার পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য আহবান জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আকবরশাহ থানা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান সুলতান আহামদ, সহ সভাপতি লোকমাান আলী, সাধারণ সম্পাদক কাজী আলতাফ হোসেন, ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের যুগ্ম আহবায়ক, ইকবাল চৌধুরী, গিয়াস উদ্দিন জুয়েল, মহিলা সম্পাদিকা মিলি চৌধুরী, যুবনেতা হারুনুর রশিদ, নারী নেত্রী সবিতা বিশ্বাস প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আলহাজ্ব হাসান মাহমুদ চৌধুরীর মতবিনিময় সভা
চট্টগ্রাম-৮ বোয়ালখালী, চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ ও বায়েজিদ আংশিক এলাকা হতে স্বতন্ত্র পদপ্রার্থী ডাচ বাংলা চেম্বার অব কমার্স ও ল্যাটিন আমেরিকা বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্টির সহ-সভাপতি, চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা কল্যাণ সমিতির সভাপতি, নতুন কালুরঘাট সেতু নির্মাণ ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ আলহাজ্ব হাসান মাহমুদ চৌধুরী আপেল মার্কার সমর্থনে গত ১১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বাদে মাগরিব চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা কেন্দ্রীয় পাঠাগার মিলনায়তনে মতবিনিময় সভা সমাজসেবক মোহাম্মদ সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে তৌফিক হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের স্বতন্ত্র পদপ্রার্থী আলহাজ্ব হাসান মাহমুদ চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী লায়ন আহসানুল করীম, চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ নুরুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাকের হোসেন, চান্দগাঁও আবাসিক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক এড. জিয়াউদ্দিন আহমদ, বোয়ালখালী বুড়া মসজিদ পরিচালনা কমিটির মতোয়াল্লী মোহাম্মদ নুরুন্নবী চৌধুরী, চন্দ্রিমা আবাসিক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবু তাহের, বোয়ালখালী প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোহাম্মদ মোজাহেদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক সৈয়দ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান, আলহাজ্ব আবুল কাসেম সওদাগর, আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, শমসেরপাড়া গাউসিয়া রহমানিয়া খানকা শরীফের পক্ষে শমসের ভা-ারী, মোরশেদ স্বপন, জসিম উদ্দিন সহ সংসদীয় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, পরীক্ষিত সৎ, বিনয়ী মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসেবে এলাকাবাসির কাছে ক্লিন ইমেজের অধিকারী সদালাপীব্যক্তি হাসান মাহমদু চৌধুরী ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া ও সমর্থন পাচ্ছেন। যোগ্য মানুষের রাজনৈতিক পরিচয় এবং সংসদ পদে কোন প্রার্থী কোন দলের তা বিবেচ্য বিষয় নয়, সুখে-দুঃখে এলাকার সমস্য সমাধানে প্রথম যাকে পাওয়া যাবে সেটাই বিবেচ্য বিষয়। তার ইচ্ছা স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও অনেক। হাসান মাহমুদ চৌধুরী ইতিমধ্যে নানা কারণে দলমত নিবিশেষে সর্বস্তরের মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণ সম্পর্কে লোকজন যে অভিমত দিয়েছেন তা চমকপদ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ডা: মো: আফছারুল আমীনের ১২ ও ১৩নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী গণসংযোগ
চট্টগ্রাম-১০ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডা: মো: আফছারুল আমীন নৌকা প্রতীকের সমর্থনে আজ ১২ নং সরাইপাড়া ওয়ার্ডস্থ সিগন্যাল কলোনী, সিডিএ মার্কেট, শান্তা পুকুর এলাকা, আশরাফ আলী রোড ও প্রাণহরি দাস রোড এবং ১৩ নং পাহাড়তলী ওয়ার্ডস্থ ফ্লোরাপাস রোড, পিপিপি রোড, আমবাগান, ঝাউতলা ও সেগুন বাগানসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ করেন। গণসংযোগ কালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন হিরন, অধ্যাপক আসলাম হোসেন, নুরুল আমীন, কাউন্সিলর সাবের আহম্মদ সওদাগর, কায়সার মালিক, শওকত আলী, সিরাজুল ইসলাম, আবুল কাসেম, লুৎফুল কবীর খুশি, ডাঃ নুরুল ইসলাম, আকবর হোসেন, অধ্যাপক সাইদুল কবীর বাহার, সাইফুল ইসলাম মামুন, এসকান্দর আলী, ইসলাম সওদাগর, নুরুন নবী, আব্দুল হালিম, আবু তালিব, মোঃ আলী, ডিউক, নজরুল ইসলাম এবং আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।এসময় তিনি উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের ধারাকে চলমান রাখার জন্য আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনার সরকারকে বহাল রাখার জন্য আগামী ৩০ ডিসেম্বর নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করার জন্য জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ড. আবু রেজা নদভীর মাদার্শা ও সোনাকানিয়া এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ
সাতকানিয়া উপজেলার মাদার্শা ও সোনাকানিয়া ইউনিয়নে ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং মহাজোট মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ড. আবু রেজা নদভী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ও সাতকানিয়া উপজেলার সিনিয়র নেতৃবৃন্দদের সাথে নিয়ে দিনব্যাপী ব্যাপক গণসংযোগ করেন। মাদার্শা ইউনিয়নের বাবুনগর, মাদার্শ আশ্রয়ন প্রকল্প, দেওদীঘি এলাকায় গণসংযোগ শেষে মৌলভীর দোকান এলাকায় পথসভায় বক্তব্য রাখেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ইদ্রিছ, সাতকানিয়ার পৌর মেয়র মোহাম্মদ জোবায়ের, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসেন কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম সিকদার, উপ প্রচার সম্পাদক হারুন অর রশিদ, সাবেক ছাত্রলীগের আহবায়ক জানে আলম জামাল, মাদার্শা ইউপি চেয়ারম্যান আ.ন.ম সেলিম চৌধুরী, সাতকানিয়া ইউপি চেয়ারম্যান নেজাম উদ্দিন, নলুয়া ইউপি চেয়ারম্যান তসলিমা আক্তার, মাদার্শা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল হক, সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান, সাবেক চেয়ারম্যান নাজমুল আলম চৌধুরী, লায়ন ওসমান গনি চৌধুরী, আওয়ামীলীগ নেতা কায়েস চৌধুরী, এরফানুল করিম চৌধুরী, মোহাম্মদ জোবায়ার, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হারেজ মোহাম্মদ, নিজানুর রহমান মারুফ, জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ নাছির প্রমুখ।সোনাকানিয়া ইউনিয়নের উত্তর, মধ্যম, দক্ষিণ গারাংগিয়া আলুরঘাট, সেনেরহাট, মির্জারখীল বোর্ড অফিস ও বাংলা বাজার এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ শুরুর আগে গারাংগিয়ার পীর সাহেবকে সাথে নিয়ে হযরত বড় হুজুর ও ছোট হুজুর (রাহ:) এর মাজার জিয়ারত করেন এবং মাদ্রাসা সংলগ্ন মার্কেটের সামনে পথসভায় বক্তব্য রাখেন। গারাংগিয়ার পীর সাহেব হযরত শাহ মাওলানা আনোয়ারুল হক ছিদ্দিকীর সভাপতিত্বে পথসভায় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদা মমতাজুল ইসলাম ছিদ্দিকী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক নুরুল আবছার চৌধুরী, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি লুৎফুর রহমান, এডিশনাল পিপি কামাল উদ্দিনসহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।পথসভায় বক্তব্যে প্রফেসর ড. আবু রেজা নদভী এমপি বলেন, বিগত পাঁচ বছরে দীর্ঘ উন্নয়ন বঞ্চিত সাতকানিয়া লোহাগাড়ার উন্নয়নে দুই হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে বলেন, তাঁর গৃহীত ভবিষ্যত মেগা প্রকল্প গুলো বাস্তবায়িত হলে সাতকানিয়া লোহাগাড়া হবে দেশে উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি আগামী জাতীয় একাদশ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় দিয়ে অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগদানের জন্য জনগনের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর