ভোটকেন্দ্রে থাকবে নিরাপত্তা বাহিনীর ১৪,৩৭০ সদস্য
২৫,জানুয়ারী,সোমবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হচ্ছে আজ। এখন ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে কেন্দ্রে কেন্দ্রে। আজ নগরীর ৭৩৫টি ভোট কেন্দ্রে শুরু হচ্ছে ইভিএম সচেতনতায় মক ভোটিং। এবারের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় পুলিশ, Rab, বিজিবি, আনসার মিলিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৪ হাজার ৩৭০ জন। এছাড়াও ২০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ৬৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। ইতোমধ্যে ৩০৬টি সাধারণ ও ৪২৯টি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। এসব কেন্দ্রে কোথায় কি পরিমাণ পুলিশ ও আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবে তাও নির্ধারণ করা হয়েছে। গতকাল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে মতবিনিময় শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা সাংবাদিকদের বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আছে। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ভোটকেন্দ্রগুলো ভোটগ্রহণের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, এখনো পর্যন্ত ভোটের পরিস্থিতি ভালো আছে। ছোটখাট কিছু ঘটনা ঘটলেও তা কমে এসেছে। আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে যেখানেই সমস্যা হচ্ছে সেখানেই নজরদারি বাড়ানোর কথা বলেছি। এখন ভোটগ্রহণের পূর্ণ প্রস্তুতি চলছে। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় পুলিশ, আনসার, Rab ও বিজিবি সদস্য মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবে। ম্যাজিস্ট্রেট, মোবাইল টিম, স্ট্রাইকিং ফোর্সও ভোটের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করবে। জানা যায়, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৭৩৫টি ভোটকেন্দ্রকে ঘিরে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে মোবাইল ফোর্স, প্রতি তিনটি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি স্ট্রাইকিং ফোর্স, প্রতি থানায় একটি করে রিজার্ভ স্ট্রাইকিং, প্রতিটি ওয়ার্ডে Rabর একটি টিম, প্রতি দুটি সাধারণ ওয়ার্ডে এক প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন থাকবে। নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে ৩০৬টি সাধারণ ও ৪২৯টি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে। সাধারণ ৩০৬টি কেন্দ্রে একজন উপ-পরিদর্শক অথবা সহকারী উপ-পরিদর্শক ও তিনজন কনস্টেবল মিলিয়ে পুলিশের চারজন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। গুরুত্বপূর্ণ ৪৩৯টি কেন্দ্রে একজন উপ-পরিদর্শক অথবা সহকারী উপ-পরিদর্শক ও পাঁচজন কনস্টেবল মিলিয়ে পুলিশের ছয়জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ৭৩৫টি ভোটকেন্দ্রে পুলিশ থাকবে তিন হাজার ৭৯৮জন। এছাড়াও মোবাইল টিমের সাথে ৪১০জন ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সাথে ১৪০জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। সবমিলিয়ে ভোটের মাঠেই পুলিশ থাকবে চার হাজার ৩৪৮জন। আনসারের দুইজন অস্ত্রসহ পিসি-এপিসি ও দশজন লাঠিসহ অঙ্গীভূত আনসার মিলিয়ে প্রতিটি কেন্দ্রে মোট ১২জন করে দায়িত্ব পালন করবেন। সে হিসেবে আট হাজার ৮২০জন আনসার সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। ৪১টি ওয়ার্ডের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমান টিম হিসেবে ৪১ প্লাটুনে ৪৯২জন Rab সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতি প্লাটুনে ৩০জন হিসেবে ২৫টি বিজিবির টিম নির্বাচনী মাঠে থাকবেন। এছাড়াও ৬৯জন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন নির্বাচনে। এদিকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হচ্ছে আজ। নির্বাচনে অংশ নেওয়া সাতজন মেয়র প্রার্থীসহ ৪১টি সাধারণ ও ১৪টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডেও ২৩৬জন কাউন্সিলর প্রার্থী ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন। শেষ সময়ে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় সময় পার করছেন। নির্বাচনী মাঠে যেখানেই ঘাটতি লক্ষ্য করছেন সেখানেই দৌঁড়ঝাপ করছেন প্রার্থীরা। প্রচারণার মাঠে দাপট রেখেই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নির্বাচনী মাঠে লড়তে চায় সকল প্রার্থী। আজকে রাতে ভোটের প্রচারণা শেষ হলে ঘরে বসেই নির্বাচনী কর্মযজ্ঞে মাতবেন প্রার্থীরা।
সদরঘাট ঘাট গুদাম শ্রমিক লীগের জনসভা
২৫,জানুয়ারী,সোমবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্ট্র্যান্ড রোডস্থ মাঝির ঘাটে আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীর সমর্থনে সদরঘাট ঘাট গুদাম শ্রমিক লীগের উদ্যোগে শনিবার সকালে শ্রমিক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী। ইদ্রিস হাওলাদের সভাপতিত্বে ও নাসির উদ্দিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন আলাউদ্দিন মিয়া, তোফায়েল আহমেদ, মুশিকুর রহমান, আশকার ইবনে শায়েক খাজা, বিএম মো. জাফর, সুলতান আহম্মদ, মো. মহিউদ্দিন, লুৎফর রহমান, মিরণ হোসেন মিলন, উজ্জ্বল বিশ্বাস, মো. জাহাঙ্গীর, নুরুল আলম লেদু, হারুণুর রশিদ রণি, জাহাঙ্গীর বেগ, শাহ আলম ভুঁইয়া, ওমর ফারুক প্রমুখ।
মধ্যরাত থেকে বন্ধ হচ্ছে প্রচারণা
২৫,জানুয়ারী,সোমবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থী ও দলীয় নেতাকর্মীরা। দম ফেলার ফুরসত মেলেনি এই কদিন। প্রচারণার শুরু থেকেই ছিল উত্তাপ-উত্তেজনা, সহিংসতা ও খুনোখুনি। ভোটগ্রহণ নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন প্রার্থী ও ভোটাররা। করোনাসংক্রমণের কারণে স্থগিত করা হয়েছিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন। গত ৮ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়। ভোটের মাঠে মেয়র পদে প্রার্থী রয়েছেন সাতজন। সংরক্ষিত ১৪ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে আছেন ৫৭ জন। ৪১ সাধারণ ওয়ার্ডের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৩৯ ওয়ার্ডে। ১৮ নং ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন সাবেক কাউন্সিলর মো. হারুনুর রশিদ। এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ৩১ নং আলকরণ ওয়ার্ডের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। ৩৯ ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছেন ১৬৮ জন। গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, গত ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটির ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা মহামারীর কারণে ২১ মার্চ প্রথম দফায় এবং ১৪ জুলাই দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়। চসিক নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার নয় লাখ ৯২ হাজার ৩৩ জন ও মহিলা ভোটার নয় লাখ ৪৬ হাজার ৬৭৩ ভোট। ৭৩৫ ভোটকেন্দ্রে ভোট দেবেন ভোটাররা। এরমধ্যে স্থায়ী ৭৩৩ ও অস্থায়ী কেন্দ্র দুটি। ভোটকক্ষ চার হাজার ৮৮৬টি। স্থায়ী ভোটকক্ষ ৪,১২২টি ও অস্থায়ী কক্ষ ৭৬৪টি। সব কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট হবে। রিটার্নিং অফিসার ও চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জান বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী আজ সোমবার রাত ১২টা থেকে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। মেয়র পদে সেই অতিপরিচিত নৌকা প্রতীকে মাঠে রয়েছেন নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এম রেজাউল করিম চৌধুরী। ধানের শীষ প্রতীকে রয়েছেন বিএনপি আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন। এছাড়াও মাঠে রয়েছেন ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মাওলানা এম এ মতিন (মোমবাতি), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) আবুল মনজুর (আম), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জান্নাতুল ইসলাম (হাতপাখা), ইসলামিক ফ্রন্টের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ (চেয়ার) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী খোকন চৌধুরী (হাতি)। চট্টগ্রাম সিটি করপোরশন নির্বাচনে এবার প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একই সঙ্গে সবকটি কেন্দ্রে ইভিএম মেশিনে ভোটগ্রহণ করা হবে। তবে কাউন্সিলর প্রার্থীরা লড়বেন নিজস্ব প্রতীক নিয়ে। তবে এবার কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে একক প্রার্থিতা ঘোষণা করেছে বড় দুই দল আ. লীগ ও বিএনপি। তবে সরকারি দল আওয়ামী লীগে বেশির ভাগ ওয়ার্ডে বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। প্রচারণার শুরু থেকে পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গেছে নগরীর পাড়া-মহল্লা। মাইকিং, প্রচার-প্রচারণা সরগরম হয়ে উঠেছে নগরী। শেষমুহূর্তে প্রচারণা তুঙ্গে রয়েছে। প্রধান দুই দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতি প্রচারণায় ভিন্নমাত্রা যোগ হয়েছে। গতকাল টিভি চলচিত্র নায়ক-নায়িকারা নৌকা প্রতীকের প্রচারণায় অংশ নেন। প্রচারণার শুরু থেকেই সংঘাত-সহিংতা লেগে রয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের ঘিরে উত্তাপ-উত্তেজনা লেগেই রয়েছে। দুই প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে ২৮নং পাঠানটুলী ওয়ার্ডে আজগর আলী বাবুল নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এছাড়াও বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে সংঘাত-সংঘর্ষ লেগেই রয়েছে। এদিকে, নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে উত্তাপ বেড়েছে। বিএনপি ভোটগ্রহণ নিয়ে শুরু থেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। সংঘাত-সংঘর্ষ ও সহিংসতার কারণে ভোট নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রয়েছেন ভোটাররাও। প্রচারণার শুরু থেকে বড় দুই দল ভিন্নভাবে প্রচারণায় নেমেছে। সরকারি দল আওয়ামী লীগ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ও বিএনপি ভোটারাধিকার, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের স্লোগান নিয়ে মাঠে নেমেছিল। নির্বাচনী আচরণবিধির কারণে মন্ত্রী-সাংসদেরা প্রচার-প্রচারণায় নামতে পারবেন না। তারপরও আওয়ামী লীগের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা, মন্ত্রী ও সাংসদ চট্টগ্রামের অবস্থান করেছিলেন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগও দায়ের করেছিলেন।
চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত আরও ৯২ জন
২৫,জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৯২ জনের। এ নিয়ে চট্টগ্রামে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩২ হাজার ৬৭০ জন। এসময়ে করোনায় একজন মৃত্যুবরণ করেছে চট্টগ্রামে। সোমবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামের ৮টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৩৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ৯৯টি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ২৯৪টি, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৪৬১টি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে চবি ল্যাবে ২০ জন, বিআইটিআইডি ল্যাবে ৯ জন, চমেক ল্যাবে ২৬ জন এবং সিভাসু ল্যাবে ৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া, বেসরকারি ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ৬৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ১০ জন, শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ৯৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৫ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ১৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ১ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এদিন জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ১২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬ জনের পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ৭১টি নমুনা পরীক্ষা করে কারো শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ৯২ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১ হাজার ১৩৩টি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৮৮ জন এবং উপজেলায় ৪ জন।
একটি আধুনিক ওয়ার্ড উপহার দেওয়াই আমার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য- নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু
২৪,জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ড উত্তর কাট্টলী। ৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ ওয়ার্ডটিতে এক লাখ ৩৫ হাজার মানুষের বসবাস। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যখন কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের ডাক দেয় তখন প্রথমেই পরিকল্পনা করে নগরীকে অবরুদ্ধ করার। আর সেই স্থানটি বেছে নেয়া হয় এই ওয়ার্ডে অবস্থিত সিটি গেইট এলাকাকে। নানান কারণে দেশজুড়ে আলোচিত এই ঐতিহ্যবাহি ওয়ার্ডটি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও রাজনীতির তীর্থস্থান বলে খ্যাত। এই ওয়ার্ডে যেমন দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা জন্মগ্রহণ করেছেন, তেমনি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ নানান পদে নেতৃত্বও দিচ্ছেন এই ওয়ার্ডের অধিবাসীরা।চট্টগ্রাম- ৪ সংসদীয় আসনে নগরের যে দুটি ওয়ার্ড সংযুক্ত এর একটি ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড। এই আসনের সংসদ সদস্যের আবাসস্থলও এই ওয়ার্ডে। সাবেক মন্ত্রী মরহুম নূরুল হক চৌধুরী, জহুর আহমদ চৌধুরী, সাবেক প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ও মন্ত্রী মাহমুদুন্নবী চৌধুরী, আলিমুল্লাহ চৌধুরী, গবেষক মওলানা তমিজুর রহমান চৌধুরী, শিক্ষক মোহাম্মদ জামান হেডমাস্টার, ভাষা সৈনিক বদিউল আলম চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী যেমন এই এলাকার সন্তান, তেমনি সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম, ডেপুটি মেয়র এম আবু নাছের চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. অধ্যাপক ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীসহ দেশের অন্যতম বৃহত ব্যবসায়ী গ্রুপের কর্ণধার, সরকারের সচিব, যুগ্মসচিব, জনপ্রিয় অভিনেত্রী, জাতীয় খেলোয়ার, আন্তর্জাতিক আম্পায়ার ছাড়াও চট্টগ্রামের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নানান অঙ্গণের খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বদের নাড়ির সূত্র এই উত্তর কাট্টলী। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে নগরজুড়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণা। ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে গত দুইবার কাউন্সিলর পদে জনপ্রতিনিধিত্ব করছেন নগর আওয়ামী লীগের সদস্য ড. নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু।বিগত দুই বারের মেয়াদকালে তিনি উক্ত ওয়ার্ডে যে পরিমান উন্নয়ন করেছেন, সেই পরিমান উন্নয়ন চসিকের অন্য ওয়ার্ডে হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। কাউন্সিলর থাকা অবস্থায় রাস্তা-ঘাটের উন্নয়নের পাশাপাশি ওয়ার্ডে সুপেয় পানির যে ঘাটতি রয়েছে তা মেটানোর জন্যে অধিকাংশ বাড়িতে ওয়াসার সংযোগ স্থাপন করেছেন, তবে কিছু জায়গা দুর্গম হওয়ায় সেখানে ওয়াসার সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। এছাড়াও এলাকার সৌন্দর্য বর্ধনে অলংকার মোড়ে শেখ রাসেল চত্বর নির্মাণ, সিটি গেইটের সৌন্দর্য বর্ধন, কর্ণেলহাট ফুটওভার ব্রিজের সৌন্দর্য বর্ধনসহ বেশ কিছু কাজ করেছেন। সব মিলিয়ে গত ৫ বছরে আমি ৬০ কোটি টাকার বরাদ্দ পেয়েছি, যার মধ্যে ৪০ কোটি টাকার কাজ সমাপ্ত করেছেন । তিনি করোনা মহামারীতে নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে এলাকা বাসির সেবায় রাত দিন অকাতরে কাজ করে গেছেন। এলাকার যে কোনো কাজে থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের এবং অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দের এবং এলাকার সাধারণ মানুষের মতামতকে প্রাধান্য দিতেন এবং তাদের সঙ্গে নিয়ে একসাথে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতেন। বর্তমানে চসিকের নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাকে মূল্যায়িত করে পুনরায় উক্ত ওয়ার্ডের দলীয় কাউন্সিল হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন। ইতিমধ্যে এলাকাবাসীর সুখে দুঃখের সাথী, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ যোগ্য কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে করোনা মহামারীর শুরু থেকে সর্ব্বখনিক এলাকার জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন এবং জোনভিত্তক লকডাউনের আওতায় চট্টগ্রামে প্রথম লকডাউন এলাকা ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে মেধা এবং যোগ্যতার মাধ্যমে লকডাউন সফল করেছেন তিনি। তিনি বলেন, আমি বিগত দিনে উত্তর কাট্টলী বাসির সেবায় সর্বদায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি , এবারও ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে নৌকা ও মিষ্টি কুমড়া প্রতীকের জনজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে , আমি নির্বাচিত হলে আমার এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত একটি আধুনিক ওয়ার্ড হিসেবে উপহার দিবো।
সকালে কেন্দ্রে গিয়ে নৌকায় ভোট দিন: রেজাউল করিম চৌধুরী
২৪,জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভোটের দিন সকাল সকাল কেন্দ্রে গিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে শিক্ষকদের অনুরোধ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী। রোববার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ অনুরোধ জানান। চবির বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সুলতান আহমেদের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার। রেজাউল করিম বলেন, আমরা অনেকে মনে করি- আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে, প্রার্থী আওয়ামী লীগ দিয়েছে। সুতরাং হয়ে যাবে। এটা কিন্তু মাথা থেকে ফেলে দিতে হবে। মাথায় এই জিনিষটা রাখবেন না। তিনি বলেন, আপনারা সবাই ২৭ তারিখ নিজে ভোট দিতে যাবেন। প্রথম পর্যায়ে গিয়ে সবাই ভোটটা দেবেন। পরিবারে যারা ভোটার আছেন- তাদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসবেন। সবাই নৌকায় ভোট দেবেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল বলেন, আপনারা মনে রাখবেন- আমরা এখন যুদ্ধে আছি। আমাদের যুদ্ধ সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আমাদের যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হলে চট্টগ্রাম শহরের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং গবেষণা খাতে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম।
চসিক নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু রয়েছে, দাবি সিইসির
২৪,জানুয়ারী,রবিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু রয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। রোববার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামে সার্কিট হাউসে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আশ্বস্ত করার মতো নির্বাচনী পরিবেশ বিরাজ করছে। বিপুল পরিমাণ মানুষ প্রচারণায় অংশগ্রহণ করছে। পোলিং এজেন্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে নির্বাচন কর্মকর্তাদের। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ভোট সংশ্লিষ্ট কাজে যারা নিয়োজিত থাকবেন তাদের সকল প্রার্থীর প্রতি সমান নজর রাখতে হবে। যাতে এটি নিয়ে কোনো প্রশ্ন না উঠে। তিনি আরও বলেন, ইভিএম ভোটারদের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। নির্বাচনের বর্তমান পরিবেশ ধরে রাখতে হবে। সকল প্রার্থী যেন সমান অধিকার পায় এবং নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে চলে সেটি সবাইকে লক্ষ্য রাখতে হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ, জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন, সিএমপি কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান প্রমুখ।
দৈনিক সকালের সময় এর ৪র্থ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে পাঠকের সাথে আলোচনা সভা
২৪,জানুয়ারী,রবিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দৈনিক সকালের সময়- ৪র্থ বর্ষপূর্তি ৫ম বর্ষে পর্দাপন উপলক্ষে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে চট্টগ্রাম ব্যুরোর উদ্যোগে পাঠকের সাথে আলোচনা সভা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী, সংগঠনের প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও পাঠকের ভালবাসায় সিক্ত হন দৈনিক সকালের সময় পরিবার। সকালের সময় চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান এস. এম পিন্টুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সাবেক বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য চেমন আরা তৈয়ব, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের শিল্প বিষয়ক উপদেষ্ঠা ও সাবেক সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান দিদারুল কবির দিদার, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম জেলা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি এডভোকেট কামরুন নাহার, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব দিপক কুমার পালিত, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক মীর মোহাম্মদ মহিউদ্দীন, বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন সভাপতি মহিউদ্দীন আহম্মদ, চট্টগ্রাম ফিল্ড হসপিটাল পরিচালক ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ওসমান কায়কোবাদ, বিএনএন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট মাসুদুল আলম বাবলু, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হাসেন লিপু, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী আবুল মঞ্জুর লিমন, এনপিপি চট্টগ্রাম মহানগর সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার উদ্দীন, ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক যুগ্ম পরিচালক বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ, চট্টগ্রাম রিপোর্টার ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর আলম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল আলম তালুকদার, দক্ষিণ জেলা যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক রাজু দাশ হিরো, সিনিয়র সহ সভাপতি শফিকুল ইসলাম রাহী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল কবির ফজলু, মুক্তিযোদ্ধা পূর্ণবাসন সোসাইটির হাসানুল আলম মিথুন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এলডিপি নেতা সাইফুর রহমান, রিভিউ মানবাধিকার পটিয়া উপজেলা সভাপতি আবু তাহের চৌধুরী, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল আলম লিমন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারা পরিদর্শক আব্দুল হান্নান লিটন, চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের মহাসচিব সাংবাদিক কামাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শহিদুল আলম, পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আলমগীর আলম, দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক নিলুফা জাহান বেবী, খুলশী খানা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত হোসেন, জাতীয় শ্রমিক লীগ চট্টগ্রাম মহানগর নেতা উজ্জ্বল বিশ্বাস ও নজরুল ইসলাম খোকন, বেলাল হোসেন, শ্রমিক নেতা আকতার হোসেন মাস্টার, ব্যবসায়ী নেতা নুরুল আলম শিপু, সাংবাদিক কামাল পারভেজ, নাছির উদ্দীন চৌধুরী, রিয়াজুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম, মেজবাহ খালেদ, গোলাম সওরয়ার, আলী আক্কাস নুরী,স.ম জিয়াউর রহমান, বিপ্লব বড়ুয়া বিজয়, সুমন বড়ুয়া, প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন, শিল্পী শিউলী বেগম,নুপুর আকতার, সমীরন পাল, হানিফ চৌধুরীসহ বিটিভি ও বেতার শিল্পীরা অংশ গ্রহণ করেন। দৈনিক সকালের সময় বর্ষপূতি উৎসব কেক কেটে, আলোচনা সভা শেষে সমাজের বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে অবদান রাখায় বিশিষ্ঠ ব্যক্তিদের সম্মানা প্রদান করা হয়।
চট্টগ্রাম গণহত্যার নির্দেশদাতারা গণদুশমন: ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ
২৪,জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি বলেছেন, ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি এই চট্টগ্রামে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার প্রচেষ্টা হয়েছিল। সেদিন তিনি নেতা-কর্মীদের প্রতিরক্ষায় বেঁচে গিয়েছিলেন। এরপর তাঁকে ২৪ বার হত্যার অপচেষ্টা হয়েছে। বাংলার জনগণ ও জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনী তা প্রতিহত করেছেন। রোববার (২৪ জানুয়ারি) সকালে আদালত ভবনের সামনে শহীদ বেদি চত্বরে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের স্মরণানুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, বিচার প্রক্রিয়ার দুর্বলতার কারণে ২৪ জানুয়ারির গণহত্যার বিচার জাতি পায়নি। আমি আশাবাদি, দেশে আইনের শাসন চলছে। আইন মোতাবেক বিচার হবেই। চট্টগ্রাম গণহত্যার নির্দেশদাতারা গণদুশমন। দীর্ঘ ৩১টি বছর পেরিয়ে গেলেও এই নারকীয় হত্যাযজ্ঞের মামলাটি আজও নিষ্পত্তি হয়নি। এই হত্যাকাণ্ডের বিচারে দোষীদের যাতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়, আর যাতে কোনও দলীয় উচ্চ রাজনৈতিক সমাবেশে ঘৃণ্য ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ড না ঘটে, সুস্থ মননের চর্চা যাতে রাজনীতিতে চালু হয় সেজন্য এই হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার আজ সময়ের দাবি। আওয়ামী লীগের সংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আকুল আবেদন জানাই- ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি সংঘটিত গণহত্যার বিচার নিষ্পত্তি হোক। এই বিচার প্রক্রিয়ায় যারা বাধা দিচ্ছে, তাদেরও শনাক্ত করে ন্যায়বিচার করুন। তৎকালীন সময়ে যারা স্বৈরাচার বিরোধী লড়াইয়ে চট্টগ্রামে ছিলেন তারা এই মঞ্চে উপস্থিত আছেন। সেই ত্যাগী সাবেক ছাত্র ও যুব নেতাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তারা আমাদের রাজনৈতিক লড়াইয়ে পাথেয়। দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ এমপি বলেন, জনগণের দুশমন স্বাধীনতাবিরোধীরা কখনো ক্ষমতায় আসতে পারে না। এরা পাকিস্তানি ভাবাদর্শে বিশ্বাসী। এরা দেশকে পেছনের দিকে ঠেলে দিতে চায়। তাদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। বাংলাদেশ এখন শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের রোল মডেল। আমরা বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছি। এই অবদান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, যারা বাংলা ও বাঙালিকে অস্বীকার করে তারা জাতি ও মানবতার শত্রু। বিবেকহীন এই পাষণ্ডদের শাস্তি পেতেই হবে। এই মুহূর্তে বিভেদ আর নয়, ঐক্যই আমাদের শক্তি। এই সত্যকে উপলব্ধি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালী করতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ২৪ জানুয়ারির গণহত্যা ছিল সুপরিকল্পিত। সেদিন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করে স্বৈরশাসন চিরস্থায়ী করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু তারা সফল হতে পারেনি। মহানগর আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরীর সঞ্চালনায় স্মরণানুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সুনীল কুমার সরকার, অ্যাড. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, প্রদীপ কুমার দাশ, শফিকুল ইসলাম ফারুক, মশিউর রহমান চৌধুরী, মাহবুবুল হক মিয়া, আবদুল আহাদ, আবু জাফর, খোরশেদ আলম, আবুল মনসুর, বখতিয়ার উদ্দিন খান, মহব্বত আলী খান, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, হাজী ছিদ্দিক আলম, সাহাব উদ্দিন আহমেদ, আনছারুল হক, জানে আলম প্রমুখ।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর