হেফাজত ও আহলে সুন্নাতের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ নিয়ে চট্টগ্রামে উত্তেজনা
০৪ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মহানগরীতে এক স্থানে একই সময়ে পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ডেকেছে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত ও হেফাজতে ইসলামী। এ নিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দু’দলের নেতাকর্মীদের মাঝে ইতিমধ্যে সৃষ্টি হয়েছে উত্তেজনা। আগামী বুধবার (৫ই ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরীর অক্সিজেন মোড়ে পাল্টাপাল্টি সমাবেশের ডাক দেয় ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক সংগঠন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত ও কওমি সংগঠন হেফাজতে ইসলাম। হেফাজত নেতারা জানান, শানে রেসালত সম্মেলনের আয়োজনে অনুমতির জন্য পুলিশের কাছে আবেদন জমা দিয়েছেন তারা। অন্যদিকে, জঙ্গি তৎপরতা বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ, মাইজভান্ডার দরবার নিয়ে হেফাজতের আমীর আহমদ শফির কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে আহলে সুন্নাত ওয়াল জমাআতের বায়েজিদ থানা শাখা সুন্নী সম্মেলন আহ্বান করেছে বলে জানান সংগঠনটির নেতারা। আহলে সুন্নতের মিডিয়া প্রধান মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরী এ প্রসঙ্গে বলেন, হেফাজত ইসলামির বিভিন্ন সমাবেশ থেকে মাজার নিয়ে, সুন্নীয়তের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। নিয়মিতভাবে তারা আমাদের কটাক্ষ করে যাচ্ছেন। আমাদের সংগঠনের সিদ্ধান্ত হচ্ছে, এই ঔদ্ধত্য আর মেনে নেয়া সম্ভব নয়। সেজন্য আমরা পাল্টা সমাবেশ ডাকতে বাধ্য হয়েছি। আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআতের নেতা মাছুমুর রশিদ বলেন, হেফাজত কারও ইন্ধনে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। আমরা সম্মেলন করার জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছি। প্রশাসন যদি অনুমতি দেয়, তাহলে দুটি সংগঠনকেই দিতে হবে। কাউকেই না দিলে আমরা সম্মেলন করবো না। সেক্ষেত্রে শোকরানা মাহফিল করে চলে যাবো। হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাইনুদ্দিন আহমেদ রুহী এ প্রসঙ্গে বলেন, শানে রেসালত সম্মেলন আমরা নিয়মিত বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করি। গত ২৩শে জানুয়ারি বহদ্দারহাটে করেছি। ৫ই ফেব্রুয়ারি অক্সিজেন মোড়ে করবো। ২৯শে ফেব্রুয়ারি আন্দরকিল্লায় করবো। প্রতিবছর বড় আকারে করি লালদিঘীতে। আমরা আগে আয়োজন করেছি। হঠাৎ করে তারা (আহলে সুন্নত) একই স্থানে কেন সমাবেশ ডাকলো, সেটা আমাদের বোধগম্য নয়। পাল্টাপাল্টি এই কর্মসূচি নিয়ে হেফাজত নেতা রুহী বলেন, আমরা তো আগে ডেকেছি। তারা পাল্টা ডেকেছে। ধর্মীয় সমাবেশ নিয়ে পাল্টাপাল্টি করা ইসলাম সমর্থন করে না। আমরা রেসালত সম্মেলন করছি, কাউকে ওহাবি কিংবা সুন্নি বানানোর জন্য নয়। আমাদের বক্তব্য নিয়ে যদি তাদের ভিন্নমত থাকে, তবে অন্যসময় কিংবা একই সময় অন্য স্থানে সমাবেশ ডেকে তারা তাদের বক্তব্য জনগণের সামনে উপস্থাপন করতে পারতো। কিন্তু একই দিনে একই সময়ে একই স্থানে সমাবেশ ডেকে তারা পরিকল্পিতভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করছে বলে আমরা মনে করি। আশা করি, প্রশাসন আমাদের সম্মেলনের অনুমতি দেবে এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দেবে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার আমেনা বেগম এ প্রসঙ্গে বলেন, দুই পক্ষই আবেদন করেছে। আমরা দুই পক্ষকেই বোঝানোর চেষ্টা করছি, তারা যেন দূরত্ব বজায় রেখে করেন অথবা সময় পাল্টে সমাবেশ করেন। এটা নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলছি আমরা। দেখি কী হয়।
মুক্তিযোদ্ধা ভবনসহ দক্ষিণ পতেঙ্গায় সাড়ে ২৬ কোটি টাকার বাস্তবায়িত প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন মেয়র
০৪ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৪১ নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ড এলাকায় বাস্তবায়িত ১৬৪ টি রাস্তা উন্নয়ন, ৩ টি ব্রীজ, ৫৯০০ ফুট দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট ৪ টি গাইড ওয়াল নির্মাণ ও ১টি মুক্তিযোদ্ধা ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ২৬ কোটি ১৭ লাখ ৩৩ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। আজ ৪ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ পতেঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর পর্দা উন্মোচন করা হয়। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে বিজয় নগর রাস্তাসমুহের উন্নয়নে ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ৬১ লাখ ৬৪ হাজার ৯'শ টাকা। নিজাম মার্কেট আরসিসি ড্রেইন নির্মান, গুপ্তখাল মাইজপাড়া সড়ক ও চর পাড়া রোড উন্নয়ন কাজে ব্যয় করা হয়েছে ১০ কোটি ৫৫ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। একই প্রকল্পের আওতায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো আলাউদ্দিনের জন্য সাড়ে ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি মুক্তিযোদ্ধা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিনের হাতে ভবনের চাবি হস্তান্তর করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ২০১৫-১৬ থেকে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে আমার দায়িত্ব পালন সময়ে ৪১ নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ড এলাকায় মোট ১৪৯ কোটি ৪৫ লাখ ৯৭ হাজার টাকার উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়িত হয়েছে। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকা, এডিপি, থোক বরাদ্দ বাবদ অর্থ সহায়তায় ওয়ার্ডে এই উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আগামী তে ওয়ার্ড এলাকার উন্নয়নে আরো ৫৫ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিগত সময়ে এই ওয়ার্ডের কাঙ্খিত উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়িত হয়নি। কেন হয়নি তা আমার চেয়ে এলাকাবাসীই ভাল জানবেন। আমাদের মেয়াদে আমরা যত প্রকল্প গ্রহন করতে পারছি বিগত সময়ে তা করা যায়নি। এর পেছনে সমুহ কারন জড়িত। বিগত সরকারের আমলে দেশে বর্তমানের মত এত বড় বাজেট বরাদ্দ করা হয় নি। আবার সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধির লক্ষ্য,দূরদর্শীতার বিষয়ও রয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কাউন্সিলর আলহাজ্ব ছালেহ আহমদ, মহিলা কাউন্সিলর শাহীনুর বেগম, চসিক প্রধান প্রকৌশলী লেঃ কর্নেল সোহেল আহমেদ পতেঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উৎপল বড়ুয়া, চসিক নির্বাহী প্রকৌশলী অসিম বড়ুয়া, প্রকৌশলী আবু সাদাত মো তৈয়ব, প্রকৌশলী আশিকুর ইসলাম,মোঃ আলী, পতেঙ্গা থানা আওয়ামী লীগ নেতা মো ফরিদুল আলম, মুক্তিযোদ্ধা সালেহ জহুর ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সোহেল মাহমুদ,মো গিয়াড উদ্দিন, মো জাবেদ সহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, মহিলালীগ, ছাত্রলীগসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
৪০ হাজার ইয়াবাসহ দুই মোটরসাইকেল আরোহীকে আটক করেছে RAB
০৩ফেব্রুয়ারী,সোমবার,কমল চক্রবর্তী,নিউজ একাত্তর ডট কম: কর্ণফুলী থানাধীন শিকলবাহা চৌমুহনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মোটরসাইকেল আরোহীকে গ্রেফতার করেছে Rapid Action Battalion RAB-7। কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম নগরীতে প্রবেশের সময় তাদের আটক করা হয়। এসময় ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটর সাইকেল জব্ধ করা হয়। সোমবার ৩রা ফেব্রুয়ারি বিকেলে তাদের গ্রেফতার হয় বলে জানান RAB-7এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি মো. মাহমুদুল হাসান মামুন। গ্রেফতারকৃত দুইজন হল- কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার বেথুয়া এলাকার আবু মুছার ছেলে মো. রমিন (২৩) ও একই এলাকার মীর আহমদের ছেলে খোরশেদ আলম (১৯)। RAB-7 এর সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে,কক্সবাজার থেকে ইয়াবা নিয়ে মোটরসাইকেল করে চট্টগ্রাম শহরে ঢুকছিল দুই যুবক। এমন তথ্যের ভিত্তিতে কর্ণফুলী থানাধীন শিকলবাহা চৌমুহনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। তারা মোটরসাইকেলের পেছনে বক্সে ভরে এসব ইয়াবা নিয়ে আসছিল । এএসপি তারেক আরো জানান, গ্রেফতারকৃত দুজনের বিরুদ্ধে কর্ণফুলী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের কর্ণফুলী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে ।
সরকার আগামী ১০ বছরে তিন কোটি উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে
০৩ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ বলেছেন, সরকার আগামী ১০ বছরে তিন কোটি উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। গ্রামে-গঞ্জে অনেক উদ্যোক্তা রয়েছে। তাদের সহযোগিতা দিয়ে শিল্পের মূল ধারায় নিয়ে আসতে হবে। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উদ্যোক্তাদের আরো আগ্রহি তৈরি করতে হবে। বিভাগীয় কমিশনার রোববার চটগ্রাম সার্কিট হাউজে ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) কর্তৃক আয়োজিত ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি এন্ড কোয়ালিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ এবং ইনস্টিটিউশনাল এপ্রিসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। কর্মশালায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মো. নূরুল আলম নিজামীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন এর পরিচালক নিশ্চিন্ত কুমার পোদ্দার, জাতীয় ক্ষুদ্র কুটির শিল্প সমিতি বাংলাদেশ ( নাসিব) এর সভাপতি মির্জা নুরুল গনি শোভন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন (এনপিও) এর উর্ধ্বতন গবেষণা কর্মকর্তা মো. নুজরুল ইসলাম ও উর্ধ্বতন গবেষণা কর্মকর্তা মোসা. ফাতেমা বেগম। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে হলে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো ঢেলে সাজাতে হবে। এর সাথে কারিগরি শিক্ষাও জরুরি বলে মন্তব্য করেন বিভাগীয় কমিশনার। তিনি বলেন, জমির স্বল্পতা থাকায় শিল্প প্রতিষ্ঠান ভার্টিকালী নির্মাণ করা প্রয়োজন। ব্যক্তি, যন্ত্রপাতি, কারখানা, সিস্টেম ইত্যাদি দক্ষ ব্যবহারের মাধ্যমে ইনপুটকে কার্যকরী আউটপুটে পরিণত করাই উৎপাদনশীলতা । এ প্রসঙ্গে বিভাগীয় কমিশনার আরো বলেন, ২০৩০ সালে এসডিজি বাস্তবায়ন করতে হলে দেশের প্রতিটি নাগরিকের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। সকলেরই এ অগ্রযাত্রায় অংশ নিতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো.নূরুল আলম নিজামী বলেন, শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ার ক্ষেত্রে কৃষিজমি ও মৎস্যসম্পদের ক্ষতি করা যাবে না। তিনি বলেন, উৎপাদনশীলতা প্রত্যেক নাগরিকের প্রয়োজন রয়েছে। এতে কর্মচারী-মালিক-ভোক্তা সকলেই সুবিধা পাবেন। উদ্যোক্তাদের সুবিধা দিয়ে শিল্পকে শিল্পের জায়গায় রাখা প্রযোজন। উদ্যোক্তারা জানান, পণ্য বাজারজাত করতে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়, এটা শিথিল করা প্রয়োজন। শিল্প উদ্যোক্তাদের জমি রেজিস্ট্রেশন সহজিকরণ করা প্রয়োজন বলে জানানো হয়। সভায় দাবী করা হয় গুণগত ও মানসম্মত পণ্য উৎপাদনের জন্য উদ্যোক্তাদের পুরস্কার দেওয়া প্রয়োজন। শিল্প নগরী গড়ার ক্ষেত্রে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করার প্রস্তাব করা হয়। সেই সাথে নতুন শিল্প নগরী ঘোষণার সাথে সাথে পানি, বিদুৎ ও গ্যাস সংযোগ দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করা হয়।
এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক
০৩ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিভাগের নবাগত বিভাগীয় কমিশনার এ বি এম আজাদ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন আজ ৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকালে নগরীর জামালখানস্থ ডা. খাস্তগীর সরকারি সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ রোডস্থ কাজেম আলী স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ আবু হাসান সিদ্দিক ও তিন জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এসময় উপস্থিত ছিলেন। পরীক্ষার প্রথম দিন এসএসসিতে বাংলা ১ম পত্র ও দাখিলে কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শন কেন্দ্র পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এ বি এম আজাদ, এনডিসি উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, প্রত্যেক কেন্দ্রে সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। সরকারের নির্দেশনায় পরীক্ষার আগে থেকেই সকল কোচিং সেন্টার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। শিক্ষা বোর্ডও একই ব্যবস্থা গ্রহন করেছে। প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক থাকায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। প্রত্যেকটি কেন্দ্রে ম্যাজিষ্টে ও পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ফোর্স নিয়োগ করা হয়েছে। কেন্দ্র ও আশপাশের ২শ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারী করা হয়েছে। সকলের সহযোগিতা পেলে এসএসসি পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, সবকিছুতেই চট্টগ্রাম সবসময় এগিয়ে থাকে। চট্টগ্রামের এস.এস.সি পরীক্ষা সুন্দর ও সুষ্ঠভাবে অনুষ্টিত হচ্ছে। পরীক্ষার প্রথম দিন সকল পরীক্ষার্থী সময় মতো কেন্দ্রে চলে এসেছে। কেন্দ্রের আশপাশে যেসব ফটোকপিয়ার মেশিন ও ইন্টারনেটের দোকান রয়েছে সেগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কোচিং সেন্টারগুলোতে দিনে ও রাতে অভিযান চালিয়েছি। যেগুলোর বিষয়ে অভিযোগ এসেছে সেগুলো তাৎক্ষনিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আপাততঃ কোন কোচিং সেন্টার খোলা নেই। আশা করি চট্টগ্রাম থেকে কোন প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার সম্ভাবনা নেই। প্রত্যেকটি কেন্দ্রে একাধিক ম্যাজিষ্ট্রেট ও ভিজিল্যান্স টিম রয়েছে। তারা সকলে তৎপর রয়েছে। চট্টগ্রামে যেহেতু নকলের প্রবনতা কমে গেছে বা নেই। এখানকার ছাত্র-ছাত্রীরা যথেষ্ট ভালো। দুস্কৃতিকারীচক্র যারা রয়েছে শুধুমাত্র তাদেরকে দমন করতে পারলে ভবিষ্যতে আর কোন প্রশ্নপত্র ফাঁস হবেনা। এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। প্রশ্নপত্র ফাসেঁর কোন ধরণের গুজবে কান না দেয়ার জন্য তিনি শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের প্রতি আহবান জানান। এদিকে সকাল পৌনে ১১টায় নগরীর চন্দনপুরাস্থ দারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আসিটি) মোঃ আবু হাসান সিদিক।
চট্টগ্রামের মাঝিরঘাটের বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে
০৩ফেব্রুয়ারী,সোমবার,হৃদয় চৌধুরী,সদরঘাট থানা প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিয়ন্ত্রণে এসেছে চট্টগ্রামের মাঝিরঘাট এলাকার রেলওয়ে বস্তির আগুন। তবে পুড়ে ছাই হয়েছে বস্তির অধিকাংশ কাঁচা বসতঘর। জানা যায়, আজ সোমবার ভোরে নগরীর সদরঘাট থানার মাঝিরঘাট এলাকার ওই রেলওয়ে বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি গাড়ি প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বস্তিটির অধিকাংশ কাঁচা বসতঘরই পুড়ে গেছে। পথে বসেছে খেটে খাওয়া মানুষগুলো। মাঝিরঘাট ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক ফরিদ আহমদ নিউজ একাত্তরকে বলেন, ভোর সোয়া ৫টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আমাদের ৪টি ইউনিটের ১৪টি গাড়ি ঘটনাস্থলে যায়। এক ঘণ্টার বেশি সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আগুনে ওই বস্তির অধিকাংশ কাঁচা বসতঘর পুড়ে গেছে। তবে আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে তিনি জানাতে পারেননি। তিনি বলেন, ওই বস্তির পাশে বেশ কিছু গোডাউন ছিল। সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারায় সবগুলো গোডাউন অক্ষত রয়েছে।
জেলা পুলিশ লাইন্সে ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু
০৩ফেব্রুয়ারী,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দামপাড়া পুলিশ লাইন্সের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমানের নির্দেশে গতকাল থেকে ৫ দিন ব্যাপী সিডিএমএস প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। উক্ত কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) শ্যামল কুমার নাথ, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার) অনিন্দিতা বড়ুয়া (পুলিশ সুপার) ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-পিআর ও আইসিটি) মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক। উক্ত কর্মসূচিতে এসআই থেকে সহকারী পুলিশ কমিশনার পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের ১৩০ জন পুলিশ সদস্য অংশগ্রহণ করবেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ২ জন প্রশিক্ষকসহ অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-পিআর ও আইসিটি) মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
পুরুষ মহিলার জন্য স্বতন্ত্র মসজিদ নির্মাণ করা হবে:মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন
০২ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে ফ্রি ওয়াই ফাই জোন করার পরিকল্পনা নিতে যাচ্ছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। আজ রোববার ২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নগরের সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেটের ৫ম তলায় ফুডকোর্ট, সিনেপ্লেক্স ও কিডস জোন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র মার্কেটে ফ্রি ওয়াই ফাই চালু করার প্রসঙ্গ এই কথা বলেন। তিনি বলেন, সিংগাপুর ব্যাংকক মার্কেট প্রত্যেক ফ্লোরে এসি বসানো হয়েছে। এখানে পুরুষ মহিলার জন্য স্বতন্ত্র মসজিদ নির্মাণ করা হবে নেতৃবৃন্দ আছেন এই বিষয়ে আপনাদের সহযোগিতা করতে এবং পদক্ষেপ নিতে হবে এবং এটা এটা মার্কেটের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেটের সভাপতি রফিক মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চসিকের কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল, নাজমুল হক ডিউক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে কর্নেল সোহেল আহমেদ, প্রকৌশলী আবুু তৈয়ব, মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজিম উদ্দীন, ত্রিমাত্রিকের সিইও সৈয়দ মোশাররফ আলী প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মার্কেটের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান চৌধুরী। এসময় কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগ যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ্ব শফর আলী, সিংগাপুর ব্যাংকক মার্কেট পরিচালনা কমিটির আলহাজ আলী নেওয়াজ চৌধুরী, আলহাজ্ব নূর আলম মিয়া,মো আইয়ুব, মো রাশেদ ইকবাল, মো ইউসুফ আলী,মো সালাউদ্দিন আরিফ, মো পারভেজ,মো খোরশেদ,মো বশির, মো মামুন, চট্টগ্রাম দোকান শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন সভাপতি মো আলমগীর, সাধারন সম্পাদক মো জাহাঙ্গীর বেগ, মো তাজ উদ্দিন,সিংগাপুর ব্যাংকক মার্কেট দোকান কর্মচারী সমিতির আহবায়ক মো রাসেল,সদস্য সচিব মো হেলাল উদ্দিন রুবেল প্রমুখ।
সিইউজের সভাপতি সম্পাদককে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সম্মাননা প্রদান
০২ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ একযোগে সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গিকার ব্যক্ত করেছেন। একইসঙ্গে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ আগামী দিনে বিভিন্ন জাতীয় দিবসসহ গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান যৌথভাবে আয়োজনের আশা প্রকাশ করেন। সাংবাদিকদের মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ২ ফেব্রুয়ারি রবিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের পিএইচপি ভিআইপি লাউঞ্জে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে)র নবনির্বাচিত সভাপতি মোহাম্মদ আলী এবং সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুল ইসলামকে দেয়া সম্মাননা অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে প্রেস ক্লাব সভাপতি আলহাজ্ব আলী আব্বাস হিংসা-বিদ্বেষের উর্ধ্বে থেকে সংগঠনের কর্মকান্ডকে গতিশীল করার জন্য নবনির্বাচিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ পুরো কমিটিকে আহ্ববান জানান। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির দুইজন কার্যকরী সদস্য সিইউজের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ দুজনেই গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়েছেন। একইসঙ্গে সংগঠনের উন্নয়নে কাজ করার আহ্ববান জানান চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি। সিইউজের নবনির্বাচিত সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেছেন, এই সম্মাননার মধ্য দিয়ে আমাদের দায়িত্ব আরো বেড়ে গেলো। সবার ভালো পরামর্শগুলো কাজে লাগানোর চেষ্টা করবো। অতীতে যা হয়েছে তা ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ঘোষণা দিয়ে একইসঙ্গে ভবিষ্যতে চলার পথে ভুল হলে ভুলগুলো তুলে ধরার আহ্ববান জানান তিনি। সিইউজের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুল ইসলাম বলেছেন, আগামী দুইবছর সদস্যদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করবে নবনির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটি। একইসঙ্গে বিভিন্ন কর্মকান্ড সম্পাদনে তিনি বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দসহ চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সার্বিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। সভায় নবনির্বাচিত সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদককে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা এবং সম্মাননা স্মারক দিয়ে বরণ করে নেন প্রেস ক্লাব সভাপতি আলহাজ্ব আলী আব্বাস ও ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতৃবৃন্দ। প্রেস ক্লাব যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি সালাহউদ্দিন মো. রেজা, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সহ-সভাপতি শহীদ উল আলম, সিইউজের সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমদ, বিএফইউজের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসিফ সিরাজ, প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, সিইউজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নির্মল চন্দ্র দাশ, প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক, টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি নাসির উদ্দিন তোতা, সিইউজের নবনির্বাচিত সিনিয়র সহসভাপতি রতন কান্তি দেবাশীষ, সহসভাপতি অনিন্দ্য টিটো, যুগ্ম সম্পাদক সবুর শুভ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইফতেখারুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক কাশেম শাহ। এসময় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মনজুর কাদের মনজু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রূপম চক্রবর্তী, গ্রন্থাগার সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিন্টু চৌধুরী, কার্যকরী সদস্য স ম ইব্রাহীম, ক্লাবের প্রবীণ সদস্য মাখন লাল সরকার, স্বপন দত্ত, দেবপ্রসাদ দাস, শতদল বড়য়া, প্রদীপ নন্দী, জামালুদ্দীন ইউছুফ, বিশ্বজিৎ বড়য়া, মুস্তফা নঈম, আলমগীর সবুজ, মোস্তাফিজুর রহমান, খোরশেদুল আলম শামীম, আবুল হাসনাত, সাইদুল আজাদ, তাজুল ইসলাম, রেজা মুজাম্মেল, মাসুদুল হকসহ অনেক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর